Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২৩

    তেইশ

    বুকে হাত দিয়ে বিছানায় বসে ব্রজ মণ্ডল জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছিল। পুঁটির মায়ের সঙ্গে ঘরে ঢুকে বনবিহারী বললেন, ‘শুয়ে পড়ুন, চিৎ হয়ে শোন।’

    ‘পারছি না!’ হাঁপাতে-হাঁপাতে বলল ব্রজ মণ্ডল, ‘ব্যথা, বুক ভেঙে যাচ্ছে।’

    প্রায় জোর করেই বেঁটে মানুষটাকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন বনবিহারী। তারপর স্টেথো বুকে বসাতেই বুঝতে পারলেন হার্টের অবস্থা ভালো নয়। এখনই ওকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। পুঁটির মায়ের দিকে তাকালেন তিনি।

    ‘কি হয়েছে ডাক্তারবাবু?’ পুঁটির মায়ের গলায় উদ্বেগ।

    ‘এখনই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ওঁকে!’

    ‘হাসপাতালে! এখন তো ঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে! কি হবে?’

    ব্যাগ খুলে একটা সরবিটেট ট্যাবলেট বের করে ব্রজ মণ্ডলের জিভের তলায় ঢুকিয়ে দিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘আশেপাশের মানুষদের এখনই ডেকে আনুন। ওঁকে নদীর ধারে নিয়ে গিয়ে দেখতে হবে কি করে পাথরপ্রতিমায় পৌঁছনো যায়।’

    পুঁটির মায়ের চিৎকার এবং কান্নায় কয়েক মিনিটের মধ্যে ভিড় জমে গেল। বনবিহারী তাদের কি করণীয় বুঝিয়ে বললে কোথাও থেকে একটা খাটিয়া জোগাড় করে এনে তারা ব্রজ মণ্ডলকে তার ওপর শুইয়ে নিয়ে চলল নদীর দিকে।

    বনবিহারী চলছিলেন সঙ্গে। নদীর গায়ে পৌঁছে দেখলেন চারধার নিস্তব্ধ। কোনও ভটভটি চলছে না। নদীর গায়ে সেগুলো বাঁধা আছে লোকশূন্য অবস্থায়। এমনকি দাঁড়টানা নৌকোও নেই। ব্রজ মণ্ডলের প্রতিবেশীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করেও ভটভটির ড্রাইভারদের খোঁজ পেল না। এদিকে যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে বেশ জোরে চিৎকার করে থেমে গেল ব্রজ মণ্ডল। কেউ একজন বলে উঠল, ‘যাঃ মরে গেল।’

    বনবিহারী দ্রুত পরীক্ষা করলেন। পুঁটির মা হাউহাউ করে কেঁদে উঠল। মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘না। বেঁচে আছে। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। কিন্তু—।’

    হঠাৎ রতন এগিয়ে এল সামনে, ‘ডাক্তারবাবু!’

    বনবিহারী তাকালেন, ‘বলো।’

    ‘যদিও হুকুম নেই রাত্রে লঞ্চ চালু করার তবু আপনি যদি বলেন তাহলে ওকে ওপারে পৌঁছে দিয়ে আসতে পারি।’ রতন বলল।

    ‘বেশ। তাই করো। কৈফিয়ৎ যদি দিতে হয় আমি দেব।’

    হাসপাতালে গেলেন না বনবিহারী। ব্রজ মণ্ডলের প্রতিবেশীরাই তাকে নিয়ে গেল হাসপাতালে। ফিরে এলেন রতনদের সঙ্গে তিনি। কিন্তু লঞ্চ থেকে নামার পর আবার অস্বস্তি ফিরে এল। পুঁটির মা-ব্রজ মণ্ডল এখন বাড়িতে নেই। খালি বাড়িতে মামণি সন্তানকে নিয়ে একা রয়েছে। যে ঘটনা মামণি ঘটাতে চলেছিল সেটা যদি আবার শুরু হয় তাহলে তিনি কি করবেন? অন্ধকারে নির্জন পথে হাঁটতে-হাঁটতে তিনি মন স্থির করে নিলেন। তাঁকে শক্ত হতে হবে। প্রচণ্ডভাবে শাসন করতে হবে মেয়েটাকে। অনেক হয়েছে। ওর জন্যে নিজের জায়গা ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু আর ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনও কাজ তিনি করতে রাজি নন।

    সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় উঠে এলেন তিনি। ঘরে ঢুকে অবাক হয়ে দেখলেন বিছানার মাঝখানে সন্তান অঘোরে ঘুমাচ্ছে কিন্তু মামণি নেই।

    বাথরুম এবং বারান্দা ফাঁকা। বিছানার মাঝখানে চোখ-বন্ধ-শিশুকে হঠাৎ খুব অসহায় বলে মনে হচ্ছিল বনবিহারীর। কোথায় গেল ওর মা? নীচে নেমে এলেন তিনি।

    বাইরের পৃথিবী এখন ঘুটঘুটে অন্ধকারে মোড়া। খেয়াল হতে আবার ওপরে উঠে টর্চ নিয়ে আসলেন। আশেপাশে সেই টর্চের আলো ফেলেও কোনও মানুষের মূর্তি চোখে পড়ল না। কোথায় যেতে পারে মামণি? এসময় নদী পেরিয়ে পাথরপ্রতিমায় যাওয়া সম্ভব নয়। যে ছেলেটার সঙ্গে রতন ওকে কথা বলতে দেখেছিল সে এ-পাড়ে এসেছিল বটে কিন্তু তাকেও তো ফিরে যেতে দেখা গেছে।

    চল্লিশ মিনিট খোঁজাখুঁজির পরে ঘাটের কাছে আসতেই হাঁক শুনলেন, ‘কে যায়?’

    ‘আমি। ডাক্তার।’ সাড়া দিলেন তিনি।

    ‘ডাকতার! ও, লঞ্চের ডাক্তার?’ প্রশ্ন যে করছিল তাকে দেখা যাচ্ছিল না।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘বেড়াতে বেরিয়েছেন নাকি! খুব ভুল করেছেন। কয়েক রাত হল খুব সাপের উপদ্রব হয়েছে ল্যাজে পা না পড়লেও ছোবল মারে। একেবারে মরণ-ছোবল।’

    ‘আপনি কে ভাই?’

    ‘জগৎপতি হালদার। এই ছোট্ট মুদির দোকানটা আমার। রাত্রে কিছুতেই ঘুম আসে না। এই জেগে জেগে চোখ ব্যথা হয়ে গেলে ভগবান যদি শেষরাতে একটু ঘুম এনে দেন তাহলেই আমি কৃতার্থ।’ লোকটি বলল।

    ‘দয়া করে কাল সকালে একবার আসবেন। আপনার এটা একটা অসুখ, চিকিৎসা করলে সেরে যাবে।’ তারপর একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনি কখন থেকে ওখানে বসে আছেন?’

    ‘সেই সন্ধে বরাবর। দোকান বন্ধ করে আর কোথাও যাই না।’ তারপর গলা অন্যরকম করে বলল, ‘তাহলে ব্রজ চলল?’

    ‘চলল মানে?’

    জ্ঞানহীন শরীর হাসপাতালে গেল, ওই অবস্থা থেকে ফিরে আসা কপালের জোর না থাকলে সম্ভব নয়। বেচারার বংশটাও লোপ পেয়ে গেল।’

    ‘আমার বিশ্বাস উনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন।’

    বনবিহারী এবার উলটোপথ ধরলেন। মামণি যদি এই পথে গিয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই জগৎপতি হালদারের দৃষ্টি এড়াতে পারেনি। সেক্ষেত্রে জগৎপতি নিশ্চয়ই খবরটা তাঁকে দিত। অল্পবয়সি মেয়ে একা অন্ধকারে ঘুরছে দেখলে ওর কৌতূহল অবশ্যই বেড়ে যেত।

    যেদিক দিয়ে রামগঙ্গায় বাস ঢোকে সেদিকে এগিয়ে গেলেন বনবিহারী। একটু পরেই বসতি শেষ, গাছপালা এবং দুপাশে মাঠ। সতর্ক হয়ে হাঁটছিলেন তিনি যাতে সাপের ছোবল না খেতে হয়। টর্চের আলো ফেলে ফেলে শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে ফিরে এলেন তিনি। সন্তানের ঘুম যদি ভেঙে গিয়ে থাকে, না, বাড়ির কাছে এসেও কান্নার শব্দ শুনতে না পেয়ে সিঁড়িতে টর্চের আলো ফেলেই দাঁড়িয়ে গেলেন। মামণি বসে আছে ওখানে।

    ওর সামনে গিয়ে বনবিহারী কড়া গলায় প্রশ্ন করলেন, ‘কোথায় গিয়েছিলে?’

    টর্চের আলো মুখে পড়ায় দু-হাতে মুখ ঢাকল মামণি। বনবিহারী আলো নিভিয়ে বেশ জোরে বললেন, ‘ওইটুকু বাচ্চাকে একা ঘরে ফেলে রেখে যাওয়া যে অন্যায় তা তুমি জানো না? তুমি না ওর মা? যাও, ওপরে যাও।’

    অন্ধকারে মামণির মুখ দেখতে পাচ্ছিলেন না বনবিহারী। কিন্তু মেয়েটা যে তাঁকে পাত্তা দিচ্ছে না এটা টের পাচ্ছিলেন। পেয়ে রাগ হল তাঁর। এগিয়ে গিয়ে ওর কনুই-এর ওপরটা ধরে এক হ্যাঁচকায় টেনে তুললেন, ‘ওপরে ওঠ।’

    মামণি হাত ছাড়িয়ে গটগট করে ওপরে উঠে গেল।

    বনবিহারী কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থেকে মন স্থির করে নিলেন। না, তিনি কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেবেন না। তেমন কিছু যদি আবার ও শুরু করে তাহলে দু-একটা চড় মারতে দ্বিধা করবেন না। ওপরে উঠে এলেন তিনি। সামনে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলেন।

    মামণি রতনদের দিয়ে যাওয়া বাণমাছ আর রুটি নিয়ে খেতে বসে গেছে। বনবিহারী হাতমুখ ধুয়ে পোশাক বদলে ঘরে ফিরলে ওর খাওয়া হয়ে গেল। এঁটো থালা তুলে নিয়ে বাইরে গিয়ে ধুয়ে বাথরুমে ঢুকে গেল। তারপর ফিরে এসে শুয়ে পড়ল সন্তানের ওপাশে।

    যে মেয়ে ওই কাণ্ড করার পর ছেলেকে একা ফেলে রেখে অন্ধকারে মিলিয়ে গিয়েছিল, সে বকুনি খেয়ে ঘরে ফিরে খেতে বসতে পারে? মাথা নাড়লেন বনবিহারী। তারপর টিফিন ক্যারিয়ারের দিকে তাকালেন। অনেকক্ষণ থেকেই খিদে-খিদে পাচ্ছিল কিন্তু এখন খাওয়ার ইচ্ছেটা আচমকা চলে গেল। একগ্লাস জল খেয়ে আলো নেভাতে গিয়েও নেভালেন না। অন্ধকারে মামণির সঙ্গে থাকতে সাহস হচ্ছিল না তাঁর।

    সন্তানের এপাশের বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলেন তিনি। আঃ। শরীর এত ক্লান্ত যে বিছানার স্পর্শ পেতে মনে হল এর চেয়ে আরাম পৃথিবীতে নেই। কাল সকালে মালতীর অপারেশন হবে। সেখানে একবার যাওয়া দরকার। চোখ বন্ধ করলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে মামণির কথা মনে এল। তাঁকে দু-হাতে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিল একের পর এক। মালতীর বুক পরীক্ষা করার সময় তাঁর মনে কোনও প্রতিক্রিয়া হয়নি। কিন্তু মামণি যখন তার জামার বোতাম খুলেছিল তখন তাঁর সমস্ত শরীরে কাঁটা ফুটেছিল। তিনি জানেন তখন অদ্ভুতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন। পড়ছিলেন বলেই মামণিকে তিনি বয়সের ব্যবধানের কথা বলছিলেন। তার মানে যদি বয়সের ব্যবধান না থাকত তাহলে তিনি সানন্দে ওকে প্রহণ করতেন। মামণি যখন জানতে চাইল তিনি ওকে বিয়ে করবেন কিনা তখন তাঁর রক্তে যে জোয়ার উঠেছিল তার অস্তিত্বের কথা তিনি সারাজীবনে জানতেন না। পুঁটির মা এসে তাঁকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল। তার মানে তাঁর অবচেতনে মামণির জন্যে আকাঙ্খা তিলতিল করে জমা হয়েছে? কি অন্যায় কথা! ভাগ্যিস পুঁটির মা এসেছিল নইলে নিজেকে কখনও ক্ষমা করতে পারতেন না তিনি।

    হঠাৎ অস্পষ্ট শব্দ হল। তাড়াতাড়ি চোখ খুললেন তিনি। খুলে অবাক হয়ে দেখলেন সন্তান উপুড় হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসছে। ফোকলা মুখে হাসিটাকে এত স্বর্গীয় দেখাল যে ধড়মড়িয়ে উঠে বসে ওকে কোলে তুলে নিলেন তিনি। কিন্তু কোলে তোলামাত্র কেঁদে উঠল সন্তান। তাকে ঠান্ডা করতে পারছিলেন না বনবিহারী। মামণি উলটোদিকে মুখ করে শুয়ে আছে। বিরক্ত হয়ে বিছানায় নামিয়ে দিতেই কান্না থেমে গেল। দুটো হাত ছুড়তে-ছুড়তে উপুড় হয়ে শব্দ করে হাসল সে। তারপর সাঁতরাবার চেষ্টা করল। মাঝে-মাঝেই তাঁর দিকে তাকিয়ে হেসে উঠছে সন্তান। হাসির শব্দ একটু-একটু করে জোরাল হচ্ছে। বনবিহারী বুঝতে পারলেন তাঁকে খেলার সঙ্গী হিসেবে চাইছে সন্তান। এই ছেলে যতক্ষণ না ঘুমাবে ততক্ষণ তাঁর পরিত্রাণ নেই।

    সকালে বনবিহারীর ঘুম ভাঙল একটু দেরিতে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে তিনি লাফিয়ে উঠতেই হাসির শব্দ শুনলেন। তাকিয়ে দেখলেন চা বানাতে বানাতে মামণি তার অদ্ভুত শব্দের হাসি হাসল। তাঁকে ওইভাবে লাফিরে উঠতে দেখেই যে ওর হাসি পেয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সন্তান এখন ঘুমে কাদা হয়ে আছে। খুব জ্বালিয়েছে ছেলেটা।

    বাথরুম থেকে বেরিয়ে পোশাক বদলে বাইরে বেরুবার জন্যে তৈরি হয়ে মামণির হাত থেকে চায়ের কাপ নিয়ে বনবিহারী নরম গলায় জিজ্ঞাসা করলেন, মাথা ঠান্ডা হয়েছে?’

    মামণি মুখ নামাল। ঠোঁটের কোণে হাসির কুঞ্চন।

    চা খেয়ে বনবিহারী বললেন, ‘আজ একটু ভাত ডাল করে নিও। কালকের মাছ তো আছেই। নীচের ব্রজবাবুর অবস্থা কীরকম জানি না। ওঁর স্ত্রী তো হাসপাতালে। তোমাকে একা থাকতে হবে। সাবধানে থেকো।’

    বাধ্য বালিকার মতো ‘মাথা নাড়ল মামণি।

    লঞ্চে উঠে রতনের কাছ থেকে কাগজটা পেলেন বনবিহারী। পরেশ মণ্ডল কাল দিয়ে গিয়েছিল। আজ তেঁতুলতলার ঘাটে ক্যাম্প হবে। ওখানকার মানুষদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘জায়গাটা কত দূরে?’

    ‘বেশিদূরে না। মিনিট চল্লিশ লাগবে।’ রতন বলল।

    ‘বাঃ। দশটায় ক্যাম্প শুরু, তার মানে হাতে অনেক সময় আছে। ওখানে যাওয়ার আগে পাথরপ্রতিমা ঘুরে যাব। মালতীর আজ অপারেশন হবে। তাছাড়া কাল রাতে যাকে পৌঁছে দিয়ে এলাম তার অবস্থা কীরকম জেনে নেওয়া যাবে।’ একটু থেমে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এর জন্যে কি তোমার লঞ্চের তেল খুব বেশি খরচ হবে?’

    দ্রুত মাথা নাড়ল রতন, ‘ছি-ছি। কী বলেন। চলুন।’

    ব্রজবাবুর অবস্থা ভালো নয়। ডাক্তার সন্দেহ করছেন ওঁর হার্টের রক্তচলাচলে বাধা পড়ছে। অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করা দরকার। অবিলম্বে কলকাতার হাসপাতলে ওকে নিয়ে যাওয়া দরকার। ইসিজির রিপোর্ট ভালো নয়। বনবিহারী দেখলেন খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ব্রজবাবুর কয়েকজন আত্মীয় এসে গেছেন। তাঁরাই ওকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার তোড়জোর করছেন। হাসপাতালের বারান্দায় গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিল পুঁটির মা। বনবিহারীকে দেখে এগিয়ে এল সে, ‘হুট করে চলে আসতে হল, আপনি তো দেখেছেন। এখন ওকে নিয়ে কলকাতায় যাচ্ছি। আপনি আছেন বলে ভরসা, একটু বাড়িঘরের দেখাশোনা করবেন।’

    ‘নিশ্চয়ই। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন।’

    বনবিহারী অবাক হলেন। এক রাত্রে ভদ্রমহিলা কীরকম বদলে গিয়েছেন। গতরাত্রে যাঁকে খুব অসহায় বলে মনে হচ্ছিল আজ তিনি স্থির, অনেক বেশি বাস্তব।

    ডাক্তার বলেই এই সময় মালতীর বেডের কাছে যাওয়ার অনুমতি পেলেন বনবিহারী। গলায় ঝোলানো স্টেথোটা অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। নার্স বলল, ‘ওটি প্রায় রেডি হয়ে গিয়েছে। মিনিট পনেরো পরে পেশেন্টকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু আপনি একবার অফিসে দেখা করে আসুন।’

    অফিসের কেরানি বলল, ‘অপারেশনের আগে টাকা জমা দেওয়া এই হাসপাতালের নিয়ম। আমরা আপনাদের জন্যে অপেক্ষা করছিলাম।’

    বনবিহারী ফাঁপরে পড়লেন। তিনি কলকাতার অফিস থেকে অনুমতি পেয়েছেন কিন্তু সেখান থেকে টাকা কবে আসবে খোঁজ নেননি। একটু ভেবে বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমি একবার সুপারের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

    সুপার তাঁর ঘরেই ছিলেন। বনবিহারী তাঁর সামনে গিয়ে নিজের পরিচয় দিলেন। সুপার সমস্যাটা শুনলেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওই মহিলা কি আপনার আত্মীয়?’

    ‘না। এনজিও-র হয়ে ক্যাম্প করতে গিয়ে ওর অবস্থা দেখে নিয়ে এসেছি।’

    ‘অপারেশনের খরচ কে দেবে?’

    এনজিও।

    ‘আপনি গ্যারান্টার হতে পারবেন?’

    ‘অবশই। তিনদিনের মধ্যে টাকা না এলে আমি নিজে দিয়ে দেব।’

    ভদ্রলোক বললেন, আপনি আমাকে অবাক করেছেন। ঠিক আছে, যান, আমি বলে দিচ্ছি। আপনি দয়া করে সইসাবুদ করে দিন।’

    অফিসে ফিরে টাকার গ্যারান্টি নিয়ে সই করলেন বনবিহারী। অপারেশনের জন্যে যে বন্ডে সই করতে হয় সেটাও তাঁকে দিয়ে করানো হল। বনবিহারী অবাক হয়ে দেখলেন মালতীর সঙ্গে আসা লোকটা ধারেকাছে নেই।

    এরপরে মালতীর বেডের কাছে গেলেন তিনি। পাশে টুল টেনে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন আছ?

    মালতী কথা বলল না, তার চোখ উপচে জল গড়াল।

    ‘কেঁদো না। অপারেশনের পর তুমি ভালো হয়ে যাবে।’

    চোখ মুছল মালতী, ‘ভালো হয়ে গেলে কি হবে?’

    ‘মানে?’

    ‘আমার মরে যাওয়াই উচিত।’

    ‘ছিঃ। এসব কথা বলা অন্যায়। তোমাকে এখনও অনেক বছর বাঁচতে হবে।’

    শ্বাস ফেলল মালতী, ‘আচ্ছা, একটা কথা জিজ্ঞাসা করব?’

    ‘বলো।’

    ‘আমার কি একটা বুক কাটবে?’

    ‘হ্যাঁ। যে বুকে টিউমার হয়েছে সেটা বাদ দিয়ে দেওয়া হবে।’

    ‘না।’ চিৎকার করে উঠল মালতী, ‘ওদের বলুন দুটো বুকই কেটে বাদ দিতে।’

    ‘সেকি? কেন?’

    ‘সেই চোদ্দো-পনেরো বছর বয়স থেকে এই বুকের জন্যে আমি জ্বলছি। এরা আমার শত্রু। একটা যদি থেকে যায় তাহলে তার দিকেও পুরুষগুলো হাত বাড়াবে। পায়ে পড়ি, ওদের বলুন দুটোকে বাদ দিতে।’

    মালতীর কান্নাজড়ানো কথার মধ্যেই দুটো লোক এল স্ট্রেচার নিয়ে। বলল, ‘যেতে হবে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }