Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১১ মরিস বুকাইলি আর ফিরাউনের সেই মমি

    ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতাপশালী ফারাও হিসেবে ইতিহাসবিদগণ যাকে চিহ্নিত করে থাকেন, তিনি রামেসিস দ্য সেকেন্ড বা দ্বিতীয় রামেসিস। এমনকি সবচেয়ে বিখ্যাত মমির আবিষ্কারের তালিকাও যদি করতে হয়, তবে শীর্ষ পাঁচে রাখতে হয়। দ্বিতীয় রামেসিসের মমি আবিষ্কারের ঘটনা। বলা যায়, কিশোর ফারাও তুতেনখামুনের মমি আবিষ্কারের পর এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত। হয়তো এ প্রতাপের কারণেই অনেকের ধারণা ও বিশ্বাস, কুরআন ও বাইবেলে বর্ণিত মূসা (আ)-কে তাড়া করা ফারাও ছিলেন দ্বিতীয় রামেসিস। যদিও এটা প্রমাণিত কোনো ধারণা না। সেটাই আমরা খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবো, আর সাথে সাথে তার মমির আবিষ্কার নিয়ে এ লেখায় আমরা অনুসন্ধান করবো।

    প্রথমেই আসা যাক, যাকে নিয়ে এত জল্পনা আর কল্পনা, সেই দ্বিতীয় রামেসিসের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা ফলক কিংবা প্যাপিরাসের পাতায় লিখিত ইতিহাস কী বলে?

    বাংলায় ‘রামেসিস’ (Ramesses) লেখা হলেও ইংরেজিতে উচ্চারণটি আসলে ‘র‍্যামেসিজ’। প্রাচীন মিসরীয় এ নামের অর্থ ছিল ‘(দেবতা) রা তার জন্মদাতা’ (Ra is the one who bore him)। আর দেবতা ‘রা’ (Ra, বা প্রাচীন ক্যুনিফর্ম ভাষায়- রিয়া) ছিলেন প্রাচীন মিসরের সূর্যের দেবতা, প্রধানত ঈগল পাখি কিংবা দুপুরের সূর্যের প্রতীক দিয়ে তাকে প্রকাশ করা হতো। খ্রিস্টের জন্মের ২৪০০- ২৫০০ বছর আগে যখন মিসরে ফিফথ ডাইনেস্টি বা পঞ্চম সাম্রাজ্য চলছিল। তখনই তিনি প্রাচীন মিসরের ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেবতাদের একজন হয়ে যান। একইসাথে আকাশ, পাতাল আর মর্ত্যের অধিপতি হিসেবে তার পূজা করা হতো। এর প্রায় এক হাজার বছর পরে মিসরে নিউ কিংডম বা নব্য সাম্রাজ্য যুগ শুরু হয়, আর তখন নতুন করে দেবতা আমুনের প্রতাপ বেড়ে যায়। তখন এই ‘রা’ আর ‘আমুন’ মিলে যুগ্ম দেবতা আমুন-রা’র পূজা শুরু হয়। ‘রা’ এর কথা এত করে বলার কারণ তার প্রতাপ বোঝানো। তাই এতে অবাক হবার কিছু নেই, মিসরের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতাপশালী রাজার নাম ছিল ‘রা’-কে নিয়েই।

    এই নিউ কিংডমের সময়েই জন্ম দ্বিতীয় রামেসিসের। মিসরের নাইন্টিন্থ ডাইনেস্টি বা উনিশতম সাম্রাজ্যের তৃতীয় ফারাও রামেসিস খ্রিস্টের জন্মের ১৩০৩ বছর আগে জন্ম নেন। তার জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি তার সাম্রাজ্য প্রসারে ব্যয় করেছিলেন, তবে জীবনের প্রথমভাগে তিনি নতুন নতুন শহর, মন্দির আর স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলেন।

    নীলনদ ঘেঁষে তিনিই পি- রামেসিস (Pi – Ramesses) শহরের পত্তন করেন, যার কথা বাইবেলে উল্লেখ আছে। আসলে এ কারণেই সেই ফারাওকে রামেসিস বলে আন্দাজ করা হয়। এ ব্যাপারে অবশ্য কুরআনে কোনো উল্লেখ নেই। পাই- রামেসিস শহর থেকেই তিনি সিরিয়াতে নানা অভিযান চালিয়েছিলেন। তার বাবা সেটি দ্য ফার্স্ট (Seti 1) তাকে চৌদ্দ বছর বয়সেই প্রিন্স রিজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেন। এখানে বলা দরকার, বাইবেলে এক্সোডাসের কাহিনী বর্ণনার সময় দুজন ভিন্ন ফারাওয়ের কথা বলেছে, একজন যিনি মূসা (আ)-কে নদীর পানি থেকে তুলে আনার সময় ফারাও ছিলেন, আর অপরজন তার ছেলে যিনি কি না মূসা (আ) মিসরে ফিরে আসার পরের সময়কালে ফারাও ছিলেন। কিন্তু কুরআনে ফারাও উপাধি ব্যবহার করা হলেও এ দুজন ভিন্ন কি না সে ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি।

    কম বয়সেই, খ্রিস্টের জন্মের ১২৭৯ বছর আগে, মে মাসের ৩১ তারিখ দ্বিতীয় রামেসিস ক্ষমতালাভ করেন। তিনি একটানা ৬৬ বছর ২ মাস রাজত্ব করে মারা যান খ্রিস্টপূর্ব ১২১৩ সালে। এবং এরপর ফারাও হন আরেক বিখ্যাত ফারাও মারনেপতাহ (Merneptah)। যেহেতু রামেসিস ছিলেন খুবই বিখ্যাত, তাই তার সিংহাসন আরোহণের পর ঘটনাগুলো ইতিহাসে খুব বিস্তারিতভাবেই লিপিবদ্ধ ছিল, যা এখন আমরা দেখতে পাই। মূসা (আ) এর সময়ের এক্সোডাস বা মিসরত্যাগের ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় না, কিংবা প্রত্নতাত্ত্বিকরা একে ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে গণ্য করেন না।

    তারপরও, ধর্মীয় ইতিহাসবিদরা চেষ্টা করেন এক্সোডাসের কাহিনী মিসরের ইতিহাসের সাথে মেলাবার। এবং এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এক্সোডাসের সময়ের ফারাওয়ের মৃত্যু, কারণ তিনি তো সমুদ্রে ডুবে মারা গিয়েছিলেন ধর্মগ্রন্থগুলো মতে! তাহলে রামেসিস কীভাবে মারা যান? তিনিই কি সেই ফারাও? নাকি অন্য কোনো ফারাও, যিনি কি না সমুদ্রে ডুবে মারা যান?

    ফারাও সেটি (Seti I), ফারাও রামেসিস (Ramesses) কিংবা ফারাও মারনেপতাহ (Merneptah) সবাই ছিলেন বিখ্যাত, আর তাদের ইতিহাস ভালো করেই নথিভুক্ত।

    দ্বিতীয় রামেসিস মারা গিয়েছিলেন ৯০ বছর বয়সে। তিনি প্রচণ্ড রকমের দাঁতের সমস্যায় ভুগছিলেন, আর বাত তো ছিলই। ইতিহাসে এ রোগকেই তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার দেহকে মমি করা হয় এবং প্রথমে ভ্যালি অফ দ্য কিংসের KV7 সমাধিতে রাখা হয়। কিন্তু কবর লুটেরা আর ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা করবার জন্য সেই দেহ পরে সরিয়ে নেন যাজকেরা আরেকটু নিরাপদ স্থানে, যা ছিল রানী আহমোসি ইনহাপির সমাধি। ৭২ ঘণ্টা পরেই আবার সরিয়ে ফেলা হয় মমি। এবারের স্থান হাই প্রিস্ট দ্বিতীয় পিনেযেমের সমাধি। এতে করে লুটেরাদের থাবা থেকে বেঁচে যান মৃত রামেসিস। এই নতুন স্থানেই প্রত্নতাত্ত্বিকগণ খুঁজে পান রামেসিসের লাশ, সেটা ১৮৮১ সালের ঘটনা। যেখানে পাওয়া যায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার এ মমি, মিসরের সে জায়গার নাম ‘দীর আল বাহরি’, যার অর্থ ‘সমুদ্র আশ্রম’ বা ‘সমুদ্র মঠ’, যা বানানো হয় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে। নীল নদের পশ্চিম তীরে মিসরের লুক্সর শহরের বিপরীতে এর অবস্থান।

    থিবান নেক্রোপলিস (মৃত্যুপুরী) এর অংশ এটি। ৫০ জনেরও বেশি স্থানীয় শাসক ও সম্ভ্রান্ত মানুষের উপস্থিতিতে মমিটি আবিষ্কার করা হয় রাজকীয় প্রকোষ্ঠে। গাস্তন মাস্পেরো মমিটির কাপড় খুলেছিলেন। তিনি বর্ণনা করেন, মমিটির চুল ছিল বেশ মোটা মোটা, মৃত্যুকালে ছিল সাদা, তাতে মেহেদি দেয়া ছিল। তবে দাঁড়ি আর গোঁফ বেশ পাতলা। হায়ারোগ্লিফ থেকে জানতে পারা যায়, এটি দ্বিতীয় রামেসিসের মমি। সেখানেই লেখা ছিল বিস্তারিতভাবে কেন মমি সরিয়ে এখানে আনা হয়।

    কিন্তু কোথাও এটা লেখা ছিল না যে এই ফারাও মারা গিয়েছেন লোহিত সাগরে ডুবে।

    মমিটি আবিষ্কারের প্রায় ১০০ বছর পর ১৯৭৪ সালে দেখা যায় যে মমিটিতে পচন ধরা শুরু হয়েছে। তাই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, মিসর থেকে সেটি প্যারিসে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে পরিচর্যা করা হবে। মজার ব্যাপার, এজন্য তার নামে পাসপোর্টও ইস্যু করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পাসপোর্টের একটি কাল্পনিক ছবি ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় যেখানে ‘পেশা হিসেবে লেখা ‘রাজা (মৃত)’। আদতে এমন কোনো পাসপোর্টের হদিস জনসম্মুখে আসেনি, তাই ‘পেশা’-র ব্যাপারটি সত্য নয়; তবে পাসপোর্ট যে ছিল তা সত্য। তাছাড়া রাজকীয় সম্মানেই তাকে বরণ করা হয় প্যারিসের বিমানবন্দরে। প্যারিসে পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার দেহে যুদ্ধের আঘাত এবং বাতের চিহ্ন আছে, শেষ বয়সে তিনি কুঁজো হয়ে হাঁটতেন।

    এখন অবশ্য মমিটি মিসরের কায়রো জাদুঘরেই আছে। দ্বিতীয় রামেসিস এতই বিখ্যাত ছিলেন যে তার সম্মানে পরে নয়জন ফারাও রামেসিস উপাধি ধারণ করেন। একশ’রও বেশি সন্তানাদি রেখে গিয়েছিলেন দ্বিতীয় রামেসিস।

    রামেসিস নিয়ে এত কথা বলার কারণ, ইতিহাসে কোথাও বলা নেই যে এই সেই ফারাও যার মৃত্যু হয়েছিল সাগরে ডুবে। তার আগের আর পরের ফারাওয়ের মৃত্যুকথনও বলা যাক। আগের জন সেটি দ্য ফার্স্টের মৃত্যু হয় ৫৫ বছর শাসন করবার পর, তার মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক, কোনো অপঘাত নয়। আর রামেসিস এত দীর্ঘ সময় শাসন করেছিলেন যে, তিনি যখন মারা যান, তখন তার ছেলে মারনেপতাহের বয়স সত্তরের কাছে। তিনি ভুগেছিলেন আর্থ্রাইটিস (বাত) ও অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসে ( atherosclerosis)। কিন্তু তার মৃত্যুর কারণের ব্যাপারে ইতিহাস আমাদের কিছু জানায় না। তবে তার মারা যাবার পর ২৫ বছরের অস্থিতিশীলতা চলেছিল। রামেসিস তত্ত্বের আগে মারনেপতাহকেই ধারণা করা হত এক্সোডাসের ফারাও। কিন্তু কোন তত্ত্ব আসলে বেশি যৌক্তিক? নাকি কোনোটিই নয়?

    এই এক্সোডাসের ফারাও যে রামেসিস হতে পারেন, সে সম্ভাবনার কথা চাঙ্গা হয়ে ওঠার সাথে যার নাম জড়িত তিনি ড. মরিস বুকাইলি (Maurice Bucaille), একজন ফরাসি ভদ্রলোক, যার জন্ম ১৯২০ সালে আর মৃত্যু ১৯৯৮ সালে। আসল উচ্চারণ ‘বুকাই’। তিনি ছিলেন একজন মেডিকাল ডক্টর এবং একজন লেখক। সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সালের পারিবারিক ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ পান তিনি, এমনকি তিনি মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের চিকিৎসা ও করেছিলেন। তিনি ছিলেন মরিস ও মেরি বুকাইলির সন্তান। একজন মিসরবিদও ছিলেন তিনি। ১৯৪৫ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি মেডিসিন প্র্যাকটিস করেন। তিনি ছিলেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির (gastroenterology) একজন স্পেশালিস্ট।

    বুকাইলি যে কয়টি বই লিখেছিলেন তার মাঝে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে যে বইটি সেটি ‘The Bible. The Qur’an and Science’। এটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়, বাংলায় যার নাম ‘বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান’। এ বইতে তিনি মূলত তার লেখনি দিয়ে দেখাবার চেষ্টা করেন যে, কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের কোনো অসঙ্গতি নেই। এ মতবাদটি পরবর্তীতে বুকাইলিজম নামে পরিচিতি পায়।

    মরিস বুকাইলি পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন কি না, সেটা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। তার দীর্ঘ বক্তব্যের ভিডিও ইউটিউবে পাওয়া যায়। তার একটি সাক্ষাৎকারও ইন্টারনেটে দেখতে পাওয়া যায়, যার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা যায়নি। এ সাক্ষাৎকারে তিনি ইসলাম গ্রহণের কথা বলেন। সেখানে “আপনি কি ইসলাম গ্রহণ করেছেন?” এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি শুরু থেকেই পরিষ্কার করে বোঝাতে চেয়েছি, বিসমিল্লাহর প্রথম অক্ষর শিখবার আগেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, আল্লাহ এক ও সর্বশক্তিমান। তিনিই আমাকে কুরআন অধ্যয়নের দিকে এনেছেন।” তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও কিন্তু আছে। পাক বুক থেকে বের হওয়া The Bible, The Qur’an and Science বইয়ের ১৯৯৮ সালের সংস্করণে লেখা ছিল, “ধর্মগ্রন্থে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ব্যাপারে পড়াশোনা করায় ড. বুকাইলির কুরআনের প্রতি অপরিসীম সম্মান চলে আসে… তবুও তিনি একজন খ্রিস্টান রয়ে যান, তবে ইসলামের প্রতি তার ছিল গভীর সম্মান।” আসল ঘটনা যে কী ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায় না।

    তবে তিনি মুসলিম ছিলেন কি না সেটা আসলে আমাদের মমি নিয়ে আলোচনায় মুখ্য নয়। কিন্তু যেটা না বললেই নয়, সেটি হলো, কথিত আছে, তিনি প্যারিসে আনা রামেসিসের মমির পরীক্ষা নিরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন এবং তিনি আবিষ্কার করেন যে মমিটি আসলে একদা পানিতেই ছিল। তখন একজন তাকে জানালো, কুরআনে বলা আছে, এই ফারাওকে আল্লাহ পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হিসেবে রাখবেন। তখন তিনি আশ্চর্য হয়ে যান।

    এটা সত্য যে, কুরআনে এরকম আয়াত আছে— “অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার (ফেরাউনের) দেহকে, যাতে তোমার পরবর্তীদের জন্য তা নিদর্শন হতে পারে।” (সুরা ইউনুস, ১০:৯২)

    কিন্তু, মরিস বুকাইলি কি এটা প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন যে, রামেসিসই সেই ফারাও যার সলিল সমাধি হয়?

    একদমই না। এবং তার প্রমাণ তিনি তার বইতেই দিয়ে গিয়েছেন। আমরা যদি বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান বইটি খুলি তবে দেখতে পাই, তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করে গেছেন, আসলে দ্বিতীয় রামেসিস নয়, বরং তার পুত্র মারনেপতাহই হলো লোহিত সাগরে ডুবে যাওয়া সেই ফারাও!

    ইংরেজি মূল বইতে যেমনটি লেখা-

    The preceding data alone are enough to establish the following:

    a) There can be no question of the Exodus before a ‘Ramesses’ had come to the throne in Egypt (11 Kings of Egypt had this name).

    b) Moses was born during the reign of the Pharaoh who built the cities of Ramesses and Pithom, ie. Ramesses II.

    c) When Moses was in Midian, the reigning Pharaoh (L.e. Ramesses II) died. The continuation of Moses’s story took place during the reign of Ramesses II’s successor, Merneptah

    আর বাংলা অনুবাদেও মারনেপতাহকে নিয়ে লেখা সেই অধ্যায়-

    যাহোক, পরবর্তিতে লিখিত বিষয়গুলো সাব্যস্ত করার জন্য উপরের আলোচনাই যথেষ্ট :

    (ক) (মিসরের দ্বিতীয় অধিপতি) রামেসিসের সিংহাসনে আরোহণের পূর্বে ইহুদীদের মিসরত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।

    (খ) হযরত মুসা এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস ও পিথম নগরী নির্মাণ করেন। তিনিই হচ্ছেন দ্বিতীয় রামেসিস

    (গ) হযরত মুসার মাদিয়ানে অবস্থানকালে ক্ষমতাসীন ফেরাউনের অর্থাৎ দ্বিতীয় রামেসিসের মৃত্যু ঘটে এবং হযরত মুসার জীবনের পরবর্তী ঘটনাবলী সংঘটিত হয় দ্বিতীয় রামেসিসের উত্তরাধিকারী মারনেপতাহর রাজত্বকালে।

    এছাড়াও, বাইবেলে আরো গুরুত্বপূর্ণ এমনকিছু তথ্য রয়েছে, যেসব তথ্যের আলোকে ইহুদীদের মিসরত্যাগের সময় মিসরে ক্ষমতাসীন ফেরাউনের সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব। বাইবেলে বলা হয়েছে, হযরত মুসার বয়স যখন ৮০ বছর

    রামেসিস তত্ত্বের চেয়ে মারনেপতাহ তত্ত্বই বেশি যৌক্তিক, যদি তাদের দুজনের একজনকে আদৌ সলিল সমাধির শিকার আন্দাজ করতে হয়। মারনেপতাহ বুড়ো বয়সে মারা যান বলেই জানা যায়, মৃত্যুর কারণ আসলেই বাত নাকি অন্য কিছু তা নিশ্চিত নয়। ভ্যালি অফ দ্য কিংসের KV8 সমাধিতে তার মমি রাখা হয় প্রথমে। কিন্তু পরে তার মমি সেখানে পাওয়া যায় না। ১৮৯৮ সালে আরও ১৮টি মমির সাথে তার মমিও আবিষ্কৃত হয় দ্বিতীয় আমেনহোতেপের সমাধিতে। এরপর সেই মমি কায়রোতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার উচ্চতা ছিল পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি। চেহারার দিক থেকে তার দাদার সাথে যেমন মিল আছে, তেমনই তার বাবা দ্বিতীয় রামেসিসের সাথেও আছে মিল।

    তবে একটু আগে উল্লেখ করা আয়াতের তাৎপর্য খুঁজতে গিয়ে আমরা তাফসির জাকারিয়াতে দেখতে পাই নিচের ব্যাখ্যা-

    ৯২. ‘সুতরাং আজ আমরা তোমার দেহটি রক্ষা করব যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকি আর নিশ্চয় মানুষের মধ্যে অনেকেই আমাদের নিদর্শন সম্বন্ধে গাফিলতি।’

    (১) এখানে ফির’আউনকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যে, জলমগ্নতার পর আমি তোমার লাশ পানি থেকে বের করে দেব যাতে তোমার এই মৃতদেহটি তোমার পরবর্তী জনগোষ্ঠীর জন্য আল্লাহ্ তা’আলার মহাশক্তির নিদর্শন ও শিক্ষণীয় হয়ে থাকে। কাতাদা বলেন, সাগর পাড়ি দেবার পর মূসা আলাইহিস সালাম যখন বনী- ইসরাঈলদেরকে ফির’আউনের নিহত হবার সংবাদ দেন, তখন তারা ফিরআউনের ব্যাপারে এতই ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল যে, তা অস্বীকার করতে লাগল এবং বলতে লাগল যে, ফিরআউন ধ্বংস হয়নি। আল্লাহ্ তা’আলা তাদের সঠিক ব্যাপার প্রদর্শন এবং ন্যানাদের শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে একটি ঢেউয়ের মাধ্যমে ফির’আউনের মৃতদেহটি তীরে এনে ফেলে রাখলেন, যা সবাই প্রত্যক্ষ করল। [তাবারী] তাতে তার ধ্বংসের ব্যাপারে তাদের নিশ্চিত বিশ্বাস এল এবং তার লাশ সবার জন্য নিদর্শন হয়ে গেল। লাশের কি পরিণতি হয়েছিল তা সঠিকভাবে জানা যায় না।

    উপসংহার হলো, কুরআন বা বাইবেলের সেই সলিল সমাধি হওয়া ফারাও কে- তা আসলেই বলার কোনো জো নেই ইতিহাস থেকে। কিন্তু ইসলামি তাফসির বলছে, সেই আয়াতের ব্যাখ্যায় ‘নিদর্শন’ হিসেবে তাকে রেখে দেয়া বলতে ফারাওয়ের মৃতদেহ তীরে এনে তৎকালীনদের দেখানোকেই বোঝানো হয়েছে। তার লাশের পরবর্তী হদিস কারও জানা ছিল না। অনেকেই পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে রামেসিসের মমিকে চালিয়ে দেন কুরআনের সেই ফারাও হিসেবে, অথচ এমনটি ভাবার মতো তথ্য-প্রমাণ যে আসলে হাতে নেই, তা কি তারা জানেন?

    তবে ফারাও যে-ই হয়ে থাকুক না কেন, তার শেষ মুহূর্তের ঘটনা বাইবেলে কিছু না থাকলেও কুরআনে ঠিক এভাবে বর্ণিত আছে-

    আমি বনী ইসরাইলকে সাগর পার করে দিলাম, আর ফারাও এবং তার সেনাবাহিনী তাদের পিছু নিল, দুরাচার আর শত্রুতাবশত। কিন্তু যখন পানি ফিরে এসে তাদের ডুবিয়ে দিতে লাগলো, তখন ফারাও বলল, “আমি বিশ্বাস করি যে, বনী ইসরাইলের মাবুদ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই, আমি এখন ঈমানদারদের অন্তর্ভুক্ত।” এখন বলছো এ কথা? অথচ তুমি না আগে নাফরমানি করেছিলে? ছিলে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত? অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে তা। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না। (সুরা ইউনুস ১০:৯০-৯২)

    এর পরের অধ্যায়ে আবার ফিরে যাওয়া হবে সাগর পাড়ি দেয়া বনী ইসরাইলের ঘটনায়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }