Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ৮

    আট

    খবরটা শুনে খুব খুশি হয়ে তড়িঘড়ি সেক্রেটারির বাড়িতে চলে এল সদানন্দ। ভদ্রলোক তখন টেলিফোনে কথা বলছিলেন। কথা শেষ হওয়া মাত্র সদানন্দ মুখ খুলল, ‘তাহলে ওঁদের এখানে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করি?’

    সেক্রেটারি প্রথমে বুঝতে পারেননি। তাঁকে তাকিয়ে থাকতে দেখে সদানন্দ বলল, ‘শুনলাম আপনি নতুন মাস্টারকে এই বাড়িতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন!’

    মনে পড়ল সেক্রেটারির, ‘ও, হ্যাঁ। তাই ভেবেছিলাম। কিন্তু মুশকিলে পড়ে গিয়েছি ভাই। এইমাত্র ফোন এল, আমার স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমাকে এখনই যেতে হবে নীচে। আমি না থাকলে ওকে এখানে নিয়ে আসা ভুল হবে।’

    সদানন্দর মুখ শুকিয়ে গেল। মুখে বলল, ‘তা অবশ্য—!’

    সেক্রেটারি বললেন, ‘আমি বুঝতে পারছি ওখানে সবারই অসুবিধে হচ্ছে। তখন হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়াই উচিত ছিল। দেখি, কী করা যায়!’

    ‘আপনি তো এখনই চলে যাবেন!’

    ‘ডাক্তারবাবু নিশ্চয়ই এতক্ষণে চেম্বারে এসে গিয়েছেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলেই যাব।’

    সেক্রেটারি চেম্বারে আসার আগেই সদানন্দ ডাক্তার বনবিহারীকে রাস্তাতেই ধরল, ‘শুনেছেন? সেক্রেটারির স্ত্রী ভয়ংকর অসুস্থ। উনি এখনই নীচে চলে যাচ্ছেন।’

    ‘আহা! কী হয়েছে?’ বনবিহারী দাঁড়ালেন। সদানন্দ হাত ওলটালো, ‘তা জানি না। তাতে আমার বিপদ বাড়ল।’

    ‘তার মানে?’

    ‘শুনেছিলাম নতুন মাস্টারকে সেক্রেটারির বাড়িতে নিয়ে আসা হবে। উনি না থাকলে, সেটা চলে গেল বিশ বাঁও জলে।’ সদানন্দ হতাশা চেপে রাখল না।

    ‘খুব অসুবিধে হচ্ছে?’

    ‘হবে না? একজনের থাকার ব্যবস্থা, সেই জায়গায় দুজন থাকছে। তাও মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু দু-বেলা রুগির পথ্য তৈরি করতে করতে আমার বউয়ের হাড়ে যে দুব্বো গজিয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া আর একটা কথা, স্কুলের নতুন মাস্টার অসুস্থ হয়েছেন, ভাড়াটে হিসেবে আছেন, এটা একররকম। তাঁর ওপর আস্থা রাখা যায়। কিন্তু একটা দামড়া লোক নাকের ডগায় বসে আছে চব্বিশ ঘণ্টা, বাড়িতে সোমত্থ মেয়েছেলে, বুঝতেই পারছেন, ব্যবসা ছেড়ে চব্বিশ ঘণ্টা পাহারা দিতে তো পারি না!’

    ‘আপনি কি আপনার স্ত্রীর কথা বলছেন?’ বনবিহারী অবাক গলায় জিজ্ঞাসা করেন।

    ‘আজ্ঞে।’ মাথা নাড়ল সদানন্দ, ‘বড় চঞ্চলা ওর মতি।’

    বনবিহারী গম্ভীর হলেন। আর কথা বাড়ালেন না।

    সেক্রেটারি যখন তাঁর চেম্বারে এলেন তখন রোগীর ভিড় বেড়ে গেছে। তাদের অপেক্ষায় রেখে রাস্তায় নেমে এলেন বনবিহারী। সেক্রেটারি সংক্ষেপে তাঁর সমস্যার কথা বলে বললেন, ‘সদানন্দ যেভাবে আপত্তি করছে তাতে ওর বাড়িতে নতুন মাস্টারকে রেখে দেওয়া উচিত হবে না। এখন যে অবস্থা তা হাসপাতালে ভরতি করার কেস নয়। আমার সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আপনি কি দয়া করে ওকে আপনার বাড়িতে রাখতে পারবেন? আপনার বাড়িতে তো কোনও মহিলা নেই, কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।’

    হাসলেন বনবিহারী, ‘স্বচ্ছন্দে থাকতে পারে। কালীচরণ দেখাশোনা করবে। তা ছাড়া পরিমলবাবুও আছেন।’

    নীচে চলে যাওয়ার আগে সেক্রেটারির গাড়ি সদানন্দর বাড়ি থেকে নতুন মাস্টার এবং পরিমলকে ডাক্তারবাবুর বাড়িতে পৌঁছে দিল। সন্তান তখন নিজের ঘরে পড়ছিল। গাড়ির আওয়াজ শুনে ছুটে বাইরে এসে প্রথমে দেখল পরিমলকে। অচেনা মানুষকে গাড়ি থেকে নামতে দেখে সে অবাক হল। সেক্রেটারির গাড়ির ড্রাইভার সন্তানকে জানাল, ‘স্কুলের নতুন মাস্টারের শরীর খুব খারাপ। তাই ডাক্তারবাবু নিজের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করবেন। উনি ভালো করে হাঁটতে পারছেন না। বাড়ির লোককে বলো বিছানা করে দিতে।’

    ততক্ষণে গাড়ির কাছে গিয়ে নতুন মাস্টারকে দেখতে পেয়ে গেছে সন্তান। পেছনের সিটে মাথা হেলিয়ে দিয়ে পড়ে আছেন। যে মানুষটাকে সে বাস থেকে নামতে দেখেছিল, এই বাড়িতে এনেছিল, তার সঙ্গে মিল খুব কম। পরিমল জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার নাম কী?’

    ‘সন্তান।’

    ‘আচ্ছা! অদ্ভুত নাম তো। গুড। বাড়িতে আর কে কে আছেন?’

    এই সময় কালীচরণ বেরিয়ে এল। সব শুনে নতুন মাস্টারকে দেখে সে চিনতে পারল। একটু দ্বিধা তার ছিল কিন্তু সেক্রেটারির ড্রাইভারের কথা তো অবিশ্বাস করা যায় না। পরিমলের সঙ্গে ধরাধরি করে সে নতুন মাস্টারকে যে ঘরে নিয়ে এল সেটা ইদানীং ব্যবহার করা হয় না। বিছানায় শুইয়ে দিয়ে কালীচরণ জিজ্ঞাসা করল, ‘ডাক্তারবাবু কখন আসবেন?’

    পরিমল জবাব দিল, ‘আমি জানি না ভাই। হঠাৎ ওই গাড়ির ড্রাইভার গিয়ে বলল, আমাদের এই বাড়িতে আসতে হবে। যেখানে ছিলাম সেই বাড়ির ভদ্রলোকের নিশ্চয়ই অসুবিধে হচ্ছিল। এখানে আর কে কে আছেন?’

    সন্তান বলল, ‘আমরা তিনজন। আর কেউ নেই।’

    ডাক্তার বনবিহারী আজ তাড়াতাড়ি চেম্বার থেকে ফিরলেন। নতুন মাস্টারকে পরীক্ষা করে তাকে কীরকম খাবার দেওয়া হবে তা কালীচরণকে বুঝিয়ে দিলেন।

    পরিমল জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনার কি মনে হয় দিন দশেকের মধ্যে ও সুস্থ হবে?’

    ‘হওয়া উচিত। তবে তারপরে কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে স্কুলে যাওয়া উচিত।’

    পরিমল বলল, ‘আমি একটু সমস্যায় পড়ে গেছি। ওর কাছে দুদিন থেকে চলে যাব ভেবে এসেছিলাম। ওর অসুখ দেখে যেতেও পারছি না, অথচ যাওয়া দরকার। কাজকর্ম আছে।’

    ‘আপনি কী কাজ করেন?’ ডাক্তার বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘একটা এনজিওর সঙ্গে আছি। দুমকা অঞ্চলে।’

    ‘ও। আপনার প্রয়োজন বেশি বোধ করলে চলে যেতে পারেন। আমার এখানে ওর কোনও অসুবিধে হবে না। আমি আছি, কালীচরণও থাকবে।’

    সন্তান বলল, ‘আমিও।’

    হাসলেন ডাক্তার বনবিহারী, ‘তুমি তো স্কুল খুললেই চলে যাবে।’

    পরদিন সকালে ডাক্তার বনবিহারী বেরিয়ে গেলে প্রাতঃরাশ শেষ করে কথা বলল সুজয়। গলার স্বর খুব দুর্বল। রক্তশূন্য মুখে হাসির চেষ্টা করল সে, ‘আবার তোমাদের বাড়িতে এলাম।’

    সন্তান পাশের চেয়ারে বসেছিল। পরিমল কিছু কিনতে বেরিয়েছে। সন্তান বলল, ‘এখন আপনার শরীর কেমন লাগছে?’

    ‘অনেকটা ভালো। মনে হচ্ছে এবার মরব না।’

    ‘যাঃ। দাদু বলেছেন আপনি দশদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যাবেন।’

    ‘তোমার দাদুর জন্যেই আমি বেঁচে গেলাম।’ শ্বাস ফেলল সুজয়।

    ‘আপনি আর কথা বলবেন না।’

    ‘ঠিক আছে। কিন্তু একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। তোমাকে কি বিশ্বাস করতে পারি?’

    সন্তান অবাক হয়ে তাকাল। আজ পর্যন্ত এরকম প্রশ্ন কেউ তাকে করেনি। সে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল নীরবে। তারপর জোর দেওয়ার জন্যে মুখে বলল, ‘পারেন।’

    ‘পরিমলদা চলে যাবেন। যাওয়ার আগে উনি কয়েকটা বই আমাকে দেবেন। তুমি ওই বইগুলো যত্ন করে রেখে দেবে? আর বইগুলো যেন কেউ না দেখে!’ সুজয় বলল।

    ‘কী বই? গল্পের বই?’ সন্তান আগ্রহী হল।

    ফ্যাকাশে হাসি হাসল সুজয়, ‘না গল্প নয়, জীবনের কথা।’

    ‘বেশ। রেখে দেব।’ সন্তান মাথা নাড়ল।

    ‘আর কাউকে দেখিও না।’

    ‘ঠিক আছে।’

    এটুকু কথা বলতেই হাঁপিয়ে উঠেছিল সুজয়। সে চোখ বন্ধ করলে সন্তান বেরিয়ে এল ঘর থেকে।

    সুজয়ের কথাটা তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। গল্পের বই নয়, জীবনের কথা। জীবনের কথা যে বইতে লেখা থাকে তা কীরকম বই? কেন সেই বই কাউকে দেখাতে নিষেধ করলেন উনি? ক্লাস টিচারের কথা মনে পড়ল। তিনি বলেছেন, ‘বই মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু। তোমাদের ইচ্ছে হলে যে-কোনও বই পড়তে পারো। তবে সব বই পড়ে হয়তো তোমরা ঠিক বুঝতে পারবে না। বোঝার জন্যে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পড়াশুনার অভিজ্ঞতা থাকা দরকার।’

    পরিমলের ব্যস্ততা যেন হঠাৎ বেড়ে গেল। বাজার থেকে ফিরে এসে সুজয়ের সঙ্গে কথা বলে সে ঘোষণা করল চলে যাওয়ার কথা। দুপুরে খেতে এসেছিলেন ডাক্তার বনবিহারী। খাওয়ার টেবিলেই তিনি জানতে পারলেন। জিজ্ঞাসা করলেন, ‘খুব জরুরি কোনও কাজ পড়েছে?’

    ‘হ্যাঁ। আপনাদের পোস্ট অফিস থেকে ফোন করেছিলাম। জানলাম আমার এখনই যাওয়া দরকার।’ পরিমল খাবার চিবোতে চিবোতে বলল।

    ‘তাহলে তো যাওয়া উচিত। আপনি চিন্তা করবেন না, আপনার ভাইকে আমরা ঠিকঠাক রেখে দেব।’ ডাক্তার বনবিহারী বললেন।

    ‘আপনার এই বাড়িতে ফোন নেই, না?’

    ‘না। দরকার পড়ে না। সবাই জানে আমি সকালে আর সন্ধ্যায় কোথায় থাকি।’

    ‘তবু, মাঝরাতে যদি কারও দরকার হয়–।’

    ‘ছোট জায়গা তো। সাইকেলেই চলে আসে। কিন্তু যেতে হলে আপনার আজই যাওয়া উচিত। শুনলাম আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি নামবে। একবার নামলে কখন থামবে তা আগাম বলা যায় না। আপনি যেখানে থাকেন সেখানকার টেলিফোন নাম্বার দিয়ে গেলে তেমন কোনও খবর হলে আমি জানিয়ে দিতে পারি।’

    ‘টেলিফোনের জন্যে অ্যাপ্লাই করা হয়েছে। পেলেই জানিয়ে দেব।’

    সন্তানের মনে হচ্ছিল পরিমল কথা বলছে বলতে হয় বলে। কোথাও যেন ফাঁক থেকে যাচ্ছে। মন থেকে যে বলছে না তা বোঝাই যাচ্ছে।

    দুপুরের খাওয়ার পর ডাক্তার বনবিহারী একটু বালিশে মাথা রাখেন। কালীচরণ তখন রান্নাঘরের পাট চুকোতে ব্যস্ত। কৌতূহলী সন্তান সুজয়ের কাছে যেতেই ওরা কথা বন্ধ করল। তাকে দেখে পরিমল হাসল, ‘এসো। তোমাকে তো সুজয় বইয়ের কথা বলেছে।

    ‘হ্যাঁ!’ মাথা নাড়ল সন্তান।

    ‘যত্ন করে এমনভাবে রাখবে যাতে অন্য কেউ দেখতে না পায়। পরে যখন সুজয় ভালো হয়ে যাবে তখন এসে তোমার কাছ থেকে নিয়ে যাবে।’ পরিমল বলল।

    ‘আমার স্কুল খুলে গেলে কী হবে?’

    ‘আহা, তার পরও তো ছুটিতে আসবে। থাক না তোমার কাছে। ডাক্তারবাবুও যেন না দেখে।’ পরিমল তার ঝোলা থেকে একটা বড় প্যাকেট বের করে এগিয়ে ধরল, ‘নাও। বেশি নয়, পাঁচটা বই আছে।’

    হাতে নিল সন্তান, বলল, ‘বেশ ভারী।’

    ‘যে সব বইয়ে গভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকে সেগুলোর ওজন ভারী হয়। তা কোথায় রাখবে এই প্যাকেটটাকে, কিছু ভেবেছ? পরিমল সন্তানের কাঁধে হাত রাখল।

    ‘আমার আলমারিতে।’

    ‘সেখানে কেউ হাত দেয় না?’

    ‘না।’ মাথা নাড়ল সন্তান।

    বিকেলের আগের বাস ধরে চলে গেল পরিমল। যাওয়ার আগে দরজা বন্ধ করে কিছুক্ষণ কথা বলেছিল সুজয়ের সঙ্গে। ডাক্তার বনবিহারী তখনও বিছানায় ছিলেন। পরিমল সন্তানকে বলেছিল, ‘ওঁকে বিরক্ত করার দরকার নেই, আমি পরে যোগাযোগ করব।’

    বাড়ির সামনের হাইওয়ে থেকে বাস ধরেছিল পরিমল। সন্তানের কেবলই মনে হচ্ছিল যে লোকটা গাড়ি থেকে নেমে এ বাড়িতে ঢুকেছিল তার আচরণের সঙ্গে এই চলে যাওয়া মানুষটার কোনও মিল নেই।

    দুদিন বাদে, সম্ভবত কালীচরণের পথ্য খেয়ে কিছুটা চাঙ্গা হয়ে উঠল সুজয়। সন্তানের পড়াশুনার বাইরের সময়টায় সে গল্প করতে চাইত। সুজয়ের কথা শুনতে বেশ ভালো লাগত সন্তানের। যেমন, সুজয় তাকে বোঝাল, ‘প্রকৃতি মানুষ সৃষ্টি করলেন। বিভিন্ন প্রাচীন গ্রন্থে বলা হয়েছে আগে পুরুষের জন্ম হয়েছিল। তারপর নারী।’

    সঙ্গে-সঙ্গে সন্তান বলেছিল, ‘হ্যাঁ। ঈশ্বর প্রথমে আদমকে সৃষ্টি করেন। তারপর আদম একা বলে ইভকে তৈরি করেন।’

    মাথা নেড়েছিল সুজয়, ‘তাই লেখা হয়েছে। কিন্তু প্রথম যখন জলে অ্যামিবার জন্ম হল তখন কি কেউ বলেছিল ঈশ্বর অ্যামিবা সৃষ্টি করেছিলেন! মানুষের ঈশ্বরভাবনা হল একটা বিশ্বাস থেকে যা তাকে শক্তি যোগায়। যখন মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে, সামনে কোনও আশার আলো থাকে না অথবা সে ভাবে তার শক্তি খুব সীমিত তখন সে ঈশ্বরকে তৈরি করে তাঁর ওপর নির্ভর করলে মনে শক্তি পায়। একজন ঈশ্বর সেই অনন্তকাল থেকে এক নাগাড়ে কাজ করে যাচ্ছেন, কোটি কোটি মানুষের সমস্যা তাঁর কাছে পৌঁছাচ্ছে আর তিনি সমাধান করছেন? এরকম কি হয়? অ্যামিবা থেকে যেমন প্রাকৃতিক নিয়মে জলচর প্রাণী জন্মেছিল, বিবর্তনের নিয়ম মেনে যেমন বনমানুষ থেকে মানুষের জন্ম হয়েছিল তা তো বৈজ্ঞানিক সত্যি। সেই নিয়মে মানুষ জন্মাল। দুই জাতের মানুষ। একটি জাতের নাম পুরুষ জাত, অন্যটির নাম নারীজাত। এর বাইরে কোনও জাতের অস্তিত্ব থাকতে পারে না। যদি কেউ অন্য জাতের কথা বলে তাহলে জানবে তা মানুষই তৈরি করেছে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করার জন্যে।’

    ‘তাহলে হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান—?’ থেমে গেল সন্তান।

    ‘এগুলো মানুষের তৈরি। আবার দ্যাখো হিন্দুদের মধ্যে কিছু লোককে হরিজন বলে অবহেলা করা হয়েছে। তারা কেউ ব্রাহ্মণ, কেউ কায়স্থ, কেউ ক্ষত্রিয়, কেউ নীচু জাতের বলে চিহ্নিত করে সিডিউল কাস্ট বলা হয়েছে। মানুষের চৈতন্য যেদিন পরিষ্কার হবে সেদিন এসব ধুয়ে মুছে যাবে, তখন তারা স্বীকার করবে তাদের দুটো জাত, পুরুষ এবং স্ত্রী।’

    কথাগুলো খুব সত্যি বলে মনে হল সন্তানের।

    সুজয় হাসল, ‘এ তো মোদ্দা কথা। মানুষ পৃথিবীতে আসার পর থেকে আর একটা সমস্যা তৈরি হল। তুমি যদি ইতিহাস বই পড়ো তাহলে তোমাকে কাদের কথা পড়তে হবে?’

    ‘রাজা, বাদশাদের।’

    ‘অর্থাৎ যাদের হাতে ক্ষমতা ছিল তাদের কাহিনি। এই সব কাহিনিগুলো যাঁরা তখন লিখেছিলেন তাঁরা ক্ষমতা যাদের দখলে ছিল তাদের খুশি করতে লিখেছিলেন। না লিখলে মৃত্যু অবধারিত ছিল। ফলে ওই সব কাহিনিতে অনেক বানানো গল্প ছিল যা ক্ষমতাবানকে খুশি করতে লেখা হয়েছিল। ধরো, তুমি বাবরের ইতিহাস পড়ছ। তিনি কী কী করেছেন তা জানছ। কিন্তু তাঁর প্রজাদের কথা কিছুই জানতে পারছ না। সেইসব প্রজারা পেট ভরে খেতে পেত কিনা, তারা কি সুখী ছিল, না দুঃখী সেসব খবর কাহিনিগুলোতে খুঁজে পাবে না। শাজাহান তাজমহল তৈরি করিয়েছিলেন। বহু বছর ধরে তিল তিল করে ওই আশ্চর্য সুন্দর স্মৃতিসৌধ তৈরি হয়েছিল যা দেখতে এখনও মানুষ ছুটে যায়। আমরা ইতিহাস পড়ে শাজাহানের রুচির প্রশংসা করি, তাঁর স্ত্রীকে তিনি যে অত্যন্ত ভালোবাসতেন তা জেনে খুশি হই। কিন্তু ওই তাজমহল তৈরি করতে পরিশ্রমে, অভুক্ত হয়ে কত শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছিল তার খবর আমরা সেই কাহিনিতে পাই না। ওই সব শ্রমিকের চোখের জলের দাগ তাজমহল থেকে মুছে দিয়েছেন কাহিনিকাররা। তাই ইতিহাস হল রাজাবাদশার কাহিনি যেখানে সাধারণ মানুষের কোনও অস্তিত্ব নেই। ফলে দুটো শ্রেণি তৈরি হয়ে গেল। একটা শ্রেণি, যাদের সব আছে; আর একটা শ্রেণি যাদের কিছু নেই। সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই দুটো শ্রেণিতে মানুষ বেঁচে আছে। এই দুই শ্রেণিতেই মানুষের দুই জাত মিশে গেছে। হ্যাভ এবং হ্যাভ নট। পৃথিবীতে হ্যাভেদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। হ্যাভ নটরাই সংখ্যায় বহুগুণ বেশি। কিন্তু সংখ্যায় নগণ্য হয়েও শুধু অর্থের জোরে ক্ষমতা দখল করে রেখে হ্যাভেরা হ্যাভ নটদের ওপর লাঠি ঘুরিয়ে যাচ্ছে।’ সুজয় একটানা কথাগুলো বলে শ্বাস ফেলল।

    মন দিয়ে শুনছিল সন্তান। বলল, ‘যাদের নেই তারা যদি সংখ্যায় খুব বেশি হয় তাহলে তারা প্রতিবাদ করছে না কেন? কেন মুখ বুঁজে মেনে নিচ্ছে?’

    ‘কেন মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে এটা তোমাকে এখন বোঝালে তুমি পরিষ্কার বুঝতে পারবে না। তোমাকে চোখ-মন খোলা রেখে বুঝতে হবে।’ চোখ বন্ধ করল সুজয়। তাকে এখন বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। চুপচাপ সরে এল সন্তান।

    বারান্দায় গিয়ে সে আকাশের দিকে তাকাল। সুজয় এতক্ষণ ধরে যেসব কথা বলল তার সবটা সে বুঝতে পারেনি। স্ত্রী এবং পুরুষ জাতের ব্যাপারটা ঠিক আছে, পরের যে শ্রেণির কথা বলল সেটা সে অস্পষ্ট বুঝেছে। তার ওপর ভগবানের ব্যাপারটাও তার কাছে অভিনব। ভগবান, ঈশ্বর, দেবতা অথবা গড কিং বা আল্লা, কত নামে মানুষ তাঁকে ডাকে। কালীচরণ আবার হাতজোড় করে মা কালী মা কালী বলে। তার মুখে ভগবান বা ঈশ্বর শোনা যায় না। ওদিকের সেনগুপ্ত বাড়ির বুড়োদাদু গত বছর যখন মারা গেলেন তখন শ্মশানযাত্রীরা বল হরি, হরি বোল বলতে বলতে নিয়ে গিয়েছিল। কালীচরণ তাকে বুঝিয়েছিল ওরা ভগবান হরিকে ডাকতে ডাকতে নিয়ে যাচ্ছে যাতে তিনি শান্তি দেন। সে মেনে নিয়েছিল, ভগবানের আর এক নাম হরি। কিন্তু হরি বা কালী বলে কেউ ঈশ্বরকে ডাকে না। ওখানে সবাই গড বলে। গড ঈশ্বর এবং তার ছেলের নাম যিশাস। অথচ মা দুর্গা যিনিও নাকি ভগবান, তাঁর দুই ছেলে থাকলেও অন্য কোনও ভগবানের ছেলেমেয়ে আছে কিনা তা সন্তানের জানা নেই। কালীচরণ তাকে বুঝিয়েছে, সব ভগবানই নাকি একজন, মানুষ তাঁকে নানান নামে ডেকে থাকে।

    কিন্তু ডাক্তারদাদুর মুখে সে কখনওই ঈশ্বর বা ভগবানের কথা শোনেনি। কালীচরণের ঘরে গেলে দেখা যাবে দেওয়াল জোড়া ক্যালেন্ডারে ছাপা ভগবানের ছবি। কালীচরণ বলে, আমাদের দেশে তেত্রিশ কোটি দেবতা আছে। যে ক’জনের ছবি পেয়েছি, টাঙিয়েছি। অথচ ডাক্তারদাদুর ঘরে একটা দেবতার ছবিও টাঙানো নেই। তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল সে। তিনি বলেছিলেন, ‘সব জায়গায় যিনি আছেন, তাঁকে দেওয়ালে টাঙাতে যাব কেন?’

    কথাটার মানে পরিষ্কার হয়নি সন্তানের কাছে। এই তিনি কি একজন মানুষের চেহারাওয়ালা কেউ যাঁর শক্তি ও ক্ষমতার শেষ নেই? হোন বা না হোন এই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের প্রেয়ার শোনার জন্যে যত কান থাকা দরকার তাঁর তো থাকা সম্ভব নয়। পৃথিবী অন্য নক্ষত্র থেকে ছিটকে আসা একটি অগ্নিপিণ্ড। যা কোটি কোটি বছর ধরে ধীরে ধীরে শীতল হয়েছে। এখানকার যে আবহাওয়া ছিল তাতে পৃথিবীর বুকে জল জমেছে। আর সেই জল থেকে প্রাণের উৎপত্তি। সেইসময় ঈশ্বর কোথায় ছিলেন? তিনিও কি অন্য নক্ষত্র থেকে ছিটকে এখানে এসেছিলেন? কোনও গ্রহ-নক্ষত্রে তো মানুষের অস্তিত্ব নেই, তাই সেই ঈশ্বরও কখনও মানুষ দেখেননি তাহলে মানুষ তৈরির কথা ভাবলেন কী করে? ওসব কথা যদি মানতে হয় তাহলে ঈশ্বর তখন খুব একা ছিলেন।

    তারপরেই তার মনে হল ঈশ্বর বলে যদি কেউ থাকেন তাহলে তিনি অত্যন্ত ক্ষমতাবান, তাঁর সব আছে। তাঁর শ্রেণিতে কেউ পড়ে না। পৃথিবীর বাকি মানুষেরা, যারা তাঁকে বিপদে-আপদে ডাকাডাকি করে তারা অন্য শ্রেণি। সুজয় স্যার যে কথাটা বলল, যা সে ঠিক বুঝতে পারেনি তা এইভাবেও ভাবা চলে। ঈশ্বর হ্যাভের শ্রেণিতে আর পৃথিবীর সব মানুষ হ্যাভ নটদের শ্রেণিতে রাখাই উচিত হবে।

    বিকেলবেলায় স্কুলের দিদিমণিকে তাদের বাড়িতে আসতে দেখল সে। একটু আগে ডাক্তার বনবিহারী বেরিয়ে গেছেন চেম্বারের দিকে। সন্তান এগিয়ে গেল, ‘উনি বাড়িতে নেই।’

    ‘ও। কোথায় গেছেন?’ শিবানীর কপালে ভাঁজ পড়ল।

    ‘আজ বোধহয় একটু তাড়াতাড়ি চেম্বারে গেছেন।’

    হেসে ফেলল শিবানী, ‘ওহো! না। আমি ডাক্তারবাবুর কাছে আসিনি। আমাদের স্কুলের নতুন মাস্টারমশাই তো তোমাদের বাড়িতে আছেন, কেমন আছেন এখন?’

    ‘এখন আগের থেকে ভালো। অনেক কথা বলেছেন।’ সন্তান হাসল।

    শিবানী চারপাশে তাকাল। হঠাৎই, ঝোঁকের মাথায় চলে এসেছে সে। এখানে চাকরি করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়া মানুষটা আত্মীয়-বন্ধুবান্ধনহীন হয়ে রয়েছেন বলে দেখতে এসেছিল। তা ছাড়া উনি জয়েন করায় তার চাকরি চলে গেছে বলে ওঁর হয়তো খারাপ লাগতে পারে। তাই ওঁকে স্বস্তিতে রাখতে সে জানিয়ে দেবে খবরটা। উনি কাজ শুরু করলেও তাকে ছয়মাস এক্সট্রেনশন দেওয়া হয়েছে।

    ‘আপনি কি সুজয় স্যারের সঙ্গে দেখা করতে চান?’ সন্তান জিজ্ঞাসা করল।

    ‘ঠিক আছে, চলো।’

    জানলাগুলো বন্ধ করে ঘরে ধুনো দিচ্ছিল কালীচরণ। সুজয়ের ঘুম ভেঙে যেতে সে উঠে বসল, ‘এর মধ্যেই জানলা বন্ধ করলে ভাই?’

    ‘না করলে হু-হু করে মশা ঢুকবে। চড়ুইপাখির সাইজ ব্যাটাদের।’ কালীচরণ কথা শেষ করে দেখল দরজায় সন্তান আর এক মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। সে বেশ গম্ভীর গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি নন্দলালবাবুর মেয়ে না?’

    ‘আমি শিবানী।’ হাতজোড় করল শিবানী সুজয়ের দিকে তাকিয়ে, ‘কেমন আছেন?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }