Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উন্মাদ আশ্রম – ৬

    ॥ ছয় ॥

    পায়ে রোদের উষ্ণ স্পর্শ পেয়ে ঘড়ি না দেখেও জহির বুঝতে পারলো এখন দুপুরবেলা। গগণ বাবুর বাড়ির ভাগ্যবান ইটগুলো রোদ শুষে নিচ্ছে। জহির বসে বসে চিন্তা করছে, কাদেরের লাশটা কি এখনো তার বিছানায় কাত হয়ে পড়ে আছে? লাল বৃত্তটা শুকিয়ে নিশ্চয়ই এতক্ষণে খয়েরি হয়ে গেছে, একটা লাশ পেয়ে পোকামাকড়েরা হয়তো তাদের ভাগ নিতে এসে পড়েছে। পিঁপড়াদের ব্যস্ত দল হয়তো তার নাকে কানে ঢুকে এবড়ো সৌভাগ্যে আত্মহারা হয়ে গেছে, মাছিরা নিশ্চিন্তে নাকমুখের উপর বসছে, শুকনো রক্তের উপর নাচানাচি করছে। অথবা পাশের রুমের চোর স্বভাবের লোকটা দরজা খোলা পেয়ে পা টিপে ঘরে ঢুকেই আঁতকে উঠেছে। আবার সকালবেলা আলমাস মিয়া ব্রাশটা মুখে পুরে ভাড়ার জন্য তাগাদা দিতেও আসতে পারে। তাদের কোলাহলে কিছু পোকামকড় সাহস করে লাশে নিজেদের দখল বজায় রাখলেও, মহিলাদের চিৎকারে বাকিরাও পালাতে বাধ্য হবে। স্তিমিত, নিস্তেজ লোকালয়ের পানসে সকালটা একটা হত্যাকাণ্ডে পুরো রঙিন হয়ে যাবে। আলমাস মিয়ার কুৎসিত বাড়িটা হয়ে যাবে দর্শনীয় স্থান। মানুষের ভিড় লেগে যাবে বাড়ির সামনে। সারাদিন বাড়িতে বাসন কোসন মাজা, রান্নাবান্না করা গৃহিণীরা তাদের নিরুত্তাপ জীবনে একটু উত্তেজনা আনার জন্য লাশ দেখতে চলে আসবে। তাও আবার খুন হওয়া লাশ। ও মাগো!’ সঙ্গম বঞ্চিত এইসব মহিলারা লাশ দেখে ঘন ঘন শিহরিত হয়।

    পুলিশ এসে ভিড় কমাতে চাইবে, তাতে মানুষের কৌতূহল আরো বেড়ে যাবে, কেউ নড়বে না। সাংবাদিকরা এসে ক্যামেরা মাইক্রোফোন নিয়ে পুলিশের চেয়ে বেশি ছোটাছুটি করবে। তারা খুনের মধ্যে কোনোভাবে নারী কেলেংকারি অথবা রাজনীতির রঙ চড়াতে না পেরে একটা চটকদার খবর হাতছাড়া হওয়ার হতাশায় ঘন ঘন সিগারেট টানবে আর ক্যামেরাম্যানকে বকবে। আলমাস মিয়া তিনমাসের ভাড়ার শোক সইতে না পেরে যেতো পুলিশ আর সাংবাদিকদের কাছে বারবার আবদার, অভিযোগ করলে। এতসব উৎসব উত্তেজনার মধ্যে তার মুখটাকেই সবচেয়ে বেশি তোপ দেখাবে, তার নিরীহ বাড়িটা কিছু না করেই শুধু শুধু কলঙ্কিত হলো, তার ওপর তিনমাসের অনাদায়ী ভাড়া।

    জহির নিজের চিহ্ন ঘরব্যাপী ছড়িয়ে রেখে এসেছে। অতি বুদ্ধিমান মানুষ ও এমন পরিস্থিতিতে বোকা হয়ে যায়। পুলিশ এবং উপস্থিত সবাই তাকেই এতক্ষণে অপরাধী সাব্যস্ত করে ফেলেছে। কেউ তাকে বিশ্বাস করবে না।

    স্যার কী মনে হয়, কামটা কে করতে পারে? মোফাজ্জল মিয়া না তো?

    কাকটা কখন এসে তার পায়ের কাছে বসে রোদ পোহাচ্ছে, জহির টের পায়নি। সে মোফাজ্জল মিয়ার কথা ভেবেছে একবার, কিন্তু সেই সম্ভাবনা একেবারেই কম। মোফাজ্জল মিয়া যে পান খেয়েছে তাতে দুইদিনেও তার ঘুম ভাঙবে না, তিনদিন লাগবে নিজের নাম মনে করতে। আর সে কিংবা তার পেছনে যারা আছে, তারা যদি মারতেই চায় শুধু কাদেরকে কেন, তাকেও কেন মারলো না? কাকটা আবার বলে উঠলো, এইটাও ঠিক। জ্ঞানী মানুষের সাথে একটু পরামর্শ করবেন নাকি? কবি বিশ্বম্বর পালের ধ্যান মনে হয় শেষ হইছে।

    কাকটা কি তার মনের কথাও বুঝে ফেলছে? জহিরের ইচ্ছা করছে কাকটাকে একটা লাথি মেরে সরিয়ে দিতে। কিন্তু পারছে না, কাকটা বসেছে তার পঙ্গু পায়ের কাছে, ভালো পায়ের নাগালের বাহিরে।

    কোনোভাবেই কাক থেকে মুক্তি না পেয়ে জহির দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। কাকদের কাজ হচ্ছে টোকাইদের সাথে মিলে ডাস্টবিনে গিয়ে খাবার খোঁজা, স হলে মানুষের মাথায়, নিদেনপক্ষে জামা কাপড়ে মল ত্যাগ করা, পিপাসা লাগলে কলসিতে পাথর ফেলা, গায়ের কুসংস্কারাচ্ছন্ন বধুর মনে কুলক্ষণ জাগানো, ইলেক্ট্রিক তারে বসে কাকবন্ধুদের সাথে মিলে কারণে অকারণে কা কা করা। কিন্তু মানুষের সাথে মানুষের ভাষায় কথা বলা কাকদের জন্য কেবল অনুচিতই নয়, রীতিমত অন্যায়।

    প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বরখেলাপ করা এই বেয়াদব কাকটাকে এড়ানোর জন্য জহির উঠে দাঁড়ালো, দেয়াল ধরে সে চলে এলো একেবারে শেষমাথার একটা ঘরে। এই ঘরেও কিছুটা রোদ চৌকানা হয়ে পাপোশের মতো মেঝেতে পড়ে আছে। এইটুকু আলোর জন্য ঘরের বাকি অংশ একটু বেশিই অন্ধকার লাগছে। আলো আঁধারের বৈষম্য চোখে সয়ে আসার পর ঘরে মনুষ্যবসতির বিভিন্ন চিহ্ন চোখে পড়লো জহিরের। কাপড়ের বোচকা, মেঝেতে গলে যাওয়া মোম, হাড়ি পাতিল, বিছানা, সভ্যতার এইসব নিদর্শন দেখে কিছুটা স্বস্তি পেল জহির। দক্ষিণের দেয়ালের দিকে তাকাতেই জহির দেখলো, একটা মধ্যবয়স্ক লোক চোখ বন্ধ করে পিঠ ঠেকিয়ে সোজা হয়ে বসে আছে। মানুষের চিহ্ন দেখে যে স্বস্তি সে পেয়েছিলো, মানুষ দেখে তার অধিকাংশই উবে গেল। লোকটা আপাদমস্তক নগ্ন, এতসব জড় সভ্যতার মধ্যে লোকটা যেন জ্বলজ্যান্ত অসভ্যতা। গগণ বাবুও এই লোকটার তুলনায় কিছুটা পর্দাশীল। কাপড়চোপড়ের সাথে এদের কী এমন শত্রুতা, জহির ভেবে পায় না। এই লোকটাই সম্ভবত কবি বিশ্বম্বর পাল। যেহেতু এই ঘরে ছবি আঁকার কোনো সরঞ্জাম চোখে পড়ছে না, লোকটাকে দেখে যথেষ্ট শাস্ত মনে হচ্ছে, কামড়ে দেয়ার মতো কোনো লক্ষণও তার মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। বিশ্বম্বর পাল দেয়ালের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে ভালো করে না দেখলে তার অস্তিত্ব আলাদা করে বোঝা যায় না। জহির চলে যাবে নাকি থাকবে এই সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে দাঁড়িয়ে উশখুশ করছে। ঠিক সেই সময় চোখ খুললো কবি বিশ্বম্বর পাল, একটা নগ্ন লোকের চোখের দিকে তাকাতে পারছে না জহির, আবার চোখ ছাড়া অন্যদিকে তাকানোর কোনো উপায়ও লোকটা রাখেনি। আড়ষ্ট হয়ে সে এদিক সেদিক তাকাচ্ছে।

    লজ্জা পাবেন না, বসুন।

    বিশ্বম্বর পালের কণ্ঠে কোনো বিচলন নেই। জহিরকে দেখে সে অবাক হলো না, লজ্জাও পেলো না, যেন তার অপেক্ষাতেই বসে ছিল। তার কন্ঠে এমন দৃঢ়তা ছিল যে কথাটা অনেকটা আদেশের মতো শোনালো। সেই আদেশ অমান্য করতে পারলো না জহির। তাছাড়া একটা কাকের সাথে কথা বলার চেয়ে নগ্ন মানুষের সাথে আলাপ করাও বেশি স্বস্তিদায়ক। জহির বসলো কিন্তু বিশ্বম্বর পালের দিকে তাকাতে পারছে না এখনো।

    বিশ্বম্বর পাল বললো, আপনি যদি আমার মুখের দিকে না তাকান, তাহলে আমি অপমানিত বোধ করবো।

    ঘরের ছাদ, দেয়াল পেরিয়ে জহিরের দৃষ্টি বিশম্বর পালের মুখে স্থির হলো। কিন্তু তার চোখের মণি দুটো এত ভারী হয়ে গেছে যে, সেগুলোকে উপরের দিকে তুলে ধরে রাখতে অনেক কসরত করতে হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন মুখে একটা ব্রণ হলে চোখ যেমন বারবার ব্রণের দিকেই চলে যায়, জহিরের চোখও নিচের দিকে চলে যেতে চাচ্ছে। বিশ্বম্বর পাল হাসলো।

    পোশাক আমি পরিনি, অথচ লজ্জা আপনি পাচ্ছেন। কেন? আমার চামড়া দেখা যাচ্ছে তাই?

    জহির কিছু বলতে পারলো না। চুপচাপ সে চোখের কসরত করতে লাগলো। বিশম্বর পাল বললো, চামড়া দেখে এত ব্ৰিত আপনি হননি, যদি আমার পুরো গা নগ্ন থাকতো কেবল আমার দুই উরুর মাঝে জননাঙ্গটাকে কিছু একটা দিয়ে ঢেকে রাখতাম, তাহলে আপনি এত লজ্জা পেতেন না। ঐ একটা অঙ্গতেই আপনার এত লজ্জা, অথচ হাত পায়ের মতো সেটাও একটা স্বাভাবিক অঙ্গ। শুধু

    স্থির হয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকার পর লজ্জার প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে জহিরের চিন্তা করার ক্ষমতা ফিরে এলো। বললো, হাত পা আমরা প্রতিদিন দেখি, এই অঙ্গটা সবাই ঢেকে রাখে, দেখে অভ্যাস নেই, তাই লজ্জা পাই।

    ঠিক বলেছেন, সেজন্যই আমি অভ্যাস করছি, প্রতিদিন কিছু সময় নগ্ন হয়ে প্রকৃতির সাথে মিশে যাই, প্রথম প্রথম আমারও লজ্জা লাগতো, এখন আর লাগে না। কিন্তু মানুষ খুব অদ্ভুত, যে অঙ্গ সে প্রতিদিন নিজের অথবা সঙ্গীর দেহে দেখে, একই অঙ্গ আরেকজনের দেহে দেখে লজ্জা পায়, ভয় পায়, আঁতকে ওঠে, চিৎকার করে, লাঠি দিয়ে মারতেও আসে। আমাকে মারলে অন্যায় হয় না, কারণ পোশাক ত্যাগ করে আমি পশু হয়েছি। অথচ বুকের মধ্যে ঘৃণা আর হিংস্রতা জমিয়ে রেখেও শুধু পোশাক পরার কারণে তারা সভ্য মানুষ।

    কিছুটা অভিযোগের মতো শোনায় বিশ্বম্বর পালের কথাগুলো। তবুও কী যেন একটা অভিনবত্ব আছে কথাগুলোয়, জহিরের মাথায় ঢুকে কোথায় যেন একটু নাড়িয়ে দিলো। আগে তো কখনো এমন হয়নি। মস্তিষ্কের যেসব অংশে মায়া মমতা আছে, অনুশোচনা আছে, সৌন্দর্য আছে, লৌকিকতার বাহিরে চিন্তা করার ক্ষমতা আছে সেইসব অংশ তার ইস্পাতে মোড়ানো ছিল। যে কথায় লাভ ক্ষতির হিসাব নেই, লোভের রঙ নেই, স্বার্থের সুবাস নেই এমন কথা মাথায় ঢুকে টুং টাং শব্দ করে বেরিয়ে যেতো।

    বিশম্বর বাবু জিজ্ঞাসা করলো, কবিতার সাথে পরিচয় আছে?

    জহির ভাবলো, কবিরা সবশেষে নারী আর কবিতাতেই ফিরে আসে। কবিতার সাথে কিছুটা পরিচয় তার ছিল, কৈশোরে মুদি দোকানির মেয়ে কবিতাকে এক প্যাকেট চকলেট হাতে দিয়ে একটা কুপ্রস্তাব দিয়েছিলো সে। সেই থেকে কবিতা আর কখনো তার সাথে কথা বলেনি। কিন্তু বিশ্বম্বর পাল নিশ্চয়ই সেই কবিতার কথা বলেনি। সে মাথা নেড়ে কবিতা সম্পর্কে নিজের অজ্ঞতা জানালো, আর মনে মনে শঙ্কিত হয়ে থাকলো। এবার হয়তো বিশ্বম্বর পাল তাকে কবিতা বোঝানোর জন্য স্বরচিত দুইটা কবিতা শুনিয়ে নির্যাতন শুরু করবে।

    কবিতা শোনানোর কোনো লক্ষণ বিশ্বম্বর পালের মধ্যে দেখা গেল না। বললো, কবিদের সাথে নিশ্চয়ই পরিচয় আছে?

    কবিতার সাথে পরিচয় না থাকলেও কবিদের সাথে জহিরের কিঞ্চিৎ পরিচয় আছে। রাস্তাঘাটে চলতে গেলে দুই একজন কবির সাথে ধাক্কা লেগেই যায়। কিছু কবি খদ্দরের পাঞ্জাবি আর পাটের ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে নিজের কবিত্বের বিজ্ঞাপন করে বেড়ায়। এমন কবিরা অবশ্য বিলুপ্তির পথে, এখন কবিরা ইউনিফর্ম পরে না, কাঁধে ব্যাগ ঝোলায় না, চোখেমুখে বিরক্তি আর হতাশা ঝুলিয়ে রাখে। দুইটা প্রশংসা আর একটা সিগারেটের বিনিময়ে তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বকবক করতে পারে। জহির সাধারণত কবিদের এড়িয়ে চলে, তাদের পকেটে টাকা থাকে না, কিন্তু দেহভর্তি থাকে অহংকারে।

    আপনি কোনো সুখী কবি দেখেছেন?

    জহির মনে করতে পারে না। বিশ্বম্বর পাল বলে, যৌবনে কবিতা লিখতাম আমি, মানুষ সেসব কবিতা নিয়ে মাতামাতি করেছে। কিন্তু আমার মনে হয় যেসব কবিতা আমি লিখিনি, সেগুলোই আমার ভালো কবিতা। কবিদের সাথে দীর্ঘদিন উঠাবসা করেছি, আড্ডা দিয়েছি, কার কবিতা হয় না, কে ছোটো কবি, কে অকবি তা নিয়ে গবেষণা করেছি। কবিতার চেয়ে আমরা কুৎসা রচনা করেছি বেশি। আমি আমার আশেপাশে কখনো কোনো সুখী কবি দেখিনি। আমি ভাবতাম, কবিরা সবসময় এত অসুখী হয় কেন? পরে দেখলাম, কবিরা খুবই হিংসুটে আর নার্সিসিস্ট স্বভাবের হয়। সে চায় শুধু তাকে নিয়েই মাতামাতি হোক, সব পুরস্কার শুধু তাকেই দেয়া হোক, তার শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিয়ে অন্য কবিরা তাকে রাজকবি হিসেবে বরণ করে নিক। রাজকবি হতে না পেরে তারা নারাজ কবি হয়ে থাকে।

    আপনিও কি অসুখী?

    জহিরের দিকে তাকিয়ে আরেকবার হাসলো বিশ্বম্বর পাল, হাসির ব্যাপারে লোকটা অকৃপণ। বললো, প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি বহু আগে। যখন কালো সরিয়ে আলো দেখা শুরু করলাম, তখন কবি বিশ্বম্বর পাল থেকে আমি হয়ে গেলাম বিশু পাগলা। যদি আমার কবি পরিচয় বহাল থাকে, তাহলে আপনার ভাগ্য ভালো, একজন সুখী কবি আপনার সামনে বসে আছে।

    ঠিক তখন জহির দেখলো, কাকটা হেঁটে হেঁটে তার পাশে এসে বসেছে। বিজ্ঞের মতো বললো, পাগল না হইলে মনে হয় সুখী হওয়া যায় না, কী কন স্যার?

    কাকের কথা শুনে জহিরের মুখের আবহাওয়া বদলে গেল। চেহারায় মেঘ জমেছে, চোখে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, নাকে জমেছে বিন্দু বিন্দু দুশ্চিন্তা। সে বিশ্বম্বর পালের দিকে ঝুকে গলা নিচু করে বললো, কাকটা কী বললো শুনতে পারলেন?

    বিশম্বর পাল ভ্রু কুঁচকে চেহারায় বিভ্রান্তি ফুটিয়ে তুললো। তার মুখ দেখেই জহির বুঝতে পারলো সে ছাড়া কাকটাকে আর কেউ দেখতে পাচ্ছে না।

    উন্মাদ হওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট। আকুতিমাখা কণ্ঠে সে বললো, আমাকে একটু হেল্প করেন প্লিজ, আমি মনে হয় পাগল হয়ে যাচ্ছি।

    মরিয়া হয়ে গেলে মানুষ কতকিছুই করে, জহির পাগল হওয়া থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য চাইছে তার সামনে নগ্ন হয়ে বসে থাকা একজন স্বীকৃত পাগলের কাছে। বিশ্বম্বর পাল শান্ত গলায় বললো, পাগল হওয়া এত সোজা না, আপনি শান্ত হন। আপনি কি কোনো কাক দেখতে পাচ্ছেন এখানে?

    জ্বী ৷

    কাকটা কি আপনার সাথে কথা বলে?

    জ্বী।

    কাকের ভাষায় বলে?

    না, সেটাই তো সমস্যা। বেয়াদবটা মানুষের মতো মানুষের ভাষায় কথা বলে।

    ভাষায় আঞ্চলিকতা আছে?

    আছে, কিছুটা।

    আপনি ছোটোবেলায় যে অঞ্চলে বড়ো হয়েছেন, সে অঞ্চলের ভাষায়?

    এবার জহির থমকে গেল। তাইতো, কাকটা তার ভাষাতেই কথা বলছে, যে ভাষাতে সে চিন্তা করে। বিশ্বম্বর পাল কিছুক্ষণ ভেবে বললো, দেখুন আমাদের সবার মধ্যেই অন্ধকার আছে, আপনারটা হয়তো কোনোভাবে বেরিয়ে এসেছে।

    জহিরের মধ্যে আকস্মিক স্থিরতা দেখা গেল, থমথমে মুখে সে বললো, এখন আমি কী করবো?

    ইউ শুড লিসেন টু দ্যাট ক্রো।

    কী বলেন! একটা কাকের সাথে কথা বলবো? তাও আবার কাল্পনিক কাক।

    হ্যাঁ, আমার মনে হয় আপনার উপকার হবে তাতে এবং চাইলে কাকটার জন্য একটা নামও ঠিক করতে পারেন।

    জহির চুপ করে রইলো, আড়চোখে কাকটাকে দেখে বিরক্তি বাড়ছে তার। বিশ্বম্বর পাল কিছুক্ষণ নিজের দাড়ি চুলকে নিজেই একটা নাম বের করে আনলো। বললো, ভালো একটা নাম পেয়েছি, কাকটার নাম হবে ভ্রমর, জিনিসটা আপনার ভ্রম এবং তা কালো।

    কাকটা ডান পায়ে মেঝেটা দুইবার আঘাত করলো। উচ্ছ্বসিত গলায় বললো, নাম পছন্দ হইছে স্যার।

    একটা নামের কারণে বাস্তব এবং অবাস্তবের ব্যবধান অনেকখানি কমে আসে। ভ্রমরকে আর অগ্রাহ্য করে না জহির, এই কাকটার অস্তিত্বকে সে স্বীকৃতি দিয়েছে। রাতে ঘুম আসে না জহিরের, ভ্রমরের সাথে আলাপ করে তখন। তারা অধিকাংশ সময় কাদেরকে নিয়ে কথা বলে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, কাদেরকে নিয়ে কোনো একজনের সাথে কথা বলতে পেরে জহির স্বস্তি পায়। হোক কাল্পনিক কাক, ভ্রমর হয়ে ওঠে তার প্রিয় সঙ্গী। আলাপের এক পর্যায়ে ভ্রমর বলে, জুয়াড়িদের অনেক শত্রু থাকে স্যার, তাদের মধ্যে কেউ একজন হয়তো খুনটা করছে।

    জহির মাথা নাড়ে।

    এমন কোনো শত্রু থাকলে কাদেরের মতো বাঁচাল একবার অন্তত বলতো আমার কাছে, আর খুন যেই করুক, একই ঘরে একজনকে খুন করবে, আরেকজনের ঘুমও নষ্ট করবে না, এইটা কেমন কথা !

    আপনারে না মারলে তাদেরই সুবিধা, একজনকে মারলো, আরেকজনকে ফাসাইলো I

    যুক্তি অস্বীকার করতে পারে না জহির। তারপরও খটকা রয়ে যায়, একটা মানুষ তার পাশে খুন হয়ে গেল, সে টেরও পেলো না? ঘুম ভেঙ্গে আবছা আলোতে ঘরের মধ্যে প্রতিরোধের কোনো চিহ্ন দেখতে পায়নি জহির। শুয়ে থাকা অবয়বটা দেখে মনে হয়েছে, লাশের সাথে খুনির সমঝোতা হয়েছে। এত পরিপাটি একটা হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটানো হলো?

    কাকটা ধীর পায়ে পায়চারি করছে, দেখে মনে হচ্ছে কী যেন চিন্তা করছে। দৃশ্যটা অদ্ভুত, কিন্তু জহিরের কাছে একটুও অস্বাভাবিক লাগছে না। কাকটা থামলো হঠাৎ। বললো, কাদেরের যদি শত্রু না থাকে, তাতে কী হইছে, আপনার তো শত্রুর অভাব নাই। কেউ হয়তো, ভুলে কাদেরকে মারছে। আর যদি ভুল না কইরা থাকে, তাইলে আপনারে ফাসানোর জন্যই খুনটা করছে।

    আমার শত্রু কে আবার?

    ভ্রমর হাসলো, স্যার কি ভুইলা গেছেন?

    ভ্রমরের হাসিটা ব্যঙ্গের মতোই শোনালো। কত মানুষের সর্বনাশ করেছে জহির, সর্বস্ব লুটে নিয়ে নিঃস্ব করে দিয়েছে, কত স্বপ্ন নষ্ট হয়েছে তার কারণে, কত বিশ্বাস যে সে ভেঙ্গেছে, কয়েকদিন আগেও সেইসব হিসাব করে গর্ব হতো জহিরের। ঠিকই তো, বহু হাত নিশপিশ করছে প্রতিশোধের আশায়, জহিরকে নাগালে না পাওয়ায় অনেক ভদ্র মানুষ হন্তারক হয়ে উঠতে পারছে না।

    কে তাহলে?

    জহিরের মস্তিষ্কে একের পর এক শিকার তাদের বোকা চেহারা নিয়ে হাজির হয়। জহির খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, ক্ষোভ আর ক্ষতির পরিমাণ মেপে সম্ভাব্য শত্রু শনাক্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু একটা ব্যাপার লক্ষ করে অবাক হয় জহির, এই প্রথম এইসব মানুষের হতাশ, তাজ্জব মুখগুলো কল্পনা করে তার কোনো আনন্দ হচ্ছে না। জহির বুঝে উঠতে পারে না, কিন্তু কিছু একটা বদলে গেছে তার মধ্যে।

    জহির দিনের বেলা ঘুরে ঘুরে চ্যাডউইক সাহেবের শখের ধ্বংসাবশেষ দেখে। কল্পনায় বাড়ির এই কঙ্কালটাতে আস্তর চড়িয়ে রঙ করে, কারুকাজ করা কাঠের দরজা জানালা লাগায়, আসবাব দিয়ে ভরিয়ে ফেলে ঘরগুলো, ঝোপঝাড় ছেঁটে বাগানে ফুল ফোটায়। চ্যাডউইক সাহেব বসে থাকে ভিতরের বারান্দার আর্মচেয়ারে, বুকে তার ডানা মেলে শুয়ে থাকে একটা ইংরেজি উপন্যাস। আবার মাঝে মাঝে মদের গ্লাস হাতে আরক্ত চোখে সন্ধ্যার অন্ধকারে মিলিয়ে যায় ব্রিটিশ সাহেব। এই বাড়ির মাঝখানে খোলা মঞ্চে ইসমত আরা বাই গান গায়, মল বাজিয়ে নাচে, মণিমুক্তার মাঝে জ্বলজ্বল করে রাজার ভাতুষ্পুত্রের কামার্ত চোখ। নিজের কল্পনায় ডুবে গিয়ে আবার ভেসে ওঠে জহির, মাঝে মাঝে ভাসতে পারে না সে, তলিয়েই যেতে থাকে। এই বাড়ির অতীত চরিত্রগুলো আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে তখন, কোনো কোনোদিন তাদের সাথে চোখাচোখি হয়ে যায়। চ্যাডউইক সাহেব একদিন বিস্মিত হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করেছে, হু আর ইউ? আরেকদিন ইসমত আরা বাই তাকে অন্দরমহলে দেখে চোখ রাঙিয়ে ধমকে বলেছিলো, নিকাল যাও ইয়াহা সে।

    একটা অবাস্তব কাক তখন জহিরকে বাস্তবতায় টেনে আনে।

    স্যার, আপনার লক্ষণ তো সুবিধার না, এই বাড়িতে বেশিদিন থাকলে ভালো মানুষও পাগল হইয়া যাইবো।

    কিন্তু যখনই জহির ভাবে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে, তখন কী একটা আকর্ষণ তাকে সেই বন্ধ দরজার সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দেয়। এই আকর্ষণ লোভ কিংবা কৌতূহলের না, তারচেয়েও তীব্র কিছুর। দরজায় কোনো তালা নেই, আংটা নেই, মনে হয় যেন ভিতর থেকে কেউ বন্ধ করে রেখেছে। স্পর্শ করেও সে বুঝতে পারে না, কাঠ, লোহা নাকি অন্যকিছু দিয়ে তৈরি এই দরজা। গগণ বাবুকে একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলো সে। গগণ বাবু রহস্য ভাঙ্গেনি, শুধু বলেছিলো, সঠিক সময়ে অবশ্যই জানতে পারবেন।

    বিশ্বম্বর বাবুকে জিজ্ঞাসা করায়, সেও মাথা নাড়লো, আই নো নাথিং অফ ইট।

    চিত্রকর জোবায়ের আল মামুনের সাথেও দেখা হয়েছে জহিরের। গগণ বাবু আর বিশ্বশ্বর বাবুর মতো এই লোকটা পোশাকবিরোধী না। বরং একটু অতিরিক্ত পোশাকপ্রীতি আছে তার। গায়ে তার তিন চারটা জামা চাপানো, নিচে লুঙ্গি পরা, লুঙ্গির নিচ দিয়ে ছাই রঙের প্যান্ট বেরিয়ে থাকে।

    ছোটোখাটো লোকটার জামার ভিতর থেকে বের হয়েছে দুটো শুকনো নড়বড়ে হাত, মাথায় পাতলা চুলের আড়ালে টাক দেখা যায়, ভাঙা এবরোথেবড়ো গালে কাঁচাপাকা ফিনফিনে দাড়ি, কপালের নিচে চোখ দুটো যেন তাড়াহুড়া করে কোনোমতে বসানো হয়েছে। তার দেহের সবচেয়ে মজবুত অঙ্গ হচ্ছে তার সাদা ঝকঝকে দাঁত। জোবায়ের সাহেবের হাত কয়লার খনির মজদুরের মতো কালো হয়ে আছে। দেয়াল আর মেঝেতে কয়লা দিয়ে হিবিজিবি আঁকা, দেখে মনে হচ্ছে কোনো শিশু মায়ের শাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্বাধীনতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করেছে।

    বুঝতে পারছেন কিছু?

    ক্লান্ত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করে জোবায়ের সাহেব। জহির চারদিকে চেয়ে কাঁধ ঝাকায়, কয়লার কালি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পারছে না সে।

    দৃষ্টি থাকলে বুঝতে পারতেন এটাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছবি।

    কীসের ছবি এটা?

    সময়ের ছবি

    জহির আরেকবার তাকায় চারপাশে, সময় তো দূরের কথা, একটা ঘড়ির কাটাও খুঁজে পায় না সে। হতাশ হয়ে বলে, সব তো কালো, কীভাবে বুঝবো? কোনো রঙ নেই।

    কালো কি কোনো রঙ না? শুনুন, কালোর ভিতরেই সব রঙ আছে, কালোর চেয়ে রঙিন আর কিছু নেই।

    প্রলাপ হজম করা জহির শিখে গেছে, কিছু বললো না সে। কয়লা দিয়ে যে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ছবিটা এঁকে ফেলেছে জহির তাকে সেই বন্ধ দরজার কথা জিজ্ঞেস করেছিলো। জোবায়ের সাহেব বললো, ঐ দরজার রহস্য আবিষ্কার করতে আপনাকে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

    জোবায়ের সাহেব জহিরকে অদ্ভুত সব কথা শোনায়, বলে, পৃথিবীতে নাকি কোনো রঙ নেই, সব রঙ আমাদের মাথায়। দুইজন মানুষ নাকি একই রঙকে দুইভাবে দেখে, তাই দুইজন মানুষের পৃথিবী কখনো এক রকম হয় না।

    কী আশ্চর্য কথা! ভ্রমর বলে, সব পাগলামি 1

    হতে পারে কিন্তু কথাগুলো জহির মাথা থেকে সরাতে পারে না, তার মাথায় ইস্পাতের প্রলেপটা খসে পড়েছে। সূচালো সব কথা গেঁথে যাচ্ছে।

    ইদানিং চোখ বন্ধ করলেই কিছু মুখ করুণ চোখে তার দিকে তাকিয়ে থাকে, জহির ঘুমাতে পারে না। কাকটাকে বলে, ভ্রমর আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?

    ভ্রমর বলে, বেশি বাকি নাই স্যার।

    কী করা যায়?

    এখান থেকে বাহির হইতে হইবো।

    কই যাবো? আমার কোনো বন্ধু নাই।

    বন্ধু না স্যার, আমরা যাবো শত্রু খুঁজতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }