Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৮ সিনাই পর্বত থেকে ফারাওয়ের রাজদরবার

    জ্বলন্ত ঝোপ থেকে আওয়াজ এলো মূসা (আ) এর কানে, “হে মূসা! আমি আল্লাহ, বিশ্বজগতের পালনকর্তা।” (কুরআন, সুরা কাসাস, ২৮:২৯-৩২)

    এবং মূসা (আ)-কে তখন জিজ্ঞেস করা হলো, “তোমার ডান হাতে ওটা কী?”

    তিনি উত্তর দিলেন, “এটা আমার লাঠি। আমি এটাতে ভর দিই, আর এটা দিয়ে আঘাত করে মেষপালের জন্য পাতা ঝরিয়ে থাকি। এছাড়া এটা অন্যান্য কাজেও লাগে আমার।”

    আল্লাহ বললেন তাঁর হাতের লাঠিটা মাটিতে ছুড়ে ফেলতে। তিনি লাঠিটি ছুড়ে ফেলতেই সেটিকে সাপের মতো ছোটাছুটি করতে দেখলেন। ভয়ে তিনি উল্টো দিকে দৌড় দিলেন, ফিরেও তাকালেন না। কিন্তু আওয়াজ এলো, “মূসা, সামনে এসো এবং ভয় করো না। তোমার কোনো আশংকা নেই।”

    তিনি কাছে এলে বলা হলো, “মূসা, এটাকে ধরো, ভয় করো না। আমি এটাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনবো।”

    ইবনে কাসিরের আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থে বর্ণিত আছে, মূসা (আ) পশমের কাপড়ের আস্তিনে হাত দিয়ে সাপটির মুখে ধরলেন। আর ইহুদী বর্ণনা মতে, তিনি সাপের লেজে ধরেছিলেন। ধরতেই সেটি আগের মতো লাঠি হয়ে গেল।

    এবার আদেশ করা হলো, “তোমার বগলে হাত রাখো।” তিনি হাত রাখবার পরপরই হাত চাঁদের মতো উজ্জ্বল হয়ে বেরিয়ে এলো। বলা হলো, “ভয় দূর করতে তোমার হাত তোমার উপর চেপে ধর।”

    সিনাই পাহাড়ের উপর এ দুটো ‘মুজেজা’ বা অলৌকিক নিদর্শন মূসা (আ)- কে দেয়া হলো। পবিত্র কুরআন (সুরা বনী ইসরাইল ১০১-১০২) অনুযায়ী মূসা (আ)-কে মোট নয়টি নিদর্শন দেয়া হয়েছিল। জ্বলন্ত ঝোপের মাধ্যমে নবুয়ত প্রাপ্তির এ ঘটনার সময় ইহুদী হিসেব মতে মূসা (আ) এর বয়স ছিল ৮০ বছর।

    আল্লাহ সিনাই পাহাড়ে মূসা (আ)-কে নির্দেশ দিলেন ফারাও বা ফিরাউন ও তার পারিষদবর্গের কাছে যেতে। তাওরাত (হিজরতঃ ৩) অনুযায়ী তিনি তাকে বনী ইসরাইলকে মিসর থেকে বের করে আনতে বললেন। তাদের জন্য তিনি পবিত্র ভূমি ঠিক করে রেখেছেন।

    তখন মূসা (আ) বললেন, তিনি আশংকা করছেন মিসরীয়রা তাঁকে হত্যা করে ফেলবে, কারণ তিনি চলে আসবার আগে তাদের একজনকে হত্যা করে এসেছিলেন। মূসা (আ) তোতলা হবার কারণে কথা বলতেও সমস্যায় পড়েন, ওদিকে তার ভাই হারুন অপেক্ষাকৃত বাগ্মী, তাই তাকেও যদি তার সঙ্গী করে পাঠাতেন আল্লাহ, তবে ভালো হতো। মূসা (আ) প্রার্থনা করেছিলেন, “আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। এবং আমার কাজ সহজ করে দিন। এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন, যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।” (কুরআন, তোয়া-হা, ২০:২৪-২৮) আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করলেন এবং তাকে ভাইসহ ফিরাউনের দরবারে গিয়ে নিদর্শন প্রদর্শন করতে বললেন।

    ইসলামি বর্ণনায় মূসা (আ) এর ফিরাউনের দরবারে আসার আগপর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ নেই। তাওরাত (হিজরত: ৪) জানাচ্ছে,

    সিনাই পর্বতে নবুয়ত লাভের পর মূসা (আ) তাঁর শ্বশুর শোয়াইবের (আ) কাছে ফিরে গিয়ে তাঁকে বললেন, “মিসর দেশে আমার আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আমাকে ফিরে যেতে দিন। আমি গিয়ে দেখতে চাই তারা এখনও বেঁচে আছেন কি না।”

    শোয়াইব (আ) মূসা (আ)-কে বললেন, “আচ্ছা, ঠিকমতো যাও।”

    তখন মূসা (আ) তাঁর স্ত্রী ও ছেলেদের একটা গাধার পিঠে বসালেন এবং তাদের নিয়ে মিসর দেশে ফিরে চললেন। সেই লাঠিটাও তিনি হাতে করে নিলেন।

    ওদিকে হারুন (আ)-কেও আল্লাহ জানিয়ে দিলেন যেন মূসা (আ) এর সাথে গিয়ে দেখা করেন। অবশেষে হোরেব পাহাড়ের কাছে তারা মিলিত হলেন। সেখানে মূসা (আ) ভাইকে সব জানালেন, আল্লাহ তাদেরকে কী কী করতে আদেশ দিয়েছেন। তখন হারুন (আ) এর বয়স ছিল ৮৩ বছর।

    তারা দুজন একত্রে মিসরের গোশেন এলাকায় ফিরে আসলেন, যেখানে হিব্রুরা থাকত। মূসা (আ)-কে আল্লাহ যে দুটো মুজেজা দিয়েছিলেন তখন, সেই দুটো তিনি তাদের দেখালেন। বনী ইসরাইল তখন আশান্বিত হয়ে উঠলো, তাদের দুর্ভোগের দিন বুঝি ফুরালো, ইমরানের পুত্র দুজন তাদের উদ্ধার করতে চলেছে। কিন্তু তখনো তারা জানত না তাদের সামনে দুর্ভোগ আরো বাড়তে চলেছে।

    এরপর একদিন মূসা (আ) আর হারুন (আ) ফিরাউনের রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করলেন। (অবশ্য, ইবনে ইসহাক (র) এর মতে, দু’বছর পর ঢোকার অনুমতি পেলেন তারা) কোনো এক অজ্ঞাত কারণে দুজন হিব্রু পুরুষ যে রাজপ্রাসাদে ঢুকে পড়ছেন, তাদের একদমই আটকালো না স্তম্ভিত প্রহরীরা। ফিরাউনের অন্দরমহলের কাছে পাহারায় থাকা হিংস্র পোষা পশুগুলোকে পেরিয়ে দরবারে ঢুকে পড়লেন দুজন। সভাসদসহ ফিরাউন- সকলেই অবাক হয়ে চেয়ে রইলেন।

    মূসা (আ) বললেন, “আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার প্রেরিত দূত। তুমি বনী- ইসরাইলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।” (কুরআন, শুয়ারা, ২৬:১৫-১৬)

    এবার ফিরাউনের দিক থেকে দেখা যাক। পরিস্থিতি এতটাই অবাক করা ছিল যে প্রথমে এই দুজন অপরিচিত লোককে চেনাই যাচ্ছিল না, তার ওপর মিসররাজের দরবারে অদ্ভুত সব আবদার!

    তার চেয়েও বড় কথা, মিসরের পরাক্রমশালী আমুন-রা, আইসিস, অসাইরিস, হোরাস, আনুবিসদের ছেড়ে এক হিব্রু উপাস্যের আদেশে এক দাসজাতিকে চলে যেতে দিতে হবে, তবে কাজগুলো করবেটা কে? এ আবদার আবার করা হচ্ছে মিসরীয় দেবতাদের জীবন্ত রূপ ফারাওয়ের সামনে? আর যে মানুষটি এ আবদার করছে, তাঁকে তো এই ফিরাউনই লালনপালন করেছিলেন। তাদেরই একজনকে খুন করে পালিয়ে গিয়েছিলো। কোন মুখে এমন অমূলক আবদার করতে সাহস করছে?

    কুরআনেও ঠিক এ কথাই বলা হচ্ছে। ফিরাউন চেষ্টা করলেন তাকে অপরাধবোধে ভোগাতে, যাকে কি না বলা হয় ‘গিল্ট ট্রিপ’ ( Guilt Trip)। “আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ! তুমি সেই- তোমার অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতজ্ঞ, অকৃতজ্ঞ।” (কুরআন, শুয়ারা, ২৬:১৮-১৯)

    মূসা (আ) যেন প্রস্তুতই ছিলেন, কথার মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে একসময় বাবা ডাকা মানুষটিকে বললেন, “আমি সেই অপরাধ যখন করেছি, তখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম। এরপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পালিয়ে গেলাম। তারপর আমার পালনকর্তা আমাকে জ্ঞান দান করেছেন এবং আমাকে নবী করেছেন। আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, এই যে, তুমি বনী ইসরাইলকে দাস বানিয়ে রেখেছ!” (কুরআন, শুয়ারা, ২৬:২০-২২)

    কথোপকথনের অপরাধবোধ অংশটুকু তাওরাতে অনুপস্থিত, কারণ তাওরাত অনুযায়ী মূসা (আ)-কে লালনপালন করা ফিরাউন আগেই মারা গিয়েছেন, যখন তিনি মাদায়েন ছিলেন। এখনের ফিরাউন তার পূর্বের সৎভাই, যে তার ভাই ছিল শিশুকালে। কুরআনে এটি উল্লেখ নেই আগের ফিরাউন মারা গিয়েছিলেন কি না। অবশ্য, মিসরের সব শাসকই সেই সময়কালে ফিরাউন (ফারাও) উপাধি পেতেন।

    ফিরাউনের অপরাধের ফিরিস্তি প্রসঙ্গ আসতেই ফিরাউন কথা ঘুরিয়ে নিলেন, এবার তার প্রশ্ন, এই নতুন শোনা ঈশ্বরটা কে? “বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কী?” (কুরআন, ২৬:২৩) আরো বললেন, “কে আবার এই মাবুদ, যে আমি তাঁর হুকুম মেনে বনী ইসরাইলদের যেতে দেব? এই মাবুদকেও আমি চিনি না, আর ইসরাইলীয়দের আমি যেতেও দেব না।” (তাওরাত, হিজরত, ৫)

    মূসা (আ) উত্তর দিলেন, “তিনি নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা।” (কুরআন, ২৬:২৪)

    এবার হাসবার পালা ফিরাউনের। পারিষদদের দিকে অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে তাকিয়ে তিনি বললেন, “তোমরা কি শুনছো না?” (কুরআন, ২৬:২৫)

    জীবন্ত ঈশ্বর দাবি করা ফিরাউনের উদ্দেশ্যে মূসা (আ) উক্তি ছুড়ে দিলেন, “তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।” (২৬:২৬)

    কৌতুক করতে থামলেন না ফিরাউন, হিব্রুদের কথা উল্লেখ করে বলে বসলেন, “তোমাদের (হিব্রুদের) প্রতি প্রেরিত এ দূতটি নিশ্চয়ই বদ্ধ একটা পাগল।” (২৬:২৭ )

    মূসা (আ) না দমে যোগ করলেন, “তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এর মাঝের সব কিছুর পালনকর্তা।” (২৬:২৮)

    এবার রাগ থামাতে পারলেন না ফিরাউন, “তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।”

    মূসা (আ) বললেন, “যদি স্পষ্ট নিদর্শন দেখাই, তাহলেও?”

    ফিরাউন বললেন, “যদি সত্যি বলে থাকো, তবে দেখাও!” (২৬:২৯-৩১)

    তখন মূসা (আ) তাদেরকে তাঁর নিদর্শন দুটো দেখালেন, লাঠির সাপ হয়ে যাওয়া আর তাঁর বগল থেকে শ্বেতশুভ্র হাত বের করা। কিন্তু ফিরাউন ও সভাসদরা এতে মোটেও অবাক হলো না। কারণ, মিসরে জাদুবিদ্যার প্রচলন এতই বেশি ছিল যে, এরকম সম্মোহনী জাদু প্রায়শই দেখা যেত।

    ফিরাউন সভাসদদের বললেন, “নিশ্চয় এই লোক সুদক্ষ জাদুকর। সে তাঁর জাদুবলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। তো, তোমাদের মত কী?”

    সভাসদেরা বললেন, “তাঁকে ও তাঁর ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন। তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকরকে উপস্থিত করে।” (কুরআন ২৬:৩৪-৩৭)

    ফিরাউন আসলেই তখন মূসা (আ)-কে অবকাশ দিলেন নির্দিষ্ট দিনে সেই জাদু প্রতিযোগিতা (‘ডুয়েল’) অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত।

    মিসরীয় ইতিহাস আমাদের জানায়, জাদুবিদ্যা প্রাচীন মিসরীয়দের কাছে অবাক করা কিছু ছিল না, এমনকি তারা জাদুবিদ্যাকে হাতের কারসাজি হিসেবে মনেও করত না।

    তাদের মতে, পুরো বিশ্ব সৃষ্টি যেমন হয়েছে জাদুর সাহায্যে, চলছেও সেভাবে জাদুবলেই। ইজিপ্টোলজিস্ট (মিসরবিদ) জেমস হেনরি ব্রেস্টেড যেমন বিখ্যাত একটি কথা বলেছিলেন, “জাদু প্রাচীন মিসরীয়দের কাছে ছিল ঘুম আর খাওয়ার মতোই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার।”

    আর প্রাচীন মিসরীয়রা বিশ্বাস করতো, জাদু বিষয়টার নিয়ন্ত্রক ওষুধ ও জাদুবিদ্যার দেবতা হেকা। হেকার কোনো মন্দির ছিল না, এমনকি অসাইরিস কিংবা আইসিসের মতো জনপ্রিয়ও ছিলেন না। বিশ্বাস করা হত, দেবতাদের ক্ষমতার পেছনে দায়ী হেকা। রাজকীয় পোশাক পরা হেকার হাতে থাকত লাঠি, যার মাথায় দুটো সাপের মূর্তি, একে অন্যকে জড়িয়ে আছে।

    আধুনিককালে ওষুধের ক্ষেত্রে প্রতীক ব্যবহার করা হয় প্রাচীন মিসরের চিকিৎসার দেবতা এই হেকার চিহ্নকে স্মরণ করে। অবশ্য এটি স্টাফ অফ হারমিস নামেও পরিচিত, সেক্ষেত্রে আমরা এর গ্রিক উৎস নিয়েও ধারণা পেতে পারি। ‘হেকা’ শব্দের অর্থই ছিল ‘জাদু’। হেকার সহায়তাতেই দেবতা আতুম মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন বলে বিশ্বাস ছিল।

    প্রাচীন মিসরে এক বস্তু থেকে আরেক বস্তুতে রূপান্তরের জাদু ছিল একটি সাধারণ সম্মোহনী কাণ্ড। লাঠি আর সাপের কারসাজিও পরিচিত ছিল বলে ধারণা করা যায়। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চদশ শতকের মিসরীয় পুরোহিতদের লাঠির যে ছবি আমরা দেখতে পাই সমাধির দেয়ালে, সেখানে স্পষ্টতই সর্পদণ্ড দেখা যায়। শুধু পুরোহিত না, দেবতাদের ছবিতেও তা-ই দেখা যায়।

    চতুর্থ ডাইনেস্টির ফারাও শিওপসের দরবারে তার সন্তানেরা পাঁচটি কাহিনী শুনিয়েছিলেন, সেগুলো ‘ওয়েস্টকার প্যাপিরাস’ নামে সংরক্ষিত আছে। বার্লিনের মিসরীয় জাদুঘরে সেটি প্রদর্শিত হয়। সেই প্যাপিরাসে চতুর্থ যে গল্পটি আছে, তাতে দেখা যায় দেদি নামের এক মহাশক্তিমান জাদুকরের কথা। দেদি মানুষের কাটা মুণ্ডু অন্য প্রাণীর ধরে বসিয়ে দিতে পারতেন। অর্থাৎ অবাক করা ‘জাদু’র সাথে মানুষ পরিচিত ছিল, আর তারা জাদু প্রদর্শনী দেখতেও বেশ পছন্দ করত। প্যাপিরাসে আমরা এমন জাদুর উল্লেখও পাই যেখানে পানি সরিয়ে রাস্তা হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সেগুলো ছিল ছোট পরিসরে।

    মূসা (আ) যে জাদুকর নন, সেটা প্রমাণ করবার জন্য জাদুকরদের ‘জাদু’কে পরাভূত করবার মতো বড় কিছু করা দরকার ছিল, কেবল লাঠি থেকে সাপের মতো সাধারণ কিছু যথেষ্ট ছিল না। আর লোকে লোকারণ্য যে হবেই সেই জাদু প্রতিযোগিতা সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না।

    কিন্তু তাওরাত বলছে, মূসা (আ) যে দাবি নিয়ে গিয়েছিলেন ফিরাউনের কাছে, তাতে মূসা (আ)-কে কিছু না করলেও রাগান্বিত হয়ে হিব্রু দাসদের কাজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া হয় বহুগুণে। এতে বনী ইসরাইলিরা মূসা (আ) এর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে আরো অনেকবার পুনরাবৃত্তি হয়।

    দেখতে না দেখতে সেই ‘জাদু’ প্রতিযোগিতার দিন হাজির হলো। মূসা (আ) এর অনুরোধে সেটি সকাল বেলা করা হয়েছিল। নানাজন নানা মত প্রকাশ করেছেন যে, কয়জন জাদুকর উপস্থিত ছিলেন, সংখ্যাটা সত্তরজন থেকে সত্তর হাজার পর্যন্ত দেখা যায়। তারা সকলে বিশাল মাঠে উপস্থিত হলো, আর দর্শক হিসেবে নানা শ্রেণীর নানা মানুষ জড়ো হলো, তাদেরকে জড়ো হতে আহবান করা হয়েছিল।

    জাদুকরেরা বললো ফিরাউনকে, “যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?”

    ফিরাউন বললেন, “হ্যাঁ, তোমরা আমার কাছের মানুষ হবে।” (কুরআন, শুয়ারা, ২৬:৪১-৪২ )

    এরপর জাদুকরেরা মূসা (আ)-কে বলল, “হয় তুমি মারো আগে না হয় আমরা মারি ছুঁড়ে।”

    মূসা (আ) বললেন, “তোমরাই মারো।”

    তারা ছুঁড়ে মারার সাথে সাথে বলল, “ফেরাউনের সম্মানের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।”

    মূসা (আ) এর কাছে মনে হলো, তাদের জাদুপ্রভাবে দড়ি ও লাঠিগুলো ছুটাছুটি করছে। তিনি ভয় পেয়ে গেলেন। তখন বললেন, “ভয় করো না, তোমার ডান হাতে যা আছে, ছুঁড়ে মারো। সেটা ওগুলো খেয়ে ফেলবে। ওরা যা করেছে সেটা কেবল জাদুকরের কৌশল। জাদুকর কোথাও সফল হবে না।” (সুরা তোয়া হাঃ ৬৫-৬৯)

    মূসা (আ) এরপর লাঠি ছুঁড়ে মারতেই সেটি সাপ হয়ে বাকি সবগুলোকে গলাধঃকরণ করে ফেলল। এটা এতটাই অবাক করা ছিল যে জনতা তো বটেই, এমনকি জাদুকরেরাও স্তম্ভিত হয়ে গেল। কারণ, জাদুর কারসাজিতে আর যা-ই সম্ভব হোক না কেন, এই গলাধঃকরণ সম্ভব ছিল না, কারণ লাঠিগুলো আর ফেরত আসেনি। যেকোনো জাদুর শেষে সেটি আগের অবস্থায় ফেরত গিয়ে স্বাভাবিক হবার কথা, এখানে সেটি হয়নি বিধায় সেটি যে যেনতেন কোনো জাদু প্রদর্শনী না সেটি বুঝতে জাদুকরদের বাকি রইলো না। (তাওরাত, হিজরত ৭)

    তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল। তারা বলল, “মূসা ও হারুনের রব আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।”

    ফিরাউন বলল, “আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাঁকে মেনে নিলে? নিশ্চয়ই মূসা তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। তোমরা সজ্ঞানে এ চক্রান্ত করেছ যেন নগরবাসীদের দেখাতে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।” (সুরা তোয়া হা ও সুরা আরাফ: ১২৩)

    কুরআন অনুযায়ী জাদুকরেরা বলল, “কোনো ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করবো। আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।” (তোয়া হাঃ ৫১-৫২)

    ফিরাউন তাদের কঠোর শাস্তি দিলেন। তার হৃদয় কঠিন থেকে কঠিনতর হলো।

    ফিরাউন নিজেকে জীবন্ত ঈশ্বর দাবি করতেন, তবে তার মানে এই না যে মিসরীয় দেব-দেবীদের কথা তিনি অস্বীকার করবেন। তাদের বাস্তবিক অস্তিত্ব নেই, তাদের অবর্তমানে তিনিই বাস্তবিক ঈশ্বর তার প্রজাদের কাছে। তিনি যে অন্যান্য দেবতাদের কথা বলেছিলেন, তা দেখা যায় কুরআনে বর্ণিত ফিরাউনকে উদ্দেশ্য করে করা পরবর্তী উক্তিতে, “ফিরাউনের সম্প্রদায়ের সর্দাররা বলল, আপনি কি এমনি ছেড়ে দেবেন মূসা ও তাঁর সম্প্রদায়কে? দেশময় হৈ-চৈ করার জন্য এবং আপনাকে ও আপনার দেব-দেবীকে বাতিল করে দেবার জন্য? ফিরাউন বলল, আমি এখনই হত্যা করব তাদের পুত্র সন্তানদেরকে; আর জীবিত রাখব মেয়েদেরকে।” (সুরা আরাফঃ ১২৭ )

    ক্রোধের আগুন জ্বলতে থাকা ফিরাউনের তখনও ধারণাই ছিল না যে কতগুলো অভিশাপ অপেক্ষা করছে তার জন্য। ঠিক তখনই শুরু হলো একের পর এক গজব, যেগুলো পরিচিত ‘মিসরীয় প্রেগ’ নামে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }