Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উন্মাদ আশ্রম – ৪

    ॥ চার ॥

    জহির আবার মেসে ওঠে, ভিক্ষা করে জমানো টাকায় কেনে হাল ফ্যাশনের জামা কাপড়। নতুন বেশে তার পুরনো পরিচয় ঢাকা পড়ে যায় অনেকটাই, রাস্তায় থেকে চেহারায় যে বজ্জাতিটা যোগ হয়েছে, সেটা আড়াল করলো চশমা দিয়ে। খুঁড়িয়ে হাঁটলে তার অভিজাত পোশাকের মর্যাদা রক্ষা হয় না, তাই একটা ক্রাচ কিনলো সে। পুরাতন মধ্যবিত্ত নামটি তার নতুন চালচলনের সাথে বেমানান, নিজেই একটা নাম রাখলো নিজের। নিজের মরা বাপকে বানালো আর্মির বড় অফিসার, অবসরে তিনি এখন ভাইয়ের সাথে লুক্সেমবার্গে আছেন। মায়ের পরিচয় যেহেতু গৌণ, তাকে কবর থেকে ওঠানোর প্রয়োজন পড়লো না, তিনি শান্তিতে কবরেই শুয়ে রইলেন। শহরের যে অঞ্চলে শুধু ধনাঢ্যরাই বাস করতে পারে, সেখানে তাদের বহুতল বাড়ি তৈরি হচ্ছে, শুধু সেজন্যই সে মেসে এসে উঠেছে। অর্ধকোটির গাড়িটা তার বন্ধুর গ্যারেজে পড়ে আছে, ড্রাইভার ছুটিতে গিয়ে বউয়ের অসুস্থতার জন্য গ্রামে আটকে পড়েছে। আপাতত গাড়ি ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের মতো খোলা বাতাস গায়ে মেখে চলতেই তার ভালো লাগছে, অহংকার করার ক্ষমতা যাদের আছে কেবল তারাই এমন নিরহংকার হতে পারে। মেসে ওঠা নিয়ে তার ব্রিগেডিয়ার পিতার সঙ্গে একপ্রস্থ যুদ্ধ হয়ে গেছে তার, বাপের পদের সম্মান রক্ষার্থে তাকে আপাতত একটা বিলাসবহুল এ্যাপার্টমেন্টে উঠতে বলা হয়েছিলো, কিন্তু একা থাকতে তার ভালো লাগে না। তাই সে মধ্যবিত্ত মেসমালিকের প্রতি দয়া দেখিয়ে এবং এখানে বসবাসরত হতভাগ্য গরীবগুলোকে সাহচর্য দিয়ে ধন্য করার জন্য মেসে এসে উঠেছে।

    জহির ডান হাতে সাদা ব্যান্ডেজ পেঁচিয়ে সারাদিন বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরে বেড়ায়। ব্যাংকের শীতল পরিবেশে বসে টাকার বান্ডেলের আনাগোনা দেখে। এত টাকা চোখের সামনে দেখে হাত তার নিশপিশ করে। ভাগ্য ভালো এক পা তার অকেজো, দুই পা ঠিক থাকলে হয়তো টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেয়ার লোভ সে সামলাতে পারতো না। পায়ের অভাব মেটানোর জন্যই মাথাটাকে তার একটু বেশি খাটাতে হয়। সে অপেক্ষা করে চেকবই নিয়ে কলম খুঁজতে থাকা বৃদ্ধদের জন্য। সারাদিন ঘুরলে দুই একজনকে পাওয়া যায়। জহির নিজের মুখে বিগলিত হাসি ফুটিয়ে কলম এগিয়ে দেয়। সাহায্যের প্রতিদানে সে নিজেও সাহায্য চায়, আহত হাতটা দেখিয়ে অনুরোধ করে ডিপোজিট স্লিপটা লিখে দেয়ার জন্য। তার হাতের অস্থায়ী এবং পায়ের স্থায়ী অসুস্থতা দেখে সমবেদনা দেখায় কেউ কেউ, খুব আগ্রহ করে লিখে দেয় তার জমা রশিদ। এই সময়ে অসাবধানে অনেকে ভুলে যায় তার চেকবইয়ের কথা। সেই সুযোগে জহির ভেতর থেকে একটা দুইটা খালি পাতা ছিড়ে নেয়। কাজটা করে সে অতিদ্রুত, ধরা পড়লে কী বলবে তাও ভেবে রাখে সে। চশমাটা নাকের উপর ঠেলে দিয়ে ব্ৰিত কণ্ঠে বলবে, ও এটা আপনার? সরি সরি, আমি ভেবেছি আমার। দুইবার সরি বললে এই শহরে এরচেয়ে অনেক বড়ো অপরাধও মাফ হয়ে যায়। একটাও ‘সরি’ ব্যয় না করে গত এক সপ্তাহে মোট পাঁচটি চেকের পাতা সংগ্রহ করেছে সে।

    জহিরের মেসের মালিক বেলায়েত পোদ্দার তিনতলায় সপরিবারে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জহির তার দরজায় কড়া নাড়ে। দরজা খুলে জহিরকে দেখে বেলায়েত পোদ্দারের চেহারায় একটা গদগদ ভাব চলে আসে, বড়োলোক বাপের নিরহংকার ছেলেকে দেখে যতটুকু আসা উচিত তার চেয়েও একটু বেশি। মেসের লোকজনের উপরে উঠে আসাটা পছন্দ না বেলায়েতের, মেয়েটা তার বড়ো হচ্ছে, বউকেও সন্দেহ কম করে না। দেহব্যাপী অভাবের চিহ্ন নিয়ে কমবয়সি ছোকরা মেস মেম্বাররা যখন উপরে আসে তাদেরকে চোখ রাঙায় সে, কিন্তু জহিরকে দেখে বিগলিত হাসি হেসে দুই হাত কচলাতে থাকে। এখনো কৈশোর না পেরুনো মেয়েটাকে নিয়ে আফসোস হয় তার, মেয়েটা আরেকটু বড়ো হলেই পারতো, একটা ষড়যন্ত্র ঘটিয়ে ফেলা যেতো। অবশ্য বড়ো তো মেয়েটা হবেই, বড়োজোর এক কি দুই বছর, ততদিন বড়লোকের পঙ্গু ছেলেটা কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকলেই হয়। চা দেয়ার জন্য বউকে না ডেকে মেয়ের নামের ভদ্র সংস্করণ ধরে হাঁক দেয় বেলায়েত পোদ্দার, কিশোরি মুখের লালিত্যও যদি ব্রিগেডিয়ারের ছেলের মনে দাগ কেটে রাখে। তর্জনী দিয়ে নাকের ছিদ্রে কীসের যেন সন্ধান করতে করতে মেয়েটা সামনে এসে দাঁড়ায়। বেলায়েতের এমন রাগ হয়, মেয়েটার গালে একটা চড় দেয়ার ইচ্ছাটাকে বহুকষ্টে দমন করে।

    চা খেতে আপত্তি খুব বেশি করে না জহির, মধ্যবিত্তের ঘরে আতিথ্য গ্রহণ করাও তার উদারতা। চায়ে চুমুক দিয়ে সে বেলায়েত পোদ্দারকে কৃতাৰ্থ করে দেয়। চায়ের কাপ নামিয়ে রাখতে রাখতে বলে, আসলে একটা বিপদে পড়ে আপনার কাছে এসেছি। বলতে লজ্জাও লাগছে।

    ভূমিকা করে জহির। বেলায়েত কৃত্রিম অভিমান দেখায় ৷

    আরে কী কন, লইজ্জা কীয়ের! এমনে কইলে তো মনে কষ্ট লাগে, আমারে কি আপনা মানুষ মনে করেন না?

    জহির বিব্রত কণ্ঠে বলে, আসলে আজকে ওয়ার্কারদের ছোটো একটা পেমেন্ট করতে হবে, আমার কাছে ক্যাশ নেই এই মুহূর্তে। চেক আছে, কিন্তু রবিবারের আগে তো আর সেটা ক্যাশ করা যাচ্ছে না। সেজন্যই আপনার কাছে আসলাম।

    মনে মনে খুশি হয় বেলায়েত, উপকারের বড়শি দিয়েই যদি পাত্রটাকে গাঁথা যায়। জিজ্ঞাসা করলো, কতো টাকার চেক ?

    খুব বেশি না, এক লাখ টাকা।

    বেলায়েত পোদ্দারের মুখে চিন্তার ভাঁজ দেখে কিছুটা শঙ্কিত হয় জহির। কিছুক্ষণ ভেবে বেলায়েত বলে, এক লাখ ট্যাকা তো ক্যাশ নাই ঘরে, সব মিলায়া পঞ্চাশ হাজারের মতো আছে।

    আচ্ছা, সমস্যা নেই, আমার এতেই চলবে, আপনি এই চেকটা রাখেন, বাকি টাকা থাকুক আপনার কাছে, মাসে মাসে কেটে রাখবেন, বেশ কয়েকদিন তো এখানে থাকতেই হবে আমার।

    বেলায়েত পোদ্দার হাসিমুখে কৃতজ্ঞতার সাথে পঞ্চাশ হাজার টাকা জহিরের হাতে তুলে দিলো, পুরো টাকাটা দিতে না পেরে মনে তার একটু অস্বস্তি রয়ে গেছে। জহির এক লাখ টাকার চেক বেলায়েতের হাতে দিয়ে তাকে ঋণী করে দিয়ে গেল। এই ঋণ শোধ করার সুযোগ বেলায়েত আর পায়নি, জহিরকে সেই মেসে আর কখনো দেখা যায়নি।

    একই দর্শকের সামনে এক জাদু দুইবার দেখাতে নেই। জহির তাই শহর পরিবর্তন করে, নতুন শহরে গ্রহণ করে নতুন নাম, সাথে তার জীবন বৃত্তান্তেও যোগ হয় নতুনত্ব। তার কেরানি বাপকে কখনো সরাসরি যুগ্ম সচিব পদে প্রমোশন দেয়, ক্লাস এইটের গণ্ডিতে আটকে যাওয়া মাকে বানায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, কখনো তার ভাই হয়ে যায় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের বড়ো পদধারী, কাল্পনিক বোনের কাল্পনিক বোনজামাইকে রাষ্ট্রদূত বানিয়ে বিদেশে পাঠায় অহরহ। নিজের জীবনে এত সমৃদ্ধি আমদানি করে যে, বুকটা তার ফুলে ওঠে গর্বে। মাঝে মাঝে নিজের মিথ্যা নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করে। চাকরি কিংবা মামলার জন্য তদবীর করতে আসা অনুগ্রহপ্রার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহারও করে বসে, এত এত প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজন যার, মেজাজ তো তার একটু চড়া হবেই।

    এটিএম টাকা নেয়ার সময় জহির ধনী গরীবে কোনো বৈষম্য করে না, বুথের চকচকে টাকা যেমন নেয়, ঘাম আর মাটি লেগে থাকা টাকাও সে সমান আগ্রহে গ্রহণ করে। কত বউয়ের গলা খালি হয়েছে তার জন্য, কত বোনের মাটির ব্যাংক ভেঙ্গেছে সে। বৃদ্ধ বাপের পেনশন, ছেলের চিকিৎসার টাকা, ব্যবসার পুঁজি কোনো কিছুকেই অবজ্ঞা করেনি সে। পুলিশের খাতায় নামও উঠেছে তার, কিন্তু সেই নামের যেহেতু আকিকা হয়নি, ছুড়ে ফেলতেও অসুবিধা হয় না। পুলিশ বেশি উৎপাত করলে কিছুদিন অবসর যাপন করে। এরকম অবসরে ফোনে কমবয়সি মেয়েদের মাথা খায় সে।

    তারপর সুযোগমতো একদিন দেখা করে কোনো একটা রেস্টুরেন্টে। মেয়েদের বাপদের ঘোল খাওয়ায় সে, মেয়েদের খাওয়ায় চিকেন ফ্রাই। কিন্তু বেশি জড়ায় না জহির, প্রথম দেখার শেষপ্রান্তে মেয়েটাকে জানায় তার ফোনে চার্জ নেই, মাকে একটা কল করতে হবে। মেয়েটা অর্ঘ্যের মতো ফোন এগিয়ে দেয় দেবতার সামনে। বাহিরে এসে মাকে ‘কল’ করে না জহির, যেহেতু তার মা ‘কল’ ধরার অবস্থায় নেই। সে হাতের ইশারায় রিকশা ডাকে, তারপর ফোনটাকে বন্ধ করে সেখান থেকে চলে আসে। মেয়েগুলো বাসায় ফিরে সজল চোখে জানায় তার ফোন হারিয়ে গেছে। মেয়ের চোখে জলের ধারা দেখে অতিসত্বর তাকে আরেকটা ফোন কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। তিন দিন পার না হতেই কিনে দেয়া হয় আরেকটা ফোন কিন্তু নতুন ফোন পেয়েও মেয়েটা কেন দিনরাত কাঁদে বাপ-মা তা বুঝতে পারে না।

    নতুন কোনো শহরে গেলে সেই শহরের পথেঘাটে হেঁটে ঘুরে বেড়ায় জহির। রাস্তায় মানুষের চেহারা দেখে, হাসিমুখের সাথে গোমড়া মুখের তুলনা করে। মানুষের শরীরে পুষ্টি মাপে, সাধারণত অপুষ্ট মানুষের পকেট অপুষ্ট হয়। বাজার ফেরত মানুষের ব্যাগের স্বাস্থ্য, দোকানে পণ্যের বৈচিত্র্য দেখে অর্থনীতির আকার বুঝে নেয় সে। রাস্তার কুকুরের পাঁজরের হাড় গুনে শহরের মানুষের মনে দয়ার পরিমাপ করে। একজন প্রতারক পথে পথে যত গবেষণা করে, বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সারা বছরেও অত হয় না।

    ফুটপাত ধরে হাঁটছিলো জহির। কিছু মানুষ দ্রুতগতিতে তাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে, এরা অফিস ফেরত চাকুরে। এদের সব সময় তাড়া থাকে, মাথা নিচু করে হাঁটে তারা, পথে সুন্দরী নারী দেখার সময়ও তাদের নেই। এই প্রজাতির প্রধান খাদ্য হচ্ছে বকা, অফিসে বসের বকা খায়, কারণ যোগ্যতার তুলনায় বেশি বেতন পায়। বাসায় বউয়ের বকা খায়, কারণ প্রয়োজনের তুলনায় কম বেতন পায়। জহির ছুটে চলা চাকুরেদের পিঠে লেপ্টে থাকা ঘামে ভেজা শার্ট দেখতে থাকে। ঠিক তখন হাতে কোদাল আর ঝুড়ি নিয়ে একটা ছেলে এগিয়ে আসে।

    একটা কথা কইতাম স্যার।

    ‘কথা’ বলতে দুঃখের কথা, জহির বোঝে। কিন্তু এত লোককে এড়িয়ে তাকেই কেনো ‘কথাটা’ শোনাতে চায় ছেলেটা, তার চেহারায় কি ইদানিং দয়ালু ভাব চলে এসেছে? জহির ভালো করে লক্ষ করে ছেলেটাকে কোমরে বাঁধা একটা নতুন গামছা শার্ট আর লুঙ্গির সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছে। ফুল হাতা শার্টের ভিতর থেকে ছেলেটার সুস্বাস্থ্য উঁকি মারছে, চামড়ায় রোদের রঙ নেই, হাতে ঝুড়ি কোদাল, ঝুড়িটা হয়তো আজকেই কেনা হয়েছে, কোদালের দাঁত ঝকঝক করছে, নিকট অতীতে মাটি কামড়েছে বলে মনে হয় না। প্রেমিকার গালে সুড়সুড়ি দেয়া কোমল হাতে কোদালের বাট খুব বেমানান লাগছে। ছেলেটাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে শ্রমিক না, শ্রমিক সেজেছে।

    সারাদিন কোনো কাম পাই নাই, কয়ডা টাকা দিলে বাজার কইরা ঘরে যাইতাম, পোলামাইয়া না খাইয়া রইছে।

    করুণ মুখে নিজের আবেদন জানায় ছেলেটা। নিজের দুর্দশার কথা বলতে এত ভূমিকা করলে কেউ শুনবে কেন? কারো এত সময় নেই এখানে। কিন্তু জহিরের সময়ের কোনো কমতি নেই। বড়ো শহরে এই চাতুরি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। পুরনো খেলা দেখে কিছুটা স্মৃতিকাতর হয় জহির। ছেলেটার আনাড়িপনায় সে আগ্রহ এবং কৌতুক অনুভব করে। ফুটপাতের একপাশে দাঁড়িয়ে তার দুঃখের গল্প শোনে। আরেকজনের বানানো দুঃখ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে জহির। গল্প শেষ হলেও জহিরের পেট ভরে না, সে আরো শুনতে চায়। ছেলেটাকে তার পরিবার নিয়ে অনেক প্রশ্ন করে খুটিনাটি সব জানতে চায়। জহির দেখতে চায়, ছেলেটার কল্পনার দৌড় কতটুকু। পরিবারে কে কে আছে, বড়ো মেয়ের নাম কী, ছোটো ছেলের বয়স কত, বোনের এখনো বিয়ে হলো না কেন, শ্বশুর বাড়ি কোথায়, বিয়ে হয়েছে কবে, মেয়ে কোন ক্লাসে পড়ে? সব জিজ্ঞেস করে জেনে নিলো। এত প্রশ্নের তোড়ে সময়ের হিসাবটা ঠিক রাখতে পারেনি ছেলেটা, দেখা গেল বিয়ের দুই বছর আগে তার বড়ো মেয়ের জন্ম হয়েছে। তাছাড়া তার গ্রামের ঠিকানা দিয়েছে উত্তরে কিন্তু ভাষায় আঞ্চলিকতা দক্ষিনের। জহির খুশি হয়, বউরা রান্নায় ভুল করলে শাশুড়িরা যেমন হয়। বললো, চলো, তোমাকে কাজ দিবো।

    ছেলেটা ইতস্তত করছে। শ্রমিকের কাজ করার ইচ্ছা কিংবা ক্ষমতা কোনোটাই নেই তার। বলে, স্যার সারাদিন কিছু খাই নাই, ঘরে পোলাপান না খাওয়া, কিছু সাহায্য করলে বাজার কইরা ঘরে যাইতাম।

    আচ্ছা, চলো আগে তোমাকে কিছু খাওয়াই।

    আপত্তি করতে পারে না ছেলেটা। একটা চায়ের দোকানে গিয়ে বসলো তারা। চা বিস্কুট এলো, ছেলেটা অনিচ্ছায় চায়ের মধ্যে বিস্কুট ডোবাচ্ছে। সারাদিন যে কিছু খায়নি বিস্কুটের প্রতি তার এত অনীহা থাকার কথা না। জহির কিছু খাচ্ছে না, বসে বসে ক্ষুধার্তের কাচা অভিনয় দেখছে।

    নাম কী তোমার?

    ভেজানো বিস্কুটের অর্ধেকটা টুপ করে চায়ে পড়ে গেল। বিস্কুট চাবানোর দায়িত্ব চায়ের সাথে ভাগাভগি করে কিছুটা স্বস্তি পেলো ছেলেটা। উত্তর দিলো, সোলায়মান।

    মুখে তীর্যক হাসি আর চোখে কাঠিন্য এনে জহির তাকালো ছেলেটার দিকে। গম্ভীর কণ্ঠে বললো, আসল নামটা বল, যেটা বাপ-মা রাখছে।

    জহিরের কন্ঠে কোনো আর্দ্রতা নেই। ভদ্রতার সূচকে এক ধাপ নিচে নেমে ছেলেটা ‘তুমি’ থেকে ‘তুই’ হয়ে গেল। এমন অবনমনে কিছুক্ষণ বিহ্বল হয়ে রইলো ছেলেটা তারপর সাবধানে চায়ের কাপটা নামিয়ে রাখলো, কৃপা প্রার্থনার জন্য দুই হাত প্রয়োজন। হাত জোড় করে বললো, স্যার আমি গরীব মানুষ, মিছা কতা কমু ক্যান।

    জহির একটা অবজ্ঞার হাসি হাসলো। বললো, মানুষের পকেট থেকে টাকা বের করা এত সোজা না, তোকে দেখে মনে হচ্ছে সিনেমার শুটিং থেকে পালিয়ে এসেছিস। জীবনে কোনো লেবারের এমন পরিষ্কার কাপড়চোপর দেখেছিস? শ্রমিকের চুলও এত কালো থাকে না, মাটি আর রোদ লেগে থাকে চুলে। ফোস্কা পড়ে পড়ে শ্রমিকের হাত সিমেন্টের আস্তরের মতো খসখসে হয়ে যায়, এমন মোলায়েম হয় না। আর বিয়ের দুই বছর আগে বাচ্চা হলে তারা এমন গর্ব করে প্রচার করে না।

    জহিরের কণ্ঠে শাসন ছিল, আক্রমন ছিল না, তাই ছেলেটা ভীত হলো না। কিন্তু লজ্জিত হলো ঠিকই। ফেল করা ছাত্রের মতো মাথা নত করে চায়ের দোকানের সাবেক গ্রাহকের ফেলে যাওয়া এক দলা থুতু মনোযোগ সহকারে নিরীক্ষণ করতে থাকলো। তারপর নিচু গলায় বললো, আমার নাম কাদের, বাপ-মার দেয়া নাম না, নাম রাখছে দাদায়।

    জহির কাদেরের পিঠে হাত রেখে উৎসাহ দেয়।

    চা-টা শেষ কর।

    পিঠে রাখা হাতে জহিরের সাথে সংযোগ অনুভব করে কাদের, অপরিচয়ের দূরত্বটা কমে আসে। বলে, না ভাই, দুপুরে বিরিয়ানি খাইছিলাম, গ্যাস হইতাছে।

    তোর ছেলেমেয়ে ভাত খেতে পায় না, আর তুই খাস বিরিয়ানি !

    জহিরের রসিকতায় কাদের হাসে, তার আড়ষ্টভাব কেটে গেছে। নিজেকে উন্মোচন করতে সে আর কোনো বাধা পায় না।

    জীবনে যারা দারিদ্র মেনে নিতে পারে না, কিন্তু অর্থোপার্জনের জন্য ধৈর্যও যাদের নেই, কাদের তাদেরই একজন। স্কুলে থাকতেই টিফিনের টাকা জমিয়ে লটারির টিকেট কিনতো সে, খেলা নিয়ে ধরতো বাজি। বাজির টাকা পরিশোধ করার জন্য অল্প বিস্তর চুরিও শিখেছিলো। কিন্তু তার চৌর্যবৃত্তির পরিধি কখনো ঘরের বাহিরে বিকাশ হয়নি, বাপের মানিব্যাগ আর মায়ের আঁচলেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। বড়ো হয়ে জেনেছে সে, অল্পসময়ে বড়লোক হওয়ার জন্য ব্যবসাই হচ্ছে সবচেয়ে সহজ পন্থা, তাকে প্রলুব্ধ করার জন্য আশেপাশে সফল ব্যবসায়ীর উদাহরণের কমতি ছিল না। ব্যবসার টাকার জন্য ঘরে সে শুরু করেছিলো বিদ্রোহ, একটামাত্র লাঠিতেই সেই বিদ্রোহ দমন করে ফেলেছিলো তার বাবা। টাকার জন্য যখন সে উপবাস শুরু করলো, বাবা করলো উপহাস। কিন্তু এবার মা গেল গলে। গয়না বেচে টাকা দিলো ছেলেকে। আরো কয়েকজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অপদার্থ বন্ধুদের সাথে মিলে সে কিনেছিলো মশলা গুড়ো করার মেশিন। সেই মেশিনে মশলার চেয়ে তাদের স্বপ্নই গুড়ো হয়েছিলো বেশি।

    ব্যবসার ক্ষতি দ্রুত পুষিয়ে নিতে আরো সহজ পথ সে আবিষ্কার করে, জুয়া। সফল জুয়াড়িদের উদাহরণ তেমন না পেলেও, উৎসাহ তার দমে না। তারপর থেকে জুয়ার আসরে নিয়মিত দেখা যায় তাকে। জুয়ার টেবিলের পুঁজির জোগান দেয়ার জন্য ঘরের টেলিভিশনটা একদিন গৃহহীন হয়ে যায়। তারপর একে একে বাবার বিয়ের ঘড়ি, বোনের আঙটি, দামি তৈজসপত্র আর ঘরের সুখ শান্তি সব বিক্রি হতে থাকে। অবশিষ্ট সম্পদ বাঁচাতে মায়ের চোখের জল, বোনের অনুরোধ, নিজের পিতৃস্নেহ ইত্যাদিকে অবজ্ঞা করে বাবা তাকেই একদিন গৃহহীন করে দিলো। বন্ধুবান্ধব থেকে ধারকর্য করে জুয়ায় ঢেলেও সেই অতল গহ্বর থেকে কিছুই উত্তোলন করতে পারেনি কাদের। অবশেষে ধারের টাকা যখন গলা চেপে ধরেছে, তখন পালিয়ে এসে এখানে শ্রমিক সেজেছে। দয়ালু এবং বোকা মানুষ যেহেতু এখনো কিছু আছে, মাঝে মাঝে একবেলা বিরিয়ানি সে খেতে পারে।

    কাদেরের মধ্যে প্রবৃত্তি যত আছে বুদ্ধি তত নেই, আবেগের ছায়ায় বুদ্ধিটা ঠিক পেকে উঠতে পারেনি। পিঠে একটু হাত ছোঁয়াতেই নিজের জীবনের সব অন্ধকার খুলে দেখিয়ে দিলো। এমন ছেলেকে কাজে লাগানো যায়, মাথা খাটাবে না, শুধু কথা শুনবে। জহির কাদেরকে বলে, সহজে বড়োলোক হওয়ার উপায় তার জানা আছে, তাকে সে সেই পথ দেখিয়ে দিবে কিন্তু তার আগে একটা পরীক্ষা দিতে হবে। ‘অল্পসময়ে বড়োলোক’, এইটুকুই যথেষ্ট কাদেরের জন্য, সে রাজি হয়ে গেল।

    জহির কাদেরকে নতুন পরিচয়ের সাথে নতুন একটা গল্পও দেয়। হাসপাতালের সামনের রাস্তায় সে কিছু একটা খুঁজতে থাকবে। আশেপাশে মানুষজনকে জিজ্ঞাসা করবে, একটা নেভি ব্লু ব্যাগ দেখেছে কিনা। এই খোঁজাখুজির মধ্যে আকুলতা থাকতে হবে। ব্যাগে তার ফোন, টাকা, মায়ের প্রেসক্রিপশন, টেস্টের রিপোর্ট সব ছিল। সে এসেছে পাশের উপজেলার একটা গ্রাম থেকে, মাকে বসিয়ে এসেছে ডাক্তারের চেম্বারের সামনে। ব্যাগটা না পেলে তার সর্বনাশ হয়ে যাবে। যথেষ্ট লোকের আগ্রহ জোটাতে পারলে তাকে আসল অস্ত্রটা ছাড়তে হবে, চোখের জল। কারো কাছে কিছু চাইতে হবে না, আবেদন কিংবা নিবেদন কোনো কিছুর প্রয়োজন হবে না। যথেষ্ট অশ্রু ঢালতে পারলে লোকজন টাকা বের করে তার পকেটে গুঁজে দিয়ে যাবে।

    জহিরের নির্দেশনা মনোযোগ সহকারে শুনলো কাদের।

    কিন্তু চোখে পানি ক্যামনে আনবো ভাই?

    মনে কর, সত্যি সত্যি তোর মায়ের অসুখ, ডাক্তার দেখানোর পয়সা নাই তোর কাছে।

    তারচাইতে চিন্তা করি, একটা লাল গোলামের অভাবে আমার সাড়ে তিনলাখ টাকা নাই হইয়া গেল। আসলেই সেইদিন খুব কষ্ট পাইছিলাম ভাই, এত কষ্ট জীবনেও পাই নাই, ইশ একটা হরতনের গোলাম !

    জহির দেখে কাদেরের চোখ সত্যিই ছলছল করছে।

    আচ্ছা যা, আমি এখানে বসে ঘড়ি ধরলাম, আধাঘণ্টার মধ্যে আমাকে পাঁচশো টাকা এনে দিবি, এটা হচ্ছে গল্পের দাম, বাকি কিছু থাকলে সেটা তোর।

    কাদের ফিরে আসলো বিশ মিনিট পরেই। তার ঠোঁটে বিজয়ের হাসি, চোখের পাপড়িতে অশ্রু লেপ্টে আছে এখনো। ধার করে যাকে জুয়া খেলতে হয় অভিনয় তার না জানলে চলে না। অল্প একটু অভিনয় আর কয়েক ফোঁটা চোখের জলের যে এত দাম ভাবতেই পারেনি সে। পকেট থেকে তেরোশো বিশ টাকা বের করে সে জহিরের হাতে দিলো। জহির পাঁচশো টাকা রেখে বাকিটা কাদেরকে ফিরিয়ে দেয়। তারপর থেকে এটাই তাদের রীতি হয়ে উঠলো। কিন্তু সেদিন একটা গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নের মীমাংসা করতে ভুলে গিয়েছিলো জহির, কী এমন ছিল তার চেহারায় যে এত লোক থাকতে তার কাছেই সাহায্য চেয়েছিলো কাদের?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }