Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶

    কাঠকয়লার আগুন – অন্তিম পর্ব

    অন্তিম পর্ব

    ‘তোমার ছেলে সঙ্গে যাচ্ছে না। সে পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্যে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার জন্যে কোনও চিন্তা হচ্ছে না?’

    এবার স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল মামণি। চোখ নীচের দিকে। হ্যাঁ কিংবা না কিছুই বলল না। বনবিহারী বললেন, তাহলে তুমি যাবেই!’

    মাথা ওপর-নীচ হল, মুখে হাসি ফুটল মামণির।

    সরে এলেন বনবিহারী। এ কেমন মা! জীবজন্তুরাও তো সন্তান স্নেহে মরিয়া হয়। একটা পাখিও তার ছানাকে খাওয়াতে দূর দূর থেকে খাবার সংগ্রহ করে গলায় নিয়ে ফিরে এসে বাচ্চার মুখের ভেতর উগরে দেয়। আর মামণি তো মানুষ। তার সন্তান সম্পর্কে কোনও হেলদোল কেন থাকবে না? শরীরে এসেছিল, শরীর থেকে বেরিয়ে গেছে, এর বাইরে কোনও অনুভূতি নেই? ঈশ্বর জানেন। বনবিহারী শ্বাস ফেললেন। এই মেয়েকে তিনি তো ফেলেও যেতে পারেন না।

    পৌনে চারটের সময় শশী ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে এল। বনবিহারীর নির্দেশে কালীচরণ বাড়ির সব দরজা জানলা ভালো করে বন্ধ করে ফেলেছে। তিনটে সুটকেস আর একটা টিনের বাক্স গাড়ির ডিকিতে চাপিয়ে দেওয়ার পরে বনবিহারীর খেয়াল হল, শশী ড্রাইভার মামণিকে দেখে কী ভাববে? নীচ থেকে ফিরে এসে এখানে গল্প করবেই। ডাক্তারবাবু, তাঁর কাজের লোক এবং, একটি যুবতীকে সে স্টেশনে পৌঁছে দিয়ে এসেছে। তখনই গল্প উঠবে কে স্ত্রীলোক? কথাটা নিশ্চয়ই দারোগাবাবুর কানে যাবে। তিনি দুই-এ দুই-এ চার করবেন।

    কিন্তু বনবিহারীকে অবাক করে কালীচরণের পিছন পিছন একগলা ঘোমটা দিয়ে যে বেরিয়ে এল তাকে মামণি বলে চিনতেই পারলেন না বনবিহারী। যেন একটি দেহাতি রমণী। বনবিহারী হুকুম করলেন, ‘তোমরা পেছনে বসো।’

    কালীচরণ আপত্তি করতে যাচ্ছিল। বনবিহারীর মুখের দিকে তাকিয়ে থেমে গেল। ওরা পেছনে উঠে বসলে দরজায় তালা ঝুলিয়ে বনবিহারী শশী ড্রাইভারের পাশে বসে বললেন, ‘চলো।’

    গাড়ি বড় রাস্তায় তুলে শশী ড্রাইভার বলল, ‘আপনি চলে যাচ্ছেন শুনে সবাই মন খারাপ করেছে।’

    ‘চলে যাচ্ছি মানে? আবার তো ফিরে আসব।’

    ‘কতদূরে যাচ্ছেন?’

    ‘এই তো,’ বলেই সজ্ঞানে মিথ্যে বললেন, ‘কালীচরণের দেশে।’

    সঙ্গে সঙ্গে কালীচরণ পেছন থেকে বলে উঠল, ‘বিহারে।’

    পথে তেমন কথা হল না। জঙ্গল এলাকা পার হয়ে এল গাড়ি। স্বস্তি হল। সন্তান যদি জঙ্গলে লুকিয়ে থাকত আর যদি কোনওভাবে খবরটা পেয়ে যেত তাহলে নিশ্চয়ই দর্শন দিত।

    ট্রেনে বার্থ পাওয়া গেল। স্টেশনমাস্টারই ব্যবস্থা করে দিলেন বনবিহারীর পরিচয় পেয়ে। ঠিক সময়ে ট্রেন ছাড়ল। ওঁরা ছাড়া আরও তিনজন যাত্রী একই কুপেতে। ভাগ্যভালো, তারা হিন্দিভাষী। আর একটি সুখবর এই ট্রেন শিয়ালদার বদলে হাওড়া স্টেশন পৌঁছাবে সকাল সাড়ে সাতটায়। বনবিহারী বললেন, ‘কালীচরণ খাবার বের করো, খিদে পেয়ে গেছে।’

    এসি থ্রিটায়ারের যাত্রীরা বোধহয় অকারণে রাত জাগতে ভালোবাসেন না। রাত সাড়ে নটার মধ্যেই কুপের বাকি তিনজন শুয়ে পড়ায় বনবিহারীদেরও শুতে হল। স্টেশন মাস্টারের কল্যাণে দুটো লোয়ার আর একটা আপার বাথ পাওয়া গিয়েছিল। কালীচরণ প্রথমে আপনি জানিয়েছিল, সে ওপরে উঠবে না। তার পক্ষে বনবিহারীর মাথার ওপরে শোওয়া সম্ভব নয়। বিস্তর ধমক খেয়ে সে ওপরে উঠল। লোয়ার বার্থে শোওয়ার পর বনবিহারী পাশ ফিরতেই দেখলেন মামণি লম্বা হয়ে শুয়ে তাঁর দিয়ে অপলক তাকিয়ে রয়েছে। মুখ ফিরিয়ে নিলেন তিনি। খুব দ্রুত ছুটছে ট্রেন। শীততাপনিয়ন্ত্রিত কামরাতেও তার আওয়াজ খানিকটা মৃদু হলেও শোনা যাচ্ছে। বনবিহারী ভাবছিলেন, যেখানে যাচ্ছেন সেখানে তাঁর জন্যে কী অপেক্ষা করছে তা তিনি জানেন না। এখন কোনও রাস্তা খোলা নেই। স্রোতে যখন গা ভাসিয়েছেন তখন ভেসে চলা ছাড়া উপায় কী! একটু ঝিমুনি এসে গিয়েছিল। ট্রেনটা বেশ জোরে নড়ে উঠতেই সেটা কেটে গেল। বনবিহারী পাশ ফিরতেই দেখতে পেলেন মামণি সেই একই ভঙ্গিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখাচোখি হতেই মামণির ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। বনবিহারী নীচু গলায় বললেন, ‘ঘুমিয়ে পড়ো।’

    মামণি দ্রুত মাথা নাড়ল, না। অর্থাৎ সে এইভাবেই তাকিয়ে থাকবে।

    বনবিহারী চোখ বন্ধ করলেন।

    হাওড়া স্টেশন নেমে কুলিদের হাঁকাহাঁকি, যাত্রীদের চেঁচামেচি, ভিড় সামলে ঘাটশিলার ট্রেন খুঁজে বের করতে সময় লাগল। কোনওরকমে মালপত্র তোলার পর শুধু মামণির বসার জন্যে জায়গা পাওয়া গেল। কিন্তু বনবিহারী দাঁড়িয়ে থাকলে মামণি কিছুতেই বসবে না।

    বনবিহারী বললেন, ‘ওইটুকু জায়গায় দুজনের বসা সম্ভব নয়। তুমি বোসো।’

    মামণি মাথা নেড়ে ইশারায় বনবিহারীকে বসতে বলল।

    যাদের পাশে জায়গাটা পাওয়া গিয়েছিল তারা স্ত্রীলোক। বনবিহারীর কাছাকাছি বয়সের স্ত্রীলোকটি বললেন, বয়স্ক বাবা দাঁড়িয়ে থাকলে মেয়ে কী করে বসতে পারে? আপনি বসুন, আপনার মেয়ে এখন দাঁড়াক। পরে নিশ্চয়ই খালি জায়গা পেয়ে যাবে।’

    বনবিহারী কিছু বলার আগে মামণি গোঁ-গোঁ করে হাত নেড়ে তার তীব্র প্রতিক্রিয়া বোঝাল। স্ত্রীলোকরা তার অর্থ বুঝতে না পারলেও বনবিহারী পারলেন। মামণি বাবা এবং মেয়ের সম্পর্কটা অস্বীকার করছে। সে কিছুতেই যখন বসল না তখন বনবিহারী বসলেন। এবার মামণির মুখে হাসি ফুটল।

    ঝাড়গ্রাম আসতেই মামণি এবং কালীচরণ বসার জায়গা পেয়ে গেল।

    ভরদুপুরে ঘাটশিলায় যখন ট্রেন থামল তখন বনবিহারী দেখলেন খুব কম যাত্রী নামল ট্রেন থেকে। মিনিট দুয়েকের মধ্যে স্টেশন ফাঁকা। এখন কি মাল বইবার জন্য কুলিরাও নেই? স্টেশনের বাইরে এসেই তিনি বুঝতে পারলেন আগের সেই জমজমাট চেহারাটা আর নেই। একটা লোক খবরের কাগজ সাজিয়ে দোকান করে বসেছিল, বনবিহারী তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এখানে ভালো হোটেল আছে?’

    ‘ভালো মানে ওই আর কি। এখন তো এখানে টুরিস্ট তেমন আসে না।’

    ‘কেন?’

    ‘খোঁজখবর রাখে না?’

    ‘না।’

    ‘মাওবাদীদের ভয়ে। তা ছাড়া দেখার তো কিছুই নেই।’ লোকটি বলল, ‘ওই ওপাশে গেলে রিকশা পেয়ে যাবেন। বলবেন বলাকা হোটেলে যাবেন।’

    এই সময় একটা পুরোনো জিপ গাড়ি এসে দাঁড়াল। জিপ থেকে নেমে এক বৃদ্ধ কাগজওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘ট্রেন চলে গেছে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘একটা ফ্যামিলিকে দেখেছ? পাঁচজন।’

    ‘না। এরাই তিনজন এসেছেন।’

    ‘অদ্ভুত। টেলিফোনে বুক করেছিল অথচ আসবে না যে তা জানায়নি, আমি এতটা পথ তেলপুড়িয়ে গাড়ি নিয়ে এলাম।’ বৃদ্ধ বিরক্ত।

    কাগজওয়ালা বনবিহারীকে বলল, ‘এই মরা জায়গায় থেকে কী করবেন? শাপে বর হয়েছে, দাদুর রিসর্টে চলে যান।’

    ‘এই, আমারটা রিসর্ট নয়, আশ্রম। আপনারা কি বেড়াতে এসেছেন?’

    ‘কিছুদিন থাকব বলে এসেছি। একটু নির্জনে।’

    ‘কিছুদিন?’ বৃদ্ধ ভাবলেন, ‘আমার গেস্টহাউসে আপনাদের বেশি খরচ হয়ে যাবে। তবে পাশেই আমাদেরই একটা খালি বাড়ি আছে, দুটো ঘর, মাসে চার হাজার ভাড়া দিলে থাকতে পারবেন। অসুবিধে হবে?’

    ‘বিন্দুমাত্র নয়।’ বনবিহারী খুশি হলেন।

    ‘তাহলে ওই গাড়িতে মালপত্র তুলুন।’

    গাড়ি চলতে শুরু করলে বৃদ্ধ বললেন, ‘জায়গাটা শহর থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে। তিন কিলোমিটার দূরে একটা গ্রাম আছে। সপ্তাহে দুদিন হাট বসে। সেখানে মোটামুটি সব পেয়ে যাবেন। আপনার মেয়ে নিশ্চয়ই রান্না করতে পারে। অন্য লোকটি কে?’

    ‘আমার সঙ্গে বাল্যকাল থেকে আছে।’ বনবিহারী দ্রুত বললেন।

    জঙ্গল, পাহাড় পেরিয়ে দারুণ সুন্দর একটি উপত্যকায় পৌঁছে যেখানে গাড়ি থামল সেখানে গেটের ওপর লেখা আছে, ‘সেবাশ্রম’। বৃদ্ধ বললেন, ‘এই হল আমার জায়গা। আশেপাশের যত গ্রাম আছে তার শিশুদের পড়াশুনার দায়িত্ব নিয়েছি আমরা। বেশির ভাগেরই বাবা পালিয়ে আছে, কেউ কেউ মারা গিয়েছে।’

    ‘কেন?’ বনবিহারীর কপালে ভাঁজ পড়ল।

    পুলিশ ওদের মাওবাদী বলে চিহ্নিত করেছে।

    ‘মাওবাদী?’

    ‘ঘাবড়ে গেলেন নাকি? না, না। ভয়ের কিছু নেই। ওদের বাচ্চারা আমার এখানে এসে পড়াশুনা করে, দুপুরে খায় বলে ওরা আমাদের ওপর কখনওই অত্যাচার করে না। আপনি চিন্তা করবেন না। ঘুরে দেখুন চারপাশ, তারপর কথা হবে।’ বৃদ্ধ ওঁদের নিয়ে গেলেন পাশের বাড়িতে, যার একতলায় একটি ঘর এবং কিচেন বাথরুম, দোতলায় দ্বিতীয় ঘরটি। বললেন, ‘যথেষ্ট বেলা হয়ে গেছে। আপনারা হাত-মুখ ধুয়ে গুছিয়ে নিন, আমি জলখাবার পাঠিয়ে দিচ্ছি। রাতের খাবার আশ্রমেই খেয়ে নেবেন। কাল থেকে আপনাদের সংসার শুরু করবেন।

    বৃদ্ধ চলে গেলে গোছগাছ শেষ হলে কালীচরণকে ডাকলেন বনবিহারী। কোনও ভণিতা না করেই বললেন, ‘তুমি কিচেনে শুতে পারবে?’

    ‘ওখানে তো পা ফেলার জায়গা নেই, খুব ছোট।’ কালীচরণ বলল।

    ‘তাহলে মামণি শোবে কোথায়? নীচের ঘরটা তো ওর চাই।’

    কালীচরণ বলল, ‘ও যদি ওপরের ঘরের মেঝেতে শোয় তাহলে কোনও ঝামেলা থাকে না। সবাই তো ওকে আপনার মেয়ে বলে ভাবছে।’

    মাথা নাড়লেন বনবিহারী, ‘সে কী চায়?’

    ‘জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আঙুল দিয়ে ওপরটা দেখিয়ে দিল।’ কালীচরণ বলল, ‘আর আপত্তি করবেন না। সত্যি তো, ও আপনার মেয়ের মতো।’

    বিকেলে আশ্রম ঘুরে দেখলেন বনবিহারী। জনা পনেরো আদিবাসী ছেলে যাদের বয়স আট থেকে চোদ্দোর মধ্যে, আশ্রমে মানুষ হচ্ছে। এদের বাবারা মাওবাদী, কেউ মরেছে, কেউ পালিয়েছে। আশ্রমের ব্যবস্থাও ভালো। দানের ওপর ভরসা করে চলছে।

    বৃদ্ধ বললেন, ‘পুলিশের হুকুম, এখানে যারা এসে থাকবে তাদের নাম-ঠিকানা থানায় জানিয়ে দিতে হবে। আপনারা নাম-ঠিকানা একটা কাগজে লিখে রাখবেন। কাল সকালে পাঠিয়ে দেব।’

    এখানে বিদ্যুৎ রাত দশটায় চলে যায়। তখন হ্যারিকেন জ্বালতে হয়। খাওয়া- দাওয়ার পর বনবিহারী তক্তাপোষে শুয়ে পড়েছিলেন, নীচের মেঝেতে বিছানা করে মামণি। আলো নিভতেই সে হ্যারিকেন জ্বালাল। এবং তারপরেই গুলির শব্দ শোনা গেল। রাতের নিস্তব্ধতা খানখান হয়ে গেল এক মুহূর্তে। তারপর পালটা গুলির শব্দ। এবার বেশি দূরে নয়।

    হঠাৎ মামণি মুখে হাত দিয়ে গোঙাতে লাগল ভয়ে। হ্যারিকেনের স্বল্প আলোয় তা মুখ সাদা দেখাচ্ছিল। বনবিহারী বললেন, ‘চুপ, শব্দ কোরো না।’ ঠিক তখনই বিকট শব্দে বোম ফাটল কাছাকাছি। মামণি ছুটে এসে বনবিহারীকে জড়িয়ে ধরল। বনবিহারী বললেন, ‘চুপ, শব্দ করো না।’ তাঁর মনে হল এটা যে একটা যুদ্ধক্ষেত্র তা জানলে তিনি কখনওই এখানে আসতেন না। আজকের রাতটা কোনওমতে কেটে গেলে এখান থেকে চলে যাবেন তিনি। তখনই সম্মিলিত চিৎকার এবং একটি লোকের আর্তনাদ কানে এল। মামণি সেটা শুনে বনবিহারীর শরীরের সঙ্গে মিশে যেতে চাইছে ভয়ে। এবং তখনই বনবিহারীর বোধ এল। মামণির অর্ধনগ্ন শরীর তাঁর শরীরের সঙ্গে মিশে আছে। তিনি মুখ ফেরাতেই দু-হাতে তাঁর গলা জড়িয়ে ধরে মামণি তাকে চুম্বন করল ঠোঁটে। সঙ্গে সঙ্গে একটা নোনতা শিহরণ ছড়িয়ে গেল সর্বাঙ্গে। সমস্ত শরীরে ঝিমঝিম ভাব। ততক্ষণ মামণির জিভ তাকে নাড়িয়ে দিচ্ছে। বনবিহারী আর পারলেন না। তিলতিল করে এতদিন ধরে যে বাঁধ তিনি নির্মাণ করেছিলেন তা আজ ভেঙে গেল। মামণির সক্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গত করল তাঁর শরীর।

    ভাসানের তৃপ্তি নিয়ে মামণি যখন তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ল তখন বনবিহারী হতভম্ব। আচমকা ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটা তাকে ক্রমশ পীড়া দিতে শুরু করল। না, এভাবে চলতে পারে না।

    তিনি ফিশফিশিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি আমায় বিয়ে করবে?’

    জড়িয়ে ধরা হাত আরও শক্ত হল। মামণির মাথা নড়ল সম্মতিতে। বনবিহারী বললেন, ‘আমি তোমার চেয়ে যে অনেক বড়।’

    মাথা নেড়ে প্রতিবাদ করল মামণি।

    ঠিক তখনই বাইরে থেকে গলা ভেসে এল, ‘দরজা খুলুন।’

    তারপরেই বৃদ্ধের গলা কানে এল, ‘বনবিহারীবাবু, দরজা খুলুন।’

    কোনওরকমে নিজেকে আবৃত করে বনবিহারী নীচে নেমে এলেন।

    কালীচরণ বলল, ‘বাবু, পুলিশ!’

    বনবিহারী দরজা খুললেন। পুলিশ অফিসার বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এরা?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনারা আজ এসেছেন?’ অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন।

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন, ‘হ্যাঁ।’

    ‘এখানে কয়েকমাস মাওবাদীরা পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে যায়নি। আজ কেন গেল?’ অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘আমার জানা নেই।’

    ‘আপনারা এখানে কাউকে আশ্রয় দিয়েছেন?’

    ‘না।’

    ‘এই, সার্চ করো।’ অফিসার বলতেই একজন সেপাই বাড়িতে ঢুকে পড়ল।

    ‘আপনি কোথায় থাকেন।’

    বনবিহারী বললেন। জানালেন তিনি একজন ডাক্তার।

    ‘এ কে?’

    ‘আমাদের পরিচারক।’

    টর্চের আলো ফেললেন অফিসার একটু দূরে। সেখানে সদ্যমৃত রক্তাক্ত একটি শরীর পড়ে আছে, ‘চেনেন?’

    ‘না।’

    সেপাইটি নেমে এল মামণিকে সঙ্গে নিয়ে। শোওয়ার পোশাক ওর পরনে। অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ইনি কে?’

    বনবিহারী পরিষ্কার গলায় বললেন, ‘আমার স্ত্রী।’

    বৃদ্ধ অবাক হয়ে তাকালেন। কালীচরণের চোখ বড় হল।

    ‘ঠিক আছে। কিন্তু দুজনের দেখছি বয়সের বেশ তফাত!’ অফিসার বললেন।

    ‘বেশি বয়সে বিয়ে করলাম।’

    ‘ও। ঠিক আছে, যান আপনারা।’

    মৃতদেহ নিয়ে পুলিশের গাড়ি চলে গেল। বৃদ্ধ বললেন, ‘ছি ছি ছি, আমি তখন ভুল করে মেয়ে বলেছিলাম, আপনি সংশোধন করে দেবেন তো।’

    বনবিহারী হাসলেন।

    বৃদ্ধ চলে গেলে কালীচরণ বলল, ‘যে ছেলেটা গুলি খেয়ে মরেছে তার বয়স বেশি নয়।’

    ‘আমি দেখিনি।’ বনবিহারী বললেন।

    ‘আমাদের সন্তানের যে কী হল!’ কালীচরণ বলতেই আচমকা কেঁদে উঠল মামণি। আর্তনাদ হয়ে গেল কান্নার শব্দ।

    বনবিহারী হতভম্ব। যে মা এতটা কাল সন্তান নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত ছিল না; ছেলে বেঁচে আছে না মরে গেছে তা নিয়ে কোনও উদ্বেগ দেখায়নি সে আজ হঠাৎ কালীচরণের কথা শুনে এইভাবে কাঁদছে কেন? আজ একটু আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা কি ওর বুকের ভেতর জমে অনড় হয়ে থাকা পাথরটাকে সরিয়ে দিল!

    বনবিহারী এগিয়ে গিয়ে ওর কাঁধে হাত রাখতেই কান্নাটা ফোঁপানিতে নেমে এল।

    বনবিহারী বললেন, ‘চলো।’

    বনবিহারীর বাজুতে মুখ রাখল মামণি।

    কালীচরণ মুখ ঘুরিয়ে নিল অন্যদিকে।

    (সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }