Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অগ্নিকুমার

    সেই পুরনো কালে এক গায়ে ছিল এক সর্দার। সবাই তাকে মানত। অনেক দিন পরে তার এক ছেলে হল। বড় আদরের ছেলে। বাবা-মায়ের আদরের ছেলে। ছোট ছেলের হাসিতে দুষ্টুমিতে বাড়ি ভরে থাকত।

    সুখ বেশিদিন থাকল না। ছেলের বয়েস যখন তিন বছর তখন মা মারা গেল। বাবা আবার বিয়ে করল। ছেলে সৎমায়ের কাছে বড় হতে লাগল।

    এমনি করে দিন কাটে। ছেলের বয়েস এখন নয় বছর। সেই সময় পাহাড়ের ওপরে অনেক দূরের এক গাঁ থেকে বাবার নেমন্তন্ন এল। বাবা যাবে ওই গায়ের সর্দারের বাড়ি। কি এক উৎসব আছে। থাকতে হবে দুমাস। পাহাড়ের কোল বেয়ে নদী একেবেঁকে ওই গায়ে গিয়েছে। বাবা যাবে লম্বা ডিঙিতে।

    যাবার সময় বাবা বউকে বলল, “আমি ফিরে আসব ঠিক দুমাস পরে। তোমাকে অন্য কোন কাজ করতে হবে না। শুধু ছেলের যত্ন নেবে। ওর চুল প্রতিদিন ভালোভাবে আঁচড়ে দেবে। এটা কিন্তু ভুলো না। মায়ের ওপরে ছেলের ভার দিয়ে বাবা ডিঙিতে উঠল। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে দুজন সর্দারকে হাত নেড়ে বিদায় জানাল।

    সেই দিন থেকে মা খুব খারাপ ব্যবহার শুরু করল। দুচোখে তাকে দেখতে পারে না। দিনরাত খাটায়। ছেলে কিছু বলে না, মায়ের কথা মেনে চলে।

    মা হয়তো বলে, ‘আজকে তোমায় পাহাড়ে যেতে হবে। ওখান থেকে কাঠ কুড়িয়ে আনো। আগুন ধরাতে হবে। কাঠ বয়ে আনল ছেলে। সঙ্গে সঙ্গে মা বলল, “যাও, বাগানের আগাছা পরিষ্কার কবো। শুধু বসে বসে খাওয়া। ছেলে মাথার কাঠ নামিয়ে বাগানে চলে গেল। আগাছা তুলতে শুরু করল। নরম হাত, বড্ড ব্যথা লাগে। কিন্তু সে “না’ বলে না।

    এমনি করে সারা দিন তার খাটুনিতে কাটে। সৎমা তার দিকে ফিরেও তাকায় না। যত্ন করা দূরে থাকুক, শুধুই বকাঝকা। ছেলের চুলে মা হাতও দেয় না। ছেলের মাথা হয়েছে পাখির বাসা। এলোমেলো চুল, নোংরা মাথা। এমনি করে দিন কাটে।

    এমনি করে দুমাস কেটে গেল। কালকে সর্দার ফিরবে। মা ছেলেকে বলল, ‘কালকে সকালে তোমার বাবা ফিরবে। তাই আজ তোমাকে খুব খাটতে হবে। পাহাড়ি বন থেকে অনেক কাঠ বয়ে আনো, খুব মন দিয়ে বাগান পরিষ্কার করো।

    সারাদিন খাটবে।

    পরের দিন খুব ভোরে ছেলের ঘুম ভেঙে গেল। আজ বাবা আসবে। খুব আনন্দ। ছেলে মাকে বলল, ‘মা, আজ তো বাবা আসবে। আমরা তাড়াতাড়ি গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। তাহলে বাবা নেমেই আমাদের দেখতে পাবে।

    মা বলল, ‘হ্যাঁ, যেতে তো হবেই। তুমি একটু আগে যাও। আমি পেছনে আসছি। আমি চুল আঁচড়িয়ে পোশাক বদলে যাচ্ছি। তুমি রওনা হও। ছেলে লাফাতে লাফাতে নদীর দিকে রওনা হল।

    ছেলে চলে যেতেই মা একটা খুর বের করল। মুখের কয়েকটা জায়গা কেটে ফেলল। রক্ত পড়ছে, খুব ব্যথা করছে—তবু সৎ মা তাই করল। তারপর চুলগুলো এলোমেলো করে চাদর ঢাকা দিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল।

    ওই দূরে বাবার ডিঙি আসছে। বাবাকে বাইরে দেখা যাচ্ছে। ছেলে আনন্দে লাফাতে লাগল, হাত নাড়তে লাগল। বাবার ডিঙি তীরে ভিড়ল। এগিয়ে এসে ছেলেকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে বাবা অবাক হল। ছেলের এ কি অবস্থা! চুল এলোমেলো, দেহ নোংরা। বাবার খুব কষ্ট হল। বলল, “তোমার এরকম দশা কেন?

    ছেলে সরল মনে বলল, “মা তো আমায় শুধু খাটায়। পাহাড়ে পাঠায়। বাগানে আগাছা তোলায়। মা যে আমাকে সাজিয়ে দেয় না। আমি কি করব?

    ‘তোমার মা আসেনি কেন?‘

    মা বলল চুল ঠিক করে পোশাক বদলে আমার পেছনেই আসবে। এখুনি আসবে। অনেকক্ষণ বাবা-ছেলে নদীর তীরে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে রইল। এই বুঝি সে আসে। অনেক সময় কেটে গেল। আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবে? তারা হাঁপিয়ে উঠল। শেষকালে বাড়ির পথে রওনা দিল।

    বাবা নিজের ঘরে ঢুকে দেখে, বউ চাদর ঢাকা দিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। বাবা ডাকতেই মা চাদরের ঢাকা সরিয়েই কেঁদে ফেলল। বউয়ের মুখ দেখে বাবা চমকে উঠল। রক্তমাখা মুখ। মা কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি তোমায় আনতে যাব কেমন করে? দেখ তোমার ছেলের কাণ্ড। খুর দিয়ে মেরেছে। এ মুখ বাইরে কাউকে দেখানো যায়? তাই আমি যাই নি। তোমার যাওয়ার পরদিন থেকে প্রতিদিন ছেলে খুর নিয়ে আমায় এমনি করে মারত আর চেঁচিয়ে বলত,—বুড়ি সৎমা কোথাকার! দূর হ! উঃ, ভাগ্যি তুমি এসেছ, নইলে আমি মরেই যেতাম। মা কাঁদতে লাগল।

    বউয়ের কথা শুনেই বাবা রাগে ফেটে পড়ল। ছেলের কোন কথাই আর সে শুনল না। চিৎকার করে বলল, ‘এত শয়তান তুমি? মায়ের গায়ে হাত তোল? যে মা তোমাকে বড় করে তুলেছে? অকৃতজ্ঞ শয়তান কোথাকার। দেখাচ্ছি মজা। দূর করে দেব বাড়ি থেকে।

    বাবার ছিল তিনটে ঘোড়া। তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো ঘোড়াটাকে সে নিয়ে এল। খুব ভালো পোশাক দিল, দূর গাঁ থেকে ছেলের জন্য যেসব উপহার এনেছিল তাও দিল। ঘোড়ায় চাপিয়ে বাবা ছেলেকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল। ছেলের বুক কান্নায় যেন ফেটে যাচ্ছে।

    কি আর করবে সে? মা এমন মিথ্যে কথা বলল। বাবা দিল তাড়িয়ে। বেশ তাই হোক। নতুন ঝকমকে পোশাক পরে ঘোড়ায় চেপে ছেলে ছুটে চলল দক্ষিণ দিকে। পেছনে পড়ে রইল তার অতি-চেনা গ্রাম, খেলার সঙ্গীসাথীরা। চলছে, চলছে, এগিয়ে চলেছে ছেলে। এমন সময় সামনে পড়ল এক পাহাড়ি নদী। প্রবল স্রোত। ঘোড়া নামলে ভেসে যাবে। ঠিক আছে, কেমন করে নদী ডিঙোতে হয় আমি জানি। ছেলে চাবুক দিয়ে ঘোড়ার পেছনে আঘাত করল। আরে! এক লাফে ঘোড়া নদী পেরিয়ে ওপারে গিয়ে নামল।

    আবার চলতে শুরু করল। পাহাড়ি পথ। শেষকালে সামনে পড়ল এক উঁচু পাহাড়। পাহাড়ের মাথায় কালো মেঘ জমে রয়েছে। সে সামনে যেতে পারছে না, বামদিকে নয় ডানদিকেও নয়। ঠিক আছে। এমন কিছু শক্ত কাজ নয়। কেমন করে পাহাড় ডিঙোতে হয় আমি জানি। আমার ঘোড়াও জানে। ছেলে চাবুক দিয়ে ঘোড়ার পেছনে আঘাত করল। ঘোড়া মাথা নোয়াল। ছেলে আবার আঘাত করল। আরে! এক লাফে ঘোড়া পাহাড় ডিঙিয়ে ওপারে গিয়ে থামল। আবার চলতে শুরু করল।

    চলছে, চলছে—এগিয়ে চলেছে ছেলে। হঠাৎ দেখতে পেল, জোয়ারের খেতে একজন বুড়ো-মতন লোক কাস্তে হাতে ফসল কাটছে। তার লম্বা লম্বা এলোমেলো চুল। ছেলে তার কাছে গেল। মধুর গলায় বলল, “কর্তাবাবা ও কর্তাবাবা, আমি কাজ চাই। কারও কাজের লোক দরকার? এখানে কেউ কি কাজের লোক খুঁজছে? তুমি কিছু জান?

    হ্যাঁ, তা জানি বৈকি। সব খবরই রাখি। ওই পাহাড়ের উত্তরে একজনের মস্ত বাড়ি আছে, মস্ত খামার আছে। তা সেথায় পঁয়ত্রিশ জন কাজ করে। সাতদিন আগে একজন কিষান মারা গেল। এখনও কাউকে পায়নি। তা বাছা, তুমি দেখতে পার। কিন্তু ও পোশাকে কি তোমাকে কিষাণ রাখবে?

    ‘তাহলে এক কাজ কর কর্তাবাবা। আমার পোশাক তুমি নাও, তোমার কিষানের পোশাক আমাকে দাও। তাহলেই নেবে।

    বুড়ো একটু ভয় পেয়ে বলল, তা কি হয়? ওই পোশাক আমি পরলে সবাই সন্দেহ করবে। চোর ভেবে ধরবে আমাকে। কাজ নেই। বরং তুমি আমার পোশাক নাও। তোমার যখন খুবই দরকার।

    ‘বেশ তাই দাও। কিন্তু আমাকে একটা ঝুড়ি দিতে হবে। আমার পোশাকগুলো ওর মধ্যে রেখে তোমার কাছে জমা রাখছি। আপত্তি নেই তো?

    বুড়ো রাজি হল। ছেলেটা বড় মিষ্টি, বড় ঘরের ছেলে বলে মনে হয়। ছেলেটা ঝুড়িতে পোশাক খুলে রাখল। ঘোড়ার লাগামও রেখে দিল। তারপর ঘোড়াকে পাহাড়ি ঢালুতে ছেড়ে দিল। সেখানে বেশ ঘন বন। তারপর কিষানের পোশাক পরে বুড়োর সঙ্গে খামারের মালিকের বাড়িতে গেল। তার লোকের দরকার। ছেলেকে কাজ দিল সে। দিন-মজুরের কাজ। ছেলে তাতেই খুশি।

    তখন থেকেই কাজে লাগল ছেলেটি। খামারের মালিক তাকে মাঠে পাঠাল। সেখান থেকে লম্বা লম্বা ঘাস কেটে আনতে হবে। গোরু-মোষ খাবে। একটু পরেই ছেলেটি বুঝল, কাজটা বেশ শক্ত। ঘাসের ডগায় হাত ছড়ে যাচ্ছে, কাস্তের আঘাতে হাত কাটছে। এসব কাজ কি সে কোনদিন করেছে?

    সে ফিরে এল মালিকের কাছে। বলল, “আমার হাত কেটে যাচ্ছে, আমি ঘাস কাটতে পারব না। তার চেয়ে আমাকে বাগানের আগাছা পরিষ্কার করতে দাও। এটা আমি জানি।

    ‘বেশ, তাই কর। বাগানেই কাজ কর। অল্প কিছুক্ষণ কাজ করেই ছেলে বুঝল, এ বাগান তাদের বাড়ির বাগান নয়। সে ফিরে এল। মালিককে বলল, ‘বাগানে আমি কাজ করতে পারব না। হাতে আমার ফোস্কা পড়ে গিয়েছে। জ্বালা করছে। আমি বরং রান্না করতে পারব। সাতজন মিলে যা রান্না করে আমি একাই তা পারব?

    ঠিক আছে, তাই হবে। তুমি রান্নাই করবে। তুমি বড্ড ছোট। তোমার যা খুশি তুমি তাই করো। যা তোমার মন চায়।

    ছেলেটি বলল, শুধু আজকের দিনের জন্য আমার সাতজন লাগবে। সাতজন থাকলেই হবে।

    ‘বেশ, তাই হবে। সাতজনকে নিয়ে ছেলে রান্নাঘরে গেল। বিরাট রান্নাঘর। সে একজনকে পাঠাল নরম কাদা আনতে। আর একজনকে পাঠাল পাথর বয়ে আনতে। দুজনকে পাঠাল জল আনতে, একজনকে পাঠাল খড় আনতে। আর এগুলো আনা হয়ে গেলে অন্য দুজনকে কাদা ছেনতে দিল। কাদার মধ্যে চুন, বালি আর খড়ের টুকরো দিল। কাদা খুব মজবুত হল। তারপর পাথর সাজিয়ে সাতটা উনুন তৈরি করল। একসঙ্গে সাতটা উনুন জ্বলিয়ে দিল।

    অল্পক্ষণের মধ্যে অতগুলো লোকের তিন বেলার ভাত রান্না হয়ে গেল। আগে কি হত? দুপুর গড়িয়ে যেত সকালবেলার ভাত রাঁধতে, সন্ধেবেলায় তৈরি হত দুপুরের ভাত আর মাঝরাতে তৈরি হত রাতের ভাত। এখন থেকে সকালবেলায় কিষানদের ডেকে বলত, সকালের ভাত খাও! ঠিক দুপুর বেলায় বলত, দুপুরের ভাত খাও। সূর্য পাহাড়ের কোলে ঢলে পড়লেই সে বলত, রাতের ভাত খাও।

    খামারের মালিক মহা খুশি। কিষানরাও খুশি। এমন সুন্দর ব্যবসথা। কাজও ভালো হতে লাগল। মালিক বলল, ‘খুব ভালো ছেলে তুমি। তুমি রান্নাঘরের কাজ খুব ভালো পার। আগুন তোমার হাতের মুঠোয়। তুমি তো অগ্নিকুমার। চিরকাল তুমি আমার কাছে কাজ করো। তুমি এখানেই থাক। আর শোন, কালকে তো আমাদের পরব। নাচ-গান হবে। কাল কিন্তু দুপুরের ভাত অনেক আগেই তৈরি করতে হবে। পারবে তো? পরের দিন সকালে অগ্নিকুমার যখন রান্না করছে তখন খামার-মালিক এসে বলল, ‘অগ্নিকুমার, তুমিও কিন্তু আজকের নাচের পরবে যাবে।

    সে বলল, কিন্তু আমি তো যেতে পারব না। ছয় বছর আগে এই দিনে আমার মা মারা গিয়েছিল। আনন্দের পরবে এই দিনে যোগ দিতে নেই।

    ঠিকই, তুমি যোগ দেবে কেমন করে? বেশ, সবাই তো চলে যাবে। তুমি একা সব দেখাশোনা করবে। এখানে তুমি একাই থাকবে। আমি নিশ্চিন্ত।

    খামার-মালিক চলে গেল। অন্য কিষানরাও চলে গেল। পাহাড়ের এই পশ্চিম এলাকায় সে একা। সবাই চলে যেতেই অগ্নিকুমার ভালো করে চান করে নিল।

    তারপরে গেল বুড়ো কিষানের বাড়িতে। তার সুন্দর পোশাক পরে নিল। তারপর উঠল এক উঁচু গাছে। সেখান থেকে চিৎকার করে তার ঘোড়াকে ডাকল। বনের গভীর থেকে ঘোড়া বেরিয়ে এল। তাকে লাগাম পরাল সে। ঘোড়া ছুটিয়ে সে নাচের আসরের উত্তর দরজায় গিয়ে দাঁড়াল। এবার অগ্নিকুমারের ঘোড়া নাচবে– এ কথা বলেই সে ঘোড়ার পেছনে চাবুক মারল। এক লাফে ঘোড়া আসরের মাঝখানে পৌঁছে গেল। নাচতে লাগল ঘোড়া, সুন্দর ভঙ্গিতে। পিঠের ওপরে ছেলেটি।

    সেখানকার গোষ্ঠীপতি ও অন্যান্য লোকজন চিৎকার করে উঠল, ‘আজ আমাদের মধ্যে আকাশের রাজ্য থেকে এক দেবদূত এসেছে। সবাই উঠে দাঁড়াও, দেবদূতকে পূজো করো। সবাই মাথা নিচু করে প্রণাম করল।

    খামার-মালিকও মাথা নিচু করে প্রণাম জানাচ্ছে। তার পাশে ছিল তার মেযে। সে বলে উঠল, এ তো আমাদের অগ্নিকুমার! তার বাঁদিকের কানের কাছে একটা কালো চিহ্ন আছে। এই দেবদূতেরও আছে। এ অগ্নিকুমার।

    বাবা ধমক দিয়ে বলল, “তুমি অনেক বড় হয়েছ। তোমাব বিয়ের বয়েস হয়েছে। ছেলেমানুষি করবে না। অপবিত্র কথা বলবে না। দেবদূতকে অভক্তি করতে নেই। প্রাণাম করো। আকাশ রাজ্যের দেবদূত সে।

    মেয়ে একটু হেসে মাথা নিচু করে দেবদূতকে প্রণাম করল, কিন্তু চোখ খুলে। আড়চোখে চেয়ে রইল।

    নাচের আসর ভেঙে গেল। সবার আগে ফিরে এল ছেলে। ঘোড়াকে পাহাড়ের কোলে বনে ছেড়ে দিল। পোশাক আর লাগাম ঝুড়িতে করে বুড়োর বাড়ি রেখে এল,—আবার কিষাণ হয়ে পাহাড়ের পশ্চিমে চলে গেল। ঘুমিয়ে পড়ল।

    কিছুক্ষণ পরে খামার-মালিক এসে তাকে ডেকে তুলে বলল, ‘অগ্নিকুমার! আঃ, আজকে যদি তুমি যেতে। খুব ভালো হত। আকাশ-রাজ্য থেকে ঘোড়ায় চেপে এক দেবদূত এসেছিল। আমাদের পরবে নাচের আসরে। আমবা সবাই তার পুজো করেছি।

    ‘তাই নাকি? দেবদূত এসেছিল? আঃ, আমার দেখা হল না। যেতে পারলে কি ভালোই হত।’

    খামার মালিক বলল,‘কালকের পরের দিন আবার নাচের পরব হবে। তাড়াতাড়ি উঠে রান্নাবান্না শেষ করে রেখো।

    কালকের পরের দিন এল। খুব সকালে উঠেই অগ্নিকুমার সব কিযানের জন্য সকালের ভাত তৈরি করে ফেলল। কাজ শেষ হয়েছে এমন সময় খামার-মালিক এসে বলল, আজকে তুমি চলো আমাদের সঙ্গে। নাচের পরবে।

    অগ্নিকুমার মাথা নিচু করে বলল, “যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল। কিন্তু আজকের দিনে আমার ঠাকুমা মারা গিয়েছিল। আমার বোধহয় আজকের দিনে যাওয়া ঠিক হবে না। দুঃখের দিনে আনন্দ করতে নেই।

    সবাই চলে গেল। কেউ নেই পাহাড়ের পশ্চিম এলাকায়। এক অগ্নিকুমার। সে ভালোভাবে চান করে নিল। বুড়ো কিষানের বাড়িতে গিয়ে ভালো পোশাক পরে নিল। গাছে উঠে ঘোড়াকে ডাকতে যাবে এমন সময় খামার-মালিকের মেয়ে ফিরে এসেছে। সবার সঙ্গে যেতে যেতে সে ফিরে এসেছে। বলেছে, বাড়িতে কি যেন ভুলে রেখে এসেছে। কি আর করে অগ্নিকুমার। মেয়ে জেনে ফেলেছে। মেয়েকে ঘোড়ায় চাপিয়ে অগ্নিকুমার রওনা দিল। দুজনে এল নাচের আসরের পুব দিকের দরজায়।

    সবাই দেখ, অগ্নিকুমারের ঘোড়া কেমন নাচে,’-এ কথা বলেই চাবুক দিয়ে ঘোড়ার পেছনে আঘাত করল। ঘোড়া লাফ দিল আর আসরের মাঝখানে এসে নামল। ঘোড়া নাচতে লাগল। সুন্দর ভঙ্গিতে।

    গোষ্ঠীপতি আর খামার-মালিক বলে উঠল, ‘আজকে দেবদূত এসেছে তার বউকে নিয়ে। কি সুন্দর। সবাই উঠে দাঁড়াও, পুজো করো।

    সকলের ফেরার আগেই অগ্নিকুমার ও মেয়ে পাহাড়ের পশ্চিমে চলে এল। ঘোড়াকে ছেড়ে দিল পাহাড়ি ঢালু বনে, পোশাক বদলে নিল, তারপর ঘুমিয়ে পড়ল।

    একটু পরেই খামার-মালিক এল। ঘুম থেকে জাগিয়ে সে বলল, ‘অগ্নিকুমার, আজকে গেলে তোমার আরও ভালো লাগত। আজকে দেবদূত এসেছিল বউকে সঙ্গে নিয়ে। কি সুন্দর।

    ‘তাইতো, গেলে খুব ভালো লাগত। দেখতে পেতাম। কিন্তু কি করব আমি। খামার-মালিক বাড়িতে ঢুকে দেখে মেয়ে শুয়ে রয়েছে। ‘তুমি আজ কেন নাচের আসরে গেলে না? বাবা জিঙ্গেস করল। মেয়ে বলল, তার পেটে ভীষণ ব্যথা করছে। যাবে কেমন করে?

    বাবা ব্যস্ত হল। একজন বদ্যি ডাকা দরকার। বাবা একথা বলতেই মেয়ে বলল, ‘বদ্যির দরকার নেই। বরং দেবতার থানের পুজারিণীকে ডেকে আনো।

    পুজারিণী এল, আঁক কষে ভবিষ্যৎ-বাণী করল, ‘দেহের কোন রোগ নয়। রোগ মনের। কিংবা বহু পুরনো মানসিক দুর্বলতার। অন্য চিকিৎসা দরকার।

    মেয়ে এ কথায় আপত্তি জানাল। লজ্জা পেল। মাথা নেড়ে বলল, “নতুন যে পুজারিণী থানের ভার পেয়েছে তাকে ডেকে আনো।

    নতুন পুজারিণী এল। আঁক কষে ভবিষ্যৎ-বাণী করল, “এ রোগ সত্যি অন্যরকম। তবে বহু পুরনো নয়। অল্পদিনের রোগ। এই খামারে যেসব লোকজন কাজ করে তাদের মধ্যে একজনকে মেয়ের খুব ভালো লেগে গিয়েছে। তারা নিজেদের পছন্দমতন ভালো ভালো পোশাক পরে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে পড়ুক। মেয়ে যার হাতে এক পেয়ালা মিষ্টি দুধ তুলে দেবে, জানবে তাকেই মেয়ের পছন্দ। আসলে রোগটা অন্যরকম।

    খামার-মালিক তার সব কিষানকে একথা বলল। সবাই এল। কিন্তু মেয়ে কারও হাতে মিষ্টি দুধের পেয়ালা তুলে দিল না। আর কেউ বাকি রয়েছে? হ্যাঁ, একজন আসেনি। সে হল নোংরা পোশাকের হতভাগ্য অগ্নিকুমার।

    খামার-মালিক অগ্নিকুমারকে নতুন পোশাক ধার দিল। বলল, সে-ও অন্য কিষানদের মতোই। সে আসুক নতুন পোশাক পরে। দেখা যাক কি হয়।

    অগ্নিকুমার ভালোভাবে চান করে নিল। খামার-মালিকের পোশাক শুয়োরের ডেরায় ছুড়ে ফেলে দিল। তাকে আরও ভালো পোশাক ধার দেওয়া হল, সে গোয়ালের পাশে ফেলে দিল। আরও সুন্দর পোশাক তাকে দেওয়া হল, সে ফেলে দিল রান্নাঘরের পেছনে। শেষকালে অগ্নিকুমার চলে গেল বুড়ো কিষানের বাড়ি। নিজের রেখে-দেওয়া পোশাক পরে, বন থেকে ঘোড়ায় চেপে ফিরে এল খামার-মালিকের বাড়িতে। অগ্নিকুমারকে হাত ধরে আস্তে আস্তে নিয়ে এল খামার-মালিক, ঢুকল মেয়ের ঘরে। মেয়ের রোগ তক্ষুনি সেরে গেল। চোখ-মুখে হাসিহাসি ভাব। মেয়ে মিষ্টি দুধের পেয়ালা তুলে দিল অগ্নিকুমারের হাতে।

    বাবা বলল, ‘এসব তো কিছুই আমি বুঝতে পারি নি। চিনতে পারি নি। মেয়েকেও চিনতে পারি নি। তা, অগ্নিকুমার, তুমি কি আমার জামাই হবে? আমার একমাত্র আদরের জামাই?

    অগ্নিকুমারের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে হয়ে গেল। খাওয়া-দাওয়া, আনন্দ, নাচ-গান। সবাই খুশি। তিনদিনের বিয়ের পরব শেষ হল। তারপরের দিন অগ্নিকুমার বলল, বাবা, আমাকে তিন দিনের ছূটি দিতে হবে। আমি দূর গাঁয়ে আমার বাবা-মাকে একবার দেখতে যাব।’

    খামার-মালিক বলল, তা কি করে হবে? তিন দিনের জন্য তোমায় যেতে দিতে পারি না। শুধু আজকের দিনের জন্য তুমি যেতে পার। শুধু একদিনের জন্য।

    ‘ঠিক আছে, একদিনের জন্যই যাব।’ আগ্নিকুমার যাওয়ার জন্য তৈরি হল।

    বউ বলল, “তুমি সমুদ্রের ওপর দিয়ে যাবে, না পাহাড়ি পথে যাবে? তোমার কি ইচ্ছে?

    একটু ভেবে অগ্নিকুমার বলল, “যদি সমুদ্র-পথে যাই তাহলে তিনদিন সময় লাগবে। আর পাহাড়ি পথে গেলে লাগবে মাত্র একদিন। তাই পাহাড়ি পথেই যাব।

    চোখ-দুটো ভিজে গেল বউয়ের। কান্না-ভরা গলায় বলল, “যখন তুমি পাহাড়ি পথে ঘোড়া ছুটিয়ে যাবে তখন ওপর থেকে তুঁতফল তোমার ঘোড়ার জিনের ওপর পড়বে। মাঝে মধ্যেই পড়বে। তোমার যদি খুব তেষ্টাও পায় তবু তুমি ওই ফল খাবে না। যদি তুমি ওই তুতফল একটাও খাও, তাহলে আমাদের দুজনের মধ্যে আর কোনদিন দেখা হবে না। তোমায় আর কোনদিন আমি দেখতে পাব না; বউ কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    ঘোড়া ছুটিয়ে পাহাড়ি পথে এগিয়ে চলেছে অগ্নিকুমার। হাওয়ার বেগে চলেছে। হঠাৎ ওপর থেকে কয়েকটা তুঁতফল তার ঘোড়ার জিনের ওপরে পড়ল। মনে পড়ল তার বউয়ের কথা। একটু হেসে সে ফলগুলো ফেলে দিল। এগিয়ে চলেছে অগ্নিকুমার। তৃষ্ণায় তার গলা শুকিয়ে উঠেছে, বুক ফেটে যাচ্ছে। আশে পাশে কোথাও পুকুর-ঝরনা কিছুই দেখতে পেল না। জিভ শুকিয়ে তালুতে আটকে যাচ্ছে। মাঝে মাঝেই তুতফল ওপর থেকে জিনের ওপরে পড়ছে। ফেলে দিচ্ছে অগ্নিকুমার। কিন্তু আর তো পারে না। হাওয়ার বিপরীতে যাচ্ছে, আরও কষ্ট হচ্ছে। বুক যেন চৌচির হয়ে যাবে। ভুলে গেল বউয়ের কথা। তুলে নিল তুতফল। মুখে দিতেই অগ্নিকুমার ঢলে পড়ল জিনের ওপর। অগ্নিকুমার মরে গেল।

    ঘোড়া সব বুঝতে পারল। এবার উঠতে হবে পাহাড়ে। পেছনের পা ভাঁজ করে সে উঠতে লাগল, যেন অগ্নিকুমার পড়ে না যায়। পাহাড় থেকে নামবার সময় সামনের পা ভাজ করে নামতে লাগল, যেন অগ্নিকুমার পড়ে না যায়। শেষকালে ঘোড এল অগ্নিকুমারের বাবার গাঁয়ে। ঘোড়া তাদের বাড়ির সামনে দাঁড়াল। এখানেই জন্মেছে অগ্নিকুমার। তিনবার ডাকল ঘোড়া। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

    বাবা ঘোড়ার ডাক চিনতে পেরেছে, এ তো তার ছেলের ঘোড়া। বাবা চিৎকার করে বলল, “আমার ছেলে ফিরে এসেছে। কিন্তু অবাক কাণ্ড, সে কেন বাবা বলে ডাকছে না! শুধু কেন ঘোড়ার ডাকের শব্দ হল? বউ শিগগির যাও, দরজা খোল, খারাপ কিছু নয়তো? আমার ছেলে?

    সৎমা তাড়াতাড়ি দরজার কাছে গেল। হতচ্ছাড়াটা ফিরে এল নাকি। দরজা খুলে গেল সঙ্গে সঙ্গে, একটা তেজি পা এগিয়ে এল,— ঘোড়ার শক্ত পা। আঘাত করল সৎমাকে। ছিটকে পড়ল মেঝেতে। তক্ষুনি সৎমা মরে গেল।

    বাবা অবাক হল। কি হয়েছে? দরজার কাছে ছুটে গেল। এসেই দেখে, ঘোড়ার ওপরে নিঃসাড় হয়ে শুয়ে আছে আদরের ছেলে। তাকে কোলে তুলে নিয়ে এল, শুইয়ে দিল একটা পিপের ওপরে। বলল, “যে ছেলে আমার ফিরে আসবে টগবগ করে, সে এল নিঃসাড় হয়ে। কেন এমন হল? শেষকালে ছেলেকে একটা বড় পিপের মধ্যে শুইয়ে তার ডালা বন্ধ করে দিল।

    পাহাড়ের পশ্চিম এলাকায় বউ ছটফট করছে। মনে মনে বারবার বলছে, ‘একদিনেই ফিরে আসার কথা। তিন দিন হয়ে গেল। সে কেন ফিরছে না? পাহাড়ি পথে তুতফল খায়নি তো? বুকটা কেঁপে উঠল, চোখদুটো ঝাপসা হয়ে এল।

    বউ জানে না অগ্নিকুমারের গ্রাম কোথায়। সে কোন দিকে। তবু ভেঙে পড়লে চলবে না। সে তিন পেয়ালা সঞ্জীবনী জল সঙ্গে নিল। হেঁটে চলল পাহাড়ি পথে। যে পথ পার হতে ঘোড়ার সারাদিন লেগেছিল, বউ সে পথ পেরিয়ে গেল অর্ধেক সময়ে। পৌঁছে গেল অগ্নিকুমারের বাড়িতে।

    এটা কি অগ্নিকুমারের বাড়ি? সৎমায়ের মিথ্যে কথায় বাবা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল, এটা কি তার বাড়ি।

    “তার দেহ কোথায় রেখেছ? আমাকে দেখাও।

    যাকে আমি চিনি না, যে মানুষ একেবারে অচেনা, তাকে আমার ছেলের দেহ দেখতে দেব কেমন করে?

    ‘আমি অতিথি নই, আমি অচেনা নই। অগ্নিকুমার আমার স্বামী। তোমার ছেলে আমার স্বামী, আমার প্রাণ। আমাদের বিয়ে হওয়ার পর চতুর্থ দিনে সে বাবা-মাকে দেখতে এসেছিল। আর ফেরেনি। আর দেরি নয়, দেহটি কোথায়?

    ‘মেয়ে, আমি ভুল বুঝেছিলাম। শিগগির তুমি ভেতরে এসো। বাবা পিপের মধ্যে থেকে দেহটি বের করে মেয়ের সামনে রাখল। বাবা এমনভাবে ছেলেকে শুইয়ে দিল যেন ছেলে মরে নি, শুধু ঘুমিয়ে রয়েছে। বাবা কাঁদছে।

    মেয়ে সঞ্জীবনী জল নিয়ে তার দেহে ছিটিয়ে দিল, আলতো করে লেপে দিল সেই জল। বউ পাশে বসে অগ্নিকুমারের দেহে ভেজা হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। বাবা পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে, চোখ দিয়ে জল পড়ছে।

    চোখ খুলল অগ্নিকুমার। আস্তে আস্তে বলল, “আমি সকালে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, আমি সন্ধেবেলা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    মেয়ে স্বামীর মুখের কাছে মুখ এনে বলল, ‘তুমি সকালেও ঘুমোও নি, তুমি সন্ধেবেলাও ঘুমোওনি। আমি তোমাকে নিষেধ করেছিলাম, ওগো, তুঁতফল খেয়ো না। তৃষ্ণার কষ্টে তুমি ভুলে গেলে সব। তুঁতফল খেলে, আর ঢলে পড়লে চির অন্ধকারে। আমার কাছে ছিল মৃত-সঞ্জীবনী জল। তাই তোমায় ফিরে পেয়েছি। চলো, ফিরে যাই আমাদের শান্তি-পাহাড়ে।

    ‘ও যে আমার একমাত্র ছেলে! ও গেলে আমি বঁচিব কেমন করে? বাবা আর্তনাদ করে উঠল। কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    বউ বলল, ‘ওকে ছাড়া আমি তো বাঁচব না। তাহলে আমি এখানেই থাকব। ও থাকবে আর আমি চলে যাব, না তা আমি পারব না।

    অগ্নিকুমার বলল আমি দুজন বাবার দায়িত্ব নেব কেমন করে? বাবা, তুমি সর্দার, তোমার অনেক আছে। তুমি আর একটা ছেলেকে নিজের ছেলের মতো কাছে রাখো। গাঁয়ে অনেক ছেলে। আমি ফিরে যাব পাহাড়ের পশ্চিম এলাকায়, ওরা আমাকে বঁচিয়েছে, ওরাই আমাকে বাঁচিয়েছে। ওরা আমাকে অগ্নিকুমার করে তুলেছে। সবাই সুখে থাকো।

    অগ্নিকুমার আর বউ মিলিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি বনের পথে। বাবা তাকিয়ে রয়েছে। ওরা মিলিয়ে গেল। বাবা আকাশের দিকে তাকিযে দেখল—সাদা সুন্দর আকাশ, কোথাও মেঘ নেই। ওরা সুখে থাকুক, ভালো থাকুক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }