Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ১৩

    তেরো

    ছাত্রাবস্থায় কম্প্যুটারের সাহায্য পাননি বনবিহারী কারণ তখন ওই যন্ত্রটির অস্তিত্ব এদেশে ছিল না বললেই চলে। ফলে কাজ চালানোর মতো কম্প্যুটার-ব্যবহার তিনি কখনও করেননি। এই গঞ্জে কোনও কম্প্যুটার সেন্টার নেই। থাকলেও সেখানকার কর্মীদের সাহায্য নিতেন না তিনি। ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে গেলে সমস্যা বাড়বে।

    কাল রাত্রে বাড়ি ফিরে খাওয়ার ইচ্ছে হয়নি। আজ সকালে ঘুম ভাঙলে কালীচরণকে ডেকে বললেন, ‘এখনই সদরে যাব। খুব খিদেও পেয়েছে। ঝটপট লুচি আর তরকারি চাই। হবে?’

    মাথা নাড়ল কালীচরণ, ‘সারারাত না খেয়ে থাকলে খিদে তো পাবেই।’

    মুখ হাত পা ধুয়ে বাইরের পোশাক পরে চুল আঁচড়াচ্ছিলেন বনবিহারী, মামণি এল লুচির প্লেট নিয়ে। টেবিলে রেখে এগিয়ে এসে বনবিহারীর হাত ধরে চেয়ারে বসিয়ে দিল।

    বনবিহারী অস্বস্তি কাটিয়ে বললেন, ‘থ্যাঙ্কু।’

    লুচি, বেগুন ভাজা এবং সম্ভবত গতরাত্রের তরকারি গরম করে মামণির হাত দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে কালীচরণ। খাওয়া শুরু করে বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি খাবে না?’

    মাথা নাড়ল মামণি, না। তারপর বনবিহারীর পোশাক দেখিয়ে আঙুল নেড়ে জানতে চাইল তিনি কোথায় যাচ্ছেন?

    ‘একটা দরকারি কাজে সদরে যাচ্ছি। এগারোটার মধ্যে ফিরে আসব।’ বেগুন ভাজতে গিয়ে বড্ড বেশি তেল ব্যবহার করেছে কালীচরণ, প্লেটে গড়িয়ে গেছে।

    শোনামাত্র সোজা হল মামণি। বুকে আঙুল ঠুকে জানাল সে-ও সঙ্গে যাবে।

    ফাঁপরে পড়লেন বনবিহারী। হেসে বললেন, ‘আমি একটা জরুরি কাজ নিয়ে যাচ্ছি। সঙ্গে লোকজন থাকবে। তোমার একটুও ভালো লাগবে না।’

    মাথা নাড়ল মামণি। সে তবু যাবেই।

    বনবিহারী বললেন, ‘তুমি বুঝতে পারছ না, ওরা পুলিশের লোক।’

    হঠাৎ থমকে গেল মামণি। চোখ বড় হয়ে গেল তার। একটু ভাবল। তারপর মাথা নেড়ে ঘর থেকে চলে গেল। খারাপ লাগছিল বনবিহারীর। মিথ্যে তিনি বলেন না। কিন্তু এই জেদি মেয়েটাকে মিথ্যে না বললে থামানো যেত না। পুলিশ সঙ্গে যাচ্ছে শুনে ওর যাওয়ার ইচ্ছেটা চলে গেল। পুলিশের বিরুদ্ধে ওর মন বিষিয়ে আছে? এতদিন সেটা টের পাননি বনবিহারী। হঠাৎ একটা অন্য ধরনের উদ্বেগে আক্রান্ত হলেন তিনি।

    বাড়ির সামনে হাইওয়ে থেকে বাসে উঠলেন বনবিহারী। আজ সকালে চেম্বার বন্ধ থাকবে। বেলা এগারোটার মধ্যে যদি ফেরেন তাহলে চেম্বারে গিয়ে বসবেন। বনবিহারীর আর ভালো লাগছিল না। কেবলই মনে হচ্ছিল এই তল্লাট থেকে বহুদূরে চলে যেতে পারলে তিনি স্বস্তি পাবেন। এখানকার লোকজন যদি দ্যাখে প্রায়ই তাঁর চেম্বার বন্ধ থাকছে তাহলে নিশ্চয়ই তাঁর ওপর থেকে ভরসা চলে যাবে।

    বাস ছুটছিল ফাঁকা রাস্তা পেয়ে। দুপাশে গাছগাছালি, চাষের মাঠ, মাঝে-মাঝে ছোট-ছোট নদীর সাঁকো। সদরে পৌঁছে গেলেন ঠিক সোওয়া নটার। বাস থেকে নেমে একটা রিকশা নিয়ে হাসপাতাল পেরিয়ে শহরের জমজমাট অংশে পৌঁছেই সাইবার কাফে দেখতে পেলেন। রিকশা থেকে নেমে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে দেখলেন এই সকালেই প্রচুর ছেলে-মেয়ে কম্প্যুটারের সামনে বসে অনুশীলন করছে।

    বাঁ-পাশের রিসেপশনের সামনে দাঁড়াতেই একটি তরুণ জিজ্ঞাসা করল, ‘বলুন?’

    ‘একটা ই-মেল করতে চাই! এখান থেকে কি সম্ভব হবে?’

    ‘নিশ্চয়ই!’ ছেলেটি একটা কাগজ এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘কি লিখতে চান আর যাকে পাঠাবেন তার মেল নাম্বার এখানে লিখে দিন।’

    বনবিহারী লিখলেন, ‘এম বি বি এস উঁইদ টোয়েন্টি ফোর ইয়ার্স এক্সপেরিয়েন্স ওয়ান্টস টু জয়েন ইউ। রেডি ফর ইন্টারভিউ।’ নিজের পুরো নামটা লিখে চা-বাগানের ম্যানেজারের বাংলো থেকে নিয়ে আসা বিজ্ঞাপনের ই-মেল নাম্বারটা বড় করে লিখে দিলেন। তারপরেই খেয়াল হল, যদি উত্তর আসে তাহলে ওরা কোন ঠিকানায় পাঠাবে? শেষে নিজের বাড়ির ঠিকানাটা বিশদে লিখলেন।

    মেল পাঠিয়ে ছেলেটি যে দক্ষিণা চাইল তার অঙ্ক শুনে অবাক হলেন বনবিহারী। একটা টেলিগ্রাম পাঠাতেও এর চেয়ে বেশি টাকা লাগে।

    ভাবনায় ছিল না, তবু শহরে যখন এসেছেন তখন কিছু জিনিস কিনলেন তিনি। বেশিরভাগই বাচ্চাটার জন্যে। একটা পিঙ্ক রঙের সালোয়ার কামিজ কিনলেন মামণির জন্যে। দোকানদার তাঁকে আশ্বস্ত করল, ওটা ফ্রিসাইজ, যত লম্বা বা স্বাস্থ্যবতী হোক চমৎকার মানিয়ে যাবে।

    ফিরতে সাড়ে বারোটা বেজে গেল। এসময় চেম্বারে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। বাড়ির সামনে বাস থেকে নেমে পড়লেন তিনি।

    দরজা খুলে কালীচরণ খবর দিল থানা থেকে বড়বাবু সেপাই পাঠিয়ে ছিলেন। একটা চিঠি দিয়ে গেছে লোকটা। খামটা খুললেন বনবিহারী। তাঁর হাত কাঁপছিল। টাইপ করা চিঠি, ‘আপনার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ। একদিন চা খেতে চলে আসুন। নমস্কার।’ নাম ঠিকানা ছাড়া সাদা কাগজে টাইপ করা হয়েছে শব্দগুলো। ছেলেটাকে নিশ্চয়ই মেরে ফেলেছে লোকটা। গ্রেপ্তার করে কোর্টে তোলার ঝামেলা নিশ্চয়ই নেবে না। আর এই কাজটা করার জন্যে হয়তো ওর প্রমোশন হবে। যত তাড়াতাড়ি সেটা হবে তত তাঁর পক্ষে মঙ্গল। চিঠিটাকে ছিঁড়ে ফেলে তিনি মামণির খোঁজ করলেন। কালীচরণ বলল, ‘সে রান্না করছে।’

    ‘ডাক ওকে।’

    নিজের ঘরে গিয়ে জামা খুললেন বনবিহারী। এতক্ষণে তাঁর পাঠানো ই-মেল নিশ্চয়ই পেয়ে গেছে ওরা। হয়তো এরকম কয়েকশো বা হাজার মেল ওদের কাছে যাবে। ফলে ওরা যে তাঁকে খবর দেব তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। আর দিন পনেরো তিনি অপেক্ষা করবেন। তারপর বিহারের সেই জমিতে কিভাবে থাকা যায় তার খোঁজ করতে যাবেন। একটা কিছু ব্যবস্থা হয়ে গেলে বাড়িওয়ালাকে বলতে হবে তিনি আপাতত আর চেম্বার করবেন না। এই বাড়ি বিক্রি বা ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। তাহলেই হাজারটা প্রশ্ন ধেয়ে আসবে।

    দরজায় শব্দ হল। মামণি এসে দাঁড়িয়েছে। মুখ গম্ভীর। ঘামে চিকচিক করছে নাক। হাসলেন বনবিহারী। তারপর শিশুর জন্যে নিয়ে আসা জিনিসগুলোর প্যাকেট এগিয়ে দিলেন। নিরাসক্ত মুখে সেটা নিয়ে খুলে দেখল মামণি। মুখের ভাবান্তর হল না। এমনকী নতুন ধরনের ঝুমঝুমিটা তুলে আওয়াজ করল না। চলে যাচ্ছিল সে।

    দ্বিতীয় প্যাকেটটা হাতে নিয়ে তাকে ডাকলেন বনবিহারী, ‘এটা তোমার জন্যে।’

    ঠোঁট টিপে প্যাকেটটা দেখল মামণি। তারপর বনবিহারীর এগিয়ে ধরা হাত থেকে সেটা নিয়ে খুলল। পিঙ্ক রঙের সালোয়ার কামিজ দেখেই ওর ঠোঁটে হাসি ফুটল। এগিয়ে এসে বাঁ-হাত বাড়িয়ে বনবিহারীর চুল এলোমেলো করে দিয়ে ছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    হকচকিয়ে গেলেন বনবিহারী। এই মেয়ের আনন্দ প্রকাশ করার অভিব্যক্তির সঙ্গে তিনি পরিচিত নন। তিনি বিয়ে করেননি তাই সন্তানস্নেহ কি জিনিস তা শুধু কল্পনাই করতে পারেন। বাৎসল্য ব্যাপারটা বোঝেন কিন্তু সন্তান তার পিতামাতার সঙ্গে কীরকম ব্যবহার খুশি হয়ে করতে পারে সে ব্যাপারে তিনি নিতান্তই অজ্ঞ। এই যে মামণি তাঁর মাথার চুল এলোমেলো করে দিয়ে গেল তা কি সব মেয়ে তাদের বাবার সঙ্গে করে? যদি করে তাহলে সেইসব বাবাদের কি তাঁর মতো অস্বস্তি হয়?

    খেতে বসে বনবিহারী লক্ষ করলেন উলটোদিকের চেয়ারে বসে মামণি খাবার মুখে দিয়ে হেসে ফেলল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হাসির কি হল?’

    মামণি আঙুলের ইশারায় যা বলল তা বোধগম্য হল না তাঁর। তিনি বললেন, ‘আবার বলো, আমি বুঝতে পারলাম না।’

    ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কালীচরণ বলল, ‘ও কখনও এইরকম তরকারি রাঁধেনি। আজ প্রথমবার রেঁধে দেখছে বেশ ভালো হয়েছে।’

    সঙ্গে সঙ্গে মামণি আঙুল নেড়ে বোঝাল কালীচরণ ঠিক বলেছে।

    বনবিহারী বললেন, ‘আচ্ছা?’

    কালীচরণ বেশ গর্বিত গলায় বলল, ‘আমি এখন ওর সব কথা বুঝতে পারি।’

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন। এটা অস্বাভাবিক নয়। সবসময় কাছাকাছি থাকলে এটা সম্ভব। এইসময় বাচ্চার কান্না ভেসে এল। বেশ জোরে চেঁচাচ্ছে। এঁটো হাত বেসিনে ধুয়ে ছুটে ভেতরে চলে গেল মামণি। কালীচরণ বলল, ‘হাগু করে ফেলেছে।’

    অবাক হলেন বনবিহারী, ‘কি করে বুঝলে?’

    ‘কান্নার ধরন দেখে। ও হো, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। পাশের বাড়ির দাদা দুদিনের জন্যে ভাই-এর বাড়ি গিয়েছে বউকে নিয়ে। আমার সঙ্গে যাওয়ার সময় দেখা হতে বললেন, বাড়িতে শাশুড়ি মা একা আছেন, আমরা যদি খেয়াল রাখি তাহলে উনি নিশ্চিন্ত হন।’

    ‘ও। তুমি কি বললে?’

    ‘আমি ঘাড় নেড়েছিলাম কিন্তু ওর খবর নিতে আমি যাব না।’

    ‘কেন?’

    ‘কুচুটে মেয়েমানুষ। সব সময় অন্যের ব্যাপারে নাক গলাতে চায়। এই বাড়িতে ঢুকতে দিইনি বলে আমার ওপর খুব রাগ।’ কালীচরণ বলল।

    হেসে ফেললেন বনবিহারী। মামণি ফিরল একটা কাপড় বাঁ-হাতে ধরে প্রবল ঘেন্না নিয়ে। কালীচরণ বলল, ‘ওই কলতলায় রেখে দাও। তোমাকে ধুতে হবে না।’

    হাত থেকে কলতলায় নামিয়ে বেসিনের কল খুলে হাতে সাবান ঘষে আবার খেতে এল মামণি।

    বনবিহারী বললেন, ‘ও তো শিশু। তোমারই সন্তান। অত ঘেন্না হচ্ছে কেন?’

    বাঁ-হাত এমন ভাবে নাড়ল মামণি যার মানে কথাটাকে পাত্তা দিচ্ছে না সে।

    বিকেলবেলায় চেম্বারে বেশ ভিড়। তার মধ্যে মম্মথ মাস্টার এসে বললেন, ‘কি ডাক্তার, আজকাল প্রায়ই চেম্বার বন্ধ রাখছ কেন?’

    বনবিহারী হাসলেন। মুখে কিছু বললেন না।

    ‘না-না। হেসো না। তোমার ওপর নির্ভর করে থাকে সবাই।’

    ‘অনেকদিন তো চিকিৎসা করলাম। এখন হাঁপিয়ে উঠেছি। কোনওদিন ছুটি না নেওয়ায় মাঝে-মাঝে মন বিদ্রোহ করে।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘তা স্বাভাবিক। তুমি এক কাজ করো। আগেভাগে নোটিশ দিয়ে দিন সাতেকের জন্যে কোনও জায়গা থেকে ঘুরে এসো। জানা থাকলে আমাদের সুবিধে হবে আর তোমারও বিশ্রাম হয়ে যাবে।’ মম্মথবাবু উপদেশ দিলেন।

    ‘ভাবছি তাই করব। কলকাতায় একটা নামি ভ্রমণসংস্থা ভারততীর্থ ভ্রমণ করায়। ওদের সঙ্গে গিয়ে তীর্থ দর্শন করার ইচ্ছে আছে।’

    ‘কিন্তু সেটা তো সাতদিনে হবে না ডাক্তার।’

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন। যেন খুব সমস্যায় পড়েছেন।

    কথাটা চাউর হয়ে গেল দ্রুত। চেম্বারে বা রাস্তায় যার সঙ্গেই দেখা হয়, একই প্রশ্ন শুনতে হয়, ‘আপনি নাকি তীর্থ করতে যাচ্ছেন ডাক্তারবাবু? কবে যাচ্ছেন? কতদিন পরে ফিরবেন? কোন কোন তীর্থে যাবেন?’ জবাবটা যেন সবার ক্ষেত্রে এক হয়-সে ব্যাপারে সচেতন আছেন তিনি। লোকে মানছে, একটা চিকিৎসা করতে করতে ডাক্তারবাবুর একঘেঁয়েমি লাগা স্বাভাবিক, একটু ঘুরে বেড়িয়ে এলে, তাঁর ভালো হবে তবু তিনি না থাকলে অসুখ হলে যে বিপদে পড়তে হবে তাও তো ঠিক।

    দুপুরে চেম্বার বন্ধ করছেন এমন সময় পালবাবু এলেন, ‘নমস্কার ডাক্তারবাবু।’

    বনবিহারী বললেন, ‘নমস্কার। ভেতরে গিয়ে বসবেন?’

    ‘না না। আমি অসুখ নিয়ে কথা বলতে আসিনি। আপনার পেশেন্টরা তো চলে গেছে?’

    ‘হ্যাঁ। এই সময় আমি স্নানখাওয়া সারতে বাড়িতে যাই।’

    ‘জানি জানি। চলুন হাঁটতে হাঁটতে কথা বলি।’ পালবাবু বললেন।

    অস্বস্তি হচ্ছিল। এই লোকটি সব জানে। জেনেও মুখ খোলেনি এতদিন। আজ হঠাৎ চলে এল কেন?

    পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে পালবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘শুনলাম আপনি নাকি তীর্থ করতে যাচ্ছেন। শুনে কীরকম গুলিয়ে গেল!’

    ‘কেন?’

    ‘এতদিন জানতাম আপনি ধর্মটর্মের ঊর্ধ্বে। হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান আপনার কাছে এক। পুজোর চাঁদা দেওয়ার সময় বলেন, মূর্তিপুজোর জন্যে দিচ্ছি না, উৎসবে আনন্দ করতে চাইছ সেই কারণে দিচ্ছি। তাই আপনি তীর্থে যাচ্ছেন শুনে হকচকিয়ে গিয়েছি।’

    ‘কথাটা ভুল রটেছে। একই কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। তাই ভাবছি ভারতভ্রমণে বের হব। ভারতভ্রমণ মানে তীর্থ করতে যাওয়া নয়।’ বললেন বনবিহারী।

    ‘তাই বলুন! মানুষের স্বভাব হল নিজের মতো করে কথা তৈরি করে নেওয়া। তা কোথায় কোথায় যাবেন?’

    ‘দিল্লি, আগ্রা, জয়পুর—, টাভেল এজেন্ট যেখানে নিয়ে যাবে।’

    ‘বাঃ। ওসব জয়গায় কখনও যাওয়া হয়নি। একা যেতে ভরসা হয় না। আপনার সঙ্গে যাওয়া যাবে?’ পালবাবু প্রশ্ন করতেই বিপাকে পড়লেন বনবিহারী। কিন্তু পালবাবুই তাঁকে রক্ষা করলেন, ‘অবশ্য যাব বললেই কি যাওয়া যায়? দুদিন না থাকলে ব্যবসার সর্বনাশ হয়ে যাবে। আপনার মতো ঝাড়া হাত-পা তো নই। কিন্তু—’ গলা নামালেন পালবাবু ‘আপনি কি ওদের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন?’

    বনবিহারীর বুকের ভেতর আওয়াজ শুরু হল, ‘মানে?’

    ‘আরে, যে মেয়েটাকে বাঁচাতে হাসপাতাল থেকে বাচ্চা সমেত নিয়ে এসেছিলেন তাদের এখানে ফেলে রেখে যাওয়া ঠিক হবে না ডাক্তারবাবু।’

    ‘আপনি দেখছি এখনও ওসব মনে রেখেছেন।’

    ‘রাখব না? রাতদুপুরে আমার ঘুম ভাঙিয়ে কাতর গলায় গাড়ি চাইলেন, আমার ড্রাইভার নিয়ে গেল আপনাদের হাসপাতালে, ভুলে যাব? ভুলিনি কিন্তু কাউকে বলিনি। এমনকী ওয়াইফকেও নয়। আমার বাবা বলেছিলেন মেয়েমানুষের পেটে কথা থাকতে চায় না।’ পালবাবু হাসলেন।

    হঠাৎ শক্ত হয়ে গেলেন বনবিহারী, ‘ক’দিন থেকে আমি আপনার কথাই ভাবছিলাম। বোধহয় তাই আপনার দেখা পেলাম। দেখুন, আপনি ছাড়া আর কেউ ওদের কথা জানে না। হ্যাঁ, আপনার ড্রাইভার অবশ্য জানে। কিন্তু সে তো মাইনে করা লোক। তাই বলছিলাম, যে ক’দিন থাকব না সে-ক’দিন যদি আপনি একটু ওদের দেখাশোনা করেন তাহলে আমি নিশ্চিন্তমনে ঘুরে আসতে পারি।’ দাঁড়ালেন বনবিহারী।

    অবাক হয়ে গেলেন পালবাবু, ‘আমি?’

    ‘হ্যাঁ। আপনিও তো ওদের গার্জেনের মতো।’

    ‘কি আবোল-তাবোল বলছেন ডাক্তারবাবু? আমি ওদের গার্জেন হব কেন? কোনওদিন দেখিনি ওদের।’ বেশ জোরে প্রতিবাদ করলেন পালবাবু।

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন, ‘আমিও তো আগে কখনও দেখিনি। মাঝরাতে পেশেন্ট দেখতে গিয়ে জড়িয়ে পড়লাম।

    এখনও মেয়েটির কোনও পরিচয় আমি জানি না। শুধু মানবিক কারণে আমি ওদের আশ্রয় দিচ্ছি বলে ভাবলেন না। যদি পুলিশকে সব ঘটনা বলি বা পুলিশ যদি জানতে পারে তাহলে আমি একা নই, আপনি এবং আপনার ড্রাইভারকেও জেলে যেতে হবে।’

    ‘অ্যাঁ? আমি কি করেছি?’ হাঁ হয়ে গেলেন পালবাবু।

    ‘মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে গাড়িটা আপনি দিয়েছিলেন।’

    ‘আমি তো কিছু না জেনে দিয়েছিলাম।’

    ‘কথাটা পুলিশকে বিশ্বাস করাতে পারলে ভালো। আপনার ড্রাইভার হাসপাতালে মেয়েটিকে নিয়ে গিয়ে খাতায় কলমে স্বীকৃতি দিয়ে এল আর আপনি কিছুই জানতেন না একথা কি পুলিশ মেনে নেবে?’ বেশ গম্ভীর গলায় কথাগুলো বললেন বনবিহারী।

    পালবাবু মাথা নাড়লেন, ‘এসব কথা উঠছে কেন আমি বুঝতে পারছি না। ওইসব কথা আমি আজ পর্যন্ত কাউকে বলিনি। ড্রাইভার একে ওকে দত্তক নেওয়াতে চাইছিল, আমি নিষেধ করে দিয়েছি মুখ খুলতে। ডাক্তারবাবু, আপনি ওই ভারতভ্রমণে ওদের সঙ্গে নিয়ে যান। হরিদ্বার-টরিদ্বারে অনেক আশ্রম আছে, সেখানে রেখে আসুন। তাতে আমাদের সবার মঙ্গল হবে।’

    ‘বাঃ। এই এতক্ষণে একটা ভালো পরামর্শ দিয়েছেন।’ বনবিহারী বললেন, ‘এবার আমি চলি। বেশ বেলা হয়ে গেছে।’

    ‘নিশ্চয়ই। একটা কথা, যেদিন যাবেন সেদিন আমার ড্রাইভার আপনাদের স্টেশনে পৌঁছে দেবে। শেষরাত্রের ট্রেনটা যদি ধরেন তাহলে ভালো হয়। তখন কেউ জেগে থাকবে না তাই। জানতেও পারবে না। আচ্ছা, নমস্কার।’ পালবাবু উলটোদিকে হাঁটতে আরম্ভ করলেন।

    খারাপ লাগছিল বনবিহারীর। জীবনে কখনও কাউকে শাসিয়ে বা ভয় দেখিয়ে কোনও কথা বলেননি। কিন্তু এই লোকটার উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। নিশ্চয়ই ভেবেছিল তিনি নরম মানুষ তাই কোনও সুযোগ নিতে পারবে। কিন্তু ফোঁস করতেই গুটিয়ে গেল। মানুষই মানুষকে সৎ থাকতে দেয় না।

    বাড়ির কাছাকাছি এসে বড় রাস্তা ছেড়ে মাঠে নামলেন বনবিহারী। পাশের বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল একটি বালিকা। তাঁকে দেখতে পেয়ে ছুটে এসে বলল, ‘বড়মা’র শরীর খুব খারাপ, আপনাকে ডাকতেছে।’

    তাকালেন বনবিহারী। বড়মা কি সুনয়নী দেবী? তাঁর আবার কি হল? ওই বাড়ির দিকে পা বাড়িয়ে বনবিহারীর মনে পড়ল কালীচরণের কথা। সুনয়নী দেবীর মেয়ে-জামাই কোথায় যেন গিয়েছে। শাশুড়িকে প্রয়োজন হলে দেখাশোনা করার অনুরোধ করে গেছে ছেলেটি।

    বালিকা তাঁকে ভেতরে নিয়ে এল। একটা ঘরের দরজায় পৌঁছে বলল, ‘বড়মা, ডাক্তারবাবুকে ধরতে পেরেছি। নিয়ে এসেছি।’

    ‘এ কি কথা! ধরতে পেরেছি! যা, দরজা টেনে দিয়ে যা। বিকেলে ঠিক সময়ে আসিস বাপু। উঃ, আমি মরে যাব।’

    সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি যেন মুক্তি পেয়েছে এমনভাবে দৌড়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে চলে গেল।

    ঘরের পরদা সরালেন বনবিহারী। সুনয়নী বিছানায় শুয়ে আছেন। চোখ বন্ধ। বছর পঞ্চাশের বাঙালি মহিলাদের অনেককে আজকাল প্রৌঢ়া বলা যায় না। উনি যে একটু সাজগোজ পছন্দ করেন তা বোঝা যাচ্ছে।

    ‘কি হয়েছে আপনার?’

    ‘আমি আর বাঁচব না।’

    ‘ও। কিন্তু কেন বাঁচবেন না জানতে পারি?’

    ‘ব্যথা। সর্বাঙ্গে ব্যথা। উঃ!’ মুখে যন্ত্রণায় ছাপ ফুটল।

    ‘মেয়ে-জামাইকে যেতে দিলেন কেন?’

    ‘আমি বললেই যেন যাওয়া বন্ধ করত। এই পৃথিবীতে কেউ কারও জন্যে নয়।’

    ‘তাহলে আর কে আছেন বাড়িতে?’

    ‘কেউ না। ওই মেয়েটা আসে, দুপুরে চলে যায়। বিকেলে আসে সন্ধ্যার পর আর থাকে না। এই বাড়িতে মেয়ের কাছে এসেছিলাম বেড়াতে। এখন হয়ে গেছি বাড়ির পাহারাদার। উঃ কি কষ্ট! চোখ মেললেন সুনয়নী।

    ‘উঠে বসুন। নীচে নামুন।’

    ‘আমি পারব না ডাক্তারবাবু।’

    ‘চেষ্টা করুন। উঠুন।’

    যেন অনেক কষ্টে উঠে বসলেন সুনয়নী। একটা চেয়ার খাটের কাছে টেনে নিয়ে বসলেন বনবিহারী, ‘কোথায় কোথায় ব্যথা হচ্ছে?’

    ‘পায়ে, হাঁটুতে কোমরে, হাতে, বুকে—!’

    বুকে? বুকেও ব্যথা হচ্ছে?’

    ‘হ্যাঁ। কখন এপাশে কখন ওপাশে। মনে হয় সবসময় আমার শরীরে একটা ব্যথা ঘুরে বেড়াচ্ছে।’ মুখ নামালেন সুনয়নী।

    ‘আপনার এখনই ব্লাড টেস্ট করা দরকার। মেয়ে-জামাই কবে ফিরবে?’

    ‘বলে তো গেছে পরশু।’

    ‘জামাইকে আমার কাছে পাঠাবেন, সব বলে দেব।’

    ‘এখন একটা কিছু ওষুধ দিন। ওঃ!’ বুক চেপে ধরলেন সুনয়নী দেবী।

    ‘আচ্ছা শুয়ে পড়ুন।’

    ‘সুনয়নী চিৎ হয়ে শুলে প্রথমে পালস দেখলেন বনবিহারী। নাড়ি চঞ্চল। তবে অস্বাভাবিক কিছু নয়। স্টেথো বের করে বললেন, ‘আমার দিকে পেছন ফিরে শুলে ভালো হয়।’ সুনয়নী তাই শুলেন।

    পিঠ পরীক্ষা করলেন বনবিহারী। কোনও অস্বাভাবিক শব্দ কানে এল না। বললেন, ‘আবার চিৎ হয়ে শুন।’

    চিৎ হলেন সুনয়নী। সন্তপর্ণে বুকের মাঝখানে স্টেথো রাখলেন বনবিহারী। সুনয়নী বললেন, ‘ওখানে নয়, ডানদিকে।’

    এই বয়সেও মহিলা প্রায় নিটোল স্তন ধারণ করে আছেন। ডান দিকে স্টেথো সরাতে স্তনের ওপর চাপ পড়তেই তড়াক করে উঠে বসলেন সুনয়নী। হকচকিয়ে গিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘কি হল?’

    ‘আপনাকে দেখার পর থেকে আমি এইটে চাইছিলাম। রাত্রে চেম্বারে ফেরার পথে একবার আসুন না। আসবেন?’

    বনবিহারী কোনও কথা না বলে ব্যাগ নিয়ে সোজা বাড়ির বাইরে চলে এলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }