Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ১৪

    চোদ্দো

    পাঁচ দিনের মাথায় চিঠি এল। এনজিও সংস্থাটি বনবিহারীকে কলকাতার অফিসে গিয়ে অবিলম্বে দেখা করতে বলেছে। চার লাইনের ঝরঝরে ইংরেজিতে লেখা চিঠি। বলা হয়েছে চিঠি লেখার সাতদিনের মধ্যে যেতে হবে। কলকাতা থেকে চিঠি আসতে চারদিন লেগে গেল, এত দেরি সচরাচর হয় না। কিন্তু সময়টা রাখতে হলে আজ রাত্রেই রওনা হতে হয়। এত তাড়াতাড়ি সেটা কি করে সম্ভব?

    কালীচরণকে ডাকলেন তিনি। প্রথমে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মামণি কোথায় আছে?’

    ‘বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছে।’

    ‘শোন। আমাকে একটা জরুরি কাজে আজই কলকাতায় যেতে হবে। চারদিনের মধ্যে ফিরে আসব। এই ক’টাদিন ওদের নিয়ে সাবধানে থাকতে হবে তোমাকে।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘চারদিন? আপনি থাকবেন না? ওঃ ব্বাবা!’

    ‘কেন কি হল?’

    ‘ওদের নিয়ে থাকতে আমি পারব না।’

    ‘কেন?’

    ‘আপনার ভয় দেখিয়ে মামণিকে রোজ বাড়িতে আটকে রাখছি। আপনি না থাকলে ও সাপের পাঁচ পা দেখবে। একবার বাড়ি থেকে বের হলে লোকের মুখ বন্ধ থাকবে না।’

    ‘আমি ওকে বলে যাব যাতে বাড়ির বাইরে না যায়।’

    ‘আপনি এখানে থাকলে একরকম হবে! তাছাড়া আশেপাশের লোকজন তো উঁকিঝুঁকি মারবে। কাকে আমি কি গল্প বলব! তার চেয়ে আপনি ওদের সঙ্গে নিয়ে যান!’

    ‘আমি যাচ্ছি কাজে, ওদের সঙ্গে নিয়ে কোথায় রাখব?’ কথাটা বললেন বটে কিন্তু মনে হল এছাড়া কোনও উপায় নেই। কেউ জিজ্ঞাসা করলে কালীচরণ বলবে তিনি ভাগনিদের মালদায় পৌঁছতে গিয়েছেন। কলকাতায় গিয়ে যে হোটেলে উঠবেন সেখানে দুটো ঘর নিতে হবে। মামণি যদি বাইরে বের হয় তাহলে ওখানে কেউ ওকে চিনবে না। কৌতূহলীও হবে না। তারপর যদি মামণিকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে কোনও আশ্রমে রেখে দিতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই।

    কিন্তু আর একটা চিন্তা মাথায় এল।

    যদি ফিরে আসতে হয়? যদি তাঁকে ওরা চাকরির পক্ষে উপযুক্ত বলে মনে না করে? তাহলে এখানে ফিরে না এসে মধুপুর-গিরিডি লাইনের মহেশমুন্ডায় গিয়ে দেখতে হবে জমি অক্ষত আছে কিনা। থাকলে মাথা গোঁজার একটা ব্যবস্থা করে ফিরতে হবে এখানে। ব্যাপারটায় অনেক ঝামেলা আছে। মামণিরা সঙ্গে থাকলে সেটার সমাধান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। অথচ ওদের এখানে রেখে যেতে স্বস্তি বোধ করছেন না বনবিহারী।

    শেষ পর্যন্ত যাওয়াই ঠিক করলেন তিনি। শেষ রাত্রে ট্রেন ধরলে কেউ জানতে পারবে না। কিন্তু ওইসময় দশ মাইল দূরের স্টেশনে পৌঁছতে গাড়ি দরকার। দুটো ট্যাক্সি এখানে থাকে, বললেই চলে আসবে কিন্তু সবার কানে কথাটা পৌঁছে যাবে। পালবাবুর সাহায্য নিলে তিনি খবরটা ফাঁস করতে চাইবেন না এমন আস্থা তাঁর হয়েছে।

    আজ সন্ধ্যাবেলায় চেম্বার খুললেন না তিনি। একটা বড় কাগজে লিখলেন, ‘বিশেষ প্রয়োজনে এখন চেম্বার বন্ধ থাকবে।’ কালীচরণকে বললেন কাগজটা চেম্বারের বন্ধ দরজায় সেঁটে দিয়ে আসতে। তারপর সেখান থেকে পালবাবুর বাড়িতে গিয়ে বলবে যে আজ রাত তিনটের সময় তিনি স্টেশনে যাবেন। খবরটা যেন তৃতীয় ব্যক্তির সামনে সে না দেয়।

    সন্ধ্যা সাতটায় কালীচরণ ফিরে এসে জানাল সে দুটো কাজই ঠিকঠাক করে এসেছে। যাবতীয় দরকারি কাগজপত্র, ব্যাঙ্কের চেকবুক, জামাকাপড়ের সঙ্গে বাক্সবন্দি করে তিনি মামণিকে ডেকে পাঠালেন। স্যুটকেস দেখেই মামণির কপালে ভাঁজ পড়ল। বনবিহারী বললেন, ‘শোনো আমি কয়েকদিনের জন্যে কলকাতায় যাচ্ছি।’ সঙ্গে সঙ্গে ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো মামণির মাথা দু’পাশে দুলতে লাগল। হেসে ফেললেন, তিনি, ‘আহা, শোনোই না, তুমি বাচ্চাটাকে নিয়ে আমার সঙ্গে বেড়াতে যাবে?’

    সঙ্গে-সঙ্গে মুখ স্থির, চোখ বড় হয়ে গেল। তারপর একগাল হেসে মাথা নেড়ে মামণি জানতে চাইল, সত্যি?

    ‘হ্যাঁ। সত্যি, ভোর তিনটের সময় বেরুতে হবে। তোমার আর বাচ্চার যাবতীয় জিনিস একটা স্যুটকেসে ভরে নাও। কালীচরণকে বলো, সে তোমার জন্যে স্যুটকেস বের করে দেবে। বাচ্চার ওষুধ, দুধ, ফিডিং বোতল একটা হাত ব্যাগে নিয়ে নেবে। যাও।’ বনবিহারী কথা শেষ করা মাত্রই ছিলা থেকে বেরুনো তীর হয়ে গেল মামণি।

    খাওয়া-দাওয়ার পর কালীচরণকে পইপই করে বুঝিয়ে দিলেন তাঁর অনুপস্থিতিতে কি কি করতে হবে। কেউ কিছু জানতে এলে কি বলতে হবে তাও বোঝালেন। জরুরি কিছু খবর থাকলে কুরিয়ারে চিঠি পাঠাবেন। বড় হরফে লেখা বাংলা চিঠি কালীচরণ পড়তে পারে।

    রাত্রে ঘুম এল না। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করলেন দুটো পর্যন্ত। এই বাড়ি, এই গঞ্জ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তিনি। ভাগ্য যদি বিরূপ না হয় তাহলে হয়তো আর এখানে ফিরে আসা সম্ভব হবে না। কালীচরণ এই বাড়িটা দেখাশোনা করবে যতদিন বাঁচবে। সেই বাল্যকাল থেকে সে এই বাড়িতে আছে, তার স্বীকৃতি দিতে তিনি বাকি জীবনটা ওকে কর্তৃত্ব দিয়ে যাবেন। ওর খাওয়া-দাওয়ার জন্যে প্রতিমাসে কিছু টাকা মানি অর্ডার করতে হবে।

    তিনি না ফিরলে হয়তো লোকে অবাক হবে। আলোচনা হবে। কারণ খুঁজতে চাইবে। পুলিশও কৌতূহলী হবে। কিন্তু ওদের কারও চোখে যখন তিনি অপরাধী নন তখন কি তাঁর সন্ধানে ভারতবর্ষ তোলপাড় করবে? মনে হয় না।

    ঠিক তিনটের সময় গাড়ি এসে থামল বাড়ির সামনে। কালীচরণ নিঃশব্দে দরজা খুলে অন্ধাকারেই মালপত্র তুলে দিয়ে এল ডিকিতে। বনবিহারী বারান্দায় বেরিয়ে দেখলেন। ড্রাইভার শম্ভু গাড়ি থেকে নামেনি। কাছে গিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘তোমাকে কষ্ট দিলাম।’

    কিন্তু শম্ভু কোনও কথা বলল না। বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে মামণি বেরিয়ে আসলে কালীচরণ পেছনের দরজা খুলে দিল। মামণি ভেতরে ঢুকে গেলে বনবিহারী বললেন, ‘আমি সামনে বসছি। তুমি ওকে সিটের ওপর ভালোভাবে শুইয়ে দাও। দেখো, ঠান্ডা যেন না লাগে।’

    গাড়িতে উঠে বসে বললেন, ‘কালী চললাম। আমার সবকিছু তোমার দায়িত্বে রইল।’

    ‘চললাম বলছেন কেন? কাজ শেষ হলেই তো ফিরে আসছেন।’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী। তারপর খেয়াল হল। কালীচরণকে দিয়ে যাবেন বলে দশটি একশো টাকার নোট একটা খামে ভরে রেখেছিলেন। শম্ভু গাড়ি চালু করা মাত্র তিনি বললেন, ‘এটা রেখে দাও। কাজে লাগবে।’

    কালীচরণ খামটা নেওয়া মাত্র গাড়ি চলতে শুরু করল। মুখ ফিরিয়ে জায়গাটা দেখার চেষ্টা করলেন বনবিহারী। অন্ধকারে ডুবে আছে চরাচর। পাশের বাড়িটা অস্পষ্ট। ওই মহিলা কতক্ষণ জেগেছিলেন কে জানে! প্রতিটি মানুষ কম-বেশি অনুতপ্ত।

    পিচের রাস্তায় উঠে এল গাড়ি। হেডলাইটের আলো অন্ধকার সরাচ্ছে। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কি ব্যাপার শম্ভু, তুমি চুপচাপ কেন?’

    শম্ভু কথা বলল না। যেন খুব মন দিয়ে গাড়ি চালাতে সে ব্যস্ত।

    ‘শম্ভু?’

    ‘আমার কথা বলা নিষেধ। বাবু বলেছেন মুখ খুললেই ফাঁসিয়ে দেবেন।’ বেশ জোরে কথাগুলো বলল শম্ভু।

    দশ মাইল পথ, ফাঁকা রাস্তা, অতএব দ্রুত পৌঁছে গেল গাড়ি।

    প্ল্যাটফর্ম পর্যন্ত এল না শম্ভু। জিনিসপত্র নামিয়ে দিয়ে চুপচাপ গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে গেল। মামণির কোলে ঘুমন্ত বাচ্চা, ফলে স্যুটকেস দুটো বনবিহারীকেই বইতে হল। প্ল্যাটফর্মে ঢুকে শেড-এর নীচে মামণিকে দাঁড়াতে বলে স্যুটকেস রেখে একটু দাঁড়ালেন বনবিহারী। এই স্টেশনের স্টেশনমাস্টার তাঁর কাছে কয়েকবার গিয়েছেন ওষুধ নেওয়ার জন্যে। ভদ্রলোক অনেকদিন যাননি। অবশ্য এত রাত্রে তাঁর স্টেশনে ডিউটি দেওয়ার কথা নয়। যদি থাকেন তাহলে একপ্রস্থ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। বনবিহারী এগোলেন।

    এখন প্ল্যাটফর্মে কয়েকটি ভবঘুরে ঘুমাচ্ছে। টিকিট কাউন্টারের সামনে গিয়ে দেখলেন ভেতরে আলো জ্বলছে। যাঁর টিকিট বিক্রি করার জন্যে জেগে থাকার কথা তিনি একটা টুলের ওপর পা তুলে দিয়ে চেয়ারে বসে ঘুমাচ্ছেন।

    বনবিহারী জানলায় শব্দ করতে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে সোজা হলেন ভদ্রলোক, ‘কোথায়?’

    ‘কলকাতা। দুটো টিকিট।’

    ‘কোন ক্লাস?’

    একমুহূর্ত ভাবলেন বনবিহারী। অনেককাল টেনে ওঠেননি। জিজ্ঞাসা করলেন, ‘রিজার্ভেশন পাওয়া যাবে?’

    ‘যাবে। এই ফর্ম ভরতি করুন। এসি থ্রি টায়ার।’

    পকেট থেকে কলম বের করে ফর্ম ভরতি করলেন বনবিহারী। নিজের নাম লিখতে গিয়ে বুঝলেন একটা প্রমাণ রেখে যাচ্ছেন। কিন্তু বেনামে টিকিট কাটতে পারলেন না তিনি। মামণির নাম লেখার সময় টাইটেলটা লিখতে গিয়ে নিজের টাইটেল ব্যবহার না করে অন্য কিছু লেখার ভাবনা মাথায় এল না।

    ‘এগারোশো বাইশ টাকা। খুচরো দেবেন নইলে ফেরত দিতে পারব না।’

    ভেতরের পকেট থেকে টাকা বের করে গুনে এগিয়ে দিলেন বনবিহারী, ‘ট্রেন কি লেটে আসছে?’

    ‘না। আজ একবার কারেক্ট টাইমে আসছে।’ বলে টিকিট তৈরিতে ব্যস্ত হলেন ভদ্রলোক। শেষে বললেন, ‘ঠিক প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ান। এস থ্রি কম্পার্টমেন্টের নয় আর ষোল নাম্বার বার্থ।’

    ফিরে গেলেন বনবিহারী মামণির কাছে, ‘টিকিট পাওয়া গিয়েছে।’

    মামণি হাসল। এমন নির্মল হাসি খুব কম দেখেছেন বনবিহারী। ঈশ্বর যে কেন মাঝে-মাঝে এত নির্মম হয়ে যান, ওর মুখ থেকে কথা কেড়ে নেওয়ার কি দরকার ছিল! এই স্টেশনে বসার জন্যে কোনও বেঞ্চি নেই। ওদের নিয়ে ওয়েটিং রুমে অবশ্য যাওয়া যায় কিন্তু সেখানে কোনও পরিচিত লোক টেনের জন্যে অপেক্ষা করতে পারে। বনবিহারীর মনে হল বাচ্চাটাকে মামণির কোল থেকে নিয়ে ওকে একটু স্বস্তি দিলে ভালো হয়। তিনি হাত বাড়ালে মামণি মাথা নেড়ে আপত্তি জানিয়ে কান্নার অভিনয় করল। অর্থাৎ কোলবদল হলে বাচ্চা কেঁদে উঠবে।

    ঠিক সময়ে দূরে ইঞ্জিনের আলো দেখতে পেয়ে স্যুটকেস দুটো তুলে ওদের নিয়ে প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ালেন বনবিহারী। বেশ বড় ট্রেন কিন্তু জানলা দরজা বন্ধ। যেন একটি ঘুমন্ত ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়াল। কম্পার্টমেন্টের গায়ে নাম্বার লেখা আছে। এস থ্রি কোচটি সামনেই। কিন্তু তার জানলা, দরজা বন্ধ। বনবিহারী দরজায় ধাক্কা দিলেন। কিন্তু ভেতরে কেউ জেগে আছে বলে মনে হল না। অথচ ট্রেন এখানে বেশি সময় দাঁড়ায় না। বনবিহারী কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না যখন তখন মামণি তাঁর হাত ধরে টেনে দেখাল পাশের কম্পার্টমেন্ট থেকে লোক নামছে। দ্রুত স্যুটকেস এবং মামণিদের নিয়ে সেই কম্পার্টমেন্টে উঠতেই ট্রেন ছেড়ে দিল।

    কালো কোট পরা টিটি এগিয়ে এসে দরজা বন্ধ করে দিলে বনবিহারী তাঁকে সমস্যার কথা বললেন। ভদ্রলোক বললেন, ‘ওই করিডোর দিয়ে পাশের কম্পার্টমেন্টে চলে যান।’

    এগিয়ে গিয়ে দেখলেন বনবিহারী। ট্রেন এখন ছুটছে। দুটো কম্পার্টমেন্টকে যুক্ত করা হয়েছে যেখানে তার ওপর ইস্পাতের ঢাকনা ফেলে যাতায়াতের পথ করা হয়েছে। প্রথমে একটা, পরে দ্বিতীয় স্যুটকেসটা ওপাশের বেসিনের পাশে রেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আসতে পারবে?’

    কোনও জবাব না দিয়ে গটগট করে নড়তে থাকা ঢাকনার ওপর দিয়ে চলে এল মামণি। বনবিহারী মাথা নাড়লেন। মামণির বয়স এবং স্বাস্থ্য যা সহজেই পারে তা তাঁর পক্ষে অস্বস্তির মনে হয়।

    কাচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে অল্প আলোয় নয় এবং ষোল নাম্বার বার্থ খুঁজে পেয়ে গেলেন তিনি। প্যাসেজের পাশে ওপর-নীচের বার্থ। স্যুটকেস দুটো সিটের নীচে রেখে রেলের দেওয়া বালিশ চাদর কম্বলে বিছানা করে নীচের বার্থে মামণিকে শুতে বলে ওপরের বার্থে উঠে গেলেন তিনি। উঠতে অসুবিধে হল না। বনবিহারী লক্ষ করলেন মামণি তার পাশের পরদা টেনে দিল। বালিশ মাথা রেখে কম্বল টেনে নিলেন বনবিহারী। বেশ আরামদায়ক যাত্রা। সারাদিন এবং সারারাতের উদ্বেগের পর এখন টেনের দুলুনিতে ঘুম এসে গেল তাঁর।

    ট্রেনটা কলকাতায় পৌঁছাল বিকেলে। দুটো রিকশা নিয়ে কাছের সূর্য সেন স্ট্রিটের একটা মধ্যবিত্ত হোটেলে চলে এলেন বনবিহারী। চারধারে এত গাড়ির শব্দ, রাস্তায় এত লোক তাঁকে বিব্রত করছিল। নির্জন গঞ্জে থাকতে থাকতে এই কোলাহল বেশ ভয়ঙ্কর বলে মনে হচ্ছিল।

    বনবিহারী ভেবেছিলেন দুটো সিঙ্গল রুম নেবেন। কিন্তু কাউন্টারের লোকটি বলল, ‘আমাদের সব ঘরই ডাবল বেডের। আপনাদের তো একটা ঘর হলেই চলে যাবে।’

    বনবিহারী মামণির দিকে তাকালেন। সে মাথা নাড়ল, হ্যাঁ।

    খাতায় নাম-ধাম লেখার পর লোকটি বলল, ‘অ্যান্ড ফ্যামিলি লিখে দিন।’

    বাধ্য হয়ে তাই লিখলেন বনবিহারী।

    দোতলার ঘরটি রাস্তার ধারে নয় বলে বাইরের শব্দ কম পাওয়া যাচ্ছে। ঘরটি বড়, দুটো খাট দুপাশে, বাথরুম সংলগ্ন। মামণি বাচ্চাকে শুইয়ে দিয়েছিল একটা খাটে। এখন সে হাত-পা নাড়ার চেষ্টা করছে। ওইটুকু বাচ্চাকে এতটা জার্নির ধকল স্পর্শ করতে পারেনি। বনবিহারী বললেন, ‘তুমি বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও। তুমি এলে আমি যাব।’

    দরজায় শব্দ হল। দরজা খুলে ঘরে ঢুকল হোটেলের বেয়ারা। কিছু খাবেন কিনা জিজ্ঞাসা করল। দুটো করে টোস্ট, ওমলেট আর চায়ের অর্ডার দিলেন তিনি।

    পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে চা-খাবার খেয়ে বনবিহারী বললেন, ‘তুমি বিশ্রাম নাও। আমি একটা ফোন করে আসছি।’

    মাথা নাড়ল মামণি, তার আপত্তি নেই।

    হোটেলের কাউন্টার থেকে চিঠিতে লেখা নাম্বারে ফোন করলেন বনবিহারী। একবারেই রিঙ শোনা গেল। তারপর ওপাশ থেকে ইংরেজিতে প্রশ্ন ভেসে এল, কে বলছেন?

    বনবিহারী নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন চিঠি পেয়ে তিনি এইমাত্র কলকাতায় এসে পৌঁছেছেন। ভদ্রলোক এবার বাংলায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কোথায় উঠেছেন আপনি?’

    ‘সূর্য সেন স্ট্রিটের একটা হোটেলে।’

    ‘ও। ওখান থেকে গণেশ অ্যাভিন্যু বেশি দূরে নয়। খাদি গ্রামোদ্যোগের পাশের বাড়ির তিনতলায় আমাদের অফিস। আধঘণ্টার মধ্যে চলে আসুন। কথা হবে।’

    ফাঁপরে পড়লেন বনবিহারী। দু-ঘণ্টা লেগে যেতে পারে যেতে আসতে। ততক্ষণ মামণি একা থাকতে চাইবে? গিয়ে বললে হয়তো বুঝবে না। তিনি রিসেপশনিস্টকে বললেন, ‘আমি গণেশ অ্যাভিন্যু যাচ্ছি। তাড়াতাড়ি ফিরব। মেয়েটা বাচ্চাকে নিয়ে একা ঘরে আছে। ও কখনও কলকাতায় আসেনি। আমাকে না দেখলে নার্ভাস হয়ে যেতে পারে। একটু খেয়াল রাখবেন?’

    ‘নিশ্চয়ই। আপনি ঘুরে আসুন, মেয়ের কোনও অসুবিধে হবে না।’

    বাইরে বেরিয়ে এলেন বনবিহারী। ডাক্তারি পড়ার সময় এই শহরে কয়েক বছর ছিলেন তিনি। হোস্টেল আর কলেজের বাইরে তাঁর কোনও জীবন ছিল না। সহপাঠীদের মতো খরচ করার টাকা তাঁর পকেটে থাকত না। তবু ট্যাক্সিতে উঠে মনে হল সেই কলকাতা এখন এত বেশি বদলে গেছে যে তার অচেনা মনে হচ্ছে।

    খাদি গ্রামোদ্যোগের দোকানের সামনে পৌঁছে ট্যাক্সি ছেড়ে দিতে গিয়ে বনবিহারী জানতে পারলেন মিটারে যা টাকা দেখাচ্ছে তার অনেক বেশি ভাড়া দিতে হয়। প্রতিবাদ করতেই একটা রেন্টকার্ড এগিয়ে দিল ড্রাইভার। মন তেতো হয়ে গেল। এটা কেন হবে? ভাড়া যা দেয় তাই মিটার দেখাবে না কেন? এটা তো ঠিক নয়।

    চিঠির ঠিকানা মিলিয়ে তিনতলায় অফিসে উঠে এলেন বনবিহারী। বেয়ারাকে নাম বলতেই সে তাঁকে নিয়ে গেল ঝকঝকে এক অফিস ঘরে। সেখানে দুজন কেতাদুরস্ত মানুষ কথা বলছিলেন। যিনি ওপাশের চেয়ারে বসেছিলেন তাঁর বয়স ষাটের ওপরে। বেয়ারা তাঁকে নীচু স্বরে পরিচয় দিতেই তিনি উঠে দাঁড়ালেন, ‘বসুন, এক মিনিট।’

    তারপর দ্বিতীয় জনের সঙ্গে নিজের ভাষায় কথা বললেন খানিক। বনবিহারী অবাক হলেন, এই দুই ভদ্রলোক যে মাড়োয়ারি তা চেহারা এবং পোশাকে বুঝতে পারেননি তিনি।

    ‘আমি শাওন আগরওয়ালা। এ আমার ছেলে বসন্ত। আপনার অ্যাপ্লিকেশন আমি পেয়েছি, যে বছরে আপনি এম.বি.বি.এস. পরীক্ষা দিয়েছিলেন সেই বছরের মেধা তালিকায় আপনি বেশ ওপরের দিকে ছিলেন। আপনি ইচ্ছে করলে সরকারি হাসপাতালে বা কলকাতার নার্সিংহোমে ডাক্তারি করতে পারতেন। তা না করে কেন একটা রিমোট গ্রামে এতদিন ডাক্তারি করলেন?’ ভদ্রলোক তাকালেন।

    ‘প্রথমেই বলে রাখি, গ্রাম বলতে যে ধারণা মনে আসে জায়গাটা সেরকম নয়। গ্রাম এবং শহরের মাঝমাঝি জায়গা। ওখানেই আমার বাড়ি। তখন মা জীবিত ছিলেন। তাঁর ইচ্ছে ছিল যেন আমি ওখানকার মানুষদের চিকিৎসা করি কারণ ওখানে কোনও হেলথ সেন্টার দূরের কথা ডাক্তারও ছিল না। অমি এই ক’বছরে অনেক কিছু শিখেছি।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘কীরকম?’ বসন্ত জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘আমাদের শেখানো হয়েছিল প্যাথলজিস্টের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে রোগ নির্ধারণ করে চিকিৎসা করা যাতে পেশেন্ট ঠিকঠাক ওষুধ পায়। একইসঙ্গে রেডিওলজিস্ট যে এক্সরে রিপোর্ট দেবেন তা কাজটা অনেক সহজ করে দেয়। কিন্তু আমি যেখানে কাজ করেছি সেখানে ওইসব রিপোর্ট পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এখনও নেই। স্টুল, ইউরিন, ব্লাড পরীক্ষা করাতে পেশেন্টকে বহুদূরের শহরে যেতে হবে। সেই যাওয়া আসার খরচ করতে অনেকেই পারেন না। অথচ চিকিৎসা না করলে ওঁরা বেঘোরে মারা যাবেন। প্রথম প্রথম ভুল হত। ধীরে-ধীরে পেশেন্টের কি কি অসুবিধে হচ্ছে জেনে তার ওপর নির্ভর করে ওষুধ দিতে লাগলাম। কাজ হলে মনের তৃপ্তি বাড়ত।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘ওষুধ কোথায় পেত ওরা?’ বসন্ত জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘একজন একটি ওষুধের দোকান খুলেছিল। যেসব ওষুধ দোকানে থাকত না সেগুলো শহর থেকে সে আনিয়ে নিত দিনে দিনে।’

    ‘আপনার মা—?’ শাওনবাবু জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘চলে গেছেন।’

    ‘আমাদের দেওয়া বিজ্ঞাপন আপনাকে আকর্ষণ করল কেন?’

    ‘এখন একটু-একটু করে আমাদের জায়গাটা আধুনিক হয়ে উঠছে। হেলথ সেন্টার চালু হতে চলেছে। আমার মনে হচ্ছিল যদি আরও রিমোট জায়গায় অসহায় মানুষদের চিকিৎসার কাজটা করতে পারতাম তাহলে ডাক্তারি পড়াটা কাজে লাগত।’

    বসন্তবাবু ছেলের দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, ‘আমাদের এনজিও পশ্চিমবাংলার তিনটে জায়গায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্যে সুন্দরবনের গভীরে যেসব গ্রাম আছে যার মানুষরা এখনও আধুনিক চিকিৎসার সাহায্য পায় না তাদের কাছে পৌঁছতে চাইছি আমরা। মুশকিল হল ওরকম জায়গায় কোনও ভালো চিকিৎসক গিয়ে বেশিদিন থাকতে চান না। আপনি নিশ্চয়ই জানেন বর্ষায় সুন্দরবনের নদী ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তখন নদী পার হতে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয় যা অনেকেই নিতে চান না। আমাদের অফিস গঙ্গারাম বলে একটা জায়গায়। লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে যেতে হয়। নদীর এপারে গঙ্গারাম অন্যদিকে পাথরপ্রতিমা। আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের উপকৃত করবে। গঙ্গারামে আপনি থাকার জায়গা পাবেন, আমরাই ব্যবস্থা করে দেব। আমাদের একটা বড় লঞ্চ আছে। সেই লঞ্চের নীচের তলাটা আমরা আধুনিক চিকিৎসা-সরঞ্জামে সাজিয়ে নিয়েছি। ছোটখাটো অপারেশন সহজেই সেখানে করা যায়। দুজন হেলপার আপনি পাবেন যারা লঞ্চেই কাজ করে। আজ রাত্রে আপনি ভেবে দেখুন। যদি আপত্তি না থাকে তাহলে আপনার ডিগ্রির সার্টিফিকেট নিয়ে কাল সকাল এগারোটায় চলে আসবেন।’

    ‘আমি তো আপত্তি জানাবার কোনও কারণ দেখছি না। তবে—!’

    ‘ও হ্যাঁ’, বসন্ত বললেন, ‘আমরা আপনাকে আপাতত তেরো হাজারের বেশি মাসে দিতে পারছি না। টাকাটা কি আপনার কাছে কম মনে হচ্ছে।?

    ‘তেরো হাজার?’

    শাওনবাবু বললেন, ‘ওখানে খরচ খুব কম। লঞ্চে থাকার সময় খাওয়া-দাওয়া সেখানেই করবেন। তার জন্যে আলাদা ব্যবস্থা। আপনি তিনমাস কাজ করুন। যদি আপনার ভালো লাগে আর আমাদের কাছে রিপোর্ট আসে যে মানুষ আপনাকে পেয়ে খুশি হয়েছে তাহলে তিনমাস পরে টাকাটা নিশ্চয়ই বাড়িয়ে দেওয়া হবে।’

    ‘ঠিক আছে। আমাকে কবে জয়েন করতে হবে?’

    ‘আমরা তো দেরি করতে চাই না। আপনি চাইলে কালই জয়েন করতে পারেন। তবে সাতদিনের বেশি দেরি করবেন না।’ বসন্ত বললেন।

    ‘আমি আগামীকালই গঙ্গারামে যেতে চাই।’

    ‘অনেক ধন্যবাদ। তাহলে কাল সার্টিফিকেটটা নিয়ে আসবেন। সকাল এগারোটায় আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার তৈরি থাকবে। বসন্ত, তুমি গঙ্গারামের অফিসকে জানিয়ে দাও উনি দুপুরের ট্রেনে লক্ষ্মীকান্তপুরে যাচ্ছেন। ওদের কেউ যেন স্টেশনে ওঁকে নিতে আসে।’ শাওনবাবু বললেন।

    বেরিয়ে এলেন বনবিহারী। কলকাতায় এখন সন্ধার আলো জ্বলে উঠেছে। বনবিহারী ট্যাক্সি খুঁজতে লাগলেন হোটেলে ফিরবেন বলে। মামণি এতক্ষণ একা ঠিকঠাক আছে কিনা তাঁর সন্দেহ হচ্ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }