Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ১৪

    চোদ্দো

    পায়ের নীচের মাটি যদি উথালপাথাল হত, আকাশ যদি মাথার ওপর ভেঙে পড়ত তাহলে বোধহয় এভাবেই অসাড় হয়ে যেতেন বনবিহারী। তাঁর চোয়াল ধীরে ধীরে শক্ত হল। মনে হল এরকম একটা আজগুবি কারণ দেখিয়ে মেয়েটা নিজের সব দোষ আড়াল করতে চায়। ঘুরে ওর গালে সজোরে চড় মারলে চালাকি বের হয়ে যাবে। কিন্তু বনবিহারী চড় মারতে পারলেন না।

    একটা গাড়ির শব্দ জানান দিয়ে বাড়ির সামনে থামতেই বনবিহারী চাপা গলায় বললেন, ‘ভেতরের ঘরে যাও। দয়া করে আমাকে ডুবিও না। যাও।’

    মামণি দ্রুত চলে যাওয়ামাত্র দরজায় শব্দ হল। বনবিহারী এগিয়ে গিয়ে সেটা খুলতেই দেখলেন থানার বড়বাবু দাঁড়িয়ে হাসছেন, ‘আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে এলাম।’

    ‘ওঃ।’ বনবিহারী গম্ভীর হলেন।

    ‘ছেলেটার অবস্থা কেমন দেখলেন?’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘ওর কপাল।’

    ‘অর্থটা বোধগম্য হল না।’ বড়বাবুর চোখ ছোট হল।

    ‘দেখুন, ওর কপালে যা লেখা আছে তাই হবে। আমি নিজে ভাগ্যে বিশ্বাস করি না। কিন্তু ওর ক্ষেত্রে এখন আর কোনও উপায় নেই। হয় মরে গিয়ে বেঁচে যাবে, নয় বেঁচে গেলে জেলে পচতে হবে।’ বনবিহারী বললেন, ‘ভেতরে আসুন।’

    ‘না। আপনি কী চান? ও মরে যাক?’

    ‘আমার চাওয়ার ওপর কি ওর ভাগ্য নির্ভর করছে?’

    ‘কিছু মনে করবেন না, আপনার কথায় যেন অন্যরকম সুর পাচ্ছি।’

    ‘এসব দেখতে আমার ভালো লাগছে না। এরা চোর-ডাকাত নয়। এত বড় দেশ ভারতবর্ষে কখনও বিপ্লব সম্ভব নয় তা নিশ্চয়ই ওদের জানা। তবু কী কারণে জীবন নষ্ট করছে আমি ভেবে পাই না।’

    ‘আপনি ওদের বোঝান না। বুঝিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনুন।’

    হেসে ফেললেন বনবিহারী, ‘আমার কথা তারা শুনবে কেন? তা ছাড়া আমি তাদের পাব কোথায়? ওদের সন্ধানে জঙ্গলে জঙ্গলে ঘোরা তো সম্ভব নয়। আর ঘুরলে আপনাদের চর ভেবে আমাকে মেরে ফেলবে।’

    ‘হুঁ! যাক গে, আপনি নিশ্চয়ই খুব ক্লান্ত। বৃষ্টির মধ্যে সারারাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন। বিশ্রাম করুন। ও হ্যাঁ, আপনার বাড়িতে যে লোকটি কাজ করে তার নাম তো কালীচরণ, তাই না?’ ফিরে যেতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়ালেন অফিসার।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘সে কি আর কাজ করে না?’

    ‘ছুটি নিয়েছে দেশে যাবে বলে।’

    ‘ওর দেশ কোথায়?’

    ‘তা আমি জানি না। এর আগে কখনও গিয়েছে কিনা মনে পড়ছে না।’

    ‘ফরেস্টের লাগোয়া বস্তিতে সে ঘর ভাড়া করে আছে। এইসব অঞ্চলে নতুন লোক ঘর ভাড়া করলে আমরা তার সম্পর্কে খোঁজখবর করি। আচ্ছা, চলি।’ অফিসার এবার গাড়িতে উঠে বসলেন, গাড়ি চলে গেল।

    হঠাৎ শীত করতে লাগল বনবিহারীর। কালীচরণ কোথাও না গিয়ে ফরেস্টের পাশের বস্তিতে ঘর ভাড়া করে আছে। কেন? বস্তির ঘর মানে চ্যাটাইয়ের দেওয়াল আর খড়ের ছাউনি! হঠাৎ ওরকম কষ্ট করার সাধ হল কেন? তার পরেই কথাটা মাথায় এল। আজ থানার বড়বাবু তাঁকে নিছক ধন্যবাদ জানাতে আসেননি, এসেছেন সতর্ক করতে। পুলিশের সন্দেহের খাতায় তাঁর নাম যে উঠে গেছে সেটা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন, নইলে কালীচরণের প্রসঙ্গ ওভাবে তুলতেন না। বনবিহারী অনুমান করলেন এখন থেকে পুলিশ তাঁর ওপর কড়া নজর রাখবে। এমন কোনও কাজ নিজে তো করাই যাবে না, অন্যকেও জেনেশুনে করতে দেবেন না যা তাঁর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

    দরজা বন্ধ করে শোওয়ার ঘরে চলে আসামাত্র মামণি সেখানে হাজির হল। তাকে আড়চোখে দেখেও দেখলেন না বনবিহারী। তিনি টেবিলের সামনে চেয়ার টেনে বসতেই মেয়েটা পাশে এসে দাঁড়িয়ে একটা চিরকুট এগিয়ে দিল। ভাঁজ খুললেন তিনি, ‘আমি আর কোথাও যাব না।’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘না। পুলিশ সন্দেহ করছে। তুমি এখানে থাকলে আমাকে জেলে যেতে হবে। আমি জেলে গেলে সন্তানের কী হবে? তুমি তাকে অনায়াসে ত্যাগ করে চলে যেতে পেরেছ, কিন্তু সে তো আমার ভরসায় বোর্ডিং-এ থেকে পড়াশুনা করছে।’

    কোনও শব্দ নয়। নীরবে দ্বিতীয় চিরকুট এগিয়ে দিল মামণি, ‘আমি এখানেই থাকব।’

    ‘জোর-জবরদস্তি নাকি? না। রাত বাড়লে যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে চলে যেও।’

    তৃতীয় চিরকুট সামনে রাখল মামণি, ‘না। আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।’

    ‘কেন? তোমার মা? তিনি তো আছেন!’

    এবার চিরকুটে লিখে এগিয়ে দিল, ‘মা মারা গেছেন।’

    ‘বাঃ!’ মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘এই বাড়িকে উগ্রপন্থীদের ক্যাম্প করা চলবে না।’

    আবার লেখা হল, ‘আমার সঙ্গে ওদের কোনও সম্পর্ক নেই।’

    খুব বিরক্ত হলেন বনবিহারী, ‘আমি বিশ্বাস করি না। আবার যদি বিশ্বাস করতেও চাই তাহলে তুমি এই বাড়িতে কী পরিচয় নিয়ে থাকবে? এখানকার মানুষ জানে আমি একা, ওই বাচ্চাটাকে মানুষ করছি কারণ ওর বাবা-মা নেই। হঠাৎ তুমি কোত্থেকে উদয় হলে?’

    কয়েক সেকেন্ড বনবিহারীর চোখে চোখ রেখে তাকিয়ে থাকল মামণি। তারপর ধীরে ধীরে চিরকুটে লিখল, ‘আপনি আমাকে বিয়ে করুন।’

    পড়ামাত্র হৃৎপিণ্ড যেন এক লাফে গলার কাছে চলে এল। কী লিখল মেয়েটা! কোনওমতে বলতে পারলেন, ‘তুমি কি পাগল?’

    মামণি দুপাশে মাথা নাড়ল কয়েকবার।

    ‘আরে! তুমি আমার মেয়ের বয়সি। ঠিক সময়ে বিয়ে করলে তোমার মতো একটা মেয়ে থাকত আমার। পাগলের মতো কথা বলছ!’ ধমকে উঠলেন তিনি।

    মামণি আবার লিখল, ‘আপনি আমাকে জন্ম দেননি। যদি ভালোবেসে গ্রহণ করেন তাহলে বয়সের পার্থক্য কোনও বাধাই হতে পারে না।’ বলতে-বলতে হাঁটুমুড়ে বসে বনবিহারীর শিথিল ডান হাত তুলে নিজের মাথায় চেপে ধরল সে, এবার সেই আওয়াজ বেরুল তার গলা থেকে যা একদা শুনতে অভ্যস্ত ছিলেন বনবিহারী। কাতর হয়ে অনুরোধ করার সময় এরকম শব্দ ওর গলা থেকে বের হয়।

    ‘ঠিক আছে। কোথাও যেতে হবে না তোমাকে। কিন্তু কথা দিতে হবে আর ওদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে না। যদি প্রমাণ পাই তাহলে নিজে পুলিশকে বলব। তাতে ওরা যদি আমাকে অ্যারেস্ট করে তো করবে। কি রাজি?’

    হাতটা মাথার ওপর থেকে নামিয়ে ঠোঁটে চেপে ধরল মামণি। সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শিরায় শিরায় রক্ত উথালপাথাল। বনবিহারী দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে সামলালেন। হঠাৎই মামণি দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। বনবিহারীর মনে হল নিজের আচরণে ও যেন লজ্জা পেল। কিন্তু তিনি এখন কী করবেন?

    সুজয় এখন বেশ সুস্থ। তবে বনবিহারীর নির্দেশ মেনে বাড়ির বাইরে হাঁটাচলা করে না। তিনি অনুমতি দিয়েছেন, সামনের সোমবার থেকে সে স্কুলে যেতে পারে। স্কুলের সেক্রেটারির উদ্দেশ্যে একটা চিঠি লিখল সে। ডাক্তার অনুমতি দিয়েছেন সামনের সোমবার থেকে জয়েন করতে। সেক্রেটারির যদি আপত্তি না থাকে তাহলে সে ওইদিন কাজে যোগ দিতে চায়।

    চিঠিটা লেখার পর সে সদানন্দর খোঁজে ঘর থেকে বের হচ্ছিল। তাকে অনুরোধ করবে যদি সেক্রেটারির কাছে পৌঁছে দেয়। তখনই শিবানীকে দেখতে পেল। বাগানের খিড়কি দরজা খুলে এগিয়ে আসছে। হালকা নীল শাড়িতে বেশ মিষ্টি দেখাচ্ছে তাকে।

    কাছে এসে শিবানী জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন আছেন?’

    ‘এখন ভালো।’

    ‘স্কুল থেকে ফিরছিলাম, ভাবলাম আপনার খোঁজ নিয়ে যাই।’

    ‘অনেক ধন্যবাদ।’

    ‘আপনি এত পোশাকি কথা বলছেন কেন? ধন্যবাদ কীসের জন্যে! ওহো! আমি বাবাকে আপনার ঘর খোঁজার কথা বলেছিলাম।’ শিবানী হাসল।

    কৌতূহলী হল সুজয়, ‘কোনও খবর পাওয়া গেল?’

    ‘হুম। খারাপ খবর।’

    ‘কীরকম?’

    ‘যেসব বাড়িতে অবিবাহিত মেয়ে আছে তারা আপনাকে ঘর ভাড়া দেবে না।’

    ‘সর্বনাশ!’

    ‘সর্বনাশের কিছু হয়নি। বাবা খোঁজখবর নিচ্ছেন।’

    ‘আসলে আমি তো বেরুতে পারছি না। দেখি, সোমবার জয়েন করলে অন্য টিচারদের সঙ্গে কথা বলব।’

    ‘আপনি সোমবারে জয়েন করছেন? বাঃ!’

    ‘একটা উপকার করবেন? এই চিঠিটা সেক্রেটারির কাছে পৌঁছে দেবেন?’

    ‘নিশ্চয়ই।’

    ‘আমার কাছে খাম নেই—।’

    ‘ঠিক আছে, খামে ভরে দেব। গোপনীয় কিছু নয় তো?’

    ‘না, না। জয়েন করার কথা লিখেছি।’

    চিঠি নিয়ে শিবানী বলল, ‘চলি। আপনার সঙ্গে সোমবার দেখা হবে।’ সে চলে গেলেও দরজা থেকে সরল না সুজয়। মেয়েটি যেমন ভদ্র তেমনি আন্তরিক। সে লক্ষ করেনি সদানন্দর বউ ভেতরের বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে। দেখার পর ভদ্রতা করে হাসল সুজয়।

    ‘আপনাকে একটা কথা বলার আছে।’ সদানন্দর বউ বলল। দুজনের মধ্যে অনেকটাই দূরত্ব, গলা ঈষৎ তুলে সুজয় বলল, ‘বলুন।’

    ‘আপনি দুদিনের মধ্যে অন্য কোথাও ঘর দেখুন।’

    ‘দুদিনের মধ্যে? এত তাড়াতাড়ি কি পাওয়া যাবে! অন্তত এই মাসটা—।’

    ‘না। আর নয়। ঢের হয়েছে।’

    ‘আপনি হঠাৎ এভাবে কথা বলছেন কেন?’

    ‘কেন বলছি? একটা আইবুড়ো মেয়ে চুপচাপ এই বাড়িতে এসে আপনার সঙ্গে প্রেম করবে আর সেটা আমাদের দেখতে হবে?’ সদানন্দর বউ হিসহিস করে উঠল।

    ‘ছি-ছি! আপনি এসব কী বলছেন?’ সুজয় প্রতিবাদ করল।

    ‘আবার ছি-ছি বলছেন? শিবানী কেন এসেছিল আপনার কাছে?’

    ‘আমি এখন কেমন আছি তার খোঁজ নিতে এসেছিল!’

    ‘আপনি ভালো না মন্দ আছেন তাতে ওর কী? ক’দিনের আত্মীয়তা আপনাদের? দুদিন দেখেই এত কর্তব্যবোধ জেগে উঠল? আমি কি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি? কথাটা বাইরে বললে মেয়েটার বদনাম হবে, মেয়ে হয়ে ওর ক্ষতি করতে চাই না। আপনি পারবেন ওর দায়িত্ব নিতে? পারবেন না। তাহলে কেন ওকে প্রশয় দিচ্ছেন! না, আমি নাকের ডগায় এই প্রেমলীলা দেখতে রাজি নই। আপনি দুদিনের মধ্যে সময় না দিলে আমি পাঁচজনকে জানিয়ে দিতে বাধ্য হব।’ কথাগুলো বলে ঘরের ভেতরে চলে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল সদানন্দর বউ।

    সুজয় হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকল খানিকক্ষণ। এই মহিলা তার সঙ্গে অত্যন্ত ভালো ব্যবহার করে এসেছেন এতদিন। সেই ব্যবহার ওঁর স্বামী পছন্দ করে না সুজয় বুঝেছিল। চাহনিতে, খাবার দেওয়ার সময় একটু অতিরিক্ত হাসি ভদ্রমহিলাকে ভালো লাগতে সাহায্য করেছিল। সেই মহিলা এরকম পালটি খেয়ে যাবেন?

    সুজয় পাজামার ওপর পাঞ্জাবি পরে নিয়ে কয়েকটা টাকা পকেটে পুরে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। হাঁটতে তেমন অসুবিধে হচ্ছে না কিন্তু শরীর যে দুর্বল তা বুঝতে পারছে।

    বড় রাস্তায় এসে সে রিকশা নিল। রিকশাওয়ালা জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথায় যাবেন?’

    ‘স্কুলের দিকে চলো।’

    পথে মানুষ রয়েছে কিন্তু কেউ তার চেনা নয়। ছুটির পর স্কুল এখন শুনসান। এমনকী মাঠে ছেলেরাও খেলাধূলা করছে না। শেষ পর্যন্ত একটা চায়ের দোকানের সামনে রিকশা থামাল সে। রাস্তার পাশে মাটিতে বাঁশ পুঁতে তার ওপর বেঞ্চি। জনা চারেক লোক অলসভঙ্গিতে বসে আছে। একটা চা দিতে বলায় দোকানদার বলল, ‘বসুন আপনি।’

    বেঞ্চিতে বসার পর পাশের লোকটি জিজ্ঞাসা করল, ‘নতুন মনে হচ্ছে?’

    ‘হ্যাঁ। স্কুলের চাকরি নিয়ে এসেছি।’

    দ্বিতীয়জন বলল, ‘আচ্ছা! মাস্টারমশাই? ভালো ভালো।’

    দোকানদার চায়ের গ্লাস দিয়ে বলল, ‘থাকছেন কোথায়?’

    ‘ওইটাই সমস্যা। যেখানে ছিলাম সেখানে আর দুদিন থাকা যাবে।’ সুজয় বলল, ‘একটা ঘর খুঁজছি। কিন্তু এখানে তো জানাশোনা নেই।’

    ‘দুদিন থাকা যাবে মানে?’ প্রথমজন অবাক হল, ‘কোথায়? কার বাড়িতে আছেন?’

    ‘সদানন্দবাবুর বাড়িতে। ওই যে যাঁর ভাতের হোটেল।’

    ‘তাই বলুন। ও ব্যাটা তো এক নম্বরের চামার। বাড়িতে ভাড়া রেখেছিল নাকি? ও তো কাউকে বাড়িতে ঢোকায় না। এর আগে এক বুড়োবুড়িকে ভাড়াটে রেখেছিল। শুনেছি বউকে খুব সন্দেহ করে। তা দুদিনের মধ্যে চলে যেতে বলল কেন?’

    ‘আমি জানি না।’

    দোকানদার জিজ্ঞাসা করল, ‘বিয়ে-থা করেছেন?’

    ‘না।’

    ‘তাহলে তো মুশকিল।’

    ‘কেন?’

    ‘বুঝতেই পারছেন, আইবুড়ো ছেলেকে ঘরে ঢোকাতে সবাই সাহস পায় না।’

    চতুর্থজন এতক্ষণ চুপচাপ ছিল, এবার বলল, ‘একটা জায়গায় যেতে পারেন।’

    প্রথমজন বলল, ‘কার কথা বলছ যদুনাথ?’

    ‘বলাইচাঁদবাবুর বাড়িতে খোঁজ নিলে ঘর পেতে পারেন উনি। শরীর পড়ে যাওয়ার পর তো অবস্থা ভালো নেই। মেয়েদের সেলুন করে ওর বউ যা আয় করে তাতে কোনওরকমে চলে। দেখতে পারে, অনেকগুলো ঘর আছে।’ চতুর্থজন বলল।

    ‘কিন্তু বউটা তো জাঁহাবাজ।’ দোকানদার বলল।

    ‘আঃ। জাঁহাবাজ তো কী হয়েছে? উনি ভাড়াটে হয়ে থাকবেন, নাক না গলালেই হল।’ প্রথমজন রায় দিলেন। ‘চলে যান। সোজা ফরেস্টের দিকে গিয়ে একটা বটগাছ পাবেন। বটগাছের গায়েই দেখবেন বাড়ি। সামনে মেয়েদের বিউটি পার্লার। নামেই পার্লার। ওই চুল কাটা, আলতা পরানো হয় বোধহয়। ওটাই বলাইচাঁদবাবুর বাড়ি।’

    মাথা নাড়ল সুজয়। তারপর চায়ের দাম মিটিয়ে রিকশায় উঠল। বলল ফরেস্টের দিকে যেতে। রিকশাওয়ালা জানাল ওই রাস্তাই সোজা ফরেস্টে ঢুকে গেছে।

    আর একটু এগোতে রাস্তার দুপাশে ঘরবাড়ি কমে এল। যে কয়েকটা রয়েছে তার চাল টিনের, দেওয়াল কাঠের। পিচের রাস্তার ওপর গরু বসে আছে। হঠাৎ সে বেশ জোরে চেঁচিয়ে উঠল, ‘কালীচরণদা না?’

    কালীচরণ মুখ ঘুরিয়ে তাকাল। তারপর দ্রুত হাঁটতে লাগল। রিকশাওয়ালা ওর পাশে চলে এল সুজয় জিজ্ঞাসা করল, ‘আরে? আমাকে চিনতে পারছ না নাকি?’

    ‘না, মানে আমার একটু তাড়া আছে।’

    ‘কোথায় যাবে?’

    ‘ওই ফরেস্টের দিকে।’

    ‘তাহলে উঠে এসো। তাড়া যখন আছে তখন পৌঁছে দিচ্ছি।’

    ‘না, না থাক।’

    ‘থাকবে কেন? ওঠো বলছি। বেশ জোরে বলল সুজয়।

    হাতে একটা থলে, কালীচরণ রিকশায় উঠল। কিন্তু তাকে খুব আড়ষ্ট দেখাচ্ছিল।

    ‘শরীর ভালো হয়ে গেছে?’ কালীচরণ জিজ্ঞাসা করল।

    ‘অনেকটা। সামনের সোমবার স্কুলে জয়েন করব।’ সুজয় বলল, ‘মুশকিলে পড়েছি খুব। থাকার জন্যে ঘর খুঁজছি কিন্তু বিয়ে করিনি বলে কেউ দিতে রাজি হচ্ছে না।’

    ‘কীরকম ঘর খুঁজছেন?’

    ‘কীরকম আবার? সাদামাটা থাকা যায় এমন ঘর, পরিষ্কার বাথরুম, ল্যাটিন। কিন্তু আমার পক্ষে বেশি দূরে যাওয়া যেমন সম্ভব নয়, বেশি ভাড়াও দিতে পারব না।’ বলতে-বলতে সুজয় বটগাছটা দেখতে পেল। তার গায়ে একটা টুকরো টিনের ওপর লেখা, ‘বিউটি পার্লার।’

    রিকশাওয়ালাকে থামতে বলল সুজয়। কালীচরণ নেমে দাঁড়াল, ‘আমি চলি।’

    ‘তুমি এদিকে কোথায় যাচ্ছ?’

    ‘এদিকেই থাকি। আপনার যদি ঘরের প্রয়োজন না মেটে তাহলে এদিকে আসতে পারেন। ফরেস্টের গায়ে অনেক ঘর হয়েছে। তবে খুব ভালো নয়। ওখানে গিয়ে আমার খোঁজ করবেন। নমস্কার বাবু।’ কালীচরণ চলে গেল। বিস্মিত হল সুজয়। সে বুঝতে পারল কালীচরণ সন্তানদের বাড়িতে এখন থাকে না। সে রিকশা থেকে নেমে একটা ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল, ‘আচ্ছা, ওটা কি বলাইচাঁদবাবুর বাড়ি?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }