Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২৪ সলোমন ও শেবার রানী

    ইংরেজিতে প্রচলিত নাম ‘শেবা’ (Sheba) হলেও আরবি ও হিব্রুতে সেটি ‘সাবা’। হিব্রু বাইবেল ও কুরআনে উল্লেখিত বিখ্যাত এক রাজ্য। বাইবেলের শেবার রানীর এ রাজত্ব ইথিওপিয়ান খ্রিস্টানদের কাছেও খুব জনপ্রিয় I রানীর নাম বাইবেলে না থাকলেও, আরবি আর ইথিওপীয় কাহিনীতে তার নাম ‘বিলকিস’; বিলকিস বিনতে শারাহীল, বাবা যীশারখ আর মা বুলতাআহ। হিব্রুতে তাকে কেবল ‘মালকাত সাবা’ বা সাবার রানী নামেই ডাকা হয়; কুরআনেও তার নাম নেই। প্রাচীন সৌদি আরবের ‘সাবা’ রাজ্য আসলে এই শেবা হতে পারে বলে অনেকের ধারণা, বর্তমানে সেটি ইয়েমেনের একটি জায়গা।

    বাইবেল বলছে (সেকেন্ড ক্রোনিকলস, ৯:১-৮), “সাবার রানী সুলাইমানের কীর্তি শুনে কঠিন কঠিন প্রশ্ন দ্বারা সুলাইমানকে পরীক্ষা করার জন্য বিপুল পরিমাণ ঐশ্বর্যসহ এবং সুগন্ধি দ্রব্য, প্রচুর সোনা ও মণিবোঝাই উট সঙ্গে নিয়ে জেরুজালেমে এলেন। তিনি সুলাইমানের কাছে এসে তাঁর নিজের মনে যা ছিল তাঁকে সবই বললেন। আর সুলাইমান তাঁর সমস্ত প্রশ্নের জবাব দিলেন, সুলাইমানের বোধের অগম্য কিছুই ছিল না, তিনি তাঁকে সবই বললেন। এভাবে সাবার রানী সুলাইমানের জ্ঞান ও তাঁর নির্মিত বাড়ি দেখলেন। তিনি তাঁর টেবিলের খাদ্যদ্রব্য ও তাঁর কর্মকর্তাদের উপবেশন ও দণ্ডায়মান পরিচারকদের শ্রেণী ও তাদের পরিচ্ছদ এবং তাঁর পানপাত্র বাহকদের ও তাদের পরিচ্ছদ এবং মাবুদের গৃহে উঠবার জন্য তাঁর নির্মিত সিঁড়ি, এই সমস্ত দেখে হতভম্ভ হয়ে গেলেন।

    আর তিনি বাদশাহকে বললেন, আমি আমার দেশে থেকে আপনার কথা ও জ্ঞানের বিষয় যে কথা শুনেছিলাম তা সত্যি। কিন্তু আমি যতক্ষণ এসে স্বচক্ষে না দেখলাম, ততক্ষণ লোকদের সেই কথায় আমার বিশ্বাস হয়নি; আর দেখুন, আপনার জ্ঞান ও মহত্ত্বের অর্ধেকও আমাকে বলা হয়নি; আমি যে খ্যাতি শুনেছিলাম তা থেকেও আপনার গুণ অনেক বেশি। ধন্য আপনার লোকেরা এবং ধন্য আপনার এই গোলামেরা, যারা প্রতিনিয়ত আপনার সম্মুখে দাঁড়িয়ে আপনার জ্ঞানের উক্তি শোনে। আপনার আল্লাহ মাবুদ ধন্য হোন, যিনি আপনার আল্লাহ মাবুদের হয়ে রাজত্ব করতে তাঁর সিংহাসনে আপনাকে বসাবার জন্য আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। ইসরাইলিদেরকে চিরস্থায়ী করতে চান বলে আপনার আল্লাহ তাদেরকে মহব্বত করেন, এজন্য ন্যায়বিচার ও ধার্মিকতা প্রচলিত করতে আপনাকে তাদের উপরে বাদশাহ করেছেন।”

    মিসরীয় কপ্টিক খ্রিস্টানদের মাঝে বারলিন প্যাপিরাসের মাধ্যমে প্রচলিত আছে, সাবার রানীর একটি স্তম্ভ ছিল যাতে পৃথিবীর সকল বিজ্ঞান লিখিত ছিল। সুলাইমান (আ) তার এক জ্বিনকে সেটি আনতে পাঠান, এবং সেই জ্বিন তা চোখের পলকে এনে হাজির করে ইথিওপিয়া থেকে।

    খ্রিস্ট ধর্মের নিউ টেস্টামেন্টের গস্পেল অফ ম্যাথিউ (১২:৪২) আর গস্পেল অফ লুকে (১১:৩১) উল্লেখ পাওয়া যায় ‘দক্ষিণের রানী’র। এ শ্লোক থেকে নানা মুনির নানা মত পাওয়া যায়। সেখানে অবশ্য তার নাম বিলকিস নয়, বরং মাকেদা। এরকম একটি লোককাহিনী অনুযায়ী, বাদশাহ সুলাইমান (আ) দুনিয়ার নানা প্রান্তের ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ রাখতেন, যেন বাইতুল মুকাদ্দাস নির্মাণ সহজতর হয়। এর মাঝে একজন ছিলেন ইথিওপিয়া বা শেবার ব্যবসায়ী তামরিন। তামরিন জেরুজালেমে ব্যবসা সেরে যা যা দেখলেন আর জানলেন তা সব গিয়ে খুলে বললেন তার রানী মাকেদাকে। মাকেদা তখন সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি জেরুজালেম ভ্রমণ করবেন।

    তিনি জেরুজালেম আসবার পর তাকে সাদর অভ্যর্থনা জানানো হলো। কেবল তার থাকার জন্যই আলাদা একটি প্রাসাদ দিয়ে দেয়া হলো, প্রতিদিন তার জন্য থাকতো নানা উপহার। সুলাইমান (আ) আর মাকেদা অনেক জ্ঞানের কথা বলতেন। তাঁর কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ইহুদী ধর্ম গ্রহণ করেন।

    চলে যাবার আগে এক রাতে সুলাইমান (আ) বিশাল ভোজসভার আয়োজন করেন। মাকেদা সেই রাত্রে সুলাইমানের (আ) প্রাসাদেই থেকে গেলেন। মাকেদাকে কথা দিলেন সুলাইমান কিছু করবেন না, যদি মাকেদা কথা দিতে পারেন যে সেই রাতে মাকেদা সুলাইমান (আ) এর প্রাসাদ থেকে কিছুই খাবেন না বা পান করবেন না, বা কিছু নেবেন না। রাতে মাকেদার ঘুম ভেঙে গেল তৃষ্ণায়। পানি পান করবার জন্য তিনি হন্যে হয়ে খুঁজতে লাগলেন, তখন সুলাইমান (আ) এসে তাকে স্মরণ করিয়ে দিলেন তার প্রতিশ্রুতির কথা। মাকেদা বললেন, “তোমার প্রতিশ্রুতি রাখতে হবে না, আমাকে পানি পান করতেই হবে।” সেই রাতে মাকেদাকে দেয়া কথা ফিরিয়ে নিলেন সুলাইমান (আ)। এ কাহিনীতে ইঙ্গিত করা হয় যে, এরপর সুলাইমান (আ) মাকেদার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি মাকেদাকে একটি আংটি উপহার দেন।

    দীর্ঘ সফরে নিজের রাজ্যে ফেরার পথে মাকেদা জন্ম দেন এক পুত্র সন্তানের। তিনি তার নাম রাখেন বাইনালেহকেম। (বিন আল হাকিম, অর্থ- জ্ঞানীর পুত্র) ছেলেটির নাম অবশ্য পরে মেনিলেক হয়ে যায়। সে বেড়ে ওঠে ইথিওপিয়াতে। সুলাইমান (আ) এর উপহার দেয়া সেই আংটি নিয়ে মেনিলেক ফিরে আসেন জেরুজালেমে। সুলাইমান (আ) খুশি হলেন। তিনি তার পুত্রকে অন্যান্য সম্ভ্রান্ত পরিবারের পুত্রদের সাথে ইথিওপিয়া প্রেরণ করবার সিদ্ধান্ত নিলেন। সুলাইমান (আ) জানালেন, তিনি তৃতীয় এক পুত্রসন্তানের আশায় আছেন, যার সাথে তিনি রোমের বাদশাহর কন্যার বিয়ে দেবেন, তাহলে পুরো দুনিয়াই দাউদের বংশধরের হাতে চলে আসবে।

    অতঃপর মেনিলেককে প্রধান ইমাম যাদোক আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিলেন, এবং দাদার নামে তার নাম দিলেন দাউদ। আজও অনেক ইথিওপীয় নিজেদেরকে তার বংশধর দাবি করেন। মেনিলেক চলে যাবার সময় তার বাহিনীর ইমামের সন্তানেরা শরীয়ত সিন্দুক বা আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট চুরি করে নিয়ে যান বাহিনীর সাথে। মেনিলেকের একজন ইমাম আজারায়াস একজন ফেরেশতার পরামর্শে কুরবানি দিয়েছিলেন এর আগে। কথিত আছে, ফেরেশতা মিকাইল (আ) স্বয়ং তাদের সাথে ছিলেন যখন সেই আর্ক ইথিওপিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    লোহিত সাগরে আসবার পর আজারায়াস সকলকে জানালেন যে, সিন্দুক আসলে তাদের সাথেই আছে, এর আগে বাকিরা জানত না ব্যাপারটা। ঝড়ো আবহাওয়ার মাঝেও সিন্দুক সাথে থাকায় অলৌকিক ক্ষমতাবলে তারা সকলে লোহিত সাগর পাড়ি দিতে সক্ষম হলো।

    যখন সুলাইমান (আ) জানতে পারলেন যে আর্ক চুরি গিয়েছে, তখন তিনি পেছনে ঘোড়সওয়ারদের পাঠালেন, এমনকি নিজেও গেলেন। কিন্তু তিনি তাদের ধরতে পারলেন না। সুলাইমান (আ) ফিরে এলেন জেরুজালেমে এবং ইমামদের আদেশ দিলেন যেন কেউ না জানতে পারে চুরির ব্যাপারটা। তিনি একটি রেপ্লিকা বানিয়ে সেটি জায়গামতো স্থাপন করবার নির্দেশ দিলেন, যেন বাইরের জাতি বলতে না পারে যে ইসরাইলের খ্যাতি কমে যাচ্ছে।

    ইহুদী গ্রন্থ তানাখের বুক অফ এস্থারের অষ্টম শতকের একটি আরামায়িক অনুবাদ কুরআনের বক্তব্যের সাথে মিল রেখে জানায়, একটি হুদহুদ পাখি সুলাইমান (আ)-কে এ জাতির খোঁজ দেয়। বুক অফ এস্থার আরও জানায়, সাবা রাজ্য পৃথিবীর একমাত্র রাজ্য যা সুলাইমান (আ) এর অধীনে ছিল না, তারা ছিল সূর্যপূজারী। পরে সুলাইমান (আ) কিতোরে প্রেরণ করেন পাখিটিকে তার পাখায় রানীর জন্য আমন্ত্রণপত্র লাগিয়ে। রানী সেই পত্র পেয়ে তার সকল জাহাজ প্রেরণ করেন দামি দামি উপঢৌকনসহ, যাতে ছিল একই মুহূর্তে জন্ম নেয়া ৬,০০০ তরুণ, সকলের গায়ে বেগুনি জামা। তাদের সাথে লেখা পত্রে বলা ছিল, যদিও জেরুজালেমে পৌঁছাতে রানীর সাত বছর সময় লাগতে পারে, তবে তিনি চেষ্টা করবেন তিন বছরে পৌঁছে যেতে। রানী যখন সুলাইমান (আ) এর প্রাসাদে পৌঁছালেন তখন তিনি রানীকে এক পানির চৌবাচ্চার ওপর দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে চাইলেন, তবে তার ওপরে কাচ বিছানো ছিল। কিন্তু রানী সেটা না বুঝেই তার কাপড় পা থেকে ওপরে ওঠালেন যেন ভিজে না যায়। তখন তার লোমশ পা উন্মুক্ত হয়ে গেলো, যা সুলাইমান (আ) খেয়াল করে তা নিয়ে কথা বললেন। তিনি তাঁকে তিনটি (বা উনিশটি) কঠিন প্রশ্ন করেন, যার উত্তর সুলাইমান (আ) দিয়ে দেন। ইহুদীদের মিদ্রাশে এ ধাঁধাগুলোর উল্লেখ আছে।

    যেমন, “জীবিত অবস্থায় নড়ে না, কিন্তু মাথা কেটে ফেললে নড়ে। কী সেটা?”

    উত্তর ছিল, “গাছ। কারণ, এর মাথা কেটে ফেলে তা দিয়ে জাহাজ বানানো যায়, যা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে পারে।’

    আরেকটি ধাঁধা ছিল, “মাটি থেকে জন্মায়, মানুষই একে জন্মায়, কিন্তু এর খাবার হলো মাটির ফল।”

    এর উত্তর ছিল, “লণ্ঠনের সলতে।”

    ভাষান্তরে অর্থ হারিয়ে যাওয়া এ অদ্ভুত ধাঁধাগুলোর একটাতেও পরাজিত হননি সুলাইমান (আ)।

    মধ্যযুগের দ্য অ্যালফাবেট অফ সিরাখ গ্রন্থ বলে থাকে, বাদশাহ নেবুকাদনেজার (বখতেনাসার) ছিলেন সুলাইমান (আ) আর সাবার রানীর পুত্র। ইহুদী কাব্বালাতে, সাবার রানীকে জ্বিনরানী অপশক্তি লিলিথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আরব উপকথা অনুযায়ী, রানী বিলকিস আসলে আধা জ্বিন আধা মানব ছিলেন।

    এবার আসা যাক, কুরআনের ভাষ্যে। এতক্ষণে পূর্বের লোকদের কাহিনী জানা থাকাতে কুরআনে বর্ণিত কাহিনী সহজেই বুঝে ফেলা যাবে-

    “সুলাইমান পক্ষীদের খোঁজ খবর নিলেন, অতঃপর বললেন, কী হলো, হুদহুদকে দেখছি না কেন? নাকি সে অনুপস্থিত? আমি অবশ্যই তাকে কঠোর শাস্তি দেব কিংবা হত্যা করব অথবা সে উপস্থিত করবে উপযুক্ত কারণ

    কিছুক্ষণ পড়েই হুদ এসে বলল, আপনি যা অবগত নন, আমি তা অবগত হয়েছি। আমি আপনার কাছে সাবা থেকে নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে আগমন করেছি। আমি এক নারীকে সাবাবাসীদের উপর রাজত্ব করতে দেখেছি। তাকে সবকিছুই দেয়া হয়েছে এবং তার একটা বিরাট সিংহাসন আছে। আমি তাকে ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সেজদা করছে। শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কার্যাবলী সুশোভিত করে দিয়েছে। অতঃপর তাদেরকে সৎপথ থেকে নিবৃত্ত করেছে। অতএব তারা সৎপথ পায় না। তারা আল্লাহকে সেজদা করে না কেন, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন বস্তু প্রকাশ করেন এবং জানেন যা তোমরা গোপন কর ও যা প্রকাশ কর। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তিনি মহা আরশের মালিক।

    সুলায়মান বললেন, এখন আমি দেখব তুমি সত্য বলছ, না তুমি মিথ্যাবাদী। তুমি আমার এ পত্র নিয়ে যাও এবং এটা তাদের কাছে অর্পণ কর। অতঃপর তাদের কাছ থেকে সরে পড়ো এবং দেখ, তারা কী জওয়াব দেয়।

    রানী বলল, হে পরিষদবর্গ, আমাকে একটি সম্মানিত পত্র দেয়া হয়েছে। সেই পত্র সুলাইমানের পক্ষ থেকে এবং তা এই: ‘অসীম দাতা, পরম দয়ালু, আল্লাহর নামে শুরু; আমার মোকাবেলায় শক্তি প্রদর্শন করো না এবং বশ্যতা স্বীকার করে আমার কাছে উপস্থিত হও।’ হে পরিষদবর্গ, আমাকে আমার কাজে পরামর্শ দাও। তোমাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে আমি কোনো কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না।

    তারা বলল, আমরা শক্তিশালী এবং কঠোর যোদ্ধা। এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আপনারই। অতএব আপনি ভেবে দেখুন, আমাদেরকে কী আদেশ করবেন।

    রানী বলল, রাজা-বাদশাহরা যখন কোনো জনপদে প্রবেশ করে, তখন তাকে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং সেখানকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গকে অপদস্থ করে। তারাও এরূপই করবে। আমি তাঁর কাছে কিছু উপঢৌকন পাঠাচ্ছি; দেখি প্রেরিত লোকেরা কী জওয়াব আনে।

    অতঃপর যখন দূত সুলায়মানের কাছে আগমন করল, তখন সুলায়মান বললেন, তোমরা কি ধনসম্পদ দ্বারা আমাকে সাহায্য করতে চাও? আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন, তা তোমাদেরকে প্রদত্ত বস্তু থেকে উত্তম। বরং তোমরাই তোমাদের উপঢৌকন নিয়ে সুখে থাক। ফিরে যাও তাদের কাছে। এখন অবশ্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে আসব, যার মোকাবেলা করার শক্তি তাদের নেই। আমি অবশ্যই তাদেরকে অপদস্থ করে সেখান থেকে বহিষ্কৃত করব এবং তারা হবে লাঞ্ছিত।

    সুলায়মান বললেন, হে পরিষদবর্গ, তারা আত্মসমর্পণ করে আমার কাছে আসার পূর্বে কে রানীর সিংহাসন আমাকে এনে দেবে?

    জনৈক দৈত্য-জিন বলল, আপনি আপনার স্থান থেকে ওঠার পূর্বে আমি তা এনে দেব এবং আমি এ কাজে শক্তিবান, বিশ্বস্ত।

    কিতাবের জ্ঞান যার ছিল, সে বলল, আপনার দিকে আপনার চোখের পলক ফেলার পূর্বেই আমি তা আপনাকে এনে দেব। অতঃপর সুলায়মান যখন তা নিজের চোখের সামনে দেখলেন, তখন বললেন এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, এবং যে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে জানুক যে, আমার পালনকর্তা অভাবমুক্ত, কৃপাশীল।

    সুলায়মান বললেন, রানীর সামনে তার সিংহাসনের আকার-আকৃতি বদলিয়ে দাও, দেখব সে সঠিক বুঝতে পারে, নাকি সে তাদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের দিশা নেই?

    অতঃপর যখন রানী এসে গেল, তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, তোমার সিংহাসন কি এরূপই? সে বলল, মনে হয় এটা সেটাই। আমরা পূর্বেই (সিংহাসন চুরি যাবার ব্যাপারে) সমস্ত অবগত হয়েছি এবং আমরা আজ্ঞাবহও হয়ে গেছি।

    আল্লাহর পরিবর্তে সে যার এবাদত করত, সে-ই তাকে ঈমান থেকে নিবৃত্ত করেছিল। নিশ্চয়ই সে কাফের সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    তাকে বলা হলো, এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। যখন সে তার প্রতি দৃষ্টিপাত করল সে ধারণা করল যে, এটা স্বচ্ছ গভীর জলাশয়। সে তার পায়ের গোছা খুলে ফেলল। সুলায়মান বলল, এটা তো স্বচ্ছ স্ফটিক নির্মিত প্রাসাদ। রানী বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলায়মানের সাথে বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।” (সুরা সাবা ২৯:২০-8০)

    ইবনে কাসিরের তাফসিরে উল্লেখ আছে যে, হুদহুদ পাখি সুলাইমান (আ) এর জন্য গণৎকারের কাজ করত। পানি কোথায় আছে তা বলতে পারত। মাটির নিচের পানির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানালে সুলাইমান (আ) জ্বিনদেরকে দিয়ে খনন করিয়ে ফেলতেন। কথিত আছে, সেই পাখিটির নাম ছিল আম্বার। সে জানায়, সাবার রানীর উপদেষ্টা ও উজিরের সংখ্যা তিনশো বারোজন। প্রত্যেকের অধীনে ছিল ১০,০০০ জন করে দল। সাবা রাজ্যের সেই জায়গাটির নাম মারিব। আরও শোনা যেত, সুলাইমান (আ) এর কাছে রানীর দূতেরা পৌঁছাবার আগেই তার নির্দেশে এক হাজার প্রাসাদ বানানো হয়ে যায়। যখন রানীর দূতেরা রাজধানীতে পৌঁছাল তখন প্রাসাদগুলো দেখে তাদের আক্কেল গুড়ুম। তারা বলল, “বাদশাহ তো আমাদের উপহারগুলো ঘৃণার চোখে দেখবেন, এখানে দেখছি স্বর্ণ মাটির সমানও মর্যাদা রাখে না।”

    যে লোকটি সিংহাসন চোখের পলকে হাজির করেছিলো বলে উল্লেখ আছে, তাফসিরে তার নাম আসিফ ইবনে বারখিয়া। তিনি আল্লাহর নাম অর্থাৎ ইসমে আজম জানতেন, যে নাম জপলে যেকোনো কাজ চোখের নিমিষে সাধিত হয় বলে শোনা যায়। তা ব্যবহার করেই তিনি সিংহাসন হাজির করেন।

    লোকে বলত, সাবার রানীর মা জ্বিন হওয়াতে রানীর পা চতুষ্পদ জন্তুর ক্ষুরের মতো। শ্রুতি কাহিনী অনুযায়ী, এ কারণেই সুলাইমান (আ) দেখতে চেয়েছিলেন তার পায়ের অবস্থা। তার উদ্দেশ্য ছিল বিলকিসকে বিয়ে করা। কিন্তু যখনই রানী পা থেকে কাপড় তুললেন তখনই সুলাইমান (আ) দেখে ফেললেন যে, তার পা আসলে খুবই স্বাভাবিক, কেবল লোম বেশ বেশি, যার সাথে জ্বিন বাবা কিংবা মা হবার কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি লোমগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে বলেন। ইমাম আবু বকর (র) অবশ্য এ গল্পটিকে ভিত্তিহীন বলেছেন।

    কোনো কোনো কাহিনীতে, এরপর সুলাইমান (আ) সাবার রানীকে বিয়ে করেন। আবার কেউ বলেন, তিনি হামদানের রাজার সাথে তার বিয়ে দেন। আল হামদানির মতে, সাবার রানী আসলে নাজরানের হিমিয়ার রাজা ইলশারাহ ইয়াহদিবের কন্যা ছিলেন।

    সুলাইমান (আ) ছিলেন সংযুক্ত ইসরাইল রাজ্যের শেষ রাজা। তিনি মারা যাবার পর তার পুত্র রেহোবাম সিংহাসনে আরোহণ করেন। এবং তখন থেকেই শুরু ইসরাইলের পতন।

    সুলাইমান (আ) এর পর থেকে যীশু খ্রিস্টের সময়ের আগপর্যন্ত খুব কম ঘটনাই ইসলামি লেখনিতে পাওয়া যায়, এজন্য শূন্যস্থান পূরণের জন্য নজর দিতে হয় নানা ঐতিহাসিক লেখনি, হিব্রু ইতিহাস আর ওল্ড টেস্টামেন্টের পাতায়। আর ক্ষণে ক্ষণে কিছু তাফসিরের সাহায্য নেয়াটা জরুরি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Our Picks

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }