Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ২৯

    ঊনত্রিশ

    ভটভটি থেকে পাথরপ্রতিমায় নেমে প্রথমে ঠাওর করতে পারলেন না বনবিহারী। কোথায় গিয়ে খোঁজ করলে ওদের পাওয়া যাবে! পাথরপ্রতিমা নেহাত ছোট্ট জায়গা নয়। রিকশাওয়ালা তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসতেই এগিয়ে গেলেন তিনি, ‘আচ্ছা, এখানে হোটেল ক’টা আছে?’

    ‘হোটেল? ডালভাতের হোটেল অনেক আছে। কোনটায় যাবেন?’

    ‘ডালভাতের নয়, থাকার হোটেল। বাইরের মানুষ এখানে এলে যেখানে রাত্রে থাকে!’

    ‘অ। তিন-চারটে আছে। কিন্তু আপনি তো লঞ্চের ডাক্তারবাবু, হোটেলে থাকবেন কেন?’

    ‘আমি থাকব না। কয়েকজন সেখানে উঠেছে, দেখা করতে যাব।’

    রিকশায় উঠলেন বনবিহারী। যেতে যেতে দু’পাশে তাকিয়ে দেখছিলেন তিনি। যদি ওরা রাস্তায় থাকে। হেঁটেও তো যেতে পারে। কিন্তু এই সময় রাস্তা এমনিতেই ফাঁকা। যে কয়েকজন চলাফেরা করছে তাদের মধ্যে কোনও মহিলা নেই।

    যে হোটেলে প্রথমে নিয়ে গেল রিকশাওয়ালা তার ম্যানেজার বললেন, ‘না মশাই, কেউ আসেনি। মেয়েছেলে তো নয়ই। এলেও জায়গা দিতে পারতাম না। একদম হাউসফুল।’

    দ্বিতীয় হোটেলও একই কথা বলল।

    হঠাৎ ছেলেটির কথা মনে হল বনবিহারীর। যে ছেলে মামণির সঙ্গে দেখা করত সে নিশ্চয়ই হোটেলে থাকে না। এই পাথরপ্রতিমায় তার একটা থাকার জায়গা আছে। সেখানে ওদের নিয়ে যায়নি তো? মালতীর কাছে মিছিমিছি হোটেলে উঠবে বলে এসেছে বিভ্রান্ত করতে। তাই যদি হয় তাহলে ওদের খুঁজে বের করার চেষ্টা বৃথা হয়ে যাবে। তাছাড়া মামণির মা কি একা অত দূর থেকে এসেছেন? নিশ্চয়ই সঙ্গে কেউ আছে। তাহলে সেই ছোকরা অন্তত তিনজনকে নিয়ে তুলেছে তার আস্তানায়। এই আস্তানাটার খবর কি করে পাওয়া যাবে!

     

     

    রিকশাওয়ালা বলল।, ‘তিন নম্বর হোটেলটা ওই দিকে।’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘আমার মনে হয় ওরা হোটেলে ওঠেনি।’

    ‘কাদের কথা বলছেন?’

    বনবিহারী মামণির কথা বললেন, বাকি তিনজনের একটা আনুমানিক বর্ণনা দিলেন।

    ‘তাহলে তারা চারজন। ঘাট থেকে রিকশা নিলে দুটো রিকশা ভাড়া করতে হয়েছে। ঘাটে গিয়ে খোঁজ করলে বেরিয়ে যাবে। যে দুজন ওদের রিকশায় তুলেছিল তারা তো এখনও ডিউটি করছে। চলুন ঘাটে যাই।’ রিকশাওয়ালাকে বেশ উজ্জীবিত দেখাচ্ছিল।

    ডুবে যাওয়া মানুষ নাকি ঘাস ধরেও বাঁচতে চায়। রাজি হলেন বনবিহারী। রিকশাওয়ালা আবার তাঁকে ঘাটে নিয়ে এসে বলল, ‘আপনি ওই চায়ের দোকানে বসে চা খান, আমি খোঁজখবর নিয়ে আসছি।’

     

     

    চায়ের দোকান ঢুকে চা এবং বিস্কুট চাইলেন বনবিহারী। তৈরি চা চলে এল বিস্কুটের সঙ্গে। সেগুলো খেতে খেতে হঠাৎ বনবিহারীর মনে হল কাজটা তিনি কেন করছেন? মামণি যদি এতদিন পরে তাঁকে কিছু না জানিয়ে চলে যেতে চায় তাহলে কেন তিনি তাকে খুঁজে বের করতে চাইছেন? ওর কাছে তাঁর কোনও পাওনা নেই, নিকট আত্মীয় সে নয়, বিপদের সময় আশ্রয় দিয়েছিলেন এইমাত্র। আজ সে তার মায়ের কাছে ফিরে যেতে চাইছে, যাক না। তিনি কেন নিজেকে উপেক্ষিত মনে করছেন? মামণি হয়তো ক্ষণিকের উন্মাদনায় তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চেয়েছিল, তিনি রাজি হননি। আর হননি বলে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব থেকেই গিয়েছিল। কোনও দায় যখন নেই তখন জানিয়ে গেলে সৌজন্য বজায় থাকত কিন্তু হয়তো সে ভেবেছে জানাতে গেলে তিনি আপত্তি জানাবেন। সেই পরিস্থিতি সে এড়াতে চেয়েছে।

    এই অবধি ভেবে নদীর দিকে তাকালেন তিনি। এবং তখনই সন্তানের কথা খেয়াল হল। সন্তানকে নিয়ে তিনি কি করবেন? স্বর্গের অপ্সরাদের মনে স্নেহ-মায়া থাকে না, তারা অবলীলায় সন্তানের জন্ম দিয়ে মর্ত্যে ফেলে চলে যায়। প্রৌঢ় মুনি ঋষিকে সেই সন্তানদের দায়িত্ব নিতে হয়। মামণির সন্তানের দায়িত্ব তাঁকে নিতে হবে! ওই শিশুকে তো তিনি ফেলে দিতে পারেন না কিন্তু কি করে সেই দায়িত্ব নেবেন। তাঁকে কাজে বেরুতে হবে। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে লঞ্চে ঘোরা যায় কিন্তু সেটা করলে হাজারটা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। ওর মা কেন চলে গেল? তার সঙ্গে বনবিহারীর কি সম্পর্ক ছিল? কোথায় গেল সে? এখন পর্যন্ত কেউ, তাঁর সঙ্গে মামণির সম্পর্ক নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেনি। সবাই ভেবে নিয়েছে ডাক্তারবাবুর বোবা বোনকে তার স্বামী পরিত্যাগ করায় বেচারা দাদার কাছে আশ্রয় নিয়েছে। এই ভাবনাটা ছিন্নভিন্ন হলে তিনি শ্রদ্ধার জায়গাটা আর ফিরে পাবেন না। ওই অবস্থায় এখানে থেকে কাজ করা কি সম্ভব হবে?’

     

     

    ‘নমস্কার ডাক্তারবাবু। আপনি এখানে বসে আছেন?’ পাশ থেকে একজন জিজ্ঞাসা করল।

    তাকালেন, কিন্তু চিনতে পারলেন না ঠিক, বললেন, ‘একজনের সন্ধানে এসেছিলাম—।’ বলেই বুঝলেন বলাটা ঠিক হল না।

    ‘পাথরপ্রতিমার লোক?’

    ‘না না। তেমন কেউ নয়। ছেলেটির বাড়ি উত্তরবঙ্গে, কিছুদিন আগে এখানে এসেছে।’

    ‘নতুন মাস্টার?’

    ‘মানে?’

    ‘এখানকার প্রাইমারি স্কুলে একজন নতুন মাস্টার কিছুদিন আগে চাকরিতে এসেছেন। বেশি বয়স নয়। নতুন লোক কেউ এলে একটু খেয়াল রাখতে হয়, তাই জেনেছি।’

     

     

    ‘না না। সে ছেলে এতদূরে মাস্টারি পাবে কি করে?’

    ‘স্বজন পোষণ। সেক্রেটারির কাছে লাল পার্টির চিঠি নিয়ে এসেছিল বলে শুনলাম। তবে পাকা চাকরি নয়। এই মাস্টার কারও সঙ্গে মেশে না। আপনি যাকে খুঁজছেন সে যদি মাস্টারি করত তাহলে তো জানতেই পারতেন।’

    ‘তা তো বটেই।’

    ‘আপনার পেশেন্ট তো এখন ভালো আছে।’

    ‘কোন পেশেন্ট?’

    ‘ওই যে হাসপাতালে যাকে ভরতি করিয়েছেন, যার অপারেশন হল?’

    চমকে তাকালেন বনবিহারী, এই লোকটি এসব কথা জানল কি করে?

     

     

    ‘আপনি কে?’

    চায়ের দাম দিয়ে দিল লোকটা। বনবিহারীর চা-বিস্কুটের দামও জোর করে দিয়ে দিল। তারপর দোকানের বাইরে এসে নীচু গলায় বলল, ‘বাবা মুর্শেদকে আমিই আপনার বাড়িটা চিনিয়ে দিয়েছিলাম। পোস্ট অফিসে পিওনের চাকরি করি।’

    বনবিহারী আবার তাকালেন। বাবা মুর্শেদের সঙ্গে অন্ধকারে এই লোকটি ছিল কিনা তা এখন ঠাওর করতে পারলেন না।

    লোকটি বলল, ‘আজ এস আই, বোধহয় আপনাকে ধমকাতে গিয়েছিল?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘বোকার হদ্দ।’

    ‘বোকা বলছেন, তাহলে খবরটা পেল কি করে?’

     

     

    ‘কেউ না কেউ চামচেবাজি করেছে। আপনাকে বলল বাবা মুর্শেদকে ধরার জন্যে সাহায্য করতে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনি কি বললেন?’

    ‘আমি কিছু বলিনি।’

    ‘ভালো।’

    এইসময় রিকশাওয়ালা ফিরে এল। লোকটিকে দেখে বলল, ‘কেমন আছেন দয়ালভাই?’

    ‘চলে যাচ্ছে তিনি যেমন চালাচ্ছেন।’ ওপরের দিকে আঙুল তুলল লোকটি।

    রিকশাওয়ালা বলল, ‘মনে হচ্ছে রিকশায় ওঠেনি ওরা। তবে চারজন নয়, দুজন মহিলা, একজনের বয়স বেশি, অন্যজন কমবয়সি হেঁটে গেছে ভটভটি থেকে নেমে। ওদের সঙ্গে দুজন লোক ছিল, নতুন মুখ।’

     

     

    বনবিহারী বললেন, ‘কীরকম বয়স?’

    ‘একজন যুবক, অন্যজন বৃদ্ধ।’ রিকশাওয়ালা বলল।

    লোকটি শুনেছিল, জিজ্ঞাসা করল, ‘যুবকটিকে দেখতে কেমন?’

    রিকশাওয়ালা বলল, ‘দাঁড়ান, হরিপদকে জিজ্ঞাসা করে আসি। ও-ই দেখেছিল।’ রিকশাওয়ালা চলে গেলে। লোকটি জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি একনজনকে খুঁজছিলেন তো?’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী। তাঁর এসব আর ভালো লাগছিল না।

    ‘তাহলে এরা নয়। শুনলেন তো চারজন নেমেছে ভটভটি থেকে। দুজন আবার মহিলা।

    ‘উত্তরবঙ্গের ছেলে বলে আলাপ করার ইচ্ছে হয়েছিল। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এবার ফিরে যেতে হবে।’

     

     

    রিকশাওয়ালা চলে এল। বলল, ‘ফরসা, পাজামা-পাঞ্জাবি পরা, কপালে কাটা দাগ আছে।’

    ‘কপালে কাটা দাগ?’ লোকটি চেঁচিয়ে উঠল, ‘নতুন মাস্টারের কপালেও কাটা দাগ আছে।’ লোকটি রিকশাওয়ালাকে বুঝিয়ে দিল। প্রাইমারি স্কুলের পেছনে মাস্টারদের কোয়ার্টাস। সেখানে গিয়ে নতুন মাস্টারের খোঁজ করলে সবাই বলে দেবে। তারপর বলল, ‘বুঝলেন ডাক্তারবাবু, এই লোকটা একটু সন্দেহজনক। বাইরে থেকে চাকরি নিয়ে এখানে এসেছে, ওর নামে একটা চিঠিও আজ পর্যন্ত আসেনি। বাবা-মা না থাকতে পারে, এই বয়সের কোনও আত্মীয়স্বজন বন্ধু থাকবে না?’

    রিকশাওয়ালা বলল, ‘চলুন, আপনাকে নিয়ে যাচ্ছি।’

    লোকটি বলল, ‘আমাকে এখন বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে। খুব ভালো লাগল আপনার সঙ্গে আলাপ করে।’ তারপর চায়ের দোকানের গায়ে দাঁড় করানো সাইকেলে বসে চলে গেল সোজা রাস্তায়। উৎসাহ পাচ্ছিলেন না। তবু রিকশায় উঠলেন বনবিহারী।

     

     

    বন্ধ দরজায় শব্দ করলেন বনবিহারী। ভেতর থেকে একজন মহিলা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে?’

    ‘নতুন মাস্টার বাড়িতে আছেন?’

    বনবিহারী জানতে চাইলেন।

    ‘না। নেই।’

    ‘আপনি একটু দরজাটা খুলবেন?’

    কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে যে ভদ্রমহিলা দরজা খুললেন তাঁর বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। মহিলা সধবা। চেহারা দেখেই বোঝা যায় আর্থিক অবস্থা বেশ ভালো।

    ‘নমস্কার।’ বনবিহারী হাত জোড় করলেন।’

     

     

    ‘নমস্কার।’ বলুন।’

    বনবিহারীর লক্ষ করলে ভদ্রমহিলা দরজা আগলে দাঁড়িয়ে আছেন। বললেন, ‘আপনি, আপনারা বোধহয় আজই এখানে এসেছেন!’

    ‘আপনি যা বলতে এসেছেন সেটাই বলুন!’

    ‘বেশ বলি। একটি মেয়েকে তার ভয়ঙ্কর বিপদের দিনে আমি রক্ষা করেছিলাম। মানুষ হিসেবে যা করা উচিত তাই করেছি। কিন্তু তাকে রক্ষা করা যে অপরাধ তা আমি জানতাম না। যখন জানলাম তখন তাকে নিয়ে এখানে চলে এসেছিলাম যাতে পরিচিত কেউ খবরটা না পায়। মেয়েটি কথা বলতে পারে না। সম্ভবত সে আপনার মেয়ে।’ বনবিহারী খুব শান্ত গলায় কথাগুলো বললেন।

    ‘ও। আপনি? আপনার সাহস তো কম নয়?’

     

     

    ‘বুঝতে পারলাম না।’

    ‘যথেষ্ট বয়স হয়েছে আপনার। শুনলাম ডাক্তারি করেন। উর্মি আপনার মেয়ের বয়সি। তার একটা ভুলের সুযোগ নিয়ে এতকাল কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেননি আপনি। পুলিশ জানতে পারলে জেলে পুরবে সেই ভয়ে এই সুন্দরবনে ওকে নিয়ে এসে গরু-ছাগলের মতো একটা ঘরে বন্দি করে রেখেছেন। আমার উচিত ছিল আপনাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। আমি তা না করে মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছি। আর তার পরেও আপনি এখানে গাল ফুলিয়ে গল্প শোনাতে এসেছেন?’ ভদ্রমহিলা চাপা গলায় কিন্তু হিসহিসে স্বরে কথাগুলো বললেন।

    নীরবে শুনছিলেন বনবিহারী, বললেন, ‘আপনার এই অভিযোগগুলো অসত্য। ওকে অমি কখনও অসম্মানিত করিনি।’

    ‘করেননি? মেয়েটা বোবা, কাউকে কিছু বলতে পারবে না। তার সুযোগ নেননি?’

    ‘নিতে চাইলে আমাকে এখানে আসতে হত না।’

    ‘মানে?’

    ‘ও আমাকে ছেড়ে আসত না।’

    ‘ছি ছি ছি। আপনার সঙ্গে ওর বয়সের তফাত কত জেনেও একথা বলছেন? তার ওপর কার না কার বাচ্চাকে ওর কোলে বসিয়ে ওকে বাঁধতে চেয়েছেন আপনি। ওই বাচ্চার মা কে আপনি জানেন কিন্তু তাই বলে একটা অবিবাহিতা মেয়েকে মা বানাবার চেষ্টা কোন সাহসে করলেন আপনি?’

    ‘আমি একবার মামণির সঙ্গে কথা বলতে চাই।’

    ‘মামণি?’ ভদ্রমহিলা অবাক।

    ‘আপনার মেয়েকে আমি ওই নামেই ডাকতাম।’

    ব্যঙ্গের হাসি হাসলেন ভদ্রমহিলা, ‘লোকে কন্যাসম মেয়েকে মামণি বলে ডাকে। আপনি দেখছি সত্যি ভয়ংকর। মামণি বলছেন আবার তার সঙ্গে এক ঘরে শুয়েছেন। আপনি প্রমাণ করতে পারবেন যে আমার মেয়ে এখনও কৌমার্য হারায়নি?’

    ‘আমি তাকে আশ্রয় দেওয়ার আগেই সেটা সে হারিয়েছিল।’

    ‘মিথ্যে কথা। সুপ্রভাতের মতো ছেলে কোটিতে গুটিক হয়। নইলে এতসব জেনেও সে আমাদের খবর পাঠাত না এখানে আসার জন্যে। একসঙ্গে ছেলেবেলায় খেলাধুলা করেছিল। সেই ভালোবাসা থেকে আজ ও উর্মিকে বিয়ে করতে চাইছে। আপনি চলে যান এখান থেকে। নইলে আমরা থানায় গিয়ে বলব যে আপনি উর্মিকে কিডন্যাপ করে এখানে নিয়ে এসে আটকে রেখেছিলেন।’ ভদ্রমহিলা দরজা বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন।

    ‘দাঁড়ান। ও যে শিশুকে গর্ভে ধারণ করেছিল, জন্ম দিয়েছে, তাকে অবলীলায় ফেলে যেতে পারে না। আপনি মেয়েকে নিয়ে যান। শিশুটি কি অপরাধ করল, ওকে কেন বঞ্চিত করবেন?’

    ‘মিথ্যে কথা। ওটা উর্মির বাচ্চা নয়। আপনি মিথ্যে বদনাম দিচ্ছেন।’

    ‘জলপাইগুড়ির হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ করলে এর প্রমাণ পাবেন।’

    ‘কি প্রমাণ পাব? ওখানে ওর নাম খাতায় লেখা আছে?’

    থতিয়ে গেলেন বনবিহারী। সেদিন চটজলদি কিছু মাথায় না আসায় মামণি নাম দিয়েছিলেন তিনি। ড্রাইভারের বোন বলে খাতায় লেখা হয়েছিল। একমাত্র সেই নার্স বা ডাক্তার যদি মনে করতে পারেন তাহলেই মামণিকে আইডেন্টিফাই করা সম্ভব হবে। কিন্তু সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠবে, মিথ্যে পরিচয় দিয়ে প্রসব করানোর জন্যে।

    ভদ্রমহিলা হাসলেন, ‘আপনি চলে যান। আর কখনও বিরক্ত করতে আসবেন না। মেয়েটাকে খাইয়ে পরিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন বলে আপনাকে ছেড়ে দিচ্ছি।’

    দরজা বন্ধ হয়ে গেল। হাঁটতে পারছিলেন না বনবিহারী। পা কাঁপছিল। তাঁকে ওই অবস্থায় এগিয়ে আসতে দেখে রিকশাওয়ালা দৌড়ে এসে হাত ধরল, ‘কি হয়েছে ডাক্তারবাবু?’

    ‘কিছু না।’

    রিকশায় উঠতে বেশ কষ্ট হল। ঘাম হচ্ছে সারা শরীরে। এত অপমানিত তিনি কখনও হননি। ভদ্রমহিলার সব অভিযোগ ঠিক। কোনও প্রমাণ তাঁর হাতে নেই। গঞ্জের কেউ বলবে না তাঁর বাড়িতে একটি যুবতী প্রসবের পর বাস করেছে। কেউ বাচ্চাকে দ্যাখেনি, দ্যাখেনি মামণিকে। একমাত্র কাজের লোক কালীচরণ আর পালবাবুর ড্রাইভার শম্ভু সাক্ষী দিতে পারে। কিন্তু সাক্ষী দিলে শম্ভু বিপদে পড়বে বলে মুখ বন্ধ করে থাকবে। কালীচরণের কথা কেউ শুনবে না, ভাববে বনবিহারী ওকে শিখিয়ে দিয়েছেন। রিকশাওয়ালাকে একশোটা টাকা দিলেন তিনি। সে বলল, ‘এত টাকার ভাংতি তো নেই।’

    ‘লাগবে না। রেখে দাও।’

    ভটভটিতে নদী পার হয়ে ওইটুকু পথকে যেন অন্তবিহীন বলে মনে হচ্ছিল তাঁর। সিঁড়িতে পা রাখতেই সন্তানের কান্না কানে এল। প্রচণ্ড জোরে কাঁদছে ছেলেটা। মাথা ঘুরে গেল বনবিহারীর। সিঁড়িতেই বসে পড়লেন তিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }