Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৬ দাসবন্দী বনী ইসরাইল এবং হযরত মূসা (আ:) এর জন্ম

    ইসরাইল (আ:) বলতে যাকে বোঝানো হয় তিনি হলেন নবী হযরত ইয়াকুব (আঃ), হযরত ইউসুফ (আঃ) এর পিতা। হযরত ইউসুফ (আ:) এর উচ্চপদে আসীন হবার সুবাদে তিনি সপরিবারে তাঁর পিতাকে মিসরে বসবাসের সুযোগ করে দেন। সেই জায়গার নাম ছিল গোশেন। কীভাবে মিসররাজের অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হওয়া শুরু করল বনী ইসরাইল? আর মূসা (আ:) এর জন্মের ঘটনার সূত্রপাত এ কাহিনীর কোন পর্যায়ে?

    হযরত ইয়াকুব (আ:) যখন মিসরে গিয়েছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল একশ ত্রিশ বছর, ইহুদী হিসেব তা-ই বলে। তিনি মিসরে জীবিত ছিলেন সতেরো বছর। সেক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হবার কথা একশ সাতচল্লিশ বছর। কিন্তু ইহুদী সূত্রে তাঁর মৃত্যুকালীন বয়স একশ চল্লিশ উল্লেখ করা হয়, যা ভুল বলে উল্লেখ করেন ইবনে কাসির (র) তাঁর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থে।

    ইউসুফ (আ) চিকিৎসকদের বললেন, তাঁর বাবার মরদেহ দাফনের জন্য প্রস্তুত করতে। ইবনে কাসির (র) বর্ণনা করেন, চিকিৎসকেরা চল্লিশ দিন সময় নেন কাজটি করতে। আর, সত্তর দিন পর্যন্ত শোক পালন করা হয় মিসরে।

    শোকের দিনগুলো শেষ হবার পর ইউসুফ (আ) মিশররাজের কাছে মিনতি করেন, “আমার বাবাকে আমি কথা দিয়েছিলাম, যখন তিনি মারা যাবেন তখন তাঁর মরদেহ যেন কানান দেশে তাঁরই খনন করা কবরে দাফন করা হয়। তাই আমাকে সেখানে যেতে দিন। এরপর আমি ফিরে আসব।”

    রাজা বললেন, “যাও, তোমার বাবাকে দাফন করে আসো। তোমার দেয়া কথা রাখো।”

    ইউসুফ (আ) এর সাথে রাজার গুরুত্বপূর্ণ সভাসদরাও কানান দেশে গেলেন, আর সাথে ইউসুফ (আ) এর ভাইয়েরা তো ছিলই সপরিবারে।

    জর্ডান নদীর কাছে আতাদ নামের এক জায়গায় তারা থামলেন, সেখানে শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হত। অতিরিক্ত সাত দিন শোক পালন করার পর ইসরাইল (আ)-কে দাফন করা হলো। যেখানে দাফন করা হলো সেটি ছিল ব্রেনের একটি গুহা। ইফ্রন ইবনে সাখার নামের এক হিট্টিট লোকের কাছ থেকে নবী হযরত ইব্রাহিম (আ) নিজেই সেটা কিনেছিলেন নিজ স্ত্রীর দাফনের জন্য।

    মিসরে ফিরে আসবার পর ইউসুফ (আ) এর ভাইয়েরা ভাবছিলো, বাবা নেই দেখে এখন বুঝি তাদের শাস্তি দেবেন তিনি। কিন্তু ইউসুফ (আ) তাদের অভয় দেন। তাদের ভরণপোষণের কোনোই সমস্যা যে হবে না সেই বিষয়েও তিনি আশ্বাস দিলেন।

    ইউসুফ (আ) বেঁচে ছিলেন ১১০ বছর, নিজের নাতিদেরও দেখে যান তিনি। মারা যাবার আগে তিনি ভাইদের ডেকে বলেন, “আমি মারা যাচ্ছি। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের সাহায্য করবেন। তিনি এ দেশ থেকে তোমাদের বের করে নিয়ে যাবেন সেই ভূমিতে যার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুব (আ)-কে। কথা দাও, এখানে থেকে চলে যাবার সময়, আমার লাশ নিয়ে যাবে এবং আমার বাপ-দাদার কবরের পাশে দাফন করবে।”

    ফলে মৃত্যুর পর হযরত ইউসুফ (আ) এর লাশ সুগন্ধি দিয়ে আবৃত করে একটি সিন্দুক বা কফিনে রাখা হয়। বহুদিন পর যখন মূসা (আ) বনী ইসরাইলকে মিসর থেকে বের করে নিয়ে যান, তখন সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ইউসুফ (আ) এর লাশবাহী সেই সিন্দুক। সে কাহিনী আসবে আরো পরে, যথাস্থানে।

    কেউ কেউ মনে করেন, ইউসুফ (আ) এর হাত ধরেই একেশ্বরবাদ আসে মিসরে, তবে সেটি বড় মাত্রায় ছড়ায়নি। ইসরাইলিরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আদোনাই বা এলোহিম বলে ডাকত সবসময়ই অর্থাৎ কানান থেকেই, মিসরে তাঁর উপাসনা ইউসুফ (আ) প্রচলন করেন। এমনটা হওয়া অসম্ভব নয় যে, যে আতেনিজম (Atenism) ধর্মবিশ্বাসের দেখা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্দশ শতকের মিসরে মেলে, সেটি উজির ইউসুফ (আ) এর সূচিত বা অনুপ্রাণিত।

    ফারাও চতুর্থ আমেনহোতেপ (যিনি নিজের নাম ধারণ করেন আখেনাতেন= আখেন+আতেন) এর প্রবর্তন করেন বলে জানা যায় ইতিহাসে। অন্য সকল দেব- দেবী বাদ দিয়ে সূর্যদেবতা রা এর আরেক রূপ আতেনের একক উপাসনা চালু করেন তিনি। তিনি ছিলেন আদি ও সর্বোচ্চ দেবতা মিসরীয় ধর্মে। ২০ বছর পর্যন্ত একেশ্বরবাদী ধর্ম আতেনিজম ছিল মিসরের রাজধর্ম। আখেনাতেন তাঁর শাসনের পঞ্চম বর্ষে এ ধর্ম চালু করেন। প্রথমদিকে অবশ্য অন্য দেব-দেবীর উপাসনার অনুমতি দিতেন। তিনি তাঁর নতুন রাজধানী করেন আজকের আমার্না নামের জায়গায়, নাম দেন তিনি আখেতাতেন, যার মানে ‘আতেনের দিগন্ত’।

    নবম বছরে গিয়ে তিনি আতেনকে একমাত্র দেবতা হিসেবে ঘোষণা করেন, যিনি হলেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, আর তিনি নিজে হবেন ঈশ্বরের সাথে মর্ত্যের সংযোগ। তিনি মূর্তি নিষিদ্ধ করেন, কারণ অদেখা ঈশ্বর আতেনের কোনো জানা মূর্তি হতে পারে না। আতেনকে বোঝাতে সূর্যের আকৃতির একটি ডিস্ক ব্যবহার করা হতো। তাঁর সময় আতেনের জন্য যে শ্লোক (Great Hymn to the Aten) পাঠ করা হতো সেটি ছিল: “হে একক ঈশ্বর যিনি ছাড়া আর কেউ নেই (০ Sole God beside whom there is none) i’

    তবে এরপর তিনি নিজেকে আতেনের পুত্র বলে ঘোষণা করেন এবং সকলকে অনুপ্রাণিত করেন তাঁর উপাসনা করতে, আদেশ বলা যায় না ঠিক। আতেনের উপাসনা করার অধিকার ছিল কেবল দুজনের। একজন ফারাও আখেনাতেন নিজে। আর অপরজন ইতিহাসবিখ্যাত নারী, আখেনাতেনের স্ত্রী- রানী নেফারতিতি (Nefertiti )।

    এরপরের শাসকেরা এসে আগের বহু দেবতার ধর্মে ফেরত যান, এবং আতেনিজম সংক্রান্ত ফারাওদের রেকর্ড মুছে ফেলেন।

    আতেনের প্রতি বছর পাসওভারের সময় বিশ্বব্যাপী ইহুদীরা স্মরণ করে থাকে মূসা (আ) এর নেতৃত্বে বনী ইসরাইলের মিসর থেকে পরিত্রাণের ঘটনা। কিন্তু, ইতিহাস আর প্রত্নতত্ত্ববিদ্যায় বনী ইসরাইলের আদৌ মিসরে থাকার প্রমাণ নেই, লোহিত সাগর দু’ভাগ করে পেরিয়ে যাবার ঘটনা তো পরের কথা। তাই বনী ইসরাইলের মিসর পর্যায়ের ইতিহাস বর্ণনা করতে গিয়ে আমরা কেবল ইসলামি আর ইহুদী সূত্র (যা একইসাথে খ্রিস্টধর্মেরও সূত্র) থেকেই উদ্ধৃতি দিতে হবে।

    নীলনদের বাৎসরিক বন্যায় বেশ ভালো ফসল হতো মিসরে। তাই দুর্ভিক্ষের সময় আসলেই নানা দেশ থেকে মানুষ মিসরে এসেছিল, সেটা আমরা জানতে পারি ইতিহাস থেকেই। এবং এদের মাঝে কেউ কেউ যে সেমিটিক ছিলেন তা-ও সত্য। বিশেষ করে কানান দেশ থেকেই তারা আগত। তাছাড়া নানা উপায়েই কানানদেশিরা স্থান করে নেয় মিসরে। যেমন- একটি প্যাপিরাসে আমরা পাই এক মিসরীয় ধনাঢ্য ব্যক্তির কথা, যার ৭৭ জন দাসের মাঝে ৪৮ জন ছিল সেমিটিক বা শামদেশীয়।

    তাওরাতে হিব্রু দাসদের ঠিক যেভাবে চাবুকের আঘাতে জর্জরিত হবার কাহিনী আছে, মিসরীয় প্যাপিরাস বলৌনা ১০৯৪-তে ঠিক সেরকম নির্যাতনের কাহিনী আছে, যেখানে দুই পলাতক দাস ধরা পড়বার পর নির্যাতন করা হয়েছিল। তাওরাতের বিবরণের সাথে সেই ঐতিহাসিক বিবরণের মিল পাওয়া যায়।

    ৩,২০০ বছর আগের প্যাপিরাস ষষ্ঠ আনাস্তাসিতে দেখা যায়, মিসরীয় কর্তৃপক্ষ কীভাবে এদোম (Edom) থেকে আসা একদল যাযাবর সেমিটিককে পিথমের হ্রদে গবাদিপশু নিয়ে যেতে দেয়। সেই সেমেটিকেরা নাকি ইয়াহওয়ের উপাসনা করত। ইয়াহওয়ে হলো ইহুদী ধর্মে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের নাম।

    এরপর ৩,২২৬ বছর আগের (খ্রিস্টপূর্ব ১২১০ সাল) মারনেপ্তাহ ফলকে লেখা দেখা যায়, “ইসরায়েল ধ্বংস হলো, তাদের বীজ আর নেই।“

    যা-ই হোক, এর বেশি প্রমাণাদি আসলে নেই।

    ইসরাইল নামটা ইয়াকুব (আ) এর জীবদ্দশায় কিংবা তাঁর মারা যাবার অব্যবহিত পরে খুব প্রচলিত হয়ে যায় কি না সেই বিষয়ে নিশ্চয়তা না থাকলেও, মিসরে যে তখনও এ নাম বিখ্যাত হয়নি সেটা নিশ্চিত। তখন মিসরে বনী ইসরাইলদের ডাকা হত হিব্রু জাতি বলে। আসলে সেমিটিক ভাষায় কথা বলা মিসরে আসা যে কাউকেই হিব্রু ডাকা হত। হিব্রু বা ইব্ৰী (২7২y)। এর আক্ষরিক অর্থ ‘পার হয়ে আসা’। তাওরাতে ইব্রাহিম (আ)-কে প্রথম হিব্রু বলে ডাকা হয়, কারণ তিনি ফোরাত নদী পার হয়ে এসেছিলেন’। তারপর কোনোভাবে ইসরাইলিরা এ নামে পরিচিত হয়ে যায়। তবে হিব্রু ডাকার কারণ হিসেবে আরো অনেক মতবাদ প্রচলিত আছে। উল্লেখ্য, তাদের ভাষাকেই হিব্রু ভাষা বলা হয়, আরবিতে যাকে ইব্রানি ভাষা বলে ডাকা হয়।

    ‘ফারাও’ শব্দে আসা যাক। প্রাচীন মিসরের ফার্স্ট ডাইনেস্টি (অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব ৩১৫০ সাল) থেকে রোমানরা ৩০ সালে মিসর অধিকার করে নেয়া পর্যন্ত যত সম্রাট ছিলেন সবাইকে এখন ফারাও উপাধি দেয়া হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার, আজকে যা-ই বলা হোক না কেন। মোটামুটি ১২০০ খ্রিস্টপূর্ব সাল থেকে আসলে ফারাও উপাধি দিয়ে ডাকা শুরু হয় মিসরের রাজাদের। অদ্ভুত হলেও সত্য, ফারাও বলতে কিন্তু আক্ষরিকভাবে মানুষটাকে বোঝায় না, বোঝায় মানুষটি যেখানে থাকেন।

    অর্থাৎ, মূল শব্দ ‘pr-৩’ (প্রাচীন মিসরীয় যে শব্দের উচ্চারণ আসলে বাংলাতে করাই সম্ভব না) এর অর্থ আসলে ‘প্রাসাদ’। কিন্তু বোঝাতো প্রাসাদের মালিক রাজাকেই। দ্বাদশ ডাইনেস্টি বা সাম্রাজ্য থেকে শব্দটা এমনভাবে লেখা শুরু হয় যার পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায় মিসরীয় ভাষায় ‘প্রাসাদ বেঁচে থাকুক দীর্ঘদিন’।

    নিউ কিংডমের তৃতীয় থুতমোস (Thutmose III) থেকেই আসলে সরাসরি ফারাও উপাধি দিয়ে বোঝানো হতে থাকে সম্রাটকে। আপনি জানেন কি, প্ৰথম ফারাও বলে সম্বোধনের রেকর্ড পাওয়া যায় কোন শাসকের ক্ষেত্রে? তিনি হলেন একটু আগে বলা একেশ্বরবাদী ফারাও আখেনাতেন। উল্লেখ্য, মিসরীয় রাজউপাধি ফারাওকে আরবি ভাষায় ফিরাউন বলা হয়। হিব্রুতে সেটি ফারোহ।

    তো, ফিরে যাই ধর্মীয় ইতিহাসেই। ইয়াকুব (আ) এর সন্তানাদি আর নাতি-নাতনি মিলিয়ে মোট ৭০ জন আশ্রয় নেন মিসরে। ইউসুফ (আ) যখন মারা যান, তারপর পেরিয়ে যেতে থাকে যুগের পর যুগ। ইসরাইলিরা সংখ্যায় বাড়তে থাকে বহুগুণে।

    পরে যে ফারাও এলেন, তার কাছে বহুদিন আগের ইউসুফ (আ) এর গুরুত্ব ছিল না। বরং তিনি এই ইসরাইলিদেরকে মিসরীয়দের জন্য হুমকি হিসেবে দেখতে লাগলেন। বললেন, দেখ, ইসরাইলিরা সংখ্যায় অনেক বেড়েছে। এখনই তাদের ব্যবস্থা করতে হবে একটা।

    নাহলে, তাদের সংখ্যা আরো বেড়ে যাবে। যুদ্ধ লাগলে দেখা যাবে তারা শত্রুদেশের পক্ষে যোগ দিয়েছে।”

    ফারাও এর নির্দেশে তখন মিসরীয়রা ইসরাইলিদের দাসে পরিণত করতে লাগল। তাদেরকে দিয়ে বানানো হলো পিথম আর রামেসিস নামের শহর। কিন্তু যতই নির্যাতন চলুক না কেন, ইসরাইলিদের সংখ্যা বেড়েই চলল। মিসরীয়রা একদমই দয়া দেখাতো না তাদের। কঠিনতম কাজগুলো তাদের দিয়ে করাতো।

    দুজন হিব্রু নারীর কথা পাওয়া যায়, নাম ছিল তাদের শিঘ্রাহ আর পুয়াহ। তারা ধাত্রী ছিল। ফারাও তাদের ডেকে পাঠালেন, বললেন, তারা যেন মেয়ে শিশুদের বাঁচতে দেয়, কিন্তু ছেলে হলে মেরে ফেলে। কিন্তু তারা সেটা করল না। ফারাও যখন তাদের আবার তলব করলেন, তারা উত্তর দিল, “হিব্রু নারীরা মিসরীয় নারীদের মতো না। আমরা পৌঁছানোর আগেই তাদের বাচ্চা হয়ে যায়।”

    ইবনে আব্বাস (রা) থেকে আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থে বর্ণিত আছে, ফারাও স্বপ্নে দেখলেন, এক অগ্নিশিখা এসে মিসরের বাড়ি-ঘর ও কিবতীদের সকলকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিল, কিন্তু মিসরে থাকা ইসরাইলীদের কোনো ক্ষতি করল না। ফারাও জেগে উঠে ভীত হয়ে পড়লেন। জ্যোতিষী ও জাদুকরদের কাছে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চাইলেন। তারা তখন বললেন, এক যুবক বনী ইসরাইলে জন্ম নেবে এবং তারই হাতে মিসরবাসী ধ্বংস হবে। (কিংবা, ফারাও ধ্বংস হবেন)

    তখন ফারাও নির্দেশ দিলেন, “প্রত্যেক হিব্রু শিশু বালককে নীল নদে ফেলে দিতে হবে। কিন্তু প্রত্যেক হিব্রু মেয়ে শিশুকে বাঁচতে দিতে হবে।”

    কিন্তু, সভাসদরা বলল, তাহলে সমস্যা হয়ে যাবে, দাসের অভাব পড়বে। তাই, আদেশ দেয়া হলো, এক বছর মারা হবে, পরের বছর মারা হবে না। (মূসা (আ) এর ভাই হারুন (আ) সেই বছর জন্মগ্রহণ করেন, যে বছর মারা হয়নি ছেলেদের)

    এরকম হত্যাযজ্ঞ চলাকালীন এক সকালেই ফারাও এর প্রাসাদের ঘাটে নদীর জলে এসে ভিড়ল এক ঝুড়ি। আর তাতে ফুটফুটে এক ছেলেশিশু।

    পবিত্র কুরআন (২৮:৮) অনুযায়ী, ফারাও এর পরিবারের কেউ সেই ঝুড়িটি তুলে নিল পানি থেকে- “অতঃপর ফিরাউন পরিবার মূসাকে কুড়িয়ে নিল, যাতে তিনি তাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হয়ে যান। নিশ্চয়ই ফিরাউন, হামান ও তাদের সৈন্যবাহিনী অপরাধী ছিল।”

    ইহুদীদের বক্তব্য, অর্থাৎ তাদের তাওরাত (যাত্রাপুস্তক ২:৫) অনুযায়ী, ফিরাউনের পরিবারের সদস্য ছিল ফিরাউনেরই মেয়ের দাসী। কিন্তু তাফসিরে ইবনে কাসিরে উল্লেখ করা আছে, পরিবারের সদস্য বলতে ফিরাউনের নিজ স্ত্রীর দাসীদের বোঝানো হয়েছে। দাসীরা শিশুটিকে কুড়িয়ে নিয়ে যায় ফিরাউনের স্ত্রীর কাছে। নাম তাঁর আসিয়া (৮) বিনতে মুযাহিস। তিনি দেখেই বুঝতে পারেন, এ এক হিব্রু শিশু, ফিরাউনের চোখে যা যম। তাই ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়ার ইচ্ছে শিশুটিকে রেখে দেবার, লালনপালন করবার। কিন্তু ফিরাউনকে যে বোঝাতে হবে! তাওরাত জানায়, তখন শিশুটির নাম রাখা হয় হিব্রুতে ‘মোশে’, আরবিতে যার উচ্চারণ ‘মূসা’। বনী ইসরাইলের ভাষা হিব্রুতে শব্দটির অর্থ ছিল “তুলে আনা (পানি থেকে)’, “আমি তাকে পানি থেকে তুলে আনলাম (মেশিতিহু)”।

    ফিরাউনের তখনও জানা ছিল না, যে শিশুকে হত্যা করতে মিসরে এত রক্তের বন্যা বয়ে গেল, সেই শিশুটি বড় হয়ে উঠবে তারই ঘরে, রাজকীয় হালে। বেড়ে উঠবে রাজপুত্র হয়ে।

    কিন্তু মূসা (আ:) এর পিতা-মাতার দিক থেকে ঘটনাটা কীভাবে ঘটেছিল? ইতিহাসের ফলকে কি মূসা (আঃ) এর নাম আছে কোথাও খোদাই করা? মূসা (আঃ) এর সময়ের ফারাও কে ছিলেন বলে ধারণা করা হয়? কীভাবে একজন মিসরীয় যুবরাজ থেকে হিব্রুদের ত্রাণকর্তা বনে গেলেন মূসা (আঃ)?

    এবার আসা যাক প্রশ্নোত্তরের পালায়।

    প্রশ্ন: কিবতী কী?

    উত্তর: কিবতী শব্দটি আরবি। কিংবা, আক্ববাত। ইংরেজিতে তাদেরকে ‘কপ্ট’/ ‘কপ্টিক’ (Coptic) বলে। কপ্টিক ভাষার শব্দ ‘কুবতি’ থেকে কিবতী এসেছে। এর মানে ‘মিসরীয়’। প্রাসঙ্গিক গ্রিক শব্দ ‘Aiyóntoç— অর্থও মিসরীয়। এ অধ্যায়ের ঘটনায় কিবতী বলতে মিসরে বসবাস করা আদি বাসিন্দাদের বোঝানো হয়েছে, কানান বা কেনান থেকে আসা হিব্রুদেরকে নয়। হিব্রুদের থেকে আলাদা করে বলবার জন্যই তাদের কিবতী ডাকা হয়। তবে বহু পরে মুসলিমরা মিসর বিজয় করবার পর থেকে মিসরীয় খ্রিস্টানদেরকে কেবল কিবতী বা কপ্ট বা কপ্টিক খ্রিস্টান ডাকা হয়ে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }