Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধেক মানবী – ৫

    ৫

    আজ সকাল থেকেই আকাশ একেবারে পরিষ্কার, ঝকঝকে রোদ উঠেছে। জল নেমে গেছে অনেক রাস্তা থেকে। প্রচুর লোক বেরিয়ে পড়েছে বাড়ি থেকে। কলকাতায় আবার স্বাভাবিক, অর্থাৎ অস্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু হয়ে গেছে। আজ সারা বাড়ি আমাকে অফিস পাঠাবার জন্য ব্যস্ত। মেজমামা গলা সাধা বন্ধ রেখে আমাকে অফিসের আদবকায়দা শেখাচ্ছেন। সহকর্মীদের সঙ্গে কীভাবে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে হয়, সে সম্পর্কে তিনি এত কথা বলতে লাগলেন যে আমার মনে হলো, ডেল কার্নেগির বইটা ওঁর মুখস্থ। বৌদি আমার জন্য আজ স্কুলেই গেল না। মুখখানা বেশ হাসি হাসি। আমাকে হাঁড়িকাঠে পাঠাবার জন্য ভেতরে ভেতরে তা হলে ওর খুবই ইচ্ছে ছিল। মা বলে ফেললেন, আর তো কিছু না, আত্মীয়-স্বজন সবাই বলত, নীলুটা কিছু করে না, জীবনটা নষ্ট করছে, এই কথাগুলোই আমার বুকে বাজত। এখন সবার কাছে মাথা উঁচু করে বলতে পারব, নীলু এক কথায় তিন হাজার টাকা মাইনের কাজ পেয়েছে। ওর যোগ্যতা আছে বলেই তো পেয়েছে!

    আমি জীবনে কোনোদিন এত সকালে ভাত খেতে পারি না। কিন্তু মা খাওয়াবেনই। প্রথম দিন নাকি আমি ক্যান্টিন খুঁজে পাব না। সিট ছেড়ে রাস্তায় গিয়ে খাবার খাওয়াও উচিত না। মেজমামাও বললেন, খেয়ে নে। মুখের গেরাশ ফেলে যেতে নেই। ভাত খেলে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

    বৌদি দাদার একটা পুরনো ঘড়ি পরিয়ে দিল আমার হাতে।

    আটটার মধ্যেই বেরিয়ে পড়ে উঠে পড়লুম একটা মিনি বাসে।

    সুরঞ্জন দত্তরায় বলে দিয়েছিলেন, আমাকে প্রথম দিন জয়েনিং রিপোর্ট দিতে হবে অফিস সুপারিনটেণ্ডেণ্ট প্রিয়নাথ মল্লিকের কাছে। দোতলায় একটা বড় হলঘর আছে, তিনি সেখানে বসেন।

    কিন্তু তাঁর কাছে পৌঁছবার আগেই সুইং ডোরের সামনে একজন আর্দালি আমাকে আটকাল। বেশ বুড়ো মতন চেহারা হলেও চোখ দুটি তীক্ষ্ণ। হাত তুলে জিজ্ঞেস করল, কোথায় যাবেন?

    আমি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারটা বাড়িয়ে দিলুম তার দিকে।

    সে তিন লাইনের সংক্ষিপ্ত চিঠিখানা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ল দেড় মিনিট ধরে। তার পর বলল হুঁ, আজই জয়েনিং! এত ব্যস্তসমস্ত হয়ে ছুটে এসেছেন কেন? ওবেলা এলেও পারতেন।

    আমি ঘড়ি দেখে বললুম, আমাকে যে ঠিক সাড়ে আটটার মধ্যেই আসতে বলা হয়েছে। এখন ঠিক সাড়ে আটটা।

    সেই বৃদ্ধটি নিজের ঘড়ি দেখে বলল, এখনো দু’ মিনিট বাকি আছে। আপনার ঘড়ি ফাস্ট। তা হলে দু’ মিনিট অপেক্ষা করুন!

    দু’ মিনিট আগেও ভেতরে ঢোকা যাবে না, এখানে এত কড়াকড়ি? দাঁড়িয়ে রইলুম দেয়াল ঘেঁষে।

    অন্যান্য পুরুষ ও মহিলারা গট গট করে আমার সামনে দিয়ে হলঘরের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে দরজা ঠেলে, আমার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টি ছুঁড়ে দিয়ে যাচ্ছে কেউ কেউ। আর্দালিটি নিজের টুলে বসে একটা ব্লেড দিয়ে নখ কেটে চলেছে মন দিয়ে। দু’ মিনিটের জায়গায় পাঁচ মিনিট কেটে গেল, তবু সে ভ্রূক্ষেপ করছে না।

    এ তো মহা মুশকিলের ব্যাপার। প্রথম দিনেই অফিস লেট? অথচ আমার কোনো দোষ নেই। আর্দালিটির বেশ ব্যক্তিত্ব আছে, তাকে আর ঘাঁটাতে সাহস হয় না।

    প্রায় মিনিট পনেরো ধরে আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবার পর সে ধীরেসুস্থে উঠে দাঁড়াল। তারপর জিজ্ঞেস করল, যাবেন?

    অদ্ভুত প্রশ্ন। আমি এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি কি এই বুড়োটার মুখ দেখবার জন্য? কিন্তু মাথা গরম করলে চলবে না।

    আর্দালিটি আমাকে নিয়ে দরজা ঠেলে ভেতরে চলে এল।

    খবরের কাগজে-টাগজে লেখে যে বেশির ভাগ অফিসেই নাকি কর্মচারিরা ঠিক সময় আসে না, এক ঘণ্টা দু’ ঘণ্টা পরে তারা হেলতে-দুলতে ঢোকে। কিন্তু সেই বর্ণনার সঙ্গে তো এখানকার দৃশ্য মিলছে না। হলঘরটার মধ্যে প্রায় গোটা চল্লিশেক টেবিল, প্রায় প্রত্যেকটাতেই দু’জন-তিনজন করে লোক বসে আছে। অনেকেই এর মধ্যে মন দিয়ে কাজ করতে শুরু করেছে।

    ঢুকেই ডান পাশের বড় টেবিলটা সুপারিনটেনডেন্ট বা বড়বাবুর। তিনি হাজিরার খাতাটার পাতা ওল্টাচ্ছেন নিবিষ্টভাবে।

    প্রিয়নাথ মল্লিকের নামের সঙ্গে কিংবা তাঁর পদের সঙ্গে চেহারাটা একেবারেই মেলে না। সাফারি সুট পরা এক বিশাল বলশালী পুরুষ, জামা ভেদ করে ফুটে উঠেছে তার দু’ বাহুর মাস্ল আর চওড়া বুক। গত শতাব্দীতে জলদস্যুদের সর্দার হলে এঁকে মানাত, এ যুগেও পর্বত অভিযাত্রী কিংবা বক্সিং চ্যাম্পিয়ন হতে পারতেন, তার বদলে নিছক একটা অফিসের বড়বাবু হয়েছেন। কেরানিদের বড়বাবু হতে গেলে এত বড় চেহারার কী দরকার? হিন্দি সিনেমার ভিলেন হলেও রোজগার করতে পারতেন অনেক বেশি টাকা।

    আর্দালিটি বলল, বড়বাবু, এই যে এসে গেছে!

    বড়বাবু আমার নিয়োগপত্র বিষয়ে কোনো কৌতূহল প্রকাশ করলেন না, চিঠিখানা একবার দেখেই সরিয়ে রাখলেন পাশে। তারপর আমার মুখের দিকে খানিকটা যেন বিরক্তির দৃষ্টি দিয়ে বললেন, আজই জয়েন করতে চান, না কাল আসবেন?

    আমি শুকনো গলায় বললুম, আমাকে তো আজই আসতে বলা হয়েছে। তিনি একবার নিজের হাতঘড়ি, তারপর অফিসের দেয়ালঘড়ি, তারপর আমার হাতের দিকে চেয়ে রইলেন। আপনমনে বললেন, আজই জয়েন করতে চান? ঠিক আছে। আপনি একটু দাঁড়ান।

    বড়বাবু উঠে গিয়ে অন্য তিন-চারজন লোককে ডাকলেন। তারপর নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কী সব যেন আলোচনা করতে লাগলেন কয়েক মিনিট ধরে। মাঝে মাঝে তাকাচ্ছেন আমার দিকে।

    আমি কি তারিখ ভুল করলাম? নাঃ, আজ তো পয়লা তারিখ ঠিকই। চিঠিতে সেই তারিখই লেখা আছে। অথচ আজ এসে পড়ে যেন কোনো অন্যায় করে ফেলেছি!

    একটু পরে বড়বাবু ফিরে এসে বললেন, ঠিক আছে। জয়েন করুন। আসুন আমার সঙ্গে।

    বাঁ দিকে একেবারে কোণের একটা টেবিলের কাছে এসে তিনি বললেন, বসুন এখানে। ঐ পুরোনো গেলাশে জল খাবেন না, একটা নতুন গেলাশ দিচ্ছে। পিন, জেমস ক্লীপ যা দরকার হবে, চেয়ে নেবেন।

    তারপর তিনি চলে যেতে যেতে হাঁক দিলেন, এই বৈকুণ্ঠ, এখানে একটা গেলাশ দিয়ে যাও!

    টেবিলটা ছোট, একদিকে প্রচুর চিঠিপত্র, তার ওপরে তিন-চারখানা পেপার ওয়েট। আর কোনো জিনিস নেই।

    আমি সন্তর্পণে চেয়ারটায় বসলুম।

    দু’পাশের টেবিলে কয়েকজন খুব মন দিয়ে কাজ করছেন। একবার তাকালেনও না আমার দিকে। কাছাকাছি সব টেবিলের কর্মীরাই কাজে খুব মগ্ন। দু’জন মহিলাও রয়েছেন, কেউ একটা শব্দও উচ্চারণ করছেন না।

    এ কোথায় এলুম রে বাবা!

    আমার ধারণা ছিল, নতুন কেউ কাজে যোগ দিতে এলে সবাই তাকে ঘিরে ধরে। আলাপ পরিচয় করে, কাজ বুঝিয়ে দেয়। কেউ কেউ হয়তো বলতেও পারে, চাকরি পেয়েছেন, প্রথম দিন খাওয়ান আমাদের। সেই জন্য মেজমামা আমাকে একটা একশো টাকার নোটও গুঁজে দিয়েছেন পকেটে। কিন্তু কেউ কোনো কথাই বলছে না এখানে!

    গোমড়ামুখো বড়বাবুটি আমাকে কোনো কাজের কথাও বুঝিয়ে দিলেন না। প্রথম দিন একটু সাহায্য না করলে কেউ কাজ শুরু করতে পারে? আমি কি বসে বসে শুধু হাঁ করে তাকিয়ে থাকব?

    টেবিলটার দু’পাশে চারখানা ড্রয়ার। একটা ড্রয়ার টেনে খুললুম। তার মধ্যে দুটো দেশলাই, একটা নস্যির কৌটো, কোনো ব্যাঙ্কের পাশবই, কিছু খুচরো পয়সা, এইসব রয়েছে। এই রে, অন্য কারুর জিনিস!

    ঝট করে বন্ধ করে দিলুম ড্রয়ারটা। অন্যগুলো খুলতে সাহস হলো না।

    এই টেবিলে, এই চেয়ারে অন্য একজন বসত, সে হয়তো প্রমোশন পেয়ে কিংবা অন্য চাকরিতে চলে গেছে। নিজের ব্যক্তিগত জিনিসগুলো ফিরিয়ে নিয়ে যায়নি কেন? যে-কোনো সময় লোকটা হয়তো আসবে, এলে বলবে, অ্যাই, আমার ড্রয়ারে হাত দিয়েছ কেন?

    ডেল কার্নেগির এক নম্বর উপদেশই হচ্ছে, প্রথম দিন অফিসে গিয়ে সব সহকর্মীদের দিকে হাসি হাসি মুখ করে তাকাবে। কেউ যেন তোমাকে গোমড়া কিংবা চালিয়াৎ বলে মনে না করে। (আমি ডেল কার্নেগির বই পড়া দূরে থাক, কখনো সে বই চোখেও দেখিনি। মেজমামা উবাচ।)

    কিন্তু যাদের দিকেই তাকাই, কেউ আমার চোখে চোখ ফেলে না পর্যন্ত, চট করে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। এমনকি মহিলারাও! আমার চেহারা কি এতই কুৎসিত? কিংবা কোনো রেপ কেসের আসামীর সঙ্গে আমার মুখের মিল আছে?

    একজন ছোকরামতন বেয়ারা আমার টেবিলে একটা জলভর্তি গেলাশ রেখে বলল, এই নিন! আর কিছু লাগলে বলবেন।

    ছোকরাটির মুখের রেখায় ও চোখের ভঙ্গিতে যেন সূক্ষ্ম বিদ্রূপের হাসির ইঙ্গিত। আমার কিছু লাগবে কিনা তা না শুনেই সে পেছন ফিরল।

    র‍্যাগিং? ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা ডাক্তারি কলেজগুলোতে প্রথম বছরের ছাত্রদের ওপর যে-রকম র‍্যাগিং করা হয়, এই কমার্শিয়াল ফার্মগুলোতেও সেরকম প্রথা আছে নাকি? তা ছাড়া এদের এরকম অদ্ভুত ব্যবহারের আর কি ব্যাখ্যা হতে পারে!

    একজন মধ্যবয়স্ক লোক অন্যান্য টেবিল কাটিয়ে আমারটার সামনে এসে দাঁড়িয়ে, একগাদা বন্ধ খাম ও খোলা চিঠি হাতে নিয়ে ভুরু কুঁচকে বললেন, এই নাও ভাই, এগুলো ফ্রান্স, কানাডা আর দুর্গাপুরে যাবে। আর বাকিগুলো যাবে আমাদের বম্বে অফিসে। দীনেন, চিঠিগুলো ফেলে রেখ না, আজই পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থা করো!

    হঠাৎ তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে চমকে গিয়ে বললেন, আরে এ কে? এ তো দীনেন নয়?

    আমি খুবই বিনীতভাবে বললুম, আজ্ঞে, আমি আজ থেকে জয়েন করেছি। নতুন।

    ভদ্রলোক কেমন যেন উদ্‌ভ্রান্ত হয়ে গেলেন। ডান দিকে বাঁ দিকে তাকাতেই অন্য কয়েকটি টেবিল থেকে কয়েকজন হা-হা করে হেসে উঠল। কেউ কেউ আরও বেশি মজা করবার জন্য চাপড় মারতে লাগল টেবিলে।

    মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটি টেবিলের ওপর থেকে সব কটা চিঠি খামচে তুলে নিয়ে দ্রুত ফিরে গেলেন। বাক্যব্যয় করলেন না আর একটিও!

    অন্যদের হাসিতে যোগদান করার জন্য আমি মাথা ফেরাতেই আবার সবার মুখে কুলুপ, সবারই কাজের প্রতি খুব মনোযোগ!

    একটা বাজার সঙ্গে সঙ্গে লাঞ্চ আওয়ারে ফাঁকা হয়ে গেল অফিস।

    আমি সকালে ভাত খেয়ে এসেছি, এখন খিদে পাওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। তা ছাড়া আমার চাকরির শর্তই হচ্ছে সর্বক্ষণ চেয়ারে বসে থাকা। প্রথম এক বেলা আমি কোনো কাজই করিনি বলে আমার অস্বস্তি লাগছে। কিছু কাজ না করেও কি মাইনে নেওয়া উচিত?

    অবশ্য কাজে ফাঁকি সবাই দেয়। ফাঁকি না দিলে ওভারটাইম হবে কী করে? কাজের ভান করেও অনেক সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু আমাকে তো কোনো কাজই দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে থেকে কয়েকজন পিওন চিঠিপত্র নিয়ে এসেছে, আমি দেখেছি, কিন্তু তাকে আমার টেবিল পর্যন্ত পৌঁছতেই দেওয়া হয়নি, অন্য কেউ না কেউ তাকে ডেকে তার সব চিঠিপত্র নিয়ে নিচ্ছে

    এ-রকম র‍্যাগিং ক’দিন চলে?

    লাঞ্চের পর কিন্তু সকলে ফিরল না। সুরঞ্জনবাবু বলেছিলেন, দুপুরবেলা রাস্তায় টো টো করে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অধিকাংশ কর্মচারির বাতিক। টেবিলগুলো ফাঁকা ফাঁকা দেখাচ্ছে। সকালে যারা কাজে মনোযোগী ছিল, এখন তারা মেতে উঠল গল্পে। এর মধ্যে একজন কেউ আমার নাম পর্যন্ত জিজ্ঞেস করল না।

    একেবারে চুপ করে কতক্ষণ বসে থাকা যায়?

    মানুষের দু’ চোখের মাঝখানে একটা নাক থাকে, কিন্তু এত কাছের জিনিসটাকেও মানুষ অধিকাংশ সময়েই দেখতে পায় না। এখন আমি শুধু নাকটাকেই দেখতে পাচ্ছি!

    টেবিলের এক পাশে যে সব পুরনো চিঠিপত্র ছিল, সেগুলোই পড়তে শুরু করে দিলাম। খুব যে একটা পাঠযোগ্য জিনিস তা বলা যায় না, সব চিঠিই প্রায় একরকম, মালপত্র সাপ্লাই, স্পেয়ার পার্টস, র মেটেরিয়ালস, টেণ্ডার, হ্যানো—ত্যানো। তবু যেমনভাবে আমি চিঠিগুলো পড়ে যেতে লাগলুম, তেমন তন্ময়ভাবে ইস্কুলে লেখাপড়া করলে আমি প্রত্যেক পরীক্ষায় ফার্স্ট হতুম।

    হঠাৎ আমার ঠোটে একটা দুঃখ-দুঃখ স্বাদ এসে গেল। পেটের ভেতর থেকে ঠেলে ঠেলে উঠছে অভিমান। আমি তো কারুর কোনো ক্ষতি করিনি, তবু এই লোকগুলো আমাকে এমন অবহেলা করছে কেন? মানুষ মানুষকে অকারণে কেন আঘাত দেয়! সবাইকে দেখে ভদ্র, সভ্য, শিক্ষিত মনে হয়, ওরা কি বুঝতে পারছে না, একজন নতুন লোককে এভাবে অগ্রাহ্য করলে তার মনে কতখানি লাগে? এরকম র‍্যাগিং যদি দু’-তিনদিনও চলে, তা হলে আমি এ চাকরি রাখতে পারব না! আমার ব্যবহারে কি কোনো ত্রুটি হয়েছে? নতুন যে আসে, তারই কি ডেকে ডেকে সবার সঙ্গে আলাপ করা উচিত? আমি নিজের থেকে কিছু বলিনি বলেই কেউ আমার সঙ্গে বাক্যালাপ করছে না?

    ঠিক আছে, একবার চেষ্টা করেই দেখা যাক।

    মেয়েরা যেমনভাবে লিপস্টিক মাখে, সেইরকম ভাবে আমি ঠোটে আঙুল ঘষে ঘষে দুঃখ মুছে ফেলে হাসি আঁকলুম।

    আমার পাশের টেবিলটা ফাঁকা হয়ে গেছে। তার পরের টেবিলে বসে আছেন একজন মাঝারি বয়েসের, রোগা চেহারার মানুষ। মুখটা অন্য দিকে ফেরানো।

    আমি বেশ জোরে বললুম, নমস্কার! আমি নতুন এসেছি, আমাকে একটু কাজ বুঝিয়ে দেবেন? যদি দয়া করে একটুখানি…

    ভদ্রলোকটি সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে সাড়ম্বরে অন্য একজনকে বলল, ব্যানার্জি, আমি এখন চললুম, আমাকে আজ একবার দমদম যেতে হবে!

    আমাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে তিনি চলে গেলেন টেবিল ছেড়ে।

    ব্যানার্জি নামে উক্ত ভদ্রলোকটি বললেন, কাজের আঠা! নতুন নতুন যারা আসে, তারা খুব কাজের ক্যারদানি দেখাতে চায়, বুঝলেন দাদা!

    আমার মনে হলো, ওরা আমার গালে ঠাস ঠাস করে চড় মারছে।

    দুপুরটা যারা বাইরে কাটাতে গিয়েছিল, তারা কেউ কেউ ফিরে এল বিকেলের দিকে। এসেই টেবিলের কাগজপত্র গুছিয়ে তারা আবার বেরিয়ে যেতে লাগল। এ অফিস ছুটি হয় সাড়ে চারটেয়।

    দেয়ালঘড়িতে ঠিক সাড়ে চারটে বাজতে দেখে আমিও টেবিল ত্যাগ করলুম। কিছুই কাজ করিনি, তবু সারা শরীর অবসন্ন হয়ে গেছে। এমনভাবে আমি কখনো হেরে যাইনি।

    চাকরি এই জিনিস? আজই এই চাকরির মাথায় পদাঘাত করা উচিত আমার। কিন্তু বাড়িতে সিংহের মত ওঁৎ পেতে বসে আছেন সিঙ্গাপুরের মেজমামা। আমি বেকার থাকলে আত্মীয়-স্বজনের কাছে মায়ের সম্মান নষ্ট হয়। বৌদি অন্য সময় আমার সবরকম খামখেয়ালিপনায় তোল্লা দিলেও মনে মনে তার ইচ্ছে, সংসারে আরও কিছু টাকা আসুক। দাদা ফিরে এসে যদি শোনে আমি তিন হাজার টাকার একটা চাকরি পেয়েও ছেড়ে দিয়েছি, তা হলে নির্ঘাৎ বলবে, এখন থেকে মল্লিকবাড়ির লঙ্গরখানায় ভিখিরিদের সঙ্গে বসে খাবি।

    বড়বাবুর টেবিলের পাশ দিয়ে আসতে আসতে হঠাৎ মনে হলো, আমি তো কোনো হাজিরা খাতায় সই করিনি? অফিসে কাজ করতে গেলে এরকম একটা নিয়ম থাকে না?

    মল্লবীরের মতন চেহারার বড়বাবু একটা ফাইলে ঘ্যাস ঘ্যাস করে কী যেন লিখে যাচ্ছেন। একবার মুখ তুলতেই আমি বললুম, আমাকে কোনো জায়গায় সই-টই করতে হবে না?

    তিনি ভুরু কুঁচকে একটুক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, হ্যাঁ, কিন্তু আপনি তো জয়েনিং রিপোর্ট দেননি?

    —জয়েনিং রিপোর্ট?

    —আজ থেকে যে জয়েন করলেন, সেটা চিঠি দিয়ে জানাতে হবে না? অদ্ভুত ব্যাপার! আমি কি আগে সাত ঘাটের জল খেয়ে এসেছি যে এসব ব্যাপার জানব? প্রথমেই কি ওঁর বলে দেওয়া উচিত ছিল না? আমি কি ওঁর শত্রু? আমাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি, খাতাতেও সই করলুম না, অর্থাৎ আমি যে আজ এসেছি, তার কোনো প্রমাণই রইল না।

    জেদ চেপে গেল। খানিকটা কড়া গলায় বললুম, আপনি কিছু বলেননি। এখন লিখে দিচ্ছি!

    —লিখুন!

    —একটা সাদা কাগজ পেতে পারি?

    —খুঁজে নিন।

    ওঁর টেবিলেই একটা সাদা কাগজের প্যাড রয়েছে। সেটা তুলে নিয়েই লিখে দিলুম তিন লাইনের চিঠি। তারপর জিজ্ঞেস করলুম, খাতা?

    তিনি একটা ড্রয়ার খুলে অত্যন্ত বিতৃষ্ণার সঙ্গে বার করলেন একটা লম্বা খাতা। একটা পাতায় আমার নাম লিখলেন, তারপর ধমকের সুরে বললেন, নিন!

    মানুষকে বেশি অপমান করতে নেই, তা এরা জানে না। কোণঠাসা বেড়াল এক সময় হিংস্র হয়ে কামড়ে দিতে আসে। আমারও বুক থেকে দুঃখ-অপমান মুছে গিয়ে জ্বলে উঠেছে রাগ। কাল এসে এই লোকটাকে বলব, কাজ দিন আমাকে। ভেবেছেন কি?

    সুরঞ্জন দত্তরায় বলে দিয়েছিলেন, আমাকে না ডাকলে আমি যেন তাঁর ঘরে না যাই। প্রথম দিন যেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না করি। মালিকপক্ষের সঙ্গে বেশি ভাব দেখালে অন্য সহকর্মীরা হিংসে করে, পেছনে লাগে। ঠিক আছে, আমি সুরঞ্জনবাবুর কাছে নালিশ জানাব না, কাল থেকে নিজের দাবি আদায় করে নেব। চাকরি যখন পেয়েইছি, তখন অন্তত এক মাসের মাইনে না নিয়ে ছাড়ছি না। অফিসের বাইরের বাতাসটাই অন্যরকম। চমৎকার মুক্তির স্বাদ। বেশ স্বাধীন মানুষের মতন একটা সিগারেট ধরালুম। দাঁতে দাঁত চেপে তিরিশটা দিন পার করতেই হবে। তারপর দেখা যাবে।

    একটা ছোট গলি দিয়ে খানিকটা গিয়ে বড় রাস্তায় পড়া যায়। সেখানে পৌঁছবার আগেই একটা ট্যাক্সি থামল আমার গা ঘেঁষে। হুট করে দরজা খুলে নেমে এল দু’জন লোক। আমাকে দু’ দিক থেকে চেপে ধরে বলল, গাড়িতে উঠুন! আমি কিছু বলার চেষ্টা করতেই একজন আমার মুখে হাত-চাপা দিয়ে বলল, গোলমাল করবেন না। উঠুন, উঠুন!

    ওরা আমাকে ঠেলতে লাগল ট্যাক্সির দরজার দিকে।

    রাস্তাটা ছোট হলেও কিছু লোকজন চলাফেরা করছে। কাছেই দাঁড়িয়ে আছে একজন বাদামওয়ালা। কেউ এই দৃশ্যটি নিয়ে মাথা ঘামাল না।

    ভয় পাবার বদলে আমার একটু মজাই লাগল। আমাকে গুম করছে? এরা কারা? আমি কি একটা মূল্যবান জিনিস? আমি কোনো সুন্দরী মেয়েও নই, কোনো ধনী ব্যবসায়ীর আদরের ছোট ছেলেও নই। আমাকে অন্য কেউ ভেবে ভুল করেছে? দেখতে হচ্ছে, ব্যাপারটা কোন দিকে গড়ায়! সারা দিন এক চেয়ারে চুপচাপ বসে থাকার পর এরকম একটা রোমাঞ্চকর ঘটনা মন্দ কি!

    ট্যাক্সির মধ্যে আর একটি লোক বসে আছে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে। ট্যাক্সিটা বড় রাস্তায় পড়ে বেশ স্পিড নিতে সেই লোকটি আমার দিকে চেয়ে বলল, ভয়ের কিছু নেই। আপনার সঙ্গে আলাপ করবার জন্য এক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি।

    লোকটিকে চিনতে অসুবিধে হলো না। আমার নবলব্ধ চাকরির একজন সহকর্মী। একজন একে ব্যানার্জিদা বলে ডেকেছিল। এই লোকটি আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়েছিল একটি বিদ্রূপ বাক্য। ·

    আমি বললুম, আলাপ করার কায়দাটা একটু নতুন, তাই না?

    লোকটি বলল, বললাম তো, ভয়ের কিছু নেই। আপনি চুপচাপ বসে থাকুন। চ্যাঁচামেচি করে রাস্তার লোক ডাকার চেষ্টা করবেন না!

    অন্য দু’জন বসেছে ট্যাক্সি ড্রাইভারের পাশে। কারুর হাতেই পিস্তল কিংবা ছুরি-টুরি কিছু নেই। খামোখা এদের ভয় পেতে যাব কেন? আমি চ্যাঁচামেচি করলেও রাস্তার লোক নিশ্চয়ই আমাকে পাগল ভাববে। এরকম একটা দামড়া লোককে কেউ ফটফটে দিনের আলোয় ধরে নিয়ে যায়?

    সারাদিন ধরে আমার প্রতি যেরকম অপমানজনক ব্যবহার করেছে, তার শোধ নেবার এই তো প্রকৃষ্ট সময়।

    আমি বললুম, এই অফিসে তো ভালোই মাইনে দেয় শুনেছি। আপনি বুঝি তার পরেও পার্ট টাইম গুণ্ডামি করেন?

    ব্যানার্জি নামের সেই ভদ্রলোক বললেন, একটু পরেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন!

    সামনের সিট থেকে একজন বলল, সিগারেটটা আপনার হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল, আপনি ইচ্ছে করলে আর একটা ধরাতে পারেন। এই নিন।

    আমি লোকটির প্যাকেট সুদ্ধু বাড়ানো হাতটি ঠিলে দিয়ে বললুম, থ্যাঙ্ক ইউ! আপনারা কোন্ দিকে যাচ্ছেন? আমি কিন্তু হাজরা মোড়ে নামব!

    সেই লোকটি বলল, আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য একটা অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে।

    —এটাও বুঝি র‍্যাগিং-এর অঙ্গ?

    —র‍্যাগিং?

    –সারা দিন কেউ আমার সঙ্গে একটাও কথা বলল না, হঠাৎ এখন জোর করে আলাপ করাবার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এর মানে কি? আমি আপনাদের সঙ্গে আলাপ করতে ইন্টারেস্টেড নই!

    –আপনি হাজিরা খাতায় জোর করে সই করলেন কেন? তা না হলে আমাদের এই স্টেপ নিতে হতো না।

    —জোর করে সই করলুম মানে? অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার পেলেও খাতায় সই করার অধিকার জন্মায় না বুঝি?

    –আমরা যেখানে যাচ্ছি, আগে সেখানে পৌঁছই, তারপর সব কথা হবে। সব কটা জানলার কাঁচ তোলা। ট্যাক্সির ড্রাইভারটিও নিশ্চয়ই এদের চেনা, সে ঘাড় ফিরিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে।

    সামনের সিট থেকে আর একজন বলল, আপনি মশাই সর্বক্ষণ চেয়ারে সেঁটে বসে রইলেন, একবারও উঠলেন না, বাথরুমে পর্যন্ত গেলেন না?

    অন্য দু’জন হ্যাঁ হ্যাঁ করে হেসে উঠল!

    আমি বললুম, কেন, বাথরুমটাই বুঝি আপনাদের আলাপ করার জায়গা?

    এবার ওরা সবাই মিলে, ট্যাক্সি ড্রাইভার সমেত একসঙ্গে হেসে উঠল। এটা কী এমন হাসির কথা যে এদের হাসি থামতেই চায় না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025
    Our Picks

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }