Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶

    উন্মাদ আশ্রম – ১২

    ॥ বারো ॥

    জীবনের এতটা বছর শান্ত ছেলে, ভালো ছাত্র, ভদ্র মানুষ ইত্যাদি তকমা গায়ে এঁটে ছিলো রাশুর। স্কুলের রিপোর্ট কার্ড ভর্তি করে প্রশংসা নিয়ে আসতো বাসায়। হিংসুটে প্রতিবেশীরা বহু চেষ্টা করেও তার নামে একটা অভিযোগ সাজাতে পারেনি। কুসঙ্গের মায়াবী প্রলোভন সে এড়িয়ে গেছে অবলীলায়। বন্ধুদের প্ররোচনাতেও সে কখনো নেশার দরজাটা ঠেলে দেখেনি। সে জেনে এসেছিলো ভিতরে তার কোনো পশুর অস্তিত্ব নেই। কিন্তু শোভার প্রাণহীন বেআব্রু শরীরটা তার ভিতরের পশুটাকে উলঙ্গ করে দিয়েছে। তার সব অহংকার শোভার সাথে এক আঁচলে ফাঁস নিয়ে নিয়েছে। মাথা নিচু করে, পিঠ বাকিয়ে কুঁজো হয়ে থাকে সে, এতবড়ো অপরাধের বোঝা রাশুর ভদ্র, ভালোমানুষী কাঁধটা বইতে পারে না।

    ঘর থেকে বের হলে রাশুর পিঠে কৌতূহলী মানুষের চোখ লেগে থাকে। এক খণ্ড মেঘ নিয়ে ঘোরে সে, যেদিকেই যায় পরিবেশ থমথমে হয়ে যায়। তার সামনে কেউ হাসে না, তার পেছনে গল্প করে নিচু গলায়। কেউ কেউ এসে সান্ত্বনার কাঁটা দিয়ে তাকে আরো রক্তাক্ত করে দিয়ে যায়। অনেকের কৌতূহল ভদ্রতার সীমা মানে না, বিয়েতে শোভার অমত ছিল কিনা, পুরনো কোনো প্রেমিকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে কিনা, ইত্যাদি অসভ্য প্ৰশ্ন অবলীলায় করে যায়। গ্রাম থেকে আত্মীয়স্বজন এসে ঘরে ভিড় জমিয়েছে, তারা সারাদিন সবাইকে জেরা করে, কোথায় ফাঁস নিয়েছে, কখন ফাঁস নিয়েছে, কীভাবে ফাঁস নিয়েছে, জিহবা বের হয়ে গিয়েছিলো কিনা। ঘরে ঘরে অভিযান চালায় তারা, দিনরাত তদন্ত করে শোভাকেই দোষী সাব্যস্ত করে যায়। রাশুর অপরাধও কম নয়, তারা তো আগেই জানতো এমন কিছু একটা হবে, এই মেয়েকে বিয়ে না করতে রাশুকে কত ইঙ্গিতও দিয়েছিলো, কিন্তু রাও তো সেসব ইঙ্গিতের মান রাখলো না। দীর্ঘশ্বাস সহকারে জানিয়ে দেয়, তারা গরিব বলেই তাদের বিচক্ষণতার কোনো মূল্য কেউ দেয় না।

    পরিচিত মানুষের চোখে অপরিচিত দৃষ্টি অসহ্য লাগে রাশুর। এইসব দৃষ্টির চাবুক তাকে মফস্বল থেকে তাড়িয়ে নিয়ে যায় জনবহুল নগরে, যেখানে বেঁচে থাকাটাই মূল সংগ্রাম, টিকে থাকাটাই সাফল্য। অন্যের গোপন দুঃখ খুঁড়ে বের করার সময় এখানে কারো নেই। তবুও স্বস্তি পায় না রাশু, ব্যস্ত নগরও তার কাঁধের বোঝাটা হালকা করতে পারে না। এত এত মানুষ এই শহরে, কারো সাথে তার শাস্তিটা সে ভাগ করে নিতে পারে না।

    অচেনা মুখে ভরা এই শহরে একদিন একটা চেনা মুখ দেখে থমকে যায় রাশু। একটা কফিশপের সামনে হাত নেড়ে হাসিমুখে কথা বলছে জহির। জহিরের প্রতি রাশুর ঘৃণা সব সময়েই জীবন্ত ছিল, কিন্তু এখন বেদনার জলে ভিজে সেই ঘৃণা ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। ব্যস্ত রাস্তার পাশে দিনের আলোয় সেই মুহূর্তে একটা খুন করার ইচ্ছা জন্ম নেয় রাশুর বুকে।

    চকচকে একটা ছুরি পকেটে পুরে তারপর সে বহুদিন জহিরের পেছনে ঘুরেছে। অস্ত্র তার ভোতা ছিল না, সঙ্কল্পটাও ছিলো ধারালো, তবুও সে খুনি হতে পারেনি। পকেটের তৃষ্ণার্ত ছুরির ঠান্ডা স্পর্শ তাকে বারবার তাগাদা দিয়েছে। নির্জনতা সে পেয়েছিলো, অন্ধকারও জুটে গিয়েছিলো বহুবার শুধু সাহসটা জোগাড় করতে পারেনি সে। জগতে সংযমী হলেই ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিন্তু খুনী হতে হলে সাহসকে ডিঙ্গিয়ে দুঃসাহসী হতে হয়।

    রাশু ভদ্র মানুষ, একটা জাগ্রত মানুষের ওপর অস্ত্রচালনার মতো হিংস্রতা সে করতে পারে না। ভদ্রভাবে পরিচ্ছন্ন উপায়ে জহিরকে খুন করার জন্য পরিকল্পনা সাজায় সে। চালাক মানুষকে বুদ্ধি দিয়ে পরাজিত করার জন্য বোকার মুখোশ পরতে হয়। বোকা সেজে বদ মানুষের সব অভ্যাস রপ্ত করতে থাকে সে। মদ, সিগারেটের প্রতি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়, জুয়ার আসরে গিয়ে হাজিরা দিতে থাকে নিয়মিত, জুয়াড়িদের সাথে মিশে তাদের স্বভাব আয়ত্ত করে। নিজের জীবনে আমদানি করে অসংখ্য বঞ্চনার গল্প। সব প্রস্তুতি সেরে আনাড়ি সেজে প্রতারণার ফাঁদ পাতে রাশু, সেই ফাঁদে সহজেই ধরা দেয় জহির।

    শত্রুর সাথে ধীরে ধীরে অন্তরঙ্গতা বাড়ায় রাশু, নিজের জীবনের গোপনতম কথাটাও জানিয়ে দেয় জহিরকে, কিন্তু জহির তার দরজা খুলে না। রাশু বুঝতে পারে, একটা বড়সড় প্রলোভন ছাড়া জহিরের অন্দরে ঢোকা যাবে না। তাই সে মোফাজ্জল মিয়ার গল্প হাজির করে।

    জুয়ার আড্ডায় মোফাজ্জল মিয়ার সাথে তার পরিচয় হয়েছিল। লম্বা পাতলা লোকটা জাত জুয়াড়ি, টাকার জন্য একবার সে নিজের কোলের শিশুকে বেচে দিতে চেয়েছিলো সন্তানহীন এক দম্পতির কাছে। বউ বাগড়া দিয়েছে বলে একটা ভালো ব্যবসা হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিলো। এই নিয়ে রাশুর কাছে আফসোসও কম করেনি। সুতরাং বেশকিছু টাকার বিনিময়ে তেমন কোনো প্রশ্ন না করেই শার্ট প্যান্ট পরে পঙ্গু দোকানদার থেকে একটা পান কিনতে সে খুব সহজেই রাজি হয়ে গিয়েছিলো I

    সেদিন জহির পার্কে বসে ছিল, তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় রেখে রাশু সফল অভিযানের প্রমাণ হাতে নিয়ে ফিরে এসেছিলো। রাশুর শার্টে লাগানো লাল রঙ, লালা মেশানো পানের পিকের চেহারা নিয়ে ঘটনাটা জহিরের কাছে আরো বিশ্বাসযোগ্য করেছিলো। জহিরকে ধোঁকা দেয়ার সব আয়োজন সেরে রেখেছিলো রাশু।

    ব্যাগের গোপন প্রকোষ্ঠটাকে খুব বেশি গোপন রাখেনি রাশু, অল্প একটু ছলনা দিয়ে ঢেকে রেখেছিলো কেবল। খুব বেশি মূল্যবান না হলে এমনভাবে কেউ কিছু গোপন করে না। বাদামি চিনির গুড়া আর হেরোইন যেন যমজ বোন, অভিজ্ঞ চোখও পার্থক্যটা ধরতে পারে না, জহিরও পারলো না। রাশুর বিস্মিত দৃষ্টি আর তার দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে কয়েকশো টাকার বাদামি চিনি কোটি টাকার হেরোইন হয়ে গেল। জহিরের লোভে আচ্ছন্ন মনে সন্দেহ ঢোকার কোনো রাস্তা পেলো না ৷

    অবশেষে জহির দরজা খুলে দিয়েছিলো রাশুর জন্য। রাশুকে মাতাল করার জন্য মদের বোতল খুললো জহির, রাশু খুলেছিলো পানির বোতল। মদ সেদিন অনেক গিলেছিলো রাশু, কিন্তু পানি খায়নি এক ফোঁটাও। একটা বৃদ্ধ বাল্বের ঝিমানো আলোর সুবাদে পানিতে ঘুম মিশিয়ে দিয়েছিলো সে। অনেক মদ খেয়েও তার সংকল্প টলেনি। এই রাত তার খুনী হওয়ার রাত, একটা পুরনো প্রতিশোধের ভার থেকে মুক্তির রাত, আগামীর ঘুমন্ত রাতগুলোর জন্য এই রাতটা তার জেগে থাকতে হবে।

    অল্প একটু মদ আর অনেক পরিমাণ পানি খেয়েই জহির ঢুলতে লাগলো। জহিরের অর্ধবোজা চোখ দেখেই রাশুর শিরা উপশিরায় রক্ত নাচানাচি শুরু করে দিয়েছে, নিঃশ্বাসের ঘোড়াটা এমন বেগে ছুটেছে যে লাগাম ধরে রাখতে পারছে না সে। পকেটের ছুরিটা খোঁচা দিয়ে তার পিপাসা জানাচ্ছে। রাশুর বুকের খাঁচায় বন্দি পশুটা মুক্তির জন্য তোলপাড় করছে।

    জহিরের ঘুমন্ত শরীরটাকে ভালো করে চেয়ে দেখে রাশু, বুকের ওঠানামা লক্ষ করে। তখন তার নিজের ভদ্র নিরীহ চেহারাটা মনে পড়ে গেল, গালে বসা মশাকে মেরেও যার মায়া হয়, হোক কয়েক মুহূর্তের জন্য তবুও অনুশোচনা তো হয়, তার পক্ষে কি একটা মানুষের প্রাণ নেয়া সম্ভব? আবার শোভার ঝুলন্ত দেহটা ভেসে ওঠে তার চোখে। ইশ! কী ঘৃণাই শোভা তাকে করেছে। এতটা ঘৃণা হয়তো শোভা জহিরকেও করেনি | শোভার ভালোবাসাহীন নির্লিপ্ততা হয়তো সে সইতে পারতো কিন্তু ঘৃণা কোনোমতেই সহ্য করতে পারছে না। জহিরের প্রতি কিছুটা হিংসা হয় তার, যে শান্তির ভাগ জহিরের প্রাপ্য তার পুরোটা ভোগ করতে হচ্ছে তাকে।

    রাশুর পকেটের ছুরিটা তার হাতে উঠে আসে। মুক্ত বাতাসে পাঁচ ইঞ্চি ছুরিটা তার দেহের চাকচিক্য প্রদর্শন করে, তীক্ষ্ণ চাহনিতে রাশুকে প্ররোচনা দিতে থাকে অস্ত্রটা। রাশু চোখ বন্ধ করে একবার শোভার চেহারাটা মনে করার চেষ্টা করে, আশ্চর্য! শোভার দেহটাই মনে আছে কেবল, চেহারাটা কোনোমতেই মনে করতে পারলো না সে।

    রাশু হঠাৎ চুপ হয়ে গেল, আচমকা পথ শেষ হয়ে গেলে পথিক যেমন থেমে যায়। জহির ব্যাকুল হয়ে তাগাদা দেয় রাশুকে, কিন্তু এইসব তাগাদা তাদের মধ্যের কয়েক ইঞ্চি দূরত্ব পার করতে পারে না। রাওকে খুব আনমনা দেখায়, যেন বিচ্ছিন্ন কোনো জনপদে সে একা বসে আছে। সে জানায়, ইদানিং অনেক কথা ভুলে যাচ্ছে সে। তার কাছে সবকিছু একটা দীর্ঘ দুঃস্বপ্নের মতো লাগছে। মৃত মানুষ দেখতে পায় স্বপ্নে, কী যেন হয়েছে তার, বোধহয় সে পাগল হয়ে যাচ্ছে। রাত জানায় সে এখনো শোভার চেহারাটা মনে করতে পারে না। অথচ সেদিন শোভাকে সে চোখের সামনে দেখেছে, সেই হাত, সেই পা, সেই স্তন কিন্তু চেহারাটা কাদা পানির মতো ঘোলা।

    রাশুর প্রতিচ্ছবিটা নিশ্চল চেয়ে থাকে জহিরের দিকে। তার শান্ত চোখগুলো নিয়ে রাশু ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। একসময় বারন্দায় নিজেকে একা আবিষ্কার করলো জহির। একটা অস্বস্তিকর স্তব্ধতা ঘন কুয়াশার মতো পুরো বারান্দায় স্থির হয়ে আছে। জহিরের মনে সন্দেহ হয়, সে কি সত্যি রাশুকে দেখেছে? নাকি এসবই তার মনের কল্পনা?

    জহিরের স্মৃতির অতল থেকে শোভা তার ভীত বালিকা চেহারাটা নিয়ে হাজির হয়। দৃশ্যটা সহ্য করতে পারে না জহির। তার হাত পা গুটিয়ে সে নিজের ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, একটা বিশাল অজগর তাকে পেঁচিয়ে ধরেছে। জহির ভাবে, সেই রাতে রাশু যদি তাকে খুন করতো তাহলে সে বেঁচে যেতো।

    কোনো পূর্বাভাস ছাড়া হঠাৎ অন্ধকার নেমে আসে জহিরের চারপাশে। আলোর অভাবে লালচে ইটগুলো কালো হয়ে যেতে থাকে। জহির তবুও নড়ে না, নিজেকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়ে বসে থাকে। রাশুর প্রতিশোধটা বুক পেতে নিতে পারেনি বলে কষ্ট হয় জহিরের। হয়তো রাও চেষ্টা করেছিলো, জহিরের বেঁচে থাকার প্রবৃত্তি হয়তো ছুরিটাকে প্রতিহত করেছে, তারপর তা গেঁথে দিয়েছে রাশুর বুকে। কোনো এক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় স্মৃতির ঐ অংশটুকু হয়তো তার মাথা থেকে মুছে গেছে। বসে বসে অনেকগুলো ‘হয়তো‘র সমাবেশ ঘটায় জহির। কোনোটাই শেষ পর্যন্ত ‘সত্য’ হয়ে উঠতে পারে না।

    ভ্রমর এসে বসেছে পাশে, তাকে আর কাক মনে হচ্ছে না, গা ভর্তি সবুজ পালক, এই আলোহীন বারান্দাতেও তার গা ঠিকরে বের হচ্ছে কচি পাতার চাকচিক্য। তার ঠোঁটে কিংবা কাঠির মতো পায়ে, কোথাও এক বিন্দু কলঙ্ক নেই। জহিরের ভিতরে সব ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে। আহত কণ্ঠে কাকটাকে জিজ্ঞাসা করলো, রাশুকে কি আমি খুন করেছি?

    ভ্রমর বললো, না স্যার, রাশুকে কেউ খুন করেনি।

    জহিরের বিভ্রান্ত দৃষ্টি কাকটার সবুজ পালকে পিছলে যায়। কাকটা হঠাৎ জহিরের কোলে এসে বসলো, তার তপ্ত বুকে নিজের ঠান্ডা সবুজ ঠোঁট ঘষলো কয়েকবার। বললো, এখন চোখ বন্ধ করুন স্যার, সত্য এবার ধরা দিবে I

    ভ্রমরের ঠোটের ঠান্ডা সংক্রমিত হয়ে জহিরের পুরো বুকে শীতলতা ছড়িয়ে দিলো। জহির চোখ বন্ধ করলো। চোখের পাতায় অন্ধকার, কিছুই দেখতে পাচ্ছে না সে। বললো, ,

    ভ্রমর আমি শুধু কালো দেখতে পাচ্ছি।

    কাকটা বললো, কালোর মধ্যেই সব রঙ আছে স্যার, মনটাকে বেঁধে রাখবেন না।

    অন্ধকারের কালো হিম শরীরটার মধ্যে বিচরণ করতে থাকে জহির, ঠান্ডায় কাঁপছে সে। হঠাৎ এক বিন্দু আলো অন্ধকার ফুঁড়ে বের হলো। অন্ধকারের মধ্যে ভেসে উঠলো একটা ঘর। জহির অবাক হয়ে দেখলো, তার চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয়েছে আলমাস মিয়ার সেই খুপড়ি ঘরটা। ঘরের দরজা খোলা, বাতাসের কম্পনে মনে হচ্ছে এইমাত্র কেউ বের হয়ে গেছে। মেঝেতে উদ্ধত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা মদের বোতলে সোনালি তরল তখনো তলা ছোঁয়নি, সিগারেটের ধোঁয়া এখনো বাতাসে পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি, ঘরের সমস্ত বিশৃঙ্খলা অক্ষত আছে এখনো। এতসব এলোমেলোর মধ্যে বিছানায় শুয়ে থাকা লাশটাই শুধু পরিপাটি। বুকে ছুরিটাকে আগলে রেখে ডান কাত হয়ে শুয়ে আছে। লাশের মুখটাতে চোখ রেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় জহির। চোখ বন্ধ অবস্থায় নিজেকে আগে কখনো দেখেনি সে। আলগা হয়ে লেগে থাকা চোখের পাতার নিচে পাথরের স্থবিরতা। ঠোঁট দুটো অল্প একটু ফাঁক হয়ে আছে, ত্বকের নিচে উষ্ণ রক্তধারা থমকে গিয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে, মৃত্যুর ছাই রঙের প্রলেপ ছড়িয়ে পড়ছে সারা মুখে। তীব্র অবিশ্বাস নিয়ে জহির নিজের লাশটাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে।

    চোখ খুলেও জহিরের শীত কমে না। দুই হাত আড়াআড়ি করে নিজেকে জড়িয়ে ধরে কাঁপতে থাকে সে। ঠান্ডাকে কোনোমতেই কাবু করতে পারছে না সে, মনে হচ্ছে, মায়ের পুরনো শাড়ি দিয়ে সেলাই করা কাঁথা ছাড়া আর কোনো কিছুই তাকে উত্তাপ দিতে পারবে না। কাকটা বসে আছে তার সামনে। ঠান্ডায় জহিরের কণ্ঠেও আড়ষ্টতা নেমে এসেছে। কাকটাকে জিজ্ঞাসা করল, আমি কি সত্যিই মারা গেছি ভ্রমর?

    জহিরের হতাশ কণ্ঠ পুরনো দেয়াল পুরোটা শুষে নিতে পারে না, প্রশ্নটা শেষ হলেও তার রেশ রয়ে গেল। বাতাসে জহিরের প্রশ্নটা পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার পর কাকটা বললো, না, মৃত্যু পর্যন্ত এখনো পৌঁছাতে পারেননি আপনি, কয়েকটা ক্ষণ অবশিষ্ট আছে।

    ভ্রমরের পেছনে সেই অদ্ভুত নিরেট দরজাটা ভেসে উঠলো। দরজাটার দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে সে বললো, এই দরজার ওপাড়ে মৃত্যুর সাথে দেখা হবে আপনার।

    জহির কিছু বুঝতে পারে না, সে তো তার অস্তিত্ব নিয়ে এখানে বসে আছে, পৃথিবীর পথে ঘাটে কত হেঁটে এসেছে সে, সৌন্দর্য উপভোগ করেছে, ঘাসে শুয়ে শৈশব রোমন্থন করেছে, নিজের সন্তানকে দেখার সুখ এবং তাকে ছুঁতে না পারার বেদনা বুকে নিয়ে এসেছে, অসংখ্য অপরাধের জন্য মনে মনে শাস্তি পেয়েছে, এগুলো কি সত্য না?

    ভ্রমর বলে, স্যার সত্য আর মিথ্যা, বাস্তব এবং অবাস্তবের মাঝখানেও অনেক কিছু থাকে। মানুষ মারা যাওয়ার আগে এক মুহূর্তে তার সমস্ত জীবনটা দেখতে পায়, সব সুখ একসাথে অনুভব করে, সব দুঃখগুলো তাকে একত্রে ব্যথা দেয়, সব পাপের জন্য সে অনুশোচনায় পোড়ে। কিন্তু মৃত্যুর আগে নিজের সুখ, দুঃখ আর পাপ উপলব্ধি করার মতো চেতনা আপনার নেই। তাই জীবনটাকে শেষবারের মতো অনুভব করার জন্য আপনি স্বপ্ন আর বাস্তবের মাঝামাঝি এই ভিন্ন জগতে এসেছেন।

    ভ্রমর আরো বলে, এই জগত হচ্ছে একটা ছায়া, যাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তার অস্তিত্বকে অস্বীকারও করা যায় না। স্বপ্নের পথ ধরেই আপনি ছায়া পৃথিবীতে গিয়েছেন, সেখানে আপনার উপস্থিতি ছিলো বাতাসের মতোই। কেউ আপনাকে দেখেনি, কারো সাথে আপনার যোগাযোগ হয়নি।

    জহির বলে, ইদ্রিস সমাদ্দারের সাথে তো দেখা হয়েছে আমার, কথাও হয়েছে। এটা কি যোগাযোগ না?

    ভ্রমর বলে, আমার সাথে ইদ্রিস সমাদ্দার, গগণ বাবু, বিশ্বম্বর পাল, জোবায়ের আল মামুন কারো কোনো পার্থক্য নেই। আমরা আপনার স্বপ্নের চরিত্র কেবল।

    জহির ভেবে দেখে, পৃথিবীর আলো বাতাসে সে শ্বাস নিয়েছে কিন্তু মানুষের জীবন সে যাপন করেনি। আলমাস মিয়ার ঘরের সেই রাতের পর তার আর ঘুম, খাবারের প্রয়োজন হয়নি। সেদিন চায়ের দোকানে বুড়ো ভিক্ষুক সবার কাছে ভিক্ষা চেয়েছে কিন্তু তার কাছে চায়নি। পাগলের মতো রাস্তায় পড়ে ছিল, কোনো কৌতূহলী চাহনি তাকে উৎপাত করেনি, উৎখাত করেনি কোনো কর্তৃপক্ষ। তাহলে রোমেনা সেদিন তাকে দেখে দরজা বন্ধ করেনি, কাউকে না দেখে বন্ধ করেছে। ছেলের মঙ্গলের জন্য সে ঘর ছেড়েছে, লুট হওয়ার আশঙ্কায় নয়। দিন রাতের কোনো হিসাব তার কাছে নেই, সময়ের সাথে তার বিচ্ছেদ ঘটেছে, স্বপ্নে তো তাই-ই হয়।

    জহির ভাবে, কিন্তু কেন? তাকে অনুশোচনায় পোড়ানোর জন্য এত নাটকের কী প্রয়োজন ছিলো? এত জ্ঞানের আবির্ভাবের তো কোনো দরকার ছিল না, সহজভাবে তাকে তার অপরাধগুলো মনে করানো যেতো না? নিজের মৃত্যুসংবাদটা অন্তত দেয়া উচিত ছিল তাকে ৷

    ভ্রমরের ঠোঁট নড়ে ওঠে, বলে, স্যার আপনার পথ আপনিই তৈরি করেছেন, এই পথ ছাড়া হয়তো আপনি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন না। আর মানুষের জীবনটাই তো নাটক স্যার, নাটক ছাড়া মানুষ সহজ কথা বোঝে না, সোজা পথ চিনে না। তাছাড়া জ্ঞানের উত্তাপ না দিলে মানুষের সব উপলব্ধি জাগেও না।

    হঠাৎ রাশুর কথা মনে পড়ে জহিরের। জিজ্ঞাসা করে, রাশুর কী হয়েছে? সে এই জগতে কীভাবে এলো?

    ভ্রমর বলে, দুই জগতের মানুষের যোগাযোগ হয়েছে একটা অসম্পূর্ণ স্বপ্নের মাধ্যমে।

    জহিরের মাথা গুলিয়ে যায়, বলে, যদি বাস্তব জগতে আমি এখনো মারা গিয়ে না থাকি তাহলে ভবিষ্যতের রাশু আমার বর্তমানের স্বপ্নে কী করে এলো?

    ভ্রমর বললো, এখানে সময় বাস্তব পৃথিবীর নিয়ম মেনে চলে না স্যার পৃথিবীতে অতীত থাকে পেছনে, ভবিষ্যত সামনে, কিন্তু এখানে অতীত ভবিষ্যত মিলেমিশে জড়াজড়ি করে চলে।

    ঠান্ডা আরো বেড়েছে, প্রায় জমে যাচ্ছে জহির। তীব্র শীত সে সইতে পারছে না। চারপাশের দেয়ালগুলো হঠাৎ চঞ্চল হয়ে উঠলো। ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে তারা। জহিরের পাঁজরের ভিতর একটা বুবুদ বড়ো হতে হতে তার পুরো বুক দখল করে ফেলছে। তার মনে হচ্ছে একটা জনহীন, প্রাণহীন অন্ধকার শূন্যে তাকে ফেলে রেখে সবাই মুখ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছে। শিশুর মতো চিৎকার করছে সে কিন্তু কেউ ফিরে তাকাচ্ছে না। পৃথিবীর সব পাখি, সব প্রাণী, সব কীট, যতসব উদ্ভিদ সবাই তাকে ত্যাগ করেছে। যত সুবাস আর যত দুর্গন্ধ সব মিলিয়ে গেছে। সব আলো আর সব বাতাস ফুরিয়ে গেছে। যত লোভ, যত আক্ষেপ, যত দুঃখ সব নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, সব সুখ হারিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সাথে তার সবধরনের বন্ধন ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এটাই কি তবে মৃত্যুযন্ত্রণা?

    ভ্রমর বললো, চলুন স্যার। আপনার যাত্রা শেষ হয়েছে।

    জহির উঠে গিয়ে দরজাটায় হাত রাখতেই জহিরের হাত গলে গেল ভিতরে। দরজায় একটা কুয়াশার পর্দা ছাড়া আর কিছুই নেই। জহির পা বাড়িয়ে ভিতরে ঢুকলো, মুহূর্তেই সমস্ত হিম বিদায় নিলো। জহিরের সামনে একটা বায়ান্ন (৫২)

    উন্মাদ আশ্রম

    নিস্তরঙ্গ পুকুর, পুকুর পাড়ে একটা ধবধবে বাঁধানো ঘাট। চারদিকে সোনালি আলোতে ঝলমল করছে কিন্তু আকাশে কোনো সূর্য নেই। ঘাটের পাশে শুয়ে আছে ঘাসে ঢাকা সবুজ পথ, তাতে নাম না জানা নানা রঙের ফুল ফুটে আছে, প্রজাপতি উড়াউড়ি করছে ফুল থেকে ফুলে। ঘাটের বিপরীতে শাখা প্রশাখা উদার ভঙ্গিতে মেলে ধরে আছে বেশ কয়েকটা ফুলবতী বৃক্ষ। মৃদু বাতাসে গাছের শাখা ধীর লয়ে দুলছে। গাছের ডালে বসে গায়ে রোদ মাখছে অনেকগুলো সবুজ পাখি, পলাশ গাছের ডালে বসে কয়েকটা পাখি একসাথে অদ্ভুত মায়াবি সুরে গান গাইছে। ভ্রমর উড়ে গিয়ে যোগ দিলো তাদের দলে, জহির এখন আর ভ্রমরকে আলাদা করতে পারছে না। পানিতে কোনো ঢেউ নেই, স্থির পানিতে গাছ থেকে খসে পড়া ফুলের পাপড়ি মনের আনন্দে ভাসছে। জহির ঘাটে পা ফেলে একটার পর একটা ধাপ নামছে। পানিতে পা ডোবালো সে, আশ্চর্য! স্থির পানিতে ঢেউয়ের কোনো প্রতিবাদ উঠলো না। পানি তাকে গ্রহণ করে নিয়েছে। জহির ধীরে ধীরে পুকুরের গভীরে নেমে যেতে লাগলো, পানি তার বুক ছেড়ে গলায় আসলো। স্বচ্ছ, স্থির পানিতে জহির ডুবে যাচ্ছে, তার চোখ দুটোকে পানি এখনো ছোঁয়নি। ফুলের পাপড়ি আর গাছের প্রতিবিম্বে পুকুরটাকে ভীষণ রঙিন দেখাচ্ছে। ডুবে যাওয়ার আগে জহির ভাবলো,

    আহা! মৃত্যুই এত সুন্দর, জীবন না জানি কত সুন্দর ছিল!

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }