Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ২

    দুই

    পাথরটা একটু উঁচু। উঠতে কষ্ট হয় কিন্তু ওপরে উঠে এলে মনে হয় পৃথিবীটা আমার। পাথরের ওপরটা মসৃণ, দুটো মানুষ পাশাপাশি শুয়ে থাকতে পারে। আর একবার চিত হয়ে শুয়ে পড়লে আকাশটা নেমে আসে অনেক নীচে। তার নীলে ডানা মেলা চিলগুলোর পেট পরিষ্কার দেখা যায়। পাখিগুলোর কোনও ব্যস্ততা নেই। অলসভঙ্গিতে সাঁতার কেটে যাচ্ছে অথৈ নীলে। একটু পাশ ফিরলেই টিমলিং পাহাড়টাকে স্পষ্ট দেখা যাবে। সন্তান পাশ ফিরল। ঘন জঙ্গলে মোড়া পাহাড়ের শরীর। মাথাটা খাপছাড়া ভাবে শূন্যে উঠে গেছে। ওই পাহাড় নিয়ে কত গল্প ছড়িয়ে আছে। কালীচরণ বিশ্বাস করে গল্পগুলো।

    নতুন স্কুলে গিয়ে তার রেজাল্ট ভালো হয়েছে। ফাস্ট টার্মের রেজাল্ট দেখে বনবিহারী পর্যন্ত বলেছেন, ‘গুড। কিন্তু পরের বার বেটার করতে হবে।’

    সে হেসে বলেছিল, ‘তার পরের বার বেস্ট?’

    ‘সেটাই তো লক্ষ্য হওয়া উচিত।’

    ‘আমার একটা কথা খুব মনে হয়!’

    ‘বলে ফ্যালো।’

    ‘একই ইতিহাস, ভূগোল বই থেকে মুখস্থ করে আমরা সবাই পরীক্ষার খাতায় লিখছি। যার ভালো মনে থাকছে সে বেশি নম্বর পাচ্ছে, যার সেরকম থাকছে না সে কম পাচ্ছে। তাহলে পরীক্ষাটা হল স্মরণশক্তির ক্ষমতার, ওই বিষয়ের নয়!’

    ছেলেটির দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে ছিলেন বনবিহারী। ওর বয়সে এমন চিন্তা করার ক্ষমতা তাঁর ছিল না। তবু উত্তর দিতে হয় বলেই বলেছিলেন, ‘এটাই যখন সিস্টেম তখন তোমাদের মেনে চলতে হবে। নিয়মটা তো একদিনে চালু হয়নি। তোমার আগেও বছরের পর বছর ধরে ছাত্রছাত্রীরা এই পদ্ধতিতেই পড়াশুনা করেছে।’

    টিমলিং পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একটু ঘুম ঘুম ভাব চলে আসছিল। ঝিরঝিরে বাতাস বইছে। হঠাৎ চিৎকার কানে এল, ‘খোকন! খোকন!’

     

     

    ধড়মড়িয়ে উঠে বসল সে। কালীচরণ খুঁজতে এসেছে। কোনও দরকার নেই তবু একটু চোখের আড়াল হলেই এই টিলার কাছে চলে এসে হাঁকাহাঁকি করবেই। সে পাথরের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করল, ‘কী হয়েছে?’

    ‘আরে ব্বাপ! তুমি এই অত উঁচুতে উঠে গিয়েছ? বাবু জানলে খুব রেগে যাবে। নীচে নেমে এসো।’ কালীচরণ ভয়ার্ত গলায় বলল।

    ‘নামতে পারছি না!’

    ‘নামতে পারছি না মানে? উঠলে কী করে?’

    ‘ওঠার সময় বুঝতে পারিনি। তুমি এসে নামিয়ে নিয়ে যাও।’

    ‘সর্বনাশ! এখন কী হবে? লম্বা মই ছাড়া নামানো যাবে না যে।’

    ‘বেশ তো। একটা লম্বা মই নিয়ে এসো।’

     

     

    ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। আমি যতক্ষণ না ফিরছি ততক্ষণ তুমি ওখানেই বসে থাকো। নামার চেষ্টা কোরো না।’ বলেই কালীচরণ দৌড়ে চোখের আড়ালে চলে গেল। খুব মজা পেল সে। তারপর পাথরের খাঁজে খাঁজে পা রেখে নীচে নেমে এল স্বচ্ছন্দে। কালীচরণ তাকে খুব ভালোবাসে। খোকন নামটা ওরই দেওয়া। বনবিহারী ভুলেও তাকে খোকন বলে ডাকেন না। প্রয়োজন হলে গলা তুলে বলেন, সন্তান!

    এখানকার স্কুলে পড়ার সময় তার নাম নিয়ে তেমন সমস্যা হয়নি। সহপাঠীরা ডাকত সনু বলে, শিক্ষকরাও কেউ সন্তু কেউ বা সনু। কিন্তু বোর্ডিং স্কুলে গিয়ে প্রথম দিনেই ক্লাসটিচার প্রশ্ন করলেন, ‘তোমার নাম সন্তান?’

    সে উঠে দাঁড়িয়ে মাথা নেড়েছিল, ‘হ্যাঁ।’

    ‘কে রেখেছেন নামটা?’

    ‘আমার দাদু।’

     

     

    ‘আশ্চর্য! তিনি আর কোনও নাম খুঁজে পেলেন না!’ তারপর অন্য ছেলেদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘তোমরা কেউ কখনও কারও ভালো নাম মা অথবা বাবা, শুনেছ?’

    সঙ্গে সঙ্গে হাসির ফোয়ারা ছড়িয়ে গেল ক্লাসঘরে।

    ক্লাসটিচার বললেন, ‘ভাই বা বোন কারও ডাকনাম হতে পারে, আদর করে কেউ কেউ ডাকতেই পারে কিন্তু তোমরা ভাবো, কেউ যদি কোনও পাবলিক ফাংশনে মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বলে আমার নাম জ্যেঠা চক্রবর্তী তখন কী প্রতিক্রিয়া হবে?’

    আবার হাসি, টেবিলে তবলার আওয়াজ কিছুক্ষণ ধরে চলল।

    ক্লাসটিচার বললেন, ‘বসো।’

    ‘আমি একটা কথা জিজ্ঞাসা করতে পারি?’

     

     

    ‘নিশ্চয়ই।’

    ‘বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘আনন্দমঠ’ বইতে যে দেশপ্রেমিক দলের কথা তিনি বলেছেন তার নাম ‘সন্তানদল’। নামটা তো বঙ্কিমচন্দ্র রেখেছিলেন। তাঁকে তো ‘সাহিত্যসম্রাট’ বলা হয়ে থাকে।’ সে মানুষটার দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলল।

    ক্লাসটিচারের মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল তিনি এরকম কথা আশা করেননি। তাঁর মুখে নীরবে অনেকরকম ভাব ফুটে উঠছিল। ক্লাসের ছেলেরা স্তব্ধ হয়ে বসে আছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাসটিচার মুখ খুললেন, ‘তুমি আনন্দমঠ পড়েছ?

    মাথা নেড়েছিল সন্তান, ‘হ্যাঁ। দাদু পড়তে বলেছিলেন।’

    ক্লাসটিচার আর কিছু বলেননি। কিন্তু পরের ক্লাসগুলোয় যেসব টিচার এসেছেন তাঁরা প্রথমেই জানতে চেয়েছিলেন, ‘তোমাদের মধ্যে সন্তান কার নাম?’

    সে উঠে দাঁড়িয়েছিল। ভালো করে দেখে নিয়ে টিচার বলেছিলেন, ‘বসো।’

     

     

    দূর থেকেই দেখতে পেল সে। কালীচরণ এবং আর একজন লোক একটা লম্বা কাঠের মই বয়ে নিয়ে দ্রুত আসার চেষ্টা করছে। একবার ভাবল সে, আড়ালে চলে যাবে। টিলাতে তাকে না পেয়ে খুব ঘাবড়ে যাবে কালীচরণ। কিন্তু ভাবনাটা কাজ করার আগেই কালীচরণ তাকে দেখতে পেয়ে গেল। মইটাকে রাস্তার ওপর রেখে প্রায় দৌড়ে এল কাছে, ‘তুমি একা একা নেমে এসেছ?’

    ‘দেখতেই তো পাচ্ছ!’ সে হাসল।

    ‘কী ডাকাত ছেলে রে বাবা! যদি পড়ে গিয়ে মাথা ভাঙত?’

    ‘তাহলে দাদুর কাছে নিয়ে যেতে।’

    ‘আমি, আমি এই কথাটা তাঁকে বলব। একা মই নিয়ে আসতে পারব না বলে ওই লোকটাকে পাঁচ টাকা দিয়ে ভাড়া করেছি। কে দেবে টাকা?’

     

     

    ‘যে ভাড়া করেছে সে দেবে। আমি কি বলেছিলাম লোক ভাড়া করতে?’

    কালীচরণ আর দাঁড়াল না। গম্ভীর মুখে মই নিয়ে লোকটার সঙ্গে ফিরে গেল।

    বাঁ-দিকের জঙ্গুলে পথটা ধরে খানিকটা হাঁটলেই পিচের রাস্তা পাওয়া যায়। নীচ থেকে ওই রাস্তা ধরেই বাস বা টাক যাতায়াত করে। সে পিচের রাস্তার পাশে এসে দাঁড়াল। মাঝে মাঝেই হুসহাস শব্দে গাড়ি বেরিয়ে যাচ্ছে।

    ‘অ্যাই সনু!’

    চিৎকারটা কানে আসতেই মুখ ফিরিয়ে সাইকেল দুটোকে দেখতে পেল সে। বছরদুয়েক আগে ওরা তার সহপাঠী ছিল। সে বোর্ডিং স্কুলে চলে গেলেও ওরা এখানকার স্কুলেই পড়ছে। দুটো সাইকেলে চারজন ওর সামনে এসে থামল।

    মৃণাল বলল, ‘তোর ব্যাপার কী বল তো? নামি স্কুলে পড়ছিস বলে আমাদের ত্যাগ করেছিস?’

    ‘ভ্যাট। বাজে কথা বলিস না।’

     

     

    ‘বাজে কথা? তুই যে এসেছিস তা আমরা জানিই না। চৌমাথার দিকে একবারও গিয়েছিস? তুই তো আগে এরকম ছিলি না।’ নিতাই বলল।

    ‘ঠিক আছে, মানছি অন্যায় হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তোরা কোথায় যাচ্ছিস?’

    ভোম্বল বলল, ‘সিগারেট খেতে।’

    ‘অ্যাঁ?’ অবাক হয়ে গেল সে।

    ‘চমকাবার কিছু নেই। আমরা রোজ একটা সিগারেট চারজনে খাই।’

    ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।’

    ‘তাহলে বিক্রি হয় কেন?’ মৃণাল জিজ্ঞাসা করল।

     

     

    ‘যে কোম্পানিগুলো সিগারেট তৈরি করে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন?’ চঞ্চল বলল, ‘কোটি কোটি টাকা সরকার তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স নেয় কেন?’

    নিতাই বলল, ‘প্যাকেটে লেখা হচ্ছে টোবাকো কজেস ক্যানসার। সিগারেটের দোকানগুলো বন্ধ করে দিলে পাবলিক আর সিগারেট কিনে খেতে পারবে না, ক্যানসারও হবে না। ওসব জ্ঞান দিস না।’

    ‘এদিকে কেন এলি?’ সে জিজ্ঞাসা করল।

    ‘চেনা পাবলিক এদিকে আসবে না। জঙ্গল-টঙ্গল আছে। আড়াল পাওয়া যাবে। তুই শেয়ার করবি?’ নিতাই জিজ্ঞাসা করল।

    ‘নো।’

    ‘গুড বয়।’

     

     

    সাইকেল দুটো পিচের রাস্তা ছেড়ে জঙ্গলের পথে ঢুকে গেল।

    তার মনে হল ওদের কথায় যুক্তি আছে। সিগারেট খাওয়া যদি এত ভয়ংকর হয় তাহলে সরকার দোকানদারদের বিক্রি করা আটকাচ্ছে না কেন? এটা তো খুব অন্যায় কথা।

    এই সময় বাসটা নীচের পথ ধরে ওপরে উঠে এল। বেশ ভিড় বাসে। কনডাক্টার চেঁচাচ্ছে জায়গায় নাম ধরে। বাস চলে গেলে সে দেখতে পেল

    কয়েকজন দেহাতি মানুষের সঙ্গে এক মধ্যবয়সি মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। মানুষটির পরনে পাজামা এবং হ্যান্ডলুমের পাঞ্জাবি, দুটোই বেশ ময়লাটে। এক হাতে ব্যাগ অন্যহাতে সতরঞ্চিতে জড়ানো বেডিং গোছের কিছু। মানুষটি এপাশ-ওপাশে তাকাচ্ছিলেন। তারপর দেহাতি মানুষদের কিছু জিজ্ঞাসা করলে তাদের একজন হাত তুলে বাসটা যেদিকে চলে গেল সেদিকটা দেখিয়ে দিয়ে পেছনের জঙ্গলের রাস্তায় ঢুকে পড়ল।

    সে দেখল মানুষটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে একা একাই হাসছেন। তার মনে হল মানুষটি যদি পাগল না হয় তাহলে নিশ্চয়ই বেশ মজার লোক হবে। সে আর একটু এগিয়ে যেতেই মানুষটির নজরে পড়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে হাত নেড়ে তিনি ডাকলেন।

     

     

    কাছে এগিয়ে যেতেই মানুষটি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এই জায়গা তোমার সাম্রাজ্য?’

    অর্থ বুঝতে না পেরে তার চোখ ছোট হল।

    হেসে ফেললেন তিনি, ‘বোঝাতে পারিনি, এ আমারই অক্ষমতা। তুমি কি এখানেই থাকো? এই জঙ্গুলে এলাকায়?’

    ‘আর একটু ওপাশে। কেন?’

    ‘বাসের কনডাক্টার এমন গলায় চেঁচাল যে ঝটপট নেমে পড়েছি, ভাবলাম এসেই গিয়েছি। আসলে আমার নামা উচিত ছিল শহরের মাঝখানে।’

    হেসে ফেলল সে। জিজ্ঞাসা করল, ‘ঘুমাচ্ছিলেন?’

    ‘একদম ঠিক। ঘুমের ঘোরে ওর চিৎকার শুনে দুদ্দাড় করে নেমে পড়েছি। আচ্ছা, শহর এখান থেকে খুব দূর কি?’

     

     

    মাথা নাড়ল সে, ‘হেঁটে গেলে কুড়ি-পঁচিশ মিনিটে পৌঁছে যাবেন।’

    ‘বাব্বা। পরের বাসেই না হয় যাব।’

    ‘খুব দেরি করে বাস আসে। দুই-আড়াই ঘণ্টা পরপর।’

    ‘তাহলে তো সমস্যায় পড়লাম। তুমি কি এখানকার স্কুলে পড়ো?’

    ‘পড়তাম, এখন পড়ি না।’

    ‘সেকী! পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছ?’

    হেসে ফেলল সে, ‘না। নীচের বড় স্কুলে ভরতি হয়েছি। বোর্ডিং স্কুল। এখন ছুটি বলে বাড়িতে এসেছি।’

    ‘তাই বলো। তোমার বাড়ি এদিকে?’

    ‘হ্যাঁ। চলুন, ওখান থেকে রিকশা পেয়ে যাবেন।’

    ‘গুড। চলো।’

    হাঁটা শুরু করেই মানুষটি বলল, ‘জায়গাটা বেশ ভালো।’

    ‘গরমকাল আর শীতকালে এলে এ কথা বলতেন না।’

    ‘কেন?’

    ‘এত গরম আর এত ঠান্ডা যে কেউ ঘরের বাইরে যায় না।’ সে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি এখানে কার কাছে এসেছেন?’

    ‘ঠিক কারও কাছে আসিনি। এখানকার স্কুলের হেডমাস্টারমশাই আর সেক্রেটারির সঙ্গে প্রথমে দেখা করব। অনেক অপেক্ষা করার পরে শেষ পর্যন্ত আমি যে চাকরিটা পেয়েছি তা করতে হবে এখানকার স্কুলে।’

    ‘ও, আপনি টিচার?’ সে ভালো করে তাকাল। নিশ্চয়ই অনেক দূর থেকে আসছেন তাই পোশাক ময়লা হয়ে গেছে। তার মনে পড়ল এখানকার স্কুলের সেক্রেটারি নোংরা বা ময়লা পোশাক একদম পছন্দ করেন না। মাঝে মাঝেই স্কুলের প্রেয়ারে গিয়ে হাজির হয়ে দেখেন, ছেলেমেয়েরা তো বটেই টিচাররা পরিষ্কার জামাকাপড় পরে এসেছেন কিনা। মানুষটাকে কথাটা বলা দরকার।

    ‘তোমার নাম জানা হয়নি। আমার নাম সুজয় সেনগুপ্ত।’

    নিজের নাম বলল সে। শুনেই দাঁড়িয়ে গেল মানুষটা, ‘এই নাম কে রেখেছে?’

    ‘আমার দাদু।’

    ‘আচ্ছা! তিনি জীবিত আছেন?’

    ‘হ্যাঁ। এখনও ডাক্তারি করেন।’

    ‘ভদ্রলোকের সঙ্গে আলাপ করার ইচ্ছে হচ্ছে।’

    ‘আপনি চৌমাথায় গিয়ে যাকে বলবেন সেই ডাক্তার বনবিহারীর চেম্বার দেখিয়ে দেবে।’ বলেই সে হাত বাড়াল, ‘আপনার ব্যাগটা আমাকে দেবেন?’

    ‘কোন দুঃখে?’

    ‘মানে?’

    ‘তোমাকে আমি চিনি না জানি না। অচেনা জায়গা। ব্যাগটা নিয়ে যদি তুমি সটকে পড়ো তাহলে তো আমি বিপদে পড়ব।’

    ‘আমি সেরকম ছেলে নই।’

    ‘তা হবে। কিন্তু এই দুটো বোঝা বইতে আমার কষ্ট হচ্ছে না।’

    এই সময় পেছনে সাইকেলের ঘণ্টা বাজল। সে দেখল ওরা ফিরে আসছে। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ভোম্বল বলে গেল, ‘গুডি বয়।’

    ওরা চলে গেলে সুজয় জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার বন্ধু?’

    ‘আমরা একসঙ্গে পড়তাম।’

    ‘মনে হচ্ছে ওরা ঠাট্টা করে তোমায় গুডি বয় বলল।’

    ‘হুঁ। ওরা সিগারেট খেতে গিয়েছিল। আমি রাজি হইনি, তাই।’

    ‘তাহলে তুমি ওই জঙ্গলে একা একা কী করছিলে?’

    ‘একা পাথরের ওপর শুয়ে আকাশ দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।’

    ‘ভয় পাও না?’

    ‘কীসের ভয়! ভয় করলেই ভয়, নইলে কিছুই নয়।’

    ‘শুধু আকাশ দ্যাখো?’

    ‘না। ওই টিমলিং পাহাড়টাকেও দেখি।’

    ‘ওই পাহাড়ের নাম টিমলিং?’

    ‘খোকন!’ চিৎকারটা ভেসে এল। সে দেখল বাড়ির সামনে কোমরে হাত রেখে কালীচরণ দাঁড়িয়ে আছে।

    সে জানতে চাইল, ‘কী বলছ?’

    ‘এবার দয়া করে বাড়িতে চলে এসো।’

    ‘তোমার ডাকনাম খোকন?’ সুজয় জিজ্ঞাসা করল।

    ‘শুধু কালীচরণদা ওই নামে ডাকে। একটা কথা বলব?’

    সুজয় তাকাল। সে বলল, ‘আপনি আমাদের বাড়িতে গিয়ে পোশাক পালটে নিন।’

    নিজের পাজামা-পাঞ্জাবিটির দিকে তাকাল সুজয়। একটু বিব্রত হয়ে বলল, ‘খুব ময়লা হয়ে গেছে, তাই তো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কিছু হবে না। ওদের সঙ্গে দেখা করে থাকার জায়গা পেয়ে গেলে স্নান করার সময় বদলে নেব। আমার তো আর একজোড়া পাঞ্জাবি-পাজামা আছে। এ দুটো কেচে শুকোতে না দিলে সমস্যা হয়ে যাবে।’ সুজয় হাসল।

    ‘স্কুলের সেক্রেটারি ময়লা জামা একদম পছন্দ করেন না। খুব রেগে যান।’

    ‘বলছ?’

    ‘হ্যাঁ। আসুন।’

    কালীচরণ অবাক হয়ে দেখল ছেলেটা একজন অচেনা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আসছে। পাজামা-পাঞ্জাবির হাল দেখে তার মনে হল লোকটা এক ধরনের ভবঘুরে। অবশ্য ভবঘুরেদের সঙ্গে ব্যাগ-বেডিং থাকে না।

    সামনে এসে সে বলল, ‘ইনি এখানকার স্কুলে মাস্টারমশাইয়ের চাকরি পেয়ে এসেছেন। দূর থেকে আসতে হয়েছে বলে জামাকাপড় ময়লা হয়ে গেছে। ওগুলো ছেড়ে ভালো জামাকাপড় পরে না নিলে সেক্রেটারি হয়তো চাকরি করতে দেবেনই না। আসুন আপনি!’

    ‘ইনি?’ সুজয় কালীচরণের দিকে তাকাল। কালীচরণ তখন গভীর সংশয়ে।

    কালীচরণদাদা এ-বাড়ির সব। দাদুও ওঁকে কিছু বলেন না।’

    ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। বাইরের ঘরে গিয়ে যা করবার করে নিন।’ বেশ বিরক্ত হয়ে কথাগুলো বলল কালীচরণ।

    সুজয় মাথা নেড়ে বাইরের ঘরে ঢুকে গেলে সে চাপা গলায় বলল, ‘তুমি ওভাবে বললে কেন?’

    ‘কেন বলব না? চিনি না জানি না একটা উটকো লোককে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে এলে। কতরকম বদমতলব থাকতে পারে লোকটার।’ কালীচরণ বলল।

    ‘তোমার মন ভালো না বলে সবাইকে খারাপ ভাবো।’

    ‘অ। এখন যদি আমি ওকে চা-বিস্কুট দিই তাহলে খুশি হবে?’

    ‘নিশ্চয়ই। অতিথিদের তো তাই দেওয়া উচিত।’

    ‘বেশ দিচ্ছি।’

    আধঘণ্টা বাদে সুজয় যখন পরিপাটি হয়ে বের হল তখন তার চেহারা বদলে গিয়েছে। ইতিমধ্যে তার ময়লা পাজামা-পাঞ্জাবি কেচে নিয়েছে। কালীচরণ শুধু চা-বিস্কুট দেয়নি, ভেজা পোশাক নেওয়ার জন্যে একটা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগও দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাস্তা থেকে রিকশা ডেকে আনল নিজে থেকেই। রিকশায় বসে সুজয় বলল, ‘সন্তান, খুব তাড়াতাড়ি দেখা হবে।’

    রিকশা চলে গেলে সে কালীচরণের সামনে গিয়ে দাঁড়াল, ‘তুমি আর খোকন বলবে না।’

    কালীচরণ অবাক, ‘কেন?’

    ‘লক্ষ লক্ষ ছেলের নাম খোকন, কিন্তু সন্তান শুধু আমারই নাম। তাই।’ বলে ভেতরে চলে গেল সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }