Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উন্মাদ আশ্রম – ১১

    ॥ এগারো ॥

    মৃত মানুষদের সাথে জহিরের যোগাযোগের ইতিহাস আছে, তাদেরই একজনকে বসে থাকতে দেখে অবাক হওয়ার কী আছে? তবুও কাদেরের আকস্মিক আবির্ভাবে জহির খানিকটা বিচলিত হয়ে পড়ে। সামলে নিতেও সময় লাগে না, মনটা তার ভোতা হয়ে গেছে, কোনো চমকই তাকে বেশিক্ষণ বিহবল রাখতে পারে না।

    কাদেরকে দেখে বরং কিছুটা স্বস্তিই হয় তার। ধীর পায়ে এগিয়ে এসে পরিচিত বন্ধুর মতো কাদেরের পাশে বসে সে। কাদের জহিরের দিকে এমনভাবে তাকায় যেন দূর থেকে অস্পষ্ট কিছু দেখছে। তার চোখভরা বিভ্রান্তি আর বেদনা। জহিরের ভোতা মনেও মমতার ঢেউ ওঠে

    তোমার জন্য খুব মায়া হচ্ছে কাদের।

    কাদের সচকিত হয়, কিছুক্ষণ চুপ করে চেয়ে থাকে, তার দৃষ্টি জহিরের মুখ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে, ঠিক যেন মুখের ওপর তাক করতে পারছে না। একসময় দৃষ্টি তার স্থির হয়, বলে, আমি সরি জহির ভাই, আপনাকে অনেক মিথ্যা বলেছি, আমার নাম কাদের না।

    কণ্ঠ শুনে মনে হচ্ছে দেয়ালের ঐপাশ থেকে কেউ কথা বলছে। বেঁচে থাকতে এত মার্জিত ভাষায় কথা বলেনি কাদের। তাদের দুজনের মধ্যে একটা স্বচ্ছ স্থিতিস্থাপক পর্দা দুলছে, মাঝে মাঝে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে তারা। কাদেরের স্বীকারোক্তি শোনার পর জহির বুঝলো, কেন কাদেরের কোনো হদিস সে খুঁজে পায়নি। পুরনো একটা অমীমাংসিত প্রশ্নও জেগে উঠলো জহিরের মাথায়, সেদিন রাস্তায় এত লোক থাকতে কাদের কেনো তার কাছেই সাহায্য চেয়েছিলো?

    বিশ্বাসভঙ্গ হওয়ার বেদনা ছাপিয়ে কৌতূহল বাড়লো জহিরের। জিজ্ঞাসা করলো, নাম কী তোমার?

    নাম বললে হয়তো আপনি আমাকে চিনবেন, আমার নাম রাশু।

    রাশু নামটা জহিরের পরিচিত লাগে, কিন্তু হাজার হাজার স্মৃতির ভিড়ে নামটার পরিচয় সে উদ্ধার করতে পারে না। রাশুর ব্যগ্র কণ্ঠ শোনা যায়, জহির ভাই, প্লিজ চলে যাবেন না। আপনাকে সব বলতে হবে আমার, প্লিজ ভাই ৷

    পর্দাটার ঐপাশে রাশুর বিচলিত অস্থির দৃষ্টি উপরে নিচে ডানে বামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। জহির বলে, আমি এখানেই আছি রাশু, তুমি বলো।

    একটা গভীর শ্বাস নিয়ে রাশু তার গল্প বলে যায়। দুই পাড়ের দুজন মানুষের মহাজাগতিক এই আলাপ থেকে নিচের গল্পটি উদ্ধার করা হয়েছে।

    সময়ের অভিশাপে জহিরের শৈশবের সমাপ্তি হয়েছে তখন। কৈশোরের সাথে শৈশবের যেটুকু রেশ লেগে ছিলো, বয়ঃসন্ধির কূটচালে সেটুকুও মুছে গেছে। তার নাকমুখ ফুঁড়ে বের হয়েছে পৌরুষের গৌরব রেখা। দেহে পেশীর সাথে সাথে মনে কৌতূহলও বেড়েছে তার, সেই কৌতূহল এত গোপন এবং উদ্ভট যে তা প্রকাশও করতে পারে না। শিশু বয়সের অজ্ঞতা ছিলো নিষ্পাপ সরলতা, তা এখন হয়েছে লজ্জাকর মূর্খতা। পশম আর পেশীতে সেই মূর্খতা পুরোপুরি ঢাকতে পারা যায় না।

    দেহমন সব বড়ো হয়ে উঠলেও জহিরের একটা পা বড়ো হতে অস্বীকৃতি জানালো, গোঁয়ার পা-টা নিয়ে জহিরের হীনম্মন্যতার সীমা ছিলো না। তার সমস্ত গৌরব একটা পঙ্গু পায়ে এসে চুপসে যেতো। পুরুষের খাতায় নাম উঠাতে হলে যতটুকু অনিষ্ট করা দরকার, তিন হাতপা দিয়ে করে সে কুলিয়ে উঠতে পারছিলো না। আরেকটু বড়ো হওয়ার পর সে বুঝতে পেরেছিলো নারীরা স্বীকৃতি না দিলে বালকেরা পুরুষ হতে পারে না, এখানেও অপুষ্ট পায়ের ভারে সে পিছিয়ে পড়েছিলো। মেয়েদের চোখে তার জন্য সহানুভূতি যতটা ছিল প্রেম ততটা ছিল না। সহানুভূতির ভাণ্ডার তার উপচে পড়ছিলো কিন্তু প্রেমের ভাণ্ডারে শুধু ঘাটতিই ছিল।

    দুষ্ট বালকেরা মিয়াজি বাড়ির উঁচু প্রাচীরে বসে গোসলখানার ফোঁকর দিয়ে নারী দেহের গোপন সব রহস্য ভেদ করে আসলো। দুষ্ট জহিরও কম নয় কিন্তু পঙ্গু পা নিয়ে অত উঁচুতে সে চড়তে পারে না। চাক্ষুষ না করে দুষ্ট বালকদের মুখের ভাসা ভাসা বর্ণনা আর অপাঠ্য বইয়ের কালো হরফ দিয়ে নারীদেহের বাস্তব চিত্র আর কতটুকুই বা আঁকা যায়?

    কৌতূহল মেটাতে সে গিয়েছিলো কবিতার কাছে, চকলেটের প্রলোভন দেখিয়েছিলো তাকে। কিন্তু দোকানির মেয়ে কী আর চকলেটে প্রলুব্ধ হয়! জহিরের প্রস্তাবের বিনিময়ে তাকে কটাক্ষ ফিরিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছিল কবিতা। জহির ভাবলো, এইসব পাকা মেয়েগুলো ভীষণ বজ্জাত। একটু দেখালে কী এমন ক্ষতি হতো?

    পাকা মেয়েদের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে জহির নজর দিলো অবুঝ কাচা মেয়েদের দিকে। ভাবলো, সাপ ছোটো হলেও সাপ, বড় হলেও সাপ। ছোটো মেয়েগুলো অত সহজে এতবড় চকলেটের প্যাকেটকে অবহেলা করতে পারবে না।

    প্রলোভনটা পকেটে পুরে জহির হানা দেয় রত্নগড়ের মাঠে। বিকালে শাসনের বাঁধন কিছুটা শিথিল হলে ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা এখানে এসে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাধীনতা উদযাপন করে। একটা খেলা গুছিয়ে উঠতে উঠতেই অনেক সময় স্বাধীনতার মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। খেলার চেয়ে হইহল্লাই বেশি হয়, তবুও উল্লাসের কমতি হয় না তাদের। একটা উচ্ছৃঙ্খল বিকাল তাদের যে পরিমাণ আনন্দ দেয়, বড়ো মানুষেরা সারাজীবন ব্যয় করেও ততটা পায় না। এইসব বাচ্চাদের মধ্যে কবির পাটোয়ারির মেয়ে শোভাই সবচেয়ে চঞ্চল। পায়ে বিদ্যুৎ লাগিয়ে ছুটে বেড়ায় মেয়েটা, বয়স এখনো দুই অঙ্কে পৌঁছায়নি তার, উচ্ছ্বাসের আতিশয্যে এই বয়সেই পাড়ায় কিছু নিন্দুক জুটিয়ে ফেলেছে শোভা। শোভার পেটভর্তি হাসি, এতো হাসে তবুও ফুরায় না। গোমড়ামুখী মহিলারা মুখ বাঁকা করে, মেয়েমানুষের এত কীসের হাসি?

    মাঠে দুইটা চক্কর দেয়ার পর শোভার চেয়ে উপযুক্ত আর কাউকেই খুঁজে পায় না জহির। শোভাকে ডাক দিতেই তিন লাফ দিয়ে সে হাজির হয়। জহিরকে সে চিনে, উপরের ক্লাসে পড়ে। উঁচু ক্লাসের এইসব দেবতাদের রীতিমতো ভক্তি এবং ঈর্ষা করে সে। ইচ্ছে হলেই দলবেঁধে তারা স্কুল পালায়, কড়া স্যারদের বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক নামের প্রচলন করে তাদেরকে কৌতুকে পরিণত করে, স্কুলের পেছনে গিয়ে জোট বেঁধে কী যে বীরত্বের পরিকল্পনা করে শোভা জানে না, শুধু মাঝে মাঝে জটলা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখে। তাদেরই একজন তাকে তার নাম ধরে ডেকেছে, বিস্ময় আর উৎসাহের সীমা থাকে না শোভার। উপরের ক্লাসের একজন মহামানব তাকে কিছু একটা দেখানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে, এতজন ছেলেমেয়ের মধ্যে আর কাউকে না শুধু তাকেই এই সুযোগ দেয়া হয়েছে, নিজের সৌভাগ্যে তার নিজেরই বিশ্বাস হতে চায় না।

    জহিরের পেছন পেছন শোভা এসে হাজির হয় রতন বসাকের কলাবাগানের পেছনে একটা ভগ্নপ্রায় মঠের সামনে। শোভা দেখে একটা দুষ্ট বটগাছ ডালপালা মেলে দিয়ে মঠের ঘাড়ে চড়ে বসে আছে, ভদ্র বৃক্ষের মতো মাটিতে নামার কোনো লক্ষণ তার নেই। ভূতের আড্ডাখানা হিসেবে এই মঠের সুনাম আছে পাড়ায়। রত্নার মরা ঠাকুরদা নাকি সন্ধ্যার পরে মঠের চারপাশে সাদা ধবধবে ধুতি পরে ঘুরে বেড়ায়, পানিতে ডুবে মরার পর সনিয়া আপা নাকি এখানে বসেই রাত বিরাতে কাঁদে, গলায় দড়ি দেয়া ওসমান মির্জা গভীর রাতে এখান থেকেই প্রেমিকার নাম ধরে আর্তনাদ করে। শোভার যে একটু ভয় করে না তা নয়, কিন্তু রোমাঞ্চও কম হয় না। জহির ভিতরে ঢোকে, ইশারায় শোভাকেও ঢুকতে বলে। গুরুজনের আদেশ অমান্য করতে পারে না শোভা। তাছাড়া সাহসী এই অভিযাত্রার গল্প করে তিন্নি, মিলিকে কতটা চমকে দেয়া যাবে, এই চিন্তা করেই তার গর্ব হতে লাগলো।

    বিকালের মোলায়েম আলো কলা গাছের পাতা আর পুরনো ইটের ফাঁক গলে অল্পই ঢুকতে পেরেছে মঠের ভিতরে, তাতে অন্ধকারটা শুধু পাতলা হয়েছে। মঠে ঢুকে একটু হতাশই হলো শোভা, কী এক অজানা দেখার উত্তেজনা ছিল তার মধ্যে, কিন্তু মেঝেতে সিগারেটের প্যাকেট আর ফিল্টার ছাড়াও ইহজগতের নানা চিহ্নের ছড়াছড়ি। চিপস, জুসের রঙচঙে চুপসানো প্যাকেট আর ওষুধের বোতলের আশেপাশে সিরিঞ্জও দেখা গেল কয়েকটা। শোভা কপাল কুঁচকে ভাবে ভূতেরাও কি সিগারেট খায়? তাদেরও কি অসুখ বিসুখ হয়, সুঁই দেয়া লাগে?

    শোভাকে এতদূর পর্যন্ত আনতে যেহেতু প্রলোভনটার প্রয়োগ করতে হয়নি, বাকি কাজ হয়তো বিনা চকলেটেই হতে পারে। চকলেটটা দিবে কি দিবে না তা নিয়ে কিছুক্ষণ দ্বিধা করে জহির। নষ্ট করার মতো সময় জহিরের নেই, তাই সে উদার হয়। শোভার হাতে চকলেটটা দেয়, দেবতার উপহার শোভা সানন্দেই নেয়। জহির হাত দিয়ে মেঝেটা একটু পরিষ্কার করে শোভাকে বসতে বলে। সেই ‘কিছু একটা’ দেখার প্রত্যাশায় বসে পড়ে শোভা, ভাবে এটাই বোধহয় রীতি I

    কিন্তু জহির যখন তার নিরীহ ফ্রকটা নিয়ে টানাটানি শুরু করে, শোভা এই অদ্ভূত কাণ্ডের কোনো অর্থই বের করতে পারে না। জহিরের নির্লজ্জ হাত আরো অবাধ্য হয়ে উঠছে, আর শোভার অবুঝ শরীর আরো আড়ষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘটনার অভিনবত্বে শোভা বিমূঢ় হয়েছিলো কিছুক্ষণ, হাত থেকে খসে পড়েছে উপঢৌকনের চকলেট। শোভা তার দুই হাত দিয়ে জহিরকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু যে হাত মাটি নিয়ে খেলা করে, যে হাত পুতুলের চুল বাঁধে, যে হাত এখনো সখীর সাথে আড়ি নেয়, ভাব করে সে হাত দিয়ে এমন অদম্য লালসা সে কীভাবে আটকাবে ?

    শোভার সমস্ত যুদ্ধ জহিরের তিন হাত পায়ের শক্তির কাছে পরাজিত হয়। জহির চেয়ে দেখে একটা বালকের সাথে এই দেহের পার্থক্য সামান্যই। সেই সামান্য পার্থক্যটুকুতেই সে তার পুরুষত্ব জাহির করতে চায়। শোভা চিৎকার করার চেষ্টা করেও পারে না, শুধু একটা গোঙানির মতো শব্দ হয়। জহির বহুভাবে চেষ্টা করে কিন্তু একটা অপরিপক্ক দেহে পুরুষ হওয়ার প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন করতে পারে না। শোভার একটার পর একটা আর্তনাদ বুকে আটকে যাচ্ছে, গলা দিয়ে বের হচ্ছে না। অবশেষে হতাশ হয়ে উঠে পড়ে জহির। শোভার ভীত দেহটা নিস্তেজ পশুর মতো পড়ে থাকে। প্যান্টের বোতাম লাগিয়ে কাউকে কিছু না বলার আদেশ দিয়ে জহির বেরিয়ে যায়। জহির জানতেও পারলো না, একটা কোমল হৃদয়কে দুমড়ে মুচড়ে স্থায়ীভাবে বিকৃত করে রেখে গেছে সে। চিরদিনের জন্য শোভার সমস্ত হাসি ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেছে জহির।

    মঠের দেয়ালে গাঁথা পুরনো ইট, নিম্নস্তরের কিছু কীট পতঙ্গ, বিকালের অবসন্ন আলো, সন্ধ্যার আসন্ন অন্ধকার আর আকাশের ওপাড়ে বাস করা অদৃশ্য ঈশ্বর ছাড়াও শোভার এই দুর্দশার আরো একজন সাক্ষী সেদিন ছিলো। মঠের আলগা ইটের ফাঁক দিয়ে সমস্তটাই দেখেছে বালক রাও।

    রত্নগড়ের মাঠে শোভার চঞ্চল পা দুটো আর ছুটে বেড়ায় না। পাখিদের সাথে পাল্লা দিয়ে যে সারাক্ষণ কিচির মিচির করতো, ঘুম আর ধমক ছাড়া যাকে থামানো অসম্ভব ছিল, তাকে এখন প্রশ্ন করলেও জবাব পাওয়া যায় না, যদি দেয় তাও এক শব্দের বেশি খরচ করে না। বাক্যব্যয়ে এত কৃপণ সে কী করে হলো কেউ বুঝতে পারে না। যার হাসির শব্দ গোমড়ামুখো মহিলাদের গায়ে জ্বালা ধরাতো, তার হাসি হঠাৎ কী করে বিলুপ্ত হয়ে গেল ? সেদিনের মঠের আবছা অন্ধকার তার চামড়ার মধ্যে ঢুকে গেছে, পৃথিবীতে ভোর হয়, দুপুর আসে, কিন্তু শোভার মুখে সন্ধ্যা চিরস্থায়ী হয়েছে।

    শোভার বিমর্ষ, বিষণ্ণ মুখটা দেখে প্রতিবেশীরা খুশি হয়, মেয়ে মানুষ এমন লক্ষী না হলে হয়? অন্য বালিকাদের জন্য শোভা একটা উদাহরণ হয়ে ওঠে। মেয়েদের মায়েরা অবাক হয়ে যায়, কী জাদুবলে মেয়েটা এমন শান্ত হয়ে গেল? তারা মনে মনে প্রার্থনা করে উপরওয়ালা তাদের মেয়েকেও যেন এমন কৃপা করে।

    একটা আতঙ্ক বুকে পুষে শোভা ধীর পায়ে ঘাড় নুয়ে স্কুলে যায়। নিজেকে সে এমনভাবে গুটিয়ে নেয় যে তার অস্তিত্ব আলাদাভাবে লক্ষ করা যায় না। সবার মধ্যে সে অদৃশ্য হয়ে থাকে। কিন্তু এক জোড়া চোখ তাকে অনুসরণ করে যায়। শোভার ফিতাবিহীন মলিন দুটো বেণী, একটা হাতের আশ্রয়ে আরেকটা হাতকে রেখে পথচলা, ভীত হরিণীর মতো সন্ত্রস্ত চাহনি সবকিছুই আড়াল থেকে লক্ষ করে রাশু। শোভার সামনে এসে সে দাঁড়াতে পারে না, নিজেকে তার দোষী মনে হয়। কী অপরাধ তার হয়েছে সে জানে না, কিন্তু শাস্তি সেও পাচ্ছে।

    বছরের পর বছর এসে চলে যায়, কয়েক সহস্র নতুন সূর্য ওঠে, কিন্তু শোভার মুখের অন্ধকার তবুও দূর হয়না। ইতোমধ্যে শোভার শরীরে বয়স আক্রমন করে, তার দেহ ফুঁড়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করে যৌবনের নানাবিধ চিহ্ন। শোভা কী দিয়ে এই আক্রমন ঠেকাবে বুঝে উঠতে পারে না, বুকের দুটি অভিশাপ তার রক্ত মাংস খেয়ে বড়ো হচ্ছে, কন্ঠের কমনীয়তা কমে মোহনীয়তা বাড়ছে, ছেলেমানুষীর পরিধিতে কোনো অঙ্গকেই আর আটকে রাখা যাচ্ছে না। নিজের শরীরের নতুনত্ব আবিষ্কার করে আতঙ্ক তার বাড়তে থাকে। নিজেকে আরো বেশি সংকুচিত করে নেয় সে। বান্ধবীদের ফিসফিসানিতে সে অংশ নেয় না, মেয়েরা যখন মুচকি হেসে ছেলেদের মাথা খায়, সে তখন মাটির সাথেই চোখাচোখি খেলে। তারা চিঠি দেয়, হাত ধরে, প্রেম করে, চুমু খায়, বয়সের ষড়যন্ত্রে আরো অনেক দুঃসাহসিক অভিযাত্রা সম্পন্ন করে আসে। শোভা যৌবনের এইসব উদযাপন থেকে ইস্তফা দিয়ে নিজের চারপাশে একটা দেয়াল তৈরি করে তারমধ্যে ভীত হয়ে বসে থাকে।

    এরমধ্যে রাশুর স্কুলব্যাগ নামে কাঁধ থেকে, নীল দেয়া সাদা ইউনিফর্ম আশ্রয় নেয় স্মৃতিতে, শাসনের পাহারা দুর্বল হতে শুরু করে, যৌবন অবারিত সম্ভাবনা নিয়ে তাকেও হাতছানি দেয়। কিন্তু রাশু সব হাতছানি উপেক্ষা করে, শোভার দিকেই চেয়ে থাকে। এই দুটি মানুষের অদৃশ্য সংযোগ অব্যাহত থাকে।

    বয়সের সাথে সাথে রাশুর অপরাধবোধ এবং শোভার প্রতি তার মমতা দুটোই বাড়তে থাকে। শোভার মুখে অন্তত একবার সেই উচ্ছ্বল হাসি না দেখলে বোধহয় তার বালক বয়সের ভীরুতার অপরাধটার প্রায়শ্চিত্ত হবে না।

    পরীক্ষার খাতায় নম্বরের ভালো ফলন ফলায় রাশু, ভালো ছাত্র হিসেবে তার সুনাম ছিল। একটা চাকরি জুটিয়ে রাশু উপযুক্ত পাত্রের পদে উন্নীত হয়। মাথার ওপর একটা চাকরির ছায়া না থাকলে শোভার মতো লক্ষী মেয়ের বাপমায়েরা মেয়েকে হাতছাড়া করে না। বিয়ের কথা শোনামাত্র শোভার দম আটকে আসে, অজানা ত্রাসে চোখ বেয়ে নামে জলের ধারা। বাপ মা, বান্ধবীদের জেরা করে, মেয়ে গোপনে কাউকে কথা দেয়নি তো আবার? বান্ধবীরা হেসে কূল পায় না, চোখের জলের তর্জমা করে, বাপমায়ের প্রতি মায়া। একটু কাঁদা ছাড়া শোভা বিশেষ আপত্তি করতে পারে না, যৌবনের এইসব পরিণতি তাকে ভোগ করতেই হবে। একটা চাকরির ছাতার নিচে শোভা তার দেয়ালটাকে সঙ্গে করে রাশুর ঘরে চলে আসে।

    শোভার অবনত মুখের দিকে তাকিয়ে রাশুর মায়া হয়। বহুবছর আগে যে অন্যায় সে ঠেকাতে পারেনি, এবার তার প্রতিকার করবে। রাশুর প্রেমের স্পর্শে নিজেকে কেঁচোর মতো গুটিয়ে নেয় শোভা, তার কাছে পুরুষের সব স্পর্শই লালসার স্পর্শ। রাও নিজের অধৈর্য হাতকে সংযত করে, সংযমের বাধ দিয়ে প্রেমের বান আটকায়। একটা পুরুষ লোকের পাশে শুয়ে শোভার ঘুম আসে না ভয়ে। মাঝখানে কোলবালিশের পাহারাও তাকে নিশ্চিন্ত করতে পারছে না। সামান্যতম শব্দেও সে জেগে উঠছে আতঙ্কে

    রাশুর সব প্রেম শোভার অদৃশ্য দেয়ালে বাধা পেয়ে ফিরে আসে, তার আদর যত্নও শোভার প্রাচীর ডিঙাতে পারে না। রাশুর সামনে শোভার নত মস্তক কোনো সময় উন্নত হয় না। রাশু ভাবে সময়ের সাথে সাথে এই দেয়াল ক্ষয়ে যাবে, কোলবালিশের অলঙ্ঘনীয় বাধ একসময় নিজেই তুলে দিবে শোভা। শোভার হাতের মেহেদি ঝাপসা হয়ে গেছে, পায়ের আলতা মুছে গেছে, কিন্তু তার আতঙ্ক একটুও কমেনি। রাও তাকে নিয়ে গেছে পাহাড়ে, সমুদ্রে, বনে কিন্তু শোভার চোখ নিজের পা ছাড়া আর কিছুই দেখার উৎসাহ পায়নি। প্রথম প্রথম সবাই ভেবেছে, রাশুর বউ খুব লাজুক। পরে বিভিন্ন লক্ষণে প্রকাশ পেয়েছে, বউ আসলে লাজুক না, ভীতু। পুরুষ লোকের কণ্ঠ শুনলেই কেমন মুষঢ়ে পড়ে, এমনকি ফেরিওয়ালার হাঁক শুনলেও ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়।

    শোভার আচরণ মাঝে মাঝে অপমানজনক লাগে রাশুর কাছে, সেদিন রাশু হাত ধরাতে শোভার শ্বাসটান উঠে গিয়েছিলো, অফিস থেকে ফিরে রাও হঠাৎ দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকতেই ভয়ে শোভা হাত থেকে চায়ের কাপটা ফেলে রীতিমতো কাঁপতে থাকে। আধুনিক কী একটা দিবসকে উপলক্ষ করে রাও সেদিন ফুল আর চকলেট এনেছিলো, তা দেখে শোভা প্রায় অর্ধেক রাত পর্যন্ত বাথরুম থেকে বের হয়নি। ফুলের প্রতি তার কোনো মোহ নেই, চকলেটে আছে ভীতি।

    মাঝে মাঝে হতাশ লাগে রাশুর। ভাবে, সে চাইলেই কোলবালিশের দুর্বল দেয়ালটাকে উচ্ছেদ করতে পারে। প্রেমে যাকে জয় করা যায় না, তাকে শক্তি দিয়ে অনায়াসে নিজের করা যায়। জোর করে একবার অধিকার স্থাপন করলে হয়তো শোভা নিজেই নিজেকে সপে দেয়া শিখবে। এই ভাবনাটা প্রতিদিন তার সংযমের বাধে একটু একটু করে ফাটল ধরায়। একদিন রাতে প্রেমের জোয়ারে রাশুর অধৈর্য হাত কোলবালিশের নিষেধ অমান্য করে ঐপাড়ে চলে আসে। শোভা যেভাবে সংকুচিত হয়, তাতে লজ্জার চেয়ে ভয় আর ঘৃণাই মিশে থাকে বেশি। ঘৃণাটাই শুধু দেখে রাশুর পুরুষ চোখ, ক্ষুণ্ণ হয় সে। মুহূর্তেই কোলবালিশটাকে বহিষ্কার করে পাঠিয়ে দেয় বিছানার অপর প্রান্তে। স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে রাশুর সবগুলো অঙ্গ, নিজ নিজ অধিকার স্থাপনে তারা শোভার শরীর দখল করতে থাকে। রাশুর উগ্র চুমুগুলোকে বিষাক্ত ছোবলের মতো লাগছে শোভার। সে কিছুক্ষণ লড়াই করার চেষ্টা করে, কিন্তু পুরুষের শক্তির কাছে সে আরেকবার অসহায় হয়ে যায়। হাত মুঠো করে সে আড়ষ্ট দেহ নিয়ে পড়ে থাকে কোনোমতে। শোভার আর্তনাদগুলো আবারও গলায় আটকে শুধু গোঙানিটা বের হয়। মঠের বাহিরে দাঁড়িয়ে এই ব্যর্থ আর্তনাদগুলো একদিন রাশু শুনেছিলো, কিন্তু আজ এতকাছে থেকেও সেগুলো তার কান পর্যন্ত পৌঁছায় না।

    শোভার পুরো দেহে বিজয় নিশানা উড়িয়ে রাশু নিজের আহত পুরুষত্বের প্রতিকার করলো। একটা সান্ত্বনার চুমু খায় সে শোভার গালে, চুমুটা কেনো যেন নোনতা লাগে তার কাছে, শোভা কাঁদছে? হাসাতে গিয়ে শোভাকে সে কাঁদিয়েই ছাড়লো? রাশুর মনের ভিতর একটা বেদনা পাক দিয়ে ওঠে, কিন্তু সঙ্গমক্লান্তির কারণে সহানুভূতিটা মুহূর্তেই ঝিমিয়ে পড়ে। সকাল হোক, সব ঠিক করে নিবে সে। শোভার লজ্জা, ভয় ভাঙ্গার জন্য এইটুকু ব্যথা না দিয়ে তার উপায় ছিলো না, কিছুদিন পরে হয়তো এইটুকু অত্যাচারের জন্য শোভা তার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবে। কোলবালিশটাকে জড়িয়ে ধরে পরিতৃপ্তি নিয়ে ঘুমিয়ে যায় রাশু।

    সকালে ঘুম ভেঙ্গে বিছানার অন্য পাশে শূন্যতা দেখে অবাক হয় রাশু। রাতের পাতলা ঘুম ভোরবেলা একটু গাঢ় হয় শোভার। চোখ খুলে শোভার ঘুমন্ত মুখ দেখা রাশুর একরকম অভ্যাস হয়ে গেছে। বালিশে শোভার মাথার ছাপ লেগে আছে এখনো, রাশু হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেখে বালিশ বিছানায় কোনো উত্তাপ নেই। শোভার পরাজিত জামাকাপড় ধ্বংসাবশেষের মতো লুটিয়ে পড়ে আছে এদিক সেদিক। বিছানার নিচের দিকে একটা বেতের মোড়া কাত হয়ে শুয়ে আছে, তার ঠিক তিন ইঞ্চি উপরে শোভার পায়ের পাতা দুটো টানটান হয়ে আছে, যেন বিছানা ছোঁয়ার চেষ্টা করছে। রাশু হতবিহ্বল হয়ে তাকিয়ে দেখে, সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে শোভার নগ্ন দেহ। পৃথিবীর সমস্ত পুরুষ, যারা তার লজ্জার আবরণ ভাঙতে চেয়েছে, নির্লজ্জ হয়ে তাদের প্রতি কী নির্মম উপহাসটাই করলো শোভা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }