Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২৮

    আঠাশ

    আজ সকাল নটায় লঞ্চ ছাড়বে। রামচকে যেতে হবে। ভোর ভোর উঠে পড়লেন বনবিহারী। বাবা মুর্শেদ যাই বলুক, তাঁকে টাকা নিয়ে যেতে হবে হাসপাতালে। না নিয়ে গেলে যদি শোনেন কেউ টাকা জমা দেয়নি তাহলে ভয়ঙ্কর অস্বস্তিতে পড়বেন।

    বাড়িতে যখন ফিরে এলেন তখনও রাস্তায় লোকজন বের হয়নি। পুঁটির মা তার ঘরের দরজায় সামনে লেবড়ে বসে আছে। বনবিহারী দাঁড়ালেন একটু তফাতে। পুঁটির মা তাঁকে দেখেও দেখল না। কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে তিনি সিঁড়িতে পা দিলেন।

    ঘরের দরজা বন্ধ। বাইরে থেকে শব্দ করলেন। দ্বিতীয়বারে দরজা খুলল মালতী। তাঁকে দেখে জিভ কেটে ঘোমটা টানল, ‘এহে, এত বেলা হয়ে গেছে টের পাইনি।’

    বনবিহারী ঘরে ঢুকে দেখলেন খাটের একপাশে পাশ ফিরে ঘুমাচ্ছে মামণি। হাঁটুর ওপর কাপড় উঠে গেছে। মালতী গিয়ে সেটা নীচে টেনে নামাতে সে চোখ খুলল। সন্তান ঘুমাচ্ছে দেওয়ালের দিকটায়। অর্থাৎ ওদের দুজনের মাঝখানে ঘুমিয়েছে মালতী। তার মানে মামণি ছেলের পাশে ঘুমায়নি।

    মালতী চাপা গলায় বলল, ‘ডাক্তারবাবু এয়েছেন। ওঠ, চা কর।’

    মামণি বলল, ‘উম।’

    ‘থাক। ডাকতে হবে না।’ বনবিহারী বাথরুমে ঢুকে গেলেন। ব্রাশ করতে করতে তাঁর মনে হল দাড়িটা কামিয়ে ফেলা উচিত। ক’দিন না কামানোয় সাদা কাঁচাতে মুখ দেখতে কদাকার হয়েছে। মামণির মা এলে তাঁর যা বয়স তার চেয়ে অনেক বেশি মনে করবে। ঝটপট সেসব সেরে একেবারে স্নান করে বেরিয়ে আসতেই মালতী চায়ের কাপ এগিয়ে ধরল। বিরক্ত হলেন বনবিহারী, ‘তুমি অসুস্থ মানুষ। এখনও বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকা উচিত। তোমাকে চা তৈরি করতে আমি বলেছি?’

    ‘আমি তো বিশ্রামেই আছি। এতে তো পরিশ্রম হয়নি।’ মালতী নীচু গলায় বলল।

    পোশাক বদলে, স্যুটকেসের তালা খুলে পাঁচ হাজার টাকা বের করে এক চুমুকে চা খেয়ে নিয়ে মামণির দিকে তাকালেন বনবিহারী। সে আবার চোখ বন্ধ করেছে। তাকে শুনিয়ে বললেন, ‘রামচকে যাচ্ছি পেশেন্ট দেখতে। তোমার মা যদি আজ আসেন তাহলে তো তাঁকে এই ঘরেই থাকতে হবে। ব্যবস্থা করে রেখো। আর দুশো টাকা রেখে যাচ্ছি একটু ভালো মাছ-টাছ বাজার থেকে নিয়ে এসো।’

    মামণি জবাব দিল না। মালতী বলল, ‘আপনি চিন্তা করবেন না। মা আসছে জানার পর মেয়ে খুব খুশি।’

    বাইরে বেরিয়ে এলেন বনবিহারী। তাঁর মন খুঁতখুঁত করছিল। কথা বলতে না পারুক ভালো করে তাকাল না পর্যন্ত মেয়েটা। ওর মনে কি মতলব পাক খাচ্ছে তা বুঝতে পারছেন না তিনি। খুঁতখুঁতানিটা সেই কারণেই।

    ঘাটে এসে দেখলেন ভটভটি চলাচল শুরু হয়েছে। ওপার থেকে একটা ভটভটি এপারে আসছে। ওটাতেই পাথরপ্রতিমায় যাবেন বলে একটু এগিয়ে গেলেন তিনি। এখনও রোদ ওঠেনি। নদীর ঢেউ ছোবল মারছে। ভটভটি ঘাটে লাগতেই যাত্রীরা নেমে এল। তাদের দুজনের অঙ্গে খাকি পোশাক। তৃতীয়জন মোটাসোটা, সম্ভবত ওদের নেতা কিন্তু অঙ্গে ইউনিফর্ম নেই। তিনি ভটভটির চালককে কিছু বললে সেই লোকটা আঙুল তুলে বনবিহারীকে দেখিয়ে দিল। বনবিহারী বিস্মিত হয়ে দেখলেন ওই তিনটে লোক তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে।

    মোটাসোটা মানুষটি তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল, ‘আপনি ডাক্তার বনবিহারী?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘আমি আপনার সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। আপনি কি কোথাও যাচ্ছিলেন?’

    ‘হ্যাঁ, হাসপাতালে।’

    ‘ও। তাহলে চলুন যেতে যেতে কথা বলি।’

    ‘কি ব্যাপারে বলুন তো?’

    ‘আমি সাব ইন্সপেক্টর অফ পুলিশ। চলুন, ভটভটি ছেড়ে দেবে।’

    ধক করে উঠল বুকের ভেতরটা। শেষ পর্যন্ত এতদূরে এসেও তাঁকে ধরা পড়তে হল। মামণিকে লুকিয়ে রাখতে আর পারবেন না? এই যে ক’দিন পাথরপ্রতিমায় গিয়েছে, ওই ছোকরার সঙ্গে গল্প করেছে, তাতেই পুলিশের নজর পড়েছে।

    বিষণ্ণ মুখে ভটভটিতে বসলেন বনবিহারী। এস. আই. দুতিনবার কথা বলার চেষ্টা করে থেমে গেলেন। ওই বিকট আওয়াজ ছাপিয়ে কথা বলা অসম্ভব।

    ওপারে পৌঁছে ভাড়া দিতে চাইলেন বনবিহারী। কিন্তু এস. আই হাত নাড়লেন, ‘দিতে হবে না। ওরা আমাদের কাছ থেকে পয়সা নেয় না।’

    পারে পৌঁছে এস. আই. জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনার কাছে বাবা মুর্শেদ কেন এসেছিল? চিকিৎসা করাতে?’

    ‘বাবা মুর্শেদ?’

    ‘মিথ্যে কথা বলার চেষ্টা করবেন না। সে তার শাগরেদদের নিয়ে কাল রাত্রে আপনার বাড়িতে গিয়েছিল। খবরটা যখন আমরা পেলাম ততক্ষণে ও পগার পার হয়ে গেছে। খা ঘুঘু, যত খুশি ধান খা, ধরা তোকে পড়তেই হবে। কেন গিয়েছিল সে?’

    ‘উনি বললেন যেসব পেশেন্ট পয়সার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারে না তাদের যদি আমি হাসপাতালে ভরতি করিয়ে দিই তাহলে চিকিৎসার দায়িত্ব নেবেন।’

    ‘আপনি কী বললেন?’

    ‘আমি কিছু বলিনি।’

    ‘আপনার কী মনে হয়? কেউ এভাবে টাকা ওড়াতে পারে?’

    ‘আমি জানি না। তবে শুনেছি অনেক মানুষের উপকারে টাকা খরচ করেন।’

    ‘আপনি আপনার রোজগারের টাকা যত খুশি খরচ করুন, কারও কিছু বলার নেই। কিন্তু খুন ডাকাতি করে সেই টাকায় উপকার করতে চাইলে আইন চুপ করে থাকবে না। প্রশ্ন হল, এই লোকটা আপনার খবর পেল কি করে?’ এস. আই. জানতে চাইলেন।

    ‘আমি জানি না। সম্ভবত হাসপাতাল থেকে।’

    ‘শুনুন, ওই বাবা মুর্শেদ যদি আবার আপনার কাছে আসে তাহলে তাকে নানা অছিলায় আটকে রেখে আমাদের খবর দেবেন। আপনাদের ঘাটে যে বঙ্কুর চায়ের দোকান আছে সেখানে জানালেই আমরা খবর পেয়ে যাব। কিন্তু আপনি কি সত্যি কথা বলছেন?’

    ‘মিথ্যে বলার কোনও কারণ নেই। বাবা মুর্শেদ বলেছেন গতকাল যে মেয়েটিকে আমি গ্রাম থেকে এনে জীবন বাঁচাতে হাসপাতালে ভরতি করিয়েছিলাম তার অপারেশনের খরচ আজ উনি দিয়ে দেবেন।’

    ‘অ্যাঁ? তাহলে তো ওকে আজ পাথরপ্রতিমায় আসতে হবে।’ এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে এস, আই বললেন, ‘চলুন হাসপাতালে।’

    হাসপাতালে গিয়ে প্রচণ্ড হতাশ হলেন ভদ্রলোক। মেয়েটির অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যে পুরো টাকা জমা পড়ে গেছে। সব খরচ মিটিয়ে আগামী পাঁচ দিনের জন্যে আগাম টাকা দিয়ে অনুরোধ করা হয়েছে তাকে ওই সময়ের আগে না ছাড়তে।

    আপশোশ প্রচণ্ড হল এস. আই-এর। তারপর তাঁর খেয়াল হল। ‘এখানে আসার আগে আপনি কোথায় ছিলেন?’

    ‘নর্থবেঙ্গলে।’

    ‘অ্যাঁ। হঠাৎ নর্থ বেঙ্গল থেকে সুন্দরবনে? কেন?’

    ‘অনেককাল চিকিৎসা করছি। কিছুদিন থেকেই মনে হচ্ছিল মানুষের সেবা করব। চিকিৎসা করে গরিব মানুষদের কাছ থেকে টাকা নেব না। যেখানে ছিলাম সেখানে তা সম্ভব হত না। যত গরিব হোক লোকে জোর করে যা পারত তাই দিয়ে যেত। শেষে খবরের কাগজে এই এন জি ও-র বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করে চলে এলাম এখানে।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘হুম। পাগল। শুনুন ওইরকম ভয়ংকর ডাকাতদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে আপনাকে জেলে যেতে হবে। তাহলে মানুষের সেবা করা সম্ভব হবে না। আমরা আপনার এন জি ও-র কর্তাদের জানিয়ে দিতে পারি। কিন্তু তা করব না যদি আপনি একটু সহযোগিতা করেন।’

    ‘কী করতে হবে?’

    ‘এরপর কোনও গ্রামে গিয়ে সিরিয়াস পেশেন্ট দেখলে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসবেন তখনই খবরটা আমাদের পৌঁছে দেবেন। ওই টোপ ওয়াচ করলেই বাঘকে ধরে ফেলতে পারব। আপনার কথা কেউ জানতে পারবে না।’ এস. আই হাসলেন, ‘আপনাকে দেখে ভালো মানুষ বলে মনে হওয়াতে আজ কোনও ঝামেলা করলাম না। চলি।’

    হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন বনবিহারী। মামণির ব্যাপারে এখানকার পুলিশ তাঁর কাছে আসেনি। হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে চারদিকে তাকাতেই দেখতে পেলেন মেয়েটার বাবাকে। হাসি মুখে এগিয়ে এসে নমস্কার করল, ‘মেয়ে কথা বলেছে।’

    ‘বাঃ ভালো।’

    ‘তেনারা এসে সব টাকা মিটিয়ে দিয়ে গেছেন। আমাকেও একশোটা টাকা দিয়ে বলেছেন পাঁচ দিন চালাতে।’

    ‘এই তেনাদের তুমি চেনো?’

    ‘না ডাকতারবাবু।’

    ‘বাবা মুর্শেদের নাম শুনেছ?’

    ‘ওরে বাবা। শুনব না! লোকটার চোখ বড় হল।’

    ‘এই তেনারা হল তার লোকজন।’

    লোকটা দুটো হাত মাথায় তুলল, ‘জয় ঠাকুর। আর কোনও চিন্তা নেই। বাবা মুর্শেদ যাকে মারে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আর যাকে বাঁচায় তার কোনও কষ্ট থাকে না। আপনি নিয়ে এসেছিলেন বলে বাবা মুর্শেদের দয়া হল মেয়েটার ওপর।’

    রামচকে যাওয়ার পথে বৃষ্টি নামল। হঠাৎ আকাশ কালো করে মেঘ উড়ে এসে জল ঝরাতে লাগল। রতন লঞ্চটাকে নদীর মাঝখানে নিয়ে গেল। জলের চেহারা এখন ভয়ানক দেখাচ্ছে। শোঁ-শোঁ হাওয়া দিচ্ছে। নীচ থেকে ট্যানজিস্টার কানে চেপে উঠে এসে সোনা চেঁচালো রেডিওতে বলছে সব নৌকো লঞ্চ যেন ঘাটে ফিরে যায়, নদীতে না থাকে। সাগরে নিম্মচাপ হয়েছে।’

    ‘এই খবরটা আগে বলতে পারেনি।’ রেগে গেল রতন।

    ‘বলেছিল বোধহয়, রেডিও বন্ধ ছিল তখন।’

    ‘এখন পেছনে ফেরার উপায় নেই।’ রতন ইঞ্জিন সামলাচ্ছিল।

    হঠাৎ গৌরাঙ্গ বলল, ‘ও রতনদা, সাগর যেন টানছে লঞ্চটাকে।’

    ‘এই। যা হওয়ার তা হবে। ডুবে মরার চেয়ে বাঘের পেটে যাওয়া অনেক ভালো। চল পাড়ে নিয়ে যাই। সবাই সাবধানে।’

    নীচের চেয়ারে চুপচাপ বসে প্রকৃতির ভয়ংকর চেহারা দেখছিলেন বনবিহারী। যখন রওনা হয়েছিলেন তখন চারধার কি শান্ত ছিল। শুধু জলের চেহারা দেখে রতন বলেছিল, ‘ঝড় বাদল হবে মনে হচ্ছে।’

    ‘কি করে বুঝলে?’

    ‘ওই ঢেউগুলের রং দেখুন না। যেন কালো গোখরো।’

    এইরকম ঝড়ে লঞ্চ ডুবে যেতে পারে অসহায়ভাবে। ডুবলে বাঁচার কোনও সম্ভাবনা নেই। ঢেউ লঞ্চটাকে নিয়ে উত্থালপাথাল করছে। তলিয়ে গিয়েও আবার ভেসে উঠছে। জলের ধারাগুলো যেন বর্ষার মতো নেমে আসছিল। বনবিহারী চেয়ার ছেড়ে সিঁড়ির কয়েক ধাপ উঠতেই শিউরে উঠলেন। সামনে কোনও দিগন্ত নেই। শুধু জল জল। আর সেই জল আকাশ ছুঁতে চাইছে। নীচে নেমে এলেন তিনি।

    অনেক চেষ্টার পরে পাড়ে লঞ্চ ভেড়াতে পারল রতন। এখানে ঘাট বলে কিছু নেই। জঙ্গলে ঠাসা মাটি। রতন বলল, ‘গৌরাঙ্গ ভালো করে বাঁধ। বৃষ্টি থামা মাত্র বেরিয়ে যেতে হবে। আশা করি দিনের বেলায় মহারাজ দেখা দেবেন না।’

    ‘কেউ বলতে পারে না রতনদা। সবাইকে ডেকে বলি ইঞ্জিন ঘরে এসে বসতে।’

    ‘এটুকু জায়গায় সবাই বসতে পারবে?’

    ‘পারবে। এখানে বাঘ ঢুকবে না।’

    ‘গৌরাঙ্গর চেঁচামেচিতে সবার সঙ্গে বনবিহারীও ইঞ্জিন ঘরে ঢুকলেন। বৃষ্টি পড়ে চলেছে সমানে। জায়গা নেই বললেই হয় তবু তার মধ্যে ওরা বনবিহারীর জন্যে একটা চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিল।

    বনবিহারী বললেন, ‘এত দেরি হয়ে যাচ্ছে রামচকে পৌঁছব কখন?’

    ‘আজ আর হবে না ডাক্তারবাবু। এই ঝড় থামলে সেখানে পৌঁছে ফিরতে পারব না।’

    ‘যাঃ। মাটি হয়ে গেল দিনটা। জ্বালানিও পুড়ল।’

    ‘মাঝেমধ্যে এরকমটা হয়। কলকাতা জানে।’

    একটু বাদে বৃষ্টি কমল কিন্তু ঝড় চলছে। হঠাৎ সোনা চেঁচিয়ে উঠল, ‘ওই যে, কি বিশাল সাপ।’

    সবাই দেখল ওপাশের একটা ডাল থেকে অন্তত দশফুট লম্বা স্বাস্থ্যবান কালো সাপ ইঞ্জিন ঘরের সামনে নেমে পড়ল। মুখ ঘুরিয়ে চারপাশ দেখে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল সেটা। গৌরাঙ্গ বলল, ‘সর্বনাশ। ওটা নীচে গেলে খুঁজে বের করার আগেই একজনকে শেষ করে দেবে।’ সে দরজা খুলে একটা লোহার হাতুড়ি ছুড়ে মারল। হাতুড়ি গিয়ে আঘাত করল সাপটার লেজে। সঙ্গে সঙ্গে সাপটা সিঁড়ির দিক থেকে ঘুরে বিশাল ফণা তুলে দু-দুবার ছোবল মারল হাতুড়িটাকে। তাতে সম্ভবত আহত হয়ে কি করবে বুঝতে পারছিল না আর তখনই গর্জনটা কানে এল। খুব কাছাকাছি বাঘ এসে গেছে। রক্ত হিম হওয়ার জোগাড়। রতন চাপা গলায় বলল, ‘বাধঁন খুলে দে গৌরাঙ্গ, লঞ্চটাকে এখান থেকে সরাই।’

    ‘কি করে খুলব। সাপটা এখনও ফণা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।’

    ‘তুই যে কেন ওকে মারতে গেলি।’

    বনবিহারী বললেন, ‘ইঞ্জিনটা চালু কর, যদি শব্দে ভয় পেয়ে পালায়।’

    সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিন চালু করল রতন। তাতে কাজ হল। সাপটা ফণা নামিয়ে দ্রুত লঞ্চ থেকে মাটিতে নেমে গেল। রতনের মুখে হাসি ফুটল, ‘এত ভয় পেয়েছিলাম যে শব্দটার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম।’ ফিরে আসতে আসতে দুপুর পেরিয়ে গেল ওদের।

    পরেশ মণ্ডলকে দুর্যোগের কথা বলে বাড়ির পথ ধরলেন বনবিহারী। পুঁটির মায়ের দরজা খোলা। তাঁকে দেখে মহিলা বললেন, ‘ঘেন্না, ঘেন্নায় মরে যাই।’

    ‘কী বলছেন আপনি?’

    জন্তুজানোয়াররাও তো পেটের বাচ্চা বড় না হওয়া পর্যন্ত আগলে রাখে। আর এই মেয়েছেলে বাচ্চাটাকে অজানা মেয়েমানুষের কাছে ফেলে রেখে চলে গেল। ছ্যা।’

    ‘কোথায় গিয়েছে মামণি?’

    ‘যান, ওপরে গিয়ে শুনুন।’

    সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে বনবিহারী দেখলেন দরজা খোলা। বিছানায় সন্তান ঘুমাচ্ছে। তার পাশে গালে হাত দিয়ে বসে আছে মালতী।

    তাঁকে দেখে ডুকরে কেঁদে উঠল মালতী, ‘কিছুতেই শুনল না। বললাম আপনি না ফেরা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। কথা কানেই নিল না।’

    ‘কি হয়েছিল?’

    ‘চেনা একজন পথ চিনিয়ে এনেছিল ওর মাকে। দেখা হতে মেয়ের কি কান্না। তারপর ছেলেটা তাগাদা দিতে ও কাপড়চোপড় নিয়ে রওনা হয়ে গেল।’ ‘কোথায়?’

    ‘আজ পাথরপ্রতিমায় হোটেলে থাকবে। কাল চলে যাবে দেশে।’

    সন্তানকে দেখালেন বনবিহারী, ‘ওকে নিয়ে গেল না কেন?’

    ছেলেটা ওর মাকে বলল, ‘ও নাকি আমার বাচ্চা। ও কোনও আপত্তি করল না। আমি কি করব বোঝার আগেই ওরা চলে গেল।’

    দ্রুত বেরিয়ে এলেন বনবিহারী। প্রায় দৌড়ে এসে দাঁড়ালেন ঘাটে। তারপর ভটভটিতে উঠে বসলেন। যে করেই হোক আজ ওদের খুঁজে বের করতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }