Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ২০

    কুড়ি

    সুজয় বাড়িতে না ঢুকে সোজা খুঁটিমারির জঙ্গলের ধারে চলে এল। জায়গাটা খুব নির্জন। বিকেল হতে না হতেই চরাচরে ছায়া ঘনায়। সামনের জঙ্গলটায় তখন কালো ছোপ। গঞ্জ থেকে আসা পিচের রাস্তাটা সোজা ওই জঙ্গলের বুক চিরে চলে গেছে। চারধারে একটা থমথমে ভাব। জঙ্গলের মুখেই একটা কাঠের সাঁকো। তার তলা দিয়ে ঝরনার জল তিরতিরিয়ে বয়ে যাচ্ছে। তার গায়েও গাছের ছায়া।

    সুজয় সাঁকোর রেলিং-এ ঠেস দিয়ে দাঁড়াল।

    সন্তানের কথা ভাবছিল সে। এতবড় বোকামি কী করে করল ছেলেটা? কী দরকার ছিল পুলিশের হেপাজত থেকে পালানোর? ওখানে সে কাদের সঙ্গে মিশত তার জানা নেই। সত্যি কথা বলতে, এই স্কুলে আসার পর তার সঙ্গে কারোরই যোগাযোগ হয়নি। দলের সক্রিয় সদস্য সে কোনওকালেই ছিল না। কিন্তু যারা অবস্থার পরিবর্তন চায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। পুলিশ যদি জানতে পারে সন্তান পালিয়ে এসে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল তাহলে ধরে নেবে সে উগ্রপন্থীদের সক্রিয় সদস্য। শহরে যাদের সে কাছ থেকে জানত তারা কেউই পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াত না। কিন্তু সুজয় বুঝত অ্যাকশনে যারা আছে তাদের সঙ্গে ওদের যোগাযোগ আছে। সে ঝরনার জলের দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিল। সে যদি এখান থেকে চুপচাপ চলে যায় তাহলে তাকে উগ্রপন্থীদের একজন বলে ভেবে নিতে অসুবিধে হবে না পুলিশের। না গেলে তাকে জেরা করতে পারবে না। তা ছাড়া এই চাকরিটা তার দরকার।

    সে সোজা হল। জঙ্গলের দিকে তাকাতেই দেখতে পেল একটা সাইকেল দ্রুত এগিয়ে আসছে। সম্ভবত সন্ধে হয়ে আসছে বলে তাড়াতাড়ি জঙ্গল পেরোতে চাইছে লোকটা। সাঁকোর কাছে এসে ধীরে ধীরে সাইকেল থামিয়ে রেলিং-এ এক পা রেখে দাঁড়াল মধ্যবয়সি একজন। বলল, ‘চেনা লাগছে না। কে আপনি?’

    একটু বিরক্ত হল সুজয়, ‘আপনি কি এখানকার সবাইকে চেনেন?’

    লোকটি হাসল, ‘ওই জঙ্গলের গাছগুলোকে যেমন জানি তেমনি গঞ্জের মানুষগুলোকেও। আগে দেখিনি বলেই জিজ্ঞাসা করছিলাম।’

    ‘আমি এখানে বেশিদিন আসিনি। স্কুলে চাকরি নিয়ে এসেছি।’

    ‘তাই বলুন ভাই। নামটা কী?’

    ‘সুজয়। আপনি?’

    ‘আমাকে সবাই হারুদা বলেই চেনে। এই যে জঙ্গল দেখছেন, এটা পার হয়ে গেলে একটা বড় নদী পাবেন। তার ওপাশে থাকি। মাস দুয়েক জ্বরে পড়েছিলাম। তাই এদিকে আসা হয়নি।’

    ‘আপনি কী করেন?’

    ‘কিস্যু না। শাকসবজির খেত আছে। কয়েকটা গরু দুধ দেয়। নদীতে মাছ ধরি। সেগুলো বিক্রি করে চাল-ডাল কিনি। চলে যায়। ক’দিন থেকে শুনছিলাম এই জঙ্গলে কিছু ছেলে লুকিয়ে আছে আর পুলিশ তাদের গুলি করে মারছে। শুনে বিশ্বাস হয়নি। যদি ছেলেগুলো কোনও অন্যায় করে থাকে তাহলে তাদের ধরে বিচার করে শাস্তি না দিয়ে মেরে ফেলছে কেন? আজ ভাবলাম, যাই জঙ্গলটা সাইকেলে চেপে ঘুরে দেখি যদি কোনও ছেলের দেখা পাই। দেখা পেলে জিজ্ঞাসা করব কী অন্যায় করেছে তারা?’ মাথা নাড়ল লোকটা, ‘আমি তো ভাই কারও দেখা পেলাম না।’

    ‘যারা আপনাকে খবরটা দিয়েছে তারা নিশ্চয়ই মিথ্যে বলেনি।’

    ‘না, নদীর এপারের লোক আমাকে খবরটা দেয়নি। একা থাকি বলে তারা আমাকে এড়িয়ে চলে। আমি জানতে পারলাম একটা ছোঁড়ার কাছ থেকে। জ্বর গায়ে আমার ওখানে গিয়ে হাজির হয়েছিল। বলল, সে কোনও অন্যায় করেনি তবু পুলিশ ভুল বুঝে ওকে খুঁজছে শাস্তি দেওয়ার জন্যে। একলা পেলে মেরেও ফেলতে পারে। মুখ দেখে মনে হল মিথ্যে বলছে না। আরে! আপনাকে যে কথাটা বলে ফেললাম। সে আমার হাতে-পায়ে ধরেছে যেন কাউকে তার কথা না জানাই। আপনি পুলিশের লোক না তো?’ লোকটা চোখ ছোট করল।

    হেসে ফেলল সুজয়, ‘না। ছেলেটার নাম কী?

    ‘নাম বলেনি। জিজ্ঞাসাও করিনি। কম্বলমুড়ি দিয়ে শুয়েছিল। জ্বর কমছে।’

    ‘নাম জিজ্ঞাসা করেননি?’

    ‘আরে বাবা! জিজ্ঞাসা করলে সে যে নাম বলবে তাই তো বিশ্বাস করতে হবে। কী হবে জিজ্ঞাসা করে! সত্যি যে বলছে তা বুঝব কী করে?’ লোকটি বলল, ‘এই ছেলেটার কথা শুনেছেন নাকি?’

    ‘কোন ছেলে বুঝতে পারছি না।’

    ‘জঙ্গলে এসে পুলিশ যে ছেলেদের মারছে এটা সত্যি না মিথ্যে?’

    ‘সত্যি।’

    ‘ও! কেন মারছে?’

    ‘ছেলেগুলো উগ্রপন্থী।’

    ‘হতেই পারে। কেউ নরমপন্থী, কেউ মধ্যমপন্থী, কেউ উগ্রপন্থী। যার মত যেরকম। তাহলে মারার কী আছে।’

    ‘সরকার বলছেন ওরা দেশের শত্রু। সংবিধান মানে না। জাতীয় সম্পত্তির ক্ষতি করে। মানুষ মারে। ধরতে গেলে পুলিশকেই খুন করে। ফলে জীবিত অবস্থায় পুলিশ ওদের ধরতে পারে না।’

    ‘বাব্বা! এসব হয়েছে! আমি যখন খুব ছোট তখন ওরকম আন্দোলন হয়েছিল একবার। অবশ্য আমাদের এই তল্লাটে হয়নি। যাই, গঞ্জে যেতে হবে। কয়েকটা জিনিস আর ছোঁড়াটার জন্যে ওষুধ কিনব।’ লোকটি সোজা হল সাইকেলের ওপর।

    ‘একটা কথা বলছি—।’ সুজয় বলল।

    ‘বলুন ভাই!’

    ‘আপনি যে ছেলেটিকে আশ্রয় দিয়েছেন, ওর জন্যে ওষুধ কিনছেন তা গঞ্জের কাউকে না বলাই ভালো।’

    ‘আরে ভাই, ওর নামই জানি না তো কী বলব। চলি।’

    লোকটা চলে গেল গঞ্জের দিকে। সুজয়ের মনে হল ওকে যতটা সরল বলে মনে হচ্ছিল ঠিক ততটা নয়। কিন্তু সন্তানকে সে বলেছিল থানায় ফিরে যেতে। না গিয়ে এই বিশাল জঙ্গল পেরিয়ে সে অসুস্থ হয়ে নদীর ওপারে পৌঁছে গেছে। ভাগ্যিস লোকটা ওখানে ছিল তাই তার আশ্রয় মিলেছে। কিন্তু সন্তানের ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গেল। মনটা খারাপ হয়ে গেল সুজয়ের। সন্তানের যা বয়স তাতে এখনই এসব করা উচিত হয়নি। তার মনে হল ডাক্তার বনবিহারীকে খবরটা দিলে তিনি যদি গোপনে অসুস্থ সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে পারেন তাহলে হয়তো একটা সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। একটু মিথ্যে বলতে হতে পারে। ডাক্তার বনবিহারী পুলিশের কাছে গিয়ে বলবেন সন্তান তাঁর বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পুলিশ হয়তো চট করে বিশ্বাস করবে না কিন্তু শেষ পর্যন্ত গিলতে বাধ্য হবে। খুব বেশি হলে তারা সন্তানকে জেরা করবে কিন্তু কোনও কেস ফাইল করতে পারবে না। হয়তো ওই স্কুলে তার আর জায়গা হবে না। না হোক, দেশে তো অনেক স্কুল রয়েছে।

    হাঁটতে লাগল সুজয়। ডাক্তারবাবুর চেম্বার আগে পড়বে। সেখানেই যাচ্ছিল সে। হাঁটতে হাঁটতে তার খেয়াল হল। হারুবাবু যখন ফিরে যাবে তখন তো

    জঙ্গলে রাত নেমে যাবে। ওইসময় সাইকেলে জঙ্গল পার হওয়াতে ঝুঁকি আছে। অথচ সেই ঝুঁকি খুব স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছে লোকটা। কীরকম অস্বস্তি হল।

    ডাক্তার বনবিহারীর চেম্বার বন্ধ। কিন্তু খানিকটা এগিয়ে ওঁর বাড়ির কাছের রাস্তায় দেখা হয়ে গেল। হাতজোড় করে নমস্কার করল সুজয়। বনবিহারী দাঁড়ালেন, ‘আপনি?’

    ‘আপনার কাছেই যাচ্ছিলাম।’

    ‘আমি তো বাড়িতে পেশেন্ট দেখি না, চেম্বারে আসুন।’

    ‘আমি রোগ নিয়ে আসিনি ডাক্তারবাবু।’ সুজয় বলল।

    ‘তাহলে?’

    জায়গাটা খুব নির্জন। তার ওপর সন্ধে নেমে আসছে। সুজয় যতটা সংক্ষেপে হারুবাবুর কাছ থেকে শোনা কাহিনি শোনাল।

    শুনে স্তব্ধ হয়ে গেলেন বনবিহারী। শেষ পর্যন্ত বললেন, ‘আমি কী করতে পারি?’

    ‘সন্তান আপনার নাতি, ওকে বাঁচাবেন না?’

    বনবিহারী ‘নাতি’ শব্দটা শুনে আরও বিব্রত হলেন। বললেন, ‘কেউ যদি আত্মহত্যা করতে চায় তাহলে তাকে চব্বিশ ঘণ্টা পাহারা দিয়ে রাখা যায় না।’

    ‘কিন্তু ও এখনও নাবালক। শুনলাম হারুবাবুর ওখানে কম্বলমুড়ি দিয়ে রয়েছে। গায়ে জ্বর। এখনই যদি ওকে তুলে নিয়ে এসে চিকিৎসা করেন, পুলিশকে জানান তাহলে ওর ভবিষ্যৎটা নষ্ট নাও হতে পারে।’ সুজয় বলল।

    ‘মাস্টার, ওর ভবিষ্যৎ নষ্ট তো আপনি করেছেন।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘আমি?’ চমকে উঠল সুজয়।

    ‘ওর কানে বিদ্রোহের কবিতাগুলো আপনি কি শোনাননি?’

    ‘সুকান্তর কবিতা, গোর্কির মায়ের গল্প কোটি কোটি কিশোর শুনেছে। শোনার পর তাদের ভবিষ্যৎ কি নষ্ট হয়ে গেছে?’ সুজয় প্রতিবাদ করল।

    ‘ভেজা ঘাসে জ্বলন্ত দেশলাইকাঠি পড়লে আগুন জ্বলে না। শুকনো খড়ে পড়লেই দাউ দাউ শিখা তৈরি হয়। ওর শরীরের রক্ত তো তৈরি হয়েই ছিল।’

    সুজয় বলল, ‘যা হোক, এখনও সময় আছে বলেই ছুটে এলাম।’

    ‘ঠিক আছে। আমি ভেবে দেখি।’ বনবিহারী বললেন, ‘অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আচ্ছা চলি।’ যেদিক থেকে তিনি এসেছিলেন সেদিকে ফিরে গেলেন বনবিহারী। সুজয়ের মনে হল তার আর কিছু করার নেই।

    বাড়ি ফিরে কালীচরণকে ডাকলেন বনবিহারী, ‘মামণি কোথায়?’

    ‘রান্নাঘরে বসে আছে। হঠাৎ চলে এলেন যে? শরীর খারাপ?’

    ‘না কালীচরণ। তার চেয়েও বেশি। দরজাটা ভেজিয়ে দাও।’

    কালীচরণ দরজা ভেজিয়ে দিয়ে এলে সুজয় মাস্টারের কাছ থেকে শোনা কথাগুলো তাকে বললেন বনবিহারী। মাটিতে উবু হয়ে বসে শুনছিল কালীচরণ। শোনার পর দু-হাতে মাথা চেপে ধরল, ‘সর্বনাশ।’

    ‘তুমি এখান থেকে কোনও তীর্থে বেড়িয়ে আসতে বলছ। গিয়ে তো শান্তি পাব না।

    ‘মাস্টারবাবু যা বলেছেন তাই করলে ছেলেটার ভালো হবে।’

    ‘কিছুই হবে না। আবার পালাবে। যে একবার খাঁচা ভেঙে পালায় সে আর কখনওই খাঁচায় থাকতে চাইবে না।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘কিন্তু বেচারার জ্বর হয়েছে। হবেই তো। ওরকমভাবে থাকলে শরীর খারাপ হবেই।’ কালীচরণ নীচু গলায় বলতে লাগল।

    ‘দ্যাখো কালীচরণ, তুমি কয়েকদিনের বাচ্চাকে নিজের হাতে বড় করেছ বলে এখানে বসে বিড়বিড় করছ, আমার পক্ষে অ্যাডভেঞ্চার করে ওকে নিয়ে আসা সম্ভব নয়।’ বনবিহারী বললেন, ‘তোমার ইচ্ছে হলে তুমি চেষ্টা করো।’

    মাথা থেকে হাত সরাল কালীচরণ। ‘জায়গাটা কোথায়?’

    ‘জঙ্গল পেরিয়ে নদীর ওপারে কে এক হারুবাবু থাকে তার ডেরায়। অনেকদিন আগে একটা লোক এসেছিল ওদিক থেকে, নাম মনে নেই, টাকা দিতে পারেনি, একটা লাউ দিয়ে গিয়েছিল। কে জানে সেই লোকটাই হয়তো। তার নিশ্চয়ই জোটে না, ছেলেটাকে আর কী দেবে? দ্যাখো, ভেবে দ্যাখো।’ বনবিহারী উঠলেন।

    ‘বাবু, সেই হারুবাবু কি গঞ্জে আছে?’

    ‘তাই তো বলল মাস্টার।’

    ‘আমি ছেলেটাকে নিয়ে আসি। যতই বয়স হোক এখনও হিম্মত মরে যায়নি। আপনি আর বের হবেন না। মেয়েটাকে একা রেখে যাওয়া ঠিক হবে না। আমি যত তাড়াতাড়ি পারি ফিরে আসব।’ কালীচরণ উঠে দাঁড়াল।

    ‘কোথায় যাচ্ছ তার তো কিছুই জানো না—।’ বনবিহারী দ্বিধায় ছিলেন।

    ‘আমি বুঝে গিয়েছি। জঙ্গলে থাকতে দুদিন নদীর ধারে গিয়েছিলাম। এখন নদীতে এক ফোঁটা জল নেই। ঠিক পৌঁছে যাব।’ কালীচরণ বলল।

    ‘কিন্তু তুমি ওকে এ-বাড়িতে নিয়ে আসছ জানতে পারলে পুলিশ তোমার সঙ্গে আমাকেও জেলে পুরবে।’

    ‘কেউ দেখতে পাবে না। আমি গঞ্জ দিয়ে আসবই না। এদিক দিয়ে যে শর্টকাট পথটা আছে সেটাই ধরব।’

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যে কালীচরণ বেরিয়ে গেল সাইকেল নিয়ে।

    বাইরের ঘরের আলো নিভিয়ে শোওয়ার ঘরে চলে এলেন বনবিহারী। আজ সন্ধেতেও ঠিক ছিল কাল সবাইকে জানিয়ে পরশু তীর্থদর্শনে বেরিয়ে যাবেন। নীচের শহর থেকে টেনে উঠবেন। সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।

    বাড়িটা নিঝুম হয়ে আছে। রান্নাঘরে নিশ্চয়ই বসে আছে মামণি। আশ্চর্য মা! ছেলের সম্পর্কে কোনও আগ্রহ নেই। সে এই বাড়িতে নেই জেনেও কী নির্বিকার। মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন জাগে সত্যি কি ও সন্তানের মা?

    হঠাৎ বনবিহারীর মনে হল প্রশ্নটা মামণিকে সরাসরি করবেন। ঘর থেকে বেরিয়ে আর একটা ঘর পার হতেই রান্নাঘরের আলো দেখতে পেলেন তিনি। প্রায় নিঃশব্দে দরজার দিকে এগোতেই কান্নার আওয়াজ কানে এল। বনবিহারী অবাক হয়ে দেখলেন ডান হাত হাঁটুর ওপর রেখে তাতে মুখ চেপে কেঁদে চলেছে মামণি। একটি সুস্থ, কথা বলতে পারা মহিলার কান্নার সঙ্গে ওর কান্নার কোনও পার্থক্য নেই। বনবিহারী নিঃশব্দে ঘরে ফিরে গেলেন।

    বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে না গিয়ে পেছনের পায়ে হাঁটা মেঠো পথ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে নদীর ধারে চলে এল কালীচরণ। ওপারের জঙ্গলের গায়ে যা ঝরনা হয়ে ছিল তা নীচে নেমে ছোট নদীর চেহারা নিয়েছে। হাঁটুর নীচে জল। সাইকেল হাতে নিয়ে সেটা পার হয়ে জঙ্গলে ঢুকে পড়ল সে। আসার সময় একটা ছোট টর্চ নিয়ে এসেছিল। মাঝে-মাঝে তার আলোয় পথ দেখে নিচ্ছিল কালীচরণ, একসময় সেই পথটাও শেষ হয়ে গেল।

    এখন ঘন জঙ্গল সামনে যা নিকষ কালোয় ডুবে আছে। লতাগুল্মের আড়াল সরিয়ে কিছুটা দূর আসতেই ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের তৈরি কাঁচা রাস্তা পেয়ে গেল সে। যতটা সম্ভব জোরে সাইকেল চালাতে লাগল। নীচের দিক থেকে অনেকটা ডানদিকে যেতে হবে তাকে। খানিকটা সময় পরে কানে ডাল ভাঙার শব্দ বাজল। শিরশিরিয়ে উঠল শরীর। ওটা যে হাতির দলের কীর্তি বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। ওদের সামনে পড়লে শরীরটাকে নিয়ে ফুটবল খেলবে।

    প্রায় আধঘণ্টা পরে পিচের পথটাকে দেখতে পেল কালীচরণ। মাথার ওপর এখন অজস্র তারা জ্বলজ্বল করছে। তাদের আলো আকাশ চুঁইয়ে নেমে এসেছে জঙ্গলের বুকে। নামলেও পৃথিবী যেটুকু আলেকিত হয়েছে তাতে দৃষ্টি পরিষ্কার হয় না।

    শেষ পর্যন্ত জঙ্গল শেষ হয়ে গেল। ডানদিকে জনবসতি, সামনে নদী। বিরাট নদী এখন হাড়জিরজিরে। নুড়ি পাথরের ওপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে মানুষ এবং গৃহপালিত জন্তু পথের চেহারা বানিয়ে নিয়েছে। জনবসতি এলাকায় টিমটিমে আলো জ্বলছে।

    হঠাৎ সেদিক থেকে চিৎকার ভেসে এল, ‘কে যায়?’

    উলটোদিকে মুখ ফিরিয়ে কালীচরণ চটপট জবাব দিল, ‘হারু।’

    চিৎকারে স্বস্তি মিশল, ‘ও হারুদা! সত্যি, তুমি পারো বটে।’

    কালীচরণ দাঁড়াল না। লোকটা যে দূরত্বে আছে তাতে তাকে চেনা অসম্ভব। কিন্তু যদি বেশি কথা বলতে হয় তাহলে নিশ্চয়ই বুঝে যাবে সে হারু নয়।

    নড়বড় করতে করতে নদীর বুক পেরিয়ে এপারে চলে এল সে। এদিকে কোনও জনবসতি নেই। অন্ধকার দু-তিনটে কুঁড়ে ঘর দেখতে পেল কিন্তু তার ভেতরে আলো জ্বলছে না। আরও কিছুটা এগোনোর পর একটা টিনের চালওয়ালা কাঠের বাড়ি চোখে পড়ল। বাড়ির ভেতর অনেকটা বাগান আছে। শাক-সবজির। টর্চের আলোয় সেটা দেখে কালীচরণ আন্দাজ করল এই বাড়ি হারু নামক লোকটির হলেও হতে পারে। সাইকেল একপাশে লুকিয়ে রেখে সে টিনের গেট খুলে ভেতরে ঢুকে একটু জোরে চ্যাঁচাল, ‘কেউ আছ?’

    কয়েক সেকেন্ড চলে গেল কোনও সাড়া পাওয়া গেল না।

    বাড়িতে দুটো ঘর। ভেতরের দিকে এসে দেখল কোনও ঘরেই আলো জ্বলছে না। ঘরের দরজায় তালা ঝুলছে। হতাশ হল কালীচরণ। নিশ্চয়ই এটা হারুবাবুর বাড়ি নয়। লোকটা গঞ্জে গেছে, ফিরে আসার আগেই যদি সন্তানকে পেয়ে যেত—! সে ঠিক করল ওই কুঁড়ে ঘরের সামনে গিয়ে গৃহস্থকে জিজ্ঞাসা করে হারুবাবুর বাড়ি কোথায় জেনে নেবে। হাঁটতে হাঁটতে মিনিট চারেক গিয়ে একটা কুঁড়ে ঘরের দরজায় শব্দ করল সে। ভেতর থেকে একজনের গলা ভেসে এল, ‘কে?’

    ‘আজ্ঞে, হারুদার বাড়িটা কোথায় বলতে পারেন?’ কালীচরণ জিজ্ঞাসা করল।

    ‘ওই ওপাশে। টিনের গেটওয়ালা কাঠের বাড়ি।’ লোকটা জবাব দিল।

    এরকম বাড়ি এই এলাকায় একটাই আছে যেখান থেকে সে বেরিয়ে এসেছে। কালীচরণ আবার ফিরে গেল। যে ঘরের দরজায় তালা ঝুলছে সেখানে কেউ নেই ধরে নিয়ে দ্বিতীয় ঘরের দরজায় শব্দ করল। কোনও সাড়া না পেয়ে একটু জোরে ঠেলতেই দরজাটা খুলে গেল।

    ঘর অন্ধকার। টর্চের আলো ফেলল কালীচরণ। ঘরে কোনও আসবাব নেই। একদিকে বস্তা বোঝাই করে রাখা আছে কিছু। উলটোদিকে বাঁশের খুঁটির ওপর তক্তা পাতা। কাছে গিয়ে কালীচরণ দেখতে পেল একটা আধছেঁড়া চাদর শরীরে কোনওরকমে জড়িয়ে শুয়ে রয়েছে সন্তান। চোখ বন্ধ। কপালে হাত রেখে বুঝতে পারল জ্বর থাকলেও তেমন বেশি নয়। সে ডাকল, ‘খোকা, ও খোকা। চোখ মেলো।’

    চোখ খুলল সন্তান। অন্ধকারের মধ্যে থেকে আসা টর্চের আলো তার চোখ দুটোকে বিব্রত করল। চোখ বন্ধ করে দুর্বল গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কে?’

    ‘আমি, কালীকাকা। ওঠো।’

    ‘কালীকাকা!’

    ‘হ্যাঁ। আমি তোমাকে নিয়ে যেতে এসেছি। ওঠো। উঠতে পারবে?’

    ওঠার চেষ্টা করল সন্তান। কালীচরণ টর্চ সামলে ওকে ধরে সোজা করল। তারপর ধীরে ধীরে বাইরে নিয়ে এল। দূরে কোথাও কুকুর ডাকছে।

    সাইকেলের রডে ছেলেটাকে বসিয়ে বলল কালীচরণ, ‘শক্ত করে হ্যান্ডেল ধরে রাখো।’ সন্তান হ্যান্ডেল ধরল। তার মাথা ঝুঁকে পড়ছিল। কালীচরণ মনে মনে বলল, ‘এই তো শক্তি, এই নিয়ে গেছে পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ করতে।’

    নদীর নুড়ির ওপর দিয়ে ডাবলক্যারি করে সাইকেল চালানো সম্ভব নয়। সন্তানকে সাইকেলে বসিয়ে নদীটা হেঁটে পার হয়ে যখন এপারে পৌঁছেছে সে তখন দূরে মানুষের গলা শুনতে পেল। বেশ উত্তেজিত হয়ে একজন কথা বলছে। কালীচরণ অনুমান করল সেই লোকটাই আগন্তুককে বোঝাবার চেষ্টা করছে কিছুক্ষণ আগে সে কী শুনেছিল।

    অন্ধকারে দ্রুত রাস্তা পেরিয়ে জঙ্গলে ঢুকে গেল। যাওয়ার আগে পেছন ফিরে দেখল একটা টর্চের আলো বেশ জোরে নদীর ওপারের দিকে যাচ্ছে। নিশ্চয়ই ওটা হারুবাবুর টর্চের আলো। কালীচরণ সাইকেলে উঠে জোরে প্যাডেল ঘোরাতে লাগল পিচের পথ দিয়ে। সন্তানের মাথা বারংবার ঢলে পড়ছে তার হাতে, শরীরটাও নড়বড় করছে। একটা বাঁক পার হওয়ার সময় কালীচরণ দেখল হাতির দলটা জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসছে পথের ওপর। দ্রুত জায়গাটা পেরিয়ে গেল সে। কয়েক সেকেন্ড দেরি হলে আর দেখতে হত না।

    গঞ্জের এলাকাটাকে এড়িয়ে ঘুরতি পথে যখন সন্তানকে নিয়ে বাড়ির পেছনে পৌঁছাল তখন কালীচরণের সব শক্তি প্রায় শেষ। বনবিহারী পেছনের দরজা খুলে হাত লাগালেন। সন্তানকে বয়ে নিয়ে এসে মাঝখানের ঘরের খাটে শুইয়ে দেওয়া হল। জ্বর দেখলেন বনবিহারী। তারপর ট্যাবলেট জলে গুলে ধীরে ধীরে খাইয়ে দিলেন।

    ঘুমিয়ে পড়ল সন্তান। বনবিহারী মুখ তুলে দেখলেন মামণি পেছনের দরজার গায়ে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল। চোখাচোখি হতেই ভেতরে চলে গেল।

    বনবিহারী বললেন, ‘কালীচরণ, আজ তুমি ছেলেটাকে বাঁচাতে পেরেছ কিন্তু কাল কী হবে তা আমরা কেউই জানি না। এরা পাখির মতো, ডানায় জোর এলে বাচ্চা যখন আকাশে উড়ে যায় তখন সে আর মাকে যেমন চেনে না, মা-ও সন্তানকে চিনতে পারে না। যাও, হাত-মুখ ধুয়ে কিছু খেয়ে শুয়ে পড়ো। অনেক রাত হয়ে গেছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }