Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঠকয়লার আগুন – ২২

    বাইশ

    অনেকটা বমি করল সদানন্দর বউ। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার নাড়ি স্বাভাবিক হচ্ছিল না। সদানন্দর নিয়ে আসা ব্যাগ থেকে ওষুধ বের করে গুলে খাইয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু রক্তচাপ স্বাভাবিকের ধারেকাছে নেই। শেষ পর্যন্ত বনবিহারী বললেন, ‘ওকে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার।’

    সদানন্দ হকচকিয়ে গেল, ‘হাসপাতাল!’

    ‘এখনই নিয়ে যান।’

    ‘কিন্তু যেতে তো অনেক সময় লাগবে। ওকে তো বাসে নিয়ে যাওয়া যাবে না, গাড়ি ভাড়া করতে হবে। ততক্ষণ—!’

    বনবিহারী উঠে দাঁড়ালেন। ‘ততক্ষণ উনি ঠিক থাকবেন।’

    সদানন্দ হাতজোড় করল, ‘ডাক্তারবাবু, আপনিও চলুন আমাদের সঙ্গে।’

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন, ‘না ভাই, কয়েকটা জরুরি কাজ আছে, আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

    ‘তাহলে আমি যতক্ষণ গাড়ি না নিয়ে আসছি ততক্ষণ এখানে থাকুন।’ সদানন্দ কাতর গলায় অনুরোধ করায় বনবিহারী আবার বসলেন।

    আলমারি খুলে দ্রুত টাকাপয়সা নিয়ে বেরিয়ে গেল সদানন্দ।

    সে স্ত্রীলোকটি তখনও সদানন্দর বউয়ের পাশে দাঁড়িয়েছিল, সে বলল, ‘খুব ভালো হল। এই রুগিকে হাসপাতালে দেওয়াই উচিত। ডাক্তারবাবু, আপনি তো আছেন, আমি সংসার ফেলে চলে এসেছি, আমি যাই।’

    বনবিহারী কিছু বললেন না। স্ত্রীলোকটি সদানন্দর বউয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, ‘চিন্তা কোরো না, কালই ভালো হয়ে বাড়ি নিয়ে আসবে। চলি।’

    স্ত্রীলোকটি চলে গেলে সদানন্দর বউ চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকল কিছুক্ষণ। বাইরের বাগানের গাছে ঘুঘু ডাকছে। বনবিহারীর মন স্থির হচ্ছিল না। এতক্ষণে সন্তানকে নিশ্চয়ই থানায় নিয়ে গেছে বড়বাবু। কিন্তু ওর শরীরের যে অবস্থা তাতে বেশিক্ষণ বসে থাকাও সম্ভব নয়। ওকে যদি পুলিশ হাসপাতালে ভরতি করে দেয় তাহলে—! বনবিহারী ভাবলেন, এখান থেকে বেরিয়ে আবার থানায় গিয়ে বড়বাবুকে ওই অনুরোধ করবেন। কাগজে পড়েছেন, কত বড় বড় অপরাধীকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে রাখা হয় চিকিৎসার জন্যে। অবশ্য পুলিশ তখন পাহারা দেয়।

    ‘ডাক্তারবাবু!’ সদানন্দর বউ দুর্বল গলায় বলল।

    সামনে তাকালেন বনবিহারী। সদানন্দর বউ খানিকটা সরে এসেছে।

    ‘হ্যাঁ!’ বনবিহারী বললেন।

    ‘আমি কি মরে যাব?’ কাতর গলায় বলল সদানন্দর বউ।

    ‘দূর! হাসপাতালে গেলে ওরা পাম্প করে পেটে যা আছে তা বের করে দেবে। বিকেলেই চলে আসতে বলবে।’ বনবিহারী হাসলেন।

    ‘কিন্তু আমার বুকে এরকম হচ্ছে কেন?’

    ‘কী হচ্ছে?’

    ‘চাপ লাগছে, ব্যথা করছে। আপনি কিছু করুন।’

    বনবিহারী ব্যাগ থেকে স্টেথো বের করে একপ্রান্ত কানে লাগিয়ে অন্যপ্রান্ত সদানন্দর বউয়ের বুকে সামান্য চেপে পরীক্ষা করতে চাইলেন। কয়েক সেকেন্ড পরে ওটা সরিয়ে রেখে বললেন, ‘কই, আমি তো অন্যরকম কিছু পাচ্ছি না।’

    ‘করছে। এই এখানটায়। দেখুন।’ হাত বাড়িয়ে বনবিহারীর ডান হাত টেনে নিয়ে জামার ভেতরে ঢুকিয়ে স্তনের ওপর রাখল সদানন্দের বউ। একটু হকচকিয়ে গেলেও বনবিহারী স্তন স্পর্শ করে বললেন, ‘না কিছু হয়নি। মনের ভুল।’

    হাতটা চেপে রেখেছিল সদানন্দের বউ শক্ত করে। বলল, ‘আমার শরীর কি খুব খারাপ, বলুন, খুব খারাপ?’

    ‘এ কথা কেন?’

    ‘আপনার যে একটুও ইচ্ছে করছে না আদর করতে!’

    বনবিহারী এক মুহূর্তের জন্য দুর্বল হলেন, ‘এই অসুস্থতার সময়—!’

    ‘মোটেই না। আমি একটুও অসুস্থ নই। আমাকে আদর করুন।’

    ‘কী বলছেন আপনি?’

    ‘আপনি কিছু বোঝেন না কেন? আপনাকে পাওয়ার জন্য আমি কত কী করেছি! যেচে আপনাকে খাবার পাঠিয়েছি।’

    ‘আপনি যে বললেন কীসব শেকড় খেয়েছেন!’

    হাসল সদানন্দের বউ, ‘মিথ্যে বলেছি। পেটের যন্ত্রণার কথা বললে কাউকে প্রমাণ দিতে হয় না। তাই বলে আপনাকে ডাকতে ওকে পাঠিয়েছিলাম। বিধাতার ইচ্ছে ছিল বলে আপনি নিজেই চলে এসেছেন। আমাকে আদর করুন, যা ইচ্ছে হয় তাই করুন। আমি আপনার দাসী হয়ে সারাজীবন থাকব।’ পাগলের মতো বনবিহারীর হাত দুই স্তনের ওপর নিয়ে গিয়ে চেপে ধরল সদানন্দের বউ।

    বনবিহারী বললেন, ‘তারপর?’

    লাজুক হাসি হাসল সদানন্দের বউ, ‘আমার কোলে ছেলে আসবে।’

    এবার জোর করে হাত সরিয়ে নিলেন বনবিহারী। ঠিক তখনই বাইরে গাড়ির আওয়াজ হল। বনবিহারী বললেন, ‘তাহলে আপনাকে হাসপাতালে যেতে হবে না।’

    ‘আপনি কি ওকে সত্যি কথা বলে দেবেন?’

    প্রশ্নটা করা মাত্র সদানন্দর গলা পাওয়া গেল। ‘গাড়ি এনেছি। ও কি নিজে হেঁটে গাড়িতে উঠতে পারবে?’

    ‘তার দরকার হবে না।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘মানে?’

    ‘একটু আগে অনেকটা বমি করেছেন। ভেতরে যা ছিল তার সবটাই বেরিয়ে গেছে। এখন একটু ঘুমালেই ঠিক হয়ে যাবেন। ওঁকে আর হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে না।’ বনবিহারী কথাগুলো বলতে বলতে লক্ষ করলেন সদানন্দের বউয়ের ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি ফুটেই মিলিয়ে গেল। সদানন্দ বলল, ‘উঃ। খুব বাঁচান বাঁচা গেল।’

    ‘আমি চলি।’ বনবিহারী পা বাড়াতেই সদানন্দ বলল, ‘ডাক্তারবাবু, আপনার ফি—!’

    ‘এখন থাক। আসছি।’

    ‘তাহলে গাড়িটা আপনাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসুক।’

    ‘দরকার হবে না।’

    রিকশা ছিল না। হনহনিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন বনবিহারী। তিনি বয়স্ক মানুষ। ঠিক সময়ে বিয়ে করলে ছেলেমেয়ের বিয়েও হয়ে যেত, দাদুও হতে পারতেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও সদানন্দের বউ তাঁকে এতদিন ধরে কামনা করেছে? এটা কী করে সম্ভব! সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ল মামণির মুখ। তার বয়স তো সদানন্দের বউয়ের চেয়েও কম। এদের সবার কি মাথা খারাপ হয়ে গেল! শ্বাস ফেললেন বনবিহারী। তারপরেই মনে পড়ল, সদানন্দের বউ যখন তাঁর হাত বুকে চেপে ধরেছিল, তখন অস্বস্তির সঙ্গে একদম অন্যরকম অনুভূতি শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল। ব্যাপারটা খুবই খারাপ কিন্তু অনুভূতিটা তো আপনা-আপনি এসেছিল এবং সেটা খারাপ লাগেনি।

    বাজার-এলাকা পেরিয়ে বাড়ির রাস্তা ধরতেই দূর থেকে চোখে পড়ল পুলিশের গাড়িটাকে। রাস্তার একপাশে গাড়িটাকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। বনবিহারী কাছে পৌঁছাতেই দরজা খুলে নেমে এলেন বড়বাবু, ‘এই যে ডাক্তারবাবু, আপনার জন্যে অপেক্ষা করে আছি।’

    ‘আমার জন্যে?’ ধক করে উঠল বনবিহারীর বুক।

    ‘আমার সঙ্গে এই ইতর রসিকতা করা কি আপনার পক্ষে শোভন?’

    ‘বুঝতে পারছি না।’

    ‘ছেলেটাকে বাড়ি থেকে পাচার করে দিয়ে থানায় গিয়েছিলেন খবর দিতে। ভেবেছিলেন এতে লাঠি ভাঙবে না কিন্তু সাপ মরবে।’

    ‘আমি কাউকে কোথাও পাচার করিনি।’

    ‘আলবত করেছেন। সে নাকি খুব অসুস্থ, কথা বলার অবস্থায় নেই। কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন তাকে?’ গলা চড়ালেন বড়বাবু।

    নির্জন রাস্তায় দাঁড়িয়ে হঠাৎ শক্ত হয়ে গেলেন বনবিহারী। ‘আপনি আমাকে অপমান করছেন।’

    ‘অপমান? পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে হ্যারাস করার অপরাধে আমি আপনাকে অ্যারেস্ট করতে পারি তা জানেন?’

    ‘আমি আপনাকে একটিও ভুল তথ্য দিইনি। আপনার কাছে যাওয়ার আগে দেখে গিয়েছিলাম সে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে শুয়ে আছে।’

    ‘তাহলে কোথায় সরিয়ে দিয়েছেন, বলুন।’

    ‘বারবার এক কথা জিজ্ঞাসা করছেন কেন?’

    ‘অ। আপনার চাকর বলল সে কিছুই জানে না। বাড়িতে আর একজন মহিলা ঘোমটা টেনে বসে রইল। সবাই ষড়যন্ত্রের শরিক। ঠিক আছে, আপনি কবে বাইরে যাচ্ছেন?’ বড়বাবু জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘কেন?’

    ‘ইমেডিয়েটলি চলে যান। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে। আর হ্যাঁ, যেখানে যাবেন এভরি অলটারনেটিভ ডে আমাকে ফোন করবেন। গাড়ি থেকে একটা কাগজ টেনে নিয়ে তাতে নাম্বার লিখে বনবিহারীকে দিলেন বড়বাবু, ‘আপনি একজন ডাক্তার, পাবলিক রেসপেক্ট করে বলে সিরিয়াস স্টেপ নিলাম না। যান।’

    গাড়িটা চলে গেলেও বনবিহারী কিছুক্ষণ নড়তে পারলেন না।

    দরজা খুলল কালীচরণ। বনবিহারীর মুখ দেখে চমকে উঠল সে, ‘একী! কী হয়েছে আপনার?’

    কথা না বলে বাইরের ঘরের চেয়ারে বসে পড়লেন বনবিহারী। কালীচরণ ছুটে ভেতরে গিয়ে এক গ্লাস জল নিয়ে এল। সেটা একটানে শেষ করে দিয়ে শ্বাস ফেললেন বনবিহারী। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সে কোথায়?’

    মাথা নাড়ল কালীচরণ, ‘বিশ্বাস করুন আমি জানি না।’

    ‘মিথ্যে কথা।’

    ‘না বাবু, মিথ্যে নয়’

    ‘কালী, সত্যি কথা বলো নয়তো এবাড়ি থেকে বেরিয়ে যাও। একবার তুমি আমাকে জব্দ করতে নিজে থেকে গিয়েছিলে, এবার আমি তোমাকে যেতে বলছি।’

    ‘আপনি যা শাস্তি দিতে চান দিন, কিন্তু আমি মিথ্যে বলছি না।’ কেঁদে ফেলল কালীচরণ। চোখের জল মুছল।

    ‘যে ছেলেকে বিছানায় দেখে আমি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম তার অবস্থা এমন ছিল না যে হেঁটে গটগট করে নিজেই চলে যাবে।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘পুলিশ যখন ওকে খুঁজে পেল না তখন আমিও এই কথা ভাবছিলাম।’

    ‘ঠিক কী হয়েছিল?’

    ‘আমি কাজ করছিলাম। মামণিকে বলেছিলাম ঘর ঝাঁট দিতে। সে তাই করছিল। হঠাৎ বাইরে গাড়ির শব্দ। কে এল দেখতে আমি জানলা দিয়ে উঁকি দিতেই দেখলাম পুলিশের বড়বাবু গাড়ি থেকে নামছেন। আমি তাড়াতাড়ি ভেতরে গিয়ে মামণিকে চেঁচিয়ে বলেছিলাম পুলিশ এসেছে। তারপর দরজায় শব্দ হতে ধীরে-সুস্থে গিয়ে দরজা খুলি। বড়বাবু প্রথমেই বললেন, ‘ছেলেটাকে এনে দাও, তাহলে ভেতরে ঢুকতে হবে না।’

    ‘আমি বলে ফেলেছিলাম, ‘ওর খুব অসুখ, ওকে মারবেন না।’

    বড়বাবু জোরসে ধমক দিলেন। আমি বাধ্য হয়ে সন্তানের ঘরে গেলাম। গিয়ে দেখলাম সে বিছানায় নেই। বাথরুমেও নেই। আমার দেরি হচ্ছে দেখে বড়বাবু ঢুকে পড়লেন ভেতরে। তাঁকে সত্যি কথাটা বললাম। তিনি বিশ্বাস করলেন না। পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজলেন। তারপর আমাকে চড় মেরে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কোথায় লুকিয়ে রেখেছিস?’

    আমি ওঁর পা ধরে বললাম, ‘একটু আগে শুয়েছিল, কোথায় গেল জানি না।’

    উনি তখন উঠোনের ওপাশের খোলা দরজা দিয়ে বাইরে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করলেন। তারপর ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ডাক্তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই তাকে সরিয়ে দিয়েছিস, না?’

    আমি মাথা নেড়ে না বললে আবার ধমক দিলেন। বললেন, ‘যদি দরকার হয় তোকে প্রশ্ন করলে তুই হ্যাঁ বলবি।’ ঢোঁক গিলল কালীচরণ।

    ‘মামণি তখন কী করছিল?’ বনবিহারী জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘সে তখন ঝাঁটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। ঘোমটায় মুখ ঢেকে রেখেছিল, তাকে দেখে বড়বাবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এটি কে?’

    বললাম, ‘বাসন মাজে, কাপড় কাচে, ঘর মোছে।’

    ‘বয়স কত?’

    ‘জানি না। ওদের বয়স বোঝা যায় না।’

    উনি মাথা নাড়লেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন মামণিকে, ‘ছেলেটা কোথায় তা জানো?’ সে মাথা নেড়ে না বলতেই তিনি চ্যাঁচালেন, ‘সব চক্রান্ত। তারপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন।’

    বনবিহারী বললেন, ‘কিন্তু ওই শরীর নিয়ে ছেলেটা গেল কোথায়?’

    কালীচরণ বলল, ‘বড়বাবুর গাড়ি চলে যাওয়ার পর আমি পেছনের দরজা দিয়ে সেই জঙ্গল পর্যন্ত ঘুরে দেখে এসেছি, কোথাও তার দেখা পাইনি।’

    ‘আজ যদি সে ধরা দিত তাহলে বোধহয় ওর জীবনটা রক্ষা পেত।’

    ‘আমার মনে হয় আর সে ফিরে আসবে না।’ কালীচরণ বলল।

    ‘কিন্তু যাবে কোথায়? ওইরকম শরীর নিয়ে কতদূর যেতে পারবে! ধরা পড়বেই।’ বনবিহারী বললেন, ‘আমার আর কিছু করার নেই।’

    ‘বাবু চলুন। কোথাও চলে যাই।’

    ‘হ্যাঁ। পুলিশ আমাকে শাসিয়েছে যেন এখান থেকে কিছুদিনের জন্যে বাইরে যাই। কালী, তৈরি হও। আজই আমরা বেরিয়ে যাব।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘আজই?’ কালীচরণ অস্বস্তিতে পড়ল।

    ‘যেতে যখন হবেই তখন দেরি করে কী লাভ! বনবিহারী উঠলেন।

    ‘কী কী নেব সঙ্গে?’

    ‘যা, যা না নিলে চলবে না তাই নাও। বাড়ি তালাবন্দি থাকবে। চোর ঢুকবে। সেটা ভেবে যা হোক সঙ্গে নাও।’

    ‘কোথায় যাবেন?’

    ‘ভেবে দেখছি।’

    ‘মামণি—।’

    ‘তাকে জিজ্ঞাসা করো সে আমাদের সঙ্গে যেতে চায় কিনা। না চাইলে যেখানে ইচ্ছে সেখানে চলে যাক।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘কোথায় যাবে? যাওয়ার তো জায়গা নেই।’ কালীচরণ বলল।

    ‘কার কী জায়গা আছে তা কেউ বলতে পারে না কালীচরণ। আমরা শেষ বাস ধরে নীচের শহরে যাব। সেখান থেকে রাতের ট্রেন ধরতে হবে।’

    বনবিহারী ভেতরের ঘরে পা বাড়াতেই দেখলেন মামণি দাঁড়িয়ে আছে। তাকে পাশ কাটিয়ে যেতে চাইতেই সে খপ করে বনবিহারীর হাত ধরে গোঁ-গোঁ করে কিছু বলতে লাগল। হাত ছাড়াতে পারছিলেন না বনবিহারী।

    পেছন থেকে কালীচরণ ধমক দিল, ‘ছাড়, হাত ছাড়!’

    এবার হাত ছাড়ল মামণি। তারপর ডানহাত বারবার বুকের ওপর রেখে কিছু বোঝাতে চাইল। শেষে ছুটে গেল বনবিহারীর ঘরে। কাগজে দ্রুত কিছু লিখে বনবিহারীর সামনে চলে এসে কাগজটা তুলে ধরল। তাতে সে লিখেছে, ‘আমিও যাব।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }