Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৯ মিসরে অভিশাপ

    ফারাওয়ের মিসরের ওপর যে অভিশাপ বা গজবগুলো নেমে এসেছিল সেগুলোকে ইহুদীরা হিব্রুতে বলে থাকে ‘মাকৌৎ মিক্সায়ীম’। ইংরেজিত যা কি না মিসরের প্লেগ (Plagues of Egypt) নামে পরিচিত। ইহুদীদের তাওরাত অনুযায়ী মোট দশটি গজব নেমে এসেছিল মিসরের ওপর, যার শেষে ফারাও তার দাসবন্দী ইসরাইলিদের (হিব্রুদের) মিসর ত্যাগের অনুমতি দেন।

    ফারাওয়ের যে প্রশ্নের ফলে গজব নাজিল শুরু হয় সেটি ছিল, “কে এই মাবুদ যে, আমি তার কথা শুনে ইসরাইলকে ছেড়ে দেব? আমি মাবুদকে জানি না, ইসরাইলকেও ছেড়ে দেব না।” (তাওরাত, হিজরত, ৫:২) দশটি প্লেগ না পাঠিয়ে একবারেই ফারাওকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতেন আল্লাহ, কিন্তু তা করেননি কেন? এর উত্তর ইহুদী বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহ বলেছিলেন, “কেননা এত দিনে আমি মহামারী দ্বারা তোমাকে (ফারাও) ও তোমার লোকদেরকে আঘাত করতে পারতাম; তা করলে তুমি দুনিয়া থেকে উচ্ছিন্ন হতে। কিন্তু বাস্তবিক আমি এজন্যই তোমাকে স্থাপন করেছি যেন আমার ক্ষমতা তোমাকে দেখাই ও সারা দুনিয়াতে আমার নাম কীর্তিত হয়।” (তাওরাত, হিজরত, ৯:১৫-১৬)

    মূসা (আ) এর কাছে অপমানিত ফারাওয়ের রাগকে যেন তার সভাসদেরা আরও বাড়িয়ে দিল। প্রতিশোধ কত প্রকার আর কী কী তা ফারাও দেখিয়ে দেবেন মূসা (আ) এর জাতিকে। কিন্তু তার জন্য যে কতগুলো অভিশাপ অপেক্ষা করছিল তা তার কল্পনাতেই ছিল না। গজবগুলো পুরো মিসরকেই আক্রান্ত করেছিল, কিন্তু হিব্রুরা বেঁচে গিয়েছিল।

    ইসলামের সাথে ইহুদী ধর্মে বর্ণিত মূসা (আ) এর এ ঘটনাগুলো প্রায় হুবহুই মিলে যায়, কেবল কিছু জায়গা বাদে, সেই জায়গাগুলোতে ইসলামে ঠিক কী ঘটনা টেনে ইহুদীদের বর্ণনার সেই নির্দিষ্ট অংশকে অস্বীকার করা হয়েছে, সেটি যথাসময়ে উল্লেখ করা হবে। তবে এ পর্যায়ে বলতে হয়, ইহুদী ও খ্রিস্টানরা যেখানে দশটি গজবে বিশ্বাস করে, ইসলামে কুরআন ও হাদিসে সেখানে দশম গজবটি সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। তবে এখন একে একে সেই গজবগুলোর কথায় আসা যাক।

    প্রথম গজব: নদীর পানি রক্তে পরিণত হওয়া

    আল্লাহর আদেশ আসে, “তুমি তোমার লাঠি নিয়ে মিসরের পানির উপরে, দেশের নদী, খাল, বিল ও সমস্ত জলাশয়ের উপরে তোমার হাত বাড়িয়ে দাও; তাতে সেসব পানি রক্ত হয়ে যাবে এবং মিসর দেশের সর্বত্র কাঠ ও পাথরের পাত্রের পানিও রক্ত হয়ে যাবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৭:১৯ )

    মূসা (আ) ও হারুন (আ) লাঠি নিয়ে মিসরের পানির ওপরে হাত বাড়িয়ে দেন। ফারাও ও সভাসদদের সামনেই তারা দুজন লাঠি তুলে নদীর পানিতে আঘাত করলেন। সাথে সাথে সমস্ত পানি রক্তে পরিণত হলো। নদীর মাছ মারা গেল, মিসরীয়রা পানি পান করতে পারলো না।

    পরে ফারাওকে তুষ্ট করতে জাদুকরেরা তার সামনেই পানিকে রক্তে পরিণত করে দেখালো। এতে ফারাও স্বস্তি অনুভব করলেন এবং নিজ কক্ষে ফিরে গেলেন। কিন্তু মিসরীয়রা নদীর পানি পান করতে না পেরে পানির জন্য নদীর আশপাশে খনন করতে লাগলো।

    দ্বিতীয় গজব: ব্যাঙের উৎপাত

    প্রথম গজবের সাত দিন গত হবার পর দ্বিতীয় গজবের পালা। আল্লাহর আদেশ এলো, “আমার সেবা করার জন্য আমার লোকদেরকে ছেড়ে দাও। যদি ছেড়ে দিতে অসম্মত হও, তবে দেখ, আমি ব্যাঙ দ্বারা তোমার সমস্ত প্রদেশকে আঘাত করবো। নদী ব্যাঙে পরিপূর্ণ হবে; সেসব ব্যাঙ উঠে তোমার বাড়িতে, শয়নকক্ষে ও বিছানায় এবং তোমার কর্মকর্তাদের বাড়িতে, তোমার লোকদের মধ্যে… প্রবেশ করবে; আর তোমার, তোমার লোকদের ও তোমার সমস্ত কর্মকর্তাদের উপরে ব্যাঙ উঠবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৮:১-৪)

    হারুন (আ) গিয়ে মিসরের সমস্ত পানির উপরে তার হাত বাড়িয়ে দিলেন। নদী থেকে ব্যাঙেরা উঠে এসে মিসর ছেয়ে ফেলল। অবশ্য জাদুকরেরাও তখন একই কাজ করে দেখালো, অর্থাৎ নদী থেকে ব্যাঙ উঠিয়ে আনা। তবে এতে ফারাওয়ের চিন্তা গেল না, কারণ, দেশের আসলেই ক্ষতি হচ্ছিল। তিনি মূসা (আ) ও হারুন (আ)-কে ডেকে বললেন, “তোমাদের মাবুদের কাছে ফরিয়াদ কর, যেন তিনি আমার কাছ থেকে ও আমার লোকদের কাছ থেকে এসব ব্যাঙ দূর করে দেন।” (হিজরত, ৮:৮) এতে ফারাও হিব্রু দাসদের চলে যেতে দেবেন এই কথা দিলেন। মূসা (আ) পরদিন প্রার্থনা করলেন ব্যাঙের বিষয়ে। ফলে তখনই বাড়িতে বা মাঠেঘাটের সব জায়গার অজস্র ব্যাঙ মারা গেল। বেশ দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়লো। কিন্তু ব্যাঙের আপদ তো গেল- এই ভেবে ফারাও আর মূসা (আ)-কে পাত্তা দিলেন না। ফলে তৃতীয় গজবের পালা এলো।

    তৃতীয় গজব: উকুনের আক্রমণ

    আল্লাহ আদেশ করলেন, “তুমি তোমার লাঠি তুলে ভূমির ধূলিতে প্রহার কর, তাতে সেই ধূলি উকুনে পরিণত হয়ে সারা মিসর দেশ ছেয়ে ফেলবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৮:১৬)

    মূসা (আ) আর হারুন (আ) তা-ই করলেন। ফলে মিসরের সমস্ত ধুলি উকুনে পরিণত হলো। মানুষ আর পশুর উপর উকুনের উৎপাত প্রকটাকার ধারণ করলো। কিন্তু ফারাওয়ের মন গললো না এতটুকুও।

    হিব্রু শব্দ কিনিম এর অর্থ উকুন ছাড়াও মশাও হতে পারে, এমন অনুবাদও দেখা যায়।

    চতুর্থ গজব: দংশকের আক্রমণ (২17)

    আল্লাহর বাণী এলো ফারাওয়ের উদ্দেশ্যে, “আমি তোমার উপর, তোমার কর্মকর্তাদের উপর, লোকদের ও সমস্ত বাড়ি-ঘরের উপর ডাঁশ মাছির ঝাঁক প্রেরণ করবো; মিসরীয়দের বাড়ি-ঘরগুলো, এমনকি তাদের বাসভূমিও ডাঁশ মাছিতে পরিপূর্ণ হবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৮:২১)

    মিসর দেশ ছেয়ে গেল একপ্রকারের কামড়ানো মাছির ঝাঁকে, তবে হিব্রুরা যে গোশেন এলাকায় থাকতো সেখানে পোকাগুলো যায়নি

    হিব্রু শব্দ আরৌভ দিয়ে এ পোকার ঝাঁক বোঝানো হয়। যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ফারাও অনুরোধ করলেন মূসা (আ)-কে যেন তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, এবার তিনি যেতে দেবেন হিব্রুদের। মূসা (আ) প্রার্থনা করলে পরে পোকাগুলো সব চলে গেল, একটিও থাকলো না। এবারও ফারাও তার কথার বরখেলাপ করলেন।

    পঞ্চম গজব: পশুর মৃত্যু

    ফারাওকে মূসা (আ) এবার জানালেন আল্লাহর পক্ষ থেকে, তোমার ক্ষেতে যেসব পশু রয়েছে, অর্থাৎ তোমার ঘোড়া, গাধা, উট, গরুর পাল ও ভেড়ার পালের উপর মাবুদের হাত রয়েছে; কঠিন মহামারী হবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৯:৩)

    পরদিন মিসরের সমস্ত ঘোড়া, গাধা, উট, গরুর পাল ও ভেড়ার পাল মারা গেল। তবে হিব্রুদের এলাকার কোনো পশু মরেনি। এ গজবের পর অবশ্য ফারাওয়ের মন একটুও টলেনি।

    ষষ্ঠ গজব: বিষফোঁড়া

    আল্লাহ মূসা (আ) ও হারুন (আ)-কে বললেন, “তোমরা মুষ্টি পূর্ণ করে উনুনের ছাই নাও এবং মূসা ফারাওয়ের সামনে তা আসমানের দিকে ছড়িয়ে দিক। তা সমস্ত মিসর দেশব্যাপী সূক্ষ্ম ধূলি হয়ে সেই দেশের সর্বত্র মানুষ ও পশুদের শরীরে বিষফোঁড়া জন্মাবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৯:৮-৯)

    এটা করবার পর অবশ্য এবার জাদুকরেরাও কিছু করতে পারলো না, কারণ তারাও বিষফোঁড়ার যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। কষ্ট হলেও ফারাও মূসা (আ) এর কথায় কান দিলেন না।

    সপ্তম গজব: শিলাবৃষ্টি

    “মিসরের পত্তন থেকে আজ পর্যন্ত যেরকম কখনও হয়নি, সেরকম প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি আমি আগামীকাল এই সময়ে বর্ষাবো। অতএব তুমি এখন লোক পাঠিয়ে ক্ষেতে তোমার পশু ও আর যা কিছু আছে সেই সমস্ত তাড়াতাড়ি আনাও; যে মানুষ ও পশু বাড়ির বাইরে ক্ষেতে থাকবে তাদের ওপরে শিলাবৃষ্টি হবে আর তাতে তারা মারা যাবে।” (তাওরাত, হিজরত, ৯:১৮-১৯)

    প্রচণ্ড রকমের শিলাবৃষ্টি হলো মিসরে। মানুষ-পশু নির্বিশেষে প্রায় সবাই আহত হলো, ক্ষেতের ফসল নষ্ট হলো। খাবারের অভাবে দুর্ভিক্ষই লেগে গেল (অন্যান্য কিছু গজবের ফলেও এটা হয়েছিল)। কেবল গোশেন এলাকায় শিলাবৃষ্টি হলো না। ফারাও মূসা (আ) এর কাছে লোক পাঠিয়ে মাবুদের কাছে ফরিয়াদ করতে বললেন এ বৃষ্টি আর বজ্র থামাতে। মূসা (আ) নগরের বাইরে গিয়ে দোয়া করলেন। বৃষ্টি থেমে গেল, মেঘ সরে গেল। কিন্তু ফারাও কথা রাখলেন না। বনী ইসরাইল দাসই রয়ে গেল।

    অষ্টম গজব: পঙ্গপাল (758)

    “ইবরানীদের (হিব্রুদের) মাবুদ আল্লাহ এই কথা বলেন, তুমি আমার সম্মুখে নম্র হতে কতকাল অসম্মত থাকবে? আমার সেবা করার জন্য আমার লোকদেরকে ছেড়ে দাও। কিন্তু যদি আমার লোকদেরকে ছেড়ে দিতে অসম্মত হও, তবে দেখ, আমি আগামীকাল তোমার সীমাতে পঙ্গপাল নিয়ে আসবো।” (তাওরাত, হিজরত, ১০: ৩-৪)

    এবার সভাসদেরা ফারাওকে বললেন, এই আপদকে দেশ থেকে বিদায় হতে দিন অনুগ্রহ করে। এখানে থেকে এরা আমাদের ক্ষতির কারণই হচ্ছে কেবল। কিন্তু ফারাও শোনেন কার কথা!

    যথাসময়ে পূর্ব দিক থেকে বয়ে যাওয়া বাতাসের সাথে হাজির হলো পঙ্গপাল। এরকম অবস্থা মিসর আগে কখনো দেখেনি। পঙ্গপাল সমস্ত জায়গা আচ্ছন্ন করে ফেলল, মাটির যে সবুজ লতা ও গাছপালার যে ফল শিলাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেয়েছিল, সেসব পঙ্গপাল খেয়ে ফেললো; সমস্ত মিসর দেশে গাছ বা ক্ষেতের সবুজ লতাপাতা কিছুই বাকি রইলো না।

    এবারও ফারাও একইভাবে মাবুদের কাছে ফরিয়াদ করতে বললেন মূসা (আ)-কে। মূসা (আ) এর দোয়ার পর পশ্চিম থেকে বাতাস এসে পঙ্গপাল তাড়িয়ে নিয়ে গেল। কিন্তু ফারাও যেতে দিলেন না বনী ইসরাইলকে।

    নবম গজব: আঁধার

    “তুমি (মূসা) আসমানের দিকে হাত বাড়িয়ে দাও; তাতে মিসর দেশ অন্ধকার হবে, যে অন্ধকার মানুষ খুব করে অনুভব করতে পারবে।” (তাওরাত, হিজরত, ১০:২১)

    তিন দিন পর্যন্ত সমস্ত মিসর দেশ গাঢ় অন্ধকারে ডুবে থাকলো। তিন দিন পর্যন্ত কেউ কারো মুখ দেখতে পেল না প্রাকৃতিক আলোতে। কিন্তু বনী ইসরাইলদের জন্য ছিল ব্যতিক্রম। এবার ফারাও ডেকে আনলেন মূসা (আ)-কে। বললেন, এবার তোমাদের ছেড়ে দেব। কিন্তু তোমাদের গবাদিপশু সব রেখে দিতে হবে।

    বলা বাহুল্য, মিসরের সব পশু মারা গিয়েছিল, বনী ইসরাইলেরগুলো বাদে। কিন্তু মূসা (আ) রাজি হলেন না একদম। ফারাও রেগে গিয়ে বললেন, “আমার সামনে থেকে দূর হও, সাবধান, আর কখনও আমার মুখ দর্শন করো না; কেননা যেদিন আমার মুখ দেখবে, সেদিনই তোমার মরণ হবে।”

    মূসা (আ) বললেন, “ভালই বলেছেন, আমি আপনার মুখ আর কখনও দেখবো না।”

    দশম গজব: প্রথম সন্তানের মৃত্যু

    এ গজবের কথা ইহুদীরা বিশ্বাস করে থাকে, কারণ ইহুদীদের তাওরাত এ কথা বলছে। কিন্তু ইসলামে এ গজবের কথা উল্লেখ নেই, বাকিগুলো নিয়ে সমস্যা না থাকলেও। কারণ এ গজবটি একমাত্র গজব যেখানে মানুষের প্রাণ যাবে, এর আগেরগুলোতে কোনো মানুষ মারা যায়নি।

    গজব সম্পর্কে কুরআনে বলা হয়েছে, “তারপর আমি পাকড়াও করেছি- ফেরাউনের অনুসারীদেরকে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে এবং ফল-ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে, যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।” (কুরআন, সুরা আরাফ, ৭:১৩০)

    “আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত প্রভৃতি বহুবিধ নিদর্শন একের পর এক। তারপরেও তারা গর্ব করতে থাকল। বস্তুতঃ তারা ছিল অপরাধপ্রবণ। আর তাদের উপর যখন কোনো আযাব পড়ে তখন বলে, হে মূসা, আমাদের জন্য তোমার পরওয়ারদেগারের নিকট সেই বিষয়ে দোয়া করো যা তিনি তোমার সাথে ওয়াদা করে রেখেছেন। যদি তুমি আমাদের উপর থেকে এ আযাব সরিয়ে দাও, তবে অবশ্যই আমরা ঈমান আনব তোমার উপর এবং তোমার সাথে বনী ইসরাইলদেরকে যেতে দেব। অতঃপর যখন আমি তাদের উপর থেকে আযাব তুলে নিতাম নির্ধারিত একটি সময় পর্যন্ত, যেখান পর্যন্ত তাদেরকে পৌঁছানোর উদ্দেশ্য ছিল, তখন তড়িঘড়ি তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।” (কুরআন, সুরা আরাফ, ৭:১৩৩-১৩৫)

    মোট নিদর্শনের সংখ্যা হিসেবে কুরআনে বলা হয়েছে, “আমি মূসাকে নয়টি প্রকাশ্য নিদর্শন দান করেছি।” (কুরআন, সুরা বনী ইসরাইল, ১৭:১) অবশ্য, কোথাও কোথাও এর মাঝে লাঠি থেকে সাপ হয়ে যাওয়া, এবং বগল থেকে শ্বেতশুভ্র হাত বের করাকেও অন্তর্ভুক্ত মনে করা হয়েছে।

    যা-ই হোক, ইসলামে না থাকলেও ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, দশম গজব ছিল মিসরের সকল পরিবারের প্রথম সন্তানের মৃত্যু, এমনকি পশুরও। অবশ্যই বনী ইসরাইলের কারও না। তবে, মধ্যরাতে মৃত্যুর ফেরেশতা মিসরের রাস্তায় নেমে এলে কেবল যে বাড়ির দরজায় ভেড়ার বাচ্চার রক্ত দিয়ে ছাপ দেখবেন, সেই বাড়িকে রেহাই দেবেন। তাই মূসা (আ) বনী ইসরাইলিদের এ কাজটা করতে বললেন- বাড়ির দরজায় রক্তের ছাপ দেয়া। এই রেহাই দেওয়া, বা সেই বাড়িকে পাস (pass) করে যাওয়া থেকেই আসলে ইহুদীদের উৎসব পাসওভার (passover) এর সূচনা। ভেড়ার বাচ্চা হিব্রুতে ফেসাখ নামে পরিচিত। তাই এ খুশিকে ইহুদীরা ‘ঈদুল ফেসাখ’ হিসেবে উদযাপন করে।

    সেই রাতে ফারাওয়ের নিজের প্রথম সন্তান থেকে শুরু করে কারাগারের বন্দীর প্রথম সন্তান পর্যন্ত সবাই মারা গেল, এমনকি পশুদের ক্ষেত্রেও তা-ই হলো। মাঝরাতে মিসরের সব ঘরে কান্নার রোল পড়ে গেল, কারণ সব ঘরেই যে কেউ না কেউ মারা গেছে! সন্তান হারাবার রাগে-কষ্টে ফারাও রাতেই মূসা (আ) আর হারুন (আ)-কে ডাকলেন, বললেন, “তোমরা ওঠ, বনি-ইসরাইলকে নিয়ে আমার লোকদের মধ্য থেকে বের হয়ে যাও; তোমরা যাও, তোমরা গিয়ে তোমাদের কথা অনুসারে মাবুদের এবাদত কর। ভেড়ার পাল ও গরুর সমস্ত পাল সঙ্গে নিয়ে চলে যাও, যেমনটা চেয়েছিলে এবং আমাকেও দোয়া করো।’ (তাওরাত, হিজরত, ১২:৩১ )

    সেদিন রাতেই তল্পিতল্পা গুটিয়ে বনী ইসরাইল রাজি হয়ে যায় বের হয়ে যাবার জন্য মিসর থেকে। কিন্তু সবচেয়ে বড় অলৌকিকতা তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল সামনেই।

    ইসলামে এ ‘দশম’ গজবের কোনো কথা নেই। তাছাড়া একজনের পাপের ভার অন্য মানুষ বহন করে না- এটিই ইসলামে প্রচলিত। তবে ফারাও কী কারণে অন্য গজবে রাজি না হলেও এবার রাজি হয়ে যান সেই ব্যাপারে কিছু পাওয়া যায় না ইসলামে।

    ইহুদী, খ্রিস্টান ও মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থে এ গজবগুলোর ঘটনা উল্লেখ থাকায় তারা এতে বিশ্বাস রাখেন বটে, কিন্তু ইতিহাসবিদরা বরাবরের মতোই সন্দিহান এ ব্যাপারে- আদৌ এগুলো হয়েছিল কি না। কিছু প্রত্নতত্ত্ববিদ মনে করেন, ফারাও দ্বিতীয় রামেসিসের শহর পি-রামেসিসে এ প্লেগগুলো এসেছিল। উইলিয়াম অলব্রাইটের মতো প্রত্নতত্ত্ববিদগণ অবশ্য এ দশ প্লেগের ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে বলেই মনে করেন। মিসরের উত্তর সিনাই এর আল-আরিশ শহরে পাওয়া গেছে এক প্রাচীন পানি আধার। সেখানে হায়ারোগ্লিফিকে লেখা প্রাচীন মিসরের সেই অন্ধকারে ছেয়ে যাবার ঘটনা, এবং বিস্তারিতভাবেই!

    মিসরের দ্বাদশ সাম্রাজ্যের সময় লেখা ইপুয়ের (Ipuwer) প্যাপিরাস বলছে, ‘নদীর পানি রক্ত হয়ে গেল।’ অবশ্য এ প্যাপিরাসের সব কথা ধর্মগ্রন্থের কাহিনীর সাথে মেলে না।

    মিসর ছেড়ে যাবার জন্য বেশ কিছু দূর চলে যাবার পরই ফারাওয়ের মনে জেগে ওঠে প্রতিশোধের আগুন। এবং এরপর তিনি তার বাহিনী নিয়ে পিছু নেন তাদের। এমন কিছু ঘটনারও উল্লেখ আছে ইহুদী গ্রন্থে যার বিস্তারিত বিবরণ সাধারণত ইসলামি গ্রন্থগুলোতে বর্ণিত নেই, অবশ্য অস্বীকারও করা নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    Next Article আমার শিল্পী জীবনের কথা – আব্বাসউদ্দীন আহমদ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }