Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ১৬

    ষোলো

    দুটি বাহু যেন অজস্র লতা হয়ে বনবিহারীকে আঁকড়ে ধরেছিল। মামণির শরীরের যত উত্তাপ যেন ওর শ্বাসের সঙ্গে মিশে বেরিয়ে এসে তাঁকে অবশ করে দিচ্ছিল। বনবিহারী বুঝতে পারছিলেন এমন অভিজ্ঞতা তাঁর যাবতীয় শিক্ষা, ভদ্রতা, সংযমকে ধীরে ধীরে নড়বড়ে করে দিচ্ছে। তিনি কোনওরকমে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এরকম কেন করছ? কী চাও তুমি?’

    সঙ্গে সঙ্গে মামণির একটা আঙুল বনবিহারীর বুকে তিরের মতো বারংবার আঘাত করল যার অর্থ তোমাকে চাই।

    পরিত্রাণের আশায় বনবিহারী শেষ চেষ্টা করলেন, ‘ওঃ, আমার খুব লাগছে।’

    মাথাটা এমনভাবে দোলাল মামণি যার একটাই অর্থ, লাগুক। তারপর সশব্দে চুম্বন করল বনবিহারীর গলায়। শব্দটা কানে আসতেই ঝিমঝিম করল শরীর। বনবিহারীর মনে হল তাঁর শরীরে কোনও শক্তি নেই। তাঁর মনের সব আগল ওই শব্দ ভেঙে চুরমার করে দিল। দু-হাতে সজোরে টেনে নিলেন মামণিকে। ঠিক তখনই বৃষ্টির আওয়াজ ছাপিয়ে হর্ন বাজল বাড়ির সামনে।

    সঙ্গে সঙ্গে শিথিল হয়ে গেল তাঁর হাত। ফিশফিশিয়ে বললেন, ‘কেউ এসেছে। এসময় কে এল?’

    মামণি তবু ছাড়ছে না বনবিহারীকে। বাইরের দরজায় শব্দ বাজল। প্রায় জোর করেই নিজেকে মুক্ত করলেন তিনি। নীচু গলায় বললেন, ‘তোমার ঘরে চলে যাও। একদম শব্দ করবে না।’

    মামণি কথা শুনল। পলাতকা ছায়ার মতো মিলিয়ে গেল সামনে থেকে। বুক খালি করে বাতাস বের হল বনবিহারীর। তিনি এগিয়ে গিয়ে বাইরের ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করলেন, ‘কে? কে এত রাতে?’

    ‘আমি খুব দুঃখিত ডাক্তারবাবু! বাধ্য হয়ে এসেছি।’

    এই কণ্ঠ থানার বড়বাবুর। দরজা খুলে বললেন, ‘আসুন।’

    ‘আপনি নিশ্চয়ই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু—।’

    ‘বসুন।’

    ‘না বসব না। আপনার নাতি নীচের যে স্কুলে পড়ে, কী নাম যেন—।’

    ‘সন্তান।’

    ‘হ্যাঁ, সেই স্কুলের প্রিন্সিপাল ফোন করেছিলেন থানায়। উনি আপনাকে জানাতে বলেছেন যে সন্তান যা করছে তাতে এভাবে চললে স্কুলে রাখা সম্ভব হবে না।’

    ‘কী করেছে সে?’

    ‘সে নাকি প্রায়ই হোস্টেল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে মিথ্যে কথা বলে। উনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন ওর চেয়ে অনেক বড় কিছু রহস্যজনক যুবকের সঙ্গে দেখা করে।’

    ‘রহস্যজনক মানে?’

    ‘ওই যুবকেরা স্থানীয় কোনও পরিবারে থাকে না।’

    ‘কারা তারা?’

    ‘এই প্রশ্নটার উত্তর খুঁজছেন ওখানকার থানার বড়বাবু। আমাদের এখানে পুলিশ সক্রিয় বলে হয়তো তাদের কেউ কেউ নীচে নেমে গেছে।’

    প্রচণ্ড ভয়ে আক্রান্ত হলেন বনবিহারী, চেঁচিয়ে বললেন, ‘অসম্ভব। হতে পারে না।’

    ‘হচ্ছে ডাক্তারবাবু। ওই ছেলেদের একজন আজ সকালে পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে বলে সন্তান নাকি সারাদিন উপোস করে রয়েছে। প্রিন্সিপাল বললেন, আপনি যেন কাল সকাল ন’টার মধ্যে ওঁর সঙ্গে দেখা করেন।’

    ‘বেশ যাব।’

    ‘ওহো আপনার কাজের লোক তো এখন জঙ্গলের ধারের বস্তিতে বাসা নিয়েছে।’

    ‘শুনলাম। ও এসেছিল সন্ধেবেলায়। এখানে ফিরে আসতে চাইছে।’

    ‘ফিরিয়ে নিন। চোখের সামনে থাকলে আমাদের সুবিধে হবে। আচ্ছা চলি।’ ফিরে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘এই যে আমরা দিন নেই রাত নেই ঝড়বাদল মাথায় নিয়ে জনসাধারণের সেবা করে চলেছি কিন্তু পাবলিক তবু আমাদের বন্ধু বলে মনে করে না।’

    দরজা বন্ধ করে চেয়ারে বসে পড়লেন বনবিহারী। রক্ত না পরিবেশ, কে বেশি চরিত্রগঠনে শক্তিশালী? এতটা কাল ভাবতেন দ্বিতীয়টাই আসল। তাহলে সন্তান এসব করছে কেন? কী এমন বয়স ওর? জন্মাবার পর থেকে তিনি ওকে দু-হাতে আগলে রেখে বড় করেছেন। বাবা-মায়ের ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা ওর যাতে না-হয় তাতে সতর্ক ছিলেন। তাহলে এরকম করছে কেন সন্তান?

    এই যুবকেরা কারা? কোত্থেকে এল? অল্পবয়সি ছেলেরা এইরকম যুবকদের সম্পর্কে আগ্রহী হয় যেসব কারণে তার একটা হল নেশা। ওদের কাছে সন্তান কি ড্রাগের নেশার টানে যাওয়া-আসা করছে? কিন্তু সেটা করলে তো স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতেই পারত। তাহলে কি ওর বাবার রক্ত কথা বলছে?

    ভেতরে চলে এসে বনবিহারী দেখলেন ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে মামণি। ওর মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। গম্ভীর মুখে বললেন, ‘খুব খারাপ কথা শুনলাম। তোমার কি সে কথা শোনার আগ্রহ আছে?’

    নীরবে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল মামণি।

    ‘তুমি তো কখনও নিজের ছেলের কথা ভাবোনি। তার প্রতি কোনও টান যদি অনুভব করেও থাকো তাহলে সেটা আমি জানি না। আমি ওকে আমার মতো বড় করতে চেষ্টা করেছি। পড়াশুনা যাতে আরও ভালো করতে পারে তাই সমতলের একটি ভালো বোর্ডিং স্কুলে ভরতি করিয়ে দিয়েছি। সব ভালো চলছিল কিন্তু ওর শরীরে যে রক্ত আছে তার কথা আমি ভুলে গিয়েছিলাম।’ বনবিহারী শ্বাস ফেললেন।

    মামণি বাঁপাশে মুখ ফেরাল। যেন এসব শুনতে তার ভালো লাগছিল না।

    ‘তার বাবা পুলিশের গুলিতে মরে গেছে। তোমাকে নিয়ে দিনের পর দিন জঙ্গলে লুকিয়ে থেকেছে ভারতবর্ষে বিপ্লব আনবে বলে। তার ফল কী হয়েছে? তোমার ছেলে যাকে চোখে দেখেনি, সে কী চেয়েছিল তা জানেও না তবু বাবার মতো নিয়ম ভাঙতে চেষ্টা করছে। জানি না, তুমি যদি ওকে আমার কাছে ফেলে উধাও না হয়ে যেতে তাহলে ওর এই পরিণতি হত কিনা! তোমার সবচেয়ে বড় সুবিধে হল, তুমি কথা বলতে পারো না।’

    বনবিহারীর কথা শেষ হওয়ামাত্র পাশের ঘরে ছুটে গেল মামণি। বনবিহারী সেখানে গিয়ে দেখলেন উত্তেজিত ভঙ্গিতে কিছু লিখছে মামণি। তারপর লেখা কাগজ এগিয়ে দিল। বনবিহারী পড়লেন, ‘ছেলের বাবা আমার স্বামী নয়।’

    চমকে তাকালেন বনবিহারী, ‘একী? কী লিখেছ?’

    ঠোঁট কামড়ে মাথা নাড়ল মামণি, ঠিকই লিখেছে।

    ‘তাহলে ওর বাবা কে?’

    কিছুক্ষণ চিন্তা করল মামণি। তারপর কাগজটাকে টেনে নিয়ে লিখল, ‘চা-বাগানে যাকে আমি মারতে বাধ্য হয়েছিলাম সে একসময় জোর করে—! কেউ জানে না।’

    বনবিহারীর মনে পড়ল। চা-বাগানের ভেতরে এক যুবকের থেঁতলানো মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। মামণি তার আগে উধাও হয়ে গিয়েছিল বাড়ি থেকে। ফিরে এসেছিল বিধ্বস্ত অবস্থায়। পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও সেই যুবকের খুনিকে ধরতে পারেনি।

    কাগজটাকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে বনবিহারী বললেন, ‘যাও, শুয়ে পড়ো। আমাকে এখন একটু একা থাকতে দাও।’

    বিছানায় শুয়ে বনবিহারীর মনে হল মানুষের জীবন নিয়ে একজন পরম শক্তিমান নাট্যকার প্রতিনিয়ত নাটক লিখে চলেছেন। আজ মামণির সংস্পর্শে যখন তাঁর সব কিছু ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল ঠিক তখন থানার বড়বাবুকে পাঠিয়ে দিলেন সেই নাট্যকার। সন্তানের খবরটা এত মারাত্মক মনে হল যে মামণিকে নিয়ে যে মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল তা ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গেল। আবার সন্তানকে নিয়ে তিনি যখন বিব্রত তখন জানতে পারলেন মামণির সঙ্গে যার বিয়ে হয়েছিল সে সন্তানের বাবা নয়। এমনকি সেই লোকটা জানত না যে তাদের দলের এক যুবকের জন্যে মামণি গর্ভবতী হয়েছে। এইভাবে মোচড় দিয়ে জীবনটাকে নিয়ে ছেলেখেলা করে যান সেই নাট্যকার।

    খবর যখন পেয়েছেন তখন আগামীকাল সন্তানের স্কুলে যেতেই হবে। কিন্তু আজ বনবিহারীর মনে হল, এসব তাঁর নিজের তৈরি করা সমস্যা যাতে তিনি জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁর কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ এর সঙ্গে জড়িত নেই। কিন্তু এখন তিনি আর কী-ই-বা করতে পারেন!

    গোটা রাত আধাঘুম-আধাজাগরণে কেটে গেল। ভোর হতেই বনবিহারী বাথরুম থেকে তৈরি হয়ে বাইরের দরজা খুলতেই দেখতে পেলেন কালীচরণ বসে আছে। তাঁকে দেখে উঠে দাঁড়াল। বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘একী! এত ভোরে কেন?’

    ‘আপনি বলেছিলেন সকালে আসতে।’ কালীচরণ মুখ নামিয়ে কথা বলল।

    ‘বেশ। বলো কী বলতে চাও!’

    ‘বাবু, আমাকে মাপ করে দিন।’

    ‘তুমি মিথ্যে কথা বলে এবাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলে কেন?’

    ‘আমি আর কোনও উপায় দেখতে পাইনি।’

    ‘মানে?’

    ‘ওরা মামণিকে মেরে ফেলত।’

    ‘কারা?’

    ‘ওই জঙ্গলের ছেলেরা। মামণি ওদের চোখে ধুলো দিয়ে মাঝরাতে এই বাড়ির পেছন দিকে এসে পড়ছিল। শব্দ শুনে আমি ঘুম থেকে উঠে দেখতে যাই। সে আমাকে দেখে খুব কাঁদে। ইশারায় বোঝায় ওকে ওরা মেরে ফেলবে। আমার মনে দয়া এল। আমি ওকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে এসে লুকিয়ে থাকতে বলি। তারপর দুদিন ও এই বাড়িতেই থাকে কিন্তু ওর থাকার কথা আপনাকে জানাইনি। দ্বিতীয় দিনে আমি যখন বাজারে যাচ্ছি তখন একজন অচেনা ছেলে জিজ্ঞাসা করে কোনও বোবা মেয়েকে দেখেছি কিনা! আমি অস্বীকার করি। সে তখন জিজ্ঞাসা করে আমি কোথায় কাজ করি? আমি বলি যে বাড়িতে কাজ করতাম তারা আমাকে ছাড়িয়ে দিয়েছে। আমি জঙ্গলের ধারে ঘর ভাড়া করে চলে যাচ্ছি।’

    কালীচরণকে থামালেন, বনবিহারী, ‘তার মানে তুমি এর আগেই সেখানে গিয়ে ঘরের ব্যবস্থা করে এসেছিলে?’

    ‘না, আমি শুনেছিলাম ওখানে সস্তায় ঘর ভাড়া পাওয়া যায় তাই বলেছি।’

    ‘তারপর?’

    ‘আমার মনে হয়েছিল বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে ওরা মামণি আপনার বাড়িতে আছে বলে আর সন্দেহ করবে না। যাওয়ার আগে মামণিকে বলেছিলাম আপনার কাছে সব কথা জানাতে। কিন্তু ওখানে গিয়ে মুশকিলে পড়লাম। ওই ছেলের সঙ্গে আরও দুজন রাত্রে আমার ঘরে চলে আসত, রান্না করে খেতে দিতে বলত। ওরা মামণির কথা বলত। তার জন্যেই নাকি পুলিশ ওদের একজনকে ধরে ফেলতে পেরেছে। কিন্তু মামণি কোথায় গিয়েছে তা জানত না ওরা। কাল আমার মনে হল পুলিশ যদি আমায় ধরে তাহলে ওদের লোক ভাববে। আমি আর ওদের সঙ্গে থাকতে চাই না। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন বাবু।’ দু-হাত জড়ো করে কেঁদে ফেলল কালীচরণ।

    বনবিহারী বললেন, ‘আগে হলে আমি তোমার কথা বিশ্বাস করতাম। এখন অনেক গলদ দেখতে পাচ্ছি। তুমি এক কাজ করো, পুলিশের কাছে সব কথা বলো যাতে ওরা রাত্রে তোমার ঘরে এলে ধরা পড়ে যায়।’

    ‘কিন্তু—!’

    ‘আবার কিন্তু কেন?’

    ‘মামণির কথা বললে তাকেও পুলিশ ধরবে।’

    ‘কী বলবে না বলবে তা তুমি ঠিক করো।’

    ‘ওরা আজ শেষরাত্রে ঘরে ঢুকেছে। অনেকক্ষণ মড়ার মতো ঘুমাবে। এখন থানায় যাই। কিন্তু পুলিশ যদি আমাকেও ধরে? খুব ভয় লাগছে বাবু।’

    বনবিহারী চিন্তা করলেন একটু, তারপর বললেন, ‘তুমি থানার কাছে গিয়ে অপেক্ষা করো, আমি আসছি।’ কালীচরণ চলে গেলে বনবিহারী চারপাশে তাকিয়ে দেখলেন কেউ কোথাও নেই। এত ভোরে থাকার কথাও নয়।

    টাকাপয়সা, কলম এবং স্টেথো নিয়ে বনবিহারী মামণির ঘরের দরজায় টোকা মারতে সেটা আধখোলা হয়ে গেল। ভেতরে পা রাখতেই ফিরে দাঁড়ালেন তিনি। মামণি পাশ ফিরে ঘুমাচ্ছে কিন্তু তার রাতবস্ত্র হাঁটুর অনেকটা ওপরে উঠে যাওয়ায় সেখান থেকে একটা বিদ্যুৎতরঙ্গ যেন বনবিহারীকে স্পর্শ করল। তিনি দরজার বাইরে এসে শব্দ করলেন। একটু পরে উঠে এল মামণি। বনবিহারী বললেন, ‘আমি নীচের শহরে যাচ্ছি। ফিরতে দুপুর হয়ে যাবে। যা আছে তা রান্না করে খেয়ে নিও। আর খবরদার, কোনও জানলা-দরজা তো খুলবেই না, শব্দও করবে না। আমি বাইরে থেকে তালা দিয়ে যাচ্ছি।’

    মামণি নীরবে ঘাড় নাড়ল।

    অথচ থানার দিকে হাঁটার সময় বনবিহারী একটু আগে দেখা মামণির ঘুমন্ত শরীরটাকে কিছুতেই ভুলতে পারছিলেন না।

    এই সময় থানায় কোনও অফিসারের থাকার কথা নয়। কিন্তু ডাক্তার হিসেবে তাঁর পরিচিতির কারণে একজন সেপাই পাশের কোয়ার্টার্স থেকে বড়বাবুকে ঘুম ভাঙিয়ে ডেকে নিয়ে এল। পাজামার ওপর গেঞ্জি পরে বড়বাবু বেশ বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ব্যাপার?’

    কালীচরণ এই সময় ঢুকেছিল থানায়। তাকে দেখিয়ে বনবিহারী ব্যাপারটা জানালেন বড়বাবুকে। বড়বাবু তাকালেন কালীচরণের দিকে, ‘দেশে যাওয়ার নাম করে তুমি ওখানে ঘর ভাড়া করেছিলে কেন?’

    কালীচরণ উত্তর দিতে দ্বিধা করায় বনবিহারী বললেন, ‘অনেককাল ও আমার কাছে চাকরি করে বোধহয় টায়ার্ড হয়ে গিয়েছে। ভেবেছে বাকি জীবন স্বাধীনতা ভোগ করবে।’

    ‘খাবে কী?’

    ‘ওর মাইনের টাকা জমা রয়েছে পোস্ট অফিসে।’

    ‘আমার কিন্তু বিশ্বাস হচ্ছে না! আপনার বাড়িতে ও রাজার মতো ছিল! অন্য কারণ নেই তো?’ বড়বাবু প্রশ্ন করা মাত্র কালীচরণ মাথা নাড়ল, ‘না, না। আমি বাবুর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। আর কোথাও যাব না।’

    ‘হুম। এখন দুজন তোমার ঘরে ঘুমাচ্ছে?’

    ‘তাই দেখে এসেছি।’

    ‘ওদের সঙ্গে আর ক’জন আছে?’

    ‘আমি জানি না, দেখিনি।’

    ‘কোনও মেয়েছেলেকে দেখেছ?’

    ‘না তো!’

    ‘তখনই লোকজনকে জোগাড় করে বড়বাবু জিপে উঠলেন, ‘ওঠো।’

    ‘আমি যাব?’ কালীচরণ কেঁপে উঠল।

    ‘নইলে তোমার ঘর চিনব কী করে?’

    ‘কিন্তু ওরা তো জেনে যাবে আমি ধরিয়ে দিয়েছি।’

    ‘তাতে তোমার কোনও ক্ষতি হবে না। ওঠো।’

    দুটো গাড়ি বেরিয়ে গেল।

    থানা থেকে বেরিয়ে বাজারের চৌমাথায় এসে বনবিহারী দেখলেন তখনও রোদ ওঠেনি, দোকানপাট খোলেনি শুধু সদানন্দর হোটেলের উনুন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। তাঁকে দেখে সদানন্দ বেরিয়ে এল, ‘আপনি এই ভোরে?’

    ‘একটু নীচের শহরে যাব।’

    ‘তার বাস তো ঘণ্টাখানেক পরে পাবেন।’

    ‘তাই নাকি!’

    ‘আসুন আসুন। এক কাপ চা খেয়ে যান।’

    ‘হোটেলে চা হয় নাকি?’

    ‘না, ওটা শুধু কর্মচারীদের জন্যে। কিন্তু ডাক্তারবাবু, আমার ওয়াইফ কাল খুব কষ্ট পেয়েছে। আপনি আর খাবার দিতে নিষেধ করেছেন!’

    ‘দরকার হবে না। কালীচরণ ফিরে এসেছে।’

    ‘ও তাই বলুন। আপনার নতুন মাস্টার তো নতুন বাসায় চলে যাচ্ছে।’

    ‘শুনলাম।’

    ‘বাসাটা ভালো বাছল না। মহিলার তো সুনাম নেই।’

    ‘মাথা গোঁজার জায়গা তো দরকার। ভালোমন্দ জানবে কী করে!’

    ‘কিন্তু ডাক্তারবাবু, আমার কোনও দোষ নেই, ওয়াইফ আপত্তি করল। আসলে নন্দলালদার মেয়ে হুটহাট একটা আইবুড়ো ছেলের কাছে চলে আসত তো, সেটা ওয়াইফ ভালো চোখে দেখল না।’ সদানন্দ বলল।

    চা তৈরি হতে সময় লাগল। একটু একটু করে চৌমাথায় লোক জমছে, দোকান খুলছে। শেষ চুমুক দিয়ে পকেটে হাত ঢোকাতেই এক হাত জিভ বের করল সদানন্দ, ‘ছি ছি, আর পাপের ভাগী করবেন না। ছোটভাইকে এটুকু আনন্দ দিন।’

    ঠিক তখনই পুলিশের দুটো গাড়িকে ফিরে আসতে দেখলেন বনবিহারী। গাড়ি দুটো যখন সামনে দিয়ে চলে গেল তখন সদানন্দ নীচু গলায় বলল, ‘আরও দুটো খতম হল।’

    বনবিহারী এবার লক্ষ করলেন, গাড়ির বাইরে দু-জোড়া পা ঝুলছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }