Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২৫ ইসরাইলের পতনের শুরু : আহাব ও জেজেবেলের পরিণতি

    সুলাইমানপুত্র রেহোবাম এহুদা রাজ্যের প্রথম রাজা। ৪১ বছর বয়সে তিনি ইসরাইলের রাজা হবার পর উত্তরের দশ গোত্র তাকে রাজা হিসেবে মানতে অস্বীকৃতি জানায়, সেটা মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ৯৩২/৯৩১ সালের কথা। উত্তরের ইসরাইল রাজ্যের রাজা হলেন সুলাইমান (আ) এর এককালীন অফিসার ইয়ারাবাম, আর দক্ষিণের দুই গোত্র বা জুদাহ/এহুদা রাজ্যের রাজা থাকলেন রেহোবাম; রেহোবামের মা ছিলেন আমোন দেশ থেকে আগত নামাহ (বাইবেল, ফার্স্ট বুক অফ কিংস)। এ রাজ্য বিভক্তির মূল কারণ ছিল খাজনাজনিত জটিলতা এবং এর থেকে উদ্ভূত বিদ্রোহ।

    ইয়ারাবাম উত্তরে রাজত্ব করেন নয় বছর, এরপর ছেলে নাদবকে রাজত্ব দিয়ে যান। আর দক্ষিণের রেহোবাম রাজরক্তের কারণেই রাজা হয়েছিলেন, তবে তিনি কোনোদিনই উত্তরের রাজত্ব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেননি। উত্তর ও দক্ষিণ অর্থাৎ ইসরাইল ও জুদাহ মোটামুটি প্রায় সময়ই যুদ্ধে লিপ্ত থাকতো।

    পরবর্তী কয়েক দশক বাদশাহ পরিবর্তন চলতে থাকলো। এমন কেউ ছিলেন না যার কথা খুব মনে রাখবার মতো। কিন্তু মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ৮৭১ সালের দিকে উত্তর ইসরাইলের বাদশাহ হন আহাব। ইয়ারাবামকে প্রথম ধরলে, আহাব ছিলেন সপ্তম রাজা। তিনি এ কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, তার অস্তিত্বের প্রমাণ ইতিহাসেও পাওয়া যায়, কেবল ধর্মীয়ভাবেই নয়! মেসোপটেমিয়ার অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের রাজা তৃতীয় শালমানেসারের নথিতে পাওয়া যায়, তিনি বারোজন সংঘবদ্ধ রাজাকে পরাজিত করেন। তার মাঝে একজনের নাম ছিল, ইসরাইলের বাদশাহ আহাব। এমনকি মোয়াবীয় ভাষায় লেখা প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত মেশা ফলকেও তার নাম পাওয়া যায়।

    হিব্রু বাইবেলে আহাবকে মূলত খারাপ রাজা হিসেবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে; অনেক নবীকেও তিনি হত্যা করেন। ঐতিহাসিক মেশা ফলকেও (Mesha Stele) বলা হয়েছিলো, রাজা আহাবের বাবা রাজা অমরি মোয়াব জাতিকে বহুদিন অত্যাচার করেন। আহাবের শাসনামলে মোয়াব মূলত খাজনা প্রদানকারী হিসেবে ছিল। পাঠকদের বোঝার সুবিধার্থে জানাই, মোয়াব রাজ্য বর্তমানে জর্ডানে পড়েছে।

    আহাব দক্ষিণের এহুদা রাজ্যের বাদশাহ জেহোশেফাতের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন করেন, ফলে দুই রাজ্যের মাঝে শত্রুতা কমে আসে। আহাব বাইশ বছর সামেরিয়াতে ইসরাইলে উপর রাজত্ব করেন। (১ বাদশাহনামা ১৬:২৯) তবে আহাব নিজে যতটা না তার খারাবির জন্য প্রসিদ্ধ- তার চেয়েও বেশি পরিচিত তার রানী জেজেবেলের কুকীর্তির জন্য।

    জেজেবেলের আসল উচ্চারণ ইশেবল, কিন্তু ইংরেজিতে প্রচলিত জেজেবেল নামটিই বেশি খ্যাত। সিদোন (লেবানন) রাজ্যের রাজা প্রথম ইসোবালের কন্যা জেজেবেল। তার কাহিনী রয়েছে ওল্ড টেস্টামেন্টের ফার্স্ট বুক অফ কিংসে (১৬-২২)।

    সিদোন রাজ্যে যেসব দেব-দেবীর উপাসনা করা হত, তাদের মাঝে প্রধান ছিল দেবতা বা আল এবং দেবী আশেরাহ। উত্তর- পশ্চিম সেমিটিক ভাষাতে ‘বা’আল’ বলতে ‘মালিক’ আর ‘প্রভু’ বোঝাতো। পবিত্র কুরআনেও এ সময়ের কথা উল্লেখ আছে, যখন নবী ইলিয়াস (আ) বলেছিলেন, “তোমরা কি ভয় করো না? তোমরা কি বা’আল দেবতার উপাসনা করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে?” (সুরা সাফফাত ৩৭:১২৪-১২৫)

    অন্যদিকে দেবী আশেরাহ এর উল্লেখ পাওয়া যায় মেসোপটেমিয়ার নানা আক্কাদীয় লেখনিতে। স্বর্গের রানী হিসেবে এই দেবী পূজিত হতো।

    জেজেবেল বিয়ের পর ইসরাইলে এসেও তার পৈত্রিক ধর্ম চালিয়ে যায়। স্ত্রীকে খুশি করতে আহাব দেবতা বা’আলের জন্য মন্দির বানালেন সামেরিয়াতে, আবার আশেরাহ এর মূর্তিও বানিয়ে দিলেন।

    আল্লাহ নবী ইলিয়াস (আ)-কে পাঠালেন তাদের দুজনের কাছে আল্লাহর পথে ফিরে আসবার জন্য আহবান করতে। কিন্তু তার বারংবার আহবানে একদমই সাড়া দিলেন না আহাব আর তার স্ত্রী।

    কুরআনে রয়েছে, নিশ্চয়ই ইলিয়াস ছিল রাসুল। যখন সে তার সম্প্রদায়কে বলল: “তোমরা কি ভয় করো না? তোমরা কি বা’আল দেবতার ইবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে? যিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?” অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে, কিন্তু আল্লাহ তাআলার খাঁটি বান্দাগণ নয়। আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে: “ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!” (কুরআন ৩৭:১২৩-১৩০)

    ইলিয়াস (আ) ইংরেজিতে ইলাইজা নামে পরিচিত, আর হিব্রুতে ইলিয়াহু। তাঁকে নিয়েও পরবর্তীতে অনেক কিংবদন্তী তৈরি হয়।

    রাজা আহাবের রাজদরবারে ওবাদিয়া নামের এক আল্লাহভীরুর নাম আছে ওল্ড টেস্টামেন্টে। তিনি জেজেবেলের খুনখারাবি থেকে পালিয়ে আসা একশত নবীকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। পঞ্চাশ করে করে তিনি তাদেরকে গুহাতে লুকিয়ে রাখেন, রুটি খাওয়ান।

    বাইবেলে এ নবীর একটি কাহিনী বর্ণিত আছে। সিদোনের অন্তর্গত সারিফতে এক স্ত্রীলোকের ছেলে ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে একবার। একপর্যায়ে ছেলেটি মারা যায়। সেই বাড়িতে ছিলেন ইলিয়াস (আ)। তখন স্ত্রীলোকটি ইলিয়াসকে বললো, “হে আল্লাহর লোক, আপনার সঙ্গে আমার কী কাজ? আপনি আমার অপরাধ স্মরণ করাতে ও আমার পুত্রকে মেরে ফেলতে আমার এখানে এসেছেন।” ইলিয়াস তাকে বললেন, “তোমার পুত্রটি আমাকে দাও।” পরে তিনি তার কোল থেকে ছেলেটিকে নিয়ে উপরে তাঁর থাকবার কুঠুরীতে গিয়ে তাঁর নিজের বিছানায় শুইয়ে দিলেন। আর তিনি মাবুদকে ডেকে বললেন, “হে মাবুদ, আমার আল্লাহ, আমি যে বিধবার বাড়িতে প্রবাস করছি তুমি কি তার পুত্রকে মেরে ফেলে তার উপরে অমঙ্গল উপস্থিত করলে?” পরে তিনি বালকটির উপরে তিনবার তাঁর শরীর লম্বমান করে মাবুদকে ডেকে বললেন, “হে আল্লাহ, আরজ করি, এই বালকের মধ্যে প্রাণ ফিরে আসুক।” তখন মাবুদ ইলিয়াসের কথা শুনলেন, তাতে বালকটির প্রাণ তার মধ্যে ফিরে এলো, সে পুনর্জীবিত হলো। পরে ইলিয়াস বালকটিকে নিয়ে উপরিস্থ কুঠরী থেকে বাড়ির মধ্যে নেমে গিয়ে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন; আর ইলিয়াস বললেন, “দেখ, তোমার পুত্র জীবিত।” তাতে সেই স্ত্রীলোক ইলিয়াসকে বললো, “এখন আমি জানতে পারলাম, আপনি আল্লাহর লোক এবং মাবুদের যে কালাম আপনার মুখে আছে, তা সত্যি।” (১ বাদশাহনামা 1৯:1৯-২8 )

    ওবাদিয়া আহাবের সাথে দেখা করতে গেলেন, আবার ওদিকে রাজা আহাব গেলেন ইলিয়াস (আ) এর সাথে দেখা করতে। দেখা হওয়া মাত্র আহাব বলে উঠলেন, “হে ইসরাইলের কাঁটা!”

    ইলিয়াস (আ) বললেন, “আমি ইসরাইলের কাঁটা নই, কিন্তু আপনি ও আপনার পিতৃকুল ইসরাইলের কাঁটা; কেননা আপনারা মাবুদের সমস্ত হুকুম ত্যাগ করেছেন এবং আপনি বা’আল দেবদের অনুগামী হয়েছেন।

    এখন লোক পাঠিয়ে সমস্ত ইসরাইলকে কর্মিল পর্বতে আমার কাছে জমায়েত করুন এবং বা’আলের পুরোহিত সেই

    চারশত পঞ্চাশজন ও আশেরার পুরোহিত সেই চারশোজনকেও উপস্থিত করুন, যারা জেজেবেলের সঙ্গে একইসাথে ভোজন করে থাকে।” (১ বাদশাহনামা ১৮:১৮-১৯)

    আহাব সবাইকে জড়ো করলেন কামিল পর্বতে (Mount Carmel)। হিব্রুতে হার হা-কারমেল নামের এ পাহাড়টি আরবিতে জাবাল আল কারমিল নামে পরিচিত। একে জাবাল মার ইলিয়াস নামেও ডাকা হয়। ভূমধ্যসাগর থেকে শুরু হয়ে উত্তর ইসরাইলের উপকূলীয় এক পর্বতমালা কাৰ্মিল পাহাড়।

    পরের ঘটনা ওল্ড টেস্টামেন্ট এভাবে বর্ণনা করে, ইলিয়াস (আ) বললেন, সরাসরি পরীক্ষা হয়ে যাক, কে আসল ঈশ্বর, বা’আল নাকি আল্লাহ? কার্মিল পাহাড়ের ওপর কোরবানগাহ বা বেদী বানানো হলো। বেদীর ওপর কাঠ বিছানো হলো। মহিষ জবাই করে তার মাংস কাঠের ওপর রাখা হলো। এরপর বা আলের পুরোহিতদের তিনি আহবান করলেন বা আলের কাছে প্রার্থনা করে সেই মাংসে আগুন ধরিয়ে দিতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রার্থনা করেও তারা সেটা করতে পারলো না। ইলিয়াস (আ) বিদ্রূপ করে বললেন, “উচ্চস্বরে ডাক; কেননা সে দেবতা; সে ধ্যান করছে, বা কোথাও গেছে, বা পথে চলছে, কিংবা হয়তো ঘুমিয়ে গেছে, তাকে জাগানো চাই।” তারা তাদের রক্তও যোগ করলো বেদীতে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হলো না।

    যখন ইলিয়াস (আ) কোরবানগাহ বানিয়ে একই কাজ করলেন, তখন আকাশ থেকে আগুন এসে পুড়িয়ে দিলো মাংস, যার মানে আল্লাহ সত্যিকারের ঈশ্বর। তখন ইলিয়াস (আ) আদেশ দিলেন বা’আলের পুরোহিতদের হত্যা করতে।

    ইলিয়াস (আ) দোয়া করলেন বৃষ্টির জন্য, এবং বহুদিন বাদে বৃষ্টি এসে ক্ষরার অবসান করলো।

    বলা বাহুল্য, জেজেবেলের পুরোহিতদের হত্যার খবর যখন কানে পৌঁছাল তখন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলো জেজেবেল। তাছাড়া ইলিয়াস (আ) জেজেবেলের মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিলেন। জেজেবেল তাই ইলিয়াস (আ)-কে হত্যার জন্য উঠে-পড়ে লাগলো।

    ফলে তিনি পালিয়ে গেলেন মরুতে। এক গাছের নিচে ঘুমিয়ে পড়তেই আল্লাহর ফেরেশতা তাকে জেগে খেয়ে নিতে বললেন স্বপ্নে। ঘুম ভেঙে যেতেই তিনি দেখলেন তার সামনে রুটি আর পানি রাখা আছে। তিনি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। ফেরেশতা আবার এসে একই কাজ করলেন, কারণ সামনে তার লম্বা সফর আছে।

    চল্লিশ দিন চল্লিশ রাত ভ্রমণ করে ইলিয়াস (আ) পৌঁছালেন হোরেব পর্বতে, যেখানে মূসা (আ) তাওরাত পান। এ পাহাড়কে সিনাই পাহাড়ও বলে। মূসা (আ) এর পর এতদিন বাদে কেবল ইলিয়াস (আ) গিয়েছিলেন ঐ পাহাড়ে। এক পশলা প্রবল বায়ু, ভূমিকম্প ও আগুনের পর একটি স্বর শোনা গেল। তা শোনামাত্র ইলিয়াস (আ) শাল দিয়ে মুখ ঢাকলেন এবং বাইরে গিয়ে গহ্বরের মুখে দাঁড়ালেন। তাঁর প্রতি এই বাণী এলো, “ইলিয়াস, তুমি এখানে কী করছো?”

    ইলিয়াস (আ) বললেন, “কেবল একা আমিই অবশিষ্ট রইলাম; আর তারা আমার প্রাণ নিতে চেষ্টা করছে।”

    তখন আল্লাহ তাঁকে বললেন, “তুমি যাও, নিজের পথে ফিরে দামেস্কের মরুভূমিতে গমন কর, গিয়ে হসায়েলকে অরামের উপরে বাদশাহ পদে অভিষেক কর, এবং নিশির পুত্র যেহুকে ইসরাইলের উপরে বাদশাহ পদে অভিষেক কর; আর তোমার পদে নবী হবার জন্য আল-ইয়াসাকে অভিষেক কর।” (১ বাদশাহনামা ১৯)

    ইলিয়াস (আ) গিয়ে এগুলোই করলেন। আল-ইয়াসা (আ) নতুন নবী হলেন। আল-ইয়াসা এলিশা (Elisha) নামেও প্রচলিত। কুরআনে দুবার আল-ইয়াসা (আ) এর কথা এসেছে-

    “এবং ইসরাইল, ইয়াসা, ইউনূস, লূতকে প্রত্যেককেই আমি সারা বিশ্বের উপর গৌরবান্বিত করেছি।” (সুরা আনাম ৬:৮৬)

    “স্মরণ করুণ, ইসমাঈল, আল ইয়াসা ও যুলকিফলের কথা। তারা প্রত্যেকেই গুণীজন।” (সুরা সোয়াদ ৩৮:৪৮ )

    ধারণা করা হয়, আল-ইয়াসা (আ) এর কবর পূর্ব সৌদি আরবে আল- আওজাম স্থানে। উসমানি খেলাফতের সময় সেটি ছিল জনপ্রিয় একটি টুরিস্ট স্পট।

    ইলিয়াস (আ) পরবর্তীতে আবারও মুখোমুখি হন আহাবের। আহাব জেজেবেলের মনতুষ্টির জন্য খুন করে এক আঙুর ক্ষেতের দখল নেন। আল্লাহ আহাবের কাছে পাঠান ইলিয়াস (আ)-কে এই প্রশ্ন নিয়ে, “তুমি খুনও করেছো, আবার অন্যায়ভাবে দখলও করেছ?”

    এরপর এই ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, “যে স্থানে কুকুরেরা আঙুর ক্ষেতের মালিক নাবোতের রক্ত চেটে খেয়েছে, সেই স্থানে কুকুরেরা তোমার রক্তও চেটে খাবে। কুকুরেরা যিথ্রিয়েলের দুর্গ-প্রাচীরের কাছে জেজেবেলকে খেয়ে ফেলবে।” (১ বাদশাহনামা ২১)

    সবাইকে অবাক করে দিয়ে আহাব অনুতপ্ত হয়ে যায়। ফলে শাস্তিটুকু আহাব না হয়ে জেজেবেল আর তার ছেলে আহাজিয়ার ওপর আসবে, এমনটাই বলা হয়।

    আহাজিয়া বাড়ির সিঁড়ির দরজা থেকে পড়ে গিয়ে আহত হলো। এরপর দূত পাঠিয়ে ইক্রোনের দেবতা বিলজিবাবকে জিজ্ঞেস করতে বলল, সে সুস্থ হবে কি না। ইলিয়াস (আ) সেই দূতদের আটকালেন। তিনি গিয়ে আহাজিয়াকে বললেন, “ইসরাইলের কি আল্লাহ নেই যে, তোমরা ইক্রোনের দেবতার কাছে জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছ? মাবুদ এই কথা বলেন, তুমি যে পালঙ্কে উঠে শুয়েছ, তা থেকে আর নামবে না, মরবেই মরবে।” পরে ইলিয়াস চলে গেলেন। (২ বাদশাহনামা ১)

    আহাজিয়া তিনটি দল পাঠালেন ইলিয়াস (আ)-কে ধরবার জন্য। প্রথম দুটো দলকে আকাশ থেকে আগুন এসে পুড়িয়ে দিল। তৃতীয় দলকে দয়াপরবশ হয়ে ছেড়ে দিলেন ইলিয়াস (আ)। তাদের সাথে আহাজিয়ার কাছে গেলেন তিনি। আহাজিয়া আসলেই মারা গেলেন সেই পালঙ্কেই, যেমনটা ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।

    আল-ইয়াসা (আ)-কে নিয়ে ইলিয়াস (আ) এরপর জেরিকো এলেন। সেখানে অন্যান্য নবীরা আল-ইয়াসাকে (আ) জিজ্ঞেস করলেন, “আজ মাবুদ আপনার কাছ থেকে ইলিয়াস নবীকে তুলে নেবেন, এই কথা কি আপনি জানেন?” তিনি জবাবে বললেন, “হ্যাঁ, আমি তা জানি; তোমরা নীরব হও।”

    পরে জর্ডান নদীর ধারে গেলেন ইলিয়াস (আ)। পঞ্চাশজনের মতো নবী দূরেই দাঁড়িয়ে রইলেন। ইলিয়াস (আ) তাঁর শাল ধরে গুটিয়ে নিয়ে পানিতে আঘাত করলেন, তাতে পানি এদিক-ওদিকে বিভক্ত হলো, এবং তাঁরা দুজন শুকনো ভূমি দিয়ে পার হলেন।

    আল-ইয়াসার (আ) সাথে কথা বলতে বলতেই, আগুনের একটি রথ ও আগুনের কিছু ঘোড়া এসে তাঁদেরকে পৃথক করলো এবং ইলিয়াস ঘূর্ণি-বাতাসে আসমানে উঠে গেলেন। আল-ইয়াসা (আ) তাকে আর দেখতে পেলেন না। (২ বাদশাহনামা ২)

    এরপর আল-ইয়াসা (আ) নবীত্ব চালিয়ে গেলেন, আর ওদিকে আহাবের ছেলে জিহোরাম ইসরাইলের রাজত্ব করতে লাগলেন সামেরিয়া থেকে। তিনিও ছিলেন বিপথগামী।

    ইহুদী লোককাহিনী বলে, আসমানে আরোহণের পর ইলিয়াস (আ) ফেরেশতা হয়ে যান, নাম হয় সান্দালফন। তিনি প্রায়ই পৃথিবীতে আসেন এবং ঘুরে বেড়ান, কখনও কখনও দেখা দেন। তিনি কেয়ামতের আগে খ্রিস্টের আগমন নির্বিঘ্ন করতে ফেরত আসবেন বলে ইহুদী বিশ্বাস রয়েছে। কুরআনে বেশ ভালো করেই তাঁর প্রশংসা করা হয়েছে-

    “(পথ প্রদর্শন করেছি) যাকারিয়া, ইয়াহিয়া, ঈসা এবং ইলিয়াসকে। তারা সবাই পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।” (সুরা আনাম ৬:৮৫)

    তিন বছর পর এক যুদ্ধে রাজা আহাব মারা যান। আহাজিয়া দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মারা যাবার পর তার ভাই জোরাম রাজত্ব নেন। কিন্তু আল-ইয়াসা (আ) জোরামের সেনাপতি জেহুকে রাজা ঘোষণা করলেন। জেহু গিয়ে হত্যা করলেন জোরামকে। এরপর বাকি রইলো জেজেবেল। প্রাসাদে গিয়ে জেহুর এবার জেজেবেলকে মোকাবিলা করবার পালা।

    জেহু আসছে জেনে জেজেবেল সাজগোজ করলেন, এবং জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে তাকে কামার্থ আহবান করলেন। জেহু জেজেবেলের খোজা দাসদেরকে আদেশ করলেন তাকে জানালা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলতে। জেজেবেলের দেহ মাটিতে পড়বার পর তার রক্ত দেয়াল আর ঘোড়ার গায়ে ছিটকে পড়ে। জেহু প্রাসাদে ঢুকে খাওয়াদাওয়া আর পান সারবার পর জেজেবেলের লাশ দাফনের আদেশ করলেন। দাসেরা লাশের কাছে গিয়ে দেখলো, কেবল তার মাথার খুলি, পায়ের পাতা আর কবজি থেকে হাত পড়ে আছে, কুকুর তার মাংস সব ছিঁড়ে খেয়ে নিয়েছে। (২ বাদশাহনামা ৯:৩৫-৩৬) ৮৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জেজেবেলের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }