Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৫ রাহাব ও দুই গুপ্তচরের কাহিনী

    হযরত হারুন (আ) এর জন্য শোক পালনের পরপরই বনী ইসরাইল তাদের প্রথম যুদ্ধে জিতল। তাদের উপর আক্রমণ করে কাছের এক রাজ্যের বাদশাহ। কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়েও যায়। পরে প্রতিশোধপরায়ণ কাফেলা সেই রাজ্য আক্রমণ করে সবগুলো শহর আর গ্রাম জয় করে নেয়। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

    সেই আত্মবিশ্বাসে তারা আরও কিছু গ্রাম জয় করে নেয়।

    কিন্তু আবার সেই স্থবিরতা তাদের ঘিরে ধরল। আর এদিকে মূসা (আ)-ও বুড়ো হয়ে পড়েছেন। ৪০ বছরের অভিশাপ এখনও ইসরাইলের উপর থেকে যায়নি। মূসা (আ) জানেন, তিনি দেখে যেতে পারবেন না প্রতিশ্রুত ভূমির বিজয় এর আগেই তাঁকে চলে যেতে হবে ওপারে।

    শেষ বয়সে এসে মূসা (আ) দেখলেন ইসরাইল জাতি জেরুজালেমের সবচেয়ে কাছের শক্তিশালী শহর জেরিকোর কাছে এসে পড়েছে। এই শহরের পতন ঘটলেই বলা যায় প্রায় পৌঁছে গেছে বনী ইসরাইল সেই প্রতিশ্রুত ভূমিতে। কিন্তু এটা কি তাঁর জীবন থাকতেই হবে?

    জেরিকোর কাছে এসে শিবির গড়লো ইসরাইল জাতি। সুবিশাল তাদের শিবির, লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে। ঠিক পাশ দিয়েই বয়ে যাচ্ছে পবিত্র জর্ডান নদী।

    এত লোক দেখে কাছের নগরী মোয়াবের বাদশাহ ভয় পেয়ে গেলেন। তার নাম ছিল বালাক। সবাই মনে করতে লাগলো, এত লোকের চাপেই তারা পিষে যাবে।

    নবী কেবল ইসরাইল বা ইসমাইল বংশেই আসেনি, সব সমাজেই এসেছিল বলে ইসলাম ও ইহুদী ধর্ম বলে থাকে। তেমনই, এই মোয়াব রাজ্যের জন্য নবী ছিলেন সেই সময়ের জন্য যিনি, তার নাম বালাম ইবনে বাউরা। অবশ্য সেটা ইহুদী ধর্ম অনুযায়ী, ইসলামে তাকে নবী বলা হয়নি, দরবেশ বা আলেম বলা হয়েছে, যিনি পরবর্তীতে নাফরমানি করেন। কুরআনের ভাষায়, “আর আপনি তাদেরকে শুনিয়ে দিন, সেই লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার পেছনে লেগেছে শয়তান, ফলে সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছে।” (কুরআন ৭:১৭৫)

    অন্যান্য রাজ্যের নবীদের কথা বেশি আসে না, কারণ তাদের ইতিহাস হয়তো তেমন ভালভাবে লিখিতভাবে সংরক্ষিত নেই। আসলে, বেশিরভাগ তাদেরকে না মানলেও, খুব সম্মান খুব সম্মান করতো নবীদেরকে ধর্মপ্রচারক হিসেবে। সাধুদের অভিশাপ যেন না লাগে সেজন্য সবাই তাদের না রাগিয়ে চলতো। অভিশাপের ভয় সবারই ছিল। সেই হিসেবে বালামকে সবাই মান্য করত।

    রাজা বালাক ডেকে পাঠালেন বালামকে, বললেন, “আপনি ঐ জাতির বিরুদ্ধে অভিশাপ দিন, যেন তারা ধ্বংস হয়ে যায়।”

    কিন্তু বালাম সেটা করলেন না। রাজা বালাক এতে রেগে গেলেন, আবার ভীতও হয়ে উঠলেন ইসরাইলের ব্যাপারে। কখন না জানি আক্রমণ করে বসে তাদের উপর ইসরাইল।

    কিন্তু, ইসরাইলিদের মাথায় ছিল না তখন পবিত্র ভূমি জয়ের চিন্তাভাবনা। তখন তারা মত্ত সুন্দরী নারী নিয়ে। আশেপাশের এলাকার সুন্দরী পৌত্তলিক নারীদের সাথে তারা ব্যভিচার করা শুরু করল। কীসের রাজ্য? কীসের ভূমি? নারীতেই তাদের সব ভুলে থাকা। অনেকে সেই নারীদের খুশি করার জন্য সেই দেবতাদের মূর্তিতে পূজা দিতে লাগল।

    তখন গজব হিসেবে আল্লাহ মহামারী প্রেরণ করলেন ইসরাইল জাতির জন্য। চব্বিশ হাজার ধর্মত্যাগী মারা যায় সেই গজবে। এ গজবের পর থেকে ইসরাইল একটু রয়ে সয়ে চলতে লাগলো।

    মহামারী শেষ হলে দ্বিতীয় আদমশুমারি করা হলো, এবার বিশের বেশি বয়সের জনসংখ্যা হলো ৬,০১,৭৩০; লেবীয় পুরুষদের আলাদাভাবে গোনা হলো- ২৩ হাজার।

    এটা ছিল মূসা (আ) এর করে যাওয়া শেষ বড় কাজ। আল্লাহ তাকে জানালেন, “তোমার ভাই হারুন যেমন চলে গেছে, তেমন তোমাকেও চলে যেতে হবে।”

    মূসা (আ) বললেন, “মাবুদ, এমন একজন লোককে বনী ইসরাইলের জন্য নিযুক্ত করুন যে কি না এদের নেতা হয়ে পরিচালনা করতে পারবে। যেন এরা রাখালহীন ভেড়ার মতো না হয়ে পড়ে।”

    আল্লাহ বললেন, “ইউশা ইবনে নুনের ওপর ওহী আসবে। তুমি তাঁকে ডেকে তোমার স্থলাভিষিক্ত কর। তাঁর ওপর তোমার হাত রাখ।”

    মূসা (আ) তা-ই করতে প্রস্তুত হলেন।

    অবীরাম পর্বতমালার একটি উঁচু পাহাড়ে উঠলেন তিনি ইউশাকে নিয়ে। চোখ মেলে তাকালেন চারদিকে। (তাওরাত, দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪)

    আল্লাহ বললেন, “তাকাও, দেখ… এ দেশটাই আমি বনী ইসরাইলকে দিব।”

    মূসা (আ) ইউশাকে তখন ডেকে দেখালেন। বললেন এ দেশ নিয়ে তাঁর কী কী স্বপ্ন ছিল। নবী ইব্রাহিম (আ)-কে আল্লাহ ওয়াদা করেছিলেন, এ দেশ তিনি ইসরাইলকে দেবেন। ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো দেখে যেতে পারবেন, কিন্তু সে আর হলো না।

    ইউশা যেন ঠিকঠাক মতো এদের পৌঁছে দেয় জেরুজালেমে, পবিত্র প্ৰতিশ্ৰুত ভূমিতে। পারবে তো ইউশা?

    ইউশা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন। সেই ছোট থেকে মূসা (আ) এর সাহচর্যে বড় হয়েছেন। বুঝতে পারছেন, তিনি চলে যাবেন কিছুদিনের মধ্যেই এ দুনিয়া ছেড়ে। কত জায়গায় গিয়েছেন তারা একসাথে। একসাথে গিয়েছিলেন খিজির (আ) এর সাথে দেখা করতে। কত স্মৃতি আছে একত্রে!

    পাহাড়ের চূড়ায় দুজন দাঁড়িয়েই রইলেন অনেকক্ষণ। ইউশা (আ) নবুয়ত লাভ করলেন ইসরাইলের নতুন নবী হিসেবে।

    মূসার (আ) শেষ দিনগুলো ছিল স্বাভাবিক। আল্লাহ ওহী নাজিল করে প্রতিশ্রুত পবিত্র ভূমির (Promised Land) সীমা দিয়ে দিলেন। [গণনাপুস্তক ৩৪:১- ১২]

    লিখিত আকারে সেই সীমানা হয়তো পাঠক বুঝতে পারবেন না, তাই আগ্রহীদের জন্য নিচের মানচিত্র দেখানো হচ্ছে। রেখা দিয়ে ঘেরা অংশটাই হলো সেই দেশের সীমানা।

    মিসর থেকে ফেরাউনের তাড়া খেয়ে বেরিয়ে আসার সুদীর্ঘ ৪০ বছর পর, ১১ তম মাসের প্রথম দিন, মূসা (আ) শরীয়তের সকল বিষয় সবাইকে পরিষ্কার করে দিলেন। তিনি জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনটি দীর্ঘ ভাষণ দেন, যেগুলো ইহুদীরা মেনে চলে।

    মূসার (আ) শেষ ভাষণের কিছুদিন পর তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। এরপর এক পাহাড়ে আরোহণ করেন আর পবিত্র ভূমির অপরূপ দৃশ্য দেখতে লাগলেন। আল্লাহ তাঁকে শেষবারের মতো চারপাশ দেখে নিতে বলেন। তিনি কীভাবে মারা যান সেটা কেউ দেখেনি। তার কবরও কোনো মানুষ দেয়নি। বলা হয়, ফেরেশতারা তাঁকে কবর দেন। তাওরাত মতে, “আর মাবুদ মোয়াব দেশে বৈৎ- পিয়োরের সম্মুখস্থ উপত্যকাতে তাঁকে কবর দিলেন; কিন্তু তাঁর কবরস্থান কোথায় আজও কেউ জানে না। মৃত্যুর সময়ে মূসার বয়স একশত বিশ বছর হয়েছিল। তাঁর চোখ ক্ষীণ হয়নি, ও তাঁর তেজও হ্রাস পায়নি। পরে বনী ইসরাইল মূসার জন্য মোয়াবের উপত্যকায় ত্রিশ দিন কান্নাকাটি করলো; এভাবে মূসার শোক- প্রকাশের দিন সম্পূর্ণ হলো।” (তাওরাত, দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪)

    তখন সালটা ছিল খ্রিস্টপূর্ব ১২৭২। এর মানে, ঠিক ১২৬৮ বছর পর যীশু খ্রিস্টের জন্ম।

    ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, জেরিকো নগরীর ১১ কিলোমিটার এবং জেরুজালেমের ২০ কিলোমিটার দূরে ‘মাকাম এল-নাবি মূসা’তেই মূসা (আ) এর কবর। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, মহানবী মুহাম্মাদ (স) বলেছেন, “আমি যদি সেখানে থাকতাম তাহলে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে রাস্তার পার্শ্বে লাল টিলার নীচে কবরটি দেখিয়ে দিতাম।”

    ওদিকে মূসার (আ) মৃত্যুর পর ১ মাস ধরে ইসরাইল জাতি শোক করল। আর তাদের নতুন নেতা হলেন হযরত ইউশা ইবনে নুন (আ)। আর ইসরাইল জাতি তখন জেরিকো নগরীর বাইরে।

    ইউশার (আ) হাতে ইসরাইলের উত্থান শুরু হয়। এরপর বেশ কয়েকজন নবী আসেন আর ইসরাইলের হাল ধরেন।

    ইউশার (আ) সামনে বিশাল কাজ। তাকে এই বিশাল জাতিকে পৌঁছে দিতে হবে জেরুজালেমে। অথচ এখনও জেরিকো নগরী জয় করা হয়নি। কী করবেন তিনি?

    এ দুর্গের মতো নগরী কীভাবে তিনি ভেদ করবেন? কীভাবে এ পুরু প্রাচীর ভেঙে ফেলবেন?

    কিন্তু আল্লাহ বলেছেন, এ নগরী ইসরাইলের হাতে আসবেই, তিনি কথা দিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে সম্ভব এটা? তাছাড়া ইসরাইলের কোনো প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী পর্যন্ত নেই!

    কিছু একটা করতে হবে। আগে বের করতে হবে শত্রুপক্ষের সেনাবাহিনী কেমন।

    ইউশা (আ) তাঁর বিশ্বস্ত দুজন গুপ্তচরকে ডেকে পাঠালেন। বললেন তাদের কী করতে হবে, তিনি অপেক্ষা করবেন তাদের জন্য। তারা যেন ছদ্মবেশ নিয়ে জেরিকো নগরীতে ঢুকে পড়ে। আর যে তথ্যগুলো দরকার যোগাড় করে আনে।

    গুপ্তচর দুজন চলে গেল জেরিকোর উদ্দেশ্যে।

    আর ক্যাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন ইউশা (আ)। তাঁর চেহারায় দুশ্চিন্তা। প্রার্থনা করতে লাগলেন তিনি।

    ওদিকে গুপ্তচর দুজন দক্ষতার সাথে ঢুকে পড়ল জেরিকোতে। সেনা ঘাটি নিয়ে যা যা তথ্য দরকার সব যোগাড় করা শেষ তাদের, এমন সময় হঠাৎ তাদেরকে সন্দেহ করল কেউ কেউ।

    পরিস্থিতি সঙ্গিন বুঝতে পেরেই তারা দৌড় দিল সেখান থেকে। তাদের পেছন পেছন তাড়া করল অনেক সৈন্য।

    এত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালো গুপ্তচর দুজন। শহরের একদম প্রাচীরের কাছে এসে ওরা প্রায় সৈন্যদের চোখের আড়াল হয়েই গেল। তারপরও তারা একটা নিরাপদ লুকানোর জায়গা খুঁজছিল ছুটতে ছুটতে। শহরের কিনারার দিকে বাজারের কাছে আসতেই ছুটন্ত দুজনকে দেখে অবাক হলো লোকজন।

    কিন্তু সেগুলো অগ্রাহ্য করে তারা খেয়াল করল অন্য জিনিস। এইমাত্র বাজার থেকে চলে যাচ্ছে এক নারী, বেশ সুন্দরী বলা চলে। হাতে ঝুড়ি।

    ঝটপট এগিয়ে গেল তারা তার দিকে।

    মেয়েটা টের পেতেই তাকালো। এতক্ষণ যতটা না আগ্রহী ছিল লোকজন এখন তার চেয়েও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠল আশপাশের লোকজন গুপ্তচর দুজনের দিকে চেয়ে। যেন মেয়েটির জন্যই তারা তাকিয়েছে ওদের দিকে।

    মেয়েটির চেহারাও করুণ হয়ে গেল। সবার চাহনি খেয়াল করে, যেন সে জানে এমনটা হবে।

    গুপ্তচর দুজন অনুরোধ করল তাদের যেন ওর বাসায় নিয়ে যায় মেয়েটা। মেয়েটা এক ঝলক তাকালো তাদের চেহারার দিকে, নীরবে সায় দিল।

    আর পেছনের লোকগুলো যেন টিটকারি দিয়ে উঠল। ওদেরকে চলে যেতে দেখে একসাথে।

    –“কী নাম তোমার?”

    –“রাহাব। তোমরা?”

    –“আমরা ইসরায়েলের দুজন গুপ্তচর। তোমার সাহায্য দরকার আমাদের।” সত্যিটা বলেই দিল তারা।

    মেয়েটি অবাক হয়ে তাকাল। কিন্তু যে ঘৃণা বা ভয় ওরা ভেবেছিল তার চেহারায় দেখবে তা খুঁজে পেল না তারা! মেয়েটির চোখে-মুখে যেন খুশির ঝলকানি।

    “এসো, আমার ঘরে এসো।”

    অবাক হয়ে ঘরে ঢুকল তারা।

    “আমি তোমাদের কথা অনেক শুনেছি। অনেক অনেক শুনেছি। আমি জানি তোমরা কীভাবে মিসর থেকে বেরিয়ে এসেছ, কীভাবে তোমাদের জন্য সাগর দু’ভাগ হয়ে গিয়েছিল।” মেয়েটির চোখে মুখে বিস্ময়; সে যেন বিশ্বাস করতে পারছে না, দুজন ইসরাইলি তার সাথে কথা বলছে।

    কিন্তু হঠাৎ করে তার মুখ করুণ হয়ে গেল, “তোমরা কি এখন আমাদের আক্রমণ করবে? আমি এই শহরের খুব দরিদ্র একটা মেয়ে। এই বড় সংসার আমি একা চালাই। আমার বুড়ো বাপ-মা, ছোট ছোট ভাই-বোন। এতগুলো মুখ খাওয়াতে হয়। সামান্য ফল বিক্রি করে উপার্জন করি আমি। অথচ বাজারের লোকজন আমাকে দেখতে পারে না। আমাকে পতিতা বলে!” বলতে বলতে কেঁদে ফেলল রাহাব।

    কী বলবে বুঝতে পারল না তারা দুজন, খারাপ লাগছে তাদের। এজন্যই বাজারের লোকজন এভাবে তাকাচ্ছিল। তারা কি জানত রাহাব কে? কেন ইসরায়েলের ইতিহাসে রাহাবের নাম লেখা থাকবে?

    “তোমরা আমার একটা অনুরোধ রাখবে?” রাহাব বলল।

    “কী?”

    “তোমরা যখন এ শহর জয় করে নেবে, তখন অনুগ্রহ করে আমার পরিবারকে কিছু করো না। আমি এ পুরো জায়গার উপর অতিষ্ঠ। কেউ আমাকে চায় না এখানে,” রাহাব বলল, “তোমাদের প্রভুর কথাগুলো শোনার পরই আমি বিশ্বাস করে ফেলেছি। আমাদের ক্ষতি করো না।”

    খুশি হয়ে উঠল ওরা দুজন, “অবশ্যই। আমরা কথা দিচ্ছি। এই নাও, এই লাল ফিতাটা… এটা তোমার দরজার উপর ঝুলিয়ে রাখবে। অবস্থা যদি খারাপ ও হয়, তারপরেও এটা দেখলে কেউ তোমাদের কিছু করবে না, কথা দিচ্ছি আমরা। বিশ্বাস করো আমার কথায়।”

    অশ্রু মুছে হাসি মুখ করে বলল রাহাব, “বিশ্বাস করলাম।”

    ঠিক সেই মুহূর্তে দরজার উপর কড়া আঘাত পড়ল, “দরজা খোল! না হলে দরজা ভেঙে ঢোকা হবে!”

    রাহাব চাপাস্বরে আর্তনাদ করে উঠল, “ওরা জেনে গেছে!”

    করুণ চোখে তাকিয়ে রইলো ওরা তিনজন দরজার দিকে। বাইরে সৈন্যরা ধাক্কা দিয়েই যাচ্ছে দরজায় ক্রমাগত।

    আর দূরে, বেশ দূরে, শহরের বাইরে, রাতের আঁধারে ক্যাম্পের সীমানায় দাঁড়িয়ে জেরিকো নগরীর দিকে তাকিয়ে আছেন ইউশা (আ)। তাঁর মনে দুশ্চিন্তা, এতক্ষণ লাগছে কেন তাদের? তিনি তখনও জানতেন না, জেরিকোর ওপর এমন একটা অলৌকিক কিছু হতে যাচ্ছে যেটা আগে কোনো দিন হয়নি।

    ভবিষ্যতেও হবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Our Picks

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }