Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৭ মিসরের রাজপ্রাসাদ থেকে সিনাই পর্বত

    প্রাচীন মিসর। খ্রিস্টের জন্মের ১৩৯৩ বছর আগের কথা।

    পুরো মিসরে যত ইসরায়েলি ছিল, তারা তখন ফারাওয়ের দাস। ইসরায়েলিদের প্রতি ফারাওয়ের নিষ্ঠুরতা ছিল চরম পর্যায়ে, এক বছর অন্তর অন্তর সকল নবজাতক হিব্রু পুত্রশিশুকে হত্যা করার আদেশ ছিল। আসলে, প্রতি বছরই মেরে ফেলবার নির্দেশ ছিল, কিন্তু এতে দাসের সংখ্যা বেশিমাত্রায় কমে যেতে পারে ভেবে সভাসদদের পরামর্শে সেটি এক বছর বাদে বাদে করা হয়।

    এরকম সময়ে ইসরায়েলের ১২ গোত্রের মাঝে লেবিয় গোত্রের ইমরানের পরিবারে জন্ম নেন মূসা (আ)। তার মায়ের নাম ইবনে কাসিরের আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থ অনুযায়ী ‘আয়ারেখা’, কিংবা ইউকাবাদ; তাওরাতের হিব্রুতে তার নাম ইয়োহেভেদ। আর বাবা ইমরানের নাম হিব্রুতে আমরাম।

    মূসা (আ) এর জন্ম হয় যে বছর, সেই বছর পুত্রহত্যার আদেশ ছিল। তাঁর তিন বছরের বড় ভাই হারুন (হিব্রু আরৌন) যে বছর জন্মগ্রহণ করেন; সেই বছর পুত্রহত্যার আদেশ ছিল না। তাছাড়া সাত বছরের বড় বোন মরিয়ম বা মিরিয়ামও ছিলেন।

    মূসা (আ) এর জন্ম হয়েছিল হিব্রু পঞ্জিকার দ্বাদশ মাস আদার এর ৭ তারিখ। তাঁর বাবা ইমরানকে ইহুদীদের পবিত্র গ্রন্থ তালমুদে বলা হয়েছে, সেই প্রজন্মের সেরা মানুষ। জন্মের পর তিন মাস পর্যন্ত তাঁর মা তাঁকে লুকিয়ে রাখতেন। কিন্তু একপর্যায়ে আর লুকোতে না পেরে একটি ঝুড়িতে করে তাকে ভাসিয়ে দেন নীলনদে। সেই ঝুড়ি ভাসতে ভাসতে হাজির হলো ফারাও এর ঘাটে। ওদিকে মায়ের আদেশে মরিয়ম দেখছিলেন ঝুড়ির চূড়ান্ত গন্তব্য কী দাঁড়ায়।

    ফারাওয়ের স্ত্রী আসিয়া (যিনি সম্ভবত পূর্ববর্তী কোনো ফারাওয়ের কন্যা) তখন খুঁজে পেলেন সেই ঝুড়িটি। বাইবেল মতে, খুঁজে পান ফারাও-কন্যা বিথিয়া। আসিয়াই ফারাওকে বুঝিয়ে রাজি করান শিশুটিকে পালন করার ব্যাপারে। মরিয়ম তখন হাজির হয়ে বললেন, তিনি তাকে দুধ পান করাবার জন্য কাউকে খুঁজে এনে দিতে পারবেন। একজন হিব্রুকন্যা আরেকজন হিব্রু নারীকে এনেছে দুধ পান করাতে, এতে ফারাও পরিবার অবাক হয়নি, কিন্তু তারা জানত না, এই নারীই আসলে শিশুটির মা। ফারাওয়ের হুমকিস্বরূপ যে শিশুর জন্ম হবার কথা ছিল, তার মৃত্যু হয়েছে ধরে নিয়ে হয়তো ফারাও শিশুটিকে রাখতে রাজি হলেন। যার কাছে পরাভূত হবে ফারাও, তারই আবাস হলো ফারাওয়ের রাজপ্রাসাদে, বড় হতে লাগলো রাজপুত্র হিসেবে।

    একবার ফারাওয়ের কোলে খেলছিলেন শিশু মূসা (আ)। ফারাওয়ের জ্বলজ্বলে মুকুট দেখে শিশুদের মতোই হাত বাড়িয়ে দিলেন মূসা (আ), এবং খুলেও ফেললেন সেটা। ফারাও এতে ভয় পেয়ে গেলেন, রেগেও গেলেন। জ্যোতিষীদের ডেকে এনে জিজ্ঞেস করলেন এর মানে কী। বেশিরভাগই জানালো, এই শিশুই তাকে পরাভূত করবে। কিন্তু একজন সভাসদ ফারাওকে জানালেন, ব্যাপারটা পরীক্ষা করা হোক, আসলেই শিশুটি জ্ঞান থেকে এ কাজ করেছে, নাকি শিশুসুলভ উজ্জ্বল বস্তুর আকর্ষণ থেকে করেছে। সেই সভাসদের নাম ইহুদী বর্ণনা অনুযায়ী জেথ্রো [ইসলামে জেথ্রোর নাম শুয়াইব (আ)]।

    ফারাও রাজি হলেন। মূসা (আ) এর সামনে দুটো পাত্র রাখা হলো। একটাতে সোনা-জহরত। আর অন্যটাতে কয়লার আগুন। মূসা (আ) সোনার দিকেই এগোলেন প্রথমে, কিন্তু জিব্রাইল (আ) তাকে ঘুরিয়ে দিলেন কয়লার দিকে। একটি কয়লা মুখে পুরে ফেললেন মূসা (আ)। তার হাত আর জিহ্বা পুড়ে গেল। তাই তিনি তোতলা হয়ে যান পরে। কিন্তু এতে প্রমাণ হলো, অন্যান্য শিশুর মতোই তিনি কেবল উজ্জ্বল জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। ফারাও তাকে প্রাণে বাঁচতে দিলেন।

    বড় হতে হতে মূসা (আ) বুঝতে পারলেন, তিনি আসলে মিসরীয় নন, হিব্রু। যুবরাজ হলেও তার নিজের দাসজাতির করুণ দশায় কষ্ট পেতেন খুব। মিসরের যে এলাকায় হিব্রুরা থাকত তার নাম গোশেন। প্রায়ই গোশেনে গিয়ে বুড়ো হিব্রু দাসদের কাজে হাত লাগাতেন তিনি। ফারাওয়ের ওপর প্রভাব থাকার কারণে বিভিন্ন উপায়ে তিনি চেষ্টা করতেন তাদের কষ্ট কমাবার। মূসা (আ) এর চিন্তাধারা আর সিদ্ধান্তকে সম্মান করতেন ফারাও। মূসা (আ) যে কাজগুলো করেছিলেন তার মাঝে একটি ছিল, সপ্তাহে একটি দিন অন্তত তাদের পূর্ণ বিশ্রাম দেয়া।

    আর মূসা (আ) এর কারণে সেই দিনটি শনিবার দিনে রাখা সম্ভব হয়। ফলে হিব্রুদের পবিত্র সাব্বাথ দিবস তারা পালন

    করতে পারে। তাওরাত অনুযায়ী, সৃষ্টির সপ্তম দিবসকে সাব্বাথ বা বিশ্রাম দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    একদিন মূসা (আ) গোশেনে গেলেন। সেখানে তিনি বেশ জনপ্রিয়। সেদিন দুপুর বা সন্ধ্যার দিকে তিনি দেখলেন, ফারাওয়ের এক মিসরীয় অফিসার (তত্ত্বাবধায়ক) তার অধীনের এক হিব্রুকে মারলো। উল্লেখ্য, প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দশজন করে হিব্রু দাসের দল থাকত, আর প্রতি দলের একজন করে হিব্রু নেতা।

    মূসা (আ) যখন দেখলেন হিব্রু লোকটিকে মিসরীয় অফিসার অন্যায়ভাবে মেরেছে এবং অত্যাচারিত হিব্রুটি তাঁর কাছে সাহায্য চাইছে, তখন তাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে মূসা (আ) ঘুষি মারলেন। কিন্তু মারটা এমন জোরেই হয়ে গিয়েছিল যে, লোকটি মারাই গেল।

    কিন্তু প্ৰাণে মারবার কোনো পরিকল্পনাই তাঁর ছিল না। ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি তিনি লাশ বালুতে দাফন করে ফেললেন, এবং ফিরে আসলেন প্রাসাদে। তার আশা, কেউ দেখেনি যে তিনি একটা খুন করে ফেলেছেন।

    পরে শীঘ্রই তিনি আবার গোশেন এলাকায় গেলেন। এবার দেখলেন, দুজন হিব্রু একে অন্যের সাথে ঝগড়া করছে। তিনি এগিয়ে গিয়ে একজনকে (ঘটনাক্রমে আগের দিনের একই ব্যক্তি সে, এবারও সে সাহায্য চাইল) বললেন স্বজাতির সাথে মারামারি না করতে। তখন লোকটি বলল, “আমাদের ওপর প্রভাব খাটাতে কে বলেছে আপনাকে? আমাদেরও খুন করতে চান, যেভাবে ঐ মিসরীয় লোকটিকে করেছিলেন?” [পবিত্র কুরআনে সুরা কাসাসে ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়।]

    মূসা (আঃ) কষ্ট পেলেন, যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর! কিন্তু তার ভয়টা আরো বেড়ে গেল। এর মানে, তিনি যে খুন করেছেন সেটা মানুষ দেখেছে, ফারাও এর কানে পৌঁছাতে আর কত দেরি!

    সত্যি সত্যি ফারাও জেনেও গেলেন। ফারাও তখন মূসা (আ) এর মৃত্যুদণ্ড দিলেন। এক লোক শহর থেকে দৌড়ে এসে জানালো, তার মৃত্যু পরোয়ানা জারি হয়েছে। ইসলামী বর্ণনাতে, মূসা (আ) তখন পালিয়ে যান।

    কিন্তু, ইহুদী বর্ণনায়, মূসা (আ)-কে গ্রেফতার করা হয়, এবং যখন জল্লাদের অস্ত্র মূসা (আ) ঘাড়ে নেমে আসলো, তখন এক অলৌকিক ব্যাপার ঘটল। একদম পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেল তার ঘাড়, ফিরে গেল জল্লাদের অস্ত্র। সবাই অবাক হয়ে গেল, এবং রীতিমত একটি গণ্ডগোল বেধে গেল।

    ইহুদীদের মিদ্রাশ (Yalkut Shimoni, 1:168 ) বিস্তারিতভাবে আমাদের জানায়, মূসা (আ) এর বয়স তখন ১৮ বছর ছিল। সেখানে গিয়ে তিনি দেখা পান ফারাওয়ের প্রাক্তন এক সভাসদের, নাম তার বিলাম। বিলাম কুশ এলাকার রাজা কোকিনাসকে সরিয়ে অন্যায়ভাবে রাজা হয়ে যায়। প্রায় নয় বছর ধরে মূসা (আ) কোকিনাসকে সহায়তা করেন হারানো রাজ্য ফিরে পেতে। মূসা (আ) এর অসাধারণ কিছু বুদ্ধিতে শেষপর্যন্ত রাজ্য পুনরুদ্ধার হয় বটে, কিন্তু ততদিনে কোকিনাস মারা গেছেন। কিন্তু জনগণ মূসা (আ)-কে তার যোগ্য পুরস্কার আর কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করে। তারা তাঁকে রাজা বানিয়ে দেয়, আর রাজার বিধবা স্ত্রী রানী আদোনিয়াকে তাঁর স্ত্রী হিসেবে দিতে চায়। তবে মূসা (আঃ) আদোনিয়াকে গ্রহণ করেননি, কারণ তিনি পৌত্তলিক ছিলেন।

    সেই গণ্ডগোলের মাঝে মূসা (আ) পালিয়ে কুশ নামের এলাকায় চলে গেলেন। কুশ এলাকা (আফ্রিকার প্রাচীন আবিসিনিয়া বা ইথিওপিয়া) আসলে নুহ (আ) এর পুত্র কুশের নামে। উল্লেখ্য, কুশের পুত্র ছিল নমরুদ।

    মূসা (আ) রাজত্ব করতে লাগলেন বটে, কিন্তু রানী আদোনিয়ার মনে তখন ক্রোধের আগুন। তিনি নিজের ছেলে মুঞ্চানকে রাজা করবার জন্য জনগণকে উত্তেজিত করতে লাগলেন। তবে জনগণ রাজি হয়নি। মূসা (আ) বুঝলেন, আসলে তাঁর রাজা হওয়া এখানে ঠিক হচ্ছে না। তিনি সসম্মানে রাজত্ব ত্যাগ করলেন। প্রজারা তাকে বিদায় জানালো খুবই সম্মানের সাথে। (অন্য এক বর্ণনায় দেখা যায়, কোকিনাসের এক কন্যা মূসা (আ)-কে ভালবাসতেন, কিন্তু একই কারণে মূসা (আ) গ্রহণ করেননি। এমনকি এক উপকথায় পাওয়া যায়, মূসা (আ) এক অলৌকিক আংটি পরিয়ে দেন সেই রাজকন্যাকে, যেন তিনি মূসা (আ) এর প্রতি ভালবাসা হারিয়ে ফেলেন।)

    কুশ রাজ্য ত্যাগ করে মূসা (আ) এসে পৌঁছালেন মাদইয়ান ভূমিতে। দীর্ঘ পথ তিনি শাক-লতা-পাতা ছাড়া কিছু খেতে পাননি, তার জুতোও ছিড়ে যাওয়াতে বা না থাকাতে পায়ে ফোস্কা পড়ে গিয়েছিল বলে বর্ণনা আছে। সেখানেএক গাছের ছায়ায় তিনি বসলেন। কাছেই একটি কুয়া থেকে পানি তোলা হতো। কিন্তু ভারি পাথর না সরিয়ে সে কুয়ার মুখ খোলা যেত না। অন্যান্যরা পানি নেয়ার পর তলানির কিছু পানি গবাদি পশুকে খাওয়ানোর জন্য দুটো মেয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু সেদিন তাদেরকে দেখে মূসা (আ) নিজেই এগিয়ে গিয়ে পাথর সরিয়ে দেন, আর মেয়ে দুটো উপর থেকেই পানি নিতে পারল। এতে তারা দুজন মুগ্ধ হয়ে গেল।

    তাদের মাঝে একজন এসে বলল, আমাদের বাবা আপনাকে এই সাহায্যের পারিশ্রমিক দিতে চান, তাই ডাকছেন। মূসা (আ) তাদের সাথে গেলেন। তখন তার সাথে দেখা হলো তাদের পিতা শোয়াইব (আ) এর সাথে। শোয়াইব (আ) ছিলেন মাদায়েনের নবী, এবং একজন আরব। কথিত আছে, তাঁর উম্মত তাঁর কথা না শোনায় ধ্বংস হয়ে যায়। বাইবেলে তিনি জেথ্রো (হিব্রু ইয়াসরু) নামে পরিচিত। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি কি না আগে কিছুদিন ফারাওয়ের দরবারে কাজ করেছিলেন, এবং তিনিই শিশু মূসা (আ)-কে বাঁচাতে জ্ঞান পরীক্ষার জন্য কয়লা-আগুন পরীক্ষা ব্যবস্থা করেছিলেন বলে ইহুদী বর্ণনায় আছে। পরে ফারাওয়ের বিশ্বাসের সাথে মিল না পড়ায় তিনি চলে আসেন কিংবা বহিষ্কৃত হন- এ কাহিনীগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা) এ মতে সায় দিয়েছেন। কিন্তু এই বড় অবস্থায় মূসা (আ)-কে দেখে অবশ্য ইয়াসরু কিংবা শোয়াইব (আ) চিনতে পারেননি। তাঁর আরেক নাম ছিল রাওয়েল।

    এক কন্যার পরামর্শে তিনি তাঁকে তাঁর অধীনে কাজ করবার প্রস্তাব দিলেন সাথে এটাও বললেন, আট-দশ বছর কাজ করলে তার একজন কন্যার সাথে তিনি বিয়ে দেবেন মূসা (আ) এর।

    এ পর্যন্ত উল্লেখিত কাহিনীটি তাওরাতের, তবে কুরআনে কিছুটা ভিন্নভাবে বর্ণিত-

    “যখন তিনি মাদইয়ানের কূপের ধারে পৌঁছলেন, তখন কূপের কাছে একদল লোককে পেলেন। তারা জন্তুদেরকে পানি পান করানোর কাজে রত। এবং তাদের পশ্চাতে দুজন স্ত্রীলোককে দেখলেন। তারা তাদের জন্তুদেরকে আগলিয়ে রাখছে। তিনি বললেন, তোমাদের কী ব্যাপার? তারা বলল, আমরা আমাদের জন্তুদেরকে পানি পান করাতে পারি না, যে পর্যন্ত রাখালরা তাদের জন্তুদেরকে নিয়ে সরে না যায়। আমাদের পিতা খুবই বৃদ্ধ। অতঃপর মূসা তাদের জন্তুদেরকে পানি পান করালেন। অতঃপর তিনি ছায়ার দিকে সরে গেলেন এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। অতঃপর বালিকাদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত পদক্ষেপে তাঁর কাছে আগমন করল। বলল, আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, যাতে আপনি যে আমাদেরকে পানি পান করিয়েছেন, তার বিনিময়ে পুরস্কার প্রদান করেন। অতঃপর মূসা যখন তাঁর কাছে গেলেন এবং সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করলেন, তখন তিনি বললেন, ভয় করো না, তুমি জালেম সম্প্রদায়ের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছ। বালিকাদ্বয়ের একজন বলল, পিতা, তাকে চাকর নিযুক্ত করুন। কেননা, আপনার চাকর হিসেবে সে-ই উত্তম হবে, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত। পিতা মূসাকে বললেন, আমি আমার এই কন্যাদ্বয়ের একজনকে তোমার সাথে বিবাহে দিতে চাই এই শর্তে যে, তুমি আট বছর আমার চাকুরি করবে, যদি তুমি দশ বছর পূর্ণ কর, তা তোমার ইচ্ছা। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। আল্লাহ চাহেন তো তুমি আমাকে সৎকর্মপরায়ণ পাবে।” (সুরা কাসাস ২৮:২৩-২৭)

    হিব্রু বাইবেলে শোয়াইব (আ) এর সাত কন্যার কথা পাওয়া যায়, কিন্তু মূসা (আ) ১০ বছর কাজ করবার পর যার সাথে বিয়ে হয়েছিল তার নাম ছিল সাফুরা (হিব্রুতে সিফোরাহ 77ing)। তাওরাত মতে, উপস্থিত কন্যাদের মাঝে বড় কন্যার সাথেই বিয়ে হয়েছিল মূসা (আ) এর। কিন্তু ইবনে কাসিরের মতে, বিয়েটা হয়েছিল ছোট কন্যার সাথে।

    এত কাল ধরে মিসরে তার স্বজনদের সাথে তার কোনোই যোগাযোগ নেই। মূসা (আ) এর খুব ইচ্ছে হলো গোপনে মিসরে গিয়ে দেখা করে আসতে। তার স্ত্রী আর ছোট সন্তানদের সাথে নিয়ে তিনি রওনা হলেন। সাথে ছাগলের পাল ছিল। দিগ্বিদিক শূন্য মরুর রাস্তায় একটি ছাগল ছুটে গিয়ে হারিয়ে যায় বলে ইহুদী সূত্রে পাওয়া যায়।

    তখন সেটি খুঁজতে বের হন মূসা (আ)। হোরেব তথা সিনাই পর্বতের কাছে গিয়ে তিনি ছাগলটিকে খুঁজে পেলেন। তখনই এক অদ্ভুত দৃশ্য তার চোখে পড়ল। দূরের আগুন তাঁর নজরে এলো।

    ইবনে কাসির অনুযায়ী, সেই রাতটি ছিল বেশ ঠাণ্ডা। মরুভূমির মাঝে দিয়ে চলতে গিয়ে তারা বারবার পথ হারিয়ে ফেলছিলেন। ঠাণ্ডা তাড়াতে চকমকি পাথর ঠুকে আগুন জ্বালাবার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কাজে লাগছিল না কিছুই। তখন চোখে পড়ল দূরে সিনাই পাহাড়ের কাছে আগুন জ্বলছে। তিনি স্ত্রী-সন্তানদের বললেন, “তোমরা এখানে অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখতে পাচ্ছি। সম্ভবত আমি কয়লা আনতে পারব কিংবা পথের সন্ধান পাবো।” (কুরআন, সুরা ত্বোয়াহা: ৯-১০)

    তিনি পাহাড়ের সেই আগুনের উৎসের দিকে গিয়ে দেখলেন একটি ঝোপে আগুন জ্বলছে। কিন্তু সেটি পুড়ে যাচ্ছে না!

    তিনি আরেকটু এগোলেন। তখন সেই অগ্নিময় ঝোপ থেকে আওয়াজ আসলো বজ্রকণ্ঠে, “মূসা, মূসা!” (তাওরাত, হিজরত, ৩:৪)

    মূসা বললেন, “এই তো আমি। উপস্থিত।”

    আওয়াজ এলো, “মূসা! আমিই তোমার প্রভু, তোমার প্রতিপালক।” (কুরআন ২০: ৯-১০ এবং তাওরাত, হিজরত, ৩)

    বিরান মরুভূমির মাঝে অচেনা এক পাহাড়ের ওপর একাকী দাঁড়িয়ে এক সময়ের যুবরাজ আর এখন মেষপালক মূসা (আ) অবাক হয়ে আবিষ্কার করলেন, বিশ্বজগতের স্রষ্টা তাঁর সাথে কথা বলছেন!

    এখন আসা যাক এই অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর পর্বে।

    প্রশ্ন-১: মাদইয়ান কোথায়?

    উত্তর: হিব্রুতে এ জায়গাকে ডাকা হতো মিদিয়ান। আরব উপদ্বীপের উত্তর-পশ্চিম কোণে, লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের পূর্ব দিকে এর অবস্থান। এ এলাকায় যারা বসবাস করত তারা ইব্রাহিম (আ) তৃতীয় স্ত্রী কেতুরার পুত্র মিদিয়ানের বংশধর বলে ইহুদীদের তাওরাতে বর্ণনা করা আছে। জেথ্রো বা শোয়াইব (আ) এ এলাকায় বসবাস করতেন। বর্তমানে আরবিভাষী ‘দ্রুজ’/Druze ধর্মের অনুসারীরা তাঁকে তাদের প্রধান নবী বলে থাকে। উল্লেখ্য, ‘মাদায়েন’ ভিন্ন জায়গা। সাহাবীদের যুগে পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিলো মাদায়েন।

    প্রশ্ন-২: সিনাই পর্বতের কথা দেখা যাচ্ছে। তাহলে তূর পর্বত কোথায়?

    উত্তর: মিসরে সিনাই উপদ্বীপ বলে একটি জায়গা আছে, আফ্রিকান দেশ মিসরের কেবল সে জায়গাটাই পড়েছে এশিয়াতে। লোহিত সাগর আর ভূমধ্যসাগরের মাঝে এর অবস্থান। হিব্রুতে সিনাই বললেও, ইংরেজিতে সাইনাই (Sinai) ডাকা হয়, আরবিতে সিনা। ষাট হাজার বর্গ কিলোমিটারের এ বিশাল মরু এলাকায় রয়েছে অনেক পাহাড়। এর মাঝে একটির নাম সিনাই পর্বত। একে হোরেব পর্বতও ডাকা হয়, আবার আরবিতে জাবালে মূসা বলা হয়, অর্থাৎ মূসার পাহাড়। সিনাই পর্বতকে হিব্রুতে একে হার সিনাই ডাকা হয়, হার শব্দের অর্থ পর্বত। ঠিক একইভাবে আরবিতে একে ডাকা হয় তূর সিনা। ‘তূর’ বলতে বোঝায় ‘পর্বত/পাহাড়’। অর্থাৎ তূর পাহাড় কথাটা ভুল, কারণ তূর মানেই পাহাড়। ইহুদী, খ্রিস্টান ও মুসলিম তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছেই খুব পবিত্র এ জায়গা। কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ তূর বা পাহাড়টি পবিত্র তুয়া উপত্যকায়।

    আমরা মিসর ভ্রমণের সময় এখানে আরোহণ করেছিলাম। লোহিত সাগরের তীরে শার্ম এল শেইখ এলাকার রিসোর্ট থেকে রাত ১২টায় আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়, ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়ে রাত আড়াইটার দিকে আমরা পৌঁছাই ওপরে চূড়ায় উঠতে রাতের আঁধারে আমাদের সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। সূর্যোদয়ের সময় চূড়ায় পৌঁছি আমরা। এরপর নামতে লাগে আরও তিন ঘণ্টা, সকাল ৯টার দিকে প্রবেশ করি সেইন্ট ক্যাথারিন আশ্রমে, যা এ পাহাড়ের গোড়ায় অবস্থিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }