Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৩ হযরত ইউসুফ (আ)- দাসবালক থেকে মিসরের উজির

    খ্রিস্টান বিশ্বে যিনি জোসেফ নামে খ্যাত, মুসলিম আর ইহুদীদের কাছেই তিনি নবী হযরত ইউসুফ (আ) – অনিন্দ্য সুন্দর যে পুরুষ তিন ধর্মের মানুষের কাছেই সম্মানিত। এ তিন ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ মোতাবেক, হযরত ইউসুফ (আ) হলেন সেই ব্যক্তি যার মাধ্যমে ইসরাইল জাতি স্থান লাভ করে মিসরে। কিন্তু তাঁর আজ ফকির তো কাল রাজা হবার যে নাটকীয় ঘটনা- সেটি জনবিদিত। আর সেই সাথে জননন্দিত হলো ইউসুফ-জুলেখার কাহিনী।

    ইহুদী জাতির ইতিহাস তুলে ধরা এ বইতে ইউসুফ (আ)-এর জীবনের পাশাপাশি ইউসুফ-জুলেখার মূল একপক্ষীয় সম্পর্কের ঘটনাও বর্ণনা করা হবে। তবে সেক্ষেত্রে আমরা এমন সব পুরনো নথিও খুঁজে বের করব, যেগুলোর কথা অনেকেই জানেন না।

    ইউসুফ শব্দটি এসেছে হিব্রু একই শব্দ থেকে যার অর্থ ‘বৃদ্ধি করা’। হযরত ইউসুফ (আ) ছিলেন বারো ভাইয়ের একজন। তাঁর বাবা ছিলেন হযরত ইয়াকুব (আ), যাকে খ্রিস্টানরা জ্যাকব বলে থাকেন। তাঁর অন্য নাম ছিল ইসরাইল। বড় দশ ভাইয়ের প্রায় সকলেই ছোট ইউসুফ (আ)-কে হিংসা করত, কারণ তাদের বাবা তাঁকে সবচেয়ে বেশি আদর করতেন। এজন্য তারা সিদ্ধান্ত নিল, ইউসুফ (আ)-কে সরিয়ে দেবে। এ ব্যাপারে তিন ধর্মই একমত। পবিত্র কুরআনের আয়াত (১২:৪) অনুযায়ী, ইউসুফ (আ) স্বপ্নে দেখেন, চাঁদ, সূর্য ও এগারোটি তারকা তাঁকে সিজদা করছে। কিন্তু, তাঁর পিতা তাঁকে মানা করেন এ স্বপ্ন ভাইদের জানাতে। উল্লেখ্য, বাইবেলের আদিপুস্তকে (৩৭:১-১১) এ স্বপ্ন দেখার সময় ইউসুফ (আ) এর বয়স ১৭ বছর ছিল বলে জানানো হয়েছে।

    হযরত ইয়াকুব (আ) এর একাদশ পুত্র হযরত ইউসুফ (আ) এর মা ছিলেন রাহেলা, যার গর্ভে আরেক সন্তান বিনইয়ামিন জন্ম নিয়েছিলেন। কিন্তু বাকি দশ পুত্রের জন্ম ইয়াকুব (আ) এর অন্য স্ত্রী লিয়ার গর্ভে। এজন্য বাকিরা ইউসুফ (আ) এর সৎ ভাই হলেও, বিনইয়ামিন ছিলেন তাঁর আপন ভাই।

    ঈর্ষার বশবর্তী হয়ে বড় ভাইয়েরা তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা আটে। পিতাকে ব্যাপক অনুরোধ করে হিতাকাঙ্ক্ষী সাজা ভাইয়েরা ইউসুফ (আ)-কে নিয়ে গেল। তারা তাঁকে হত্যা করেনি, কারণ সবার বড় ভাই রুবেন প্রাণে বধের ব্যাপারে বাধ সাধে। তার কথায় শেষপর্যন্ত ইউসুফ (আ)-কে এক শূন্য কুয়ায় ফেলে দেয়া হলো। তারা রাতে পিতার কাছে ফিরে জানালো, তারা যখন দৌড় প্রতিযোগিতা করছিল এবং ইউসুফ (আ)-কে মালপত্রের নিরাপত্তার জন্য রেখে গিয়েছিল, তখন এক নেকড়ে

    এসে তাঁকে খেয়ে ফেলে। তারা ইউসুফের বানোয়াট রক্তমাখা জামাও পেশ করল প্রমাণ হিসেবে, কিন্তু পিতা ইয়াকুব (আ) তাতে অবিশ্বাস করলেন।

    ওদিকে এক যাত্রীদল কুয়ার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, এবং তারা পানি পান করবার জন্য বালতি নামাতেই দেখে এক সুপুরুষ বালক। তারা তাঁকে মাত্র কয়েক দিরহামের জন্য বিক্রি করে দিলো। এতটাই নির্লোভ ছিল তারা ইউসুফ (আ) এর ব্যাপারে। এখানে ‘তারা’ কে সে বিষয়ে রয়েছে মতভেদ। ইবনে ইসহাক (র) বলেন, ভাইয়েরা আশপাশে থেকে লুকিয়ে দেখছিল, কী ঘটে ইউসুফ (আ) এর ভাগ্যে। ইবনে কাসির (র) এর তাফসিরে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রা) এর মতে, ইউসুফ (আ)-কে কুয়া থেকে তোলার ঘটনা দেখে ভাইয়েরা এগিয়ে এসে তাঁকে যাত্রীদলের কাছে বিক্রি করেছিল খুব কম দামে, কারণ তাদের মূল লক্ষ্য ছিল আপদ বিদায় করা, অর্থ উপার্জন নয়। বাইবেলের আদিপুস্তক মোতাবেকও, ভাইয়েরাই বিক্রি করেছিল মিসরগামী এ মাদায়েনি বণিকদলের কাছে। তবে, কাতাদা (র) এর মতে, ‘তারা’ বলতে যাত্রীদলকেই বোঝানো হয়েছে।

    মিসরে যে লোকটির কাছে ইউসুফ (আ)-কে বিক্রি করা হয় দাস হিসেবে তিনি ছিলেন ধনী। পবিত্র কুরআনে তাঁর নাম উল্লেখিত নেই, কিন্তু বলা আছে (১২:২১ আয়াত) যে, সেই ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলেছিলেন, তারা বালকটিকে নিজেদের ছেলে হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, লোকটির নাম ছিল কিতফীর। তিনি ছিলেন মিসরের উজির। তাঁকে আজিজ মিসরিও ডাকা হয়, যা একটি উপাধি, নাম নয়। আজিজ (xic) বর্তমানে জনপ্রিয় আরবি নাম হলেও এর প্রচলন সেমিটিক, ফিনিশিয়, আরামায়িক ও হিব্রু ভাষাতেও ছিল। বাইবেল বা তাওরাতেও কিতফীরের ‘ত-ফ-র’-এর কাছাকাছি নামই উল্লেখ করা হয়েছে ‘পতিফার’ (Potiphar)। মিসরীয় নিজস্ব ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এটা বোধগম্য যে পতিফার একটি খাঁটি প্রাচীন মিসরীয় নাম। তখন মিসরীয় দেব-দেবীদের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা হত, যেমন পতিফেরা অর্থ ‘যাকে দেবরাজ রা দান করেছেন’। মিসরে যে একত্ববাদী ধর্ম তখন ছিল না। সে ব্যাপারে সকলেই একমত। বাইবেলে পতিফারকে মিসররাজের নিরাপত্তাকর্মীদের প্রধান বলা হয়েছে। তবে আজিজের স্ত্রীর নাম বাইবেল বা কুরআন কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। লোককথায় তার নামগুলোর মধ্যে একটি হলো ‘জুলাইখা’।

    এ পর্যায়ে এসে আমরা বহুল প্রচলিত ইউসুফ-জুলেখার কাহিনীর সম্মুখীন হই। কিন্তু আমাদের পরিচিত কাহিনীর চেয়েও অনেক অজানা কিছু অধ্যায় আমরা পাঠকদের জানাতে চাই বিধায় এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত এ অধ্যায়ে না জানিয়ে পরের অধ্যায়ে জানাতে চেষ্টা করা হবে, যার পুরোটাই হবে জুলাইখার কাহিনী নিয়ে। কুরআন কতটা জানায়, বাইবেল কতটা জানায়, এবং এর বাইরে আর কী কী জানা যায়? এবং অতি অবশ্যই আমরা ইউসুফ-জুলেখা নামক ইরানি টিভি সিরিজের চিত্রনাট্যের অনুসরণে যাব না, যেখানে গল্পের খাতিরে চিত্রনাট্যকারেরা কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন।

    ইউসুফ (আ) দেখতে এতটাই অপরূপ ছিলেন যে জুলাইখা তাঁর প্রেমে পড়ে যান। এমনকি বর্ণিত আছে, অন্যান্য মহিলারা “ছিঃ ছিঃ” রব তুললে তাদের সামনেও কৌশলে তাঁকে হাজির করেন জুলাইখা, এবং তাঁর রূপ দেখে সে মহিলাদের হাতে থাকা ছুরির ধারে হাত কেটে যায়। তবে ইউসুফ (আ) জুলাইখার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় জুলাইখা জোর করেন, এবং শেষপর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে তাঁকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেন। ফলে তাঁর জেল হয়ে যায় (জুলাইখার বিস্তারিত কাহিনী পরের অধ্যায়ে)।

    তাঁর সাথে আরো দুজন কয়েদী ছিল। ইউসুফ (আ) আল্লাহ কর্তৃক স্বপ্ন ব্যাখ্যার গুণ পেয়েছিলেন 1 কয়েদী দুজন স্বপ্ন দেখেছিল। তাদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে দিলেন ইউসুফ (আ)। সত্যি সত্যি সেটা মিলে গেল, তার ভবিষ্যদ্বাণী মাফিক, একজন ছাড়া পেয়ে মিসরের রাজার মদ পরিবেশক হলো, আরেকজন ক্রুশবিদ্ধ হলো। মুক্তিপ্রাপ্তকে ইউসুফ (আ) অনুরোধ করেছিলেন যেন সে তার প্রভুকে জানায় ইউসুফ (আ) এর কথা।

    এদিকে মিসররাজ নিজেও এক স্বপ্ন দেখলেন নিজের শয়নকক্ষে। দেখলেন, তিনি দাঁড়িয়ে আছেন নীল নদের তীরে। পানি কমতে কমতে কাদা হয়ে যাচ্ছে। মাছ লাফিয়ে কাদায় উঠে পড়ছে। হঠাৎ নদী থেকে সাতটা মোটা গরু উঠে এলো, পেছনে সাতটা শীর্ণ গরু। এরপর আজব ব্যাপার হলো। ঐ সাতটা শীর্ণ গরু খেয়ে ফেলল সাতটা মোটা গরুকে! তিনি ভয় পেয়ে গেলেন। নদীর পাড়ে সাতটা শস্যদানা দেখা গেল, রঙ সবুজ। এরপর সেগুলো কাদায় মিশে গেল। এরপর ঠিক ওখানেই সাতটা শুকনো শস্য পড়ে রইল।

    তাঁর ঘুম ভেঙে গেল, অস্থির হয়ে গেলেন। তিনি লোক ডাকলেন, ডাকলেন জাদুকরদের। কী অর্থ এই স্বপ্নের? কেউ বলতে পারল না। বলল, “আরে, এটা দুঃস্বপ্ন।” রাজার মদপরিবেশক যখন এই কাহিনী শুনল, তখন তার মনে পড়ে গেল, কয়েক বছর আগে সে যখন জেলে ছিল, তখন তার সাথের কয়েদী, যার নাম ইউসুফ, স্বপ্ন শুনে বলে দিয়েছিল যে সে মুক্তি পেয়ে ফারাওয়ের মদপরিবেশক হবে! রাজাকে এটি বলার পর, তিনি ইউসুফকে (আ) জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন।

    ইউসুফ (আ) জানালেন, সাত বছর অনেক শস্য ফলবে, প্রয়োজনের বেশি এগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ এরপর সাত বছর চলবে খরা। তখন সেই শস্য ব্যবহার করতে হবে। এরপর এক বছর প্রচুর বৃষ্টি হবে।

    রাজা তাঁকে তাঁর কাছে নিয়ে আসতে বললেন। তিনি আবারও তদন্ত করলেন ইউসুফ (আ) এর মামলার, এবং জানতে পারলেন আসলে তিনি নির্দোষ।

    এরপর ইউসুফ (আ)-কে নিজের একান্ত সহচর করে নিলেন। ইউসুফ (আ) তাঁর কাছ থেকে কোষাগারের দায়িত্ব চেয়ে নিলেন। ধীরে ধীরে আরো উঁচু পদে উঠতে লাগলেন তিনি। একসময় তিনি হলেন রাজার অধীনে মিসরের উজির। এক দাসবালক থেকে মিসরের রাজদরবারের গণ্যমান্য একজন!

    আসলেই ৭ বছর অনেক শস্য ফলল। উদ্ধৃত্ত পুরোটা জমা করলেন ইউসুফ (আ)। আর এরপর শুরু হলো ৭ বছরের খরা। এত ভয়াবহ খরা যে আশপাশের সব দেশ পর্যন্ত আক্রান্ত হলো। এমনই একদিন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ১০ জন লোক এলো মিসরে। তারা শুনেছে, মিসরে এক দূরদর্শী লোকের কল্যাণে অনেক জমানো ফসল আছে, তারা খরাতে খুবই আক্রান্ত। তারা শস্য ভিক্ষা করতে এসেছে বুড়ো বাপকে দেশে রেখে।

    দরবারে তারা এসে দাঁড়াতেই, ইউসুফ (আ) এর চোখে বুঝি পানি চলে এলো। এ যে তারই সেই ১০ ভাই, যারা তাকে কুয়াতে ফেলে গিয়েছিল! যার কাছে খাবার ভিক্ষা করতে তারা এসেছে, সে-ই তাদের ভাই, এখন মিসরের উজির! তিনি তাদের থলে ভর্তি করে শস্য দিতে বললেন। ইউসুফ (আ) কথাচ্ছলে তাদের থেকে তাদের সৎ ভাই বিনইয়ামিনের কথাও জেনে নিলেন।

    ইউসুফ (আ) বললেন, “তোমরা কি সত্যবাদী?”

    তারা অবাক হয়ে বলল, “মিথ্যে কেন বলব?”

    “ঠিক আছে, পরেরবার তোমাদের ছোট ভাইটাকে নিয়ে আসবে। ঠিক আছে? না হলে এক দানা শস্যও পাবে না।”

    ভাইয়েরা রাজি হয়ে গেল। চলেও গেল।

    তারা জানলো না, ইউসুফ (আ) যে একজনকে দিয়ে গোপনে তাদের শস্যের বস্তার ভেতরে রেখে দিয়েছেন সেসব জিনিস যার বিনিময়ে তারা শস্য কিনেছিল। ভাইদের থেকে অর্থ তিনি নেননি। পুরোটাই তাদের অজান্তে তাদের সাথেই দিয়ে দিলেন। তাদের চলে যাবার পথের দিকে চেয়ে রইলেন, তাদের আবার আগমনের প্রতীক্ষায়। সাথে থাকবে তাঁর আপন ভাই।

    মিসর থেকে নিজের দেশে দিরে এলো ১০ ভাই, সাথে এতগুলো উট বোঝাই শস্য। কিন্তু পরেরবার শস্য আনার শর্তটা বাবাকে জানালো তারা, ছোট ভাই বেঞ্জামিন (বেনইয়ামিন/বিনইয়ামিন) যদি পরেরবার সাথে না যায়, তাহলে উজির আর শস্য দেবেন না।

    ভাইয়েরা বস্তা খুলেই দেখলো, তাদের টাকা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। সবাই খুশি হয়ে গেল। কিন্তু কেন এমনটা করা হলো সেটা বুঝলো না। এই টাকা দিয়ে পরে আবার শস্য কেনা যাবে মিসর থেকে।

    যখন শস্য ফুরিয়ে এলো, তখন তারা আবার প্রস্তুত হলো মিসর থেকে শস্য কিনতে। এবার বিনইয়ামিনকে সাথে নিতে হবে। কিন্তু বাবা ইয়াকুব (আ) অস্বীকৃতি জানালেন, তিনি তার ছোট ছেলেকে যেতে দেবেন না। কারণ, ইউসুফ (আ)-কে ভাইয়েরা দেখে রাখতে পারেনি। ছেলেদের পীড়াপীড়িতে অবশেষে ইয়াকুব (আ) রাজি হলেন, তবে কথা দিতে হলো, যেকোনো মূল্যে বিনইয়ামিনকে ফেরত আনতে হবে।

    শুরু হলো তাদের দীর্ঘ ভ্রমণ।

    মিসরে পৌঁছালে পরে উজির তাদের সাদরে গ্রহণ করলেন। বিনইয়ামিনকে দেখেই তার জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হলো, কিন্তু পারলেন না। তাই ইউসুফ (আ) পরিকল্পনা করলেন।

    তাদের সম্মানে একটি ভোজসভা দিলেন। সেখানে সবাইকে জোড়ায় জোড়ায় বসতে হবে। ফলে ১১ ভাইয়ের ১০ জন জোড়ায় জোড়ায় বসল, কিন্তু জোড়া ছাড়া রয়ে গেলেন বিনইয়ামিন। এটাই চেয়েছিলেন ইউসুফ (আ)। ফলে ইউসুফ (আ) আর বিনইয়ামিন বসলেন একসাথে।

    কথিত আছে, ভোজের একপর্যায়ে দেখা গেল, বিনইয়ামিনের চোখে পানি। অশ্রুর কারণ জিজ্ঞেস করলেন ইউসুফ (আ), উত্তরে বিনইয়ামিন বললেন, “আমার এক ভাইকে আমি হারিয়েছি ছোট বেলায়। ও যদি এখানে থাকত, তার পাশেই বসতাম আমি।”

    সেদিন রাতে, ইউসুফ (আ) বিনইয়ামিনকে ডেকে নিলেন এক কক্ষে। এরপর বললেন, “আমিই তোমার সেই ভাই। ইউসুফ।” কিন্তু, আপাতত ব্যাপারটা গোপন রাখতে বললেন। ইউসুফ (আ) কর্তৃক নিজের পরিচয় ভাইকে জানাবার ঘটনা ইবনে কাসির (র) এর তাফসিরে লিখিত আছে।

    পরদিন যখন উটের পিঠে চড়ানো হচ্ছিল শস্যের বস্তা, তখন ইউসুফ (আ) এর আদেশে একজন গোপনে রাজার সোনার পাত্র শস্যের থলেতে ঢুকিয়ে রাখল। যখন ভাইয়েরা রওনা দিয়ে দিল, তখনই প্রধান ফটক আটকে দেয়া হলো।

    পাহারাদাররা চিৎকার করে উঠলো, “তোমরা চোর!”

    হঠাৎ এমন অভিযোগে অবাক হলো ভাইয়েরা। কারণ তারা তো চুরি করেনি। তারা বলল, “আমরা কেবল শস্য নিতে এসেছি।”

    তাদের জিজ্ঞেস করা হলো, “চোরের শাস্তি কি তোমাদের আইনে?”

    তারা উত্তর দিল, “যার সম্পদ চুরি করা হয়েছে, তার দাস হয়ে থাকবে চোর। যে ধরা পড়বে তাকে যেন শাস্তির জন্য আটক করা হয়।”

    চিরুনি অভিযানের পর তাদের এক বস্তা থেকে আসলেই রাজার সোনার পাত্র খুঁজে পাওয়া গেল। বিনইয়ামিনের থলেতে। তখন অন্য ১০ ভাই বলে উঠল, “এ চুরি করতে পারে, এর ভাইটাও (জোসেফ) চোর ছিল!” তারা জানত না, সেই ভাই এখানেই আছে!

    নিয়মমাফিক, বিনইয়ামিনকে রেখে যেতে হবে। তখন বড় ভাইদের মনে পড়ল, বাবার কাছে কী কথা দিয়ে এসেছিল তারা। তারা অনুরোধ করল, বিনইয়ামিনের জায়গায় আরেকজনকে রেখে দেয়া হোক। কিন্তু ইউসুফ (আ) মানলেন না।

    সবচেয়ে বড় ভাই তখন রয়ে গেলেন, বাকি ভাইদের পাঠিয়ে দিলেন, বাবাকে খবরটা জানাতে। অন্যদিকে, ইউসুফ (আ) তার ভাই বিনইয়ামিনকে বলে দিলেন আসলে এটা তারই পরিকল্পনা। নিজের কাছেই তাকে রাখলেন তিনি।

    সেই অনেক কাল আগে ইয়াকুব (আ) ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে অন্ধই হয়ে গিয়েছিলেন। আজ আরেক সন্তান হারিয়ে আরও কষ্ট পেলেন।

    কিন্তু কী করবে বুঝতে না পেরে, পেটের তাড়নায় আবার এলো ভাইয়েরা মিসরে। এবার রীতিমত ভিক্ষা করল তারা শস্যের জন্য।

    এবার আর পারলেন না জোসেফ নিজেকে ধরে রাখতে। মিসরের ভাষা বাদ দিয়ে তার ভাইদের ভাষাতে বলে উঠলেন, “তোমরা তোমাদের ভাই ইউসুফ আর বিনইয়ামিনকে কী করতে মনে আছে?” (কুরআন ১২:৮৯)

    উজিরের দিকে তাকিয়ে তারা অবাক হয়ে বলল, “তুমি ইউসুফ!”

    “হ্যাঁ, আমিই ইউসুফ। আর আমার ভাই বিনইয়ামিন এই যে।”

    ভাইয়েরা একেবারে ভয়ে যবুথবু হয়ে গেল। এখন কী করবেন তাদেরকে

    ইউসুফ (আ)? এত অপরাধের শাস্তি না জানি কত ভয়াবহ হয়!

    কিন্তু ইউসুফ (আ) তাদের ক্ষমা করে দিলেন। জড়িয়ে ধরলেন তাদের। আনন্দের অশ্রু বিসর্জন করলেন।

    এর পরের কাহিনী সংক্ষেপে, ইয়াকুব (আ)-এর চেহারা বা মুখমণ্ডলের ওপর ইউসুফ (আ) এর একটি জামা রাখবার পর পরই তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসে। তাঁকে মিসরে নিয়ে আসা হলো, ইউসুফ (আ) এর মাকেও (মাকেও আনা হয়েছিল, সেটি কুরআনে উল্লেখিত। কিন্তু বাইবেল মতে, মা আগেই মারা গিয়েছিলেন।)। পুরো পরিবার আবার একত্রিত হলো। রাজার সাথেও পরিচিত করিয়ে দেয়া হলো তাদেরকে। (অবশ্য ইবনে কাসিরের তাফসিরে রয়েছে যে, এরকম মতবাদও আছে, আসলে তাঁর মা বিনইয়ামিনকে জন্ম দিতে গিয়ে মারা যাননি, বরং জীবিত ছিলেন। কুরআনে বলা হয়নি যে আসল মা নাকি সমা এসেছিলেন। কিন্তু কোনো মা এসেছিলেন বটে। তাফসিরে এ মতবাদও উল্লেখিত আছে যে, আসলে ইউসুফ (আ) এর মা নয়, বরং খালা লিয়া এসেছিলেন। কিন্তু লিয়া যেহেতু ইয়াকুব (আ) এর আরেক স্ত্রী, তাই তিনিও ইউসুফ (আ) এর মা, সৎ মা।)

    ইউসুফ (আ) তাঁর পিতা-মাতাকে উচ্চ আসনে বসালেন। এরপর উপস্থিত সকলেই, অর্থাৎ ভাইয়েরাও ইউসুফ (আ) এর সামনে সিজদায় পড়ে গেলেন। তখন ইউসুফ (আ) বললেন, তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন আল্লাহ সেটি সত্য করেছেন। (কুরআন 1২:1০০)

    তখন থেকেই মিসরে বসবাস শুরু করল ইয়াকুব (আ) এর পরিবার, তার ১২ সন্তান। এই ১২ সন্তান পরবর্তীতে হিব্রু বা ইসরাইলের ১২ গোত্র হয়ে দাঁড়ায়। বনী ইসরাইল।

    ১১০ বছর বয়সে মারা যান ইউসুফ (আ)। মারা যাবার আগে তিনি অনুরোধ করেন, তাঁর লাশ যেন তার পূর্বপুরুষদের সাথে দাফন করা হয়। কোনোদিন যদি মিসর থেকে তারা চলে যায়, তবে যেন সাথে নিয়ে যায় তাঁর লাশ। পাঠকদের এ কথাটা মনে রাখতে হবে পরবর্তী এক পর্বের জন্য, যখন মূসা (আ) বনী ইসরাইলকে নিয়ে মিসর ত্যাগের পর্ব আসবে।

    ইউসুফ (আ) এর মিসর-বাস ও উচ্চপদের কারণে বাইবেল গবেষকগণ মত প্রকাশ করেন যে, নিশ্চয়ই এত উচ্চপদস্থ একজনের রেকর্ড পাওয়া যাবে মিসরীয় প্রাচীন নথিতে। তবে অবশ্যই হিব্রু ইউসুফ নামে নয়, কারণ তিনি তো এ নামে নিশ্চয়ই মিসরে পরিচিত হননি দাস হিসেবে আসবার পর। তাই তাঁকে খুঁজতে হবে অন্য নামে। যেমন- আদিপুস্তকে (৪১:৪৫) বলা আছে যে, মিসরের রাজা ইউসুফ (আ) এর নাম দিয়েছিলেন- যাফনাথ পানেহ (Zaphnath Paaneah); উচ্চারণ শুনে বোঝা যায় মিসরীয় নাম। তবে আমরা এর অর্থ জানি না নিশ্চিতভাবে।

    অনেকেই ফারাও জোসারের (Pharaoh Djoser) উজির ইমহোতেপকে (Imhotep) ইউসুফ (আ) বলে ধারণা করেন। এ নামের সাথে ইউসুফ নামের মিল আছে কি না সে নিয়েও হয়েছে গবেষণা। তবে, এ দুজনকে এক ব্যক্তি হিসেবে দাবি করার পেছনে অন্য কারণ হলো, সিহিয়েল দ্বীপে পাওয়া এক খোদাই করা লেখনিতে জানা যায়, তাঁর সময় সাত বছর প্রচুর ফসলাদি এবং সাত বছর খরা হয়েছিল। ইমহোতেপই সমাধান দিয়েছিলেন ফসল জমিয়ে খরার সময় ব্যবহার করার ব্যাপারে।

    ইমহোতেপ আরেকটি কারণে বিখ্যাত, কারণ তিনি প্রথম পিরামিড বানান, তবে সেটা সমাধি হিসেবে নয়। মিসরের সাক্কারাতে জোসারের পিরামিড বা স্টেপ পিরামিড নামে খ্যাত সেই পিরামিডের উদ্দেশ্য ছিল শস্য জমা রাখা! এখানে জমাকৃত ফসল দিয়েই খরার বছরগুলো পার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

    তবে ইমহোতেপের হযরত ইউসুফ (আ) না হবার ব্যাপারেও অনেকে যুক্তি দিয়েছেন। ইমহোতেপ যে-ই হোন না কেন, ইহুদী ধর্ম, খ্রিস্ট ধর্ম ও ইসলামের ইতিহাসে ইউসুফ (আ) একটি বড় ও গুরুত্ববহ জায়গা জুড়ে আছেন। কিন্তু যে বিষয়টি অনেকেই পুরোপুরি জানেন না সেটি হলো, যে ইসরাইলিদের এত সাদরে মিসরে থাকতে দেয়া হয়েছিল, সেই একই ইসরাইলিরা বা হিব্রুরা কীভাবে নির্যাতিত দাস হয়ে উঠলো? কেন তারা অত্যাচারিত হত? কেনই বা তাদেরকে মিসর থেকে উদ্ধার করা এত জরুরি হয়ে পড়েছিল? কী হয়েছিল মাঝের শত শত বছরে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }