Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২ মিসরে যাবার আগে কেমন ছিল বনী ইসরাইল?

    বনী ইসরাইল জাতিকে হযরত মূসা (আ) মিসর থেকে মুক্ত করে নিয়ে গিয়েছিলেন— এটা ইহুদী, খ্রিস্টান ও মুসলিম সকলেই বিশ্বাস করেন, কিন্তু মিসরে স্থান পাবার আগের ঘটনা কী?

    হযরত ইব্রাহিম (আ)-এর এক পুত্র হযরত ইসমাইল (আ), আর আরেকজন ছিলেন হযরত ইসহাক (আ), যাকে ইংরেজিতে আইজ্যাক ডাকা হয়। ইহুদীদের বিশ্বাস, অর্থাৎ আদিপুস্তক (২৫) অনুযায়ী, হযরত ইসহাক (আ) এর বয়স যখন ৪০ বছর, তখন তিনি বিয়ে করেন রেবেকা নামের এক মেয়েকে।

    তিনি জমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন। একজনের নাম ‘ইসাও’ বা আরবে যাকে ‘ঈস’ বলে। আর অপরজন ছিলেন হযরত ইয়াকুব (আ) বা জ্যাকব।

    তাঁদের ঘটনাগুলো বর্ণনা করবার ক্ষেত্রে আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত হযরত ইবনে কাসির (র) রচিত আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইসলামের ইতিহাস: আদি-অন্ত) গ্রন্থকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছি। এছাড়াও, ইহুদীদের তৌরাতের আদিপুস্তক ও তাদের নীতিবাক্য ও তফসির গ্রন্থ মিদ্রাশও ব্যবহৃত হবে।

    এক্ষেত্রে ইহুদী কিতাবগুলোতে কিছু অদ্ভুত কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে, যা ইসলামি কিতাবগুলোতে পাওয়া যায় না। যেমন- বলা আছে, হযরত ইয়াকুব (আ) এর চেয়ে বড় সন্তান ঈসের প্রতি বাবা হযরত ইসহাক (আ) এর বেশি ভালোবাসা ছিল। কিন্তু রেবেকার একটি চালের কারণে হযরত ইয়াকুব (আ) বাবার আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে ওঠেন, কিন্তু ঈস হননি। এতে ঈস হযরত ইয়াকুবের (আ) প্ৰতি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ফলে মায়ের পরামর্শে হযরত ইয়াকুব (আ) পালিয়ে যান, গন্তব্য ‘হারান’।

    তবে এরপরের কাহিনীগুলো নিয়ে তেমন মতভেদ নেই। হযরত ইয়াকুব (আ) বীরশেবা থেকে বেরিয়ে হারান মরুর দিকে যাচ্ছিলেন। ঠিক যেমনটা আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছিল। এখানে তিনি সন্ধ্যার পর ঘুমালে স্বপ্ন দেখেন যে, পৃথিবী থেকে একটি সিঁড়ি উপরে উঠে গেছে। সেখানে আল্লাহর ফেরেশতারা ওঠা-নামা করছে। স্বপ্নে আল্লাহ তাঁকে জানালেন, যেখানে হযরত ইয়াকুব (আ) শুয়ে আছেন, সেই ভূমি তিনি তাঁকে দেবেন, এবং তাঁর বংশধরকে। তাঁর বংশধরেরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।

    স্বপ্ন দেখে তিনি জেগে উঠলেন। এই সিঁড়ির স্বপ্ন ‘জ্যাকব’স ল্যাডার ড্রিম নামে পরিচিত। এ স্বপ্নের মাধ্যমে তিনি পবিত্র ভূমির প্রতিশ্রুতি পান। আর ইহুদী ও খ্রিস্টানরা হলো হযরত ইয়াকুব (আ) এর বংশধর।

    ‘লুজ’ নামের সেই জায়গার নাম তিনি ‘বেথেল’ (‘বাইতুল্লাহ’) রাখলেন। ইবনে কাসিরের ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ গ্রন্থে আছে, তিনি ওয়াদা করলেন যে, ভবিষ্যতে তিনি যদি নিরাপদে পরিবারের কাছে ফেরত যেতে পারেন তবে শুকরিয়া স্বরূপ ঠিক এ জায়গায় আল্লাহর জন্য একটি ইবাদতখানা নির্মাণ করবেন। পাথরের উপর বিশেষ তেল দিয়ে তিনি জায়গাটা চিহ্নিত করেও রাখলেন।

    এরপর হযরত ইয়াকুব (আ) আবার রওনা দিলেন। পূর্বদিকের এক অঞ্চলে এসে তিনি মানুষকে জিজ্ঞেস করলেন জায়গাটার নাম। তারা উত্তর দিল, এ জায়গার নাম ‘হারান’। অর্থাৎ তিনি ঠিক জায়গায় এসে পৌঁছিয়েছেন।

    তখন ইয়াকুব (আ) জিজ্ঞেস করলেন, “আপনারা কি লাবানকে চেনেন?” আসলে তিনি তাঁর মামা লাবানের কাছেই এসেছিলেন, তাঁর মা তাঁকে বলেছিলেন সেভাবেই!

    তারা বলল, “জ্বি, চিনি। তিনি ভালোই আছেন। ঐ যে দেখুন, তাঁর মেয়ে রাহেলা ভেড়ার পাল নিয়ে আসছেন।”

    দেখা গেলো, রাহেলা (হিব্রু 1২, ইংরেজি Rachel) তাঁর বাবার ভেড়াগুলো নিয়ে সেখানে আসছেন; তাঁকে আসতে দেখে ইয়াকুব (আ) দ্রুত এগিয়ে কুয়ার মুখ থেকে পাথর সরিয়ে দিয়ে ভেড়াগুলোকে পানি খাওয়ালেন। এরপরই তিনি রাহেলাকে সব খুলে বললেন, যা যা হয়েছে।

    রাহেলা দৌড়ে গিয়ে বাবা লাবানকে ডেকে আনলেন। লাবান এসে বরণ করলেন হযরত ইয়াকুব (আ)-কে, তাঁকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে গেলেন বাড়িতে। মাসখানেক সেখানেই কাটালেন হযরত ইয়াকুব (আ)। সময়টায় লাবানের নানা কাজকর্ম করে দিতে লাগলেন তিনি।

    তখন লাবান বললেন, “তুমি আমার আত্মীয় দেখে কি বিনা বেতনে খেটে যাবে? বলো, তোমাকে কী দিতে পারি?”

    উত্তরে ইয়াকুব (আ) জানালেন, “আমি আপনার ছোট মেয়ে রাহেলার জন্য সাত বছর আপনার কাজ করব।” অর্থাৎ তিনি রাহেলাকে বিয়ে করতে চান। উল্লেখ্য, রাহেলার বড় বোন ছিলেন ‘লিয়া’ (হিব্রু 78২, ইংরেজি Leah)।

    সাত বছর ইয়াকুব (আ) কাজ করবার পর তাঁর মামা লাবান একটি ভোজের আয়োজন করলেন। এবং ভোজ শেষে মেয়েকে নিয়ে এলেন ইয়াকুব (আ)-এর কাছে। কিন্তু কী আশ্চর্য, মেয়েটি রাহেলা ছিল না, ছিল লিয়া। ইয়াকুব (আ) অবাক হয়ে বললেন, “আপনি আমার সাথে এটা কেমন ব্যবহার করলেন? ঠকালেন আমাকে?”

    লাবান জানালেন, “আমাদের দেশের নিয়মানুযায়ী বড় মেয়ের আগে ছোট মেয়ের বিয়ে দেয়া যায় না। তুমি এ বিয়েটা করে ফেলো। এরপর আরো সাত বছর আমার জন্য কাজ করবে পরে, তাহলে আমার অন্য মেয়েটিও আগামী সপ্তাহে হবে তোমার।”

    হযরত ইয়াকুব (আ) মেনে নিলেন কথাটা। সেই সপ্তাহ শেষে রাহেলাও তাঁর স্ত্রী হলেন। তিনি আরো সাত বছর কাজ করলেন লাবানের অধীনে। ইব্রাহিমি শরীয়ত অনুযায়ী, দু’বোনকে বিয়ে করাতে সমস্যা ছিল না।

    লিয়া সহজেই গর্ভবতী হলেও রাহেলা বহু দিন পর্যন্ত ছিলেন নিঃসন্তান। হযরত ইয়াকুব (আ) এর ১২ পুত্র হয়েছিল, এর মাঝে শেষ দুজন কেবল রাহেলার গর্ভে। তারা ছিলেন হযরত ইউসুফ (আ) (Joseph) এবং বেনইয়ামিন (Benjamin)। বেনইয়ামিনের জন্ম দিতে গিয়ে রাহেলা মারা যান।

    তাঁর বাকি ১০ পুত্র ছিল রূবেন (Reuben ), শিমিয়োন (Simeon), লেবি (Levi), এহুদাহ (Judah), ইসাখার (Issachar ), সবুলুন (Zebulun), দান (Dan), নপ্তালি (Naphtali), গাদ (Gad) এবং আশের (Asher)। তাঁর একমাত্র কন্যা ছিলেন দিনাহ (Dinah)।

    ২০ বছর মামার ভেড়া চরাবার পর তিনি দেশে ফেরত যেতে চাইলেন। মামা সেই অনুমতি দিলেন। জমজ ভাই ঈসের সাথে সম্পর্ক ভালো করবার জন্য হযরত ইয়াকুব (আ) ইদোম দেশে লোক পাঠালেন। লোক পাঠাবার পর নিজেও একই রাস্তায় রওয়ানা দিলেন। পথিমধ্যে এক জায়গায় তাঁর দেখা হলো ফেরেশতাদের সাথে। ইয়াকুব (আ) এর দূতেরা ফিরে এসে জানালো, “আপনার ভাই ঈস তো ৪০০ লোক নিয়ে আপনার সাথে দেখা করতে আসছেন।” এ কথা শুনে ইয়াকুব (আ) ভাবলেন, ঈস বুঝি তাদের আক্রমণ করতে আসছেন। তিনি ঘাবড়ে গেলেন।

    তিনি তখন তাঁর বিশাল দলটিকে দু’ভাগে ভাগ করলেন। ভাবলেন, একটা দলের সাথে ঈসের দেখা হলে যদি আক্রমণ করে, তবে অন্য দলটি পালিয়ে যেতে পারবে। এটা করবার পর তিনি তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কাফেলা ওখানেই থামালেন। সিদ্ধান্ত নিলেন, ঈসের জন্য তিনি অনেক উপহার দেবেন- দুশো ছাগী, বিশটি ছাগল, দুশো ভেড়ী, বিশটি ভেড়া, ত্রিশটি দুধেল উটনী, চল্লিশটি গাভী, দশটি ষাঁড়, বিশটি গাধী ও দশটি গাধা। উপহারগুলো তিনি আগে আগে পাঠিয়ে দিলেন। কিন্তু তিনি রাতটা ওখানেই কাটালেন।

    ঠিক এ জায়গায় এসে ইসরাইলি বর্ণনায় একটি ঘটনা উল্লেখ আছে। রাতেই যব্বোক নামের এক নদী পেরিয়ে অন্য পাড়ে স্ত্রী-সন্তানদের রেখে আসলেন ইয়াকুব (আ), সাথে আর যা কিছু আছে। তখন কোথা থেকে যেন এক লোক এলো এবং একা হযরত ইয়াকুব (আ) এর সাথে লড়াই শুরু করল। দুজনে ভোরের আলো ফোটা পর্যন্ত কুস্তি করলেন। লোকটি খেয়াল করলো, সে ইয়াকুব (আ)-কে হারাতে পারছে না। তখন সে সজোরে ইয়াকুব (আ) এর রানের জোড়ায় আঘাত করল, এতে তাঁর রানের হাড় সরে গেল। এরপর সে বলল,

    “ভোর হয়ে আসছে, এবার আমাকে ছাড়ো। তোমার নাম কী?”

    “আমার নাম ইয়াকুব।”

    ইহুদী বর্ণনা (আদি পুস্তক ৩২:২৮) অনুযায়ী, এ পর্যায়ে লোকটি তাঁকে জানালো, এখন থেকে ইয়াকুব (আ) এর নাম হবে ইসরাইল। ইহুদী ও খ্রিস্টান মতবাদে এ শব্দের অর্থ ‘যিনি ঈশ্বরের সাথে যুদ্ধ করেন’, কিন্তু অর্থটি বেশ অসঙ্গতিপূর্ণ। সত্যি বলতে, হিব্রু ইসরাইল শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘আল্লাহর জয় হয়’ (El prevails), আর ভাবার্থ দাঁড়ায় ‘ঈশ্বরের পথে সংগ্রামে জড়িত কেউ। হিব্রু ভাষায় ‘ইসরাইল’ কথাটির উচ্চারণ অনেকটা এরকম- ‘য়িস্রাএল’ (২৪৭”)। এই নামটি ৩টি অংশে গঠিত। ‘য়ি’, ‘স্রা’ এবং ‘এল’। ‘য়ি’ একটি পূর্বপদ বা prefix, যা দ্বারা পুরুষবাচক শব্দ বোঝায়। ‘স্রা’ শব্দটি এসেছে সেমিটিক ধাতু ‘স্রাঈ’ থেকে, যার মানে হচ্ছে সংগ্রাম করা (strive/ struggle)। আর ‘এল’ শব্দটি ইলাহ বা আল্লাহকে বুঝিয়ে থাকে। অদ্ভুত ব্যাপার, বাইবেলের বুক অফ জেনেসিসে প্রাথমিকভাবে ইয়াকুব (আ) স্বয়ং ঈশ্বরের সাথে মল্লযুদ্ধ করেছিলেন এমন আপাত ধারণা দিলেও, পরবর্তীতে বাইবেলেই পুস্তকেই পরিষ্কার করে দেয়া হয়, “সে [ইয়াকুব] ঈশ্বরের দূতের সঙ্গে লড়াই করেছিল এবং জিতেছিল।” (হোশেয় ১২:৪)

    ইয়াকুব (আ) লোকটির নাম জিজ্ঞেস করলেন। কিন্তু নাম না বলেই লোকটি উধাও হয়ে গেলো। তখন ইয়াকুব (আ) বুঝতে পারলেন, লোকটি ফেরেশতা ছিল। কিন্তু এই মল্লযুদ্ধের সাথে ইসরাইল নামের সম্পর্ক কী সে বিষয়ে ইসলামি ব্যাখ্যাগ্রন্থে কোনো বর্ণনা নেই। হযরত ইবনে কাসির (র) এ ঘটনা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন, তবে ব্যাখ্যা করেননি।

    ইহুদীরা এই ঘটনা স্মরণ করে কোনো প্রাণীর রানের জোড়ার উপরকার গোশত খায় না, এটা তাদের জন্য হারাম। এ ঘটনার পর হযরত ইয়াকুব (আ) খোঁড়া হয়ে যান।

    তবে ইয়াকুব (আ) যে ভয়টা পাচ্ছিলেন, সেটি মিথ্যে ছিল। ঈস পরদিন যখন এলেন, তখন দু’ভাইয়ের মিলন সুখেরই ছিল। ঈস হযরত ইয়াকুব (আ) এর স্ত্রী-পুত্রদের দেখে খুশি হয়েছিলেন। ইয়াকুব (আ) এর শত অনুরোধে ঈস উপহারগুলো গ্রহণ করেন।

    এরপর তিনি শাখীম এলাকার উরশালিম নামের এক গ্রামে পৌঁছান। সেখানে শাখীম ইবনে জামুরের এক টুকরো জমি তিনি ১০০ ভেড়ার বিনিময়ে কিনে নেন ও সেখানে তিনি একটি কোরবানগাহ নির্মাণ করেন। সেটির নাম তিনি রাখেন ‘এল ইলাহী ইসরাইল’ (ইসরাইলের মাবুদই আল্লাহ)। ইবনে কাসির (র) তাঁর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া কিতাবে লেখেন, এ কোরবানগাহ নির্মাণের আদেশ আল্লাহ দিয়েছিলেন হযরত ইয়াকুব (আ)-কে। এটিই আজকের বাইতুল মুকাদ্দাস। এটা সে জায়গা ছিল যেখানে তিনি তেল দিয়ে চিহ্নিত করে রেখেছিলেন, এবং নিজে ওয়াদা করেছিলেন।

    ইসরাইল (আ) ঠিকঠাক স্বদেশে ফিরে এসেছিলেন। তাঁর ১২ পুত্রের বংশ পরবর্তীতে ইসরাইলের ১২ গোত্র অর্থাৎ বনী ইসরাইল নামে পরিচিত হয়। আগেই বলা হয়েছে, তাঁর স্ত্রী রাহেলার সন্তান হচ্ছিল না, আল্লাহর কাছে অনেক প্রার্থনার পর তাঁর অসম্ভব ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয়। তাঁর নাম রাখা হয় ‘ইউসুফ’।

    এই সুপুরুষ হযরত ইউসুফ (আ) শেষ পর্যন্ত অধিষ্ঠিত হন মিসররাজের এক উজির হিসেবে! সে এক অসাধারণ কাহিনী! কিন্তু সেই কাহিনীর পাশেও আরেকটি ব্যাপার আমরা খেয়াল করব পরবর্তী পর্বে, আর সেটি হচ্ছে, যেহেতু হযরত ইউসুফ (আ) ধর্মীয় ইতিহাস অনুযায়ী প্রাচীন মিসরের প্রশাসনিক পদ পেয়েছিলেন, তাহলে কি প্রাচীন মিসরের হায়ারোগ্লিফিক হোক আর প্যাপিরাসের লেখনিই হোক— যেকোনো জায়গায় কি আমরা তাঁকে খুঁজে পাবো না মিশরের ইতিহাসের পাতায়? কারো সাথে কি খাপে খাপে মিলে যায় এ ঘটনাগুলো?

    কিছু সাধারণ প্রশ্ন যেগুলো মাথায় আসতে পারে, সেগুলো প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা যাক।

    প্রশ্ন: ইসরাইলিদের সাথে পৌত্তলিক বা প্যাগানদের সম্পর্ক কী?

    উত্তর: লাতিন শব্দ paganus থেকে প্যাগান শব্দ এসেছে। মূলত প্যাগান বলতে তাদেরকেই বোঝায় যারা বহু দেব-দেবীর পূজা করত বা করে। সেটা মূর্তিপূজা হতেও পারে, না-ও পারে। মূর্তিপূজা এর অন্তর্গত। বনী ইসরাইলিরা একেশ্বরবাদী ছিল। সত্যি বলতে, খ্রিস্টানদের থেকে ইহুদীদের সাথেই বরং ঐশ্বরিক ধারণায় মুসলিমদের বেশি মিল। ইসরায়েলিরা মরুভূমিতে যাযাবর সময় কাটাবার সময় অনেক সময়ই নানা প্যাগান সম্প্রদায়ের সংস্পর্শে এসেছে, পূজাও করেছে পথভ্রষ্ট হয়ে। বাইবেল ও কুরআনে সামেরির গোবাছুরের ঘটনা যেমন এসেছে, আবার দেবতা বা’আল এর কথাও এসেছে। এমনকি এ অধ্যায়ে উল্লেখিত যে লাবানের কথা বলা হলো, তিনি নিজেও প্যাগান বা পৌত্তলিক ছিলেন। ইহুদী কিতাবে এ ব্যাপারে বিবরণ পাওয়া যায়। দশাদেশ অবতরণের সময় এই ‘শিরক’ বা ‘ঈশ্বরের সাথে অংশীদার করা’-কে হারাম করা হয়েছিল।

    প্রশ্নঃ কানান থেকে ইসমাইল (আ) কীভাবে এত দূর পথ পাড়ি দিয়ে মক্কায় এলেন, যিনি মুসলিম জাতির পিতা?

    উত্তর: আসলে, হযরত ইব্রাহিম (আ) এসেছিলেন। হ্যাঁ, হযরত ইসমাইল (আ) এবং হাজেরাকে নিয়ে আসেন। উত্তরের খাতিরে আমরা কানান ( Canaan) বলতে হযরত ইব্রাহিম (আ) এর সমাধি যেখানে সেই হেব্রনকে ধরে নিই। তবে আমরা দেখতে পাই, হেব্রন থেকে মক্কার দূরত্ব ১,২২২ কিলোমিটার। অনেক দূর বটে, কিন্তু পার হওয়া যাবে না এমন নয়। আগেকার দিনেই এই দূরত্ব উটের পিঠে হরহামেশাই পার হওয়া হতো। ব্যবসার খাতিরে অনেক জায়গাতেই যাওয়া হতো। তাহলে হযরত ইব্রাহিম (আ) এর সময়ও একই জিনিস করা সম্ভবপর ছিল। অবশ্য, ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন যে, ইব্রাহিম (আ) অলৌকিক দ্রুতগতিসম্পন্ন জীব বুরাকে করে প্রতি বছর মক্কায় হজ্ব করতেন। (আখবারুল মাক্কাহ’- আযরাকী, রেওয়ায়েত ৭৯)

    প্রশ্নঃ হযরত ইসমাইল (আ) কি হযরত ইব্রাহিম (আ)-এর দাসী বা অপ্রধান স্ত্রীর সন্তান ছিলেন? ইহুদী ধর্মে অপ্রধান সন্তান কি উত্তরাধিকার হতে পারে?

    উত্তর: ইহুদী তাফসিরগ্রন্থ মিদ্রাশ ঘেঁটে আমরা পাই, হাজেরা ছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আ) এর দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি ছিলেন মিসরের রাজকুমারী, অর্থাৎ মিসররাজের কন্যা। ইহুদীদের মিদ্রাশ জানায়, হযরত ইব্রাহিম (আ) এর স্ত্রী সারার প্রতি মিসররাজ লোলুপ দৃষ্টি দেন, এবং কেড়ে নেন হযরত ইব্রাহিমের (আ) থেকে। কিন্তু সারার প্রার্থনা-পরবর্তী মুজেজা বা অলৌকিক কাণ্ডের ফলস্বরুপ সারা যখন মুক্তি পেয়ে যান সেটি হাজেরা জানতে পারেন। পরে হাজেরা মন্তব্য করেন, রাজকুমারী থাকার চাইতে সারার আবাসে দাসী হয়ে থাকাও শ্রেয়। কিন্তু যখন সারা গর্ভবতী হচ্ছিলেন না, তখন তিনি হযরত ইব্রাহিম (আ)-কে অনুরোধ করেন যেন তিনি হাজেরাকে বিয়ে করেন, এতে অন্তত সন্তান হতে পারে। হয়েছিল বটে। হযরত ইসমাইল (আ) জন্ম নেন হাজেরার গর্ভে। তাই অপ্রধান স্ত্রী বলবার অবকাশ এখানে থাকে না। তবে হ্যাঁ, ইহুদীরা বলে, হাজেরা যেহেতু আগে দাসী ছিল, তাই তার বুঝি মর্যাদা কম। কিন্তু স্ত্রী হয়ে যাওয়াতে সেই প্রশ্ন আর থাকছে না। উত্তরাধিকারও একই রকম। এছাড়া অন্য বর্ণনাতে আছে, হাজেরা ছিলেন সালিহ (আ) এর বংশধর এবং মাগ্রেবের রাজার কন্যা। ফারাও যুলার্শ তাঁকে পরাজিত করবার পর হাজেরা মিশরের রাজপ্রাসাদে দাসী হয়ে পড়েন। তবে তাঁর রাজকীয় রক্ত থাকায় তাঁকে দাসীদের প্রধান করা হয়। ফারাও যখন ইব্রাহিমের (আ) ধর্ম সত্য বলে মেনে নেন, তখন তিনি হাজেরাকে উপহার হিসেবে দেন সারাকে। সারা হাজেরার মালিকানা ইব্রাহিম (আ)-কে দিয়ে দেন। এছাড়া এমন বর্ণনাও আছে, হাজেরার পিতাই তাঁকে ইব্রাহিমের সাথে বিয়ে দেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }