Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২৩ লেজেন্ডস অফ সলোমন

    একটু আগে যে জ্বিন জাতির রাজা আসমোদিয়াসের কথা বলো হলো, তাকে নিয়েও রয়েছে নানা কাহিনী। ইহুদী কাব্বালাহ অনুযায়ী, ঘুমন্ত কিং ডেভিডের অজ্ঞাতসারেই তার সাথে জ্বিনদের রানী আগ্রাত-বাত-মাহলাতের সঙ্গমের কারণে আগ্রাত গর্ভবতী হয় এবং জন্ম দেয় জ্বিনদের পরবর্তী রাজা আসমোদিয়াসের। সুলাইমান (আ) এর সাথে তার ছিল প্রচণ্ড শত্রুতা।

    যে কাহিনী এখন বর্ণনা করব সেটি ইবনে কাসির আর তাবারিতে বর্ণনার পাশাপাশি ইসরায়েলের লোককাহিনীতেও আছে। ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে কুরআনের এই আয়াতটা চলে আসে ইবনে কাসিরে-

    “আমি সুলায়মানকে পরীক্ষা করলাম এবং রেখে দিলাম তার সিংহাসনের উপর একটি দেহ। অতঃপর সে অনুতপ্ত হলো।”

    (“And We did try Solomon: We placed a body on his throne; then he repented”) [কুরআন ৩৮:৩৪]

    কেন সুলাইমানকে পরীক্ষা করা হয়েছিল বলা হয়েছে? কী কারণে শাস্তি দেয়ার কথা আসলো? তার সিংহাসনে কী ছিল? সব শেষে সলোমন প্রায়শ্চিত্ত করেছিলেন কীসের জন্য?

    সুলাইমানের (আ) তখন প্রচুর নামডাক। তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তৃত হয়ে চলেছে। প্রবল প্রতাপ তাঁর।

    তিনি বাইতুল মুকাদ্দাস নির্মাণের কাজও শুরু করে দিয়েছেন। টেম্পল অফ সলোমন। অনেক মানুষ আর জ্বিন তিনি এ কাজে নিয়োগ দেন। সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো তিনি রেখে দেন অবাধ্য এবং খারাপ জ্বিনদের জন্য। তারা কথা শুনতে চাইতো না, তাই তাদেরকে তার আংটির জোরে কাজে করাতেন। সুলাইমানের প্রতি তাই সেই জ্বিনদের ভয়াবহ আক্রোশ ছিল।

    এরকম সময় তাঁর কাছে খবর এলো সমুদ্র তীরের এক রাজ্যের, নাম তার সিদোন (Sidon)। খুব শক্তিশালী রাজা সেখানে শাসন করত। তার বিরুদ্ধে কেউ যুদ্ধে জিততে পারত না, কারণ, তার আশপাশে সমুদ্র ছিল, এটি ছিল বড় একটা শক্তি।

    সুলাইমানের বিশাল উড়ন্ত কাঠের যান থাকার কারণে তাঁর কাছে সমুদ্র পার হওয়া কোনো ব্যাপারই ছিল না। তিনি বিশাল বাহিনী প্রস্তুত করে রওনা দিলেন।

    সিদোন নগরীতে অবতরণ করার পর যুদ্ধ শুরু হলো। যুদ্ধে সেই প্রতাপশালী রাজা মারা যায়।

    সেই রাজার এক মেয়ে ছিল, রাজকন্যা জারাদা। বলা হতো, জারাদা ছিল সেই সময়ের বিশ্বের সেরা সুন্দরী। জারাদা ইসরাইলের ধর্মবিশ্বাস গ্রহণ করল। তখন মানুষ বিশ্বাস করত, যে জাতি অন্য জাতিকে পরাজিত করবে, সেই বিজয়ী জাতির দেবতা সঙ্গত কারণেই বিজিত জাতির দেবতার চাইতে শক্তিশালী। সুলাইমান (আ) জারাদাকে বিয়ে করলেন।

    রানীর হালে থাকা সত্ত্বেও জারাদা প্রচুর কাঁদত তার মৃত বাবার জন্য। উপকথা বলছে, সুলাইমান তখন স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেবার জন্য তাঁর অনুগত জ্বিনদের আদেশ করলেন জারাদার বাবার একটি নিখুঁত মূর্তি বানিয়ে দিতে। তারা তা-ই করল। এতে জারাদা বেশ খুশি হলো!

    কিন্তু সুলাইমান (আ) যেটা জানলেন না সেটা হলো, জারাদা আর তার সহচারীরা (ঐ রাজ্য থেকে আনা দাসীরা) প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় সেই মূর্তির সামনে গিয়ে পূজা করে আসত। এটা সিদোন রাজ্যের রীতি ছিল- পূর্বপুরুষের পূজা করা, তাদের মাধ্যমে দেবতাদের খুশি করা ইত্যাদি। অথচ, জারাদা ইসরাইলি ধর্ম গ্রহণ করেছিল।

    সুলাইমানের উজির আসাফের কানে এ খবর পৌঁছাল এবং তিনি সেটা সুলাইমানকে (আ) বলে দিলেন। সুলাইমান (আ) সেটা শুনে রেগে গেলেন। তাঁর রাজ্যে, তাঁর নিজের প্রাসাদে, নিজের স্ত্রী মূর্তিপূজা করছে!

    তিনি শাস্তি দিলেন তাকে, এবং সেই মূর্তিটি ধ্বংস করে দিলেন।

    কিন্তু তাঁর কাজের ফলেই এই মূর্তিপূজা সংঘটিত হয়েছিল দেখে আল্লাহ নাখোশ হন। (বাইবেলে এ ঘটনাতেই সম্ভবত সুলাইমানকেও সেই মূর্তির উপাসক আখ্যায়িত করা হয়)

    ক’দিন পরে, সুলাইমান (আ) তাঁর সিংহাসন-কক্ষ থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে প্রাকৃতিক কাজ সারতে গেলেন। যাবার আগে তিনি হাত থেকে আংটিটা খুলে তাঁর স্ত্রী জারাদাকে দিয়ে গেলেন (মতান্তরে আমিনাহ)। তিনি যেকোনো রকম অপবিত্রতার কাজ আসলেই আংটি খুলে রাখতেন এবং স্ত্রীকে দিয়ে যেতেন।

    সুলাইমান (আ) চলে যেতেই অবাধ্য যে জ্বিনদের কথা বলা হলো একটু আগে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি

    সবচেয়ে বেশি আক্রোশ ছিল জ্বিনদের রাজা আসমোদিয়াসের, যাকে সুলাইমান আংটির বশে জোর করে বশীভূত করে রেখেছেন। আরবি তাফসিরে তার নাম পাওয়া যায় ‘সাখার’ নামে, তাই তাকে এ কাহিনীতে সাখার নামেই উল্লেখ করা হচ্ছে। সাখার সুলাইমানের (আ) বেশ ধরে চলে আসলো জারাদার কাছে। এসে বলল, “আংটিটা দাও।” স্ত্রী দিয়ে দিল।

    এবং আংটি নিয়ে চলে গেল সাখার।

    আসল সুলাইমান (আ) যখন ফিরে এলেন, বললেন, “আংটিটা দাও।” তখন স্ত্রী অবাক হয়ে বলল, “আপনি কে?”

    “মানে কী? আমি সুলাইমান।”

    “মিথ্যে বলছেন আপনি! একটু আগেই সুলাইমান (আ) এসে আংটি নিয়ে গেছেন। তিনি সিংহাসনে বসে আছেন।”

    সুলাইমানের (আ) মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁকে শাস্তি পেতে হচ্ছে। প্রহরীরা তাকে ধরার আগেই তিনি প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    কিছুতেই তিনি কাউকে বোঝাতে পারছিলেন না, তিনিই আসল সুলাইমান। লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বা রাস্তায় যাকে পাচ্ছেন তাকেই বলছেন, “আমি সুলাইমান! দাউদের ছেলে! তোমাদের রাজা!”

    আর লোকে তাকে মারতে লাগল, উপরে ময়লা ছুড়ে দিতে লাগলো। কারণ, সে নিজেকে রাজা সুলাইমান দাবি করছে। পাগল লোক!

    সুলাইমানের (আ) চেহারাই পুরো পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। সম্পূর্ণ অন্য এক মানুষ।

    ক্ষুধার তাড়নায় ক্লান্ত সুলাইমান (আ) নদীর তীরে পৌঁছালেন, গিয়ে জেলেদের বললেন, তাঁকে মাছ দিতে। “আমি তোমাদের রাজা সুলাইমান, কসম করে বলছি!”

    এক জেলে তখন তাকে পেটাতে শুরু করল। রক্ত বের করে ফেলল মাথা থেকে।

    রক্তাক্ত সুলাইমানকে (আ) রেখে সেই জেলে চলে গেল। তিনি নদীর পানি দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করতে লাগলেন।

    অন্য জেলেরা তখন মার দিয়ে ফেরত আসা জেলেকে ধরল, “কী এমন অপরাধ করেছিল লোকটা যে এত পেটাতে হবে তোমার? সামান্য মাছই তো চেয়েছিল!”

    “সেজন্য ওকে মারিনি। সে বলছিল, সে নাকি রাজা সুলাইমান। আমাদের রাজার নামে মিথ্যে বলছিল!”

    এরপর আর বাকিদের কোনো কথা নেই মুখে, যেন মারাটাই ঠিক হয়েছে।

    সুলাইমান (আ) এরপর থেকে খেটে খেতে লাগলেন। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি জেলেদের মাছগুলো বাজার পর্যন্ত বয়ে নিয়ে যেতেন। সন্ধ্যা হলে পরে লোকেরা তাকে পারিশ্রমিক হিসেবে দুটো মাছ দিত। তিনি একটা বিক্রি করে সেটা দিয়ে রুটি কিনতেন। আর অন্যটা আগুনে পুড়িয়ে খেতেন সেই রুটি দিয়ে।

    এভাবে দিনের পর দিন কেটে যেতে লাগল।

    ওদিকে, শয়তান সুলাইমানের (আ) রূপ ধরে বসে ছিল সিংহাসনে, রাজ্যচালনা করছিল। কিন্তু লোকে বিস্ময়ের সাথে খেয়াল করল, তার বিচারগুলো আর আগের মতো নেই! আগে যেখানে মানুষ তার প্রশংসা করত ন্যায়বিচারের কারণে, সেখানে এখন প্রায়ই ভুল করেন তিনি।

    উজির আসাফ চিন্তিত হয়ে উঠলেন। তিনি লোকদের বললেন, “তোমরা কি দাউদের ছেলের বিচারগুলো দেখেছো? তোমাদের কি মনে হয়েছে তিনি ভুল করছেন?”

    “জি, উজির।”

    “আমাকে কিছু সময় দাও। অন্দরমহলে আমি খোঁজ নেই। বাইরের সলোমনের মতো অন্দরমহলের সলোমনেরও একই অবস্থা কি না সেটা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।”

    তিনি সুলাইমানের স্ত্রীদের কাছে গেলেন। জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা কি সুলাইমানের আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখেছো? কোনো ভুল করছেন তিনি? সত্যি করে বলবে!”

    সত্যি, আমাদের সন্দেহ হয়েছে। তার মাথা গেলো কী না।” এরপর তারা সুলাইমানের অসদাচরণগুলো বললেন। তারা এখন সুলাইমান থেকে দূরে থাকেন। এ কথা শুনে আসাফ বললেন, “নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছি, আল্লাহর কাছেই ফিরে যাবো… বোঝাই যাচ্ছে, একটা স্পষ্ট পরীক্ষার মধ্যে পড়েছি আমরা।”

    তিনি ফিরে এসে লোকদের বললেন, “তিনি অন্দরে যা করতে চান সেটা বাইরের থেকেও খারাপ।”

    তখন আসাফ পরিকল্পনা করতে লাগলেন। কী করা যায়। এ অবশ্যই সুলাইমান না। তার আরেকটা প্রমাণ হচ্ছে, যেখানে দরবারে প্রতিদিন তাওরাত আর যাবুর তিলাওয়াত করা হতো, এখন সেখানে সুলাইমান নিজে থেকে বলছেন এগুলো থাক!

    ওদিকে সাখার বুঝতে পারল, লোকে সন্দেহ করা শুরু করে দিয়েছে। সে তখন শেষ কামড়টা বসাতে চাইলো। তার জানা যত কালো জাদু ছিল, সবগুলো কিছু বইয়ে লিখিয়ে নিল, এরপর সেটা সিংহাসনের নিচে লুকিয়ে রাখল। কোনো কোনো বর্ণনা অনুযায়ী, আগে থেকেই অনেক কালো জাদুর বই জব্দ করে সুলাইমান (আ) সেগুলো সেখানে রেখেছিলেন, যেন কারো হাতে না পড়ে সেগুলো। এগুলোর সাথে যোগ হলো সাখারের বইগুলো। বইগুলার ওপরে লেখকের নাম হিসেবে লেখা হয়েছিল ‘আসিফ বারখিয়া’।

    একদিন আসাফ জোর করে দরবারে তাওরাত তিলাওয়াত শুরু করালেন। ‘সুলাইমান’ নিষেধ করা সত্ত্বেও। এতে শয়তানের অস্বস্তি শুরু হয়ে গেল। একটা পর্যায়ে সে আর স্থির থাকতে পারল না, প্রকাশ করে ফেলল যে সে সুলাইমান না প্রকৃতপক্ষে।

    সে বুঝতে পারল এখন তাকে পালিয়ে যেতে হবে। যাবার আগে সে একটা কাজ করে বসলো, বলল, “তোমরা জানো না তোমাদের সুলাইমান কীসের জোরে রাজ্য শাসন করতেন। সব কালো জাদু। কুফরির জোরে। তোমাদের রাজা এত কিছু করেছেন সব এই কুফরির বলে! চিন্তা করো কার শাসনে আছো তোমরা।”

    এই বলে সে উড়ে চলে গেল। কিন্তু তার হাতে আর সেই আংটিটা বসছিলই না। কোনো এক অদৃশ্য ক্ষমতাবলে হাত থেকে খুলে গেল আংটিটা। সেটা উপর থেকে এসে পড়লো সাগরে, যেখানে একটা মাছ সেটা খেয়ে ফেলল। আংটির পরোয়া না করে পালিয়ে গেল সাখার বা আসমোদিয়াস।

    অন্যান্য দিনের মতোই সুলাইমান (আ) সেদিন কাজ করছিলেন সকাল- সন্ধ্যা। অবশেষে মজুরি পেলেন দুটো মাছ। জেলেপাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। একটা মাছ বিক্রি করে রুটি নিয়ে এসেছেন, আর এখন অন্য মাছটা কাটলেন। কাটতেই সেটা থেকে বেরিয়ে এল সেই আংটিটা। সেই জায়গাটার নাম ছিল ‘আসকালান’।

    তিনি আংটিটা পরে নিলেন। সাথে সাথে আল্লাহ তার চেহারা ঠিক করে দিলেন। পাখিরা সব তার আশপাশে এসে কিচিরমিচির শুরু করল। লোকজন তখন চিনে ফেলল তাঁকে। সবাই তাঁর সামনে এসে জড়ো হলো। এমনকি তাঁকে যে পিটিয়েছিল সে-ও, এসে ক্ষমা চাইলো সে।

    তিনি বললেন, “তুমি ক্ষমা চাইছো দেখে আমি তোমার প্রশংসা করব না। তবে তুমি আমাকে মেরেছো দেখে আমি তোমার দোষও দেব না। যা হবার কথা ছিল তা-ই হয়েছে।” পুরোটাই একটা পরীক্ষা ছিল।

    তিনি সম্পূর্ণ পায়ে হেঁটে নিজ প্রাসাদে ফিরলেন।

    ইবনে আব্বাস (রা) এর বর্ণনা মতে, তাঁকে চল্লিশ দিন পর্যন্ত এভাবে কষ্ট করতে হয়েছিল, কড়ায় গণ্ডায় ঠিক যতদিন তাঁর স্ত্রী প্রাসাদে মূর্তিপূজা করেছিল আগে।

    ওদিকে শয়তান সাখার পালিয়ে গিয়ে সবার আগে যে কাজটা করল, ছড়িয়ে দিল এ কথাটা যে, সুলাইমানের (আ) সিংহাসনের নিচে কী সব জিনিস আছে, সুলাইমান কালু জাদু করেন ইত্যাদি।

    সুলাইমান (আ) প্রাসাদে ফিরে তার জিনবাহিনীকে আদেশ করলেন সাখারকে খুঁজে বের করতে। যথাসময়ে তাকে খুঁজে এনে তাঁর সামনে উপস্থিত করা হলো। একটা বিশাল পাথরে ছিদ্র করে ভেতরে জায়গা করলেন তিনি, এরপর তাকে বাধ্য করলেন ভেতরে ঢুকতে আংটির জোরে। এরপর সেই ছিদ্র লাগিয়ে দিলেন। এর উপর কয়েক স্তর সীসা আর লোহার আস্তরণ করে দিলেন। এরপর সেটাকে গভীর সমুদ্রে নিক্ষেপ করলেন।

    কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, কেবল একটা লোহার সিন্দুকে নিজে আংটি দিয়ে সীলগালা করে তাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হয়।

    সাখারের নাম কোনো কোনো জায়গায় হাকীক বা হাবাকীক লেখা হয়েছে। আর আসমোদিয়াস তো আছেই।

    এই কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অনেক অনেক গল্প বলা হয়েছে। বিশেষ করে মাছের পেটে আংটি পাওয়ার গল্প তো আরব্য রজনীতে পরে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে অনেকভাবেই বলা এসব গল্পের মূল ছিল সুলাইমান (আ) এর এই কিংবদন্তী। তাছাড়া, সিন্দুকে করে সাগরে ফেলে দেয়া জ্বিনের পরবর্তীতে কোনো এক জেলের জালে উঠে আসার গল্প ও ব্যাপক জনপ্রিয়। আলিফ লায়লার কল্যাণে এ গল্প সবারই পরিচিত

    যে কাহিনীটা এখানে বলা হলো, সেটা ইসরায়েলি কিংবদন্তী।

    সুলাইমান (আ) রাজ্য ফিরে পেলেন, এবং আবারও সুন্দরভাবে শাসন করতে লাগলেন। কিন্তু একটাই সমস্যা ছিল। সেটা হলো, রাজ্যে গুজব রটে গেছে যে, তিনি কুফরি করেন। তিনি কালো জাদু করেন এবং এর সাহায্যেই রাজ্য পরিচালনা করেন। সবাইকে বশ করেন। প্রকৃতপক্ষে, যেটা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কিন্তু কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার মতোই যেন রাজ্যে সেই জাদুবিদ্যা আরও জোরসে শেখাতে লাগলো শয়তানেরা।

    কুরআনের সূরা বাকারার ১০২ নাম্বার আয়াত এ প্রসঙ্গেই বলছে:

    “তারা ঐ বিদ্যার (যাদুবিদ্যা) অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়তানরা আওড়াতো। সুলাইমান কুফরি করেননি; কুফরি করেছিল শয়তানরাই। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা শিখিয়েছিল এবং তারা সেটাও শিক্ষা দিত যেটা ব্যাবিলন শহরে হারুত ও মারুত ফেরেশতা দুজনের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছিল। (কিন্তু) ফেরেশতা দুজনই এ কথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, ‘আমরা তো কেবল পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না।’ অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যা দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তা দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। তারা তা-ই শেখে যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে। তারা (ইসরাইলি ইহুদীরা) ভাল করেই জানতো যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোনো অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা নিজেকে বিক্রি করেছে, তা যে কী খারাপ, যদি তারা জানত!” [কুরআন ২:১০২]

    সুলাইমান (আ) সেগুলো পুড়িয়ে ফেলেন পরে।

    কিন্তু, এখনও পর্যন্ত সুলেমানি জাদু, সুলেমানি খোয়াবনামা, সুলেমানি তাবিজ- এরকম হরেক রকম নামে অনেক কিছুই প্রচলিত আছে।

    কিন্তু ইহুদীদের একটি গ্রুপ গোপনে আলাদা হয়ে যায়। তারা চর্চা করতে থাকে ‘গোপন জ্ঞানের’, নিজেদের তারা ‘কাব্বালিস্ট’ বলত। কাব্বালা মূলত ইহুদী একটি উপদল বা সম্প্রদায়, যেখানে ‘স্পিরিচুয়াল সেন্সে শেখানো হয় নশ্বর আর অবিনশ্বর সম্পর্ক’। কাব্বালার মূল গ্রন্থের নাম ‘জোহার’।

    একপর্যায়ে কাব্বালাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু ষোড়শ শতকে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয় ইহুদী র‍্যাবাই আব্রাহাম আজুলাইয়ের চেষ্টায়। তার মতে, তারা অপেক্ষায় আছেন ইহুদীদের রাজা আসবেন। যিনি এসে ইহুদীদের রক্ষা করবেন। তিনি হবেন ‘খ্রিস্ট’, ‘ক্রাইস্ট’ বা ‘মাসিহ’।

    বলা বাহুল্য, যদিও সুলাইমানের সময় থেকেই অপেক্ষায় থাকা সেই খ্রিস্টের আগমন ০০০০ সালের আশেপাশে হলেও, যীশুকে ইহুদীরা খ্রিস্ট বলে মানেনি। বরং, তারাই গর্ব করে যীশুকে হত্যার দায়টা নিয়ে নেয়। এবং, পুনরায় খ্রিস্টের আগমনের প্রতীক্ষায় থাকে।

    সেই ঘটনা অবশ্য আরও গভীর, এবং প্রচলিত জানার বাইরেও আছে অনেক কিছু, সেটি নিয়ে আরেকটি বই লেখা হয়ে যেতে পারে। তবে হারুত মারুত, ব্যবিলনের মতো বিষয়াদি নিয়ে আরও জানতে হলে পাঠক আমার অন্য বই ‘অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে’ পড়ে নিতে পারেন।

    ইহুদীরা যেমন দাবি করে, কাব্বালা হলো খাঁটি আর্ট, সেরকম অইহুদীরা বলে যে, কাব্বালা হলো ইহুদী ধর্মের কালো দিক। কোনো কাব্বালিস্ট অস্বীকার করে না যে, এর সাথে অতিপ্রাকৃত কাজকর্ম জড়িত। বরং, কাব্বালার ইতিহাসে এমন অস্বাভাবিক আর ভয়ংকর কাহিনী আছে যে সেটা উল্লেখ করারই যোগ্য না। তবে, যারা কেবলমাত্র যাত্রা শুরু করেছে তাদের সেগুলো শেখানো হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ’ বাণী দিয়ে দেয়া হয় প্রথমে, কেননা এ পথে শেখা দক্ষতা “বিপদজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানশূন্যতার পরিচায়ক” হবে। তাছাড়া, “প্র্যাক্টিকাল কাব্বালা” বলে একটা ব্যাপার আছে ইহুদী ধর্মের কালো দিকে, যেগুলো খুব বেশি রকমের ভয়ংকর ফলাফল বয়ে আনে দেখে সেগুলো আগেকার দিনে জনসাধারণকে দেয়াই হত না। কেবলমাত্র দক্ষ কাব্বালিস্টরা সেটার দেখভাল করত। ইহুদীরা বলতো, যীশু/ঈসা (আ) যেসব অলৌকিক কাজ করে দেখাতেন সেগুলো কাব্বালা বা কালো জাদু শিখেই করেছিলেন।

    অনেকে জিজ্ঞেস করে থাকেন- সুলাইমানের (আ) সেই আংটিটি এখন কোথায়। আংটিটি আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্টের ভেতরে রেখে দেয়া হয়েছিল বলে শোনা যায়, যেখানে মূসা (আ) এর আসল লাঠিও ছিল। সাথে বেহেশতি খাবার মান্না আর সালওয়ার কিছু নমুনা।

    কথিত আছে, একবার উড়ন্ত যানে করে চলবার সময় সুলাইমান (আ) এক অসাধারণ প্রাসাদ দেখতে পেলেন। কিন্তু সেই প্রাসাদে ঢুকবার কোনো রাস্তা নেই। তিনি জ্বিনদের আদেশ করলেন প্রাসাদের দেয়াল বেয়ে উঠে যেতে ছাদে, কোনো জীবিত কাউকে ভেতরে তারা পায় কি না। তারা কেবল একটি ঈগলকে পেলো আশপাশে, যার বয়স ছিল ৭০০ বছর। ঈগল জানালো, সে কখনও এ প্রাসাদে ঢোকার রাস্তা দেখেনি। সেই ঈগলের বড় ভাইকে খুঁজে আনা হলো, যার বয়স ৯০০ বছর। সে-ও কখনও প্রবেশপথ দেখেনি। তাদের আরেক বড় ভাই ১৩०০ বছরের ঈগল জানালো, তাদের প্রয়াত বাবা তাকে এই প্রাসাদের পশ্চিমদিকের একটি প্রবেশপথের কথা বলে গিয়েছিলেন। বালুর তলা থেকে সেই প্রবেশপথ খুঁজে বের করলেন সুলাইমান (আ), সেখানে এক মূর্তি পাওয়া গেল। মূর্তির মুখে একটি রূপালি ফলকে লেখা, এটি শাদ্দাদ বিন আ’দের মূর্তি। “শাদ্দাদ লাখো শহর জয় করেছে, লাখো ঘোড়ার পিঠে চড়েছে, লাখো প্রজার রাজা হয়েছে, লাখো যোদ্ধার হত্যাকারী হয়েছে, কিন্তু পরাজিত হয়েছে মৃত্যুর ফেরেশতার কাছে।”

    মোটামুটি ৬০ বছর বয়সের দিকে মৃত্যুবরণ করা সুলাইমান (আ)-এর শাসনকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ কাহিনীর একটি ছিল শেবার রানীর আগমন। এবার তাহলে সেই ঘটনাতেই যাওয়া যাক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }