Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উন্মাদ আশ্রম – ৫

    ॥ পাঁচ ॥

    একজন অনুগত শিষ্য পেয়ে লোক ঠকানোর নিত্য নতুন উপায় আবিষ্কার করতে থাকলো জহির। একটা অক্ষম পায়ের কারণে তাকে চিহ্নিত করা সহজ ছিল এতদিন, নিজের প্রতিভার পুরোটা ব্যয় করতে পারছিলো না সে। এখন কাদেরকে পেয়ে জহিরের যেন নতুন এক জোড়া হাত পা গজিয়েছে। বিস্তর টাকার আমদানি হতে থাকে, সাথে বাড়তে থাকে কাদেরের ভক্তি। জহিরের কাছে নিজেকে সে উজাড় করে দেয়, প্রথম প্রেমিকার স্তন কীভাবে স্পর্শ করেছে, সেই ঘটনা পর্যন্ত বাদ দেয় না। অথচ জহির তার চারপাশে একটা অলঙ্ঘনীয় দেয়াল তুলে রেখেছে, কাদেরের আবেগ সে দেয়ালে মাথা ঠুকে আহত হয়। জহির কোনোদিন কাদেরকে তার ঘরে নিয়ে যায়নি, এই নিয়ে এক ধরনের নীরব অভিমান আছে কাদেরের মধ্যে। এমনকি জহির তার আসল নামটাও জানায়নি কাদেরকে। তার ভিতরে অন্ধকার এতোটাই গাঢ় যে, মানুষকে বিশ্বাস করার মতো বিন্দু পরিমাণ আলো সেখানে অবশিষ্ট নেই ৷

    এইটুকু দূরত্ব নিয়ে পথ চলতে তাদের অসুবিধা হচ্ছিলো না। কিন্তু গরীব লুটে আর কতই বা ঐশ্বর্য জমানো যায়! ছুঁচো শিকারে কাদেরের আর তৃপ্তি হয় না, সে হাতি মেরে একবারে বিত্তবান হতে চায়। পার্কের শক্ত বেঞ্চে বসে, লোক ঠকানো কয়েকটা টাকা পকেটে নিয়ে কোটি টাকার স্বপ্নে হারিয়ে যায় কাদের, আনমনে বলতে থাকে, প্রথমেই মায়েরে গয়না বানাইয়া দিমু, যা নিছি তার তিনগুণ, এরপর ক্যামনে মুখ কালা কইরা রাখে দেখুমনে। আব্বারে একটা সোনার ঘড়ি কিন্যা দিমু, তার বিয়ার ঘড়ি বেইচ্যা দিছিলাম দেইখা বুড়া কী হা-হুতাশ যে করছিলো! বইনেরে বিয়া দিমু দুই হাজার মানুষ খাওয়াইয়া, আব্বা যেদিন আমারে ঘর থেইকা বাইর কইরা দিছিলো বইনডা খুব কানছিলো। টিনশেড ঘর ভাইঙ্গা ডুপ্লেক্স বাড়ি তুলমু। গাড়ি কিনমু নতুন মডেলের, বেনসন কালার। সুলতানা আর সুলাতানার পোস্ট অফিসে চাকরি করা জামাইটা যখন রিকশা খুঁজবো, আমি গাড়ি থামায়া লিফট দিমু। পিছনের সিটে বসা সুলতানার দীর্ঘশ্বাস শুনমু।

    জহিরের ধমকে সুলতানার দীর্ঘশ্বাস বাতাসে মিশে যায়। কিন্তু জহিরের শাসনও কাদেরকে বেশিক্ষণ মাটিতে রাখতে পারে না, কাদের মাঝে মাঝেই তার কাল্পনিক প্রাচুর্য নিয়ে অতীতের অবজ্ঞার প্রতিশোধ নিতে চলে যায়।

    ছোটোখাটো শিকারের ফাঁকে ফাঁকে তারা খুঁজতে থাকে একটা মস্ত হাতি ৷ কাদেরের চেষ্টাই বেশি, সুলতানার দীর্ঘশ্বাস শোনার জন্য সে ব্যাকুল হয়ে আছে। অবশেষে সে নিজেই একদিন হাতির সন্ধান নিয়ে আসে।

    হাতির নাম মোফাজ্জল মিয়া, তার দৈর্ঘ্য প্রস্থে যে অসামঞ্জস্য আছে তাতে তাকে দেখলে হাতি তো নয় বড়োজোর জিরাফ বলেই মনে হয়, তাও আবার অপুষ্ট জিরাফ। মাথাভর্তি ঘন লম্বা চুল ছাড়া দেহের আর কোথাও ঘন কিছু নেই, সবই পাতলা। তোবড়ানো গাল, সরু হাত, চুপসানো বুক নিয়ে গড়া তার দেহের নড়বড়ে কাঠামোটা শীর্ণ পায়ের উপর কোনোমতে দাঁড়িয়ে থাকে। তার পেট আর পিঠের মাঝে ব্যবধান সামান্য। গোঁফটা তার ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে কোনোমতে নাকের নিচে ঝুলে আছে। শরীরের যেসব হাড় জামাকাপড়ে ঢাকা যায় না সেগুলো নির্লজ্জের মতো চামড়ার সীমানা ঠেলে উঁকি দিয়ে থাকে। তার হাঁটাচলা মানেই হাড়গোড় নিয়ে বাতাসের সাথে লড়াই। পান খাওয়ার অভ্যাস আছে তার, কিন্তু পান কোনোদিন সাথে রাখে না, এইটুকু অতিরিক্ত ভারও সে বহন করতে পারে না, দোকান থেকে কিনে খায়। পানের বদৌলতে ফ্যাকাশে ত্বকে একমাত্র ঠোঁট দুটি তার রঙিন।

    বছরখানেক আগেও মোফাজ্জল মিয়া বড় বাজারে আলু পটল বেচতো, বউ বাচ্চাসহ মোট ছয়জন মিলে গাদাগাদি করে শহরতলিতে দুই রুমের টিনশেড ঘরে ভাড়া থাকতো। তারপর কী যে জাদুর প্রদীপ পেয়েছে কে জানে! নিজের পাঁচতলা বাড়ি উঠেছে, বাচ্চাকাচ্চার গায়ে নতুন পোশাক চড়েছে, বউ তার আরো স্কুল হয়েছে। নিজের স্বাস্থ্য ছাড়া জীবনে আর সবদিকে সে উন্নতি করেছে।

    কেউ বলে মাছের ব্যবসায় মোফাজ্জলের কপাল ফিরেছে, কেউ বলে ভাগ্য মাছে ফিরেনি, পীরের কেরামতি আছে। কিন্তু সেই পীরের নামধাম কেউ এখনো বের করতে পারেনি। তবে পীরের আস্তানাটা কাদের চিনে বাজারের পেছনে প্রায় পরিত্যক্ত রঙহীন যে বাড়িটা আছে, সেটার নিচতলায় মৎস্যজীবী সমিতির অফিস, ইঁদুরের বংশবৃদ্ধি ছাড়া তেমন কোনো কার্যক্রম নেই সেই সমিতির, অন্ধকারে কিছু চেয়ার টেবিল ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে থাকে। এমন নির্জীব নিচতলার উপরে দোতলায় বসে রঙের আসর। সেই বাড়ির একটা ঘরে একশো ওয়াটের বাল্বের নিচে বহুবার নিঃস্ব হয়েছে কাদের! জুয়াড়িদের সেই তীর্থস্থানে মোফাজ্জলকে মাঝে মাঝে দেখা যেতো। জুয়ার টেবিলে তাকে কখনোই বসতে দেখা যায়নি, সে এবং তার কণ্ঠার হাড় দুজনে উঁকি দিয়ে কৌতূহল নিয়ে টাকাপয়সার লেনদেন দেখতো, তারপর একসময় ভিতরের ঘরের অন্ধকারে হারিয়ে যেতো।

    সারাজীবন লুঙ্গি পরতে অভ্যস্ত মোফাজ্জল মিয়া মাসের শেষ বৃহস্পতিবার প্যান্ট আর শার্ট পরে উশখুশ করে। চুলে তেল দিয়ে চিরুনি চালায়, গলার নিচে পাউডারের স্পর্শ দৃশ্যমান হয়। সকাল দশটা বাজলেই সে গিয়ে ঢোকে বাজারের পেছনে মৎস্যজীবী সমিতির অফিসে, একটা কালো ব্যাগ নিয়ে সে বের হয়ে আসে একটু পরেই। বাজারের মুখে বাদশাহ মিয়ার দোকান থেকে পান কিনে। তারপর রিকশা নিয়ে বাস স্ট্যান্ডে চলে যায়। সেখান থেকে সে মেঘনার বাসে ওঠে। বাসে উঠে পান মুখে দেয় সে। পান না খেলে বাসে বমি হয় তার। বাসের মাঝামাঝি বাম দিকে জানালার পাশে বসে সে। জানালার পাশে বসার জন্য ঝগড়া করতেও পিছপা হয় না, মুখে পান থাকলেও বমির আশঙ্কা তার পুরোপুরি যায় না। মেঘনার ঘাটে নেমে নৌকায় চড়ে সে, তারপর দুইদিনের জন্য তার আর কোনো হদিস থাকে না। জিজ্ঞাসা করলে বলে, পুকুরের জন্য পোনা কিনতে যায়। দুইদিন পর হাসিমুখের সাথে অনেক উপঢৌকন নিয়ে ফিরে আসে সে, কিন্তু কালো ব্যাগটি তার হাতে আর দেখা যায় না।

    কাদের নিশ্চিত মোফাজ্জলের পাঁচতলার বাড়ি আর তার বউয়ের লাগামছাড়া স্থূলতার রহস্য সেই কালো ব্যাগেই আছে। ব্যাগটা কোনোমতে হস্তগত করতে পারলে হয়তো তাদের আর রাস্তায় ঘুরে শিকার খোঁজা লাগবে না।

    জহির অবশ্য খুব বেশি আগ্রহ দেখায় না, আবার একেবারে অগ্রাহ্যও করে না। একটা পরিকল্পনা মাথায় ভাঁজতে থাকে সে ৷

    কাদেরের সাথে জহিরের সাক্ষাৎ কমে আসে, দেখা হলেও মোফাজ্জলের বিষয়ে আর কোনো আলাপ জহির করে না। কাদের তাকে প্রায়ই তাড়া দেয়, প্রলুব্ধ করে, নিজেও প্রলুব্ধ হয়, টাকা পেলে কী কী উপায়ে সেগুলো অপচয় করবে বিশদভাবে বর্ণনা করে, জহির তাকে নিবৃত্ত করে না। শুধু থমথমে মুখে বসে কী যেন ভাবতে থাকে ৷

    তারপর একদিন জহিরের মুখ থেকে মেঘ সরে রোদ আসে। সিগারেটে আয়েশ করে টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়লো সে, মুখের সামনে সিগারেটের ধোঁয়াগুলো অলস ভঙ্গিতে আড়মোড়া ভাঙছে। ধোঁয়ার আড়াল থেকে জহির হাসিমুখে তাকালো কাদেরের দিকে।

    মোফাজ্জল মিয়া তোকে চিনে?

    মনে হয় না।

    রাত নয়টার আগে মৎস্যজীবী সমিতির দোতলায় কোনো আলো জ্বলে না, এখানে যারা যায় সবাই নিশাচর প্রাণী। দিনের আলোয় তাদের খুব একটা দেখা যায় না, দেখা গেলেও রাতের সহযাত্রীকে দিনের আলোয় অপরিচিতই লাগবে, তাদের পরিচয়ে রাতের একটা সংযোগ আছে। মোফাজ্জলকে কাদেরের মনে আছে তার বিশেষ দৈহিক বৈশিষ্ট্য এবং তার অলৌকিক উন্নতির কারণে। জহির আবার কী যেন ভাবে। জিজ্ঞাসা করে, পান দোকানদার বাদশাহ মিয়ার সাথে খাতির আছে?

    বাদশাহ মিয়ার সাথে যতটুকু যোগাযোগ কাদেরের আছে তাকে ঠিক খাতির বলা যাবে না। মৎস্যজীবী সমিতির দোতলা থেকে শূন্য পকেট আর পরিপূর্ণ হতাশা নিয়ে সে বের হয়ে আসতো। বাদশাহ মিয়ার দোকানে এসে সিগারেট ধরিয়ে সেই হতাশা উদযাপন করতো। টাকা দিতে না পেরে প্রায়ই প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে সিগারেট কিনতো সে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ অব্দি রক্ষা করা হয়নি, তাই খাতিরের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারে না কাদের। জহির হেসে বলে, বাদশাহ মিয়ার কপাল ভালো, তার দেনা শোধ করার টাইম চইলা আসছে, মিষ্টিসহ।

    জহির নিশ্চয়ই কিছু একটা ভেবে রেখেছে। তার ভাবনাটার নাগাল না পেয়ে কাদের বিভ্রান্ত হয়। জিজ্ঞাসা করে, মিষ্টি ক্যান?

    জহির জানায়, কারণ কাদেরের চাকরি হয়েছে, সাথে হয়েছে সুবুদ্ধি। তাই ঋণের বোঝা সে আর বইতে চায় না, তাছাড়া চাকরি প্রাপ্তির মতো একটা সুখবর খবর খালি হাতে দেয়া ঠিক না। এইটুকু জানিয়ে জহির চুপ করে যায়। কাদেরের মনে আরো অনেক প্রশ্ন ঘুরঘুর করে, কিন্তু প্রশ্ন করলে হয়তো তার বুদ্ধির উপর জহিরের ভরসা আরো কমে যাবে, তাই প্রশ্নগুলো সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে গিলে ফেলে। জহিরের চোখে সেই কঠিন দুর্বোধ্যতা এখন আর নেই, শুশুকের মতো কালো একটা রহস্য তার চেহারায় ভেসে উঠে আবার ডুব দিচ্ছে।

    বুধবার সন্ধ্যায় কালো প্যান্টের মধ্যে সাদা শার্ট গুঁজে চাকুরে সেজে বাদশাহ মিয়ার পান সিগারেটের দোকানে হাজির হলো কাদের। রাতের খদ্দেরকে সন্ধ্যায় দেখে প্রথমে চিনতেই পারেনি বাদশাহ মিয়া। কাদেরের জামা কাপড়ের মতো কপালেও কোনো ভাঁজ নেই, ঘাড়ের উপর খোঁচা খোঁচা দাড়ির হতাশ মুখটাও অনুপস্থিত, শক্ত ঠোঁটে চাপা ক্ষোভ নেই, স্মিতহাস্যমুখি মসৃণ গালের কাদেরকে চিনতে তার ভালোই বেগ পেতে হলো। কাদেরের প্রতিশ্রুতিগুলো বাদশাহ মিয়া একদলা থুতু আর অনেকগুলো গালির সাথে মুক্ত করে দিয়েছিলো। অপ্রত্যাশিত টাকা আর মিষ্টি পেয়ে সে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে রইলো। মুখে অনেক দোয়া আশীর্বাদ করলো, আর মনে মনে গালিগুলোর জন্য হলো অনুতপ্ত

    কাদেরের কাছ থেকে খুটিনাটি সব শুনে নিলো জহির। এখন একটা আশাই সে মনে মনে করছে, বাদশাহ মিয়ার মিষ্টিতে অরুচি কিংবা ডায়বেটিসের কঠোর প্রহরা না থাকলেই হলো।

    বৃহস্পতিবার সকালে একটা অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটলো। ঝড় বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়িয়ে, হরতাল অবরোধের মতো কৃত্রিম দুর্যোগকে পরোয়া না করে বাদশাহ মিয়া তার পান সিগারেটের দোকানটা খুলে বসতো সকাল আটটার মধ্যেই। কোনোদিন এক মিনিট দেরি হয়নি তার। কিন্তু আজ নয়টা বেজে গেল, বাদশাহ মিয়ার দোকানটা শীতার্ত বৃদ্ধের মতো তেরপল মুড়ি দিয়ে জবুথবু হয়ে বসে আছে। বাজারের মুখে প্লাস্টিকের কাউন্টারের পেছনে টুলে বসা ব্যস্ত বাদশাহ মিয়াকে পান সিগারেট বিতরণ করতে সেদিন আর দেখা গেল না। বাজারে আসা লোকজন প্রথমে পরিবর্তনটা বুঝতে পারে না, তবুও তাদের চোখে একটা অস্বস্তি লেগে থাকে, কী যেন একটা নেই। পরে জানা গিয়েছিলো, বাদশাহ মিয়া সপরিবারে উদরাময়ে আক্রান্ত হয়েছে, তার সমস্ত ব্যস্ততা সেদিন অন্য কাজে ব্যয় হয়েছিলো। কী জানি কী ছাইপাশ তারা খেয়েছিলো!

    সকাল দশটায় মোফাজ্জল অভ্যাস মতো বাদশাহ মিয়ার পান দোকানের সামনে এসে দাঁড়ায়। বন্ধ দোকান দেখে সে কিছুটা বিহ্বলতায় আক্রান্ত হয়। কী যেন তার এলোমেলো হয়ে গেছে, বকের মতো লম্বা গলা দিয়ে সে এদিক সেদিক তাকায়। খালি মুখে পেট্রোল বিহীন গাড়ির মতো সে নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইলো। ঠিক সেই মুহূর্তে তাকে সংকট থেকে মুক্তি দিলো একজন ভ্রাম্যমান পান সিগারেটের দোকানদার, লোকটার একটা পা শুকিয়ে মরা ডালের মতো শীর্ণ হয়ে গেছে। কাঠের ট্রে গলায় ঝুলিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সে পান সিগারেটের গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে। ট্রেতে অনেকগুলো সিগারেটের প্যাকেট সৈন্যর মতো সটান হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সিগারেটের প্যাকেটগুলোর সতর্ক পাহারা সত্ত্বেও ভেজা লাল কাপড়ে মোড়া সবুজ পানগুলোকে আড়াল করা যাচ্ছে না। তাজা পানের মোহে মোফাজ্জল মিয়া তৃষ্ণার্ত মরুযাত্রীর মতো ছুটে গেলো সেই পান বিক্রেতার কাছে। বাদশাহ মিয়ার হাতের জাদু এই পানে নেই, কিন্তু মোফাজ্জলের জীবন তো বাঁচলো। একটা রিকশা ডেকে সে চলে যায় বাস স্ট্যান্ডে।

    জহির তার পান সিগারেটের ব্যবসার ইতি টেনে পার্কে বসে কাদেরের জন্য অপেক্ষা করছে। এতক্ষণে চলে আসার কথা, কিছুটা দুশ্চিন্তাও হচ্ছিলো জহিরের। তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়ে কিছুক্ষণ পর কাদের উদয় হলো, কাদেরের চোখেমুখে চাপা উত্তেজনা, হাতে কালো ব্যাগ, বাম কাঁধ রক্তাক্ত। কাঁধের দিকে ইঙ্গিত করে জহির জিজ্ঞাসা করলো, কোনো ঝামেলা হয় নাই তো?

    কাদের আড়চোখে তার শার্টে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাপের আকৃতির একটা লাল দাগ দেখলো।

    হেসে বললো, পান খাইয়া ব্যাটা আমার কান্ধে ঘুমাইয়া লোল ফালাইছে।

    কাদের স্থির হয়ে বসে তার নিঃশ্বাসের লাগাম ধরলো। নিঃশ্বাসকে বাগে আনতেই মুখের লাগাম ছুটে গেল, সবকিছু বিস্তারিত না বলে সে শাস্তি পাচ্ছে না।

    বাসের ঠিক মাঝের সারিতে বাম পাশের জানালার সিটটা ফাঁকা রেখে কাঙ্খিত যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলো কাদের। অন্যান্য যাত্রীদের দৃষ্টি থেকে সিটটাকে সে নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করে চলেছে। পান আত্মসাৎ করতে করতে মোফাজ্জল মিয়া বাসে উঠলো, পানের লাল রস তার চিকন গোফের প্রান্ত ধরে গড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। জানালার পাশের ফাঁকা সিটটা দেখে খুশিতে চোখ তার চকচক করে উঠলো, বাসর ঘরে নতুন বউ দেখলেও কারো এত আনন্দ হয় না। সিটে বসে জানালাটা ফাঁক করে দিতেই প্রশাস্তিতে লাল দাঁত বেরিয়ে পড়লো তার। নিজের সিটে কাদের জড়বস্তুর মতো পড়ে রইলো, তার উপস্থিতি মোফাজ্জলের স্মৃতিতে যতটা ঝাপসা রাখা যায় তত ভালো। বাস ছাড়ার আধাঘণ্টার মধ্যেই মোফাজ্জলের চোখে দুর্দমনীয় ঘুম নেমে আসলো। একটার পর একটা হাই তুলছিলো সে, বহু যুদ্ধের পর অবশেষে ঘুমের কাছে পরাজয় বরণ করে কালো ব্যাগটাকে বুকে জড়িয়ে কাদেরের কাঁধে ঘাড় ফেলে দিলো মোফাজ্জল। কাদেরের শার্টের এক পাশ মোফাজ্জলের রঙিন লালায় লাল হয়ে গেল। কাদের মোফাজ্জলের মাথা জানালার দিকে ঠেলে দিয়ে ব্যাগটাকে তার বাহু থেকে মুক্ত করলো। তারপর মাঝামাঝি কোনো একটা স্টপেজে নেমে পড়লো সে।

    কাজটা এত সহজে হয়ে গেল যে, জহিরের মনে একটা সুপ্ত অস্বস্তি রয়েই গেল। এই কালো ব্যাগে করে কী বিপদ এসেছে কে জানে?

    ব্যাগের পেটের মধ্যে শার্ট, প্যান্ট, লুঙ্গি, গামছা, আন্ডারওয়ায়্যার আষ্টেপৃষ্ঠে জড়াজড়ি করে পড়ে আছে। জিপার খুলে দিনের আলো পড়তেই কাপড়গুলো ব্ৰিত ভঙ্গিতে স্থির হয়ে রইলো। জামা কাপড় সেঁচে ফেলে ব্যাগে মোফাজ্জল মিয়ার উন্নয়ন রহস্যের কোনো সমাধান পাওয়া গেল না।

    কাপড়চোপড় ছাড়া অন্য সম্পত্তি বলতে প্লাস্টিকের গোলাপি রঙের চিরুনি পাওয়া গেল একটা, টাকা কিংবা সোনার কোনো চিহ্ন নেই। পালা করে দুজনেই ব্যাগটা হাতালো, উল্টে পাল্টে ঝাড়লো, উপরে নিচে চড় থাপ্পড় প্রয়োগ করলো, আরো বহুভাবে অত্যাচার করেও ব্যাগটা থেকে এক বিন্দু সোনা বের করতে পারলো না।

    কাদেরের মুখে মেঘ জমছে ধীরে ধীরে, ডুপ্লেক্স বাড়ি, চকচকে গাড়ি, মায়ের গয়না মোড়ানো ঝলমলে হাসি, সুলতানার চোখে ভেসে ওঠা আফসোস সব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জহির ব্যাগটাকে পাশে রেখে স্থির হয়ে কী যেন ভাবছে। কিছুক্ষণ ভেবে ব্যাগটা আবার হাতে নিয়ে তলায় টিপেটুপে কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করলো। কাদেরের থমথমে চেহারায় হতাশ চাহনি।

    হ, টিপ্পা দেখাটাই বাকি রইছে।

    জহির কাদেরের হতাশাকে অবজ্ঞা করে, মানিব্যাগ থেকে একটা ভাঙ্গা ব্লেড বের করলো। ব্যাগের তলায় একটা জায়গায় সেলাইয়ে যে সুতা ব্যবহার করা হয়েছে তা অন্য সুতা থেকে একটু কম কালো। সুতাটাতে ব্লেড ছোঁয়াতেই উপরের কাপড়টা ফাঁক হয়ে গেল। কাপড়ের কান ধরে টান দিতেই হালকা প্রতিবাদ করে সেটা উঠে চলে আসলো হাতে। জহির আর কাদের চেয়ে দেখলো, একটা পলিব্যাগে বাদামি রঙের পাউডার জাতীয় কিছু একটা আরাম করে শুয়ে আছে। কাদেরের কোঁচকানো ভ্রুতে প্রশ্ন।

    কী জিনিস ?

    এত গোপনে কেউ চিনি কিংবা লবণ নিয়ে যায় না নিশ্চয়ই। কাদের পলিব্যাগটাকে ছুঁয়ে দেখতেই মুখ তার উজ্জ্বল হয়ে গেল।

    হিরু ভাই, নিশ্চিত হিরু।

    প্যাকেটটাকে হাতে নিয়ে পরিমাণ বোঝার চেষ্টা করলো।

    কমসে কম দেড় কেজি হইবো। জায়গা মতো বেঁচতে পারলে কয়েক কোটি কোনো ব্যাপার না।

    কোটি টাকার কথা শুনেও জহিরের কপাল থেকে চিন্তার ভাঁজটা সরলো না।

    মোফাজ্জল তাহলে হাতি না, আসল হাতি অন্য কেউ।

    কাদেরের উচ্ছ্বাস তাতে কমে না। জহির কাদেরের হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়ে ব্যাগের ভিতরে রেখে কাপড়চোপড় দিয়ে কবর দিলো। আজ তাদের ভাগাভাগির রীতিটা মানা যাচ্ছে না। জহির ব্যাগটা কাদেরের হাতে দিতে চায় না। কোটি টাকার প্রশ্নে কাদেরের মনেও অবিশ্বাস এসেছে কিছুটা, সেও ব্যাগটাকে দৃষ্টির আড়াল করতে চায় না। কাদেরের অবিশ্বাস দেখে জহির তার দিকে সপ্রশংস দৃষ্টি তাকিয়ে হাসলো।

    সাবাস, টাকার ব্যাপারে কাউকে বিশ্বাস করবি না, নিজের বাপকেও না।

    এই প্রথম কাদেরের কাঁধে জহির তার আন্তরিক হাত রাখলো। উচ্ছ্বাসের সাথে বললো, চল, আজকে তোরে আমার ঘরে নিয়া যাই।

    জহিরের স্বাভাবিক গাম্ভীর্য, অস্বাভাবিক দূরত্ব সব মিলিয়ে গেল। উচ্ছসিত গলায় সে জানালো, এত বড়ো সাফল্য উদযাপন না করলে পাপ হবে। জহিরের আগ্রহে পর্যাপ্ত আমিষ এবং এক বোতল বিদেশি মদ সংগ্রহ করে তারা আলমাস মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলায় চলে আসলো। আপাতত এটাই জহিরের অস্থায়ী আবাসস্থল।

    ঘরে আসবাব বলতে তেমন কিছু নেই। একটা চৌকি মলিন চাদরে ঢেকে বুক পেতে দিয়ে আছে, একটা কাঠের নড়বড়ে চেয়ার পরিধেয় এবং অপরিধেয় সব জামাকাপড়ে নিচে চাপা পড়ে আছে। সন্ধ্যা নেমেছে ততক্ষণে, জহির মদের বোতল খুললো, আর কাদের খুললো পানির বোতল। ঘরে একটা মাত্র বাল্ব থেকে জহির আর কাদেরের মুখ বেশি উজ্জ্বল। প্লাস্টিকের কাপে অনেক পানির সাথে অল্প একটু মদ ঢাললো জহির। কাদেরের উচ্ছ্বাস আরো বেশি, মদের সাথে সে একটু পানিও মেশাবে না। এক চুমুকে অনেকটুকু মদ গলায় ঢালার পর মাংস মুখে দিলো কাদের। শুধু মদে তার উদযাপন সম্পূর্ণ হয় না। বলে, ভাই গরম মাংস তো খাইতাছি, রাইতে নরম মাংসের ব্যবস্থা করা যায় না?

    জহির প্রশ্রয়ে মাথা ঝাঁকায়। নিজের কাপে আলতো চুমুক দিতে দিতে সে কাদেরের মদ খাওয়া দেখে। তার ঠোঁট দুটো একটা কুটিল হাসি চেপে যাচ্ছে। এভাবে মদ গিললে বেশিক্ষণ জেগে থাকতে পারবে না কাদের। ঘুম থেকে উঠে কাদের মদের বোতল আর ঘরের বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কাউকেই পাবে না। দেড় কেজি হেরোইন আর কাদেরের ভাগ্য দুটোই ছিনিয়ে নিয়ে জহির ততক্ষণে বহুদূর চলে যাবে।

    রাত বাড়ছে, কাদেরের কথা জড়িয়ে আসছে, জহিরের অপেক্ষাও বাড়ছে। কাদের মাতাল হয়েছে কিন্তু এখনো বেহুঁশ হয়নি। কিন্তু কেন যেন ঘরের আলো ধীরে ধীরে কমে আসছে, তেল ছাড়া প্রদীপের মতো বাল্বটা আলোর ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। কতরাত শুয়ে শুয়ে ঘুমকে সে আহবান করেছে, ঘুম ধরা দেয়নি। আজ জেগে থাকার জন্য বসে আছে, এখন সব বাধা ঠেলে হুড়মুড় করে ঘুম ঢুকে পড়ছে চোখে, চোখের পাতা টেনে নামিয়ে দিচ্ছে। একসময় সব অন্ধকার হয়ে গেল। জহিরের আর কিছু মনে নেই।

    গভীর রাতে যখন জহিরের ঘুম ভাঙলো, ঘর তখনো অন্ধকার, তবে আবছা একটা আলো ছড়িয়ে আছে ঘরময়। ঘরের দরজাটা উৎকটভাবে খোলা, কপাট দুটো দুই দিকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছে। ভাস্কর্যের মত একটা নিশ্চল দেহ কাত হয়ে পড়ে আছে চৌকিতে। কাদের ঘুমাচ্ছে মনে হচ্ছে, কিন্তু শরীরে নিশ্বাসের জোয়ার ভাটা নেই। জহির লক্ষ করলো কাদেরের শরীরের নিচ থেকে বিছানার চাদরে একটা কালো ভেজা বৃত্ত ধীরে ধীরে বড় হয়ে তাকে ছুঁতে আসছে। কাঁধের পাশ থেকে কাদেরের বুকে গাঁথা ছুড়ির কালো অবয়ব সে দেখতে পেলো। জহির বুঝলো, অন্ধকারে যে বৃত্তটাকে কালো দেখাচ্ছে সেটার রঙ আসলে লাল। কাদেরের এই ঘুম আর কখনো ভাঙবে না।

    জহির এক মুহূর্ত দেরি না করে সেই ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসলো। তার জিনিসপত্র, মোফাজ্জলের কালো ব্যাগ কিছুই মাথায় নেই তার, প্রবৃত্তি তাকে ঠেলে রাস্তায় নামিয়ে নিয়ে এসেছে। রাস্তায় আশ্চর্যরকমের নীরবতা। জহির উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটে চলছে, গন্তব্য সে জানে না, দেড় পায়ের উপর ভরসা করে এই শহরের জনশূন্য রাস্তায় সে একটা গোপন আশ্রয় খুঁজছে। কৃষ্ণপক্ষের ক্ষয়ে যাওয়া বুড়ো চাঁদটা ছাড়া আর কেউ তাকে দেখতে পায়নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }