Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্মৃতি-ঘেরা পাথর

    সেকালের কথা সবাই ভুলে গিয়েছে। সেই ভুলে-যাওয়া কালে এক গাঁয়ে থাকত একটা লোক। সে ছিল খুব ধনী। তার ছিল এক মেয়ে। অমন ফুটফুটে সুন্দরী মেয়ে ওই গাঁয়ে আর একটাও ছিল না। বাবা-মায়ের বড় আদরের মেয়ে সে।

    মেয়ে বড় হল। মেয়ের বিয়ে ঠিক হল। দূরের গাঁয়ের এক অপরূপ সুন্দর ছেলের সঙ্গে বিয়ে। বিয়ের দিন ছেলের বাড়ি থেকে সুন্দর একটা পালকি এল। সেই পালকি চড়ে মেয়ে যাবে তার নতুন বাড়িতে।

    মেয়ে রওনা হল পালকিতে চড়ে। দরজা খোলা। ভেতরে বসে রয়েছে বউ, নতুন সাজে। আরও সুন্দর লাগছে তাকে। পালকির পাশে মা কাঁদতে কাঁদতে চলেছে, মায়ের বুক ভেঙে যাচ্ছে। কতদূরে যাচ্ছে। আদরের ছোট মেয়ে। পালকির আশেপাশে পেছনে গাঁয়ের সব লোক। শেষ বিদায় জানাতে এসেছে গাঁয়ের মেয়েকে। তাদের চোখেও জল। পালকির মধ্যে মেয়ের বুকের কাছটাও ভিজে উঠছে, অঝোরে জল পড়ছে।

    গাঁয়ের সীমানায় তারা এল। এর পরেই মেয়েকে ছেড়ে যেতে হবে। দুপাশে উ&চু পাহাড়। পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে সরু পথ। হঠাৎ আকাশে দেখা দিল এক টুকরো কালো মেঘ। ঠিক পালকির ওপরে। মায়ের বুক কেঁপে উঠল, এ কি অলক্ষণ। মা কেঁদেই চলেছে। এখন কি হবে? আমরা কি করব?

    মেঘ নেমে আসছে। আস্তে। মেঘ নেমে আসছে। জোরে। আরও জোরে। আরও জোরে। মেঘ নেমে এল পালকির একেবারে কাছে। একটানে ছিনিয়ে নিল নতুন বউকে। বউ দিশেহারা। কিছু ভাববার আগেই মেঘ মেয়েকে নিয়ে পাহাড় ছাড়িয়ে উঠে গেল। আর কিছু দেখা গেল না। না মেঘকে না মেয়েকে।

    মা আছড়ে পড়ল মাটিতে। হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল। মা যেন একটা পাগলি। চিৎকার করে বলল, “আমি মেয়েকে ফিরিয়ে আনবই। যা থাকে কপালে। ভয় করি না কিছুকে।

    পরের দিন ভোরবেলা মা গাঁ থেকে বেরিয়ে পড়ল। গাঁয়ের মানুষজন মাকে বিদায় জানাল। এই পথেই মেয়ে গতকাল চলেছিল তার নতুন বাড়িতে। মা সে পথেই চলল। পাহাড় ডিঙিয়ে, মাঠ পেরিয়ে মা চলেছে। একটুও বিশ্রাম নেয় নি। মেয়েকে খুঁজে বের করতেই হবে। আহা, তার আদারের রত্ন। সূর্য ডুবে গেল ওই পাহাড়ের ওপারে। আঁধার নেমে এল। এবার তো পথ দেখা যাবে না। রাতে অপেক্ষা করে আবার সকালে পথে বেরোতে হবে। কিন্তু রাতে থাকবে কোথায়?

    হঠাৎ অল্প দূরে মা একটা মন্দির দেখতে পেল। চেঁচিয়ে বলল, সারাদিনের পথ চলায় আমি বড় ক্লান্ত। আমাকে হয়তো পাগলির মতো দেখতে লাগছে। কি করব, আমি যে আমার মেয়েকে খুঁজতে বেরিয়েছি। আমাকে কি এই মন্দিরে আজ রাতের মতো থাকতে দেবে? কাল সকালেই আমি চলে যাব। শুধু আজ রাতটুকু থাকতে চাই।

    মন্দির থেকে বেরিয়ে এল এক পুজারিণী। দেবীর মতো সে দেখতে। শান্ত স্বরে মাকে ডেকে বলল,‘তোমায় থাকতে দিতে পারি। কিন্তু শোবার মতো কিছু নেই, খেতে দেবার মতো কিছু আমার নেই। তুমি থাকতে পার।

    মা মন্দিরে ঢুকল। পা আর চলে না, চোখ আর খুলে রাখা যায় না। মা মেঝেতে শুয়ে পড়ল। একটু পরেই ঘুমিয়ে পড়ল। গভীর ঘুম। পুজারিণী নিজের পোশাক খুলে মাযের দেহের ওপর পেতে দিল। আহা, বড় ক্লান্ত সে।

    পুজারিণী মায়ের পাশে একটু দাঁড়াল। তারপর বলল, আমি জানি তুমি কোথায় চলেছ। তুমি চলেছ তোমার মেয়েকে খুঁজতে। মেয়ে রয়েছে হিংসুটে রাক্ষসের প্রাসাদে। এই সামনের নদী পেরোলেই তার প্রাসাদ। নদীর পাশেই রয়েছে সরু সাঁকো। সাঁকো পেরোলেই রাক্ষসের প্রাসাদের দরজা। দরজা খোলা। কিন্তু সাঁকোর ওপরে পাহারা দিচ্ছে দুটো কুকুর। একটা বড়, একটা ছোট। যে সাঁকোতে পা দেবে তাকেই ছিড়ে ফেলবে। পারবে না যেতে। তবে হাঁ, একটা উপায় আছে। ঠিক দুপুর বেলা অল্পক্ষণের জন্য কুকুর দুটো ঘুমোয়। খুব অল্পক্ষণ। তখন সাঁকোয় উঠতে পারবে। তবু খুব সাবধান। আর এক বিপদ। সাঁকোর ওপরে ছড়ানো রয়েছে গোল গোল পুতি। অনেক পুঁতি। সাবধানে পা ফেলতে হবে। একবার পা ফসকালেই সর্বনাশ। আছাড় খেয়ে নীচে পড়বে, পড়বার শব্দে কুকুর উঠবে জেগে। মৃত্যুফাঁদ। মারাত্মক ওই পথ।

    সকালবেলা এক রকমের খসখস আওয়াজে মায়ের ঘুম ভেঙে গেল। মা অবাক হয়ে চেয়ে রইল। মা শুয়ে রয়েছে সবুজ ঘাসের ওপরে, চারিদিকে নলখাগড়ার বন। কোথায় গেল মন্দির, কোথায় গেল পুজারিণী। সকালের হাওযা লেগে নলখাগড়ার বন কাঁপছে আর তাই থেকে কেমন আর্তনাদ বেরিয়ে আসছে। হাহাকার….শুধুই হাহাকার। মায়ের মাথার তলায় শুধু রয়েছে পাথরের একটা বালিশ। পাথরটি সুন্দর।

    মা উঠে বসল। আপন মনে বলল, পুজারিণী, তুমি কে তা জানিনা। তুমি আমায় বাঁচিয়েছ। আমি পথ জেনেছি তোমার কাছে। তোমাকে প্রণাম |

    মা এগিয়ে গেল নদীর দিকে। অল্প দূরেই নদী। সাঁতরে পেরিয়ে গেল নদী। ওপারে যেতেই মা সামনেই সাঁকো দেখতে পেল। সাঁকোর ওপরে একেবারে সামনে দুটো কুকুর। একটা বড়, একটা ছোট। সব চিনতে পারল মা। গাছের আড়ালে বসে রইল। ভেজা পোশাক গায়েই শুকিয়ে গেল।

    মা হঠাৎ তাকিয়ে দেখে, কুকুর দুটো ঘুমোচ্ছে। এই তো সুযোগ। কিন্তু মনে পড়ল ছড়ানো পুতির কথা। কুকুরদের ডিঙিয়ে মা চলে গেল। পুতির ওপর দিয়ে চলা বড় কষ্ট। যদি কিছু হয়। মেয়েকে কি দেখতে পাব না? যদি পড়ে যাই! মা পেরিয়ে গেল সাঁকো।

    সাঁকো পেরিয়েই বাগান। সুন্দর বাগান। বাগানে ঢুকেই মা মেয়ের গান শুনতে পেল, তাঁত বুনছে আর গান গাইছে। এ গান মেয়ে গাঁয়ে থাকতে গাইত। তাঁত বোনার সময়। এখনও গাইছে। মায়ের গলা ধরে আসছে। মা ডাকল, “আমার সোনা মেয়ে?

    সঙ্গে সঙ্গে জানলা দিয়ে মেয়ের মুখ দেখা গেল। হাসিতে ভরা মুখ। বাগান দিয়ে দৌড়ে আসছে মেয়ে। দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরল। মেয়ে মাকে নিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেল। মায়ের চেহারা দেখে মেয়ে এবার কেঁদে ফেলল। মাকে কিছু খেতে দিল। তারপর বলল, “মা, অল্পক্ষণ পরেই রাক্ষস আসবে। তোমাকে দেখতে পেলেই ভীষণ বিপদ। সর্বনাশ। তোমাকে লুকিয়ে রাখতে হবে।

    মা বলল, “রাক্ষস দেখতে কেমন রে?

    মেয়ে বলল, “মানুষের চেহারার মতোই। তবে একটু বড়। মাথায় শিং আছে, সামনের দাঁতদুটো বড়। দেহে ভীষণ শক্তি, খুব হিংসুটে। দেহের রঙ নীলচে। আর সময় নেই মা, তুমি এই পাথরের সিন্দুকে ঢুকে পড়ো।

    এমন সময় রাক্ষস ঘরে ঢুকল। ঘরে ঢুকেই সে রাগে ফেটে পড়ল, ‘মনে হচ্ছে ঘরের মধ্যে মানুষ আছে। আমি গন্ধ পাচ্ছি। কোথায় মানুষ?

    মেয়ে বলল, কই, আমি তো কিছুই জানি না। মানুষ কোথায়? আমি জানব কেমন করে?

    রাক্ষস বলল, “ঠিক আছে, বাগানের ফুলগাছ দেখে আমি ঠিক বুঝতে পারব। আমাকে ফাঁকি দেওয়া?

    এখন হয়েছে কি, বাগানে রাক্ষসের একটা জাদু ফুলগাছ ছিল। সেই ঘরে যে কজন থাকবে ফুলগাছেও সেকটা ফুল ফুটে থাকবে। সেই ফুল দেখেই রাক্ষস সব বুঝতে পারবে। বাগানে গিয়ে রাক্ষস দেখতে পেল গাছে তিনটে ফুল রয়েছে। রাগে কাঁপতে কাঁপতে রাক্ষস ফিরে এল ঘরে। কোথায় তুমি আর একজনকে লুকিয়ে রেখেছ? আমি তুমি আর একজন কোথায়? চারিদিকে দেখতে লাগল রাক্ষস। সে ভীষণ ক্ষেপে গিয়েছে। এই বুঝি মেয়েকে মেরে বসে। রাক্ষস গায়ে হাত তুললে আর রক্ষা নেই। যা বলবান!

    মেয়ে কিছু বলতে পারছে না। মাথায় কিছু আসছে না। সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। আজ বুঝি নিস্তার নেই। হঠাৎ মেয়ের মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল। ঠোঁটের কোণে হেসে মেয়ে লজ্জা লজ্জা ভাব করে বলল, আমার পেটে ছেলে রয়েছে। তাই হয়তো তিনটে ফুল ফুটে রয়েছে। তোমার ছেলে।

    ‘আমার ছেলে?’ আর কিছু বলল না রাক্ষস। সে পালটে গেল। কোথায় গেল তার রাগ, কোথায় গেল হন্বিতম্বি। সে আনন্দে লাফিয়ে উঠল। মাথা মেঝেতে রেখে পা দুটো ওপরে তুলে দিল। মেঝেতে গড়াগড়ি খেল, সাত পাক ডিগবাজি খেল। কি আনন্দ, কি ফুর্তি।

    ঘরের বাইরে সাঙ্গপাঙ্গদের চিৎকার করে ডাকতে লাগল। ‘অনুচর, আমার অনুচর, তোমরা তাড়াতাড়ি এসো। ধেনো মদ নিয়ে এসো। বাজনা বাজাও। আমার ছেলে। ফুর্তি করো। কুকুর দুটোকে মেরে মাংস বানাও। নাচের আয়োজন করো। তাড়াতাড়ি। আমার ছেলে।

    আনন্দে নাচছে রাক্ষস। অনুচরেরাও খুশি, তারাও নাচছে। তারাও চিৎকার করছে, ধেনো আনো, বাজনা বাজাও, কুকুর দুটোকে মেরে ফেলো, বড়টাকে, ছোটটাকে। প্রভুর ছেলে?

    আনন্দে দিশেহারা হয়ে রাক্ষস প্রচুর ধেনো মদ খেল। আর ঠিক থাকা যাচ্ছে না। দেহ অবশ হয়ে আসছে, চোখের পাতা ভারি হয়ে উঠেছে। রাক্ষস ঘুমিয়ে পড়ছে।

    বউকে জিজ্ঞেস করল, বউ, আমার খুব ঘুম পেয়েছে। আমার শোবার কাঠের সিন্দুক কোথায়? আর পারছি না।

    বউ একথা শুনে মনে মনে শান্তি পেল। কিন্তু সে ভাব সে প্রকাশ করল না। খুব আদর করে রাক্ষসকে ধরল, আস্তে আস্তে সিন্দুকের কাছে নিয়ে গেল, যত্ন করে তাকে শুইয়ে দিল। তারপর পর পর সাতটা ডালা বন্ধ করল, সাতটা ডালাতেই একে একে তালা লাগাল। রাক্ষস এখন অনেক ভেতরে, গভীর ঘুমে ঢলে পড়ছে।

    মেয়ে তাড়াতাড়ি মায়ের পাথরের সিন্দুক খুলে ফেলল। মা জেগেই ছিল। দুজনে পালাল রাক্ষসের বাগান পেরিয়ে। বড় কুকুর, ছোট কুকুর টুকরো টুকরো হয়ে রাক্ষসের পেটে রয়েছে, তাই ভয়ের কিছু নেই। তারা অনেকটা নিশ্চিত্ত। তারা তাড়াতাড়ি রাক্ষসের সেই বিরাট ঘরে ঢুকে পড়ল। সেখানে রয়েছে প্রকাণ্ড রথ, মাঝারি রথ, ছোট রথ, ছোট জাহাজ, বড় জাহাজ। কোনটা নিলে আমরা খুব তাড়াতাড়ি পালাতে পারব? মা-মেয়ে ঠিক করতে পারছে না। এদিকে সময় নষ্ট করা চলবে না। এমন সময় ঘরে দেখা দিল সেই পুজারিণী। সে বলল, রথে তেমন জোরে যাওয়া যাবে না। তোমরা ছোট জাহাজ নাও। নদীর জলে তিরবেগে ছুটবে ছোট জাহাজ। দেরি করে লাভ নেই।

    মা-মেয়ে জাহাজে চড়ল। জাহাজ বয়ে চলেছে তিরের গতিতে। নদীতে অনেক জল। হাওয়ায় ভেসে চলেছে জাহাজ। মা-মেয়ের মুখে হাসি।

    রাক্ষস হঠাৎ জেগে উঠল। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছে, বুক হাইফাই করছে। ভীষণ তেষ্টা পেয়েছে। চিৎকার করে বলল, “বউ, তেষ্টা পেয়েছে, বুকের ছাতি ফেটে যাচ্ছে, এক্ষুনি জল দাও। জল দাও।

    অনেক বার ডাকল রাক্ষস। কে শোনে কার কথা। বউ তো সাড়া দিচ্ছে না। তবে কি..? প্রচণ্ড শব্দে কাঠের সিন্দুকের সাতটা ডালা ভেঙে গেল। রাক্ষস বেরিয়ে এল। ঘরে নেই কেউ। তবে কি…? এ ঘরে ও ঘরে খুঁজল। কোথাও নেই কেউ। তাহলে…? মানুষের মেয়ে পালিয়েছে? শয়তান কুকুর। হুংকার দিল রাক্ষস। দুঃখে-রাগে তার বুক ফেটে যাচ্ছে। অনুচরেরা নেশার ঘোরে এখানে ওখানে পড়ে ছিল। লাথি মেরে রাক্ষস তাদের জাগিয়ে দিল। প্রভুর হুংকারে তাদের নেশা ছুটে গেল। রাক্ষস ছুটে গেল বিরাট ঘরে। দেখল, একটা ছোট জাহাজ নেই। ছুটে গেল নদীর পারে। বহুদূরে দেখতে পেল, জাহাজ চলেছে। প্রায় অদৃশ্য হয়ে এসেছে জাহাজ। তাহলে?

    অনুচরেরা রাক্ষসের পেছনে। রাক্ষস বলল, ‘হাটু জলে নেমে পড়। নদীর সব জল গিলে ফেলো। দেরি নয়।

    অনুচরেরা কাজে লেগে গেল। সোঁ সোঁ শব্দ হচ্ছে, চোঁ চোঁ জল গিলছে তারা। মা-মেয়ে দেখল, জাহাজ হঠাৎ থেমে গেল। জাহাজ আর সামনে যাচ্ছে না, পেছনে চলেছে। আস্তে, জোরে, আরও জোরে, তিরের গতিতে জাহাজ চলেছে রাক্ষসের প্রাসাদের দিকে। এ কি হল? এ কি হল? তাদের মুখ শুকিয়ে গেল, বুক কাঁপছে। মা আছড়ে পড়ল কাঠের পাটাতনের ওপর।

    অল্পক্ষণ পরেই রাক্ষস তাদের ধরে ফেলবে। আর তারপর? মা-মেয়ে সব আশা ছেড়ে দিল। উদাস চোখে চেয়ে রইল। দুপারের পাহাড় গাছ পেছনে সরে সরে যাচ্ছে।

    এমন সময় জাহাজে দেখা দিল সেই পূজারিণী। সুন্দর পবিত্র বেশে সে দাঁড়িয়ে রয়েছে। “তোমরা দুজনে শুধু দাঁড়িয়ে রয়েছ? এখুনি রাক্ষসের হাতে গিয়ে পড়বে।

    কি করবে তারা? কিছুই বুঝতে পারছে না। পূজারিণী বলল, “তোমরা কি জান না রাক্ষসরা সবচেয়ে পবিত্র জিনিস দেখলে হাসতে থাকে? পবিত্র জিনিস দেখাও। পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র জিনিস মেয়েদেরই আছে। তা হল তাদের দুটি বুক। শিশু মানুষ হয় বুকের দুধ খেয়েই। খুলে ফেল তোমাদের বুকের আবরণ।

    মা ও মেয়ে তাদের বুকের কাপড় খুলে ফেলল। পূজারিণী খুলে দিল নিজের বুকের কাপড়। পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ছ’টি বুক।

    তাদের দিকে চোখ পড়তেই রাক্ষসেরা হাসতে লাগল। খুব স্পষ্ট সবকিছু দেখা যাচ্ছে। কেননা, জাহাজ খুব কাছে। তারা দেখছে আর হেসে হেসে গড়িয়ে পড়ছে। গড়িয়ে পড়ছে আর মুখ দিয়ে জল বেরিয়ে আসছে। যেমন করে পাহাড় থেকে ঝরনা নামে। জাহাজ থেমে গেল। জাহাজ চলতে শুরু করল। এবার অন্যদিকে। রাক্ষসের প্রাসাদ থেকে দূরের পথে। বুক খোলাই রয়েছে। রাক্ষসেরা হাসছেই। ওরা কি পাগল হয়ে গিয়েছে? একবার সোজা হচ্ছে, আবার হাসির দমকে দেহ বেঁকে যাচ্ছে। নদীর জল বেড়ে যাচ্ছে, তাতে স্রোত এল, জাহাজ চলল দূরে, বহু দূরে। রাক্ষসের প্রাসাদ আর দেখা যাচ্ছে না। আঃ কি শান্তি।

    মা-মেয়ে বারবার নত হয়ে পূজারিণীকে প্রণাম জানাল। পূজারিণী, তুমি না থাকলে আমরা এই বিপদ থেকে বাঁচতাম না। তুমি প্রথম থেকে কত উপকারই না করলে। তোমাকে প্রণাম।

    পূজারিণী মধুর হেসে বলল, “আমি পূজারিণী নই। আসলে আমি হলাম পাথরের স্মৃতিস্তম্ভ। যে স্মৃতিস্তম্ভে মাথা রেখে তুমি মন্দিরে ঘুমিয়েছিলে। স্মৃতিই তো সব। তার প্রতীক আমি পাথরের রূপে থাকতে ভালোবাসি। আমি খুব খুশি হব, প্রতি বছর যদি তুমি একটা করে পাথরের স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি কর। সেই পাথরটার পাশে রাখবে। প্রতি বছর একটা করে। এতেই আমার সবচেয়ে বেশি আনন্দ। স্মৃতিই সব। সাদা মেঘের মধ্যে মিলিয়ে গেল পবিত্র পূজারিণী।

    মা-মেয়ে বাড়িতে ফিরে এল। পথে আর কোন বিপদ ঘটেনি। গাঁয়ের সবাই খুব খুশি।

    মা-মেয়ে পূজারিণীর কথা ভোলেনি, সারা জীবন ধরে তারা প্রতিশ্রুতি রেখেছে। প্রতি বছর পূজারিণীর নামে একটি করে পাথরের স্মৃতি তৈরি করেছে। কখনও ভোলেনি। তাই তো আমাদের এই সুন্দর দেশ জুড়ে কত পাথরের স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতি-ঘেরা পাথরই ছিল পূজারিণীর সবচেয়ে প্রিয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }