Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৬ জেরিকোর পতন এবং স্যামসনের অলৌকিকতা

    রাহাব তাদের দুজনকে দ্রুত নিয়ে গেল ছাদে, এরপর তাদেরকে শুয়ে পড়তে বলল। কিছু ভেজা পাতা আর ডাঁটা শুকোতে দিয়েছিল সে, সেগুলো দিয়ে তাদের ঢেকে দিল, যেন দেখে বোঝাই না যায় যে এর নিচে কিছু আছে।

    দৌড়ে দরজা খুলল সে। সৈন্যরা বলল, “তোমার ঘরে যারা ঢুকেছে তাদের বের করে আনো এখুনি।”

    রাহাব বলল, “জি, লোকগুলো এখানে এসেছিল ঠিকই, কিন্তু কোথা থেকে এসেছে তা তো জানি না। সন্ধ্যাবেলায় শহরের দরজা বন্ধ করার আগেই তারা চলে গেছে। কোন পথ দিয়ে গেছে তা বলতে পারি না। আপনারা এখনই পেছন পেছন গেলে হয়তো তাদের ধরতে পারবেন।”

    সৈন্যগুলো বিশ্বাস করলো রাহাবের কথায়। তারা তখনই ছুটে গেল গুপ্তচরদের ধরতে। কিন্তু ধরতে না পেরে পাহারা বসালো শহরের বাইরেও।

    সেদিন রাতে ঘুমাবার সময় ঘনিয়ে এলে ওপর তলার ঘরের পেছনের জানালা দিয়ে দড়ি দিয়ে তাদের দুজনকে নিচে নামিয়ে দিল রাহাব, যেন সামনের দরজা দিয়ে কারও বের হওয়া চোখে না পড়ে।

    তারা দুজন সেখান থেকে ছদ্মবেশে পাহাড়ে চলে গেল। তিন দিন সেখানে থাকল তারা। যারা তাদের ধরতে বেরিয়েছিল তারা তাদের খুঁজে না পেয়ে ফেরত এলো তিন দিন বাদে। এরপরেই গুপ্তচর দুজন ফিরে গেল। ক্যাম্পে ফিরে অপেক্ষমান ইউশা (আ)-কে সব কিছু খুলে বলল।

    পরদিন ভোরবেলা ইউশা (আ) উঠে পুরো কাফেলাকে জাগালেন। এরপর রওনা দিলেন জর্দান নদীর দিকে। জেরিকো পৌঁছাতে হলে সবাইকে আগে পার হতে হবে এই নদী।

    কাফেলার সামনে পবিত্র সিন্দুক আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট বহন করে এগিয়ে যেতে লাগল ইমামেরা। নদীর তীরে পৌঁছানোর পর ইউশা (আ) বললেন, “এখন আমি তোমাদের এমন কিছু করতে বলব যা মাবুদ আল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন তোমাদেরকে করতে বলতে। তোমাদের বারোটি গোত্র থেকে একজন করে বাছাই কর, এবং সেই বারোজন এগিয়ে আসো। এরপর ইমামদের সাথে সিন্দুকটা বহন কর এবং পানিতে গিয়ে দাঁড়াও।”

    বিশাল জর্ডান নদী এই ফসল কাটবার সময় পানিতে টুইটুম্বুর। স্রোতের তোড়ে সব ভেসে যাচ্ছে। এ নদী পার হওয়া অসম্ভব।

    সিন্দুক নিয়ে তারা তীরের পানিতে পা রাখা মাত্রই যা ঘটল তা অকল্পনীয় ছিল। ভাটার দিক থেকে বয়ে আসা পানির স্রোত থমকে গেল। এরপর পানি সরে যেতে লাগল, সরতে সরতে ‘সর্তন’ নামের শহরের কাছাকাছি ‘আদম’ নামের গ্রামের সামনে পর্যন্ত গিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে গেল। মরু-সাগরের দিকে বয়ে যাওয়া পানি পুরোই বন্ধ হয়ে গেল।

    ইসরাইল জাতি নদী পার হওয়া শুরু করল, নদী তো না, শুকনো মাটি তখন। সবাই পার না হওয়া পর্যন্ত ইমামেরা সেখানেই আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন।

    ইউশা (আ) সেই বারোজনকে ডেকে বললেন, “তোমরা ঐ সিন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার জায়গা থেকে বারোটি পাথর নাও, এরপর আজ যেখানে ঘুমোবে, সেই জায়গায় পাথরগুলো স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিবে, যেন বহু বছর পরেও মানুষ মনে রাখে আজকের এই অলৌকিক ঘটনা।’

    সবাই নদী পার হয়ে গেলে, সিন্দুকসহ উঠে আসলেন ইমামেরা ওপারে। আর সাথে সাথে পানি নেমে এসে আগের মতো হয়ে গেল। সাগরের দিকে বয়ে চলল।

    রাতে ঘুমাবার সময় পাথরগুলো সেখানে রেখে দিল তারা। সেটা ছিল জেরিকোর পূর্ব সীমানায় ‘গিলগল’ নামের এক জায়গা।

    সেখানে ঈদ উদযাপন করল ইসরাইল। ‘উদ্ধার-ঈদ’ বা ‘পাসওভার’ (Passover)। সেই দেশের খাবার প্রথমবারের মতো খেলো তারা। আর তার পরদিন থেকে আসমানি খাবার ‘মান্না’ ও ‘সালওয়া’ আসা বন্ধ হয়ে গেল তাদের জন্য, আর কোনোদিন আসেনি!

    জেরিকো নগরীর একদম ঠিক কাছে পৌঁছে গেল তারা। একদম সামনে ছিলেন ইউশা (আ)। হঠাৎ তিনি দেখলেন সামনে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। তার হাতে খোলা তলোয়ার। ইউশা তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কার পক্ষের লোক, আমাদের নাকি শত্রুপক্ষের?”

    “আমি কারো পক্ষেরই নই, আমি মাবুদের সৈন্যদলের সেনাপতি।”

    এ কথা শুনে ইউশা (আ) সাথে সাথে মাটিতে উবু হয়ে পড়ে তাকে সম্মান করলেন। মাবুদের সেনাপতি বলতে ফেরেশতা মাইকেল বা মিকাইল (আ)-কে বোঝানো হয়।

    ইউশা (আ) বললেন, “আমার প্রভু কি তার গোলামকে কিছু বলতে চান?”

    “তোমার পায়ের জুতো খুলে ফেলো, কারণ ঠিক যে জায়গাটাতে তুমি দাঁড়িয়ে আছো সেটা খুব পবিত্র।”

    ইউশা (আ) তা-ই করলেন, এবং মাথা তুলে তাকাতেই দেখলেন সামনে কেউ নেই।

    যা-ই হোক, বিনা জাহাজ বা নৌকায় পুরো ইসরায়েল জাতির জর্ডান নদী পেরিয়ে আসবার কাহিনী ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশে সবাই ভীত হয়ে পড়ে। জেরিকো নগরীর সকল দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। কেউ ঢুকবেও না, বেরোবেও না।

    তখন মাবুদ আল্লাহ ইউশা (আ)-কে কিছু আদেশ দিলেন, যা যা বলবেন ঠিক সেগুলোই যেন লোকদের দিয়ে করানো হয়। (ইউশা, ৬:১-২৭)

    ইউশা (আ) ইমামদের ডেকে বললেন, “আপনারা সিন্দুকটা তুলে নিন কাঁধে, আর সাতজন ইমাম সাতটি শিঙ্গা নিয়ে সিন্দুকের আগে আগে যান। এরপর পুরো শহরকে একবার প্রদক্ষিণ করুন।” এরপর তিনি সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন, “তোমরা সিন্দুকের আগে আগে যেতে থাকো। তবে সাবধান, কেউ কোনো শব্দ করবে না, কোনো চিৎকার করবে না। আমি না বলা পর্যন্ত।”

    তাই করল তারা, সিন্দুকের সামনে পেছনে সেনাদল। পুরো শহর ঘুরে আসল তারা। রাত হয়ে গেছে ততক্ষণে। এরপর সকলে ঘুমাতে গেল।

    পরেরদিন একই কাজ করালেন ইউশা। আরেকবার ঘুরে এলো পুরো শহর বাইরে থেকে।

    তার পরের দিনও একই কাহিনী। এভাবে চলল ছয়দিন I

    সপ্তম দিন। ভোর হতেই ঘোরা শুরু করল। তবে এবার একবার নয়, দ্রুত পায়ে সাতবার ঘুরল। সপ্তমবার ঘুরবার সময় ইমামেরা শিঙ্গাতে জোরে ফুঁ দিল।

    ইউশা (আ) নির্দেশ করলেন, “শিঙ্গার আওয়াজের সাথে সাথে তোমরা সবাই জোরে চিৎকার কর!”

    সবাই জোরে চিৎকার করে উঠল। কান ফাটানো চিৎকার। আর সবাই এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো বিস্মিত হলো। দেখল, জেরিকো নগরীর দুর্ভেদ্য প্রাচীর, সেই দেয়াল পুরোটা ধ্বসে মাটিতে পড়ে গিয়েছে!

    এরপর ইসরাইলি সেনাবাহিনী ঢুকে পড়লো জেরিকো শহরে। আর সেই গুপ্তচর দুজন আগে আগে গিয়ে রাহাবকে তার পরিবারসহ বের করে আনলো। রাহাব এরপর থেকে ইসরাইলের সাথেই বসবাস করতে লাগল। বিয়ে করেছিল। ‘সালমন’ নামের এক ইসরাইলিকে। তারই বংশধারায় জন্ম নেন যীশু খ্রিস্ট বা হযরত ঈসা (আ)।

    জেরিকো নগরী ধ্বংসের পর তাদের মনোবল আরো বেড়ে গেল। এরপর তারা আরেকটি বড় নগরী ‘অয়’ দখল করে নিল। এখানে উল্লেখ করা যায়, প্রাচীন জেরিকো নগরীর ধ্বংসাবশেষ এখন যে জায়গায় সেটা ‘তেলেস-সুলতান’ নামে পরিচিত। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা মতে, জেরিকোর দেয়ালের উচ্চতা প্রায় ১৭ ফুট, পুরুত্ব ছিল সাড়ে ৬ ফুট। প্রায় ১০ হাজার বছর আগে এ দেয়াল প্রথম বানানো হয়, ধ্বংস হয়ে যাবার আগপর্যন্ত টিকে ছিল। জেরিকোকে বলা হয় প্রাচীনতম শহর। শহরের চারপাশে ২৭ ফুট চওড়া ৯ ফুট গভীর পরিখাও ছিল।

    ১৮৬৮ সালে চার্লস ওয়ারেন আবিষ্কার করেন, এ এলাকাটিই জেরিকো ছিল। আর ১৯৩০-১৯৩৬ সালে আবিষ্কৃত হয় ধ্বসে যাওয়া দেয়াল, ধ্বসে যাবার তারিখ নির্ধারণ করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০ সাল, যেটা ইউশার (আ) জেরিকো অভিযানের বাইবেলের তারিখের সাথে মিলে যায়। তবে ঠিক কী কারণে এরকম শক্তিশালী দেয়াল ধ্বসে পড়ে প্রত্নতত্ত্ব গবেষণায় তা বের করা যায়নি।

    আর ‘অয়’ শহরের ধ্বংসাবশেষের বর্তমান নাম ‘এত-তেল’। এটিও জনপ্রিয় প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার এলাকা।

    জেরিকো আর অয়-এর দশা দেখবার পর আশাপাশের রাজারা ভয় পেয়ে গেল খুবই। হিট্টিয়, আমোরিয়, কেনানীয়, পরিষীয়, হিব্বীয় এবং যিষীয়দের বাদশাহরা একজোট হয়ে গেল ইসরাইলের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে হিব্বীয় বলা হত গিবিয়োন শহরের বাসিন্দাদের।

    তারা একটা ফন্দি করল। একদল লোক নিয়ে তারা রওনা হলো। তারা কিছু পুরনো তালি দেয়া ফাটা আঙুর রস রাখবার থলে আর কিছু রুটির টুকরো নিয়ে গেল।

    জায়গামতো পৌছে তারা ইউশা (আ)-কে বলল, “আমরা অনেক দূর দেশ থেকে এসেছি। আমরা চাই আপনাদের সাথে সন্ধি করতে।”

    ইউশা (আ) বললেন, “কিন্তু মনে হচ্ছে আপনারা আশপাশেরই লোক। তাহলে কীভাবে সন্ধি করব? আপনারা কারা? কোথা থেকে এসেছেন?”

    “আমরা আপনার গোলাম, আপনাদের সুনাম শুনে অনেক দূর দেশ থেকে এসেছি। দেখুন বের হবার সময় যে রুটি আর আঙুর রসের থলে নিয়ে বেরিয়েছিলাম, সেগুলোর এখন কী করুণ দশা, এতটা সময় পেরিয়ে গেছে এখানে পৌঁছতে! আমাদের জুতো আর কাপড়ও পুরোনো হয়ে গেছে!”

    বনী ইসরাইলিরা তাদের কথা মেনে নিল। আর্ক অফ কোভেন্যান্টের কাছে গিয়ে মাবুদ আল্লাহর কাছে কিছু জানার চিন্তাও আসলো না মাথায়। তারা আল্লাহর নামে কসম করে বললেন, বনী ইসরাইল তাদের কোনোদিন আক্রমণ করবে না। এরপর তারা চলে গেলো।

    তিন দিন পর ইউশা (আ) জানতে পারলেন, তারা আসলে তাদেরই পাশের রাজ্যের। তিনি সেনাবাহিনী নিয়ে তাদের শায়েস্তা করতে রওনা হলেন। সেখানে পৌঁছে তাদের কাছে কৈফিয়ত চাইলেন। বলল, তারা ভয়ে এ কাজ করেছে যেন তারা ইসরায়েলের হাতে মারা না পড়ে। তার উপর, এখন তো ইসরায়েল জাতি তাদের প্রভুর নামে কসম করে ফেলেছে, আর তো মারতে পারবে না।

    ইউশা (আ) ফিরে গেলেন, কারণ এই কসম ভাঙা যাবে না। তিনি তাদের সাথে কোনো শত্রুতা করলেন না।

    এই ছলচাতুরি করা গিবিয়োন শহরটা ছিল ধ্বংস হয়ে যাওয়া অয় শহরের মতোই বড়। জেরিকো নগরীর ধ্বংস আর গিবিয়োনবাসীদের সন্ধির খবর যখন পৌঁছাল, তখন জেরুজালেমের বাদশাহ অদোনীসিদ্দিক প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি আর পাঁচ রাজ্যের রাজাদের সাথে নিয়ে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে গিবিয়োন আক্রমণ করলেন। ওদিকে গিবিয়োনবাসী ইউশার (আ) কাছে সাহায্য চাইলো, সন্ধিমাফিক তারা যে ইসরায়েলের মিত্র!

    ইউশা (আ) ইসরায়েলের সেনাবাহিনী নিয়ে হাজির হলেন গিবিয়োনে। মাবুদ ওহী নাজিল করলেন, “তুমি তাদের ভয় করো না। তারা কেউ তোমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না।”

    ইউশা (আ) অতর্কিতে আক্রমণ করলেন। ফলস্বরূপ অনেকে মারা পড়ল, আর বেশিরভাগ পালিয়ে গেল। পালিয়ে যাওয়া সেনাবাহিনীর উপর হঠাৎ করে আকাশ থেকে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি নামা শুরু হলো। সেই শিলাতে মারা পড়ল আরো বেশি। পালিয়ে যাওয়া শত্রু পাঁচ রাজাকেও খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়। ইসরাইলি বিশ্বাসে, সেদিন যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েল বাহিনী জয়লাভ না করে ততক্ষণ সূর্য ডোবেনি, আকাশে স্থির হয়ে ছিল প্রায় একদিন।

    এরপর থেকে কেবল চলতে থাকে আশপাশের রাজ্য দখলের খেলা। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ইসরাইলের সীমানা। আর ওদিকে অনেক বুড়ো হয়ে গেলেন ইউশা (আ)।

    শেষ বিশাল একটা ভাষণ দেন তিনি, যার শেষ দিকে তিনি বললেন, তোমরা যদি মাবুদকে ত্যাগ করে দেব-দেবীর পূজা কর, তবে তিনি তোমাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন, যদিও এতদিন তিনি তোমাদের মেহেরবানি করেছেন। তিনি তোমাদের উপর গজব দিয়ে শেষ করে দেবেন।

    —“আমরা মাবুদেরই উপাসনা করব।”

    –“তোমরা সাক্ষী রইলে যে, মাবুদকেই তোমরা উপাসনা করবার জন্য বেছে নিয়েছ।”

    –“জ্বি, আমরা সাক্ষী রইলাম।”

    ইউশা (আ) সমস্ত কিছু কিতাবে লিপিবদ্ধ করে গেলেন।

    ১১০ বছর বয়সে ইউশা ইবনে নুন (আ) মারা গেলেন। লোকেরা তাকে আফ্রাহিমের পাহাড়ি অঞ্চলে দাফন করল। কাছেই শিখিমে তারা দাফন করল মিসর থেকে পালিয়ে আসবার সময় নিয়ে আসা হযরত ইউসুফ (আ) এর কফিন।

    ইউশা (আ) মারা যাবার পর এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হলো। পুরো ইসরাইলকে নেতৃত্ব দেবার মতো তেমন কেউ রইল না। তাই বলে এমন না যে, ইসরায়েল জাতির পতন শুরু হলো। তারা টিকে রইল বটে। কিন্তু এই নতুন দেশে এসে প্রায় সময়ই তারা তাদের ওয়াদার বরখেলাপ করে ঠিকই স্থানীয় দেব- দেবীদের উপাসনা শুরু করে দিল। অদৃশ্য সর্বশক্তিমান উপাস্যের উপাসনা করা তারা বেশিদিন চালাতে পারত না। তাদের দরকার হতো সামনে থাকা কোনো উপাস্য।

    পরের ৩২৫ বছর কোনো বড় নেতার আবির্ভাব হয়নি। এ সময় ইসরায়েলের ১২ গোত্রের আলাদা আলাদা করে শাসনকর্তা ছিলেন, এদেরকে শাসক বা কাজি (Judge) বলা হত। তারাই বিভিন্ন যুদ্ধে নেতৃত্ব দিতেন। ফলে, ইসরায়েলের পরিসীমা বাড়তে থাকল।

    নবী (Prophet) বলতে তৎকালীন ইসরাইলে তাদেরকেই বোঝানে হত যারা পূর্ববর্তী কিতাবের বিশ্বাসগুলো প্রচার করে যেতেন, কেউ ছোট নবী, কেউ বা বড় নবী। আর পারিভাষিকভাবে, রাসুল (Messenger) হলেন নবীদের ঊর্ধ্বে, কারণ তাদের উপর নতুন কিতাব আসতো, তাদের সংখ্যা কম। একজন মানুষ নবী কিনা সেটা প্রমাণ হত তিনি ভবিষ্যৎবাণী করতে পারতেন কিনা, এবং সেটা মিলত কিনা তার উপর। কারণ, সেগুলো মাবুদের পক্ষ থেকে হত। Prophet নামটাই এসেছে Prophecy (ভবিষ্যৎবাণী) থেকে। মূল হিব্রু নাবী (‘২৩) মানে ‘ঈশ্বরের দূত’।

    এ পর্যায়ে ইসরাইল জাতি খুব বেশি রকমের দেব-দেবীদের পূজায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে শাস্তিস্বরূপ, মাবুদ তাদেরকে চল্লিশ বছরের জন্য সেই অঞ্চলের আদি বাসিন্দা তাদের শত্রু ফিলিস্তিন সাম্রাজ্যের অধীনস্ত করে দেন। হ্যাঁ, পবিত্র ভূমির আদি বাসিন্দা এই ফিলিস্তিনিরাই

    এরকম সময়, ইসরায়েলের ‘সরা’ গ্রামে মানোহ নামের এক লোক ছিলেন। তার স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা।

    একদিন হঠাৎ এক ফেরেশতা সেই স্ত্রীর কাছে এলেন আর বললেন, “তুমি বন্ধ্যা বলে এতদিন তোমার সন্তান হয়নি, কিন্ত তুমি গর্ভবতী হবে। তোমার একটি ছেলে হবে। সে ফিলিস্তিনিদের হাত থেকে ইসরাইলকে পরিত্রাণ করবে। তবে, সে যেন কখনো মদ স্পর্শও না করে, কোনোদিন মাথার চুল না কাটে।”

    এই অদ্ভুত শর্তগুলো তখন প্রচলিত ছিল ইসরায়েলে। যারা এটা মেনে চলত তাদের নাজরীয় (711) বলা হত। (ওল্ড টেস্টামেন্ট, জাজেস ১৩-১৬)

    ফেরেশতা চলে গেলে স্ত্রী ছুটে গিয়ে স্বামীকে জানালো যে, একজন লোক এসে তাকে এসব বলেছে। স্বামী তখন মাবুদের দরবারে ধন্যবাদ জানালো। পরে একদিন আবারো সেই ফেরেশতা এলে স্ত্রী ছুটে গিয়ে স্বামীকে ক্ষেত থেকে নিয়ে এল। স্বামী মানোয়া জিজ্ঞেস করল, “আপনিই সেই লোক যার সাথে আমার স্ত্রী কথা বলেছিল?”

    “হ্যাঁ, আমিই সে।”

    “আপনি একটু বসুন, আমি ছাগলের বাচ্চার গোশত রান্না করি আপনার জন্য।”

    “আমাকে ধরে রাখলেও আমি খাব না। তবে তোমরা চাইলে মাবুদের নামে কোরবানি করতে পার।”

    তারা কেউই বুঝল না এ লোক যে মাবুদের ফেরেশতা।

    “আপনার নাম কী? আপনার ভবিষ্যৎবাণী মিলে গেলে তখন আমরা আপনার নাম নিয়ে সম্মান করতে চাই, মানুষকে জানাতে চাই।”

    “তুমি কেন আমার নাম জিজ্ঞেস করছ? আমার নাম কেউ বুঝতে পারবে না।”

    মানোয়া যখন কোরবানি প্রস্তুত করল, তখন অচেনা লোকটি তার হাতের দণ্ড দিয়ে স্পর্শ করল সেটা। সাথে সাথে ধপ করে আগুন জ্বলে উঠলো, তখন সেই আগুনের শিখা আকাশের দিকে উঠতে লাগল, সেই শিখার সাথে সাথে অচেনা লোকটি তাদের চোখের সামনে উপরে উঠে গেলেন। এটা দেখে তারা দুজন সেজদায় পড়ে গেলেন মাটিতে। সেই লোক আর কোনোদিন ফিরে আসেননি।

    যথাসময়ে স্ত্রীলোকটির সন্তান হলো। ছেলের নাম রাখা হলো শামাউন/সামশুন বা শিমশুন, যার মানে ‘সূর্যের মতো পুরুষ’। ইংরেজিতে তিনি স্যামসন ( Samson) নামে বেশি পরিচিত।

    স্যামসন যখন বড় হয়ে উঠলেন, তিনি প্রায়ই শিকারে যেতেন। স্যামসনের চুল কিন্তু কোনদিন কাটা হয়নি। এবং তার দেহে ছিল প্রচণ্ড শক্তি। পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থে বলা আছে, আল্লাহপ্রদত্ত শক্তি তার উপর ভর করত এবং তিনি ঐশ্বরিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠতেন।

    তরুণ বয়সে তিনি তার পাহাড়ি এলাকা ত্যাগ করে শহর দেখতে বেরিয়ে পড়লেন। ফিলিস্তিনি শহর। সেখানে গিয়ে তিনি প্রেমে পড়ে গেলেন, বেশ বড়সড় প্রেম। মেয়েটির নাম ছিল তিমনাহ। তিনি তাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু বাবা-মা কোনোভাবেই সেটা মানবেন না, কারণ একজন ইসরাইলি হয়ে কখনও কোনো জেন্টাইলকে বিয়ে করা যাবে না। জেন্টাইল অর্থ অইহুদী।

    যেদিন তিনি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে মেয়ের কাছে যাচ্ছিলেন, তখন পথিমধ্যে এক বিকট আকারের হিংস্র সিংহ তাকে আক্রমণ করে বসে। ঠিক তখনই ঐশ্বরিক শক্তি এসে ভর করে তার ওপর। তিনি খুব সহজভাবেই সিংহটিকে আঁকড়ে ধরলেন এবং এক টানে ছিড়ে ফেললেন তার দেহ। কিন্তু এই ঘটনা আপাতত কাউকে বললেন না তিনি। মেয়েটিকেও না, বাবা-মাকেও না।

    কিন্তু তার জন্য সামনে বিশ্বাসঘাতকতা অপেক্ষা করছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }