Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ৫

    পাঁচ

    সকালবেলায় চেম্বারে ঢোকার মুখে বনবিহারী দেখলেন হোটেলওয়ালা সদুবাবু দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁকে দেখে হাতজোড় করায় তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ব্যাপার?’

    ‘আপনাকে একটু কষ্ট করে যেতে হবে ডাক্তারবাবু।’

    ‘কার কী হয়েছে?’

    ‘আর বলবেন না, যেচে উপকার করতে গিয়ে, থাক সে কথা। জ্বর তো আসতই, যেখানে ছিল সেখানে থাকলে বেঘোরে মরত। আমার হয়েছে জ্বালা। পদবি সেনগুপ্ত শুনে গৃহিণী আর স্থির থাকতে পারলেন না। আমাকে পাঠিয়ে আনিয়ে নিলেন। অথচ তিনিই ক’দিন আগে বলেছিলেন, অনেক হয়েছে আর ভাড়াটে রাখব না।’ সদানন্দ মাথা নাড়তে লাগলেন আপশোশের ভঙ্গিতে।

    ‘আমি আপনার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না সদুবাবু।’

    ইতিমধ্যে আরও দুজন পেশেন্ট এসে দাঁড়িয়েছে দরজায়। যে ছেলেটা দোকান খোলে, ঝাড়পোঁছ করে সে তাদের ভেতরে নিয়ে গিয়ে বসাল।

    সদানন্দ ব্যস্ত হলেন, ‘আমাদের স্কুলে একজন নতুন মাস্টারমশাই এসেছেন। উঠেছিলেন কলোনির সস্তার ঘরে। দুপুরে খেতে এসেছিলেন হোটেলে, তখনই জানলাম তিনি বদ্যিবামুন। গৃহিণীকে সেটা বলায় কাল হল। তাঁকে ভাড়াটে করে নিয়ে এলাম কাল বিকেলে। রাত্রে খেতে যাননি শরীর খারাপ বলে। সকালে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি ধুম জ্বর। মুখ লাল। ওঁকে দেখতে আপনাকে একটু কষ্ট করে যেতে হবে।’

    ‘নতুন মাস্টার?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। কালই কলকাতা থেকে এসেছেন। আজ স্কুলে জয়েন করার কথা।’

    ‘ও। বাড়ি গিয়ে ওর মাথা ভালো করে ধুইয়ে দিন। দুপুরে ফেরার সময়ে আমি আপনার বাড়ি ঘুরে যাব।’ বনবিহারী চেম্বারে ঢুকলেন।

    পেছন পেছন এসে সদানন্দ বললেন, ‘কিন্তু ওই সময়ে যে আমি হোটেলে থাকব!’

    ‘তাতে সমস্যা কোথায়?’

    ‘না, মানে, আপনাকে পেশেন্টের কাছে নিয়ে যেতে হবে, যা ওষুধ দেবেন তা আনতে হবে। আমি না থাকলে—।’

    ‘আপনার স্ত্রী তো আছেন। হ্যাঁ, আপনি আসুন। বসুন। কী হয়েছে?’ প্রথম-আসা পেশেন্টকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন বনবিহারী।

    সদানন্দ প্রথমে ক্ষুণ্ণ হলেন, তারপর খানিকটা হতাশ মুখ করে চলে গেলেন।

    বেলা বারোটা নাগাদ নন্দলালবাবু এলেন। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন আছে সে?’

    ‘একটু বেটার। আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করতে এলাম।’

    ‘বলুন।’

    নন্দলাল চারপাশে তাকিয়ে নিলেন। এখন কোনও পেশেন্ট নেই বটে কিন্তু দরজায় ডাক্তারবাবুর এখানে কাজকরা ছোকরা দাঁড়িয়ে রাস্তা দেখছে। অনেকটা গলা নামিয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ব্যাপারটা কী বলুন তো?’

    ‘প্রশ্নটা বুঝতে পারছি না।’

    ‘ওই যে বলে এলেন, এখনই ওর বিয়ে-থা-র কথা না তুলতে। ও কি কারও লভে পড়েছে? আমাদের বংশে এখন পর্যন্ত কোনও লভম্যারেজ দূরের কথা, কেউ লভে পড়েনি।’ নন্দলাল মাথা ঝাঁকাতে লাগলেন।

    হেসে ফেললেন বনবিহারী, ‘যাচ্চলে! হঠাৎ আপনার মাথায় এই ভাবনা এল কেন?’

    ‘ওর সঙ্গে কথা বলার পর আপনি আমাকে উপদেশ দিয়েছিলেন।’ নন্দলাল বললেন।

    ‘ওহো!’ হেসে ফেললেন বনবিহারী, ‘আপনার মেয়েকে আপনি চিনতেই পারেননি। সব মানুষকে এক চোখে দেখা ঠিক নয়। না, কারও প্রেমে পড়েনি সে। কিন্তু বাকি জীবনটা আত্মসম্মান বজায় রেখে বাঁচতে চায়। তার জন্যে একটা চাকরির দরকার।’

    ‘আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।’

    ‘আপনার মেয়ে অবিবাহিতা হয়েই থাকতে চায়। তার জন্যে ও ঠিক করেছে নিজের পায়ে দাঁড়াবেই। অন্যের ওপর নির্ভর করে থাকলে স্বাধীনতা হারাতে হয়। আপনি চিন্তা করবেন না। আমার যদি এরকম মেয়ে থাকত তাহলে আমি গর্বিত হতাম।’ বনবিহারী বললেন।

    গম্ভীর হয়ে গেলেন নন্দলাল। উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘চাকরি যেন হাতের মোয়া।’

    ‘চেষ্টা করতে দোষ কি!’

    নন্দলাল যেভাবে বেরিয়ে গেলেন তাতে মনে হচ্ছিল বিরাট হার হয়ে গেছে তাঁর।

    চেম্বার বন্ধ করে সদানন্দের হোটেলের সামনে পৌঁছে বনবিহারী দেখলেন বেজায় ভিড়। জায়গা না পেয়ে কিছু লোক বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। সদানন্দ তাঁকে দেখতে পেয়ে হন্তদন্ত হয়ে এলেন, ‘কী অবস্থা! একটা বাস খারাপ হয়েছে ফলে তার যাত্রীরা চলে এসেছে খেতে! সামলাতে হিমসিম খাচ্ছি।’

    ‘কেমন আছেন তিনি?’

    ‘কোনও খবর পাইনি। চোখে তো সরষে ফুল দেখছি। দাঁড়ান।’ সদানন্দ ভেতরে গিয়ে একটা ছোকরাকে ধরে আনল, ‘ডাক্তারবাবুকে নিয়ে বাসায় যাবি। মাকে বলবি কোন ঘরে নতুন মাস্টার আছে তা দেখিয়ে দিতে।’ বলে তিনি হাতজোড় করলেন, ‘ওর সঙ্গে যান। আমি সন্ধেবেলায় চেম্বারে গিয়ে ফি দিয়ে আসব।’

    সদানন্দর বাড়ি মিনিট আটেক দূরে। বাইরের দরজা বন্ধ। বাঁ-দিকের টিনের দরজা দিয়ে বাগানে ঢোকা যায়। ছেলেটা সেটা খুলে চিৎকার করতে লাগল, ‘মা, ও মা, মা, ডাক্তারবাবুকে বাবু পাঠায় দিছে।’

    কয়েক সেকেন্ড বাদে সদানন্দের স্ত্রী কপাল পর্যন্ত ঘোমটা টেনে বাগানে এসে দাঁড়াল, ‘আসুন, উনি ওইদিকের ঘরে আছেন।’

    ভদ্রমহিলাকে আগে কখনও দেখেননি বনবিহারী। মনে হল এর সদানন্দের সঙ্গে বয়সের ভালো পার্থক্য রয়েছে। বাগানের ওপাশে দেড়খানা ঘরের দরজা ভেজানো। সেটা খুলে একপাশে সরে দাঁড়াল সদানন্দর স্ত্রী। বনবিহারী ভেতরে ঢুকে দেখলেন সবক’টা জানলা বন্ধ থাকায় ঘর গুমোট গরম হয়ে রয়েছে। সামনের খাটে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে যে যুবক তার পরনে পাজামা এবং গেঞ্জি।

    বনবিহারী বললেন, ‘একী করেছেন? খুলে দিন, সবক’টা জানলা খুলে দিন। ঘরে আলো-বাতাস আসুক।’

    সদানন্দর স্ত্রী বলল, ‘খুব জ্বর, শীত করছিল—।’

    ‘তাতে কী! ভেতরে গরম বাইরেও গরম, জ্বর কমবে কী করে?’

    সদানন্দর স্ত্রী জানলাগুলো খুলে দিল। বনবিহারী ডাকলেন, ‘এই যে ভাই, এবার একটু চিত হয়ে শোন।’

    সুজয় চোখ খুলল। তারপর ধীরে ধীরে চিত হল। ওর চোখ লাল। বনবিহারী তাকে ভালো করে পরীক্ষা করলেন। তারপর সদানন্দর স্ত্রীকে বললেন, ‘আধ বালতি জল আর একটা গামলা নিয়ে আসুন।’

    ওরা বেরিয়ে গেলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী অসুবিধে হচ্ছে ভাই?’

    সুজয় তাকাল। তারপর চোখ বন্ধ করল। কথা বলল না।

    জ্বর দেখলেন বনবিহারী, একশো তিন। বুকেও সর্দি বসেছে। জিজ্ঞাসা করলেন, ‘শীত করছে? গায়ে কম্বল দেবেন?’

    মাথা নেড়ে না বলল সুজয়। বনবিহারীর মনে হল এই জ্বর ম্যালেরিয়ার নয়। যদিও কলকাতা থেকে যারা আসে তাদের অনেকেই ম্যালেরিয়ায় কাবু হয়। এখনই এর রক্ত পরীক্ষা করানো দরকার। অনেক বলে কয়ে নীচের শহরের একটা প্যাথলজি সেন্টারের কালেকশন কাউন্টার খুলিয়েছেন এখানে। পেশেন্টের রক্ত কালেক্ট করে সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়। পরের দিন রিপোর্ট এসে যায়। এতে প্রচণ্ড উপকার হয়েছে। চিকিৎসা করতেও সুবিধে হয়েছে তাঁর।

    সদানন্দর বউ গামছা নিয়ে আর ছেলেটি বালতি আনলে বনবিহারী বললেন, ‘ওর গেঞ্জি তুলে বুক-পিঠে গামছা ভিজিয়ে স্পঞ্জ করে দিন। মাথাটাও ধুইয়ে দিতে হবে। শরীরের ভেতরের গরম না কমলে স্বস্তি পাবে না।’

    সদানন্দর বউ পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। বনবিহারী বললেন, ‘কী হল?’

    সদানন্দর বউ বলল, ‘ও এত বাচ্চা, পারবে না। আমি করলে উনি একটুও খুশি হবেন না। খুব অশান্তি করবেন।’

    ‘সেকী! কোনও অসুস্থ মানুষকে সেবা করলে সদানন্দবাবু রাগ করবেন কেন?’

    ‘হাজার হোক, ইনি পুরুষমানুষ, চেনা-জানা নেই, মাত্র গতকাল এসেছেন।’

    ‘উঃ।’ নিজে ঝুঁকে গেঞ্জিটা শরীর থেকে বের করার চেষ্টা করলেন বনবিহারী। শায়িত মানুষের গেঞ্জি খোলা খুব কষ্টকর। বললেন, ‘একটু উঠে বসতে হবে ভাই, অন্তত মাথাটা তুলুন। শুনছেন?’ বনবিহারী হতাশ হয়ে সদানন্দর স্ত্রীর দিকে তাকালেন, ‘মাথার পেছনটা ধরে একটু ওপরের দিকে তুলে ধরুন তো!’ বলেই খেয়াল হল, ‘ওহো, তাতে তো অচেনা পুরুষকে ছোঁয়া হয়ে যাবে।’

    কোনওরকমে গেঞ্জি খুলে সুজয়ের ঊর্ধ্বাঙ্গ স্পঞ্জ করলেন বনবিহারী। তারপর শরীরটাকে টেনে একপাশে নিয়ে গিয়ে মাথা ধুইয়ে মুছিয়ে দিলেন। এসব করতে গিয়ে তাঁর পাঞ্জাবির কিছুটা ভিজে গিয়েছিল। কাগজ বের করে ওষুধের নাম লিখে বললেন, ‘এখনই ওপরের ওষুধটা খাইয়ে দিতে হবে। ওষুধগুলো কাউকে দিয়ে দোকান থেকে আনিয়ে নিন।’ তারপর ব্যাগ খুলে সিরিঞ্জ বের করে হাতের ভেইন খুঁজে বের করে রক্ত টেনে নিয়ে যথাস্থানে রেখে দিলেন। যাওয়ার পথে কালেকশন কাউন্টারে জমা দিয়ে বলে যাবেন কাল বিকেলের মধ্যে রিপোর্ট এনে দিতে।

    ‘সকাল থেকে কিছু খেয়েছে?’ বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘না। কাল রাত থেকেই না খেয়ে আছে।’ সদানন্দর স্ত্রী জানাল।

    ‘না খেলে অসুখের সঙ্গে লড়াই করবে কী করে? বাড়িতে কী রান্না হয়েছে?’

    ‘দুপুরে বাড়িতে রান্না হয় না, হোটেল থেকে আসে। ভাত ডাল ভাজা একটা তরকারি আর রুইমাছের ঝোল এসেছে।’

    বনবিহারী সুজয়ের গায়ে হাত রেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘খিদে পেয়েছে?’

    ‘সুজয় মাথা নাড়ল, না।

    ‘না বললে তো চলবে না। এক কাজ করো। একটা আলু চটপট সেদ্ধ করে নাও। জোর করে খাওয়াতে হবে। ওই ডাল ভাত আর আলু সেদ্ধ। যেটুকু পারে। সদানন্দকে বলো ওকে ফলের রস দিতে হবে। সঙ্গে সন্দেশ। আমি রাত্রে এসে দেখে যাব একবার। তখন দুটো রুটি আর ডাল তরকারি রেখো।’

    কাঠপুতুলের মতো দাঁড়িয়ে থাকল সদানন্দর বউ। বনবিহারী ব্যাগ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসার সময় শুনতে পেলেন সুজয়ের গলা, ‘মা!’

    বনবিহারী দাঁড়ালেন, ‘শুধু ওষুধ নয়, এখন ওর দরকার সেবা। হ্যাঁ, ওর নাম কী?’

    বিকেলে চেম্বারে বসামাত্র বনবিহারী দেখলেন সদানন্দ আর স্কুলের সেক্রেটারি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এলেন। সেক্রেটারি বললেন, ‘তিন মিনিট সময় নেব আপনার।’

    ‘বসুন বসুন।’

    ‘সদানন্দবাবুর কাছে জানলাম আমাদের নতুন মাস্টার ওঁর বাড়িতে ভাড়াটে হয়ে আছেন। তাঁর শরীর অসুস্থ বলে আপনি দেখতে গিয়েছিলেন। আমি যেহেতু স্কুলের সেক্রেটারি তাই একটা দায়িত্ব থেকেই যাচ্ছে, বুঝতে পারছেন—?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কী হয়েছে ওঁর?’

    ‘ঠিক বোঝা যাচ্ছে না এখনই। প্রথমে ভেবেছিলাম ম্যালেরিয়া কিন্তু লক্ষণ মিলছে না। রক্ত পরীক্ষা করতে দিয়েছি, রিপোর্ট এলে বলতে পারব।’

    ‘কবে রিপোর্ট আসবে?’

    ‘আগামীকাল আশা করছি।’

    ‘কত জ্বর দেখলেন?’

    ‘একশো তিন ছিল দুপুরে।’

    সদানন্দ বললেন, ‘সমস্যা হল, নতুন মাস্টারের পকেটে তেমন কিছু নেই। এই যে ওষুধ কিনলাম তার দাম আমাকেই দিতে হল। উনি স্কুলে জয়েন করলে হয়তো অ্যাডভান্স হিসেবে কিছু টাকা পেতে পারেন। কিন্তু অসুখের জন্যে জয়েন করতে পারেননি। বলেছিলেন, অ্যাডভান্স পেলে বাড়িভাড়ার টাকাও দেবেন। কিন্তু—।’

    ‘রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট এলে তো আবার পেমেন্ট করতে হবে।’ স্কুলের সেক্রেটারি গম্ভীর মুখে বললেন, ‘ব্যাপারটা একটু ভেবে দেখুন সদানন্দবাবু। একটি মানুষ সেই কলকাতা থেকে এখানে চাকরি করতে এসে প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর কাছে এটা বিদেশবিভুঁই। কোনও পরিচিত মানুষ নেই। আপনি ওঁকে বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন। ডাক্তারবাবু যদি হাসপাতালে পাঠান তাহলে ঠিক আছে, নইলে ততদিন আপনি দেখাশোনা করবেন বলে সবাই আশা করবে।’

    ‘আশা করবে! আমি কখন সেটা করব? সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যবসার পেছনে ছুটতে হয়। আমার সময় আছে নাকি!’ সদানন্দ রেগে গেলেন।

    ‘আহা, আপনার স্ত্রীকে বলুন দেখাশোনা করতে।’

    ‘অসম্ভব। একটা উটকো লোককে সেবাযত্ন করলে লোকে যা তা বলবে।’

    ‘কেউ বলবে না। বললে আমার কাছে পাঠাবেন।’ সেক্রেটারি বললেন।

    ‘না। আপনার স্কুলের টিচার, আপনি ব্যবস্থা করুন।’

    ‘ঠিক আছে, কাল রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাক। আমি আমার একটি বৃদ্ধা কাজের মহিলাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি আপনার বাড়িতে, স্ত্রীকে বলে রাখবেন।’

    ওঁরা চলে গেলে বনবিহারীর মনে হল ছেলেটির বাড়িতে খবর পাঠানো দরকার। তারপর ঠিক করলেন ব্লাড রিপোর্ট পাওয়ার পর কাজটা করবেন।

    পরদিন বিকেলে রিপোর্ট এল ম্যালেরিয়া নয়, সুজয়ের ম্যালেরিয়া নয়, টাইফয়েড হয়েছে। এখন নিয়ম করে ওষুধ খাওয়া আর পথ্যের ওপর ওর তাড়াতাড়ি সেরে ওঠা নির্ভর করছে। বিকেলেই রিপোর্ট নিয়ে সেক্রেটারি, হেডমাস্টার, সদানন্দ এবং নন্দলালের সঙ্গে বনবিহারী আলোচনা করলেন।

    সদানন্দ বললেন, ‘টাইফয়েড? ওরে ব্বাবা, বাঁচবে তো?’

    ‘ঠিকঠাক চিকিৎসা হলে আজকাল টাইফয়েডে কেউ মরে না।’ বনবিহারী হাসলেন।

    হেডমাস্টারমশাই জানতে চাইলেন, ‘কতদিনে সুস্থ হবেন?’

    ‘সপ্তাহ তিনেক তো লাগবেই। তার আগেই অসুখ সেরে যাবে কিন্তু দুর্বলতা কাটতে ওই সময়টা লাগবে।’ বনবিহারী বললেন।

    সেক্রেটারি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সদানন্দবাবু, আপনার বাড়িতে ওঁকে থাকতে দেবেন?’

    ‘আমার আপত্তি করার কি আছে বলুন। আমি তো ভাড়া পাব। তবে রোজ ওষুধ, খাবার, ফলের রসটস দেওয়া আমার পক্ষে কঠিন হয়ে যাবে।’

    বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘উনি তো ভালো হয়ে স্কুলেই পড়াবেন। স্কুল থেকে অগ্রিম দেওয়া সম্ভব নয়?’

    হেডমাস্টার বললেন, ‘জয়েন করে ক্লাস না নিলে সেটা বোধহয় দেওয়া যায় না।’

    সেক্রেটারি চোখ বন্ধ করলেন, ‘বাইরের লোক, এখানে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, ঠিক আছে, আমি ওসবের খরচ সদানন্দবাবুকে দিয়ে দেব। উনি মাইনে পাওয়ার পর ধীরে ধীরে না হয় সেটা শোধ করে দেবেন।’

    সদানন্দ একগাল হাসলেন, ‘চমৎকার! তাহলে তো সব সমস্যার শেষ। সত্যি, আপনার মতো হৃদয়বান মানুষ খুব কম দেখেছি।’

    সেক্রেটারি উঠলেন, ‘ডাক্তারবাবু, আপনি যদি একবার দেখে যান ওঁকে!’

    ‘অবশ্যই। যাব। কিন্তু আপনাকে একটা অনুরোধ করব।’

    ‘বলুন।’ সেক্রেটারি তাকালেন।

    ‘যে ক’দিন ও জয়েন করতে না পারছে, সেটা তিন সপ্তাহ হলেও ছেলেমেয়েরা পড়া থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকবে, তাই নন্দলালবাবুর মেয়ে এতদিন যেভাবে পড়াচ্ছিলেন সেভাবে পড়ানোর অনুমতি দিলে ভালো হয়।’ বনবিহারী হাসলেন।

    ‘ও। হ্যাঁ। তা দেওয়া যেতেই পারে। হেডমাস্টারমশাই, ও তো ভালোই পড়ায়?’

    ‘তা পড়ায়।’

    ‘তাহলে ওকে আবার ক্লাস নিতে বলুন।’ সেক্রেটারি চলে গেলেন।

    রাত্রে বাড়ি ফেরার পথে সুজয়কে দেখতে গেলেন বনবিহারী। তখনও সদানন্দ হোটেল থেকে বাড়ি ফেরেননি। তাঁর স্ত্রী দরজা খুলে দিলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন আছে এখন? ও, আপনি তো দেখেননি!’

    ‘জানলার ফাঁক দিয়ে দেখেছি। ছটফট করছিল।’

    ‘আজ ওর মাথা ধোয়ানো নিশ্চয়ই হয়নি?’

    ‘হয়েছে। ওই বুড়িটাকে বলে আমি ধুইয়ে দিয়েছি। বয়স হয়েছে তো, ঠিক করে পারে না। চলুন।’ এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলে দিল সদানন্দর স্ত্রী।

    ঘরে একটা লণ্ঠন খুব কম আলো নিয়ে জ্বলছে। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সেই মহিলা কোথায়?’

    ‘বুড়ি তো আটটার সময় ওকে আধখানা রুটি আর ডাল খাইয়ে চলে গেল।’

    ‘দিনরাত শুয়ে থাকে, বাথরুম পায়খানা করে কখন?’

    ‘দিনের বেলায় বুড়ি দুবার ধরে ধরে নিয়ে গিয়েছিল।’

    বনবিহারী ভালো করে পরীক্ষা করলেন। জ্বর সামান্য কমেছে। সেক্রেটারি লোক পাঠিয়ে তাঁর প্রেসক্রিপশন নিয়ে গিয়েছিলেন। সেটা দেখিয়ে ওষুধ কিনে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। সদানন্দর স্ত্রী সেই প্যাকেটটা এনে দিল।

    ওষুধগুলোর দিকে তাকিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘সমস্যা। অশিক্ষিত বৃদ্ধার পক্ষে ওষুধ দেখে সময় মেপে ওকে খাওয়ানো সম্ভব নয়। শুনুন, আপনি ওষুধ খাওয়াতে পারবেন?’

    মাথা নীচু করল সদানন্দর স্ত্রী। যদিও এখন সে ঘরের ভেতরে এসে দাঁড়িয়েছে।

    বনবিহারী বললেন, ‘লজ্জা-সংকোচ তখনই মূল্যবান যখন সেটা শোভন হবে। কিন্তু যখন কোনও মানুষের জীবন বিপন্ন তখন তাকে বাঁচতে সাহায্য না করে লজ্জার কারণে দূরে সরে থাকলে শুধু অমানবিক কাজ হবে না, অত্যন্ত পাপ করা হবে। আপনি সেটা করতে চান?’

    ‘না। কিন্তু উনি রাগ করবেন।’ নীচু গলায় বলল সদানন্দর বউ।

    ‘কেউ যদি অশিক্ষিতের মতো অন্যায় করে তাহলে তাকে সমর্থন করা কি ঠিক? ওঁকে না জানিয়েও তো কাজটা করা যায়। দিনের বেলায় বৃদ্ধাকে ওষুধ দিয়ে বলবেন খাইয়ে দিতে। দেখুন, এই ওষুধগুলো সকালে, খালি পেটে নয়, কিছু খাওয়ার পরে। এই ওষুধগুলো দুপুরবেলায় খাওয়ার পর। আর এগুলো রাত্রে। আমি তিনভাগ করে রাখলাম। আপনি চিনে নিন।’ সদানন্দর স্ত্রী এগিয়ে এসে ওষুধের নামগুলো পড়ে মাথা নাড়ল, ‘ঠিক আছে।’

    ‘গুড।’ তারপর বনবিহারী ডাকলেন, ‘সুজয়বাবু? শুনতে পাচ্ছেন?’

    এবার সুজয় মুখ ফেরাল। চোখ ঘোলাটে।

    বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী অসুবিধে হচ্ছে বলুন? আমি ডাক্তার।’

    আবার মুখ ঘুরে গেল। চোখ বন্ধ হয়ে গেল।

    সদানন্দর স্ত্রী জিজ্ঞাসা করল, ‘ডাক্তারবাবু, বাঁচবে তো?’

    ‘নিশ্চয়ই। ওষুধ পেটে পড়ুক, দুদিন পরে জ্বর কমে গেলে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।’

    গেট অবধি এগিয়ে দিয়ে সদানন্দর স্ত্রী বলল, ‘ওঁকে কি বলব আপনার ফি কাল সকালে পাঠিয়ে দিতে?’

    ‘সেটা ওঁর ওপর ছেড়ে দিন। আপনাকে কিছু বলতে হবে না।’

    আধা অন্ধকারে বাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলেন বনবিহারী। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল এখানে। তাই মানুষের সঙ্গে জানাজানি হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। একজন ডাক্তারের পক্ষে যা সুবিধেজনক, আবার অসুবিধেও। আড়ালে থাকা যায় না।

    ‘ডাক্তারবাবু।’ মেয়েলি গলা ভেসে এল একটি বাড়ির বারান্দা থেকে। বনবিহারী চিনতে পারলেন, ওটা নন্দলালবাবুর বাড়ি। তাঁর মেয়ে প্রায় দৌড়ে এল কাছে। এসে ঝুঁকে তাঁকে প্রণাম করল। বনবিহারী বললেন, ‘একী! এসব কেন?’

    ‘আপনার জন্যে আমাকে আবার একমাস কাজ করতে বলা হয়েছে।’ হাসল সে।

    ‘বাঃ। তুমি নিশ্চয়ই শুনেছ নতুন মাস্টার বেশ অসুস্থ!’

    ‘হ্যাঁ। আচ্ছা, আমি ওঁকে দেখতে যেতে পারি?’

    ‘অবশ্যই। যাওয়া তো উচিত। উনি বাইরের মানুষ। বিপদে পড়েছেন।’

    বনবিহারী আবার হাঁটতে লাগলেন। মেয়েটির কথা তাঁর খুব ভালো লাগল। বাবা-কাকার থেকে হাজার মাইল এগিয়ে। হঠাৎ মনে হল সুজয়ের অসুস্থতার কথা সন্তানকে জানাবেন কিনা! জানলেই ছুটে যাবে ছেলেটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }