Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৭ এক নতুন যুগের হাতছানি

    বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করার পর স্যামসন নিজের বাড়িতে ফিরে এলেন। এরপর বিয়ের দিন তারিখ ঘনিয়ে এলে আবার যাত্রা করলেন। যখন তিনি ঐ জায়গাটি অতিক্রম করছিলেন, যেখানে সিংহকে মেরেছিলেন, দেখলেন, সিংহের লাশের ওখানে মৌমাছি বাসা বেঁধেছে। তিনি সেখান থেকে সুমিষ্ট মধু সংগ্রহ করলেন, বাবা-মাকেও দিলেন।

    বিয়ের আসরে, উপস্থিত ত্রিশজন কনেপক্ষের ফিলিস্তিনিকে তিনি ধাঁধা ছুড়ে দিলেন। শর্ত ছিল, যদি তারা সমাধান করতে পারে, তবে তিনি তাদের ত্রিশটি সুন্দর লিনেন পোশাক দেবেন, আর না সমাধান করতে পারলে তারা তাকে দেবে সমপরিমাণ।

    ধাঁধাটা ছিল সিংহের ঘটনা নিয়েই। বাংলা না, বরং ইংরেজি অনুবাদটাই দেয়া হলো-

    “Out of the eater came something to eat.
    Out of the strong came something sweet.”

    ফিলিস্তিনিরা খুব গুরুত্ব সহকারেই নিল ব্যাপারটা। সমাধান করতে হিমশিম খেতে লাগল। তারা স্যামসনের নতুন স্ত্রী তিমনাহের কাছে গেল এবং হুমকি দিল, ধাঁধার উত্তর স্বামীর কাছ থেকে বের করতে না পারলে তার এবং তার বাবার বাড়ি পুড়িয়ে দেবে।

    তিমনাহ অশ্রুভরা মুখে স্যামসনকে বারবার জিজ্ঞেস করতে লাগলো ধাঁধার রহস্য। একপর্যায়ে স্ত্রীকে তিনি ঘটনাটা খুলে বললেন। শীঘ্রই ফিলিস্তিনিদেরকে তিমনাহ বলে দিলেন সেটা।

    যখন স্যামসন বুঝতে পারলেন তার স্ত্রী তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তিনি বেরিয়ে গেলেন, দূরের এক ফিলিস্তিনি গ্রামে খুন-জখম করে ত্রিশটি পোশাক নিয়ে এসে তাদেরকে দিলেন। কিন্তু তিনি রাগের বশে নিজের বাবার বাড়িতে চলে এলেন।

    ওদিকে তিমনাহর বাবা তিমনাহকে আরেক জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিলেন। যখন রাগ পড়ে এলে স্যামসন ফিরে এলেন, তখন তিনি আবিষ্কার করলেন তার বউ আর নিজের বউ নেই। তিনি ক্রোধে ৩০০ শেয়াল যোগাড় করলেন, এরপর তাদের লেজে আগুন ধরিয়ে দিয়ে গ্রামের ক্ষেতে ছেড়ে দিলেন। তাদের সকল শস্য পুড়ে গেল। স্যামসন এ গ্রাম ছেড়ে চলে গেলেন।

    যখন ঐ গ্রামের ফিলিস্তিনিরা জানতে পারল, কেন স্যামসন এরকম করেছে, তখন তারা তিমনাহসহ তার বাবাকে পুড়িয়ে মেরে ফেলল।

    ওদিকে ক্রোধে পাগল স্যামসন একের পর এক ফিলিস্তিনি হত্যা করতে লাগল। উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনি নিধনকে তেমন পাপ কাজ বলে মনে করত না ইসরাইলিরা, অন্তত ওল্ড টেস্টামেন্টের ঘটনাগুলো পড়লে সেটাই মনে হয়।

    ৩,০০০ সেনা নিয়ে ফিলিস্তিনি বাহিনী এতাম গুহাতে লুকিয়ে থাকা স্যামসনকে ধরতে আসলো। তাকে আটকে রাখা দড়ি তিনি সহজেই ছিড়ে ফেললেন। এরপর ওখানে ১,০০০ ফিলিস্তিনি হত্যা করলেন।

    এরপর তিনি ফিলিস্তিনের গাজাতে চলে গেলেন। সেখানেও তার শক্তির খেল দেখালেন। তারপর ইসরাইল-ফিলিস্তিন সীমান্তের সোরেক গ্রামে কিছুদিন থাকার পর তিনি আরেক নারীর প্রেমে পড়ে গেলেন। তার নাম ছিল হিব্রুতে দেলিলা (Delilah); আরবি উচ্চারণ দালিলাহ, ইংরেজিতে তাকে ডিলাইলা ডাকা হয়।

    তার পুরোনো শত্রু ফিলিস্তিনিরা পিছু ছাড়েনি। তারা লুকিয়ে দেলিলাকে ১,১০০ রৌপ্যমুদ্রা ঘুষ দিল, বিনিময়ে তাকে বের করতে হবে স্যামসনের শক্তির রহস্য কী। স্যামসন দেলিলাকে কোনোমতেই বললেন না কিছু, কোনো নারীকে বিশ্বাস করতে পারতেন না আর।

    ক’বার মশকরা করে বলে দিলেন, ধনুকের দড়ি দিয়ে তাকে বাঁধলে তিনি শক্তি হারিয়ে ফেলবেন। ঘুমন্ত স্যামসনকে সেই দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে দেলিলা। কিন্তু স্যামসন সে দড়ি ছিড়ে ফেলে। স্যামসনকে বোঝায় দেলিলা, সে আসলে কেবল মজা করছিল।

    আবারও ক’দিন পর দেলিলা জিজ্ঞেস করল, এবার স্যামসন বলল, নতুন, একদম নতুন দড়ি দিয়ে তাকে বাঁধলে শক্তি হারাবেন তিনি। সে রাতেও একই ঘটনা ঘটল। ঘুমন্ত স্যামসন জেগে উঠে দড়ি ছিড়ে ফেললেন।

    ক’দিন পর তৃতীয়বারের মতো স্যামসন তাকে ভুল উত্তর দিয়ে দেখলেন দেলিলা আবারো তাকে কাবু করার চেষ্টা করেছে।

    কিন্তু দেলিলা পরে তাকে ধরে বসল, যদি স্যামসন তাকে আসলেই এত ভালোবাসে তবে কেন সে তার গোপন কথা শেয়ার করছে না? (উল্লেখ্য, স্যামসন মদ না পান করাতে মাতাল করে দেলিলা উত্তর বের করতে পারেনি)

    এ কথাতে গলে গিয়ে স্যামসন তাকে বলে ফেললেন সত্যটা, তার চুল কেটে ফেললে তিনি শক্তি হারাবেন। সেদিন রাতে তা-ই হলো, তার চুল কেটে দেয়া হলো। শক্তিহীন স্যামসনকে সেই রাতে ফিলিস্তিনিরা ধরে নিয়ে গেল গাজাতে। তারা তার দু’চোখ উপড়ে ফেলল।

    ফিলিস্তিনিরা তাদের দেবতা দাগনকে বড় একটা উৎসর্গ দিল তাদের হাতে স্যামসনকে দেবার জন্য।

    স্যামসনের কীর্তি দেখানোর জন্য ৩,০০০ ফিলিস্তিনি জড়ো হলো হল রুমে। দুই পিলারের সাথে অন্ধ স্যামসনকে বেঁধে রাখল।

    স্যামসন শেষবারের মতো শক্তি চেয়ে নিলেন ঈশ্বরের কাছে। এবং সেই শক্তি ব্যবহার করে তিনি দুটি পিলার ভেঙে ফেললেন। পুরো হলরুম ধ্বসে পড়ল। স্যামসনের সাথে সাথে ৩,০০০ ফিলিস্তিনিও মারা পড়ল। দেলিলার কী হলো সেটা কোনো গ্রন্থে বলা নেই, কিন্তু স্যামসনের লাশ সমাহিত করা হয় তার বাবা মানোয়ার কবরের পাশেই।

    ২০১২ সালের আগস্টে, ইসরাইলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাইবেল মতে স্যামসনের এলাকার ওখানে একটি বৃত্তাকার সীল পান, যেখানে সিংহ আর শক্তিশালী লোকের ছবি আঁকা ছিল। তবে তারা এটাও বিবৃতি দেন যে, এ আবিষ্কার নিশ্চিত করে না যে সীলের এই ব্যক্তিই স্যামসন।

    যা-ই হোক, মোটামুটি এরকম সময়েই ইসরায়েলের হাল ধরেন নবী হযরত শামুয়েল (আ) (Samuel)। তার হাত দিয়ে ইসরায়েলের নতুন এক যুগ শুরু হয়। মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি অচেনা কণ্ঠে তাকে ডাকতে শুনতে পেতেন। প্রথম প্রথম ভেবেছিলেন তার বাবা ডাকছে। একদিন রাত্রে ডাক পেয়ে বাবার কাছে গেলে বাবা বললেন, তিনি ডাকেননি, এরপর শামুয়েলকে ঘুমোতে যেতে বললেন। শীঘ্রই শামুয়েল বুঝতে পারলেন, এটা আসলে ঐশ্বরিক স্বর। তিনি তখন বললেন, “বলুন, প্রভু, আপনার বান্দা শুনছে।” এরপর আল্লাহ তাকে ধীরে ধীরে সমাজ থেকে অনিষ্ট দূর করবার পথ দেখাতে শুরু করলেন। তিনি ছিলেন অনেক দিন পর ইসরাইলের একজন বড় নবী। তাঁর শেষ বয়সে ইসরাইলের লোকেরা চাচ্ছিল অন্য জাতির মতো তাদের একজন রাজা থাকুক।

    ইহুদী গ্রন্থের পাশাপাশি কুরআনও শামুয়েলের এ ঘটনা বর্ণনা করে-

    “মূসার পরে তুমি কি বনী ইসরাঈলের একটি দলকে দেখনি, যখন তারা বলেছে নিজেদের নবীর কাছে যে, আমাদের জন্য একজন বাদশাহ নির্ধারিত করে দিন যাতে আমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে পারি। নবী (শামুয়েল) বললেন, তোমাদের প্রতিও কি এমন ধারণা করা যায় যে, লড়াইয়ের হুকুম যদি হয়, তাহলে তখন তোমরা লড়বে না? তারা বলল, আমাদের কি হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর পথে লড়াই করব না। অথচ আমরা বিতাড়িত হয়েছি নিজেদের বাড়ি-ঘর ও সন্তান-সন্ততি থেকে। অতঃপর যখন লড়াইয়ের নির্দেশ হলো, তখন সামান্য কয়েকজন ছাড়া তাদের সবাই ঘুরে দাঁড়ালো। আর আল্লাহ তা’আলা জালেমদের ভাল করেই জানেন।” [কুরআন ২:২৪৬]

    আল্লাহর আদেশে নবী শামুয়েল (আ) সল (Saul) বা তালুত-কে (আরবিতে) রাজা হিসেবে মনোনীত করলেন। কিন্তু গরিব ঘর থেকে উঠে আসায় তাকে ইহুদীরা মেনে নিতে অস্বীকার করল প্রথমে।

    “আর তাদেরকে তাদের নবী বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তালুতকে তোমাদের জন্য বাদশাহ সাব্যস্ত করেছেন। তারা বলতে লাগল তা কেমন করে হয় যে, তার শাসন চলবে আমাদের উপর? অথচ রাষ্ট্রক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে আমাদেরই অধিকার বেশি। আর সে সম্পদের দিক দিয়েও সচ্ছল নয়। নবী বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তাকে পছন্দ করেছেন এবং স্বাস্থ্য ও জ্ঞানের দিক দিয়ে প্রাচুর্য দান করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ তাকেই রাজ্য দান করেন, যাকে ইচ্ছা। আর আল্লাহ হলেন অনুগ্রহ দানকারী এবং সব বিষয়ে অবগত। “ [কুরআন ২:২৪৭]

    আল্লাহ যে সত্যিই তাকে মনোনীত করেছেন তার প্রমাণ হিসেবে ইহুদীদের হারিয়ে ফেলা আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট সিন্দুক তাদের কাছে ফিরে আসবে, এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হলো। কুরআন বলছে-

    “বনী ইসরাইলদেরকে তাদের নবী আরো বললেন, তালূতের নেতৃত্বের চিহ্ন হলো এই যে, তোমাদের কাছে একটা সিন্দুক আসবে তোমাদের পালকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের মনের সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আর তাতে থাকবে মূসা, হারুন এবং তাঁদের সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী। সিন্দুকটিকে বয়ে আনবে ফেরেশতারা। তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাক, তাহলে এতে তোমাদের জন্য নিশ্চিতই পরিপূর্ণ নিদর্শন রয়েছে।” [কুরআন ২:২৪৮]

    তালুত ছিলেন ইসরাইলের প্রথম রাজা। প্রথমদিকে খুবই ভালো শাসন চালাতে লাগলেন তিনি। আশপাশের অনেক রাজ্যেই বিজয় ছিনিয়ে আনলেন। তার প্রতাপে মোয়াব, আমোন, এদোম, জোবাহ, আমালিকিয় এবং ফিলিস্তিনিরা কাঁপতে লাগলো। তাদের সাথে অনেক যুদ্ধেও অবতীর্ণ হন তিনি। এবং তাকে কী করতে হবে না হবে সেটা শামুয়েলের মাধ্যমে আল্লাহ বলে দিতেন।

    কিন্তু একপর্যায়ে তালুত নিজের ইচ্ছামতো চলা শুরু করলেন, শামুয়েলের পরামর্শ না নিয়ে। যেমন- ফিলিস্তিনিদের সাথে একবার যুদ্ধে যাবার কথা তখন, শামুয়েল জানালেন তিনি সাত দিনের মাঝে উপস্থিত হবেন এবং যুদ্ধে যাবার আগের আচারগুলো পালন করে দেবেন। কিন্তু এতক্ষণ অপেক্ষা করতে রাজি হলেন না তালুত, তিনি নিজেই কুরবানি দেয়া শুরু করলেন, যেটা শামুয়েলের দেবার কথা। তালুতকে অনেক কথা শোনালেন শামুয়েল (আ)।

    পরে একবার শামুয়েল (আ) জানালেন, তালুতকে আমালেকীয় রাজ্য আক্রমণ করতে হবে, বিশেষ নির্দেশ ছিল- এমনকি রাজাকেও মেরে ফেলতে হবে। কিন্তু তালুত সেটা না করে যুদ্ধ জেতার পর অন্য সবাইকে মারলেও রাজাকে জীবিত রাখলেন।

    শামুয়েল (আ) এটা জানবার পর তালুতকে জানালেন, তালুত এখন রাজা হিসেবে যোগ্য না, কারণ সে আদেশ অমান্য করে চলেছে। শামুয়েল চলে যাবার জন্য ফিরতেই পেছন থেকে তালুত তার আলখাল্লা আঁকড়ে ধরল। শামুয়েলের (আ) আলখাল্লা ছিঁড়ে গেল, তালুতের হাতে আলখাল্লার এক টুকরো চলে এলো। শামুয়েল (আ) বললেন, এভাবে একদিন তার রাজ্যও তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হবে।

    এরপর শামুয়েল (আ) নিজ হাতে আমালেকীয় সেই রাজাকে হত্যা করে বেরিয়ে গেলেন। বেরিয়ে পড়লেন নতুন যে রাজা হবে তাকে গোপনে মনোনয়ন করতে। এবং সত্যি সত্যি আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক একটি বালককে তিনি মনোনয়ন করে ফেললেন, এক গ্রামের খুব সাধারণ এক বালক।

    রাজা তালুত তখন অশান্ত হয়ে পড়লেন। পরের কয়েক মাস তিনি একদমই মন বসাতে পারতেন না কিছুতেই। তাকে যেন দুর্ভাগ্য তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তিনি মন শান্ত করা সুর শুনতে চাইলেন। সভাসদরা পরামর্শ দিল এক বীণাবাদকের নাম, সে নাকি খুব ভালো বীণা বাজাতে পারে, সুরেলা কণ্ঠ আছে তার। বাইবেল বলছে, তখন সেই বালককে নিয়ে আসা হলো জেরুজালেমের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণের বেথেলহেম থেকে, ছেলেটি আদতে কেবল এক মেষপালক ছিল।

    ওদিকে তালুতের ঘুম হারাম হয়ে গেল যখন দেখলেন ফিলিস্তিনিরা বিশাল বাহিনী নিয়ে ইসরায়েলের ওপর প্রতিশোধ নিতে আসছে। এক নিচু উপত্যকায় দু’বাহিনী মুখোমুখি হতে রওনা হলো। ফিলিস্তিনি সেনাবাহিনীকে সেই মুহূর্তে সবাই ভয় পেত, কারণ তাদের একজন ভয়ংকর যোদ্ধা ছিল যার নাম ছিল গোলায়াথ, বা আরবিতে জালুত (এ)। তাকে ফিলিস্তিনি বাহিনী ‘চ্যাম্পিয়ন’ মনোনয়ন দেয়। অর্থাৎ সম্মুখ যুদ্ধে একজনের বিপক্ষে আরেকজনের লড়াইতে ফিলিস্তিনি বাহিনীকে প্রতিনিধিত্ব করবে জালুত। জালুত ফিলিস্তিনের রাজা না হলেও, তার নামেই ফিলিস্তিনি বাহিনী পরিচিতি পেয়ে যায়, তার দানবীয় শক্তির যশে।

    এখানে কুরআন একটি কাহিনী জানায় যেটি বাইবেলে অনুপস্থিত-

    “অতঃপর তালুত যখন সৈন্য-সামন্ত নিয়ে বেরোলো, তখন বলল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে পরীক্ষা করবেন একটি নদীর মাধ্যমে। সুতরাং যে লোক সেই নদীর পানি পান করবে সে আমার নয়। আর যে, লোক তার স্বাদ গ্রহণ করলো না, নিশ্চয়ই সে আমার লোক। কিন্তু যে লোক হাতের আঁজলা ভরে সামান্য খেয়ে নেবে তার দোষ অবশ্য তেমন গুরুতর হবে না। অতঃপর সবাই পান করল সে পানি, সামান্য কয়েকজন ছাড়া। পরে তালুত যখন তা পার হলো এবং তার সাথে ছিল মাত্র কয়েকজন ঈমানদার, তখন তারা বলতে লাগল, আজকের দিনে জালূত এবং তার সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার শক্তি আমাদের নেই। যাদের ধারণা ছিল যে, আল্লাহর সামনে তাদের একদিন উপস্থিত হতে হবে, তারা বার বার বলতে লাগল, সামান্য দলই বিরাট দলের মোকাবেলায় জয়ী হয়েছে আল্লাহর হুকুমে।” (কুরআন ২:২৪৯)

    সেই সুরেলা কণ্ঠের প্রাক্তন মেষপালক তখন ইসরাইলের বাহিনীতে তার তিনজন বড় ভাইয়ের জন্য খাবার নিয়ে আসছিল, বড় ভাইয়েরা সৈন্য ছিল। সে ফিলিস্তিনিদের মুখে ইসরাইলের প্রভুর নিন্দা শুনে ফিলিস্তিনিদের নিয়ে কড়া কথা বলল, সেটা অন্যরা শুনে তালুতের কাছে রিপোর্ট করে দিল। তালুতের সামনে তাকে উপস্থিত করা হলে ছেলেটি বলল, সে ‘চ্যাম্পিয়ন’ হতে চায়। তালুত নিজের বর্ম খুলে তাকে পরিয়ে দিলেন।

    ছেলেটির নাম ছিল দাউদ, বেথেলহেমের দরিদ্র মেষপালক ইয়াসি’র পুত্র। ধর্মীয় ইতিহাসের বিখ্যাত সেই দ্বন্দ্বযুদ্ধে গুলতি ছুঁড়ে দাউদ জালুতকে লুটিয়ে ফেললেন মাটিতে। বিশাল জালুত বা গোলায়াথের সামনে দাউদ বা ডেভিডকে লাগছিল একদম পুঁচকে। এজন্য David vs Goliath বলতে বড়-ছোটর অসম যুদ্ধ বোঝানো হয় এখন।

    কিন্তু তালুত জানতেন না, এই সেই কিশোর যাকে নবী শামুয়েল (আ) গোপনে ভবিষ্যৎ রাজা হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি জানতেন না ভবিষ্যতে রাজপুত্র জোনাথানের সাথে ছেলেটির বন্ধুত্ব কোন পরিণতিতে গড়াবে, জানতেন না এই সামান্য ছেলেটি বড় হয়ে তাকে স্থলাভিষিক্ত করবে। জানতেন না, ছেলেটিই হবে নবী দাউদ (আ) এবং ইসরায়েলের বিখ্যাততম রাজা, কিং ডেভিড। যে দাউদ (আ) ও তার পুত্র সুলাইমান (আ) সূচনা করবেন ইসরাইলের স্বর্ণযুগের!

    ✡
    ইহুদীদের চিহ্ন এই স্টার অফ ডেভিড, এখানেও জড়িত ইসরাইলের ইতিহাসের প্রবাদ পুরুষ দাউদ (আ)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Our Picks

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }