Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগুনবেলা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প575 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাউদাউ আগুন – ৯

    নয়

    দরজা খুলে বনবিহারী দেখলেন একজন বয়স্কা মহিলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলুন!’

    ‘আমি আপনার পাশের বাড়ির শিবশংকরের শাশুড়ি।’ সুনয়নী মাথা দোলালেন।

    ‘ও! কোনও সমস্যা—?’

    ‘না না। কাল থেকে কোমরে খুব ব্যাথা লাগছে, উঠতে বসতে খচ করে উঠছে। মেয়ে বলল, পাশের বাড়িতে আপনি আছেন, দেখিয়ে নিতে।’ সুনয়নী মিথ্যে কথাগুলো মুখের দিকে তাকিয়ে বলতে সাহস পেলেন না।

    ‘ও! আপনি বিকেল পাঁচটা নাগাদ আমার চেম্বারে যাবেন। আমি দেখে দেব।’

    ‘চেম্বারে? বাব্বা! অতদূরে যেতেই পারব না। হাঁটতে গেলেও লাগছে।’

    ‘একটা রিকশা নিয়ে নেবেন। বাড়িতে আমি কোনও পেশেন্ট দেখি না। আচ্ছা, নমস্কার। প্রায় মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিলেন বনবিহারী।

    ততক্ষণে ঘরে ঢুকেছিল কালীচরণ। এবার ফিসফিস করে বলল, ‘সর্বনাশ।’

    ‘সর্বনাশের কি হল?’ বনবিহারী বাথরুমের দিকে এগোচ্ছিলেন।

    ‘মিথ্যে কথা, একদম মিথ্যে কথা কাল বিকেলেও ওঁকে সেজেগুজে চা বাগানের দিকে বেড়াতে যেতে দেখেছি। আজ সকালেও বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে গল্প করছিল। কোমরে ব্যথার বাহানা নিয়ে এ বাড়িতে এসেছিল।’ কালীচরণ বলল।

    ‘কি লাভ? একজন মধ্যবয়সি মহিলা বানিয়ে রোগের কথা বলতে আসবেন কেন? মনটাকে দিন দিন ছোট করে ফেলছ তুমি।’ বকলেন বনবিহারী।

    ‘আমি মন ছোট করছি? আচ্ছা বলুন তো এইসময় কোনও বাড়ির মা-পিসি অমন সাজগোজ করে পাশের বাড়িতে যায়? ওকে কি দেখে আপনার মনে হল ডাক্তারের কাছে অসুখের কথা বলতে এসেছে না নেমন্তন্ন খেতে এসেছে?’ কালীচরণ খেঁকিয়ে উঠল।

    ‘নেমন্তন্ন!’

    ‘উঃ! খোঁজ নিতে এসেছিল। আপনি যদি বাইরের ঘরে বসে ব্যথার ফিরিস্তি শুনতেন, উনি কানখাড়া করে থাকতেন আর কারও গলা শোনার জন্য। নিশ্চয়ই টের পেয়েছেন এই বাড়িতে নতুন মানুষ এসেছে। এই বাচ্চাটাও হয়েছে তেমনি। খিদে পেলেই মরাকান্না কাঁদতে আরম্ভ করে।’ কালীচরণ ভেতরে চলে গেল।

    বাথরুমে যাচ্ছিলেন হাত-পা ধুতে, যাওয়া হল না। একটা চেয়ারে বসে পড়লেন বনবিহারী। শিশুর কান্না তো মুখ চাপা দিয়ে থামানো যায় না। এই বাড়ি থেকে সেই কান্না ভেসে এলে প্রতিবেশীরা কৌতূহলী হবেনই। কালীচরণের কথা যদি সত্যি হয় তাহলে ভদ্রমহিলা কোমরের ব্যথা না বলে যদি জিজ্ঞাসা করতেন, আপনার বাড়িতে বাচ্চা এসেছে নাকি তাহলে কী জবাব দিতেন? শিবশংকর তো এই ঘরে এসে গল্প করে গেছে কতবার। সে-ও তো ভেতরে গিয়ে দেখতে পারে। চেষ্টাচরিত্র করে মামণিকে লুকিয়ে রাখা সম্ভব কিন্তু কোনও শিশুকে নয়। কোলে ওঠার বয়স হলেই বাইরে বেরুতে চাইবে। বেশি চাপাচাপি করে রাখলে লোকের মনে অন্যরকম সন্দেহ হবে। মাথা নাড়লেন বনবিহারী। না, সেটা হতে দেওয়া ঠিক হবে না। কিন্তু কি পরিচয় দেওয়া যায় ওদের?

    কালীচরণ ঘরে এল বাজারের ব্যাগ হাতে। বলল, ‘জলখাবার দিয়ে যাব?’

    ‘অ্যা!’

    ‘কি হল? এভাবে বসে আছেন কেন?’

    ‘না ভাবছি ওদের এভবে লুকিয়ে রাখা ঠিক হচ্ছে না। আজ বাদে কাল লোকে জানতেই পারবে। তার চেয়ে—।’ কালীচরণের মুখের দিকে তাকালেন বনবিহারী, ‘আচ্ছা, যদি বলা হয় মামণি আমার পিসতুতো দিদির মেয়ে। বিধবা হয়েছে বলে শ্বশুরবাড়িতে থাকতে পারছে না। ওর ভাইরাও রাখতে চাইছে না বলে এখানে এসেছে। কি মনে হয়? লোকে বিশ্বাস করবে?’

    কালীচরণ বলল, ‘আপনি তো বেশ গল্প বানাতে পারেন! যা বলবেন তা থেকে নড়া চলবে না। ওর শ্বশুরবাড়ি কোথায় ছিল, মায়ের বাড়ি কোথায় সব ভেবেচিন্তে বলতে হবে। যারা শুনবে তারা যদি বিশ্বাস না করে তো আমাদের কিছু করার নেই। যান মুখ-হাত ধুয়ে নিন। আপনাকে জলখাবার দিয়ে হাটে যাব। অনেক দেরি হয়ে গেছে।’

    ‘সে কোথায়?’

    ‘তিনি এতক্ষণ রান্নাঘরে ছিলেন। আমার লুচি ভাজা দেখছিলেন। এখন চানে ঢুকেছেন।’ কালীচরণ ফিরে গেল রান্নাঘরে।

    জলখাবার খেয়ে নিজের খাটে শরীর এলিয়ে দিলেন বনবিহারী। শোয়ার পর মনে হল সকাল থেকে বাচ্চার কান্না শুনতে পাননি। ভাবলেন একবার ওদের ঘরে গিয়ে দেখে আসবেন। তখনই পালবাবুর কথা মাথায় ফিরে এল। লোকটাকে নিয়ে কি করা যায়? একজন ষাট বছরের লোক সারাজীবন অনেক ভোগ করেও ক্ষান্ত হল না? এখনও তার নারীসঙ্গ পাওয়ার বাসনা? তাঁকে ভায়াগ্রা আনিয়ে দিতে বলেছে। এই বলাটা ব্ল্যাকমেইল করা ছাড়া আর কিছুই নয়। জেনেশুনে সেটা মেনে নেবেন কি করে?

    আবার না মেনে নিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। তাঁকে জেলে যেতে হবে। মামণিকেও। ওই বাচ্চাটার কি হবে? ভেবে কুল পাচ্ছিলেন না বনবিহারী। একমাত্র পথ হল মামণিকে বাচ্চা সমেত কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া। তারপর পুলিশ যদি জানতে পারে তাহলে কিছুই প্রমাণ করতে পারবে না। পায়ের শব্দ হল, চোখ খুললেন বনবিহারী।

    মামণি দাঁড়িয়ে আছে খাটের পাশে। হাসছে। দীর্ঘাঙ্গিনী মেয়েটির পরনে লাল শাড়ি। বনবিহারীর কাছে থেকে টাকা নিয়ে কালীচরণ গত সপ্তাহে ধুপগুড়ি থেকে কিনে এনেছিল। সেই শাড়ি পরেছে আজ।

    আবার হাসল মামণি। তারপর একটা আঙুল ব্লাউজের হাতার মধ্যে ঢুকিয়ে দেখাল এটা বড় হয়েছে।

    বনবিহারী মাথা নাড়লেন, ‘কালীচরণের কাণ্ড। ঠিক আছে, আর এক সাইজ ছোট নিয়ে আসতে বলব। তোমাকে শাড়িতে খুব ভালো দেখাচ্ছে।’

    লজ্জা পেল না মেয়েটা। উলটে এক পাক ঘুরে নিল।

    একটু সরে গেলেন বনবিহারী, ‘বসো এখানে।’

    মামণি বসল। তার কপালে ভাঁজ পড়ল বনবিহারীর মুখ দেখে।

    ‘তুমি যাদের সঙ্গে ছিলে তাদের পুলিশ মেরে ফেলেছে। হয়তো যে তোমার সন্তানের বাবা সে-ও বেঁচে নেই। কিন্তু তাতেও শান্তি হল না। চ-বাগানের ভেতর যে ছেলেটার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল তার খুনিকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছে এখন। এ বাড়িতে কোনও মেয়ে বা শিশু যে কখনও ছিল না তা সবাই জনে। পুলিশ যদি জানতে পারে ওই দলে একটি মেয়ে ছিল তাহলে তোমার বিপদ হবে। তাছাড়া যার গাড়িতে তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম সে খবরটা ফাঁস করে দিতে পারে। তাই তোমার আর এখানে থাকা উচিত নয়। তোমার মা-বাবা কোথায় থাকেন সেটা বলো।’ বনবিহারী তাকালেন।

    মামণি মাথা নাড়ল। হাত নেড়ে বোঝাল তারা কেউ নেই।

    ‘তুমি কার কাছে ছিলে? কাকাদের কাছে?’

    মাথা নাড়ল মামণি, না।

    ‘তাহলে মামার বাড়িতে?’

    ‘সঙ্গে সঙ্গে প্রবলভাবে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল মামণি।

    ‘ও।’ বনবিহারী একটা সূত্র পেয়ে উঠে বসলেন, ‘মামার বাড়ির ঠিকানাটা লিখে দাও। আমি তোমাদের সেখানে পৌঁছে দেব।’

    দ্রুত মাথা নেড়ে আপত্তি জানাল মামণি। বোঝাতে চাইলেন বনবিহারী কিন্তু কিছুতেই মানতে চাইল না সে।

    ‘বেশ। তাহলে অন্য জায়গায় আমি ব্যবস্থা করছি।’ গম্ভীর গলায় বললেন বনবিহারী।

    সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ল মামণি। বনবিহারীর কোলের ওপর মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। তার মাথাটা এপাশ-ওপাশ করছে।

    আড়ষ্ট হয়ে বসে থাকলেন বনবিহারী। কান্নার শব্দ বাড়ছে। বনবিহারীর ভয় হচ্ছিল আওয়াজটা বাইরে গেলে যে কেউ শুনতে পাবে। তিনি মামণির মাথায় হাত বুলিয়ে শান্ত করতে চাইলেন। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হল না। ভয় বাড়তে লাগল বনবিহারীর। শেষ পর্যন্ত তিনি বলতে বাধ্য হলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। তোমাকে কোথাও যেতে হবে না।’

    সঙ্গে সঙ্গে মাথা স্থির হয়ে গেল, কান্নাও বন্ধ। কয়েক সেকেন্ড পরে ধীরে ধীরে মুখ তুলল মামণি। চোখের জলে গাল ভিজে গেছে। সেই অবস্থায় সন্দেহ দৃষ্টিতে বনবিহারীর ডান হাত নিজের হাতে ধরে মাথা ঝাঁকাল। অর্থাৎ সত্যি তো!

    বনবিহারী বললেন, ‘হ্যাঁ।’

    আচমকা বনবিহারীর গলা দু-হাতে জড়িয়ে ধরে টুক করে ওঁর গালে চুমু খেয়ে দৌড়ে চলে গেল মামণি এই ঘর থেকে।

    বনবিহারী হতভম্ব। শ্বাস স্থির হয়ে গিয়েছিল তাঁর। এই পঞ্চাশ উত্তীর্ণ বয়সে এই প্রথম কোনও যুবতী তাঁর গালে চুমু খেল। শরীরের সব শক্তি যেন এক লহমায় উধাও হয়ে গিয়েছে। এবং তারপরেই একটা অপরাধবোধে আক্রান্ত হলেন তিনি। ছি ছি। এটা কি হল? ঠিক সময়ে বিয়ে করলে এর বয়সি একটা মেয়ে থাকত তাঁর। মেয়েটা কি পাগল? কিছুদিন আগে যার জন্যে ও মা হয়েছে সে নেই জেনেও শোকে ভেঙে পড়েনি। এখন তাঁর গালে চুমু খেল? ও যদি ভেবে থাকে আর পাঁচটা পুরুষের মতো বনবিহারীও সহজলভ্য তাহলে এক মুহূর্ত এখানে থাকতে দিতে পারেন না তিনি। আজ যেটা শুরু হল সেটা তো ক্রমশ আরও বাড়তে পারে। ভাবতেই কণ্টকিত হলেন তিনি। হাতের চেটো দিয়ে গাল মুছলেন।

    খাট থেকে নামতেই দ্বিতীয় ভাবনাটা মাথায় এল। একেবারেই সারল্য থেকে মামণি তাঁকে চুমু খেতে পারে। না যেতে চাওয়ার আবদার পূর্ণ হয়েছে ভেবে আনন্দের আতিশয্যে সে নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনি। এবং কাজটা যে খারাপ, ঠিক নয়, এই বোধ ওর ছিল না। তাঁর নিজের মনে কু থাকায় তিনি খারাপ ভাবে নিচ্ছেন। ব্যাপারটাকে এভাবে ভাবতেই লজ্জিত হলেন বনবিহারী।

    বাইরের দরজায় শব্দ হচ্ছিল। ভেতর থেকে বন্ধ করে কালীচরণ খিড়কি দরজা দিয়ে বেরিয়ে হাটে গিয়েছে। বনবিহারী ঘরগুলো পেরিয়ে এসে দরজা খুললেন। একজন মাঝবয়সি মানুষ দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ডাক্তারবাবু আছেন?’

    ‘কি দরকার বলুন?’

    ‘ওঁকেই বলব।’

    ‘আমিই ডাক্তার।’

    ‘ওহো।! নমস্কার। নমস্কার। আমি শম্ভুর জামাইবাবু। ও আমাকে খবর পাঠিয়েছিল। আজ এখানে এসে শুনলাম ওকে জরুরি কাজে মালিককে নিয়ে শহরে যেতে হচ্ছে। বিকেলে ফিরবে। ততক্ষণ তো অপেক্ষা করতে পারব না। ওই আপনার চেম্বারের ঠিকানা দিয়ে দেখা করতে বলল। সেখানে গিয়ে দেখলাম চেম্বার বন্ধ। তাই ঠিকানার খোঁজ নিয়ে এখানে চলে এলাম। ভেতরে গিয়ে বসতে পারি?’

    ‘আপনার নাম?’

    ‘হরিপদ দাস।’

    ‘আসুন।’

    ঘরে ঢুকে চেয়ারে বসে হরিপদ বললেন, ‘শম্ভু নিশ্চয়ই আমাদের কথা বলেছে। বহু বছর বিয়ে হয়ে গেল। আমাদের কোনও সন্তান হচ্ছে না। অথচ ডাক্তার বলছেন আমার বা আমার স্ত্রীর কোনও দোষ নেই। বুঝতেই পারছেন সংসারে সন্তান না থাকলে কীরকম খাঁ-খাঁ লাগে চারধার। তাই ভেবেছিলাম কোনও ভালো বংশের বাচ্চাকে দত্তক নেব। খোঁজও পেয়েছি কাল কিন্তু সেটি মেয়ে। মেয়ে মানেই বিশ-বাইশ বছর পর পরের ঘরে চলে যাবে। তা শম্ভু খবর দিল আপনার কোনও আত্মীয় এবং তার স্ত্রী গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে কিন্তু তার দু-মাসের বাচ্চা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে। বাচ্চাটাকে দেখাশোনা করার কেউ নেই বলে আপনি আপনার কাছে নিয়ে এসেছেন। আপনি নাকি চাইছেন কোনও ভালো পরিবার ওকে দত্তক নিক। এই বাচ্চা কি ছেলে?’ হরিপদ জিজ্ঞাসা করলেন।

    মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললেন বনবিহারী।

    ‘বাঃ। এর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে! আপনি আমার সম্পর্কে যদি খোঁজখবর নেন তাহলে কোনও খারাপ কথা শুনতে পাবেন না। কার বাড়িতে বাচ্চা যাচ্ছে তা নিশ্চয়ই জানতে চাইবেন। তবে একটা অনুরোধ, আমরা স্বামী-স্ত্রী ছাড়া, শম্ভু এবং আপনার বাইরে যেন আর কোনও পঞ্চম ব্যক্তি এটা না জানে।’

    ‘কিন্তু আপনি বাচ্চাটাকে নিয়ে গেলে পাড়া-প্রতিবেশীরা তো প্রশ্ন করবে।’

    ‘সে তো ঠিকই। তাই ঠিক করেছি স্ত্রীকে আগামী পাঁচ-সাত মাস কলকাতায় পাঠিয়ে দেব। পাঁচজনকে বলব ওর শরীরে সন্তান এসেছে কিন্তু এতদিন বাদে এসেছে বলে ডাক্তার বলেছেন কলকাতায় নিয়ে গিয়ে রেগুলার চেক আপে থাকতে। দুই-আড়াই মাস পরে সবাইকে জানিয়ে যাদেব যে ওর ছেলে হয়েছে। শুনেছি আপনার কাছে যে আছে তার বয়স এখনও একমাস হয়নি। দু-মাসের বাচ্চার সঙ্গে পাঁচ মাসের বাচ্চার কি পার্থক্য হবে।’

    হরিপদ হাসলেন। যেন দারুণ পরিকল্পনা করেছেন।

    ‘এ তো ভালো কথা হরিপদবাবু। কিন্তু শম্ভু বোধহয় জানে তাই আপনাকে বলেনি।’

    ‘কি বলুন তো?’

    ‘আমার আত্মীয়টি মারা গিয়েছে কিন্তু তার স্ত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বেঁচে গেছে। শুধু দুর্ঘটনার কারণে ওর কথা বলার শক্তি হারিয়ে গেছে।’

    ‘অ্যাঁ!’

    ‘না তাতে কোনও অসুবিধে নেই। ওই বাচ্চাকে মানুষ করার সামর্থ্য ওর নেই। আপনি দত্তক নিতে চাইলে নিতেই পারেন। শুধু—!’

    ‘শুধু?’

    ‘কোনও মা কি তার বাচ্চাকে ছেড়ে থাকতে পারে? যদি তাকেও নিয়ে যান তাহলে সর্বাঙ্গসুন্দর হয়। মেয়েটি শিষ্ট, ভদ্র। শুধু কথা বলতে পারে না এই যা।’

    ‘কি আশ্চর্য! লোকে কি বলবে?’ সোজা হয়ে বসলেন হরিপদ।

    ‘পাঁচজনকে বলবেন কলকাতা থেকে ছেলেকে দেখাশোনা করার জন্যে আয়া এনেছেন।’ বনবিহারী বললেন।

    হরিপদ দাস একটু ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘না ডাক্তারবাবু। গাইবাছুর একসঙ্গে নিয়ে যেতে পারব না। আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ, আয়া রাখার ক্ষমতা নেই।’

    ‘ওর মায়ের জন্যে খাওয়াপরা ছাড়া কোনও খরচা করতে হবে না আপনাকে।’

    ‘মায়ের বয়স কত?’

    ‘কত হবে। বড় জোর চব্বিশ।’

    ‘দেখতে শুনতে?’

    ‘ভালো। বেশ ভালো।’

    ‘ওরে ব্বাবা! অসম্ভব।’

    ‘কেন?’

    ‘আমার স্ত্রীকে তো আপনি কখনও দ্যাখেননি। সবসময় আমাকে সন্দেহ করেন। তারপর যদি বাচ্চার মাকে নিয়ে যাই তাহলে জীবন নরক হয়ে যাবে। সবসময় সন্দেহ করবেন আমি তার সঙ্গে ফস্টিনস্টি করছি।’

    ‘মেয়েটি কথা বলতে পারে না হরিপদবাবু।’

    ‘কথা কে চায়? শরীর, মেয়েমানুষের শরীর হল তাদের শত্রু। অন্য মেয়েমানুষও সেটা সহ্য করতে পারে না। না ডাক্তারবাবু, শুধু বাচ্চা পেলে আমি ওকে নিয়ে যেতাম। আপনি ওর মাকে বুঝিয়ে বলুন।’ হরিপদ বললেন।

    ‘চেষ্টা করেছি, সক্ষম হইনি।’ মাথা নাড়লেন বনবিহারী।

    ‘ঠিক আছে। বাড়ি গিয়ে গিন্নীকে বলি। মনে হয় রাজি হবেন না। আসলে কি জানেন, অজ্ঞাতপরিচয় বাচ্চাকে তো দত্তক নিতে পারি না। হয়তো বাপ খুনি ছিল, বড় হয়ে দেখব এটাও তাই হয়েছে। রক্ত তো কথা বলে এক্ষেত্রে সেই ভয় ছিল না। আচ্ছা!’ হরিপদ উঠে বেরিয়ে যেতে যেতে দাঁড়ালেন।

    ‘একটা অনুরোধ করব। বাচ্চাটাকে দেখা যাবে?’

    ‘আপনি স্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে মন স্থির করুন। বাচ্চাটা বেশ হেলদি। ওকে নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই।’ বনবিহারী এগিয়ে গেলেন।

    হরিপদকে বিদায় দিয়ে দরজা বন্ধ করতে করতে দেখতে পেলেন কালীচরণ হাট থেকে ফিরছে। ঘরে ঢুকে সে বলল, ‘যা সন্দেহ করেছিলাম তাই। মতির মায়ের সঙ্গে দেখা। জিজ্ঞাসা করল আমাদের বাড়ি থেকে বাচ্চার কান্না সে শুনতে পেয়েছে। আমি আর কী বলব, বললাম, ডাক্তারবাবুর দূরসম্পর্কের আত্মীয়-স্বজন এসেছে। বাচ্চাটা তাদেরই। সে বিশ্বাস করল।’

    ‘বাঃ খুব ভালো বলেছ। তাহলে তো সমস্যা চুকে গেল।’

    ‘না যায়নি। জিজ্ঞাসা করলাম একথা তুমি আর কাউকে বলেছ নাকি? প্রথমে ন্যাকামি করল। ওমা, একটা বাচ্চা কাঁদছে আর আমি তার কথা বলে বেড়াব নাকি! শুধু তোমাদের পাশের বাড়ির নতুন মাসিমা জানতে চাইল তাই বলেছি। বুঝলেন। শুনেই বুড়ি ছুটে এসেছে কোমরের ব্যথার ভান করে।’ কালীচরণ বলল। ভদ্রমহিলাকে তোমার বুড়ি বলে মনে হয়েছে?’

    ‘নয়তো কি! অতবড় মেয়ে, বিয়ে হয়ে গেছে, বুড়ি নয় তো কি ছুঁড়ি?’ ভেতরে যেতে যেতে কালীচরণ বলে গেল, ‘আজকাল অবশ্য যেভাবে শাড়ি পরে কে বুড়ি আর কে ছুঁড়ি দেখলে বোঝা যায় না।’

    শম্ভুর জামাইবাবুকে বিদায় করে খুশি হলেন বনবিহারী। যদি মামণি না থাকত তাহলে তিনি মানুষটিকে নিরাশ করতেন না। কিন্তু ইচ্ছেয় হোক অনিচ্ছেয় হোক তিনি মামণিকে কথা দিয়ে ফেলেছেন। এখন মনে হচ্ছে সেটা দিয়ে ভালো করেননি। ভেতরের ঘরে গেলেন বনবিহারী। বাচ্চাটাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে মামণি। কোনও আড়াল-আবডাল নেই। প্রচণ্ড লজ্জা পেয়ে সরে এলেন বনবিহারী।

    মেয়েটি মন্দ রাঁধে না। কালীচরণ যে হাটে গিয়ে মাংস কিনে এনেছে তা তিনি জানতেন না। রেডমিট খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। বহু মাস খাওয়া হয়নি বলে আজ খেলেন। তার আগে কালীচরণ যথারীতি ঢেঁকির শাক রাঁধতে গিয়ে ধেরিয়েছে। পাথরঠোকা বা ছিলামাছ মোটামুটি। এসব জিনিস মায়ের হাতে কি দারুণ খুলত।

    খাওয়ার টেবিলে একাই খেতে বসেছিলেন তিনি। জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সে কোথায়?’

    ‘বাচ্চার কাছে। ঘুম পাড়াচ্ছে।’

    মাংস পাতে ঢাললেন বনবিহারী। ভাতে ঝোল মেখে মুখে দিতেই বুঝলেন ওই রান্না কালীচরণের কর্ম নয়। স্বাদে-গন্ধে অপূর্ব হয়েছে। আর একটু ভাত চেয়ে নিলেন।

    কালীচরণ জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন খাচ্ছেন মাংস?’

    ‘তোমার হাত এত ভালো হল কি করে?’

    ‘এটা আমি করিনি। মামণি করেছে।’

    ‘অ।’

    ‘কোনোদিন ভাত নেন না, আজ নিলেন যে!’

    ‘নাঃ। সত্যি ভালো রেঁধেছে মেয়েটা।’

    এইসময় মামণি দরজায় এসে দাঁড়াতেই কালীচরণ বলল, ‘কাল থেকে তুমি রাঁধবে। তোমার হাতের রান্না খাওয়ার পর বাবু আমার রান্না খাবেন না।’

    সঙ্গে-সঙ্গে হাত নেড়ে যা বলল তা শুধু গোঙানি শোনাল।

    বনবিহারী বললেন, ‘এসো, খেতে বসো।’

    মাথা নাড়ল মামণি। তারপর আঙুল নেড়ে নিজেকে আর কালীচরণকে দেখিয়ে দিল। অর্থাৎ সে কালীচরণের সঙ্গে খাবে।

    কালীচরণ বলল, ‘দেখুন মেয়ের কাণ্ড! আমি যে এ বাড়ির কাজের লোক তাও বোঝে না। আচ্ছা জ্বালায় পড়লাম।’

    দুপুরের পর হাটের চেহারা বদলে যায়। শাক-সবজি, মাছের দোকান উধাও হয়ে যায়। তার বদলে বসে চুড়ি, সাবান স্নো, মেয়েদের মাথার ফিতে থেকে অন্যান্য সাজগোজের জিনিসের দোকান। এসময় আদিবাসী মেয়েরা দলে দলে আসে সেগুলো কিনতে। বনবিহারী দেখতে দেখতে হাঁটছিলেন। হঠাৎ তাঁর চোখ পড়ল একটি চাকাওয়ালা ভ্যানের ওপর। সেখানে রঙবেরঙের কাচের চুড়ি সাজানো। এগিয়ে গিয়ে নীল আর সোনালি রঙের একডজন চুড়ি কিনে ফেললেন। দরাদরি করলেন না। কারণ তিনি প্রকৃত দর জানেন না। ঠোঙায় মোড়া চুড়িগুলো পকেটে পোরার পর চারপাশে তাকালেন। না। পরিচিত কেউ নেই।

    আজ চেম্বারে কোনও পেশেন্ট নেই। যে ছেলেটি দরজা খোলা-বন্ধ করে সে জানাল, ‘সকালে এগারোজন এসেছিল। বিকেলে আপনি আসেন না বলে কেউ আসেনি। আমি বলে দিয়েছি কাল আসতে।’

    বনবিহারী চুপচাপ বসে নতুন ওষুধের লিটারেচার পড়ছিলেন। কত কি ভালো ওষুধ বেরিয়েছে। সেগুলো নোট করছিলেন। হঠাৎ একটা রিকশা চেম্বারের সামনে এসে দাঁড়াল। বনবিহারী মুখ তুলে দেখলেন শিবশংকরের শাশুড়ি রিকশা থেকে নামছেন। নামার সময় ভদ্রমহিলাকে বেশ স্বচ্ছন্দ বলে মনে হল। রিকশা দাঁড় করিয়ে চেম্বারে আসার সময় তিনি খোঁড়াতে শুরু করলেন। দরজায় এসে বললেন, ‘ব্যথাটা আরও বেড়েছে ডাক্তারবাবু।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article বুকের ঘরে বন্দি আগুন – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }