Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ১১

    এগারো

    দরজা খুলে কালীচরণ বলল, ‘বিকেলবেলায় দারোগাবাবু এসেছিল।’

    ওর গলার স্বর নীচুতে, যেন কোনও গোপন খবর দিচ্ছে।

    ‘জানি। দেখা হয়েছে।’ বনবিহারী ভেতরে ঢুকতেই কালীচরণ দরজা বন্ধ করে দিল।

    ‘ওনাকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। অবশ্য এক গ্লাস জল খেয়েই চলে গেছেন কিন্তু মনে হয় মামণিকে দেখেছেন। বাচ্চাটা হঠাৎ ওইসময় কেঁদে উঠল—!’

    বনবিহারী নিজের ঘরে গেলেন। অন্ধকার নেমে গেছে। আলো জ্বেলে চেয়ারে বসলেন। দরোগার প্রস্তাবে সায় দিতে তাঁর মন চাইছিল না। লোকটা নিশ্চয়ই কিছু সন্দেহ করছে। হয়তো এটা ওর একটা চাল। একটা মেয়েকে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে দেখতে চায় পলাতক ছেলেটি আসে কিনা। যেন কুনকি হাতি দিয়ে জঙ্গলের হাতিকে ধরতে চাইছে লোকটা। তিনি অস্বীকার করতেই পারেন। দারোগার এই প্রস্তাব পঞ্চায়েতকে জানিয়ে দিলে হইচই হবেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে মামণিকে প্রকাশ্যে নিয়ে যেতে হবে। তখন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে যেতে কতক্ষণ? না, যত অভিযোগ থাক তাঁকে গিলে ফেলতে হবে।

    চোখ বন্ধ করলেন বনবিহারী। নাঃ, এভাবে এখানে থাকা যায় না। এখানকার মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধা করে। সবাই জানে এই জায়গার উন্নতির জন্যে তিনি নিঃস্বার্থ হয়ে কাজ করছেন। রাতারাতি যদি প্রচারিত হয় একটি উগ্রপন্থী মেয়েকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন, পুলিশকে খবরটা গোপন করেছেন তাহলে মুখ দেখানোর উপায় থাকবে না। জেলেও যেতে হবে তাঁকে। এই জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে তাঁকে। এই জায়গা ছেড়ে চলে গেলে কেমন হয়?

    সোজা হয়ে বসলেন বনবিহারী। বহু বছর আগে, মা চলে যাওয়ার পর ইচ্ছেটা মনে এসেছিল। মাকে ছাড়া এখানে থাকা অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল সে সময়। তখন মহেশমুন্ডায় চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন।

    বনবিহারীর পিতৃদেব তাঁর এক বন্ধুর পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জলের দামে মহেশমুন্ডায় জমি কিনেছিলেন। মধুপুর থেকে গিরিডি যাওয়ার পথে একটি শান্ত, নির্জন এবং সুন্দর জায়গা দেখে ভালো লেগে গিয়েছিল তাঁর। এক বিঘে জমি কিনে তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে ফিরে এসেছিলেন খুশি মনে। মা শুনে বলেছিলেন, ‘ওই জমি পাঁচভূতে লুটেপুটে খাবে।’

    তখন শীত পড়লেই বাবা তাদের নিয়ে গিরিডি-মধুপুরে বেড়াতে যেতেন। আসলে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাদের জমিটা দেখানো। জমি দেখার পর মা পালটে গিয়েছিলেন। বাবাকে বলেছিলেন, মধুপুর বা গিরিডি নয়, বেড়াতে গেলে নিজেদের জমিতে থাকতে চান। বছর খানেকের মধ্যে দু-ঘরের একটা বাড়ি তৈরি করেছিলেন বাবা। একজন আদিবাসী যুবককে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বাড়িটাকে ঠিকঠাক রাখার। প্রতিমাসে তার নামে মানি অর্ডার পাঠাতেন। বাবার মৃত্যুর পরে ডাক্তার বনবিহারী একাই গিয়েছিলেন মহেশমুন্ডায়। সেই যুবক বিয়ে করে ওই বাড়িতেই থেকে গেছে। দেখে মনে হাচ্ছিল বাড়িটার মালিক সে। কিন্তু লোকটা অকৃতজ্ঞ নয়। বলেছিল, ‘আপনারা আসেন না বলেই আমি এই বাড়িতে আছি। তবে আমার তো কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। যদি এই জমির কোনও একধারে মাটির দেওয়াল আর টিনের ছাদ দিয়ে দুটো ঘর বানিয়ে দেন তাহলে সেখানে উঠে যেতে চাই।’

    ফিরে এসে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। প্রতিবছর একটা পোস্টকার্ড আসে। তাতে কত টাকা খাজনা দিতে হবে জানিয়ে দেয় লোকটা। মায়ের চলে যাওয়ার পর বনবিহারীর মনে হয়েছিল সেখানে গিয়ে থাকবেন। আশেপাশের গ্রামের মানুষগুলোর চিকিৎসা করবেন। গরিব মানুষগুলো যে যা পারে দিলে খাওয়াটা চলে যাবে। কিন্তু এই জায়গা থেকে চলে যাওয়া সহজ ছিল না। শেকড় এত গভীর চলে গিয়েছে যে উপড়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখানকার নিরানব্বই ভাগ মানুষ তাঁর পরিচিত। তাঁকে শ্রদ্ধা করে সবাই। এতদিন এখানে থাকতে তাঁর বিন্দুমাত্র খারাপ লাগেনি। মায়ের মৃত্যুর পরে এখানকার মানুষের চিকিৎসার জন্যে শুধু নয়, নানান উন্নয়নের কাজে দিনের অনেকটা সময় ব্যায় করে আসছেন। কিন্তু মামণি আসার পরে তাঁর কেবলই মনে হচ্ছে পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। সবসময় মনে এক চাপ নিয়ে থাকা, যে-কোনও মুহূর্তে পুলিশের হাতে পড়া, এসব আর ভালো লাগছে না। এখন যদি তিনি মামণিকে বলেন চলে যেতে, বলতে পারা যায় না, তবু ও যদি কোথাও চলে যায় তাহলে ওর থাকাটা তো মিথ্যে হয়ে যাবে না!

    বনবিহারী ঠিক করলেন মহেশমুন্ডার লোকটাকে চিঠি লিখবেন। কিন্তু চিঠি লিখতে হয় হিন্দিতে। তিনি হিন্দি লিখতে জানেন না। যাকে দিয়ে লেখাবেন সে তো খবরটা চাউর করে দেবে। তার চেয়ে একটা টেলিগ্রাম করাই ভালো। ইংরেজিতে লিখলে লোকটা পড়িয়ে নিতে পারবে।

    ‘একি! এখনও বসে আছেন?’ কালীচরণ চায়ের কাপ নিয়ে এল।

    ‘মামণি কোথায়?’

    ‘রান্নাঘরে।’

    ‘সেকি! কি করছে সে?’

    ‘ডিম দিয়ে কি সব রান্না করছে।’

    ‘হুম।’ চায়ের কাপ নিলেন বনবিহারী।

    ‘পাশের বাড়ির মাসিমা এসেছিল। খুব জোর করছিল ভেতরে আসার জন্যে।’

    ‘হু।’ বনবিহারী চায়ে চুমুক দিলেন, ‘কালীচরণ, আমি ভাবছি এখান থেকে চলে গেলে কেমন হয়! মহেশমুণ্ডাতে তো মাথা গোঁজার জায়গা আছে।’

    কালীচরণ জিজ্ঞাসা করল, ‘ওখানে আশেপাশে বাঙালি আছে?’

    ‘বাঙালি?’ হেসে ফেললেন বনবিহারী, ‘বোধহয় না। জায়গাটা তো এখন ঝাড়খণ্ডের মধ্যে পড়েছে। কলকারখানা নেই, অফিসটফিস নেই, তাই ওখানে বাঙালির না থাকারই কথা।’

    ‘তাহলে চলুন। কিছুদিন ওখানে থাকলে সবার ভালো লাগবে।’

    ‘সবার মানে?’

    ‘আপনি নিশ্চয়ই মামনি আর বাচ্চাটাকে এখানে রেখে যাবেন না? এই কয়েকদিন একসঙ্গে থাকার পর আমার পক্ষে আবার একা থাকা অসম্ভব।’ কালীচরণ চলে গেল।

    জামাকাপড় ছেড়ে চেয়ারে বসে একটা মেডিকেল জার্নাল পড়ছিলেন বনবিহারী। হঠাৎ কাঁধে স্পর্শ পেয়ে চমকে তাকাতেই মামণিকে দেখতে পেলেন। একেবারে তাঁর পিঠ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে সে হাসছে, হাতে একটা প্লেট।

    ‘ওটা কি?’

    প্লেট বনবিহারীর সামনে টেবিলের ওপর রেখে ইশারায় মামণি বোঝাল ওটা সে রেঁধেছে। বনবিহারী দেখলেন। ঘুগনির মতো দেখতে, ডিম দিয়ে রাঁধা। একটা চামচ রয়েছে পাশে। তিনি বললেন, ‘বাঃ, খুব ভালো হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু আমি যদি এখন খাই তাহলে রাতের খাবার খেতে পারব না।’

    সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করতে লাগল মামণি। দ্রুত মাথা নেড়ে অদ্ভুত সব শব্দ বের করতে লাগল মুখ দিয়ে। বাধ্য হয়ে এক চামচ তুলে মুখে দিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘বাঃ! দারুণ হয়েছে। এটা রাত্রে রুটি দিয়ে খাব, কেমন?’

    এবার শান্ত হল মামণি।

    ‘এটাকে রান্নঘরে রেখে এসো।’

    পাখির মতো উড়ে গেল মামণি। কিন্তু ফিরে এল ওই রকম গতিতে তারপর টেবিলের ওপর উঠে বসে পা ঝুলিয়ে ইশারায় যেটা বলতে চাইল তা বুঝতে পারলেন না বনবিহারী। তিনবারের বার বুঝতে পারলেন তিনি। মামণি বলছে, তিনি খুব ভালো মানুষ।

    হাসলেন বনবিহারী। বললেন, ‘তুমি নিজে ভালো বলে আমাকে ভালো ভাবছ।’

    দ্রুত মাথা নেড়ে আপত্তি জানাল মামণি।

    বনবিহারী বললেন, ‘কিন্তু একটা জরুরি ব্যাপার। বাচ্চাটা হয়েছে সদরের হাসপাতালে। ওর বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। ওর বাবার নামটা বলো।’

    সঙ্গে-সঙ্গে মুখ ভ্যাটকাল মামণি। যেন ও বিষয়ে সে আলোচনা করতে চায় না।

    ‘তা বললে তো চলবে না। এটা দরকার। বড় হয়ে ও তো জানতেই চাইবে কে ওর বাবা? তখন তো না বলে পারবে না।’

    হঠাৎ ডান হাতের তর্জনী বনবিহারীর দিকে এগিয়ে তাঁকে চিহ্নিত করে মামণি টেবিল থেকে নেমে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    হতভম্ব হয়ে গেলেন বনবিহারী। মেয়েটা কি উন্মাদ? আঙুল দেখিয়ে কী বলতে চাইল ও? ছেলের বাবা হিসেবে তাঁর নাম দিতে বলল। না না। এ চলতে দেওয়া যায় না। ওর মাথা থেকে এসব ভাবনা বের করা দরকার। ঠিক সময়ে বিয়ে করলে ওর কাছাকাছি বয়সের মেয়ে থাকতে পারত তাঁর।

    সেই রাত্রে ঘুম আসছিল না বনবিহারীর।

    সকালে থানা থেকে একজন সেপাই এল সাইকেলে চেপে। মুখবন্ধ খাম দিয়ে গেল। দারোগাবাবু পাঠিয়েছেন। সবে চা খেয়েছে বনবিহারী। খামটা হাতে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলেন। এই কয়েকদিনে পুলিশ তাঁর কাছে যতবার এসেছেন, গত দিনগুলোতে তাদের দেখা পেয়েছেন বলে মনে পড়ে না। কোনও অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলে নমস্কার বিনিময় হয়েছে। সৌজন্য ওই পর্যন্ত। এখনকার ঘনিষ্ঠতা যে-কোনও লোকের চোখে পড়বে। বিশেষ করে পালবাবুর। লোকটা এখন এখানে নেই। শাশুড়ির শ্রাদ্ধ করতে নবদ্বীপে গিয়েছে।

    খাম খুললেন বনবিহারী। একটুকরো কাগজে লেখা, ‘ঠিক সকাল দশটায় মেছুয়াপুল পেরিয়ে একটু এগিয়ে গেলে বাঁ-দিকের জঙ্গলের মধ্যে একটা পায়ে চলা রাস্তা পাবেন। সেটা ধরে খানিকটা গেলে ঝরনার ওপর সাঁকো দেখতে পাবেন। আপনি সেখানে বিশ্রাম করতে পারেন। ওকে বলবেন একটু ঘুরে দেখতে। ধরুন আধঘণ্টা।’

    বনবিহারীর মনে পড়ল। ওই রাস্তা দিয়ে সেই রাত্রে বোধহয় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মামণিকে প্রসব করানোর জন্যে। যদিও অন্ধকারে তিনি স্পষ্ট কিছুই বুঝতে পারেননি। কিন্তু সকাল দশটা কেন? ওই সময় তো তাঁর চেম্বারে থাকার কথা। পেশেন্টরা ওই সময় তাঁকে পাবে বলে জানে। বড়বাবু হুকুম করবেন আর তাঁকে চেম্বার ছেড়ে যেতে হবে। আফশোস হল। সেপাইটাকে দাঁড় করিয়ে একটা কড়া জবাব লিখে দেওয়া যেত।

    এইসময় মামণি এল এই ঘরে। এসে একগাল হাসল।

    বনবিহারী তাকালেন, ‘কি? ঘুম হয়েছে?’

    মাথা কাত করে মামণি জানাল, হয়েছে।

    বনবিহারী বললেন, ‘তুমি তো বাড়িতে আটকে আছ। ভাবছি, তোমাকে নিয়ে একটু বেড়িয়ে এলে কীরকম হয়। এখানে আশেপাশে শুধু জঙ্গল আর নদী। কিন্তু তার সৌন্দর্য কম নয়। আজ যাবে ঘুরতে?’

    পাশে চলে এল মামণি। মাথা নাড়তে লাগল। বোঝা গেল, বেড়ানোর প্রস্তাব শুনে তার খুব ভালো লাগছে। খুশি হয়েছে।

    ‘সামনে এসে দাঁড়াও। হ্যাঁ। আমি এখানকার লোকজনদের বলেছি তুমি আমার আত্মীয়া মালদহ থেকে বেড়াতে এসেছে। থাকবে কিছুদিন।’

    চোখ বড় করল মামণি। যেন খুব মজা পাচ্ছিল।

    তোমার গলায় একটা ইনফেকশন হয়েছে তাই ডাক্তার কথা বলতে নিষেধ করেছেন। এখানে যেহেতু কলকারখানা বলতে একমাত্র চায়ের বাগান এবং তার জন্যে কোনও পল্যুশন নেই তাই তোমার গলা তাড়াতাড়ি সারবে। বলেছি তোমার একটা বাচ্চা আছে। কি? আমার কথাগুলো তোমার কানে যাচ্ছে?’

    মাথা নাড়ল মামণি।

    ‘বাইরে বের হলে নিশ্চয়ই কারও না কারও সঙ্গে দেখা হবে। তাদের কেউ-কেউ তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাইবে। তুমি কোনও শব্দ করবে না। চুপ করে থেকে ঠোঁটে আঙুল চেপে বোঝাবে তোমার কথা বলা নিষেধ। তুমি যে শব্দগুলো করো তা যারা কথা বলতে অক্ষম তারাই করে। কিন্তু যারা কথা বলে এবং ডাক্তারের নির্দেশে না বলতে বাধ্য হয় তারা ওইরকম শব্দ উচ্চারণ করবে না। মনে থাকবে তোমার না, আবার বুঝিয়ে বলব?’

    মামণি আঙুল তুলে বনবিহারী মাথা দেখাল। তারপর শূন্যে একটা শূন্য আঁকল। অর্থাৎ বনবিহারীর মাথায় কিস্যু নেই।

    হাসলেন বনবিহারী, ‘তাহলে তৈরি হয়ে নিও। আমরা সাড়ে ন’টায় বেরুব।’

    মামণি লাফিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। কিন্তু কয়েক মিনিট পরেই কালীচরণ হন্তদন্ত হয়ে এল, ‘এই পাগলিটা কী বলছে? আপনি ওকে বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছেন?’

    ‘কি করে বোঝাল তোমাকে?’ বনবিহারী হাসলেন।

    ‘হাত নেড়ে দেখাল, আপনি ওকে আকাশে নিয়ে যাচ্ছেন।’

    সঙ্গে সঙ্গে ভেবে নিলেন বনবিহারী। কালীচরণকে সত্যি কথা বলা যাবে না। ও মামণিকে এরকম ভাবে ব্যবহার করা মেনে নেবে না।

    বললেন, ‘মেয়েটা সেই থেকে ঘরবন্দি হয়ে আছে। ওকে আশেপাশের জায়গাগুলো দেখিয়ে নিয়ে আসি।’

    ‘লোকে দেখলে প্রশ্ন করবে কিন্তু।’

    ‘তা তো করবেই। কিন্তু কদ্দিন আর ঘরে আটকে রাখতে পারবে!’

    ঠিক। তাহলে রিকশা ডেকে সেই রিকশায় যান।’

    ‘বেশ। ডেকে দিও। সাড়ে নটায় বেরুব।’

    ‘এখন কেন? বিকেলে গেলে হত।’

    ‘বিকেলে গেলে ফিরতে সন্ধে নেমে গেলে—, না, না।’

    ‘তাহলে ওকে নিয়ে জঙ্গলের দিকে যাবেন না।’

    ‘কেন?’

    গলা নামাল কালীচরণ, ‘শুনেছি, ও যে দলে ছিল তার সবাই মারা যায়নি। যদি কেউ বেঁচে থাকে তাহলে সে জঙ্গলেই লুকিয়ে আছে। তাই ওদিকে না যাওয়াই ভালো। যাই, তাড়াতাড়ি জলখাবার করে দিই।’ কালীচরণ চলে গেলে বনবিহারী বুঝলেন, স্নেহের শেকড় মাটি পেয়ে গেলে সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে। কালীচরণের ক্ষেত্রে ওর জীবনে এই প্রথম সেটা হয়েছে।

    ঠিক সাড়ে নটায় রিকশা ডেকে নিয়ে এসেছিল কালীচরণ। রিকশাওয়ালা পরিচিত, নাম পবন। আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পবনকে বনবিহারী বললেন, ‘মালদহ থেকে ভাগনি এসেছে হে। ওকে একটু চারপাশে ঘুরিয়ে দেখাতে চাই।’

    ‘যেমন বলবেন ডাক্তারবাবু। কোথায় যাবেন? বিনাগুড়ি, তেলিপাড়া, ডুডুয়া?’

    ‘দূর! ওসব জায়গায় দেখার তো কিছু নেই। আজ হাট কোথায় হচ্ছে?’

    ‘আজ্ঞে, নাথুয়ায়।’

    ‘অদ্দুর যেতে পারবে?’

    কি এমন দূর?’ পাঁই পাঁই পক্ষীরাজ ছোটাবো।’

    ‘কত নেবে?’

    ‘এটা কী বললেন? আমার বউটাকে আপনি বাঁচিয়েছেন। আপনার যা খুশি দেবেন। যদি না দেন তাহলেও কোনও কথা নেই।’ পবন হাসল।

    মামণি এল। বনবিহারীর কিনে দেওয়া সালোয়ার কামিজ পরে এসেছে। বেশি দামি নয় কিন্তু চমৎকার দেখাচ্ছে ওকে। বললেন, ‘ওঠ।’

    স্বচ্ছন্দে উঠে বসল মামণি রিকশায়। তার ওঠা দেখে পবন বলল, ‘ভাগনিদিদি নিশ্চয়ই খেলাধুলো করেন। এখানকার কোনও মেয়ে এভাবে উঠতে পারে না।’

    বনবিহারী উঠলেন। দুজন পাশাপাশি বসলে গায়ে গা ঠেকবেই। একটু অস্বস্তি হল বনবিহারীর। তিনি বাঁ-পাশে ঝুঁকলেন সেটা বাঁচাতে। রিকশা চলতে শুরু করতেই দেখতে পেলেন সুনয়নী এসে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের বাড়ির দরজায়। দু-চোখ বিস্ফারিত। বনবিহারী মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

    পিচের রাস্তা ধরে রিকশা চলে এল গঞ্জের ভেতরে। বনবিহারী বললেন, ‘এই হল আমাদের দোকানপাট আর বাজার এলাকা। তুমি নিশ্চয়ই জেনেছ আমি ডাক্তারি করি। ওই হল আমার চেম্বার।’

    মামণি কৌতূহলী চোখে সব কিছু দেখছিল। চেম্বারের দরজা বন্ধ দেখে সে তার মতো শব্দ উচ্চারণ করতে যেতেই বনবিহারী ঠোঁটে আঙুল চেপে নিষেধ করতেই সে হেসে ফেলল। তারপর মাথা নেড়ে বোঝাল, ভুলে গিয়েছিল।

    ‘ডাক্তারবাবু!’

    ডাকটা শুনেই পবন রিকশা থামাল। প্রৌঢ় হেডমাস্টার মশাই এগিয়ে এলেন, ‘আমি আপনার চেম্বার বন্ধ দেখে ফিরে আসছি। আজ বসবেন না?’

    ‘বিকেলে বসব, তিনটে থেকে।’

    ‘কোনও দরকারি কাজ—?’

    ‘হ্যাঁ।’ বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কারও অসুখ?’

    ‘হ্যাঁ। আমার। তাহলে তিনটের পরে আসব।’

    ‘কী হয়েছে যদি বলেন—!’

    মামণির দিকে একবার তাকিয়ে একটু ইতস্তত করে হেডমাস্টার বললেন, ‘কাল থেকে প্রস্রাব করায় সময় কষ্ট হচ্ছে। একটু জ্বালা জ্বালা ভাব।’

    ‘আগে যেমন হত তেমন স্বাভাবিক বার হচ্ছে?’

    ‘না কমে গেছে।’

    ‘ঠিক আছে। এখন এক শিশি আলকাশল কিনে নিন। দু-চামচ করে দুবার খেয়ে বিকেলে আসুন। আর হ্যাঁ, প্রচুর জল খাবেন। আলকাশল জলে মিশিয়ে খাবেন।’

    ‘ঠিক আছে।’ মাথা নাড়লেন হেডমাস্টার, ‘এটি কে?’

    ‘আমার ভাগনি। চল পবন।’

    তেমাথা পার হয়ে স্কুলের মাঠের সামনে আসতেই আবার থামতে হল। ডাক্তারবাবু চেম্বারে বসছেন না জেনে যেন মাথায় বাজ পড়ল ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের ওই কর্মীর। বললেন, ‘মায়ের শরীর খুব খারাপ। এখন চেম্বারে নিয়ে যাব ভেবেছিলাম!’

    ‘আপনাকে তো বলেছি ওঁকে শহরে নিয়ে গিয়ে ভালো কার্ডিওলজিস্টকে দেখান। আমি তো কার্ডিওলজিস্ট নই। ওঁর অসুখ হার্টের।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘মাসখানেক আগে নিয়ে গিয়েছিলাম। বড় ডাক্তার ইসিজি করে বললেন ভরতি হতে হবে। অ্যাঞ্জিও—অ্যাঞ্জিও—।’

    ‘অ্যাঞ্জিওগ্রাফি?’

    ‘হ্যাঁ। ওই করে দেখবেন বুকে রক্ত যাওয়ার শিরা বন্ধ আছে কিনা। যা খরচ হবে তার অঙ্ক শুনে আমার মাথা ঘুরে গেছে। আমি ফতুর হয়ে যাব। ছেলেমেয়ে নিয়ে পথে বসব। ফিরিয়ে এনেছিলাম মাকে। দেখুন ডাক্তারবাবু, মায়ের বয়স হয়েছে। এখন ওসব কাটাছেঁড়া করাতে চাই না। আপনি ওষুধ দিয়ে যে কদিন বাঁচিয়ে রাখতে পারেন সেই ক’দিন থাকুন। কি বলেন?’

    ‘যা বলার তো আপনি বলছেন!

    চল পবন।’

    রিকশা চালু হলে পবন বলল, ‘ঢেঁকি স্বর্গে গিয়েও ধান ভানে।’

    খিলখিল করে হেসে উঠল মামণি। বনবিহারী ধমক দিলেন, ‘অ্যাই। তোমাকে ডাক্তার গলা থেকে কোনও শব্দ বের করতে নিষেধ করেছে, মনে নেই?’

    সঙ্গে সঙ্গে বনবিহারীর কোমরে আঙুলের ডগা দিয়ে খোঁচা মারল মামণি।

    পবন বলল, ‘ভাগনিদিদির গলায় কিছু হয়েছে নাকি?’

    ‘হ্যাঁ। ডাক্তার ওকে পনেরো দিন কথা বলতে নিষেধ করেছেন।’

    ধীরে ধীরে রিকশা চলে এল মেছুয়া ব্রিজের কাছে। ব্রিজ না বলে পুল বলাই ভালো। নীচে তিরতির করে ঝরনা বয়ে যাচ্ছে। সেটা দেখে প্রবল উৎসাহে নীচে নামতে চাইল মামণি। বনবিহারী ঘড়ি দেখলেন। ঠিক এক মিনিট দেরি আছে দশটা বাজতে। বললেন, ‘এখন নয়, ফেরার পথে নেমো।’

    এখন দুপাশে দীর্ঘ গাছের সারি। পিচের সরু পথটা ছায়ায় মাখামাখি। বনবিহারী বললেন, ‘বাবা পবন, অনেকক্ষণ চালিয়েছ। এখানে একটু জিরিয়ে নাও। আমি ওকে পাশের জঙ্গলটা দেখিয়ে আনি। বাঁদর তো আছেই।’

    রাস্তার পাশে রিকশা থামাল পবন, ‘বেশিদূর যাবেন না।’

    ‘কেন? বাঘ-ভাল্লুক তো নেই।’

    ‘মাঝে-মাঝে চিতা আসে আর হাতি তো জঙ্গলটাকে ঘরবড়ি করে ফেলেছে। যান, ঘুরে আসুন।’ পবন বলল।

    মামণিকে নিয়ে জঙ্গলের রাস্তায় ঢুকলেন বনবিহারী। তিনি নিশ্চত যে তাঁদের ওপর চোখ রাখছে পুলিশরা। নিশ্চয়ই গাছগুলোর আড়ালে লুকিয়ে আছে তারা। বাচ্চা মেয়ের মতো আচরণ করছে মামণি। পাশের গাছের ডালে বসা দুটো বাঁদরকে দেখে সে হাততালি দিতেই তারা পরি কি মরি করে পালাল অন্য গাছে। মামণি তাদের পেছনে ধাওয়া করতে গিয়ে বুনো ঝোপের জন্যে থেমে গেল। ঝিঁঝি ডাকছে সমানে। মাথার ওপর সূর্য দেখা যাচ্ছে না। বেশ খানিকটা যাওয়ার পরে বনবিহারী ঝট করে মামণির হাত ধরে আটকালেন। কুচকুচে কালো একটা সাপ রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশে যাচ্ছে। ওটা চলে যাওয়ার পর খানিকটা এগোতেই একটা ঝরনার ওপরে সাঁকো চোখে পড়ল। বনবিহারী বললেন, ‘আমি এখানে একটু বসি। তুমি খানিকটা এগিয়ে দেখে এসো।’ বলামাত্র একটা শিসের শব্দ কানে এল। এত তীব্র যা কোনও পাখির গলা থেকে বেরুতে পারে না। শব্দ শুনেই সম্ভবত, মামণি মাথা নাড়ল, সে যাবে না।

    ফাঁপরে পড়লেন বনবিহারী। দারোগাবাবু বলেছন ওকে একা আধঘণ্টাটাক ঘুরতে দিতে হবে। তিনি বোঝালেন, ‘আমার বয়স হয়েছে। এই সাঁকোর ওপর বসে বিশ্রাম করব। তুমি যাও, অনেক বাঁদর, খরগোশ, হরিণ দেখতে পাবে।’

    শেষ পর্যন্ত মাথায় হাত দিয়ে বোঝালে মামণি রাজি হল। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা একটা শক্ত ডালকে লাঠি বানিয়ে সে হাঁটতে হাঁটতে বারবার পেছনে তাকিয়ে দেখল বনবিহারী বসে আছেন কিনা! বাঁক নেওয়া রাস্তা ওকে চোখের আড়ালে নিয়ে গেল।

    সাঁকোর দুপাশের সিমেন্টের স্লাবের একটায় বসলেন বনবিহারী। এখানে কোনও আদিবাসীকে চোখে পড়ছে না যে খবর পাঠাবে। পুলিশও অদৃশ্যে রয়েছে। তিনি নীচের ঝরনার জলের দিকে তাকালেন। ইঞ্চি ছয়েক লম্বা একটা রুপোলি মাছের ঝাঁক এক ফুট জলে খেলা করছে। কি মাছ এগুলো? পুঁটি নয়, দেখে মনে হচ্ছে বাটা মাছের মতো। বাটা কি ঝরনায় হয়? বোরলি নিশ্চয়ই নয়। ওটা তিস্তা-তোর্সা ছাড়া পাওয়া যায় না। আরও খানিকক্ষণ দেখে বনবিহারী খুশি হলেন। এই ঝরনায় মাছ আছে। পুঁটিদের ঝাঁক চলে গেল। এবার এল পাথরঠোকা মাছেরা। দারুণ সুস্বাদু। আজকাল বাজারে ওঠে না। এই ঝরনা গিয়ে পড়েছে মেছুয়া নদীতে। সেখান থেকে আংরাভামায়। এখন ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টে কাঠ কাটা বা মাছ ধরায় বেশ কড়াকড়ি হওয়ায় ওরা বাড়তে পারছে। সেইসঙ্গে আছে হাতির সামনে পড়ার ভয়।

    এটা মনে আসতেই শঙ্কিত হলেন তিনি। মামণি যদি হাতির সামনে পড়ে যায় তাহলে ওকে ফিরে আসতে হবে না। সেক্ষেত্রে বাচ্চাটাকে নিয়ে তিনি কি করবেন? ওই বাচ্চা বড় হবে কিন্তু কোনওদিন জানতে পারবে না ওর বাবার নাম, মা-বাবার ঠিকানা। তাছাড়া ওকে বড় করার ঝামেলা সামলাবে কে? কালীচরণ কদ্দিন পারবে? সবাই জিজ্ঞাসা করবে, মা না হয় হাতির পায়ের তলায় গিয়েছে, বাবা কোথায়? বাবা এ বাচ্চাকে নিয়ে যাচ্ছে না কেন?

    উঠে দাড়ালেন বনবিহারী। না, এবার ওকে ফেরানো উচিত। ঘড়ি দেখলেন, ইতিমধ্যে পনেরো মিনিট চলে গেছে। হঠাৎ একটা চিৎকার কানে এল। ভয় পেয়ে একটা গোঙানি ছিটকে উঠেছে, এটা মামণি ছাড়া কারও হতে পারে না। তারপরেই তিনি মেয়েটাকে দৌড়ে আসতে দেখলেন। যেন প্রাণের ভয়ে ছুটছে সে। কাছে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে বনবিহারীকে দু-হাতে জড়িয়ে ধরল মামণি। ওর সর্বাঙ্গ কাঁপছে, বুক উথালপাথাল। প্রায় আধমিনিট গেল স্থির হতে।

    বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কি হয়েছে?’

    উত্তর দিতে বোধহয় পারল না চট করে। বনবিহারীর অস্বস্তি হল। ওর মাথা তাঁর চিবুকের ওপরে। নিজের বুকে মামণির শরীর চেপ্টে থাকায় তিনি যা অনুভব করছেন তা এর আগে কখনও করেননি। হঠাৎ মনে হল, তাঁর ভালো লাগছে। একটা নরম উত্তাপ শরীরে তিরতির করে ছড়াচ্ছে।

    সেই মুহূর্তে মামণি হাত নামিয়ে জঙ্গলটা দেখাল।

    ‘কি হয়েছে ওখানে?’ নতুন উপলব্ধির আবিষ্কারকে কমিয়ে দিলেন বনবিহারী।

    হাত দিয়ে হাতির আকৃতি দেখাল মামণি। তারপর আঙুল তুলে চার বোঝাল। এবং সেই সঙ্গে তাঁর হাত ধরে টানতে লাগল ফিরে যাওয়ার জন্যে।

    রিকশায় উঠে বনবিহারী বললেন, ‘পবন, হাতি দেখে মেয়েটা খুব ভয় পেয়ে গেছে। আজ আর নাথুয়ায় গিয়ে কাজ নেই, বাড়ি ফিরে চলো।’

    ‘ভাগনিদিদির কপাল ভালো, হাতির সামনে পড়লে কেউ রক্ষা পায় না।’ পবন রিকশা ফেরাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }