Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২১

    একুশ

    রামগঙ্গা থেকে পাথরপ্রতিমা যেতে নদী পার হতে হবে। বনবিহারী চেয়েছিলেন কোম্পানির লঞ্চে না গিয়ে ভটভটিতে ওপারে যাবেন। কিন্তু রতন জানাল আজ বনবিহারীকে মৃদঙ্গভাঙা নদীতে ঢুকতে হবে। সতীর থান গ্রামে তাদের যাওয়ার কথা। তাই লঞ্চে পাথরপ্রতিমায় গিয়ে ওরা অপেক্ষা করবে। ডাক্তারবাবু যদি মালতীকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভরতি করিয়ে চলে আসেন তাহলে ভালো হয়।

    সাত সকালে ঘুম ভেঙে গেলে বাচ্চাটা এমন চিৎকার শুরু করে দিয়েছিল যে উঠতে বাধ্য হয়েছিলেন বনবিহারী। বিরক্ত হয়ে ধমক দিয়েছিলেন, ‘সন্তান! চুপ! একদম চুপ!’

    সঙ্গে সঙ্গে কান্না বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বড় বড় চোখে তাঁকে দেখছিল সন্তান। দাঁত মাজা, বাথরুমে ঢোকার সময় যখনই ওর গলা থেকে কান্না বেরিয়েছে তখনই তিনি চাপা গর্জন করেছেন, ‘সন্তান!’ অমনি চুপ করে যাচ্ছিল শিশু। শেষ পর্যন্ত ওর দুধের কৌটো, বাটি ইত্যাদি ব্যাগে ভরে কোলে নিয়ে নেমেছিলেন দোতলা থেকে। কোনওদিকে না তাকিয়ে হাজির হয়েছিলেন লঞ্চের সামনে। পাড়ের গা ঘেঁষে দাঁড়ানো লঞ্চ তখন বাতাসে ঈষৎ দুলছে। চেঁচিয়ে ডাকলেন, ‘ছোটু, ছোটু!’

    বেশ কয়েকবার ডাকাডাকির পর ছোটু লঞ্চের দরজা খুলে এক হাত জিভ বের করেছিল। ওর নামানো তক্তার ওপর দিয়ে সন্তান এবং ব্যাগটাকে সামলে লঞ্চে উঠে এসে খুশি হলেন বনবিহারী। নাঃ, বয়স যাই হোক, তাঁর শরীর-স্বাস্থ্য ঠিকই আছে।

    জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সবাই উঠেছে?’

    ‘না। ঘুমোচ্ছে।’

    ‘ডাক সবাইকে। রোদ উঠে গেছে।’

    ভেতরে ঢুকে চেয়ারে বসে বললেন বনবিহারী, ‘সোনাকে বল চা বসাতে।’

    ছোটু সবার ঘুম ভাঙাল। দুই কেবিনের বন্ধ দরজায় শব্দ করল।

    সন্তান তোয়ালের মধ্যে চুপচাপ শুয়েছিল। এই ধরনটা একটু অস্বাভাবিক। আজকাল সে সহজেই উপুড় হতে পারে সাঁতার কাটার মতো বিছানায় এগিয়ে যেতে পারে।

    কেবিন খুলে মামণি বেরিয়ে কয়েক পা এগোতেই আচমকা চিৎকার শুরু করল সন্তান। সে তার মাকে দেখতে পেয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মুখে বিরক্তির ছাপ পড়ল মামণির। বনবিহারী ধমকালেন, ‘সন্তান! চুপ!’ সুইচ টিপলেই যেমন আলো নিভে যায় তেমনি কান্না থামিয়ে তাঁর দিকে তাকাল সন্তান।

    মামণি অবাক হয়ে গেল। একটা ধমকেই চুপ করে গেল ও? সে নিজে ধমক দিতে পারে। কথা না বলতে পারলেও ধমকের ভঙ্গিতে আওয়াজ তুলতে পারে। সেই আওয়াজ বহুবার শুনিয়েছে ছেলেটাকে কিন্তু তখন তো কান্না বন্ধ করেনি।

    ওকে অবাক হতে দেখে বনবিহারী হাসলেন, ‘বোধহয় নামটা ভালো লেগেছে।’

    আঙুল নেড়ে মামণি বোঝাল যে সে কিছু বুঝতে পারছে না।

    ‘কাল রাত্রে ওর একটা নামকরণ করেছি। আর কোনও বাঙালির সম্ভবত এই নামটা নেই। সন্তান।’

    মামণির ঠোঁট নড়ল। চারবার।

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘না। সনাতন নয়। সন্তান। এবার বাথরুম থেকে ঘুরে এসে ওকে দুধ খাওয়াও। এর মধ্যে সব আছে।’

    অবাক চোখে কিছুক্ষণ বনবিহারীকে দেখে মামণি বাথরুমে চলে গেল।

    চা খাওয়ার পর রতন এসে মৃদঙ্গভাঙা নদীতে যাওয়ার প্রোগ্রাম শোনাল।

    বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘পাথরপ্রতিমার হাসপাতালে কোনও ডাক্তারকে চেনো?’

    ‘হ্যাঁ। চিনি।’

    ‘তাহলে তুমিও আমাদের সঙ্গে চলো। তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।’

    ‘আমার যে ডিউটির সময় লঞ্চ ছেড়ে যাওয়া নিষেধ। কখন কি হয়!’

    কথাটা মিথ্যে নয়।

    রতন বলল, ‘ডাক্তারবাবু, একটা কথা বললে আপনি কিছু মনে করবেন না তো?’

    ‘না না। কি কথা?’

    ‘কোম্পানি গ্রামগুলোতে ঘুরে ঘুরে রুগি দেখে ওষুধ দেওয়ার কাজ করে। কোনও রুগি বেশি অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে ভরতি করার কথা বলতে হয়। আপনার আগে কোনও ডাক্তারবাবুই রুগিকে নিয়ে হাসপাতালে যাননি। ওটা রুগির লোকজনই করে। ওই কালীচরণ তো আছে। তাকেই বলুন মালতীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’ রতন অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে কথাগুলো বলল।

    একটু ভাবলেন বনবিহারী, তোমার কি মনে হয় কালীচরণ কাজটা করবে?’

    ‘না করলে ওদেরই বিপদ হবে। মালতী মারা যাবে।’ রতন বলল।

    ‘মালতী মারা গেলে কালীচরণের কি ক্ষতি? সে তো ওর বউ নয়। তাছাড়া দুজনে একবস্ত্রে চলে এসেছে। পয়সাকড়িও সঙ্গে নেই। আমরা ওদের পাথরপ্রতিমায় নামিয়ে দিলে ওরা যেভাবে হোক গ্রামে ফিরে যাবে। চিকিৎসা করাবে না। তাহলে আমি ওদের এতদূর নিয়ে এলাম কেন?’ বনবিহারী বললেন।

    ‘দেখুন, আপনি যা ভালো মনে করেন!’ রতন বলল।

    ‘তুমি চিন্তা করো না, যদি প্রশ্ন ওঠে আমি তার জবাব দেব।’

    সন্তানকে কোলে জোর করে শুইয়ে দুধ খাওয়াচ্ছিল মামণি, মালতী এসে দাঁড়াল কেবিনের দরজায়, ‘ওমা! কি সুন্দর! তোমার ছেলে বুঝি?

    সন্তান ঘাড় ঘুরিয়ে মালতীকে দেখার চেষ্টা করল। মালতী তার দিকে একটু ঝুঁকে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি নাম তোমার?’

    প্যাসেজ দিয়ে ছোটু যাচ্ছিল, বলে গেল, ‘সন্তান। একদম নতুন নাম।’

    মালতী ডাকল, ‘সনতান?’

    সন্তান ফিক করে হাসল। তা দেখে মামণি মুখ বেঁকাল, ‘হুঃ।’

    মালতী বলল, ‘আমাকে দাও, আমি খাইয়ে দিচ্ছি।’

    মামণি জানে সেটা সম্ভব হবে না। এ ছেলে বনবিহারীর হাতেও খেতে চায় না। মালতীকে জব্দ করতে সন্তানকে ওর হাতে তুলে দিয়ে নীচে নেমে দাঁড়াল। মালতী খাটে বসল সন্তানকে কোলে নিয়ে। বাটি থেকে চামচে করে দুধ তুলে দিল ওর মুখে। অবাক হয়ে গেল মামণি। দিব্যি খেয়ে নিল শয়তানটা। একটুও চেঁচাল না। দ্রুত লঞ্চের ছাদে উঠে গেল মামণি।

    লঞ্চ থেকে নেমে ভ্যান রিকশায় উঠে বনবিহারীর মনে হল, বেঁচে থাকা মানে নিত্য নতুন অভিজ্ঞতার সঞ্চয়। তিনি দেখলেন রামগঙ্গার চেয়ে পাথরপ্রতিমা অনেক বেশি জমজমাট জায়গা। আজীবন যে গঞ্জে তিনি থেকেছেন সেখানে এমন বাহনে চড়লে রাস্তায় লোক অবাক হয়ে তাঁর দিকে তাকাত। এখানে কেউ আমলই দিচ্ছে না। ভ্যানের মাঝখানে মালতী বসে আছে সন্তানকে কোলে নিয়ে। দুধ খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়েছে সে। দেখলে মনে হবে মা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে বসে আছে। মামণি বসেছে পা ঝুলিয়ে। বোঝা যাচ্ছে বেশ মজা পাচ্ছে সে।

    রতনের কল্যাণে হাসপাতালের টিকিট দ্রুত হয়ে গেল। তারপর সে এসে বনবিহারীকে ডেকে নিয়ে গেল সার্জেনডাক্তারের কাছে। ডাক্তারের বয়স চল্লিশের নীচে। হাতজোড় করে নমস্কার জানিয়ে বললেন, ‘আমি আপনার কথা শুনেছি। আপনাদের এনজিও খুব ভালো কাজ করছে। তবে লক্ষ করেছি বেশিরভাগ ডাক্তারবাবু এখানে বেশিদিন থাকেন না। বলুন, কি করতে পারি?’

    বনবিহারী মালতীর সমস্যাটা জানালেন। ডাক্তার বললেন, ‘দেখুন, আগে এরকম কেস এলে আমরা ডায়মন্ডহারবারে পাঠিয়ে দিতাম। কিন্তু গতবছর থেকে আমরাই এখানে অপারেশন করছি। তবে আমি এক্সরেটা ডায়মন্ডহারবার থেকে করানো পছন্দ করি। এটা সরকারি হাসপাতাল হলেও এরকম অপারেশনে যে খরচটা হয় তা পেশেন্ট পার্টি কি দিতে পারবে?’

    ‘বোধহয় না।’ বনবিহারী মাথা নাড়লেন।

    ‘তাহলে?’

    ‘যে গ্রাম থেকে ওকে আমি নিয়ে এসেছি সেখানে মানুষ দু-বেলা ভালোভাবে খেতে পায় না। তাছাড়া মেয়েটির স্বামী নেই। গ্রামের একজন সঙ্গে এসেছে। ওর পক্ষে টাকা জোগাড় করা অসম্ভব।’

    ‘তাহলে? আমাদের এখানে কোনও ফান্ড নেই যা থেকে সাহায্য পেতে পারে।’

    মুষড়ে পড়লেন বনবিহারী। বললেন, ‘তাহলে তো ওকে ফিরে যেতে বলতে হয়। আর সেটা বলা মানে, বুঝতেই পারছেন ভাই, ওকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। একজন ডাক্তার হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবে কি আমি সেটা বলতে পারি?’

    ‘আপনার সঙ্গে আমি একমত। কিন্তু এদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ পয়সার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। মানবিকতার কথা ভেবে আমারা ক’জনকে সাহায্য করতে পারব?’ একটু ভাবলেন ডাক্তার, ‘একটা কাজ করুন না। আপনি আপনার এনজিওকে বলুন না সাহায্য করতে। আমি চেষ্টা করব যতটা কমে কাজটা করা যায়।’

    বনবিহারী তাকালেন। এটা তাঁর মাথায় আসেনি। প্রতিদিন গ্রামে গ্রামে লঞ্চ নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাবাবদ কম টাকা খরচ করছে না এনজিও। ওঁদের সঙ্গে তাঁর যেটুকু কথা হয়েছে তাতে এখন মনে হচ্ছে রাজি করাতে পারবেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলে, ‘আনুমানিক কত খরচ হবে মনে হচ্ছে?’

    ‘অপারেশন এবং তার আগে-পরে মিলে অন্তত হাজার পাঁচেক।’

    ‘বেশ। আপনি ওকে আজই ভরতি করে নিন।’

    ‘আপনি আগে কথা বলুন। দেখুন রাজি হচ্ছে কিনা!’

    রাজি না হলেও টাকাটার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।’ বনবিহারী উঠে দাঁড়ালেন। পাশে দাঁড়িয়ে রতন কথাগুলো শুনছিল। বাইরে বেরিয়ে আসামাত্র সে নীচু হয়ে বনবিহারীকে প্রণাম করল। বনবিহারী অবাক হলেন, ‘একি! কী করছ?’

    রতন মাথা নীচু করে বলল, ‘কিছু না।’

    হাসপাতালের বারান্দায় মালতী সন্তানকে কোলে নিয়ে বসেছিল। তার একটু দূরে কালীচরণ। বনবিহারী মামণিকে দেখতে পেলেন না। একটু উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি মালতীকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওর মা কোথায় গেল?’

    মালতী মাথা নীচু করল, ‘জানি না।’

    কিন্তু কালীচরণ সঙ্গে সঙ্গে হাত তুলে দেখাল, ‘ওই দিকে!’

    হাসপাতালের সামনে মানুষের ভিড় সবসময় থাকে। কালীচরণের হাত যেদিকে নির্দেশ করছিল সেদিকে তাকিয়ে মামণিকে দেখতে পেলেন না বনবিহারী।

    রতন বলল, ‘হয়তো নতুন জায়গা ঘুরে দেখছেন।’

    বনবিহারী মালতীর দিকে তাকালেন, ‘তোমাকে আজই এখানে ভরতি হতে হবে।’

    মালতী মাথা নাড়ল। সে রাজি।

    বনবিহারী সন্তানকে ওর কাছ থেকে কোলে তুলে নিতেই সে তারস্বরে চেঁচাতে লাগল। তিনি বেশ জোরে ধমক দিলেন, ‘সন্তান! চুপ!’

    হকচকিয়ে থেমে গেল শিশু। বড়-বড় চোখে করে বনবিহারীকে দেখতে লাগল।

    কাগজপত্রে সইসাবুদ করে মালতীকে ভরতি করিয়ে দিলেন তিনি। তারপর পকেট থেকে একশো টাকার একটা নোট বের করে ওর হাতে দিয়ে বললেন, ‘অপারেশনের আগে যা যা প্রয়োজন হবে তা কালীচরণকে দিয়ে আনিয়ে নেবে। কালীচরণ, তুমি রোজ রাত্রে লঞ্চে গিয়ে ঘুমাবে। সকাল হলে হাসপাতালে চলে আসবে।’

    ‘কি করে আসব? নৌকার ভাড়া কোথায় পাব?’

    ‘পেয়ে যাবে।’

    ‘ডাক্তারবাবু—!’ নীচু গলায় বলল মালতী।

    বনবিহারী তাকালেন। মালতী বলল, ‘আপনি এখানকার ডাক্তারকে যদি বলে দেন তাহলে খুব ভালো হয়।’

    ‘কী বলব? বনবিহারী অবাক হলেন।

    ‘ডানদিকটার সঙ্গে যেন বামদিকটাও কেটে ফেলে দেয়।’

    চমকে উঠলেন বনবিহারী। সামলে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেন?’

    ‘আমার মতো মেয়েমানুষের জীবনে এদুটো যন্ত্রণা ছাড়া কিছু না। একটা পোকায় ধরেছে বলে বাদ যাবে। আর একটা রেখে দিলে যন্ত্রণাটা থেকে যাবে।’ মালতী বলল।

    ‘যিনি অপারেশন করবেন তিনি যা ভালো বোঝেন তাই করবেন।’ বেডের পাশ থেকে বেরিয়ে এলেন বনবিহারী সন্তানকে কোলে নিয়ে। ছেলেটা সেই যে চুপ করেছে আর মুখ খোলেনি। বাইরে এসে কোথাও দেখতে পেলেন না তিনি মামণিকে। শেষে রতনকে বললেন, ‘তুমি ওদিকটায় দ্যাখ, আমি এদিকে খুঁজছি।’

    মিনিট পাঁচেক পরে বনবিহারী দেখলেন রতনের সঙ্গে মামণি ফিরে আসছে হাসিমুখে। একটু রেগে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, ‘কোথায় গিয়েছিলে?’

    মামণি হাত নেড়ে পেছনের দিকটা দেখিয়ে গোঙাল, তারপর হাসল।

    রতন বলল, ‘পুরোনো, চেনা মানুষের সঙ্গে দেখা হয়ে গিয়েছিল দিদিমণির।’

    ‘কে? এই পাথরপ্রতিমায় ওর চেনা লোক কি করে থাকবে?’

    প্রশ্নটা শুনে হাসল মামণি। তারপর মাথা দোলাল। ভাবখানা এমন যে বনবিহারী জানেন না এমন অনেকের সঙ্গে তার পরিচয় আছে।

    লোকটা কোথায়?’

    বনবিহারর জিজ্ঞাসা করলেন।

    রতন বলল, ‘আমাকে দেখে ওই দিকে চলে গেল। ওকে অমি এর আগে কখনও দেখিনি। পাথরপ্রতিমায় বোধহয় নতুন এসেছে।’

    বনবিহারী আর কথা বাড়ালেন না। রতনকে একটা ভ্যানরিকশা ডাকতে বললেন। এমনিতেই বেশ দেরি হয়ে গেছে। ভ্যানরিকশায় উঠে খেয়াল হল মামণি সন্তানকে নিজের কাছে নেয়নি। পা ঝুলিয়ে পেছনে সরে যাওয়া ভিড় দেখছে। একটু বিরক্ত হয়ে তিনি সন্তানকে ওর কোলে তুলে দিলেন।

    মৃদঙ্গভাঙা নদী বেশ চওড়া। ঢেউগুলো যেন ছোবল মারছে। বর্ষার সময় যখন ঝড়বৃষ্টি হয় এই নদীতে লঞ্চ চালানো বন্ধ থাকে। বনবিহারী নীচের ঘরের চেয়ারে বসে জানলা দিয়ে নদীর জল দেখছিলেন। দেখতে দেখতে তাঁর মাথায় মালতীর সমস্যা চলে এল। যদি তাঁর এনজিওর পরিচালকরা দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে, যদি বলে তাদের কাজ প্রাথমিক চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ, অপারেশন সাহায্য করতে হলে এত পেশেন্ট দাবি জানাবে যা তাদের পক্ষে সামলানো সম্ভব নয়, তাহলে তিনি কি করবেন? হাসপাতালের ডাক্তারকে যখন কথা দিয়ে এসেছেন তখন টাকাটা দেওয়ার দায়িত্ব অবশ্যই তাঁর। গঞ্জ হলে সমস্যা হত না। রামগঙ্গায় ব্যাঙ্ক নেই। সঙ্গে যে টাকা এনেছেন তা সামলে রাখতে হয়। মাইনে হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ওই টাকায় চালাতে হবে। তিনি ঠিক করলেন কাল সকালে পাথরপ্রতিমা থেকে কলকাতায় ফোন করবেন। যদি ওরা টাকা দিতে না চায় তাহলে তাঁকে পাঁচহাজার অগ্রিম দিক। মাসে-মাসে মাইনে থেকে কেটে নিলে কোনও অসুবিধে হবে না।

    হঠাৎ সন্তানের কথা মনে আসতেই তিনি চারপাশে তাকালেন। উঠে গিয়ে কেবিন দুটো দেখলেন, সেখানে ওরা নেই। সিঁড়ি ভেঙে ছাদে গিয়ে দৃশ্যটি দেখতে পেলেন। রেলিং-এর ধারে সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে জল দেখছে মামণি। আর হিরো তাকে দু-হাত নেড়ে বলছে ওখান থেকে সরে যেতে। তাঁকে দেখতে পেয়ে হিরো বলল, ‘ওনাকে সরে আসতে বলুন ডাক্তারবাবু। বড় ঢেউ এত জোরে ধাক্কা মারে যে উনি সামলাতে পারবেন না। এখানে জলে পড়লে বাঁচানো যাবে না।’

    হিরোকে কথা বলতে দেখে মুখ ফিরিয়ে তাকাল মামণি। তারপর গম্ভীর মুখে সন্তানকে কোলে নিয়ে বনবিহারীর পাশ দিয়ে নীচে নেমে গেল। স্বস্তি পেয়ে হিরো চলে গেল সারেঙ-এর ঘরে। কি হয়েছে মামণির? লোকটা কে? হঠাৎ মনে হল যে দলে মামণি ছিল এই লোকটা কি সেই দলের পরিচিত? উত্তর বাংলা থেকে পুলিশের নজর এড়াতে পালিয়ে এসেছে? সঙ্গে সঙ্গে শিউরে উঠলেন তিনি। মামণিকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে এখানে নিয়ে এসেছিলেন তিনি কিন্তু ওর দলের ফেউদের কথা ভাবেননি। হঠাৎ উলটোদিকের পাড়ের কাছে চিৎকার শুরু হতে বনবিহারী অবাক হয়ে দেখলেন বিদ্যুৎ-এর মতো একটা কিছু লাফিয়ে নেমে আসছে নৌকোর ওপর। আর্তনাদ শোনা গেল। ছুটে এল হিরো। চেঁচিয়ে উঠল, সে, ‘বাঘ, বাঘ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }