Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ১২

    বারো

    চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন বড়বাবু, ‘আসুন আসুন ডাক্তারবাবু! এই রাত্রে দুর্যোগের মধ্যে আপনাকে থানায় আসতে বলা অবশ্যই ঠিক নয় কিন্তু না এনে উপায় ছিল না। বসুন, বসুন।’

    ছেলেটির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে চেয়ারে বসলেন বনবিহারী। বেশ গম্ভীর গলায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলুন!’

    ‘ওই যে ছেলেটি বেঞ্চিতে শুয়ে আছে, ওকে একটু পরীক্ষা করে বলুন তো কতটা আহত হয়েছে। বেশ রক্ত বেরিয়েছিল, চাপাচুপো দিয়ে বন্ধ করেছি।’ বড়বাবু হাসলেন।

    ‘কী হয়েছিল?’

    ‘যা হয়। গুলি করার অভ্যেস নেই অথচ সামনাসামনি এনকাউন্টারে গুলি চালিয়েছিল। পুলিশ আত্মরক্ষার জন্যে পালটা গুলি করে। মেরে ফেলার ইচ্ছে থাকলে মাথা বা বুকে গুলি করতে পারত। তা না করে পায়ে করেছে। থাইতে লেগেছে।’

    ‘এখন এরকম ঘটনা এখানে ঘটছে বলে শুনতে পাই না।’

    ‘সব খবর কি পাবলিকের কাছে পৌঁছায়? যাক গে, আপনি পরীক্ষা করে বলুন ওকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গলে রেইডে গেলে টেঁসে যাবে কিনা! আমরা ওকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আবার ওর দলের লোকদের হদিস পেতে ওকে নিয়ে যাওয়াও খুব জরুরি। সেটা করতে গিয়ে যদি ফ্যাটাল কিছু হয় তাহলে—।’ মাথা নাড়লেন বড়বাবু, ‘আফটার অল আমি তো ইনহিউম্যান নই।’

    অতএব বনবিহারীকে উঠতে হল। ছেলেটা চিত হয়ে শুয়েছিল। মাথা একপাশে হেলানো। ওর পাশে গিয়ে সন্দেহ দৃঢ হল। হ্যাঁ, একে তিনি দেখেছেন কিন্তু কোথায় তা মনে পড়ছে না। ছেলেটার জ্ঞান আছে কিন্তু সম্ভবত অতিরিক্ত রক্তপাতের জন্যে নিস্তেজ হয়ে গেছে। ওর ফুলপ্যান্টের একটা দিক থাই থেকে কেটে ফেলা হয়েছে। একেবারে কুঁচকির কাছাকাছি লালচে মোটা ব্যান্ডেজ বাঁধা। ব্যান্ডেজ যে রক্তের জন্যে লালচে হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সতর্ক হাতে ব্যান্ডেজ খুলতে লাগলেন। পা একটু নড়াতেই তারস্বরে চিৎকার করে উঠল ছেলেটা। ওপাশে দাঁড়ানো এএসআই প্রায় বুলডগের মতো ধমক দিয়ে বললেন, ‘চোপ! গুলি ছোঁড়ার সময় মনে ছিল না?’

    ছেলেটা তখন গোঙাচ্ছে, ‘ও মা, মাগো!’

    বড়বাবু তাঁর চেয়ারে বসে হাসলেন, ‘যত বড় উগ্রপন্থী হোক না কেন কষ্ট হলে মাকে স্মরণ না করে উপায় নেই।’

    বনবিহারী ক্ষত দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘গুলি কখন লেগেছিল?’

    ‘বিকেলে। এই পাঁচটা নাগাদ।’

    ‘গুলিটা তো ভেতরেই রয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

    ‘থাকতেই পারে। বের করার কায়দা তো জানি না।’ বড়বাবু উঠে এলেন, ‘আপনি যদি বের করে দেন তাহলে কি ও আউট অফ ডেঞ্জার হবে?’

    ‘ওকে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।’

    ‘আপনি পারবেন না?’

    ‘গুলি বের করার যন্ত্রপাতি আমার সঙ্গে নেই।’

    এএসআই বললেন, ‘ভোরবেলায় নিয়ে গেলে চলবে না?’

    ‘আপনারা যদি ভালো বোঝেন তাই করবেন।’ বনবিহারী আবার ব্যান্ডেজটা বেঁধে দিলেন। এখনও রক্ত বন্ধ হয়নি।

    ‘তাহলে আপনাকে নিয়ে এসে কী লাভ হল?’ এএসআই বললেন।

    শুনে মাথা গরম হয়ে গেল বনবিহারীর, ‘দেখুন ভাই, আমি একজন ডাক্তার। পেশেন্টের চিকিৎসা করাই আমার কাজ। তাকে টোপ হিসেবে কেউ ব্যবহার করতে চাইলে আমি সাহায্য করতে পারি না।’

    গলার স্বর উঁচুতে উঠেছিল। বড়বাবু বললেন, ‘সরি, এভাবে ওর কথা বলা উচিত হয়নি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ডাক্তারবাবু। আমি ওকে এখনই হাসপাতালে পাঠাচ্ছি।’

    এ এস আই মাথা নাড়লেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার। এইসব দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ নিজের প্রাণ দিচ্ছে। আর পাবলিক দূর থেকে সমালোচনা করে যাবে। কিন্তু স্যার, এই বৃষ্টির মধ্যে ওকে হাসপাতালে পাঠাবেন কী করে? নীচের শহরে যেতে তো অসুবিধে হবে। নদীতে জল বাড়বেই।’

    ‘ট্রাই করো। ওর কাছ থেকে পরে অনেক খবর পাওয়া যাবে।’

    বনবিহারী আবার ছেলেটিকে পরীক্ষা করলেন, ‘অজ্ঞান হয়ে গেছে।’

    ঠিক তখনই ফোন বাজল। বড়বাবু রিসিভার তুলে একটু কথা বলেই বেশ উত্তেজিত হলেন, ‘দত্ত, তুমি ফোর্স নিয়ে জঙ্গলে চলে যাও। দুটো ছেলেকে এই বৃষ্টিতে জঙ্গলের পথে দেখা গেছে।’

    ‘গুলি করব?’

    ‘আঃ! অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করবে। ওরা যে উগ্রপন্থী তা আগেই জানছ কী করে?’ বড়বাবু বিরক্ত হলেন, ‘ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে যাও।’

    এএসআই বেরিয়ে গেলে ঘড়ি দেখলেন বড়বাবু, ‘বহুত রাত হয়ে গেছে। আমার আর একজন সাব ইন্সপেক্টরের পেট খারাপ, জ্বর। দুটো কনস্টেবলের ওপর দায়িত্ব দিয়ে ওকে হাসপাতালে পাঠাব? রিস্ক হয়ে যাবে।’

    নিজের মনেই যেন কথা বলছিলেন বড়বাবু। বনবিহারী ছেলেটির মুখের দিকে তাকলেন আবার। যদি খুব ভুল না হয়—! তা কী করে হয়? সেই ছেলে তো সুন্দরবনে মামণিকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। এখানে এসে গুলি খাবে কেন? কিন্তু বেশিক্ষণ গুলি শরীরে থাকলে পচন শুরু হয়ে যেতে পারে। একটু ইতস্তত করে বনবিহারী বললেন, ‘আমার রাতের ঘুমের তো দফারফা হয়ে গেছে। আপনি যদি চান তাহলে কনস্টেবলদের সঙ্গে আমি হাসপাতালে যেতে পারি।’

    ‘সত্যি? আপনার অসুবিধে হবে না তো?’

    মিনিট পাঁচেক পরে বৃষ্টি ভেঙে জিপ চলছিল। ড্রাইভারের পাশে বসেছিলেন বনবিহারী। পেছনে দুই বন্ধুকধারীর সামনে ছেলেটিকে শোওয়ানো হয়েছিল। জিপ একটু লাফালেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছিল সে। বনবিহারী বুঝছিলেন, বৃষ্টি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সাদা হয়ে গেছে পৃথিবী যা ভেদ করে জিপের হেডলাইট বেশি দূর স্পষ্ট করতে পারছিল না। সে কারণেই গতিও বাড়াতে পারছিল না ড্রাইভার। প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট যাওয়ার পর জিপ যখন নীচের দিকে নামছে তখন রাস্তায় জল দেখা গেল। জিপ থামিয়ে ড্রাইভার বলল, ‘কী করব? এগোব?’

    বনবিহারী বললেন, ‘নদী কত দূরে?’

    ‘বেশি দূরে না। কিন্তু তার আগেই রাস্তা ডুবে গেছে স্যার। ব্রিজটা পর্যন্ত আন্দাজে যেতে হবে। কিন্তু ওটার যা অবস্থা ফিরিয়ে নিয়ে গেলে বোধহয় মরে যাবে।’ ড্রাইভারের গলায় সহানুভূতি স্পষ্ট হল।

    বনবিহারী কী বলবেন বুঝতে পারলেন না। ভুল করে জিপ যদি নদীর বুকে নেমে যায় তাহলে আর বাঁচার সম্ভাবনা নেই।

    ড্রাইভার মুখ ফিরিয়ে বন্দুকধারীদের একজনকে বলল, ‘তুমি নামো ভাই। খুব ধীরে জিপের সামনে হেঁটে চলো। জল কোমরের কাছে চলে গেলে আর হাঁটবে না।

    দুজন যেন শুনতে পায়নি এমন ভঙ্গিতে বসে থাকল।

    ড্রাইভার চিৎকার করল, ‘কী হল? কানে যাচ্ছে না?’

    একজন জবাব দিল, ‘আমি সাঁতার জানি না।’

    ‘কেউ তো সাঁতার কাটতে বলেনি। হাঁটতে বলেছি। নামো।’

    অনেক ইতস্তত করে একজন নামল বন্দুক রেখে। জিপ থেকে দু-হাত এগিয়ে সে হাঁটছিল। বৃষ্টিতে চুপসে গেছে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই। জল কখনও হাঁটু, কখনও গোড়ালির ওপর ওঠানামা করছে।

    প্রায় দশ মিনিট ওইভাবে চলার পর ব্রিজের দেখা পাওয়া গেল। সেটা তখনও অটুট এবং জলের অনেকটা ওপরেই রয়েছে। ড্রাইভার বলল, ‘বাঁচা গেল।’

    ওঁরা যখন হাসপাতালে পৌঁছলেন তখন রাত সাড়ে তিনটে। ইমার্জেন্সি খোলা থাকলেও বৃষ্টির কারণে ডাক্তারকে তুলতে সময় লাগল। তখনই অপারেশন করে গুলি বের করা হল। ছেলেটির পা অবশ করে কাটাছেঁড়া করা হয়েছিল তবু তার চিৎকার থামেনি। ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে আলাদা বেডে ওকে পাঠিয়ে দেওয়ার পর লোকাল থানার পুলিশ এসে দায়িত্ব নিল। এসব শেষ হতে না হতেই পৃথিবী ফরসা হল কিন্তু রোদ উঠল না, বৃষ্টিও চলছিল সমানে।

    ড্রাইভার এসে বনবিহারীকে বলল, ‘স্যার, এখন ফেরা যাবে না। যা অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে ব্রিজের ওপাশে এক বুক জল জমে গিয়েছে। আমি বড়বাবুকে ফোন করে দিয়েছি। তিনি বললেন, আপনি যদি চান তাহলে এখানকার কোনও হোটেলে গিয়ে বিশ্রাম নিতে পারেন। টাকাপয়সা দিতে হবে না।’

    বনবিহারী বললেন, ‘তার দরকার হবে না। আমি এই ওয়েটিং রুমেই আছি। তুমি ফেরার আগে আমাকে খবর দিও।’

    বনবিহারী যে ডাক্তারি করেন তা ড্রাইভারের সৌজন্যে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জেনে যাওয়ায় একটু খাতিরযত্ন পাওয়া গেল। ডাক্তারদের বিশ্রাম করার ঘরে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালের সুপার তাঁকে চা খাওয়ালেন। একটা সময় বৃষ্টি ধরলেও জানা গেল ওপরে সমানে বৃষ্টি চলছে।

    সকাল আটটা নাগাদ ছেলেটির কাছে গেলেন বনবিহারী। দুজন লোকাল থানার পুলিশ তাকে পাহারা দিচ্ছে। ওরা রাত্রেই বনবিহারীর পরিচয় জানায় কাছে যেতে আপত্তি জানাল না। বনবিহারী টুল টেনে নিয়ে ছেলেটির বিছানার পাশে বসলেন। চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে ছেলেটি। ওর হাত তুলে নিয়ে ঈষৎ চাপ দিতেই চোখ সামান্য খুলে গেল। বনবিহারী ওর কপালে হাত রেখে নীচু গলায় ডাকলেন, ‘এই যে! শুনতে পাচ্ছ?’

    দুবার ডাকার পর চোখ খুলল ছেলেটি। ঘোলাটে চোখ। বনবিহারী বুঝলেন এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় সে আসেনি। তিনি উঠে পড়লেন।

    কিন্তু এখন বনবিহারী প্রায় সত্তরভাগ নিশ্চিত যে এই ছেলেটিই পাথরপ্রতিমাতে মামণির সন্ধানে গিয়েছিল। এত জায়গা থাকতে সে কী করে ভেবেছিল মামণিকে ওই পাথরপ্রতিমায় পাওয়া যাবে তা তাঁকে বিস্মিত করেছিল অনেক আগে। তিনি যে ওদের নিয়ে সেখানে চাকরি করতে গিয়েছেন তা কালীচরণ ছাড়া কারও জানার কথা নয়। আর এখনও তিনি বিশ্বাস করেন কালীচরণ মুখ খোলেনি।

    হাসপাতালের বিশ্রাম ঘরে পৌঁছে বনবিহারী দেখলেন বৃষ্টি থেমে গিয়েছে। হালকা রোদ উঠেছে। তিনি চেয়ারে বসে মাথা নাড়লেন।

    তাঁর যদি ভুল না হয়ে থাকে তাহলে এই ছেলেটি এতদিন কোথায় ছিল? আর মামণি বা এখন কোথায়? সন্তানের বয়স মাথায় রাখলে ওরা উধাও হয়ে গিয়েছিল দীর্ঘদিন আগে। এতকাল কোথায় ছিল? ছেলেটি যে তার দলের সঙ্গে সম্পর্কহীন হয়ে ছিল না তা গতকালের ঘটনা থেকে প্রমাণিত। মামণি কি ওর সঙ্গে ছিল? নাকি তাকে ত্যাগ করেছে এই ছেলেটি?

    বিস্ময়ের ব্যাপার, তাঁর নতুন শহর, পাহাড়ি-জঙ্গল এলাকায় হলেও কখনও উগ্রপন্থীদের আনাগোনার কথা কেউ শোনেনি। কিন্তু ওরা জঙ্গলে ঘাঁটি তৈরি করেছিল, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে, এসব কিছুদিন আগেও ভাবা যেত না। মামণি কি ওই জঙ্গলে লুকিয়ে আছে? বনবিহারীর মনে তীব্র অস্বস্তি, কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। হঠাৎ তাঁর মনে পড়ল কালীচরণের কথা। বলা কওয়া নেই কালীচরণ আচমকা দেশে যাবে বলে ছুটি চাইল কেন? আর যেদিন সে ছুটি নিয়ে চলে গেল সেই বিকেলেই পুলিশের সঙ্গে উগ্রপন্থীদের সংঘর্ষ হয়েছে এবং ওই ছেলেটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কালীচরণ কি কোনওভাবে ওদের কথা জানতে পেরেছিল? ছেলেটিকে ওর চেনার কথা নয়। তাহলে মামণি যে ওই জঙ্গলে এসেছে তা টের পেয়ে ছুটি নিয়ে চলে গেল? এতক্ষণে স্পষ্ট হল বনবিহারীর কাছে। কালীচরণের আচরণের একটা ব্যাখ্যা আবিষ্কার করে তিনি আরও বিরক্ত হলেন। বেশি পাকামি। মামণি যে ওই জঙ্গলে এসেছে তা তাঁকে যদি কালীচরণ জানাত তাহলে—! থমকে গেলেন বনবিহারী। আচ্ছা, কালীচরণ জানল কী করে? সে তো বাড়ি আর বাজার ছাড়া কোথাও যায় না। উগ্রপন্থী যারা তারা নিশ্চয়ই নিজেদের অস্তিত্বের কথা জনসাধারণকে জানাবে না। তা ছাড়া বনবিহারী যে ওই শহরে আছেন তা মামণির জানার কথা নয়। তাহলে কালীচরণ কী করে ওদের খবর পাবে? এই ধন্দটা কিছুতেই যাচ্ছিল না বনবিহারীর। কিন্তু এখন তিনি নিঃসন্দেহ, ও জেনেছিল। ডাক্তার হিসেবে বনবিহারীর সুনাম আছে। সবাই তাঁর কথা জানে। যতই ওরা জঙ্গলে থাকুক, তাঁর খবর মামণিরা নিশ্চয়ই পেয়েছিল। তারপর তিনি যখন চেম্বারে থেকেছেন তখন সন্ধের অন্ধকারে বাড়িতে আসতেই পারে। তাঁর বাড়ি কোথায় তা যে কেউ ওদের বলে দেবে। কালীচরণ মামণিকে যথেষ্ট স্নেহ করত। এতকাল পরে তাকে দেখতে পেয়ে সেই স্নেহ উথলে পড়েছিল। ওরা চলে যাওয়ার পর বোধহয় ভয় পেয়েছিল। তাঁকে বলতে সাহস পায়নি। এমন হতে পারে সন্তানের কথা জানতে চেয়েছিল মামণি। তাতেই ভয় পেয়েছে কালীচরণ। মামণি যদি নিজের ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় তাহলে সে বাধা দিতে পারবে না। অথচ একটু একটু করে যাকে সে বড় করেছে তাকে কিছুতেই অনিশ্চিতের মধ্যে ছেড়ে দিতে পারে না কালীচরণ। এমনও হতে পারে মামণিকে এড়াতেই সে দেশে যাওয়ার নাম করে পালিয়েছে। মামণির কথা তাঁকে বললে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়বেন বলে জানায়নি।

    বনবিহারীর মনে হল কোনও প্রমাণ না থাকলেও তাঁর এই ধারণাটাই সত্যি। কিন্তু কালীচরণ যদি তাঁকে সময়মতো জানাত তাহলে হয়তো পুলিশের সঙ্গে ওদের কোনও সংষর্ঘ হত না। তিনি যেমন করেই হোক যোগাযোগ করে ওদের বলতেন এই এলাকা থেকে চলে যেতে। এই ছেলেটিও গুলিবিদ্ধ হত না।

    ‘স্যার!’ ড্রাইভার এসে দাঁড়াল সামনে, ‘চলুন, এখন এখানে বৃষ্টি নেই, হয়তো নদীর জল কমে গেছে।’

    ‘চলো।’ বনবিহারী উঠলেন।

    জিপের ইঞ্জিন চালু করে ড্রাইভার জিজ্ঞাসা করল, ‘ছেলেটা বেঁচে যাবে তো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আচ্ছা, ওরা পুলিশ মারে কেন বলুন তো? ওরা কী চায়?’

    অবাক হলেন বনবিহারী। পুলিশের জিপের ড্রাইভার তাঁকে এই প্রশ্ন করছে? উত্তরটা তো ওর অজানা নয়। তিনি মাথা নাড়লেন, ‘জানি না। ওই ছেলেদের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই।’

    ‘আপনার মতো মানুষের থাকবে না কিন্তু দেশের অনেক বড়লোক নাকি ওদের পেছনে আছে। কী যে লাভ হয়! আর আপনি যদি ভাবেন শুধু ছেলেরা ওই দলে আছে তাহলে ভুল করবেন। কাল আমাদের ভ্যানের ড্রাইভার বলছিল ওই দলে মেয়েও আছে।’ ড্রাইভার নীচু গলায় খবরটা দিল।

    সোজা হয়ে বসলেন বনবিহারী। তাঁর খুব ইচ্ছে হচ্ছিল সেই ভ্যান ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলতে। মামণির চেহারার বর্ণনা দিলে সে কি বলতে পারবে তাকে সংঘর্ষের সময় দেখেছে কিনা? নিজেকে সামলে নিলেন তিনি। এই যে কিছুক্ষণ আগে তিনি ভাবছিলেন, কালীচরণ খবর দিলে ছেলেটির পায়ে গুলি লাগত না, সেটা কি ঠিক কাজ হত? পুলিশ জানলে তাঁকেই অপরাধীকে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করত! না, তিনি কখনওই উগ্রপন্থীদের সমর্থন করেন না। কিন্তু মামণির কথা শোনার পর মনটা কীরকম নরম হয়ে যাচ্ছে তাঁর।

    পাহাড়ি নদীর চরিত্র বিচিত্র। বৃষ্টির সময় জল যেমন দ্রুত বেড়ে গিয়েছিল, বৃষ্টি ধরলে সেটা কমে যেতে সময় লাগেনি। জিপ ব্রিজ পেরিয়ে এল স্বচ্ছন্দে। কিন্তু ওপরে এসে দেখা গেল এদিকটায় বৃষ্টি হয়েই চলেছে। প্রবাদটার কথা মনে পড়ল। এখানে বৃষ্টি নামলে সহজে থামতে চায় না।

    বাড়ির সামনে জিপ থেকে নেমে পড়লেন বনবিহারী। তাঁর শরীর আর পারছিল না। সারারাত জেগে মাথা ঘুরছিল। দরজার তালা খুলে ভেতরে ঢুকে মনে হল বেশ খিদে পেয়েছে। উঠোনের দিকের দরজাটা খুলে রান্নাঘরের দিকে যেতে গিয়ে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। মনে হল, কেউ যেন তাঁকে দেখতে পেয়ে দ্রুত সরে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }