Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক পাল বুনো মোষ

    পাহাড়ি ঘন এক জঙ্গলের পাশে ছিল এক গ্রাম। আর সেই গ্রামে থাকত একটা লোক। সে খুব গরিব। তার চেয়ে গরিব আর কেউ সেই গ্রামে ছিল না। তার কোনো জমিজিরেত ছিল না, লাঙল ছিল না, ছিল না একটাও হেলে বলদ। এমন মানুষ গায়ে দুটি নেই; তবে তার ছিল এক জোড়া ছাগল। এই তার একমাত্র সম্পদ।

    এমনি করে দিন যায়। কিন্তু দিন তো আর কাটে না। কত সহ্য করবে সে। শেষকালে সে মন ঠিক করে ফেলল,— আর নয়, এই এক জোড়া ছাগল দিয়েই চাষ করব। দেখি না কি হয়।

    লোকটা ছিল একগুঁয়ে। লেগে গেল কাজে। সে বন থেকে গাছের ডাল কেটে আনল। তাই দিয়ে ছোট্ট একটা লাঙল তৈরি করল। বড় লাঙলে কাজ হবে না। ছাগলদের মাপে ছোট লাঙল তৈরি করল। ছাগল দুটাের ঘাড়ে জুড়ে দিল লাঙল। তারপর চলল জমিতে। তার নিজের কোন জমি নেই। কিন্তু চাষ তাকে করতেই হবে। দূরে উঁচু ডাঙায় রয়েছে জমি। কাঁকুরে মাটি, কেউ কোনকালে সেখানে চাষ করে না। কেননা করেও লাভ নেই, ফসল ফলবে না। সে জমির দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। সে জমি কারও নয়। ছাগল লাঙল নিয়ে লোকটি গেল সেই কাঁকুরে ডাঙা জমিতে। শুরু করল লাঙল চালাতে। বড় পরিশ্রম, ঘাম ঝরছে দেহে, শক্ত মাটি। তবু সে হাল ছাড়ল না। শেষকালে জমি চাষ করা হয়ে গেল।

    কিন্তু জমিতে বুনবে কি? তার তো বীজধান নেই। শস্য তো বুনতে হবে। সে গেল এক পড়শির কাছে। ধার চাইল কিছুটা বীজধান। পড়শি হাসল, ফিরিয়ে দিল তাকে। বীজধান নিলে শোধ করবে কেমন করে? ওই জমিতে ফসল ফলবে?

    ফিরে এল লোকটি। দুঃখ পেল, হাল ছাড়ল না। আরও কয়েকজন পড়শির কাছে ধার চাইল বীজধান। সবাই ফিরিয়ে দিল। সবার মুখেই এক কথা।

    এবার লোকটি গেল আর এক পড়শির কাছে। না, ধার চাইতে নয়। ভিক্ষে চাইতে। তার বীজধান ভিক্ষে চাই না, ধানের অল্প তুষ হলেই চলবে। তুষ ভিক্ষে? সঙ্গে সঙ্গে পড়শি রাজি। ধানের তুষ তাকে দিল। সে ফিরে এল জমিতে।

    ধানের তুষে বীজ নেই। ভেতরে চাল নেই। নাই-বা থাকুক। পরম যত্নে আদর করে সে তাই বুনে দিল জমিতে। এমনভাবে বুনছে যেন মনে হল সে বীজধানই বুনছে। সকাল হলেই সে চলে যায় জমিতে। সারাদিন বসে থাকে গাছের নীচে।

    অবাক কাণ্ড। কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু সত্যি তাই ঘটল। সবুজ লকলকে চারা বেরুল তুষ থেকে। কচি কচি চারা, হাওয়ায় দুলছে। লোকটির চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ। চারা বড় হচ্ছে, আরও বড়, আর লকলকে। একদিন তাতে ধান হল, গাছভর্তি ধান। এত ধান আর কারও জমিতে কোনদিন ফলেনি। ধানের ভারে গাছ নুয়ে পড়ছে।

    সারাদিন ধরে লোকটি নিজের ফসল দেখাশোনা করে। রাতে অল্পক্ষণের জন্য বাড়িতে যায়। ধান পেকে এল। আর দু-চার দিনের মধ্যেই ফসল কাটার সময় আসবে।

    সেই সকালেও সে তাড়াতাড়ি চলল জমিতে। মনে ফুর্তি। এ কি সর্বনাশ! দূর থেকেই সে দেখতে পেল, জমি কেমন ফাঁকা ফাঁকা। দৌড়ে এল। জমির কাছে এসে দুঃখে মাথায় হাত দিয়ে লোকটি বসে পড়ল। তার সব ধান গাছ দলে পিষে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পাশের পাহাড়ি ঘন বন থেকে এক পাল বুনো মোষ রাতে এসেছিল। যতটা পারে ধান গাছ খেয়েছে, আর তাদের পায়ের চাপে দেহের চাপে সব ধান গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অনেকক্ষণ বসে রইল সে। শূন্য দৃষ্টিতে চেয়ে রইল তার জমির দিকে।

    আর তো কিছুই নেই। সব গেল। কি হবে এই গায়ে থেকে? তার চেয়ে মোষগুলোর পেছন ধাওয়া করাই ভালো। জঙ্গলে ওদের হদিস ঠিক পাওয়া যাবে। সে চলল পাহাড়ি ঘন জঙ্গলের পথে। বুনো মোষের পাল কোনদিকে গিয়েছে তা খুঁজে বের করা মোটেই কঠিন হল না। শত শত খুরের চিহ্ন সারা পথে-মাঠে ছড়ানো। খুরের চিহ্ন-দেওয়া পথ দিয়ে সে এগোতে লাগল। মাঠ ছাড়িয়ে বনে ঢুকল। আরও গভীর বনে। শেষকালে বনের মধ্যে একটা ফাঁকা জায়গায় এসে পৌছল। চারিদিকে শাল-মহুয়ার গাছ, মাঝখানে অনেকটা জায়গা। সেখানে বুনো মোষের পাল রাতে ঘুমোয়। সুন্দর জায়গা, আকাশ ফাঁকা, চারিদিকে ঘেরা। সেখানেই ঘুমিয়ে থাকে বুনো মোষের পাল। এরাই তার জমির ধান দলে-পিষে নষ্ট করে এসেছে।

    একটা গাছের নীচে অনেকক্ষণ লোকটি বসে রইল। বড় বিশ্রি গন্ধ বেরুচ্ছে। জায়গাটা বড় অপরিষ্কার। রাতের ফেলে-রাখা দলাদলা গোবর। মোষেরা তার ওপরেই শুয়ে থাকে। লোকটিরও কোন কাজ নেই। বড় একঘেয়ে লাগছে। উঠে পড়ল সে। গাছের লম্বা লম্বা কয়েকটা ডাল ভাঙল। একসঙ্গে করে লম্বা ঝাঁটার মতো তৈরি করল। আর অপরিষ্কার খোলা জায়গাটিকে ঝাঁট দিতে লাগল। অনেক দিনের নোংরা। বাঃ! বেশ সুন্দর লাগছে। কি পরিষ্কার!

    একটা গাছের নীচে সূর্য ডুবে গেল। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল। অন্ধকার চারিদিকে। এমন সময় লোকটি বহু খুরের আওয়াজ পেল। বুঝল, বুনো মোষের পাল ফিরে আসছে। সে তাড়াতাড়ি একটা শুকনো শাল গাছের কোটরের মধ্যে লুকিয়ে পড়ল। বুনো মোষের পাল তাদের পরিচিত ফাঁকা জায়গায় এসে অবাক হল। আঃ! কি পরিষ্কার! শোবার মতো জায়গাই বটে। তারা অবাক হল, খুশিও হল। কিন্তু ভেবে পেল না, কে তাদের জন্য এমন সুন্দরভাবে জায়গাটা পরিষ্কার করে রেখেছে। ঘুমিয়ে পড়ল তারা। বড় ক্লান্ত।

    পরের দিন ভোর বেলা দূর বনে-মাঠে যাওয়ার সময় মোষেরা এধার-ওধার তাকিয়ে দেখল। তারপরে পাল বেঁধে মিলিয়ে গেল ঘন বনের মধ্যে।

    লোকটি তো সবকিছু দেখতে পাচ্ছে। সে বেরিয়ে এল গাছের কোটর থেকে। আবার ঝাঁটা দিয়ে তাদের ঘুমিয়ে থাকার জায়গাটি পরিপাটি করে পরিষ্কার করে রাখল। খুব যত্ন করে অনেকক্ষণ ধরে ঝাঁট দিল। তারপরে গাছের নীচে ছায়ায় বসে বিশ্রাম করতে লাগল।

    সন্ধ্যার পরে ফিরে এসে মোষের পাল আবার অবাক হল। সেই একই কাণ্ড। এদিন জায়গাটি যেন আরও ঝকঝকে তকতকে লাগছে। কে করছে এমন উপকার? সে রাতে তারা ঠিক করল, পরের দিন একজনকে এখানে রেখে যেতে হবে। সে নজর রাখবে কে এমন উপকার করছে।

    পরের দিন ভোরবেলা মাঠে-বনে চরতে যাওয়ার সময় তারা একটা মোষকে সেখানে রেখে গেল। সে ছিল খোড়া। সবাই চলে গেল। সে রইল খোলা জায়গায়। দুপুর হল। ওপর থেকে আগুন ঝরছে। কোন কাজ নেই। ক্লান্ত হয়ে খোড়া মোষটা গাছের নীচে বসে পড়ল। ঘাড়টা বেঁকিয়ে পায়ের ওপরে রাখল। চোখ আপনিই বন্ধ হয়ে এল। সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    লোকটি সব দেখছে। বেরিয়ে এল গাছের কোটর থেকে। হাতে ডালের ঝাঁটা নিয়ে খুব আস্তে আস্তে ঝাঁট দিতে লাগল। কোন শব্দ না করে। তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে আবার লুকিয়ে পড়ল কোটরে। মোষটা তখনও ঘুমোচ্ছে।

    মোষরা ফিরে এল। এবার আরও অবাক হল। কেননা, খোড়া মোষটা কাউকেই দেখেনি। অথচ খোলা জায়গাটি তেমনি পরিষ্কার। এবার তারা আর একটা মোষকে ঠিক করল। সে অন্ধ। কিছুই দেখতে পায় না। কিন্তু অন্ধ বলেই তার কান অন্যদের চেয়ে বেশি সজাগ। অল্প শব্দ হলেও সে ঠিক টের পায়।

    অন্ধ মোষ দুপুরে গাছের নীচে শুয়ে রয়েছে। কিন্তু সে ঘুমোবে না। ধরতেই হবে তাকে যে এমন উপকার করছে। চোখ বন্ধ করে সে শুয়ে রইল।

    লোকটি সব দেখছে। সে বেরিয়ে এল গাছের কোটর থেকে। ডালের ঝাঁটা তুলে নিল হাতে। কান খাড়া করে রইল মোষ। সে সব বুঝতে পারছে। ঝাঁট দেওয়া শেষ হল। লোকটির চলার শব্দ হচ্ছে মাটিতে। এক জায়গায় গিয়ে শব্দ থেমে গেল। মোষ সব বুঝল।

    বুনো মোষের পাল ফিরে এল। অন্ধ মোষ সব বলল। দেখিয়ে দিল লোকটির লুকোনোর জায়গা। মোষেরা কোটরের কাছে গেল। উঁকি মেরে দেখল, ভেতরে বসে রয়েছে তাদের উপকারী বন্ধু। তাকে বাইরে আসতে বলল। লোকটি একটু ভয় পেল।

    মোষ সর্দার বলল, “তুমি খুব ভালো লোক। ভয়ের কি আছে? তুমি আমাদের কত উপকার করছ। আমরাও তোমাকে দেখব। তোমার সব দায়িত্ব আমরা নিলাম। তুমি আমাদের মধ্যেই থাকবে। রাজি তো?

    লোকটির জমি-জিরেত নেই, সংসার নেই, বউ-ছেলেমেয়ে কেউ নেই। গরিব বলে পড়শিরাও তেমন খোঁজ নেয় না। সে যাবেই বা কোথায়? সে রাজি। বুনো মোষের পালের সঙ্গেই সে থাকবে। সে রাজি। মোষের পাল খুশি হল। মোষের পাল তার দেখাশোনা করবে, আর সে মোষের পালের ঘুমোবার জায়গা পরিষ্কার করবে। এমনি করে দিন কাটে।

    একদিন বনের পথ দিয়ে কয়েকজন পথিক চলেছিল। তাদের সঙ্গে অনেক অনেক জিনিসপত্র। মোষের পাল তৈরি ছিল। শিং বাগিয়ে তেড়ে গেল। বুনো মোষের পাল দেখে পথিকরা যে যার জিনিসপত্র ফেলে পালিয়ে গেল। সব জিনিস শিঙে তুলে নিয়ে চলে এল সেই ফাঁকা জায়গায়। লোকটিকে দিল। জামা-কাপড়-চিরুনি,—অনেক কিছু। লোকটির আর কোন অভাব থাকল না। এরকম মাঝে-মধ্যেই ঘটে। পথিক সে পথে গেলেই মোষের পাল শিং বাগিয়ে তেড়ে যায়। তারাও প্রাণ নিয়ে পালায়। ফেলে যায় তাদের জিনিসপত্র। শিঙে তুলে মোষেরা সেগুলো আনে লোকটির কাছে। বেশ সুখে দিন কাটছে।

    সারা দিন লোকটি একা থাকে। কোথায় কি বিপদ ঘটে তার ঠিক নেই। মোষের পাল তাই চিন্তিত। শেষে একদিন মোষ সদার লোকটিকে দুটাে শিং দিয়ে বলল, “বন্ধু তুমি একা একা থাকো। কোথায় কি বিপদ ঘটে কে জানে। কোন বিপদ ঘটলেই তুমি এই শিঙের শিঙা বাজাবে, আমরা যেখানেই থাকি না কেন তোমার কাছে ছুটে আসব। কোন বিপদ তোমার হতে দেব না। কেউ তোমার কিছু করবে তা আমরা সহ্য করব না। তুমি যে আমাদের বন্ধু?

    লোকটি মোষের শিঙের শিঙা সবসময় নিজের কাছে রাখে। বন্ধুর দান। একদিন লোকটি পাহাড়ি নদীতে স্নান করছে। ঘাসের ওপরে শিংদুটাে রেখে দিয়েছে। এমন সময় কয়েকটা কাক ঠোঁটে করে তার শিঙা নিয়ে উড়ে কোথায় পালিয়ে গেল। জল থেকে তাড়াতাড়ি সে উঠে এল, ধাওয়া করল কিছুটা পথ। কিন্তু পাখিদের আর দেখা গেল না। তার খুব মন খারাপ হয়ে গেল। কিন্তু এই হারিয়ে যাওয়ার কথা সে আর মোষেদের বলল না। লজা পেল।

    আর একদিন স্নান করতে গিয়েছে পাহাড়ি নদীতে। স্নান সেরে নদীর পারে বসে চুল আঁচড়াচ্ছে, কতদিন চুল কাটা হয়নি। বিরাট লম্বা হয়েছে। মাথা থেকে নেমে চুল হাঁটুর কাছে এসেছে। আঁচড়াতে আঁচড়াতে একটা চুল গোড়া থেকে উপড়ে এল। পাশে পড়ে ছিল একটা লোয়া ফল। সে ফলটাকে দুভাগ করে তার মধ্যে চুলটাকে জড়িয়ে ঢুকিয়ে দিল। আবার লোয়া ফলটিকে বন্ধ করে আপন খেয়ালে ফেলে দিল নদীর জলে। লোয়া ফল ভাসতে ভাসতে স্রোতের টানে অনেক দূর চলে গেল। সে তাকিয়ে রইল। আরও দূরে। এখন আর ফলটিকে দেখা যাচ্ছে না। সে ফিরে এল মোষেদের আস্তানায়। এখন হয়েছে কি, ফল ভাসছে, ভাসছে। ভাসতে ভাসতে অনেক দূর চলে গিয়েছে। নদীর এক জায়গায় স্নান করছিল সেই গাঁয়ের সর্দারের মেয়ে। লোয়া ফল মেয়ের পাশ দিয়ে যেতেই সে সেটাকে ধরে ফেলল। ফাঁক করল। ভেতরে দেখতে পেল লম্বা চুল। তাড়াতাড়ি চলে এল বাবার কাছে। মেয়ে বলল, “এই লম্বা চুল যে মানুষটির, আমি তাকেই বিয়ে করব। আর কাউকে নয়।

    সর্দার বিরাট ধনী মানুষ। বিরাট বাড়িঘর, মস্ত গা। আর ওই একমাত্র মেয়ে। কত ভালো বর জুটবে মেয়ের। সবই তো পাবে ওই মেয়ে আর জামাই। এখন কোথাকার কে তার ঠিক নেই, তার সঙ্গে এমন মেয়ের বিয়ে? কিন্তু মেয়ের প্রতিজ্ঞা, মেয়ে নাছোরবান্দা। সে ওই লম্বা চুলের মানুষটিকেই বিয়ে করবে। বড় আদুরে মেয়ে। কি আর করবে বাবা! নদীর উজান পথে লোক পাঠাল। অনেকে চলল মেয়ের বরের খোঁজে।

    খুঁজতে খুঁজতে একজন মোষের পালের আস্তানায় তার দেখা পেল। হ্যাঁ, এই সেই লোক। চুল দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তাকে নিয়ে এল সর্দারের গাঁয়ে। সর্দারের মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হবে।

    খুব খাওয়া-দাওয়া, হইচই আর ধুমধামের মধ্যে বিয়ে হয়ে গেল। সর্দারও কথা দিলেন তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে এই জামাই। সুখে-শাস্তিতে দিন কাটতে লাগল। আর কোন অভাব নেই।

    একদিন জামাই ঘেরা উঠোনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আশেপাশে একটু দূরে কিছু সঙ্গীসাথী। এমন সময় আকাশ দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল কয়েকটা কাক। হঠাৎ তাদের ঠোঁট থেকে মোষের দুটো শিং তার পায়ের কাছে পড়ে গেল। সে তাড়াতাড়ি তুলে নিল। হাতে নিয়েই চিনতে পারল। তার হারিয়ে-যাওয়া শিঙের শিঙা। মোষ সর্দার বন্ধুকে দিয়েছিল। আনন্দে মন ভরে গেল।

    সে ভালোভাবে দেখছে শিং দুটো। কয়েকজন সঙ্গীসাথী তার কাছে এল। বলল, “এমন করে দেখার কি আছে? ও-তো মোষের শিং।

    জামাই হাসল। বলল, ‘হ্যা, তাই বটে। তবে এর অনেক গুণ। আমি যদি এই শিঙা বাজাই, তবে এক মুহুর্তে এই বিরাট গ্রাম মাটিতে মিশে যেতে পারে। তখন আর গ্রাম বলেই চেনা যাবে না।

    জামাই কি পাগল? বলে কি? শিঙা বাজাবার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম মাটিতে মিশে যাবে কেন? তারা ঠাট্টা করতে লাগল। তাই আবার হয় নাকি? ঠাট্টার কথা শুনে জামাই রেগে গেল। বিশ্বাস হচ্ছে না? আবারও ঠাট্টা। এবার ভীষণ রেগে গেল সে। মুখের কাছে শিঙের শিঙা এনে জোরে ফুঁ দিল। বেজে উঠল শিঙা। সবাই চুপচাপ।

    হঠাৎ দূর বনের মধ্যে থেকে ভীষণ শব্দ ভেসে এল। মাটিতে দাপাদাপির শব্দ। মাটি কাঁপছে। শব্দ কাছে আসছে, মাটি আরও বেশি কাঁপছে। বনে গাছপালা নড়াচড়া করছে। আরও শব্দ। হঠাৎ বনের মধ্যে থেকে বেরিয়ে এল এক পাল কালো মোঘ। এক পাল বুনো মোষ মাথা নিচু করে শত শত বুনো মোষ ধেয়ে আসছে গ্রামের দিকে। যারা দেখছিল তাদের বুক কেঁপে উঠল। হাঁ গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে যেতে পারে বটে।

    না, কোন অঘটন ঘটল না। গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে গেল না। লোকটি ঝড়ের বেগে ঘেরা-দেওয়া উঠোন থেকে বেরিয়ে এল। বাইরে খোলা মাঠে। তাকে দেখেই মোষের পাল গতি আস্তে করল। না, বন্ধু অক্ষত আছে। তার কোন বিপদ ঘটেনি। আস্তে আস্তে বন্ধুর সামনে বুনো মোষের পাল দাঁড়িয়ে গেল। মোষ সর্দারের গায়ে হাত রেখে বলল, ‘না আমার কোন বিপদ ঘটেনি। আমি ঠিক আছি। অনেকদিন তোমাদের দেখিনি। তাই। বন্ধুর কথায় মোষের পাল শান্ত হল। যাক, বন্ধু ভালো আছে। তারা বসে পড়ল সেখনে। তখন সর্দারের বাড়ি থেকে সমস্ত খড় দানা শস্য বের করে আনা হল। জামাইয়ের বন্ধু বুনো মোষের পালকে খেতে দিতে হবে। তারা অতিথি। প্রাণভরে তারা খেল। চোঁ চোঁ করে পুকুরের জল খেল। তারা আবার ফিরে চলল পাহাড়ি ঘন বনের দিকে। সবাই চলে গেল দুজন ছাড়া।

    দুটি মোষ রয়ে গেল বন্ধুর কাছে। সর্দারের বাড়িতে, গাঁয়ে। এই একজোড়া মোষ আর বনে ফিরে গেল না। তারা হল গৃহপালিত, তারা হল পোষা। তাদের বুনো স্বভাব চলে গেল। আজ যে আমরা ঘরে ঘরে এত পোষা মোষ দেখতে পাই, তারা সবাই ওই একজোড়া মোষের বাচ্চা থেকেই এসেছে। ওদের বাচ্চারাই ঘরে ঘরে পোষা হয়ে রইল। বনে রইল বুনো মোষ, ঘরে রইল পোষা মোষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }