Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৪ জীবন সায়াহ্নে দুই নবী

    ইসরাইল এখন তাওরাত তথা একটি শরীয়ত পেলো, যেখানে খুবই বিস্তারিতভাবে নিয়ম কানুন লেখা ছিল। সেগুলো মেনে কাজ করা শুরু করেছিলেন মূসা (আ)।

    তিনি আল্লাহর আদেশে নির্মাণ করলেন ধর্মীয় ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাধর বস্তু – Ark of the Covenant, বা শরীয়ত সিন্দুক, বা তাবুতে সাকিনা (ii) ); আরবি সাকিনা শব্দের সাথে হিব্রু শেখিনা (,7২২) শব্দের মিল আছে, যার অর্থ ‘আল্লাহর উপস্থিতি’। সোনা দিয়ে বানানো এ সিন্দুকের মাপ ছিল প্রায় ১৩১ × ৭৯ × ৭৯ সেন্টিমিটার; কুরআনের সুরা বাকারার ২৪৮ নং আয়াতে এ আর্ক বা সিন্দুকের কথা উল্লেখ আছে, “তাদের নবী আরো বললেন, তালূতের নেতৃত্বের চিহ্ন হলো এই যে, তোমাদের কাছে একটা সিন্দুক আসবে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের মনের সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আর তাতে থাকবে মূসা, হারুন এবং তাদের সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী। সিন্দুকটিকে বয়ে আনবে ফেরেশতারা। তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাক, তাহলে এতে তোমাদের জন্য নিশ্চিতই পরিপূর্ণ নিদর্শন রয়েছে।” (কুরআন ২:২৪৮)

    এই সিন্দুকের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়, যে জাতির কাছে সিন্দুক থাকবে সে জাতি হবে অজেয়। যতদিন সিন্দুক ইসরাইলের কাছে ছিল ততদিন ইসরাইল ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি। কিন্তু ইসরাইলের কাছ থেকে হারিয়ে যাবার পর থেকে ইসরাইলের পতন শুরু হয়।

    বলা হয়, এ সিন্দুকের ভেতরে আছে তাওরাতের বেহেশতি ফলকগুলো, মান্না আর সালওয়ার নমুনা, মূসা (আ) এর লাঠি, সুলাইমান (আ) এর অলৌকিক আংটি ইত্যাদি। কথিত ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, শেষ সময়ে পুনরায় আবিস্কার হবার কথা এ সিন্দুকের।

    মূসার (আ) সময়ের অনেক পরে, যখন জেরুজালেমে Temple of Solomon নির্মিত হয়, তখন সেই টেম্পল বা মন্দিরের সবচেয়ে পবিত্র কক্ষ ‘Holy of The Holies’ এর ভেতরে সুরক্ষিত করে রাখা হয় আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট কে। আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্টের সাথে ইসরাইলের ইতিহাসের অনেক অংশই জড়িত। যখন তারা কোথাও শিবির করতো, তখন সেই সিন্দুক বরাবর উপরে মেঘ করত, যখনই সেই মেঘ সরে যেত, তখনই বুঝে নিতে হতো, আল্লাহ বলছেন, এবার যাবার পালা যাযাবর ইসরাইলের।

    মরুভূমিতে আল্লাহর প্রতিশ্রুত ভূমির সন্ধানে ঘুরছে ইহুদী জাতি। তাদের নেতা তখন মূসা (আ)। মিসর থেকে বেরিয়ে আসার ১৪ মাস পর মূসা (আ) একটি আদমশুমারির ব্যবস্থা করলেন ইসরাইলের জন্য। হিসেব করে দেখা গেল, সেখানে ২০ বছরের বেশি বয়সের মানুষ ছিল ৬,০৩,৫৫০ জন। ইসরাইল জাতি অবস্থান করছিল বিশাল সীন মরুভূমির এলিম নামক স্থানে। আদমশুমারি শেষ হলে দেখা গেল, যে মেঘখণ্ড আর্ক অফ কোভেন্যান্ট সিন্দুক সম্বলিত তাঁবুর উপর ছায়া দেয় সেটি সরে গেছে। এখন ইসরাইল জাতিকে আবার যাত্রা করতে হবে।

    এলিমে মূসা (আ) তার ভাই হারুন (আ) ও তাঁর বংশধরদের জন্য একটি বিশেষ পদের ব্যবস্থা করে দিলেন, সেটি হলো ‘ইমাম’ পদ। তখনকার নিয়মআনুযায়ী ইহুদীদের মধ্যে ইমাম হতে হলে তাকে অবশ্যই হতে হবে হারুন (আ) এর বংশধর। যারা ইহুদী জাতির ইতিহাস একদম ঈসা (আ) এর আগমনের পর্যন্ত পড়বেন তারা অনেক জায়গাতেই একটি শব্দ পাবেন- লেবীয় (Lebites)। এর মানে হলো লেবীয় বংশ, তথা হারুনের (আ) বংশ।

    এর মাধ্যমে মূসা (আ) স্থির করে গেলেন, ভবিষ্যতে ইসরাইল যখন জেরুজালেমে পৌঁছাবে আর সেখানে আল্লাহর ঘর বানাবে তখন সেটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকবে লেবীয়দের। আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট সিন্দুকের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও লেবীয়দের। এরকম সময়েই ইহুদীদের জন্য হারাম আর হালাল খাবারের তালিকা নাজিল হলো। ইহুদীদের জন্য হালাল খাবারগুলোকে ‘কোশার’ (7২) বলা হয়, যা একইসাথে মুসলিমদের জন্যও হালাল। তবে উল্টোটা সত্য নয়। অর্থাৎ মুসলিমদের সকল হালাল ইহুদীদের জন্য কোশার নয়।

    এরপর মূসা (আ)-এর নেতৃত্বে কাফেলা আবার বেরিয়ে পড়লো সিনাই মরুভূমি থেকে। সেটা ছিল মিসর থেকে বেরিয়ে যাবার পর ১৪ তম মাসের ২০ তম দিন। কাফেলা চলতে চলতে যতক্ষণ পর্যন্ত না পারান মরুভূমিতে এসে পৌঁছালো ততক্ষণ সবাই চলতেই থাকল।

    পারান মরুভূমি এখন আমাদের কাছে ভিন্ন নামে পরিচিত। এটা মক্কা ও তার আশপাশ জুড়ে বিস্তৃত সুবিশাল মরুকে বোঝায়। ঠিক এ জায়গায় এসে ইহুদীদের ইতিহাস গ্রন্থগুলো আমাদের কিছুই জানায় না- সেখানে তারা কী দেখলো না দেখল। এ বিশাল মরুভূমির কোনো এক স্থানে অনেক শতাব্দী পূর্বে হযরত ইব্রাহিম (আ) তাঁর শিশুপুত্র ইসমাইল (আ) ও তাঁর মা হাজেরাকে রেখে গিয়েছিলেন। সেখানে জমজম কূপ গড়ে ওঠে, গড়ে ওঠে এক উপত্যকা। খুব উন্নত নয় বটে, তবুও একটি জনবসতি ছিল বটে।

    তবে এদেরকে বলা হত ‘ইসমাইলি’; এবং তাদের বলা হত ‘ইসরাইলিদের ভাই’; কারণ, ইসমাইল (আ) এর ভাই ইসহাক (আ) এর ছেলের নামই ছিল ইসরাইল (ইয়াকুব)।

    কিন্তু, ইসরাইলিরা খুবই ঘৃণার চোখে দেখত ইসমাইলিদের। কেন?

    কারণ, ইসমাইল (আ) এর মা হাজেরা একসময় ইব্রাহিম (আ) দাসী ছিলেন। আর ইসহাক (আ) এর মা সারাহ ছিলেন রাজকন্যা। এজন্য ইসরাইলিরা নিজেদের রাজরক্তধারী ভাবে। আর ইসমাইলিরা হলো ‘নিচু বংশ’।

    পারানে থাকার সময়ে কেউ কি একবারও কাবার কাছে গিয়েছিলেন? গেলেও সেই বিষয়ে ইহুদীদের ইতিহাস চুপ, হয়তো আসলেই কেউ যাননি। কারণ মরুভূমিটা খুব ছোট নয় কিন্তু, বেশ বড়। এত রাস্তা অতিক্রম করে কেউ ইসমাইলিদের সাথে দেখা করতে হয়তো যাবে না। আমরাও তাই কিছু জানি না ইতিহাস থেকে। তবে কুরআনে না হলেও ইসলামি সূত্রে মুসা (আ)-এর হজ্ব পালনের কথা বলা রয়েছে।

    বেহেশতি মান্না আর সালওয়া খেতে খেতে ইহুদীদের আর ভালো লাগছিল না। এ নিয়ে তারা মূসার (আ) কাছে অভিযোগ করতেই লাগলো। শেষে মূসা (আ) বিরক্ত হয়ে শরীয়ত সিন্দুকের কাছে গিয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন। আল্লাহ উত্তর দিলেন, তিনি টানা এক মাস এই এতজন লোকের জন্য ভিন্ন মাংস পাঠাবেন।

    মূসা (আ) অবাক হয়ে বললেন, “সমুদ্রের সমস্ত মাছ ধরে আনলেও তো বোধ হয় এদের কুলাবে না, এত মানুষ! “

    আল্লাহ তাকে তাঁর কুদরত দেখার জন্য অপেক্ষা করতে বললেন। তখন আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক বনী ইসরাইলের ৭০ জন নেতাকে তাঁবুর সামনে এনে দাঁড় করালেন। এবং এ অবস্থায় আল্লাহর সাথে কথা বললেন মূসা (আ)।

    মূসা (আ) তার ব্যক্তিগত পরিচর্যাকারী আর সঙ্গী হিসেবে নিযুক্ত করলেন নূন এর ছেলে ইউশাকে। এই ইউশাকে সাথে নিয়েই মূসা (আ) দেখা করতে যান খিজির (আ) এর সাথে। তবে সেই কাহিনী অন্য কোনো লেখায় তুলে ধরা হবে, যেহেতু ইহুদী জাতির ইতিহাসের সাথে এটি অপ্রাসঙ্গিক।

    পরদিন সকালবেলা দেখা গেল- সমুদ্রের দিক থেকে অসংখ্য পাখি উড়ে আসছে আর কাফেলার কাছে এসে মরুতে পড়ে যাচ্ছে মরে। অবাক চোখে তাকিয়ে রইল সবাই। হিসেব করে দেখা যায়, সেদিন ওরা ১,৮০০ কেজি পাখির মাংস সংগ্রহ করেছিল। পেট পুরে খেল তারা।

    কিছুদিন পর, পারান থেকে যাত্রা শুরু করলেন মূসা (আ)। এবার তাদের লক্ষ্যস্থল হলো পবিত্র ভূমি অর্থাৎ ফিলিস্তিন-ইসরাইল উপত্যকা। সেটা তখন পরিচিত ছিল ‘কেনান’ ভূমি নামে।

    কিন্তু কেনান ছিল খুবই শক্তিশালী একটি রাজ্য (রাজ্য না বলে উপত্যকা বলাই শ্রেয়); তাই কেনান জয় করার জন্য আগে বের করতে হবে এ উপত্যকার প্রধান প্রধান শহর আর সেসব শহরের দুর্বলতাগুলো। একেকটা শহর যেন একেকটা দুর্গের মতো। একটি একটি করে শহর দখল করে নিতে হবে।

    এতক্ষণ পর্যন্ত বলা যায় আরাম করেই মরুভূমি পার করেছে ইসরাইলের কাফেলা। কিন্তু এখন শুরু হলো জীবনের ঝুঁকি। কারণ, যে পথ ধরে তারা পার হবে, প্রায়ই সেখানে জনবসতি পড়বে। আর জনবসতি মানেই হলো শত্রু। ভিনদেশীদেরকে শত্রু হিসেবেই দেখে তারা।

    তাই মূসা (আ) সিদ্ধান্ত নিলেন গুপ্তচর প্রেরণ করবেন সেই কেনান এলাকা দেখে আসার জন্য। কিন্তু, তিনি যেটা জানতেন না সেটা হলো, ইসরাইল জাতি এতই অলস ছিল যে তারা যুদ্ধ করতেও চাচ্ছিল না। তারা চাচ্ছিলো যে, তারা কেবল যাবে আর শহরগুলো নিজে থেকেই তাদের মুঠোয় চলে আসবে।

    মূসা (আ) বারোজন গুপ্তচর নির্বাচন করলেন ইসরাইলের বারো গোত্র থেকে। তারা ছিল শামুইয়ে, শাফত, কালুত (কালেব), জিগাল, ইউশা, পলতি, গাদিয়েল, গাদি, অমিয়েল, সাথুর, নাহবি আর গুয়েল। তিনি তাদের বলে দিলেন, “তোমরা দেখবে, সেখানে যারা বাস করে তারা শক্তিশালী নাকি দুর্বল। দেশগুলো ভাল না মন্দ। দেয়াল ঘেরা নাকি দেয়াল নেই। ফসল কেমন, গাছপালা কেমন, পারলে ফল নিয়ে আসার চেষ্টা করবে।”

    বারোজন গুপ্তচর রওনা হয়ে গেল। আর মূসা (আ) ইসরাইল কাফেলা নিয়ে অপেক্ষা করলেন সেই পারানেই, রওনা দিলেন না আর।

    ৪০ দিন পর খবর পাওয়া গেল, গুপ্তচরেরা নাকি ফিরে এসেছে।

    তারা এসে মূসা (আ) আর হারুনকে (আ) বলল, “আপনি যে দেশের জন্য রওনা দিচ্ছেন সেটা খুবই সুজলা সুফলা দেশ সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই দেশের মানুষ অনেক শক্তিশালী।” তারা বোঝানোর চেষ্টা করল যে, এই দেশ দখল করা ইসরাইলের পক্ষে সম্ভব না।

    কিন্তু যে বারোজন গিয়েছিল তাদের মধ্যে ইউশা আর কালুত ছিলেন খুব সৎ। তারা সত্যটা বললো, “আমরা পারবো দখল করে নিতে।”

    আল্লাহও নির্দেশ দিলেন, কুরআন আমাদের বলছে, “হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভূমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।” [কুরআন ৫:২১]

    কিন্তু তারা মানতে চাইল না। দশজন গুপ্তচর তখন বের হয়ে এসে লোকদের মাঝে গুজব ছড়িয়ে দিল যেন সবাই ভয় পেয়ে যায়। তাদের ছড়ানো গুজব ছিল, “আমরা যে দেশের খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি সেই দেশের বাসিন্দারা নরখাদক। যেসব লোক আমরা সেখানে দেখেছি ওরা দেখতে খুব বড়। আমরা যাদের দেখেছি সেখানে তারা হলো নেফিলিম! অনাকের বংশধর! নেফিলিম! ওদের দেখে আমরা নিজেদের মনে করলাম ঘাসফড়িং!”

    নেফিলিম কী জিনিস অনেকেই জানে না। ইহুদী ধর্মমতে, বেহেশত থেকে বহিষ্কৃত ফেরেশতারা (ফলেন অ্যাঞ্জেলরা) মানবীদের সাথে যৌন মিলিত হবার ফলে যে সন্তান জন্ম হত তারা ছিল প্রবল পরাক্রমশালী। এ ভিন্ন সংকর প্রজাতিকে নেফিলিম বলা হতো হিব্রুতে। নেফিলিম অর্থ ‘Fallen’ বা ‘পতিত’। মূলত Fallen Angel থেকে এটা এসেছে। আপাতত এটা জেনে রাখাই যথেষ্ট যে, নেফিলিমের গল্প শুনিয়ে বাচ্চাদের ভয় দেখানো হতো। তবে এটা তাদের কাছে পৌরাণিক ছিল না, এটা তারা বিশ্বাস করতো, বড়রাও বিশ্বাস করতো। ছোট থেকেই নেফিলিম ভয় করতে শিখতো তারা। তাই যখন তারা রটিয়ে দিল যে, কেনান ভূমিতে নেফিলিম আছে, তখন পুরো কাফেলা ভয় পেয়ে গেল। তারা আর এগোতেই চাইল না। [নেফিলিম নিয়ে বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন “অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে” বইটি]

    আরবিতে ‘নেফিলিম’ শব্দ নেই। এটা হিব্রু। কুরআন বলছে, গুপ্তচরেরা বলেছিল, “সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।” [কুরআন ৫:২২]

    তবে, কালুত আর ইউশা জানতেন, এটা ভুয়া। তারা বোঝানোর চেষ্টা করলেন সবাইকে। কিন্তু গুজব বন্ধ করা কি আর এত সহজ?

    কুরআন বলছে, “খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন, (কালুত আর ইউশা) বললেন, তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। এরপর তোমরা যখন তাতে প্রবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।” [কুরআন ৫:২৩]

    কিন্তু কে শোনে কার কথা!

    “তারা বললো, হে মূসা, আমরা জীবনেও সেখানে যাব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকবে। অতএব, আপনি ও আপনার আল্লাহই যান এবং দুজনে যুদ্ধ করে নেন। আমরা এখানেই বসলাম।” [কুরআন ৫:২৪ ]

    তারা সবাই মিলে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসলো। মূসা (আ)-কে সরিয়ে নতুন নেতা নির্বাচন শুরু করলো! ইউশা আর কালুতকে ধরে নিয়ে গেল পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করার জন্য।

    আল্লাহ বললেন, কুরআন না, বরং বাইবেলই বলছে যে, আল্লাহ বলেছিলেন তখন, “আর কতকাল এই লোকগুলো আমায় অবজ্ঞা করবে? আর কত অলৌকিকতা দেখানোর পর ওরা আমায় অবিশ্বাস করবে? পবিত্র ভূমির যে অধিকার আমি ইসরাইল জাতিকে দিয়েছি সেটা আমি কেড়ে নেব আর আমি তাদের থেকেও বড় আর শক্তিশালী জাতি সৃষ্টি করব।” [গণনাপুস্তক ১৪:১২]

    মূসা (আ) বললেন, “হে আমার পালনকর্তা, আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর ক্ষমতা রাখি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ও এ অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ করুন।” [কুরআন ৫:২৫]

    তখন আল্লাহ সকল ইসরাইলবাসীকে উদ্দেশ্যে বললেন, “এ দেশ চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের জন্যে হারাম করা হলো। তারা ভূপৃষ্ঠে উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরবে- ফিরবে।” [কুরআন ৫:২৬]

    যে দেশ মাত্র কয়েকশ কিলোমিটার দূরে ছিল, সেখানে তারা ৪০ বছরেও পৌঁছাতে পারবে না। দেখা গেল, পরের বছরগুলোতে সেই বারোজনের অবাধ্য দশজন কোনো না কোনো রোগে মারা যায়। বেঁচে থাকেন কেবল কালুত আর ইউশা।

    বনী ইসরাইল তখন ভয় পেয়ে গেল। সবাই এবার যাবার জন্য প্রস্তুত কেনান দেশে! যে দেশে যাবার জন্য এতক্ষণ সবাই অনিচ্ছুক ছিল, এখন তারাই দৌড়ে যাচ্ছে। কিন্তু মূসা (আ) গেলেন না। বসে রইলেন আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্টের কাছে। তিনি জানেন, তারা যেতে পারবে না।

    এগিয়ে যাওয়া সেই কাফেলার উপর আক্রমণ করে বসলো আমালেক আর কেনান জাতি। অতর্কিত আক্রমণে তারা পালিয়ে ফিরে আসা ছাড়া আর কিছুই করতে পারলো না। এরপর থেকে কাফেলা কেবল সীন মরুভূমিতে ঘুরপাক খেতেই থাকলো।

    এর মধ্যেও, এত কিছুর পরেও তারা কিন্তু মূসার (আ) বিরুদ্ধে বিদ্রোহ অব্যহতই রাখলো। এমনকি, লেবিগোত্রের কারুন নিজেকে নেতা বলে দাবি করে বসলো। সে তার দল নিয়ে এসে বললো, “মূসা আর হারুন, আপনারা কিন্তু খুব বাড়াবাড়ি করছেন। আপনাদের এমন কী বিশেষত্ব যে আপনারা নেতা থাকবেন?” মূসা (আ) বললেন, “না, তোমরাই বাড়াবাড়ি করছ। কাল সকালেই দেখা যাবে।” পরদিন আল্লাহ মূসাকে (আ) দিয়ে সবাইকে বললেন, “কারুন আর তার অনুসারীদের তাঁবু থেকে যেন সবাই সরে দাঁড়ায়…।”

    সবাই ভয় পেয়ে সরে গেল।

    এরপর মূসা (আ) সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “কারুন আর এরকম লোকদের যদি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়, বা অন্যান্য লোকের স্বাভাবিকভাবে যা হয় তা-ই হয়, তবে তোমরা ধরে নেবে, আমি আল্লাহর প্রেরিত না। আর মাবুদ যদি সম্পূর্ণ নতুন কিছু করেন, যদি মাটি তাদের গিলে ফেলে, তবে বুঝবে এরা অপরাধী।”

    মূসার (আ) এই কথা শেষ হবার সাথে সাথেই লোকগুলোর পায়ের নিচের মাটি দু’ভাগ হয়ে গেল। এবং সেই লোকগুলো মাটির ভেতর পড়ে গেল। এরপর মাটি আবার এক হয়ে গেল। সবাই ভয়ে বেশ কিছুদিন চুপ থাকলো।

    এর পরের বছরের প্রথম মাসে, কাফেলা সীন মরুভূমির কাদেশের কাছে গিয়ে পৌঁছাল। মূসার (আ) বোন মরিয়ম সেখানে মারা গেলেন। তাঁকে সেখানেই দাফন করা হলো। তার স্বামীই ছিলেন কালুত।

    এর পরপরই জনগণ আবার বিদ্রোহ করে বসলো মূসা (আ) আর হারুনের (আ) বিরুদ্ধে, কারণ তাদের পানির সংকট দেখা দিয়েছিল। আর এজন্য তারা মূসাকে (আ) দায়ী করছিল। কারণ, মূসা (আ) তাদের এই মরুতে এনে ফেলেছেন।

    আল্লাহ তখন মূসাকে (আ) যা করতে বললেন, সেই মোতাবেক মূসা (আ) এক বিরাট পাথরের কাছে গিয়ে তাঁর লাঠি দিয়ে জোরে দুবার আঘাত করলেন। সেখান থেকে প্রবল বেগে তখন পানি বেরিয়ে আসতে লাগলো। প্রাণ ভরে পান করলো ইহুদীরা, পশুগুলোকেও খাওয়ালো।

    কিছুদিন পর আল্লাহ মূসাকে (আ) বললেন, তিনি যেন তাঁর ভাই হারুন আর হারুনের ছেলে ইলিয়াসারকে নিয়ে হোর পর্বতে আরোহণ করেন। সাথে এটাও বললেন, তাঁর ভাই হারুন (আ) এর মারা যাবার সময় হয়েছে।

    তাই মূসা (আ), হারুন (আ) আর ইলিয়াসার গেলেন হোর পাহাড়ের চূড়োয়। সেখানে মূসা (আ) হারুনের (আ) গা থেকে খুলে নিলেন প্রধান ইমামের পোশাক, আর সেটা পরিয়ে দিলেন ইলিয়াসারের গায়ে। এখন থেকে সে-ই হবে প্রধান ইমাম।

    সেই পাহাড়ের চূড়াতেই মারা গেলেন হারুন (আ)। তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৩ বছর।

    তাঁর মারা যাবার পর ইসরাইল জাতি এক মাস ধরে শোক পালন করলো। কিন্তু তারা কি জানতো মূসা (আ) এরও যাবার সময় হয়ে গেছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Our Picks

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }