Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বড় ভালো বউ তারা দুজন

    অনেক কাল আগে এক পাহাড়ি গাঁয়ে থাকত একটা লোক। তার ছিল একটি ছেলে। কিশোর বালক। তার নাম কারে। একদিন বাবা-ছেলে আগুনের পাশে বসে রয়েছে। গল্প-গুজব করছে। হঠাৎ ছেলে বলল, “বাবা, আমাকে কিন্তু একটা তীর-ধনুক দিতে হবে।

    বাবা কোনদিন তীর-ধনুক দেখেনি, এরকম কোন জিনিসের নামও শোনে নি। বাবা জানেই না, তীর-ধনুক আবার কিরকম দেখতে হয়। তাই বাবা কিছু বলতে পারল না। চুপ করে রইল। যে জিনিস সে কোনদিন দেখেনি, তা নিয়ে সে কথা বলবে কেমন করে? ছেলে ঘ্যানঘ্যান করতে লাগল। তীর-ধনুক তার চাই-ই। বারবার একই কথা বলতে লাগল, একই জিনিস চাইতে লাগল। বাবা আর কি করবে? জানতে চাইল—তীর-ধনুক কেমন দেখতে হয়। ছেলে বলল। বুঝিয়ে দিল বাবাকে। শেষকালে বাবা ধনুকের মতো একটা জিনিস বানিয়ে দিল। চুল্লি থেকে এক টুকরো কাঠ তুলে নিল, আগুন নিভিয়ে ফেলল আর সেই কাঠ থেকে তৈরি করল একটা তীর। ছেলে কারের আনন্দ দেখে কে! সেই তীর-ধনুক নিয়ে সারাদিন সে খেলে বেড়াল।

    রাত্তীর হল। খেলা বন্ধ। ভোর হতেই আবার খেলা শুরু হল। হাতে তীর-ধনুক। বাড়ির বাইরে খুব কাছাকাছি খেলছে কারে। পাশ দিয়ে বড় বড় পা ফেলে যাচ্ছিল একটা মুরগি। নিজেদের মুরগি। তীর ছুটে গেল কারের ধনুক থেকে। উলটে পড়ল মুরগি। মরে গেল। পরের দিন খেলছে কারে, হাতে তীর-ধনুক। শুয়োরের একটা বাচ্চা ছাইগাদায় খাবার খুঁজছে। নিজেদের শুয়োর। তীর ছুটে গেল কারের ধনুক থেকে। ছটছট করল শুয়োরের বাচ্চা, চিৎকার করল, পা চারটে ছড়িয়ে পড়ল। মরে গেল শুয়োরের বাচ্চা।

    বাবা ভীষণ চটে গেল। দু-দুটো প্রাণী মারা পড়ল ছেলের হাতে। অকারণে। বাবা রেগে গিয়ে বলল, “তুমি যদি এভাবে নিত্যিনিত্যি ঘরের পোষা পশুপাখি মারতে থাকো তাহলে তো সর্বনাশ হয়ে যাবে। কয়েকদিনেই তো সব শেষ হয়ে যাবে। কিছুই বাকি থাকবে না। পশুশিকার যদি করতেই চাও, তবে বনে চলে যাও। সেখানে অনেক বুনো পশুপাখি আছে। ঘরের পশু আর মারবে না। বনে চলে যাও।

    ছেলে সঙ্গে সঙ্গে বলল, তাহলে আমাকে সত্যিকারের তীর-ধনুক বানিয়ে দাও। বাঁশের তৈরি বাঁকানো ধনুক, বাঁশের তৈরি ছুঁচলো তীর। আমি ঠিক বনে চলে যাব।

    কিন্তু তাদের এলাকায় ভালো বাঁশগাছ জন্মায় না। বাবা এখন কী করবে? এধারে বাঁশের ভালো তীর-ধনুক না পেলেও তো ছেলে ছাড়বে না? আর মারা পড়বে ঘরের নিরীহ মুরগি আর শুয়োরের বাচ্চা। বাবা আর কি করে? রওনা দিল দূর পাহাড়ি বনে। সেখানে রয়েছে খুব সুন্দর বাঁশের ঝাড়। চলেছে পাহাড়ি পথে, বাবা চলেছে বাঁশ আনতে। শেষকালে বাবা পৌঁছল এক পাহাড়ি গাঁয়ে। চারিদিকে বন। আবিঙ-নিবো-র গাঁয়ে। সেই গাঁয়ের পাশে একটি সমাধি রয়েছে। উইয়ু তেতিক-বোত্তের-সমাধি। সেই সমাধির ওপরে সুন্দর সুন্দর বাঁশের গাছ। এত সুন্দর গাছ আর কোথাও নেই। সেখান থেকে সে কেটে আনল একটা লম্বা লকলকে বাঁশ। তার থেকে তৈরি করল খুব শক্ত একটা ধনুক আর অনেক চলো তীর। ফিরে এল বাড়িতে। তুলে দিল ছেলের হাতে। কারে মহাখুশি। হাঁ, এতদিন যা সে চেয়েছে এবার সত্যিসত্যি তাই হাতে পেল। একেই বলে তীর আর ধনুক। প্রতিদিন সকাল হলেই কারে চলে যায় পাহাড়ি বনে। মনের সুখে বুনো জন্তু মারে, বুনো মুরগি মারে। মনে আনন্দ, হাতে সঠিক নিশানা। তাদের বাড়িতে অনেক মাংস, অভাব রইল না।

    গাছের ডাল ডালে বাঁদররা কারের কাণ্ড-কারখানা দেখে। ভয় পায়। একদিন তারা বলাবলি করছে, “এই ছেলে তো সাংঘাতিক। এ দেখছি একদিন আমাদেরও মারবে। মেরে শেষ করে দেবে। ওর তো আছে তীর-ধনুক। আমাদের যা নেই। কি যে হবে?

    বাদুড় ওদের কথা শুনতে পেল। উড়ে এল বাঁদরদের কাছে। বলল, “কোন ভয় নেই। আমি আছি। আমি ঠিক তীর-ধনুক ছিনিয়ে আনব। তোমাদের দেব। তোমরাও তীরধনুক পাবে।

    পরের দিন সকালে কারে বেরিয়েছে শিকারে। হাতে ভয়ানক তীর-ধনুক। এক তীরের আঘাতে সে মেরে ফেলল একটা বুনো দাঁতাল শুয়োরকে। আশ্চর্য নিশানা তার। বেত গাছের দড়ি দিয়ে শুয়োরকে বাঁধল, পিঠে ফেলে রওনা দিল কারে। শুয়েরের মাথা নীচে ঝুলছে, দুলছে।

    বাদুড় উড়ে এল কারের কাছে। বলল, “কি শক্তিমান তুমি। আশ্চর্য তোমার গায়ের শক্তি। আমি জীবনে তোমার চেয়ে সাহসী আর শক্তিশালী মানুষ দেখিনি। সাবাস!

    কারে হাসল। তৃপ্তীর হাসি। বাদুড় আবার বলল, “কিন্তু, তুমি ওই বেত গাছের দড়ি নাও কেন? ও কি তোমায় মানায়? আমি আরও ভালো দড়ির খবর জানি। ওই দেখো, ওই গাছ থেকে লম্বা লম্বা লতা ঝুলছে। ওগুলো আরও শক্ত। এই নাও একটা। শুয়োরটাকে আষ্টে-পৃষ্ঠে বেঁধে ফেলো। ঝুলিয়ে নাও পিঠে। বাড়ির দিকে হাটা দাও। মানাবে ভালো। লতাটা কারের পায়ের কাছে ফেলে দিয়ে বাদুড় উড়ে ঘন গাছের ফাঁকে চলে গেল। নতুন কিছু জানার আনন্দে কারে খুশি হল।

    দাঁতাল শুয়োরের দেহ থেকে খুলে ফেলল বেত গাছের শক্ত দড়ি। অনেক দিন থেকে সে এই দড়িই ব্যবহার কারে আসছে। শুয়োরের দেহে জড়াতে লাগল নতুন-পাওয়া লতার দড়ি। পিঠে ঝুলিয়ে নিল শুয়োরটাকে। মাথা নীচের দিকে, শুয়োর ঝুলছে, দুলছে।

    পটাং করে ছিড়ে গেল লতা। পিঠ থেকে শুয়োরের একটা দাঁত এসে বিধে গেল কারের পায়ে। যন্ত্রণায় সে চিৎকার করে উঠল। গলগল করে রক্ত পড়তে লাগল। কারের মুখ-চোখের চেহারা পালটে গেল। খুঁড়িয়ে চলল বাড়ির পথে। বাদুড় ছিল কাছেই। নেমে এল। কারের তীর-ধনুক তুলে নিল। সেগুলো দিল বানরদের। তারা মহাখুশি।

    কারে যখন বাড়ি পৌঁছল তখন তার পা ভীষণ ফুলে গিয়েছে, যন্ত্রণায় সে ছটফট করছে। এসেই সে শুয়ে পড়ল। রক্ত-পড়া বন্ধ হয়েছে। কিন্ত দেহ পুড়ে যাচ্ছে, অসহ্য যন্ত্রণা। কয়েকদিন কেটে গেল। পা আরও ফুলছে। টোটকা ওষুধে কোন কাজ হল না। কারে মারা গেল।

    কারের দুই বউ হাউ হাউ করে কেঁদে উঠল। এ তাদের কি হল? এই বয়সে স্বামী মারা গেল? আর তো কিছু করার নেই। যেখানে দাঁতাল শুয়োরটা পড়ে ছিল, যেখানে কারে আহত হয়েছিল,—কারের দেহকে সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে মাটির তলায় শুইয়ে দিল দুই বউ। সব কাজ করল, কিন্তু সবসময় তারা কাঁদছে। কাঁদতে কাঁদতে বলল, তালেণ্ড উইয়ু এমন কাজ করল, সেই আমাদের স্বামীকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল। তারা কাঁদছে।

    দুই ভালো বউ তখন পাখি হয়ে গেল। পাখি হয়ে উড়ে চলল বনের ওপর দিয়ে। উড়তে উড়তে এল তালেঙ-এর গাঁয়ে। গাঁয়ে পৌঁছে দেখে, তাদের স্বামী কারে একজন উইয়ু হয়ে গিয়েছে। সে রয়েছে সেখানে।

    গাঁয়ের ঠিক মাঝখানে ছিল একটা গাছ। দুই পাখি-বউ সেই গাছের ডালে বসল। কাঁদতে কাঁদতে কারেকে ডাকতে লাগল,—স্বামী আসুক বউদের কাছে—আসুক আসুক আসুক। কাঁদছে আর বলছে, বলছে আর কাঁদছে।

    পাখিদের এই কান্না আর চিৎকারে উইয়ুরা ভীষণ রেগে গেল। বড় বিরক্ত করছে তো দুটাে পাখি। তারা তাদের দিকে তীর ছুড়ল। ফসকে গেল তীর। তীর তাদের গায়ে লাগল না। তখন তারা কারেকে ডাকল। তাকে তীর ছুড়তে বলল। সেই মারুক ওই পাখি দুটোকে। সে তো বিরাট শিকারি। কারে এল, ধনুকে তীর লাগিয়ে নিশানা করে ছেড়ে দিল তীর। ফসকে গেল নিশানা। পাখিদের গায়ে লাগল না।

    কারেকে তীর ছুড়তে দেখে অবাক হল দুই বউ। তাদের গায়ে তীর লাগল না, কিন্তু ঝপ করে নীচের ঝোপে পড়ে গেল। ওপর থেকে পড়েও তারা বেঁচে রইল। কারে গেল কাছে। ঝোপের মধ্যে। তাকে দেখেই পাখি দুটো আর পাখি রইল না। তারা সত্যিকারের বউ হয়ে গেল। তারা মানবী হয়ে গেল। দুজনে করেকে দুপাশ থেকে ধরে বাড়ির পথে নিয়ে চলল। পাহাড়ি পথে তারা তিনজনে চলেছে। অনেক কষ্টে তাদের স্বামীকে ফিরে পেয়েছে।

    এমন সময় তারা এল সেই সমাধির কাছে, যেখানে দুই বউ কারেকে মাটির তলায় শুইয়ে রেখেছিল। সমাধি দেখেই কারে বলল, সমাধির মধ্যে আমার অনেক কিছু রয়েছে। সেগুলো নিয়ে যাওয়া দরকার। সেসব তো আমারই।

    কারে সমাধির এক পাশে খুঁড়তে লাগল। নরম মাটি, হাত দিয়ে মাটি তুলছে। একটা গর্তের মতো হল। হাত অনেকটা ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। কারে গর্তেব মধ্যে নিজের মাথা ঢুকিয়ে দিল। মাথা দিয়ে নিজের মৃতদেহ স্পর্শ করল। সঙ্গে সঙ্গে কারে হযে গেল একটা শুয়োর, আর দৌড় দিল বনের পথে।

    বউ দুজন পাশে দাঁড়িয়েছিল। অতশত বোঝেনি। এবার বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    বলল, “কত কষ্ট করে তোমাকে ফিরিয়ে আনলাম। তুমি আবার আমাদের হলে। কত কষ্ট! কত কষ্ট। কিন্তু এ তুমি কি করলে? তুমি আবার শুয়োর হয়ে বনের গভীরে হারিয়ে গেলে। হায়?

    তবু তারা ভালো বউ। হাল ছেড়ে দিল না। তারা তাদের পোষা কুকুরকে ডাকল। তাকে পাঠাল বনের গভীরে। স্বামীকে খুঁজতে। তাদের স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে।

    কুকুররা আজও শুয়োর দেখলেই নিজে থেকেই তেড়ে যায়। তারা আজও কারেকে খুঁজছে, বউ দুজনের স্বামীকে খুঁজছে। আজও পায়নি তাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }