Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২২

    বাইশ

    নৌকোটা উলটে গেল। একটা মানুষকে নিয়ে বাঘ জলে পড়ল। নৌকোয় আর যে দুজন ছিল তারা বৈঠা দিয়ে আঘাত করতে লাগল বাঘটাকে। রতন লঞ্চের মুখ ঘুরিয়ে দ্রুত নিয়ে যাচ্ছিল ওই পাড়ে। সেই আওয়াজে বাঘ বোধহয় ভয় পেল। মানুষটাকে ছেড়ে সাঁতরে পাড়ে উঠে পড়ল। বনবিহারী স্পষ্ট দেখতে পেলেন তাকে। পাড়ে উঠে শরীর ঝাঁকিয়ে জল ঝেড়ে ফেলে লহমার মধ্যে জঙ্গলে মিলিয়ে গেল। তাহলে একেই বলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার! লঞ্চ যে পর্যন্ত যেতে পারে সেই পর্যন্ত গিয়ে থেমে গেল রতন। ততক্ষণে জল থেকে আহত সঙ্গীকে লোক দুটো টেনে তুলেছে নৌকোয় সোজা করে। হিরো চিৎকার করে জিজ্ঞাসা করল, ‘মরে গেছে নাকি?’

    একজন মাথা নাড়ল, ‘না না, বেঁচে আছে। আমার ছেলেটাকে বাঁচান ভাই।’ নৌকো এগিয়ে আসতে লাগল লঞ্চের দিকে। রাঁধুনি সোনা উঠে এসেছিল ওপরে। বলল, ‘সর্বনাশ!’

    হিরো বলল, ‘বলে সর্বনাশ! মরে গেলে বেঁচে যেত ছেলেটা। কথায় বলে বাঘে ছুঁলে সর্বনাশ। না মরলে ভুগবে ছয়মাস ধরে তারপর আধমরা হয়ে বেঁচে থাকবে।’

    নৌকো চলে এসেছে লঞ্চের গায়ে। প্রৌঢ লোকটি হাতজোড় করল, ‘হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেঁচে যাবে বাবা। দয়া করে নিয়ে চল।’

    হিরো বলল, ‘ডাক্তারবাবু রুগি দেখতে বেরিয়েছেন। সেই কাজ ফেলে আবার পাথরপ্রতিমায় ফিরে যাই কি করে বল? যদি বেঁচে থাকে তাহলে ওবেলায় ফিরে যাওয়ার সময় নিয়ে যেতে পারি।’

    শব্দ করে কেঁদে উঠল প্রৌঢ়, ‘মরে যাবে। ও বাবা, আমার ছেলে মরে যাবে।’

    রতন রেলিং-এ দাঁড়িয়ে ছিল, বলল ‘কই, ছেলেটাকে দেখি।’

    বনবিহারী দেখলেন প্রৌঢ় সরে দাঁড়াল। নৌকোর গর্তে শুয়ে আছে ছেলেটা।

    রতন বলল, ‘ও তো মরেই গেছে। স্থির হয়ে গেছে।’

    সঙ্গে সঙ্গে প্রৌঢ় প্রতিবাদ করল, ‘না না, মরেনি। বুকের ভেতর শব্দ হচ্ছে। বাঘ ওর কাঁধ কামড়ে ধরেছিল, মাথা বা বুকে কামড় দিতে পারেনি।’

    রতন এবার বনবিহারীর দিকে তাকাল, ‘কি করবেন ডাক্তারবাবু?’

    ‘এরকম ক্ষেত্রে তোমরা কি করো?’ বনবিহারীর জিজ্ঞাসা করলেন।

    কোনও স্থির কিছু নেই। তবে বাঘে কামড় দিলে তাকে হাসপাতালেই পৌঁছে দেয় সবাই। বনদপ্তর থেকে চিকিৎসার ভার নেয়।’ রতন জানাল, ‘সবাই যা করে তাই কর।’

    ‘কিন্তু কোম্পানিকে জানাতে হবে। মণ্ডলদাকে তো রিপোর্ট পাঠাতে হয়।’

    নিশ্চয়ই। আজ কেন কাজ হল না তা তো জানাতেই হবে। মালতীর জন্যেও তো আমাদের দেরি হয়ে গেল। না হলে এই ঘটনাটা আমাদের সামনে ঘটত না।’

    তা অবশ্য। কিন্তু মালতীর ব্যাপারটা মণ্ডলদাকে না বলাই ভালো।’ বলে চেঁচিয়ে সঙ্গীদের বলল, ‘ওকে লঞ্চে নিয়ে আয় সবাই। সাবধানে আনবি।’

    লঞ্চে আনার পর দেখা গেল ছেলেটার কাঁধ থেকে ইতিমধ্যে প্রচুর রক্ত বেরিয়ে গেলেও এখনও সেটা বন্ধ হয়নি। ক্ষতস্থান মুছিয়ে হিরো সেখানে তুলো চাপা দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিল। বনবিহারী নাড়ি পরীক্ষা করলেন। খুব দুর্বল। ছোটুকে বললেন দুটো ইনজেকশনের নাম, আছে কিনা! ছোটু ছুটল। ততক্ষণে লঞ্চের মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে রতন। কপালগুণে ইনজেকশনগুলো পাওয়া যেতে পুশ করে দিলেন বনবিহারী। লঞ্চ বেশ দ্রুতগতিতে ছুটে চলেছে পাথরপ্রতিমার দিকে।

    এর মধ্যে সোনা দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করে ফেলেছে। বনবিহারীর খিদে পেয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ছেলেটির বাবাকে খাওয়ানো গেল না। ওর যে সঙ্গী নৌকোয় ছিল সে লঞ্চে ওঠেনি। নৌকো নিয়ে ফিরে গেছে। বনবিহারী জেনেছেন যে ওরা কাঁকড়া ধরতে জঙ্গলে যাচ্ছিল। এখানে মানুষ কি ভয়ংকরভাবে বেঁচে থাকে!

    খেতে বসার আগে বনবিহারী মামণির কেবিনে গেলেন। বিছানার ওপাশে ঘুমিয়ে আছে সন্তান। মাথার কাছে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বসে আছে মামণি পা ছড়িয়ে। একটা হাত মুখের ওপর চাপা দিয়ে রেখেছে। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বাঘটাকে দেখেছ?’

    মামণি হাত সরাল না।

    ‘সুন্দরবনের বাঘকে বাইরের মানুষ খুব কমই দেখতে পায়। তুমি দ্যাখনি আজ?’

    মামণি নির্বিকার। বনবিহারী বললেন, ‘মন খারাপ কেন?’

    মামণি পাশ ফিরে বসল। বনবিহারী একটু দাঁড়িয়ে ফিরে এলেন। খাওয়া শেষ করে ছাদে উঠে গেলেন বনবিহারী। বেশ হাওয়া দিচ্ছে। নদীর দু-ধারে গাছেরা গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে। নিশ্চয়ই ওর মধ্যে মৃত্যুদূতেরা বসে আছে। তিনি শুনেছেন রাতের বেলায় মাঝনদীতে নোঙর করা লঞ্চে বাঘ উঠে আসে সাঁতার কেটে। নিঃশব্দে ঘুমন্ত মানুষকে তুলে নিয়ে যায়। জল থেকে এতটা ওপরে বাঘ কি করে ওঠে? লাফাবার সময় তো পায়ের নীচে শক্ত কোনও সাপোর্ট চাই। সোনা এল, ‘ডাক্তারবাবু!’

    বনবিহারী তাকালেন। সোনা বলল, ‘দিদি খেতে চাইছেন না কিছুতেই।’

    ‘তোমরা খেয়ে নাও। ওর হয়তো খিদে নেই।’

    ‘আপনি যদি একবার বলেন—!

    ‘তাতে কোনও লাভ হবে না।’

    রতন এসে দাঁড়াল, ‘খবর দিয়ে দিলাম। বনদপ্তর থেকে লোক আসবে ঘাটে।’

    ‘কীভাবে খবর দিলে?’

    ‘কেন? আমাদের ওয়াকিটকিতে। থানায় জানিয়ে দিয়েছি।’

    পাথরপ্রতিমায় পৌঁছবার আগেই দেখা গেল লঞ্চঘাটায় ভিড় জমেছে। অর্থাৎ বাঘের আক্রমণের কাহিনি ছড়িয়ে গেছে। বনদপ্তরের লোকজন, পুলিশ এবং হাসপাতালের স্ট্রেচার ছেলেটাকে তুলে নিয়ে গেল। সঙ্গে ওর বাবা। কাউকে বাঘ জখম করলে সরকার থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে শুনলেন বনবিহারী।

    এখন দুপুর তিনটে বাজে। রতনকে অপেক্ষা করতে বলে মাটিতে নামলেন বনবিহারী। খোঁজখুঁজির পরে টেলিফোন বুথটাকে পেয়ে ভেতরে ঢুকলেন। পকেটের ছোট ডায়েরিতে নাম্বার লেখা ছিল। তা দেখে ডায়াল করলেন। দ্বিতীয়বারে লাইন পেলেন তিনি। এনজিওর খোদ মালিককে চাইলেন নিজের পরিচয় দিয়ে। একটু অপেক্ষার পরে গলা শুনতে পেলেন, ‘নমস্কার ডাক্তারবাবু। কোনও সমস্যা হয়েছে?’

    ‘দুটো ঘটনা আপনাকে জানানো দরকার। আজ মৃদঙ্গভাঙা নদী ধরে কাজে যাচ্ছিলাম আমরা। চোখের সামনে কাঁকড়া ধরতে আসা একটা নৌকোর ওপর বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ে একটি ছেলেকে ভয়ঙ্কর-ভাবে আহত করেছে। ওকে বাঁচাবার জন্যে আজকের কাজ বাতিল করে পাথর প্রতিমার হাসপাতালে নিয়ে এলাম আমরা।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘অনেক ধন্যবাদ। ঠিকই করেছেন আপনি। আমরা তো মানুষের জন্যে কাজ করছি। তবে আপনি কেন কষ্ট করে ফোন করলেন! এর জন্যে অন্য লোক তো আছে।’

    ‘আমি আর একটি ব্যাপারে কথা বলতে চাইছি।’

    ‘বলুন।’

    ‘এর আগের দিন বহুদূরের একটি গ্রামে পেশেন্ট দেখতে গিয়ে একজন মহিলার ব্রেস্টে টিউমার হয়েছে দেখে তাকে পাথরপ্রতিমার হাসপাতালে ভরতি করে দিয়েছিলাম। আমার মনে হয় অবিলম্বে অপারেশন না করলে ওর প্রাণসংশয় হবে। হাসপাতালের ডাক্তার আমার সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। কিন্তু মহিলাটি এত দরিদ্র যে ওর পক্ষে অপারেশনের খরচ মেটানো সম্ভব নয়। অথচ গ্রামে ফিরে গেলে ওর মৃত্যু অবধারিত। এই অপারেশনের জন্যে হাজার পাঁচেক টাকা খরচ হবে। আমাদের এনজিও থেকে কি টাকাটা দেওয়া যেতে পারে? মহিলা এখন হাসপাতালে ভরতি আছেন।’

    ‘ডাক্তারবাবু, আমরা দূরের গ্রামগুলোতে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছি। অপারেশন বা কোনও জটিল চিকিৎসার দায় বহন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া এরকম দায়িত্ব আমরা কতজনের ক্ষেত্রে নিতে পারি বলুন?’

    ‘তাহলে আমি একটা আবেদন করছি। আপনি যদি আমাকে ওই টাকা অগ্রিম হিসেবে দেন তাহলে আমি পাঁচ মাসে তা শোধ করে দেব। আপনারা আমরা মাইনে থেকে মাসে হাজার টাকা করে কেটে নেবেন। এটা কি সম্ভব?’

    ‘আপনি আপনার পকেট থেকে টাকা দিতে চাইছেন?’

    ‘আমি যদি ওকে পরীক্ষা না করতাম তাহলে নিশ্চয়ই দিতে চাইতাম না। কিন্তু আমার বিশ্বাস ওর ম্যালিগন্যান্ট টিউমার হয়েছে। পরীক্ষা করলেই বোঝা যাবে। সেক্ষেত্রে অপারেশন করলে বাঁচার সুযোগ থাকছে।’

    ‘ঠিক আছে। আপনি আমাকে অবাক করলেন ডাক্তারবাবু। এটা এনজিও থেকে নয়, আমরা অন্য ফান্ড থেকে টাকাটার ব্যবস্থা করছি। তবে ব্যাপারটা গোপন রাখবেন।’

    ‘অনেক ধন্যবাদ।’ টেলিফোন রেখে স্বস্তি হল বনবিহারীর।

    লঞ্চ থেকে বাড়িতে ফেরার সময় সন্তানকে কোলে না নিয়ে মামণি গটগট করে হেঁটে এল। বাধ্য হলেন বনবিহারী শিশুকে বহন করতে। দরজায় পুঁটির মায়ের সঙ্গে দেখা। মামণিকে দেখে জিজ্ঞাসা করল, ‘ওমা! কোথায় গিয়েছিলে তোমরা?’

    মামণি জবাব না দিয়ে ওপরে উঠে গেল। পরিস্থিতি সহজ করার জন্যে বনবিহারী হাসলেন, ‘মাথাটা গরম হয়ে গেছে। কিছু মনে করবেন না।’

    ‘কেন? কি হয়েছে?’

    ‘বাচ্চা ঝামেলা করছিল, সামলাতে পারছিল না।’

    ‘একি কথা! বাচ্চারা তো ঝামেলা করবেই। মা যখন হয়েছে তখন তা সহ্য করতেই হবে।’

    ‘ঠিক হয়ে যাবে।’

    ওপরে উঠে বনবিহারী দেখলেন মামণি দাঁড়িয়ে আছে। দরজায় তালার চাবি তার কাছে নেই। চাবি খুললেন বনবিহারী। সঙ্গে-সঙ্গে ভেতরে ঢুকে ঘরে পরার জামা নিয়ে কলঘরে চলে গেল মামণি। সন্তান আবার কান্না শুরু করল। মামণির অপেক্ষায় না থেকে নিজেই জল গরম করে দুধ গুলে তাকে খাওয়ালেন বনবিহারী। এর মধ্যে মামণি কলঘর থেকে বেরিয়ে এসে বিছানার একপাশে দেওয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে পড়েছে।

    দুধ খেয়ে সন্তানের ফুর্তি বেড়ে গেল। সে হাত-পা ছুড়ে খেলার চেষ্টা করতে লাগল বনবিহারীর দিকে তাকিয়ে। বনবিহারী মুখ থেকে আজগুবি শব্দ বের করলে সে শব্দ করে হাসতে লাগল। কিছুক্ষণ এভাবে চলার পরে হাঁপিয়ে গেলেন বনবিহারী। কিন্তু উৎসাহে ভাটা পড়েনি সন্তানের।

    বনবিহারী ডাকলেন, ‘মামণি! কি হয়েছে তোমার?’

    মুখ না ফিরিয়ে শূন্যে হাত ঘোরাল মামণি, কিছু হয়নি।

    ‘কিছু যদি না হয়ে থাকে তাহলে ওইভাবে আছ কেন সারাদিন? দুপুরেও খাওনি কিছু। যা সত্যি তা বললে আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব হয়।’

    মামণি জবাব দিল না।

    ক্রমশ সন্ধে নেমে এল। বনবিহারীর খুব রাগ হচ্ছিল। সকালে বেশ ছিল মামণি। পাথরপ্রতিমায় গিয়ে ওর এই অবস্থা হল। ওই লোকটার সঙ্গে কেন যে দেখা হল ওর! দেখা করে যখন ফিরছিল রতনের সঙ্গে তখনও মুখে হাসি ছিল। কিন্তু যেই তিনি একটু বকাবকি করেছেন অমনি সেই হাসি মুছে গেল!

    রাত আটটা নাগাদ ঘুমাল সন্তান। আর তখনই বাইরে থেকে গলা ভেসে এল, ‘ডাক্তারবাবু! ডাক্তারবাবু!’

    দরজা খুলে বেরিয়ে এসে বনবিহারী দেখলেন সোনা দাঁড়িয়ে আছে, পাশে রতন। রতন বলল, ‘পাথরপ্রতিমায় গিয়েছিলাম। আপনি বান মাছ খান?’

    ‘হ্যাঁ।’ মাথা নাড়লেন বনবিহারী।

    ‘খুব সস্তায় জ্যান্ত বান পেয়ে কিনে ফেলেছিলাম। সোনাকে বললাম মাংসের মতো করে রান্না করতে। আমাদের জন্যে অনেক বেশি হয়ে গিয়েছে। তাই আপনাদের জন্যে নিয়ে এসেছি। সঙ্গে দশখানা রুটি আছে। হবে তো?’

    ‘খুউব হবে। কি বলে যে তোমাদের ধন্যবাদ দেব—!’

    ‘না না, একি বলছেন—! সোনা টিফিন ক্যারিয়ারটা দিয়ে দিল।

    সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসতে আসতে থমকে দাঁড়াল রতন, ‘আর একটা কথা। আমি যখন মাছ কিনে ভটভটিতে ফিরে এলাম তখন দেখি রামগঙ্গার ঘাটে সেই ছেলেটা দাঁড়িয়ে আছে।’

    ‘কোন ছেলেটা?’

    ‘আজ হাসপাতালে দিদির সঙ্গে যে কথা বলছিল। আমি তার পরিচয় জানতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই সে ভটভটিতে উঠে পাথরপ্রতিমায় চলে গেল।’

    নিজেকে স্থির রাখলেন বনবিহারী। বললেন, ‘ঠিক আছে।’ ওরা চলে গেল।

    অন্ধকার রামগঙ্গার দিকে তাকিয়ে বনবিহারী অস্বস্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ! এই ছেলেটা কে? নিশ্চয়ই সে রামগঙ্গায় এসেছিল মামণির সন্ধানে। তারপরই তাঁর মনে হল, তিনি এত ভাবছেন কেন? পরিচিত কেউ তো দেখা করতে আসতেই পারে।

    ঘরে হ্যারিকেন জ্বলছিল। টিফিন ক্যারিয়ার নামিয়ে রেখে বনবিহারী আবার মামণিকে ডাকলেন। সে সাড়া দিল না। শেষ পর্যন্ত মায়া এল মনে। তিনি এগিয়ে গিয়ে মামণির পাশে বসলেন। কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমার ওপর রাগ হয়েছে?’

    কয়েক সেকেন্ড চুপচাপ, তারপর আচমকা মামণি জড়িয়ে ধরল বনবিহারীকে। তারপর উঠে বসে দু-হাতে গলা জড়িয়ে ধরে আগ্রাসে চুমু খেতে লাগল একের পর এক। অপ্রস্তুত বনবিহারী নিজেকে ছাড়াতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত চাপা ধমক দিলেন তিনি, ‘এসব কি হচ্ছে? থামো!’

    সবেগে মাথা নেড়ে না বলল মামণি। তারপর ঝটপট জামার বোতাম খুলে নিজেকে উন্মোচন করল। লণ্ঠনের আলো পড়ায় সেই জোড়া বুক এক রহস্যময়ী। অদ্ভুত গোঙানিতে কিছু বলতে চাইল মামণি। বনবিহারী উঠে দাঁড়াতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। মামণির শরীরের শক্তি যেন এখন অনেকগুণ বেড়ে গেছে। সে এক হাতে বনবিহারীর হাত জোর করে নিয়ে আসতে চাইছিল নিজের বুকের দিকে। সেই সঙ্গে সমানে গোঙানি বেরিয়ে আসছিল তার মুখ থেকে। বনবিহারীর মনে হল, মামণি বলছে, ‘আমি খারাপ, আমি খারাপ?’

    ‘না। তুমি খারাপ নও।’

    চোখ নেড়ে সে জানতে চাইল, ‘তবে?’

    ‘দ্যাখো, আমার সঙ্গে তোমার এই সর্ম্পক হতে পারে না।’

    মামণির মুখে প্রশ্ন ফুটল, ‘কেন?’

    ‘আমি তোমার থেকে বয়সে অনেক বড়।’

    মাথা নাড়ল মামণি। বোঝাল সে এই যুক্তি মানে না।

    বনবিহারী একটা হাত মুক্ত করতে পেরে ওর মাথা স্পর্শ করলেন, ‘শান্ত হও।’

    হঠাৎ মামণি তাঁকে ছেড়ে দিয়ে খাট থেকে নীচে নামল। যেখানে বনবিহারীর জিনিস থাকে সেখানে গিয়ে কলম তুলে কাগজে কিছু লিখল। তারপর সেই কাগজটা নিয়ে হাসিমুখে বনবিহারীর সামনে এসে এক হাতে তাঁর চোখ বন্ধ করে দিল। তারপর হাত সরাতে বনবিহারী চোখ খুলতেই কাগজের লেখাটা দেখতে পেলেন, ‘আমাকে তুমি বিয়ে করবে?’

    বুকের ভেতর দুরন্ত ঝরনা যেন খলবলিয়ে উঠল। মামণির বুক এখনও বন্ধনমুক্ত।

    সমস্ত শরীরে জোয়ার আসছে, টের পেলেন বনবিহারী। ঠিক তখনই দরজায় শব্দ হল। পুঁটির মায়ের গলা কানে এল, ‘ডাক্তারবাবু! ডাক্তারবাবু! শিগগির আসুন।’

    তাড়াতাড়ি দরজার দিকে ছুটে যেতে যেতে বনবিহারী দেখলেন মামণি জামার বোতাম লাগিয়ে ফেলেছে। দরজা খুলতেই পুঁটির মা বলল, ‘তাড়াতাড়ি আসুন। ও কেমন করছে।’

    ব্যাগটা নিয়ে নীচে দৌড়ালেন বনবিহারী। বেঁচে যাওয়ার স্বস্তি নিয়ে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }