Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ৪

    চার

    ছাতি মাথায় হাঁটছিলেন বনবিহারী। মাঝেমধ্যে একটা কি দুটো গাড়ি ছুটে যাচ্ছে হাইওয়ে দিয়ে। তাদের যাওয়ার সময় অনেকটা সরে দাঁড়াতে হচ্ছিল চাকা থেকে ছিটকে আসা কাদাজল থেকে বাঁচতে। এখন বৃষ্টি পড়ছে ঝিমিয়ে, ফেটে যাওয়া রেকর্ডে পিন ঘষে যাওয়ার মতো। পড়ছে তো পড়ছেই।

    এখন গঞ্জের রাস্তায় লোক নেই। একে দুপুরের শেষ তার ওপর বৃষ্টি। দূর থেকেই বনবিহারী দেখতে পেলেন তাঁর চেম্বারের দরজা অর্ধেক ভেজানো। তিনি দুপুরে বাড়িতে খেতে গেলে লোটনবাবু ওখানে দিবানিদ্রা দেন। মোড়ের চায়ের দোকানে কাজ করে ছোকরা। তার ওপর দায়িত্ব দোকান খোলার, পরিষ্কার রাখার। দুটো চাবির একটা বনবিহারীর পকেটে থাকে। বেশি রাত হয়ে গেলে লোটনকে পাওয়া যায় না। সে বড্ড ঘুমকাতুরে। তাই তালা বন্ধ করতে হয় বনবিহারীকেই।

    ছাতা মুড়ে দরজার পাশে রেখে ভেতরে ঢুকলেন বনবিহারী। লোটন ঘুমিয়ে আছে লম্বা বেঞ্চিতে। ঘরে ঘন ছায়া। তিনি দরজা ভালো করে খুলে দিলেন। তার আওয়াজে ধড়মড়িয়ে উঠে বসল লোটন, ‘এই বৃষ্টিতে এলেন?’

    ‘কেন? না এলে তোর ঘুমের সুবিধে হত?’

    উঠে দাঁড়াল লোটন, ‘সকাল থেকে মাত্র দুজন এসেছিল। আমি চায়ের দোকান থেকে চেঁচিয়ে বলেছি আপনি নেই।’

    ‘কারা? নিজের চেয়ারে বসলেন বনবিহারী।

    ‘একটা বুড়ো। পি ডব্লু ডি অফিসে কাজ করে। নাম জানি না। আর একটা ছেলে, কোনওদিন দেখেছি বলে মনে হচ্ছে না!’ লোটন বলল।

    ‘আশ্চর্য! সারাদিন চোখ বন্ধ করে থাকিস নাকি? এইটুকুনি জায়গা অথচ তুই কাউকে ভালো করে চিনিস না।’ বনবিহারী বিরক্ত।

    ‘আজ কখন বন্ধ করবেন?’

    ‘কেন?’

    ‘এই বৃষ্টিতে কেউ আসবে বলে মনে হয় না। আমি সন্ধের পরে এসে বন্ধ করে দেব।’ লোটন দরজায় গিয়ে বলল, ‘আপনার ছাতাটা নিয়ে যাচ্ছি।’

    বনবিহারী কিছু বলার আগে সে ছাতা মাথায় রাস্তায় নেমে পড়ল।

    হাসলেন বনবিহারী। ছেলেটিকে তিনি স্নেহ করেন। এই গঞ্জে আর কেউ ওর মতো তাঁর সঙ্গে কথা বলতে সাহস পায় না। জেনেশুনেই বনবিহারী ওকে প্রশ্রয় দেন।

    বৃষ্টি পড়েই চলেছে। বনবিহারী বৃষ্টি দেখতে-দেখতে অন্য ভাবনায় গেলেন। কুন্তীকে নিয়ে কি করা যায়? ব্যাপারটা সবাইকে বলা যাবে না। আর এইটেই তাঁকে পীড়িত করছে। মনে হচ্ছে জেনেশুনে তিনি একটা অপরাধ লুকিয়ে রাখছেন। কিন্তু আর কোনও পথ তো তাঁর সামনে খোলা নেই।

    কুন্তী কথা বলতে পারে না বটে কিন্তু লিখতে পারে। যেভাবে ও নিজের নাম লিখতে বলার সময় শম্ভুর দেওয়া নাম কুন্তী লিখেছিল সেই হাতের লেখা বলে মেয়েটা পড়াশুনা করেছে। ওর ওপর চাপ দিলে বাধ্য হবে নিজের সঠিক ঠিকানা লিখতে। কিন্তু এই চাপ দেওয়ার কাজটা করতে পারে পুলিশ। ওর বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় কোনও অভিযোগ আছে কিনা তিনি জানেন না বা থাকলে শুধু উগ্রপন্থীদের সঙ্গে ছিল এই অভিযোগে পুলিশ কতটা শাস্তি দিতে পারে তা তিনি জানেন না। কিন্তু যদি ওর বাবা-মায়ের ঠিকানা জানতে পারা যায় তাহলে শিশুটির একটা হিল্লে হয়ে যাবে। ঠিক জায়গায় পৌঁছে যাবে সে। সঙ্গে সঙ্গে আর একটা ভাবনা মাথায় এল। কুন্তীর বাবা-মা মেয়ের সম্পর্কে যদি খুব বিরূপ থাকেন তাহলে শিশুটিকে গ্রহণ নাও করতে পারেন। কুন্তীর সঙ্গে কারও বিয়ে হয়েছিল কিনা তাও তিনি জানেন না। উগ্রপন্থীদের সঙ্গে জঙ্গলে পাহাড়ে লুকিয়ে বেড়ানো মেয়েটির বিয়ে কীভাবে হল? তার সাক্ষী কে? থাকলেও এই মুহূর্তে তাদের কেউ বেঁচে নেই। প্রমাণ করার কোনও পথ নেই।

    শব্দ করে শ্বাস ফেললেন বনবিহারী। চোখ বন্ধ করলেন খানিক। যা হয় হবে, তিনি পুলিশকে পুরো ব্যাপারটা জানাবেন। অন্তত শিশুটির ভালোর জন্যে তাঁকে পুলিশের কাছে যেতে হবে। চোখ খুললেন তিনি। খুলতেই অবাক হলেন। দরজায় একটি তরুণ দাঁড়িয়ে আছে। ওর জামাপ্যান্টের অনেকটাই ভিজে চপচপ করছে, মাথার চুল নেতিয়ে আছে ভিজে।

    ‘কি ব্যাপার?’ তিনি জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘আপনি ডাক্তারবাবু?’

    ‘হ্যাঁ।’ বনবিহারী বললেন, ‘একদম ভিজে গেছেন ভাই। ছাতা নিয়ে বেরুবেন তো!’

    ‘ছাতা না থাকলে ভিজতেই হয়।’ ছেলেটি উলটো দিকের চেয়ারে বসল।

    ‘বলুন। কি হয়েছে?’

    ‘পেটে যন্ত্রণা।’

    ‘কবে থেকে?’

    ‘কয়েকদিন হয়ে গেল।’

    ‘কোনখানে?’

    ছেলেটি হাসল, ‘ঠিক বুঝতে পারছি না।’

    ‘ওই বেঞ্চিতে শুয়ে পড়ুন। শার্টটা খুলে ফেলুন। শুকিয়ে যাবে।’

    ছেলেটিকে অবাধ্য বলে মনে হল। যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থাতেই বেঞ্চিতে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল।

    ‘শার্টটা না খুললে দেখব কি করে?’

    ‘খোলা যাবে না। অসুবিধে আছে।’

    বনবিহারী চেয়ার ছেড়ে বেঞ্চির পাশে গিয়ে পেটে হাত দিলেন। ‘ঠিক কোন জায়গায় ব্যথা তা বলবেন। খেয়েছেন কখন?’

    ‘গতকাল বিকেলে।’

    ‘কেন?’ আঙুল সরিয়ে সরিয়ে পেট টিপছিলেন বনবিহারী।

    ‘খাবার জোগাড় করতে পারিনি!’

    ‘সেকি? কেন?’ হঠাৎ বনবিহারীর আঙুল থেমে গেল। শক্ত কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করলেন আঙুলের ডগায়। আঙুল সরাতে সরাতে বুঝলেন বস্তুটি লম্বাটে। ছেলেটি জামা সরাল, গেঞ্জিও। বনবিহারী সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। ছেলেটার পেটের পাশে প্যান্টের ভেতর গোঁজা রয়েছে একটা রিভলভার। তিনি চাপা গলায় বলে উঠলেন, ‘একি?’

    ছেলেটি সোজা হয়ে বসল, ‘রিভলভার।’

    ‘তুমি কে?’

    ‘আপনি আমার পরিচয় দিলে চিনতে পারবেন?’

    ‘তু-তুমি কি সেই রাত্রে জঙ্গলে ছিলে?’

    ‘হ্যা। আপনার গাড়িতে টিনাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে আমি সাইকেলে অনুসরণ করেছিলাম। গাড়িকে সাইকেল ফলো করতে পারে না। কিন্তু আমার ওপর দায়িত্ব ছিল আপনি থানায় গিয়েছেন কিনা! থানার কাছাকাছি গিয়ে আপনার গাড়ি দেখতে না পেয়ে যখন ফিরছিলাম তখন অনেকগুলো গাড়িকে আসতে দেখে রাস্তার পাশে লুকিয়ে পড়ি। ওগুলোতে পুলিশ আছে বুঝতে পেরেও কিছু করতে পারিনি। ওরা জঙ্গল ঘিরে ফেলে আত্মসমর্পণের কোনও সুযোগ না দিয়ে গুলি করে আমার সঙ্গীদের মেরে ফেলে! বিচার ছাড়া ভারতের সংবিধানকে কলুষিত করতে একটুও দ্বিধাও করেনি ওরা। আমি বেঁচে গিয়েছিলাম কারণ স্পটে ছিলাম না।’ ছেলেটি খুব গম্ভীর মুখে কথাগুলো বলল।

    ‘তারপরেও কি তুমি এদিকে এসেছিলে?’

    ‘হ্যাঁ! আপনার সঙ্গে কথা বলার দরকার ছিল। সুযোগ পাচ্ছিলাম না!’

    ‘কেন? কাল রাত্রেও তো আমি একাই বাড়ি ফিরেছি।’

    ‘কাল রাত্রে এদিকে আসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না।’

    নিজের চেয়ারে গিয়ে বসলেন বনবিহারী, ‘আমার কাছে কেন এসেছ?’

    ‘আপনি টিনাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসার পর আজ আমি সেখানে গিয়েছিলাম তার দেখা পাইনি। আপনার কাছে অনুরোধ টিনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ওকে বাড়িতে রেখে দেবেন।’

    ‘সুস্থ হওয়ার পরে?’

    ‘তখন আপনার আর দায়িত্ব থাকবে না।’

    ‘শিশুটি?’

    কোনও অনাথ আশ্রমে দিয়ে দেবেন।’

    চমৎকার! একটা কথা জিজ্ঞাসা করছি। ওই শিশুটির বাবা কে? তুমি?’ সরাসরি তাকালেন বনবিহারী।

    দ্রুত মাথা নাড়ল ছেলেটি, ‘না। সে সেই রাত্রে মারা গেছে।’

    ‘তাহলে তুমি এত চিন্তিত কেন?’

    ‘এটা আমাদের দলের ব্যাপার। টিনা কথা বলতে পারে না বটে কিন্তু পুলিশের হাতে পড়লে তারা জোর করলে ওকে দিয়ে অনেক গোপন কথা লিখিয়ে নিতে পারে। তাই ওকে নিয়ে আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই।’ ছেলেটি উঠে দাঁড়াল, ‘এখন পর্যন্ত আপনাকে বিশ্বাস করছি। মনে রাখবেন বিশ্বাসঘাতককে আমরা ক্ষমা করি না। আচ্ছা, চলি।’

    বনবিহারী দেখলেন দরজার ওপাশে দাঁড় করানো সাইকেলে চেপে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ভিজতে ছেলেটি চোখের আড়ালে চলে গেল।

    সন্ধের পরে আর চেম্বারে বসলেন না বনবিহারী। ডুয়ার্সের এইসব এলাকায় একবার বৃষ্টি শুরু হলে দু-তিনদিনেও তার আয়ু শেষ হয় না। সন্ধের মুখে একজন পেশেন্ট এসেছিলেন। তিনি মুখার্জিদের মেজবাবু। বয়স পঞ্চান্ন। গাড়িতে এসে ড্রাইভারের সাহায্যে ছাতা মাথায় চেম্বারে ঢুকেছিলেন, ‘ডক্টর মুখার্জি, একটা কিছু করুন।’

    ‘আপনার স্ত্রীকে পরীক্ষা করাতে বলেছিলাম!’

    ‘করিয়েছি। একদম নর্মাল। সমস্যাটা তো আমার।’ ভদ্রলোক চেয়ারে বসে দামি সিগারেট ধরালেন।

    ‘দেখুন, আপনার যথেষ্ট বয়স হয়েছে। প্রথম পক্ষের দুটি ছেলে রয়েছে। আর কি দরকার!’ ডক্টর বনবিহারী কথাটা না বলে পারলেন না।

    ‘দরকার না থাকলে কি আপনার কাছে আসতাম! ওর বয়স মাত্র বত্রিশ। মা হওয়ার জন্যে ছটফট করছে অথচ আমার শরীর সাড়া দিচ্ছে না। এখন তো কীসব ট্যাবলেট বেরিয়েছে। সেগুলো প্রেসক্রাইব করুন না।’ মেজ-মুখার্জি বললেন।

    ‘ওগুলো এখানে পাবেন না। আপনি বরং কলকাতায় চলে যান। ওখানকার ডাক্তাররা আপনাকে সাহায্য করতে পারবে।’

    ‘বলছেন?’

    ‘হ্যাঁ। সেটাই ভালো হবে। স্ত্রীকে নিয়েই যান।’

    ‘হু। আসলে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী বলেই এত ভয়। কখন কার সঙ্গে কি করে বসবে আর আমাকে সেটা মুখ বুজে মেনে নিতে হবে। ঠিক আছে, কলকাতায় যাব। তারপরেও যদি কিছু না হয় একটা শিশু দত্তক নেব। ও হ্যাঁ, আমার এই ব্যাপারটা এখানকার কাউকে বলেননি তো?’ মেজ-মুখার্জি উঠে দাঁড়ালেন।

    ‘যে-কোনও ডাক্তার একজন পেশেন্টের গোপনীয় ব্যাপার অন্যজনকে বলেন না।’

    ছাতা মাথায় বাড়ির পথে হাঁটছিলেন বনবিহারী। ডান হাতে ছাতার হাতল বাঁ-হাতে টর্চ। জুতোটা ভিজে চপচপ করছে। রাস্তা অন্ধকার। হঠাৎ তাঁর মনে এল, মেজ-মুখার্জি যদি দত্তক নিতে চায় তাহলে—! হ্যাঁ, কুন্তী যদি সুস্থ হয়ে চলে যায় তাহলে ওর ছেলেকে কোনও অনাথ আশ্রমে না দিয়ে মুখার্জিকে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। বাচ্চাটা যে তাঁর বাড়িতে আছে একথা কেউ জানে না। মুখার্জি হয়তো জানতে চাইবে কোত্থেকে এল বাচ্চাটা, হয়তো কেন চাইবেই, তখন সত্যি ঘটনাটা ওকে বলে দিলেই হল। ধনী পরিবারে বেশ যত্নের সঙ্গে বড় হবে ছেলেটা।

    কিন্তু এসব তখনই সম্ভব যখন কুন্তী ওর বাচ্চাকে ফেলে রেখে চলে যাবে। যদি যায় তাহলে—! নাঃ! কালই মুখার্জির সঙ্গে কথা বলতে হবে। ওর যা কেস তা কলকাতায় কোনও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পক্ষেও সারানো সম্ভব হবে না। শুধু যাতায়াত আর খরচই সার হবে। হঠাৎ কীরকম হালকা লাগল বনবিহারীর।

    বারান্দায় উঠতেই দরজা খুলল কালীচরণ।

    বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মেয়েটা কি করছে?’

    কালীচরণ মাথা নাড়ল, ‘বাপের জন্মে এমন মা আমি দেখিনি।’

    ‘কি করেছে ও?’

    জলখাবার দিয়েছিলাম তাই খেয়ে চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুমাচ্ছে সন্ধে থেকে। বাচ্চাটা পড়ে রইল, কেঁদে ককিয়ে খিদের জ্বালায় মাকে ডাকল অথচ ওর ঘুম ভাঙল না। আমি গিয়ে কত ডাকলাম। ডাকলে আবার বিরক্ত হয়। বোবার ভাষায় গরগর করে রাগ দেখায়।’ কালীচরণ তার অসন্তোষের কথা জানাল।

    ‘বাচ্চাটার কি অবস্থা!’

    ‘কি আর করব! গরম জলে যে কৌটোর দুধ এনেছিলেন তাই গুলে দু’তিন চামচ মুখে দিতেই শান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।’

    ‘খুব ভালো করেছ। কিন্তু বাটি-চামচগুলো গরম জলে ধুয়ে নিয়েছিলে তো?’

    কালীচরণ মাথা নাড়ল, ‘না তো!’

    ‘উঃ! একটা শিশু, এতকাল মাতৃগর্ভে ছিল, এই পৃথিবীর সবকিছু তার অজানা। এইসময় মায়ের বুকেই সে নিশ্চিন্ত থাকে। আস্তে আস্তে তার শরীরে সহ্যক্ষমতা তৈরি হয়। তুমি বাটি গরম জলে না ধুয়ে তাতে দুধ গুলে খাইয়ে দিলে! ওই বাটিতে যদি কোনও জীবাণু থাকে তাহলে বাচ্চাটা হজম করতে পারবে? কি জানি কি সর্বনাশ হয়ে গেল।’ নার্ভাস হয়ে পড়লেন বনবিহারী।

    মাথা নাড়ল কালীচরণ, ‘কিছুই হবে না। যে বাচ্চা জন্মাবার পর মায়ের আদর পায় না সে নিজেই নিজের ব্যবস্থা করে নেয়।’

    হাত-মুখ ধুয়ে পোশাক বদলালেন বনবিহারী। তারপর মা এবং শিশুর ঘরে ঢুকলেন। শিশু ঘুমাচ্ছে মশারির মধ্যে। মা শুয়ে আছে মশারির বাইরে।

    বনবিহারী কাছে গিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসলেন, ‘এই যে মেয়ে, ওঠো।’

    একবার ডাকতেই চোখ খুলে গেল। সামনে বনবিহারীকে দেখে আবার চোখ বন্ধ করতেই বনবিহারী বললেন, ‘টিনা, তোমার সঙ্গে কথা আছে আমার।’

    সঙ্গে সঙ্গে চোখ খুলে গেল। ঝট করে উঠে বসল কুন্তী অথবা টিনা। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল বনবিহারীর দিকে।

    ‘তোমার আসল নাম টিনা, তাই তো? একথা আগে লেখোনি কেন?’

    মুখ ঘুরিয়ে নিল টিনা। ঠোঁট কাঁপল।

    ‘টিনা, তুমি তোমার সবকিছু লুকিয়ে রাখতে চাও। চাও তো? কিন্তু ওই বাচ্চাটার কি হবে? ও তো তোমার রক্ত-মাংসে তৈরি হয়েছে। ওকে তো তুমি লুকিয়ে রাখতে পারবে না! আমি বলি কি, তুমি তোমার বাবা-মায়ের কাছে ওকে নিয়ে ফিরে যাও।’ বনবিহারীর খুব শান্ত গলায় কথাগুলো বললেন।

    ‘সঙ্গে সঙ্গে দু-দিকে মাথা ঘোরাতে লাগল টিনা, না, না।’

    ‘কেন? হাজার হোক ওঁরা তোমার মা-বাবা। তুমি যদি ওঁদের অবাধ্য হয়েও থাকো তবু সন্তান বলেই তোমাকে ওঁরা ক্ষমা করে নেবেন। বেশ, ঠিকানা দাও, আমি ওঁদের সঙ্গে কথা বলব।’

    এবার তাকাল টিনা। হঠাৎ জল জমতে লাগল চোখের কোণে। শেষ পর্যন্ত সে মুখ ঘুরিয়ে নিল। বনবিহারী গলা তুলে বললেন, ‘কালীচরণ, আমাকে একটা কলম আর খাতা এনে দাও। তাড়াতাড়ি।’

    জামার হাতায় চোখ মুছছিল টিনা। বনবিহারী লক্ষ করলেন এখন ওর পরনে সালোয়ার আর কামিজ। একদম পালটে গিয়েছে ওর আদল। সেই রুক্ষভাবটা আর নেই।

    কালীচরণ ওগুলো এনে বনবিহারীর হাতে দিয়ে নিঃশব্দে চলে গেল। বোধহয় টিনাকে কাঁদতে দেখে একটু অবাকও হল।

    কাগজ-কলম এগিয়ে দিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘ওদের ঠিকানাটা লিখে দাও।’

    একটু ভাবল টিনা। তারপর কলম তুলে কাগজে লিখল, ‘মা-বাবা মরে গেছে দুর্ঘটনায়। মামার বাড়িতে ছিলাম দশ বছর বয়স থেকে।’

    লেখাটা পড়লেন বনবিহারী। একটু মুষড়ে পড়লেন। বাবা-মায়ের ক্ষেত্রে যে ঔদার্য আশা করা যায় তা মামা-মামীর ক্ষেত্রে যায় না। তবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওদের ঠিকানা?’

    ‘আমার কাছে ওরা মরে গেছে।’ ঝটপট লিখল টিনা।

    সেটার ওপর থেকে চোখ সরিয়ে বনবিহারী বললেন, ‘একটা কথা আমার জানা দরকার। তোমার পুরো নাম কি?’

    আবার লেখা হল, ‘টিনা সেনগুপ্ত।’

    ‘তোমার কি বিয়ে হয়েছিল?’

    ‘ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ফুটেই মিলিয়ে গেল। উত্তরটা লিখল না টিনা।

    ‘ওর বাবা কোথায়? কি নাম?’

    এবার টিনা লিখল, ‘কি দরকার?’

    ‘যে-কোনও শিশুর জানা উচিত তার বাবার নাম কি?’

    টিনা লিখল, ‘আমার নাম জানলেন এটা জানলেন না।’

    ‘না।’

    ‘আমাদের দলের একজন।’ টিনা কাগজটা সরিয়ে দিল।

    বনবিহারী আর কথা বাড়াতে চাইলেন না। প্রথম রাতের পক্ষে এই যথেষ্ট। আরও কিছুদিন যাক। ঘনিষ্ঠতা তৈরি হোক, আপনা থেকেই খোলস খুলে যাবে টিনার। তিনি উঠে দাঁড়াতেই ছেলেটার কথা মনে এল। সেই সুযোগ যদি ওই ছেলেটি না দেয়! যদি ও টিনাকে নিয়ে আবার আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়?

    তিনি বললেন, ‘আর একটা কথা, তুমি কি ওকে ফেলে চলে যাবে?’

    টিনা বাচ্চার দিকে তাকাল। মুখ শক্ত হল।

    ‘তোমার সঙ্গীরা যদি বলে তাদের সঙ্গে চলে যেতে হবে, কি করবে? ওকে কোনও অনাথ আশ্রমে ফেলে দিয়ে আসতে বলে যদি ওরা?’

    সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত মাথা নেড়ে না বলল টিনা।

    বনবিহারী আর দাঁড়ালেন না। টিনার এই নির্বাক উত্তর তাঁর কাছে একটা বড় পাওয়া বলে এই মুহূর্তে তাঁর মনে হল।

    ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে বনবিহারী প্রসন্ন হলেন। ঝকঝকে রোদ উঠেছে আজ। আকাশে এক বিন্দু মেঘও নেই। এখানকার নিয়মই এই। যখন বৃষ্টি পড়বে, পড়েই চলবে। তারপর যেই থামল অমনি শুনশান আকাশ। যতক্ষণ না এই পৃথিবীটা তেতে উঠবে ততক্ষণ বৃষ্টির দেখা পাওয়া যাবে না। বনবিহারীর মনে হল, রোজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে গঞ্জের চেম্বারে যান; আজ এই ভোরে একটু উলটো দিকে হাঁটলে কেমন হয়।

    তৈরি হয়ে কালীচরণকে ডেকে দরজা বন্ধ করতে বলতে সে অবাক হল, ‘এই সাতসকালে কোথায় যাচ্ছেন?’

    ‘মর্নিং ওয়াকে।’

    ‘সেকি! আগে তো কখনও দেখিনি! কালীচরণ অবাক।

    কথা না বাড়িয়ে বনবিহারী বাড়ির বাইরে চলে এলেন। ভালো বৃষ্টি হওয়ায় চারধারের গাছপালা এখন রোদ্দুর মেখে আরও সুবজ হয়ে উঠেছে। উলটো দিকে হাঁটলে খানিকটা পরে চায়ের বাগান শুরু। তার পাশ দিয়ে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর ঝরনার ধারে পৌঁছে থামলেন তিনি। প্রায় এক কিলোমিটার হাঁটা হয়ে গেছে। বহুকাল এদিকে আসা হয়নি। চায়ের বাগান, শেড ট্রি, ঝরনার জল আর ওপাশের ফরেস্ট দেখতে দেখতে বুঝলেন কিছু পালটায়নি। মানুষের, শুধু মানুষ কেন যে-কোনও প্রাণীদের বয়স বাড়ে এবং সেই বাড়াটা তার শরীরে প্রকট হয়। কিন্তু মানুষের শিকার না হলে প্রকৃতি নিজের চেহারাটায় বয়সের ছাপ তেমনভাবে পড়তে দেয় না। এরকম ভেবেই হেসে ফেললেন। সামনেই যে গাছটা দাঁড়িয়ে তার যে বয়স হয়েছে এখন বোঝা যাচ্ছে। সামনের কালবৈশাখী হয়তো ওকে মাটিতে শুইয়ে দেবে। কিন্তু যতই বয়স হোক ওর ডালে এখনও সবুজ পাতা দোলে।

    ‘আরে! ডাক্তারবাবু? আপনি এখানে?’

    মুখ ফিরিয়ে তিনি হরিহর এবং সুপ্রভাতবাবুকে দেখলেন। এঁরা চায়ের বাগানে কাজ করতেন একসময়। অবসর নেওয়ার পর ওঁদের ছেলেরা এই বাগানে চাকরি পাওয়ায় আর কোয়ার্টার্স ছেড়ে চলে যেতে হয়নি।

    ‘হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম এদিকে। আপনারা?’

    ‘আমরা তো রোজই হাঁটতে বেরোই। ওয়াকিং হল সবচেয়ে ভালো ওষুধ।’ হাসলেন হরিহরবাবু ‘তাই অনেকদিন আপনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি।’

    সেটা তো খুবই ভালো।’

    সুপ্রভাতবাবু বললেন, ‘তবে এদিকে আর আসা যাবে না বলে মনে হচ্ছে।’

    ‘কেন?’

    ‘একটা বড় হাতির দল ওই জঙ্গলে এসেছে। জঙ্গলে খাবার না পেলেই ঝরনা ডিঙিয়ে এদিকে চলে আসবে ওরা। আর যাই হোক, ওদের সামনে পড়া মোটেই ভালো কথা নয়। এই বয়সে তো ছুটতে পারব না।’ হাসলেন সুপ্রভাতবাবু।

    ‘বয়সের কথা বলবেন না মশাই।’ হরিহরবাবু মাথা নাড়লেন,’ওই মেজ-মুখার্জি, আমারই বয়সি, একটা বাচ্চা মেয়েকে বিয়ে করে ফেলল বউ মরার মাস ছয়েক পরে। তাও তো বছর দুয়েক হয়ে গেল।’

    ‘লজ্জাজনক ব্যাপার। বউমারা যখন এ নিয়ে কথা বলেন তখন সামনে থাকতে পারি না।’ সুপ্রভাতবাবু বললেন, ‘কবে শুনব এই বয়সে বাবা হয়ে গেছেন।’

    হে হে হে শব্দে হাসলেন হরিহরবাবু, ‘চার্লি চ্যাপলিন শুনেছি আশির ঘরে পৌঁছে বাবা হয়েছিলেন। রবিশঙ্কর তো উনসত্তর বছর বয়সে আবার বিয়ে করলেন।’

    ‘ছাড়ুন ওসব কথা। আমাদের ডাক্তারবাবু তো ব্রহ্মচারী হয়েই রইলেন সারাজীবন।’ সুপ্রভাতবাবু বনবিহারী বাবুর দিকে তাকালেন।

    ‘আবার আমাকে নিয়ে কেন? ব্রহ্মচারী হওয়া কি মুখের কথা! আর ওসব নিয়ে কোনও চিন্তা আমার মাথায় কখনও আসেনি।’ বনবিহারী বললেন, ‘আচ্ছা, আপনারা এগোন, আমি এবার ফিরব।’

    হরিহরবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আচ্ছা আপনার সংসারী হতে বাসনা হয়নি?’

    ‘আমি তো সংসারী। আপনাদের সবাইকে নিয়ে সংসারেই তো আছি।’ বনবিহারী আর দাঁড়ালেন না।

    হাঁটতে হাঁটতে তাঁর মনে হল মানুষের এটাও একটা ধরন। যত বয়স বাড়ে, যৌবন চলে যায় অথবা স্ত্রীর বয়স বেড়ে গেলে, ছেলেমেয়ে বড় হয়ে গেলে, নিজেকে যখন সংযত রাখতে বাধ্য হয় তখন তার প্রগলভতা বেড়ে যায়। মুখ আলগা হয়। কিছু লোক এই বয়সে কুৎসা শুনতে খুব পছন্দ করে। আজ এঁরা মেজ-মুখার্জিকে নিয়ে বদ রসিকতা করছেন কিন্তু এঁরা যদি সুযোগ পেতেন তাহলে মেজ-মুখার্জির মতো বিয়ে করতে আপত্তি করতেন না। আচ্ছা, এঁরা যদি খবর পান তাঁর বাড়িতে একটি সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে অল্পবয়সি মা রয়েছে তাহলে কি প্রতিক্রিয়া হবে? বুঝতে অসুবিধে হল না, এঁরা কুৎসার বন্যায় চারধার ভাসিয়ে দেবেন। ওই মেয়েটির সঙ্গে তাঁকে জড়িয়ে ফেলতে দ্বিধা করবেন না।

    বাড়ির সামনে পৌঁছে তিনি জিপটাকে আসতে দেখলেন। ওটা পুলিশের জিপ। তাঁর পাশে জিপ এসে দাঁড়াল। থানার বড়বাবু জিপ থেকে নেমে বললেন, ‘নমস্কার ডাক্তারবাবু। সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন?’

    হ্যাঁ। আপনি এদিকে?’

    ‘বাধ্য হলাম আসতে। আচ্ছা, কাল বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে কোনও ছেলে কি আপনার চেম্বারে গিয়েছিল?’ দারোগা জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘হ্যাঁ।’ মাথা নাড়লেন বনবিহারী।

    ‘কী নাম? কোথায় থাকে?’

    ‘নাম বলেনি। পেটের ব্যথার ওষুধ নিতে এসেছিল। আমি ওষুধ বিক্রি করি না। প্রেসক্রিপশন লিখতে যেয়ে নাম জিজ্ঞাসা করাতে বলল, থাক, লাগবে না। বলে চলে গেল। কেন বলুন তো?’ বনবিহারী প্রাণপণে মুখের অভিব্যাক্তি ঠিক রাখলেন।

    ‘ছেলেটি উগ্রপন্থী। যদি আবার আসে চেষ্টা করবেন আটকে রেখে আমাকে খবর দিতে। আচ্ছা, চলি।’ জিপ চলে যেতে বনবিহারী দেখলেন কালীচরণ দাঁড়িয়ে আছে বারান্দায়। তিনি পা বাড়াতে সে বলল, ‘কাল রাত্রে আপনি কি যে বলেছেন, ওই মেয়ে এখন কিছুতেই বাচ্চাকে কোল থেকে নামাতে চাইছে না। বাথরুমেও যায়নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }