Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২৭

    সাতাশ

    বনবিহারী মেয়েটি ও তার বাবাকে নিয়ে পাথরপ্রতিমায় নেমে গেলে রতন লঞ্চ নিয়ে ফিরে গিয়েছিল। এর আগে কোনও ডাক্তার যা করেননি বনবিহারী তা করছেন দেখে বেশ আবেগে আক্রান্ত হয়েছিল লঞ্চের সব কর্মী। ওরা ঠিক করল এরকম দিন এলে, যখন কারও প্রাণ বাঁচাতে ডাক্তারবাবু পেশেন্টকে হাসপাতালে নিয়ে আসবেন, সেদিনের রিপোর্ট পরেশ মণ্ডলকে বিস্তারিত বলবে না। বরং যে গ্রামে গিয়েছিল লঞ্চ সেখানে বেশ ভালো কাজ হয়েছে তাই জানাবে। লঞ্চে পেশেন্ট বয়ে আনা যেহেতু নিয়ম নেই আর হেড অফিস সেটা মোটেই পছন্দ করছে না তাই সত্যি কথা বললে ডাক্তারবাবু বিপদে পড়বেন। হয়তো ওঁকে চলে যেতে বলা হবে। রতনরা ঠিক করল, ডাক্তারবাবুকে ওরা হারাতে চায় না। তাই ঝটপট ওরা পাথরপ্রতিমা থেকে লঞ্চ নিয়ে চলে এসেছিল।

    বনবিহারী হাসপাতালের অফিসে খোঁজ নিয়ে জানলেন মালতীকে নিয়ে যাওয়ার সময় কালীচরণ টিপসই দিয়েছে। সেই লোকটা যে মালতীর সঙ্গে এসেছিল, সে এই হাসপাতাল চত্বরে পড়েছিল এতদিন। কিন্তু মালতীকে নিয়ে গেল কোথায়?

    দ্বিতীয়ত, সেই ছেলেটির সন্ধান করতে গিয়ে হোঁচট খেলেন বনবিহারী। নাম জানেন না, কোথায় থাকে তাও না। দু-তিনজনকে চেহারার বর্ণনা দিয়েও কিছু জানতে পারেননি। সন্ধে নেমে গেছে। কাল এই মেয়েটির অপারেশনের জন্যে কত জমা দিতে হবে জানতে চেয়ে স্বস্তি বোধ করলেন। ওই টাকা এখনও তাঁর সঙ্গে আছে। মেয়েটির বাবা হাতজোড় করে দাঁড়িয়েছিল। তার সামনে গিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘আর কোনও চিন্তা নেই। তোমার মেয়ে ভালো হয়ে যাবে। এখানকার ডাক্তারবাবুরা খুব ভালো অপারেশন করেছেন।’

    ‘সবই আপনার দয়ায় হল ডাক্তারবাবু।’ লোকটার গলার স্বর ভেজা।

    ‘এসব কথা বলবে না। এই নাও তিরিশটা টাকা রাখো। কিছু খেয়ে নিয়ে রাত্রে হাসপাতালেই থেকো। কয়েকদিনের মধ্যে এরা তোমার মেয়েকে ছেড়ে দেবে।’

    টাকাটা লোকটার হাতে গুঁজে দিয়ে বনবিহারী যখন ঘাটে পৌঁছালেন তখন রাত বেড়ে গেছে। পারাপার বন্ধ হতে বেশি দেরি নেই। ভটভটিতে চেপে এপারে এসে ভাড়া দিতে গেলেন তিনি। ভটভটিওয়ালা দ্রুত মাথা নাড়ল, ‘না না। আপনাকে দিতে হবে না।’

    ‘সে কি? কেন?’

    ‘আপনার জন্যে ভটভটি ফিরি।’ লোকটা হাসল।

    কিছুতেই রাজি হল না লোকটা।

    বাড়ির কাছে পৌঁছে তাঁর ঘরে আলো জ্বলতে দেখলেন বনবিহারী। নীচে পুঁটির মায়ের ঘরে অন্ধকার। তার বন্ধ দরজার সামনে একটা লোক বসেছিল। তাঁকে দেখতে পেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে নমস্কার জানাল। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি কে?’

    ‘আজ্ঞে, আমি কালী।’

    ‘কালী মানে?’

    ‘ওই যে মালতীর সঙ্গে আপনার লঞ্চে এসেছিলাম—।’

    অন্ধকারে মুখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু বুঝতে অসুবিধে হল না। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি এখানে কি করছ?’

    ‘ওরা এখানে এল, আমিও চলে এলাম।’

    ‘কারা এখানে এসেছে?’

    ‘মালতী আর একটা দিদি।’ বলে লোকটা ওপরের দিকে আঙুল তুলল।

    বিস্মিত বনবিহারী দ্রুত সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে দেখলেন দরজা খোলা। খাটে সন্তান বসে আছে। তার পাশে মালতী। নীচে খাবার বাড়ছে মামণি। শব্দ শুনে মালতী দরজার দিকে তাকিয়েই ঘোমটা টেনে খাট থেকে নেমে দাঁড়াল। আর কি আশ্চর্য, সন্তান এই প্রথম বেশ জোরে একটি শব্দ উচ্চারণ করল।

    মামণি মুখ তুলে তাকাল। তারপর মুখ নামিয়ে ঠোঁট টিপে হেসে যা করছিল তা করে যেতে লাগল। মালতী ঘোমটার প্রান্ত এক হাতে ধরে রেখে নীচু গলায় বলল, ‘ডাক্তার ছেড়ে দিল। বলল, সাতদিন পরে দেখিয়ে যেতে। বিকেলে তো গাঁয়ে যাওয়া যায় না। গেলে সাতদিন পরে আসাও সম্ভব হত না। বোন দেখতে গিয়েছিল। ও বলল এখানে চলে আসতে।’

    ‘বোন?’ মুখ থেকে প্রায় অসাড়ে প্রশ্নটা বেরিয়ে এল।

    চোখের ইশারায় মামণিকে দেখিয়ে দিল মালতী।

    ‘কিন্তু এখানে থাকবে কোথায়? ঘর তো মাত্র একটা।’ বনবিহারী বিরক্তি চেপে রাখলেন না, ‘তাছাড়া নীচে কালীচরণকেও দেখলাম।’

    ‘ও কাল সকালে চলে যাবে। মাছ ধরার টলারে মেয়েছেলে তোলে না, ওকে তুলবে।’

    মামণি খাবারের প্লেট মালতীর হাতে তুলে দিয়ে নীচের দিকে ইঙ্গিত করল। সেটা বুঝে মালতী প্লেটটা কালীচরণকে দিতে নেমে গেল।

    ‘সারাদিন কোথায় ছিলে?’ বনবিহারী খাটে এসে বসলেন।

    মামণি ঠোঁট ওলটাল। তারপর ইশারায় জানতে চাইল বনবিহারী এখন খাবেন কি না?’

    রাগ হল বনবিহারীর। বললেন, ‘পাথরপ্রতিমায় গিয়েছিলে?’

    মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল মামণি।

    ‘কারও সঙ্গে দেখা করতে?’

    আবার একই ভঙ্গি করল মামণি।

    ‘ছেলেটা কে? কোথায় আলাপ তোমার সঙ্গে?’

    মামণি উঠল। একটা কাগজে কলম দিয়ে কিছু লিখল। তারপর এগিয়ে ধরল বনবিহারীর সামনে। বনবিহারী পড়লেন, ‘আমি আপনার কেউ হই না। তাহলে এত চিন্তা কেন?’

    ‘যতক্ষণ তুমি আমার সঙ্গে আছ ততক্ষণ চিন্তা হবেই।’ কথাগুলো বলেই বনবিহারী সতর্ক হলেন। সন্তান তাঁর পায়ের কাছে চলে এসেছে হামাগুড়ি দিয়ে। তারপর তার চেষ্টা শুরু হল বনবিহারীর শরীর ধরে উঠে দাঁড়াবার। শেষ পর্যন্ত টলোমলো শরীরটাকে কোনওমতে খাড়া করল বনবিহারীর জামা আঁকড়ে ধরে। এবং এই সাফল্যে সে এত খুশি যে গলার শিরা ফুলিয়ে চিল-চিৎকার না করে পারল না। বনবিহারী তাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরতেই নরম তুলতুলে স্পর্শ পেলেন। সেই স্পর্শে যে অদ্ভুত মাদকতা রয়েছে তা তাঁকে প্রভাবিত করল। তিনি সন্তানের গালে চুমু খেলেন।

    ইতিমধ্যে মামণি আবার কিছু লিখেছে কাগজে। লিখে সামনে ধরেছে। মুখ ফিরিয়ে সেটা পড়লেন বনবিহারী, ‘আমার মাকে খবর দেওয়া হয়েছে।’

    ‘সেকি! আমাকে বলোনি তো?’

    মামণি ইশারায় বোঝাল সে না, ওই ছেলেটি দিয়েছে।

    বনবিহারীর আর কথা বলা হল না। কারণ মালতী প্লেট নিয়ে ফিরে এসেছে। মালতী বলল, ‘ঘাটে যে ছাউনি আছে সেখানে চলে যাচ্ছে ও। ওর থাকার জন্যে ভাবনা ভাবতে হবে না। আমি এই ঘরের মেঝেতে বিছানা করে নেব।’

    এইসময় নীচ থেকে একটি সরু গলা ভেসে এল, ‘ডাকতারবাবু, ও ডাকতারবাবু।’

    বনবিহারীর কপালে ভাঁজ পড়ল। সন্তানকে বিছানার মাঝখানে বসিয়ে দিতেই সে গলা ছেড়ে কেঁদে উঠল। মালতী ছুটে গেল তার কাছে। বনবিহারী সিঁড়িতে পা রেখে দেখলেন তিনটে লোক আধা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে। হয় তো কেউ অসুস্থ হয়েছে, তাঁকে নিয়ে যেতে এসেছে এরা। সিঁড়ির শেষ ধাপে নেমে বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হ্যাঁ, বলুন!’

    সরু গলার লোকটি বলল, ‘নমস্কার ডাক্তারবাবু, ইনি বাবা মুর্শেদ। আপনি নিশ্চয়ই ওঁর নাম শুনেছেন?’

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন, ‘না। আমি তো এখানে বেশিদিন আসিনি।’

    লোকটা কিছু বলতে যাচ্ছিল কিন্তু বাবা মুর্শেদ তাকে ধমক দিল, ‘আঃ! আমি কি মুখ্যমন্ত্রী যে দেশের সবাই আমাকে চিনবে। নমস্কার ডাক্তারবাবু। আপনি এখানে এসে মানুষের জন্যে কাজ করছেন এই খবর আমি পেয়েছি। এখানে ডাক্তাররা এসেই পালাতে চায়। কত এল কত গেল! আর যত এন জি ও আছে তাদের ধান্ধা হল গরিব মানুষের উপকার করার নামে পয়সা কামানো। আপনার সম্পর্কে একেবারে অন্য কথা শুনছি। তাই আলাপ করতে এলাম।’

    ‘আমাকে কি কোনও পেশেন্ট দেখতে যেতে হবে।?’

    ‘না না। পেশেন্ট দেখার হলে এরাই আসত। আমার আসার দরকার হত না।’

    ‘ও। বলুন, কি করতে পারি?’

    ‘শুনলাম আপনি ক’দিন আগে একটি বউকে অপারেশনের জন্যে এনেছিলেন। অপারেশনের পর বউটি বেঁচে গেছে। আজ এমন একটা মেয়েকে দূরের গ্রাম থেকে এনেছিলেন অপারেশনের জন্যে যে না নিয়ে এলে সে আজই মারা যেত। কিন্তু এইসব অপারেশনের খরচ আপনার এন জি ও দেবে না। তাই তো?’

    ‘হ্যা। প্রথম কেসটায় দিতে রাজি হয়েছে, তার পরে নয়।’

    ‘অ। দেখুন, আমার হাতে মাঝে মাঝে টাকা এসে যায়। লোকের আপদে বিপদে আমি না বলতে পারি না। আজ যে মেয়েটির অপারেশন হয়েছে তার সব খরচ আমি দিতে চাই। কাল সকালেই ওটা হাসপাতালে পৌঁছে যাবে।’

    ‘কিছু মনে করবেন না, আপনার পরিচয় আমি জানি না।’

    ‘আমি সামান্য মানুষ। সুন্দরবনে থাকি। অশিক্ষিত। ওই যে বললাম, হঠাৎ হঠাৎ কিছু টাকা আমার হাতে এসে যায়। তখন আশেপাশের গরিব মানুষগুলো দু’বেলা খেয়ে থাকে।’ হাসল বাবা মুর্শেদ, ‘আচ্ছা চলি। হ্যাঁ, আর একটা কথা বলি। আপনি টাকার জন্যে চিন্তা করবেন না। দূরদূরান্তে গিয়ে যদি দ্যাখেন কারও চিকিৎসার প্রয়োজনে এখানে আনা দরকার, নিয়ে আসবেন। আমি আছি। এরা সবসময় আমাকে খবর দেবে। নমস্কার।’ অন্ধকারে ওরা মিলিয়ে গেল।

    রাত্রের খাবার খেয়ে বনবিহারী দরজা বন্ধ করতে বলে সোজা লঞ্চে চলে গেলেন। রতনরা শুয়ে পড়েছিল। ডাকাডাকি করতে ছোটু এসে তক্তা ফেলে তাঁকে লঞ্চে উঠতে সাহায্য করল। অত রাত্রে তাঁকে আসতে দেখে সবাই বিছানা ছেড়ে উঠে এল।

    বনবিহারী বললেন, ‘এত রাত্রে তোমাদের বিরক্ত করার জন্যে দুঃখিত। ওই যে মালতী নামের মেয়েটি যার বুকের টিউমার অপারেশন করা হয়েছিল সে আমার ঘরে এসেছে। মামণিই নিয়ে এসেছে। এক ঘরে শোওয়া সম্ভব নয় বলে এখানে চলে এলাম। তোমরা যাও, শুয়ে পড়ো।’

    রতন বলল, ‘ঠিক করেছেন। সোনা, ডাক্তারবাবুকে খাবার দে।’

    বনবিহারী হাত নাড়লেন, ‘না না। আমি খেয়ে এসেছি।’

    রতন বলল, ‘তাহলে একটা কেবিনে বিছানা করে দিতে বলি।’

    ওরা বিছানা করে দিলে বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আচ্ছা রতন, তোমরা বাবা মুর্শেদ নামের কোনও মানুষকে চেনো?’

    ‘সর্বনাশ!’ রতন আঁতকে উঠল, ‘আপনি নামটা শুনলেন কি করে?’

    ‘কেন? লোকটা খারাপ?’

    ‘সুন্দরবনের বিখ্যাত ডাকাতদের একজন। তিনবার জেল খেটেছে। বিশাল দল ওর। এখন পুলিশ পর্যন্ত ওকে ভয় পায়।’ সোনা বলল।

    ‘পুলিশ ভয় পায় কেন?’

    ‘গরিব মানুষরা সবাই ওকে সাপোর্ট করে যে। পাঁচ মাইল দূরে পুলিশ দেখলে লোকে ওর কাছে খবর পাঠায় পুলিশ আসছে। যে তিনবার ধরা পড়েছে তা এই পাথরপ্রতিমা বা কাকদ্বীপে এসেছিল বলে।’ যেন রবিনহুডের গল্প শোনাচ্ছে এমন মুখ করে বলে যাচ্ছিল সোনা।

    ‘লোকটা তাহলে ব্যবসাদার নয়?

    ‘না ডাক্তারবাবু। পুলিশের চোখে ও একজন ডাকাত। তবে এমন একজন ডাকাত যাকে গঞ্জে না এলে পুলিশ ধরতে পারে না।’ সোনা বলল।

    রতন হাসল, ‘আপনি লক্ষ করবেন আমরা সুন্দরবনের সব নদীতে যাই না। কয়েকটা নদীতে লঞ্চ বা ভটভটি নিয়ে গেলে বাবা মুর্শেদকে কর দিতে হয়। যারা যায় তারা খুশি মনে দেয় কারণ তাহলে অন্য কোনও ডাকাত দলের খপ্পরে পড়তে হয় না। আমাদের হেড অফিস যেহেতু কর দেবে না তাই ওদিকে যাওয়া নিষেধ। তাই এখানকার ওই সব ব্যবসায়ীদের ওপর বাবা মুর্শেদের রাগ আছে।’

    বনবিহারী স্মরণ করিয়ে দিলেন, ‘আমাদের এটা একটা এন জি ও, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়। লোকটির রাগ থাকা উচিত নয়।’

    ‘শুনেছি ও বলে হেড অফিস নাকি তলায় তলায় টাকা কামায়। সত্যিমিথ্যে জানি না। আমি তো সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকি যেন ওর খপ্পরে না পড়ি। বিশাল দল ওর। নিন, শুয়ে পড়ুন।’ রতন বলল।

    ‘এই রামগঙ্গায় ও কখনও এসেছে বলে শুনেছ?’

    ‘না। এখানে এলে বিপদে পড়বে বলে ও আসবে না।’ রতন বলল।

    আর কথা বাড়াননি বনবিহারী। কেবিনের ছোট্ট বিছানায় শুয়ে তাঁর মনে হল যে লোকটা এসেছিল সে সত্যিকারের বাবা মুর্শেদ তো? নাকি বাবা মুর্শেদ নিজে না এসে দলের কাউকে পাঠিয়ে ওই নাম বলতে বলেছে? নিরাপত্তার কারণে দ্বিতীয়টি হওয়া অসম্ভব নয়। কিন্তু সঠিক বা মেকি যেই হোক, লোকটা যেন নিজের পরিচয় দিত। তা যে-ই হোক, কাল পাথরপ্রতিমার হাসপাতালে গেলে জানা যাবে বাচ্চা মেয়েটার অপারেশনের টাকা অন্য কেউ দিয়ে গেছে কিনা। যদি দেয় তাহলে তাঁকে ব্যাপারটাকে নিয়ে ভাবতে হবে। একটা মানুষ ডাকাতি করে, সেটা করতে গিয়ে নিশ্চয়ই খুনখারাপি করতে হয়। তার কানে খবর পৌঁছেছিল যে নতুন ডাক্তারবাবু পেশেন্টের প্রাণ বাঁচাবার জন্যে লঞ্চে করে পাথরপ্রতিমায় নিয়ে এসেছেন। নিজের পয়সায় তার অপারেশনের ব্যবস্থা করেছেন। আগামীকাল যদি তাঁকে টাকা দিতে হত তাহলে তাঁর হাত প্রায় খালি হয়ে যেত। তবু ওইটুকু টাকার জন্যে একটা মেয়ের জীবন চলে যাবে তা তিনি মেনে নিতে পারেননি। সন্ধেবেলায় হাসপাতালে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে হওয়া কথা ওই লোকটির কানে কি করে গেল? ও নিশ্চয়ই পাথরপ্রতিমার কাছাকাছি থাকে না। দূর জঙ্গলের মধ্যে কোনও গ্রামে বসে কথাগুলো শুনে চলে এসেছে? কীভাবে এল? ভটভটিতে এলে তো এখানে পুলিশের হাতে পড়ত? তাহলে যে এসেছিল সে আসল বাবা মুর্শেদ নয়। পাথরপ্রতিমায় থাকা কোনও লোককে পাঠিয়েছে বাবা মুর্শেদ। কেন পাঠাল? ডাকাতির টাকায় মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে পুণ্য করবে বলে? হয় তো। কিন্তু এরকম লোক যদি সংখ্যায় বেশি হত তাহলে ডাক্তারি করতে সুবিধে হত।

    ঘুম আসছিল না বনবিহারীর। মামণির ব্যাপারটা মাথায় আসতেই তিনি উঠে বসলেন। তাঁর অনুমতি না নিয়েই মেয়েটা মালতীকে বাড়িতে নিয়ে এল? যেটুকু দেখেছেন তাতে মালতী বেশ ভাব করে ফেলেছে সন্তানের সঙ্গে। ক’দিন আগে যার অমন অপারেশন হল তার মধ্যে দুর্বলতার চিহ্ন দেখতে পাননি তিনি। কিন্তু মামণির ঠোঁটের কোণে হাসি দেখেছেন। যেন ব্যঙ্গের হাসি। এর মধ্যে কবে কখন ওরা মামণির মাকে খবর পাঠিয়েছে তা তাঁর জানা নেই। খবর পেয়ে যদি টান থাকে তাহলে ওর মা নিশ্চয়ই আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে চলে আসবেন এখানে। এসে মেয়েকে নিয়ে যেতে চাইবেন ভদ্রমহিলা? কতদিন মামণি বাড়িছাড়া? এতদিন পরে কি টান থাকবে? কিন্তু মামণি ইশারায় বুঝিয়েছে ওই ছেলেটি খবর দিয়েছে। ছেলেটি কে? হঠাৎ গজিয়ে তার মাথায় এই চিন্তা কেন এল?

    হঠাৎ বিপরীত ভাবনার ঢেউ মাথায় আসতে বনবিহারী একটু শান্ত হল। মামণির মা এলে তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন তিনি। যে মেয়ে কুমারী অবস্থায় উগ্রপন্থীদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল, দু-আড়াই বছর পরে তাকে সন্তানসহ বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে সম্বন্ধ করে বিয়ে দিতে নিশ্চয়ই পারবেন না তিনি। বয়সে বেশ বড়, শুধু এই ত্রুটিটুকু যদি ভদ্রমহিলা উপেক্ষা করতে পারেন তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

    প্রায় শেষ রাতে ঘুমিয়ে পড়লেন বনবিহারী। খানিকটা নিশ্চিন্তে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }