Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উন্মাদ আশ্রম – ৯

    ॥ নয় ॥

    শহরের রাস্তাগুলো এখনো জেগে ওঠেনি, ঘুম কাতুরে বেকার যুবকের মতো কাত হয়ে পড়ে আছে। এই রাস্তা ধরে গ্রাম, মফস্বল থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে আসে শহরের ধাতব স্তন থেকে কিছুটা সমৃদ্ধি দোহন করার জন্য। জহির উল্টো পথ ধরে, নগরের ইট আর পাথরের মধ্যে হাঁসফাঁস লাগছে তার, সে নরম কিছু ছুঁতে চায়, তরল কিছু দেখতে চায় ৷ কাকটাকে জিজ্ঞাসা করে, কতদূর গেলে নদী পাওয়া যাবে ভ্রমর?

    এইটা বাংলাদেশ স্যার, এইখানে দুই পা ফেললেই কোনো না কোনো নদী পাওয়া যায়।

    নদী পাওয়া গেল সহজেই, কিন্তু নদীর পাড়ে নরম মাটি নেই। সিমেন্টের শক্ত প্রলেপ লেপ্টে দুই পাড় ঢেকে ফেলা হয়েছে, সর্বত্র পলিথিন আর আবর্জনার কর্তৃত্ব। সবুজ ঘাসের খোঁজে জহির হাঁটতে থাকে পাড় ধরে। সারাদিন হাঁটার পর যখন নগরের সব কয়টা চিহ্ন চোখের আড়াল হয়ে গেল, জহির তখন পায়ের নিচে নরম কচি ঘাসের স্পর্শ পায়। সূর্য তখন পশ্চিম আকাশে, কোমল রোদ তাকে জড়িয়ে ধরেছে বাবার উষ্ণ চাদরের মতো। জহির শুয়ে পড়ে, সারা গায়ে নরম ঘাস আর রোদের আদর মাখে। আহা! আগে যদি জানতো, কয়েক ঘণ্টা হাটলেই শৈশব পাওয়া যায়।

    কাকটার আরেকটা পালকে সবুজ রঙ ধরেছে, রোদের আলোয় চকচক করছে পালকটা।

    ভ্রমর, তুমি সবুজ হয়ে যাচ্ছো কেনো?

    জানি না স্যার, দেখতে খারাপ লাগছে?

    না, ভালো লাগছে। তুমি কথাও বলছো সুন্দর করে।

    সব আপনার জন্যই স্যার।

    আমার এইখানে ঘুমাতে ইচ্ছা করছে।

    কিন্তু ঘুম তো আপনার হবে না স্যার, ওরা এসে হাজির হবে।

    জহির শুয়ে তার মাথাটা কাটার দিকে কাত করে বললো, তোমার গিয়াস উদ্দিনের কথা মনে আছে?

    আছে স্যার, তার ছেলেটা অসুস্থ ছিলো।

    ছেলেটা এখন কেমন আছে?

    জানি না, স্যার।

    আমার খুব জানতে ইচ্ছা করছে।

    চলেন স্যার, গিয়াস উদ্দিনের ঠিকানা আমরা জানি।

    কচি ঘাসের বিছানায় শুয়ে জহির চোখ বন্ধ করলো। ভুলে যাওয়া শৈশবে আর একটু শুয়ে থাকতে চায় সে।

    গিয়াস উদ্দিন একজন সাধারণ চাকরিজীবী, ইন করে শার্ট পরলে অন্য অনেক চাকুরেদের সাথে তার কোনো পার্থক্য করা যায় না। পৃথিবীর এই বিশাল মৌচাকে সে একজন কর্মী মৌমাছি, তার কাজ শুধু মধু সংগ্রহ করা। সারা বছর তার পকেটে থাকে টানাটানি আর মাথায় ঘুরে হিসাব। একটা টিনশেড ঘর আর আট বছরের একটা ছেলে ছাড়া আর কোনো সম্পদ নেই তার। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার সময় তার হয় না, নেশা করার সামর্থ্যও নেই, তাই সে আপাদমস্তক সংসারী মানুষ। রাতের বেলা বউয়ের চেয়ে বিছানাটাই তাকে আকর্ষণ করে বেশি, বউয়ের অভিযোগ পুরোটা শোনার আগেই ক্লান্ত দেহে তার ঘুম নেমে আসে। কলহ অথবা ভালোবাসা সব ছুটির দিনের জন্য তুলে রাখে তারা।

    তবুও গিয়াস উদ্দিনের মনে সুখ ছিল। মাসের প্রথম দিকে বাজারে গিয়ে বোয়াল মাছের চোখে চোখ রাখার সাহস সে করতে পারে। বউয়ের অভিমানের ঠোঁট মাঝে মাঝে লিপস্টিক মেখে লাজুক হয়। অফিসের কাগজপত্রের মাঝে বসে ছেলের রিপোর্ট কার্ডে চোখ বুলিয়ে গর্ব হয় তার। স্বপ্নও দেখে, একটা প্রমোশন পেলেই, বিয়োগ অঙ্ক বাদ দিয়ে যোগ অঙ্ক শুরু করবে। ঘরের চালে ঝুলে থাকা সবজির মতো সঞ্চয় তার পুরুষ্ট হবে একদিন

    মধ্যবিত্ত নিরীহ ভদ্রমানুষ স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস করবে আর ভাগ্য চুপচাপ দেখবে, তা তো আর হতে পারে না। গিয়াস উদ্দিনের ওপর দুর্ভাগ্য আঘাতটাও করলো প্রচণ্ড, তার সবচেয়ে বড়ো সম্পদটাকে কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র হলো। তার চটপটে ছেলে শাসন ছাড়াই হঠাৎ শান্ত হয়ে গেল। বিছানায় শুয়ে সে টেনে টেনে শ্বাস নেয়। সব মধ্যবিত্তের মতো চিকিৎসার জন্য প্রথমেই সে গেল মোড়ের ওষুধের দোকানে। বিবিধ ওষুধ গেলানোর পরও ছেলে তার সুস্থ হলো না। পাশের বাড়ির চাচি রোগের কারণ নির্ণয় করে দিলেন, খারাপ বাতাস। মাসের শেষদিক এবং জ্বীন তাড়ানোর খরচ কম হওয়ায় গিয়াস উদ্দিন ফকির, কবিরাজের দরবারে ঘুরতে লাগলো। পানিপড়া, চালপড়া, তাবিজ, মাদুলির মতো সাশ্রয়ী চিকিৎসা ছেলেকে তার দুই পায়ে দাঁড় করাতে পারলো না। গিয়াস উদ্দিনের মনের শঙ্কা, তার বউয়ের চোখের জল আর কিছু ঋণ তাকে নিয়ে গেল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চেম্বারে। ডাক্তারের চেম্বার থেকে ভাঙা বুক নিয়ে বের হয়ে আসলো স্বামী স্ত্রী। ছেলে নিশ্চিন্তে গিয়াস উদ্দিনের ঘাড়ে মাথা ফেলে রেখেছে। সে রাতে ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে তারা দুজনে এই প্রথম একসাথে কাঁদলো, দুজন অসহায় মানুষ ভেবে পায় না, কী এমন পাপ তারা করেছে যার শাস্তি এত প্রকাণ্ড। পৃথিবীতে এত মানুষ থাকতে কেন তাদের ছেলেরই দুটি কিডনি বিকল হয়ে গেল? রক্তের মিল না পাওয়ায় স্বামী স্ত্রী দুজনের চারটি কিডনির একটিও কাজে আসছে না। চারটি সক্ষম কিডনি বহন করে তারা অপরাধবোধে ভুগতে থাকে ৷

    এই নিষ্ঠুর জগতে টিকে থাকার জন্য গিয়াস উদ্দিনের মতো ভালোমানুষেরা প্রতিদিন সংগ্রাম করে। লড়াই সে ছাড়বে না, ছেলের জন্য সবচেয়ে কঠিন যুদ্ধটাই সে করবে। নিজের অসহায়ত্ব, দুর্বলতা সারাজীবন তারা আত্মসম্মান দিয়ে ঢেকে রেখেছিলো, আজ সেই আত্মসম্মানের পর্দাটা সরিয়ে ফেললো।

    চোখের জল আর গোপন করলো না, কুণ্ঠিত হাতে কোনো গর্ব রইলো না। মানুষের সাহায্য চেয়ে চেয়ে নিলো, সেই অর্থ যথেষ্ট না হওয়াতে বাবার সারাজীবনের পরিশ্রম, বাড়িটাও বিক্রি করে দিলো। কিন্তু হায়! অর্থ জোগাড় হলেও একটা কিডনি পাওয়া গেল না। সারা দুনিয়ায় তার ছেলেকে নিজের একটা অতিরিক্ত অঙ্গ দান করার মানুষ নেই? দানটা নাহয় কিনেই নিবে গিয়াস উদ্দিন। টাকা যেভাবে হাত পেতে চাওয়া যায়, মানুষের একটা অঙ্গ কি সেভাবে চাওয়া যায়?

    হাসপাতালের সামনে জহির অসুস্থ বাচ্চা সহ দুজন মানুষের বিষণ্ণ চেহারা দেখে খুশি হয়েছিলো সেদিন। বিশেষায়িত এই হাসপাতালে প্রায় সবাই অক্ষম কিডনি নিয়েই আসে। সন্তানের জন্য যারা প্রাণ দিতে পারে, একটা কিডনি তারা তাকে দিতে পারছে না, এই অসহায়ত্ব কোনোমতেই লুকিয়ে রাখতে পারছে না তারা। জহির গেইটের বাহিরে ওঁত পেতে তাদের গতিবিধি লক্ষ করছে, দুর্বল মানুষের চেয়ে উত্তম শিকার আর হয় না।

    চেহারায় মমতার প্রলেপ মেখে জহির তাদের দিকে এগিয়ে গেল।

    ভাই সাহেব কিছু মনে করবেন না, একটু কথা বলতাম।

    দুজনে থমকে দাঁড়ায়। জহির বলে, রোগী কে, এই বাচ্চাটা? আহারে! কী সুন্দর ছেলে আপনাদের। ডাক্তার কী বলেছে?

    স্বামী স্ত্রী কথা বলতে পারে না, তাদের ভেজা চোখ সব জবাব দিয়ে দেয়। জহির গিয়াস উদ্দিনের বউয়ের হাত থেকে রোগীর ফাইলপত্র চেয়ে নেয়। তারপর খুব মনোযোগ দিয়ে প্রেসক্রিপশন আর রিপোর্ট উল্টাতে থাকে, মাঝে মাঝে বিজ্ঞের মতো মাথাটা তার দুলে ওঠে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, এইসব দুঃসংবাদে ভরা রিপোর্টে সে কী যেন একটা সুখবর বের করে ফেলছে। অসুস্থ সন্তানের মরিয়া পিতামাতা জহিরের চেহারায় আশার আলোর সন্ধান করতে থাকে। রিপোর্টের ফাইল বন্ধ করে সে দেখে দুজন মানুষের চার জোড়া চোখ উৎকণ্ঠা নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। মনে মনে খুশি হয় জহির, এরা টোপ গেলার জন্য হাঁ করে আছে।

    আরে বাহ, আপনাদের ভাগ্য ভালো, সব ম্যাচ করেছে।

    দুজনের চোখেমুখে বিহ্বলতা, তারা কিছু বুঝতে পারছে না। জহির এগিয়ে তাদের কাছে গেল যেন কোনো গোপন কথা বলবে।

    চিন্তা করবেন না, আমার কাছে একজন ডোনার আছে।

    ডোনার আছে? মুহূর্তেই স্বামী স্ত্রীর মুখ উজ্জ্বল হয়ে গেল। গিয়াস উদ্দিন ছেলেকে বুকে চেপে ধরলো আরো শক্ত করে। তার চোখের জলে ছেলের পিঠ ভিজে যাচ্ছে, কান্নাকে আর দমন করছে না সে। আজ কাঁদতে কোনো বাধা নেই।

    গিয়াস উদ্দিনের বসার ঘরে চায়ে চুমুক দিয়ে জহির জানালো, ডোনার সে নিজেই। গিয়াসের বউ জহিরের খোঁড়া পায়ের দিকে ইঙ্গিত করে স্বামীকে চোখ দিয়ে কিছু একটা বললো। গিয়াস উদ্দিনও চোখ দিয়ে বউকে আশ্বস্ত করলো, পা পঙ্গু হলে কিডনিও যে পঙ্গু হবে এমন কোনো কথা নেই ৷ সন্দেহের বাতাসে আশার একমাত্র প্রদীপটাকে সে কোনোমতেই নিভতে দিবে না ৷

    জহির জানালো, তারা বাবা ঋণগ্রস্ত, একমাত্র ভিটেটা পর্যন্ত বাঁধা পড়ে আছে। তার পুরো পরিবার গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কায় দিন পার করছে। একটা অতিরিক্ত কিডনির বিনিময়ে মাথার ওপর ছাদটা টিকিয়ে রাখতে চায় সে। তার চুক্তি হয়েছিলো কোনো এক ধনাঢ্য বৃদ্ধের সাথে, কিন্তু গত সপ্তাহে সেই বৃদ্ধ স্ট্রোক করে মারা গেছে। স্বামী স্ত্রী শিউরে ওঠে, ভাগ্যিস বুড়ো লোকটা মরেছিলো, নয়তো কোথায় পেতো একজন ডোনার তারা? চোখ বন্ধ করে ভাগ্যবিধাতাকে কৃতজ্ঞতা জানায়।

    জহিরের আনাগোনা বাড়তে থাকে গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে। আত্মীয় ছাড়া অঙ্গ দান করা বেআইনি, তাই নিয়মিত নিমন্ত্রণে পরিবারের অংশ হতে শুরু করে সে। কিছু অন্তরঙ্গ পারিবারিক ছবি উৎপাদনের জন্য ছেলের মিথ্যা জন্মদিন আয়োজন করে গিয়াস। অল্প একটু অভিনয়ে সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়ে, হাসতে যে এত কষ্ট হয় আগে কে জানতো!

    জহির ঘুরে ঘুরে গিয়াসের বাড়ি দেখে। বাড়ির সামনে একটা ধবধবে উঠান, যেন গ্রাম থেকে তুলে আনা হয়েছে। বাড়ির চারপাশে নারকেল আর সুপারির গাছ লম্বা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বাড়ির চারপাশে ইটের প্রাচীর নেই. সুপারি গাছের খোল, নারকেল গাছের পাতা মিলেমিশে বাড়ির আক্র রক্ষা করছে। উঠানের এক কোনে শিমের মাচা আছে, শিম ধরার আগেই হয়তো তাদের এই বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। বাড়ি বিক্রি করতে একটুও দ্বিধা করেনি গিয়াস। কিন্তু এখনো মাঝে মাঝে গভীর রাতে উঠানে এসে দাঁড়ায় সে, উঁচু গাছগুলোকে ছুঁয়ে দেখে, উঠানের ধুলো হাতে মাখে, ঠিক যেমন শৈশবে মাখতো। বাড়ির পেছনে কামিনীর ঝাড়, তার নিচে দুটো উঁচু ঢিবি। বাপ মায়ের কবর, তার বাবা বলেছিলো, অনেক ত্যাগ আর ঘামের বিনিময়ে এই বাড়ি তিনি বানিয়েছেন, এই বাড়ি থেকে দূরে তিনি থাকতে পারবেন না। এইটুকু জায়গা সে বিক্রি করতে পারেনি। মায়ার জন্য না, কবর কেউ কিনতে চায়নি তাই।

    কাগজপত্র গোছানোর আগে জহিরের বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন হয়ে যায়। ভিটা বাড়ি রক্ষার জন্য কিছু টাকা তার এখনি লাগবে। বাড়ি বিক্রি করার পর গিয়াসের মনে হয়েছে, সে তার বাপ-মাকে বিক্রি করে দিয়েছে। ভিটার প্রতি আরেকজনের মমতাকে সে তাই অগ্রাহ্য করতে পারে না, বেশ কিছু টাকা এনে জহিরের সামনে রাখে। এত টাকা পকেটে ধরে না জহিরের। গিয়াস উদ্দিন যে কাগজের ঠোঙ্গায় ছেলের জন্য ওষুধ আনে, সেই ঠোঙ্গাতে ভরে টাকা নিয়ে বেরিয়ে যায় সে।

    দুজন অসহায় মানুষকে ঠকিয়ে সেদিন কি তার গর্ব হয়েছিলো? শুয়ে শুয়ে মনে করার চেষ্টা করে জহির। একবারও কি গিয়াস উদ্দিনের ছেলের ক্লিষ্ট মুখটা তার মনে পড়েনি? জহির উঠে বসে, চোখ দুটোতে ভীষণ জ্বালা করছে তার। চোখের কোনে যে অশ্রু এতক্ষণ জমা হয়েছিলো, অভিকর্ষের টানে তা গাল বেয়ে নেমে পড়ে।

    আমি খুবই খারাপ মানুষ, ভ্রমর।

    খারাপ মানুষরা কখনো এই কথা বলতে পারে না স্যার।

    পুরো একদিনের হাঁটা তাদের নিয়ে আসলো গিয়াস উদ্দিনের বাড়ির সামনে। বাড়ির সব আক্র খুলে ফেলা হয়েছে, সুপারি আর নারকেল গাছের কয়েকটা খণ্ডিত লাশ মাটিতে পড়ে আছে। গিয়াস উদ্দিনের বাবার ঘামে তৈরি করা ঘরটির কোনো অস্তিত্ব নেই। খাবলা খাবলা মাটির স্তূপের মাঝে নতুন ইটের শৃঙ্খলাবদ্ধ লাল সারি দেখা যাচ্ছে। শক্ত কালো দেহ নিয়ে জড়াজড়ি করে মাটিতে শুয়ে আছে অনেকগুলো লোহার রড। ফলবতী হওয়ার আগেই পানি আর যত্নের অভাবে শিমের মাচাটার গর্ভপাত হয়ে গেছে। মরা শিম গাছের শুকনো দেহটা এখনো জড়িয়ে ধরে শোক করছে মাচাটা। এইসব ধ্বংসযজ্ঞ পেরিয়ে বাড়ির পেছনের কামিনী গাছটা নজরে আসলো জহিরের, ধুলো মেখে মলিন হয়েছে গাছটা। গাছের নিচে একটা নতুন ঢিবি, দৈর্ঘ্যে কিছুটা ছোটো।

    গিয়াস উদ্দিনের চোখের সামনে দাঁড়ানোর সাহস জহিরের ছিল না, তবুও সে এসেছে দায় মেটাতে। তার দেহের একটা অঙ্গের ওপর এই ছোটো ছেলেটার অধিকার ছিল, প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলো সে। কিন্তু দায়মুক্তির কোনো উপায় আর রইলো না, এখন এই ঋণ তাকে বয়ে বেড়াতে হবে আমৃত্যু, দেহের ভার বইতে না পেরে মাটিতে বসে পড়লো জহির।

    আমার এমন লাগছে কেনো ভ্রমর? মনে হচ্ছে নিঃশ্বাসটা কোথায় যেন আটকে আছে, হৃদপিণ্ডটা খামচে ধরেছে কেউ, শরীরটা যেন পাথরের চেয়ে ভারী হয়ে গেছে, আমার কী হচ্ছে?

    আপনার অনুশোচনা হচ্ছে স্যার।

    আমার বেঁচে থাকতে ইচ্ছা করছে না, নিঃশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

    না স্যার, এখনি মরা চলবে না। অনুশোচনা আরো বাকি আছে আমাদের।

    ডানা ঝাপটে কাকটা ছোটো কবরটার উপর গিয়ে বসলো, আরো কয়েকটা পালক সবুজ হয়ে গেছে তার। রোদে চকচক করছে পালকগুলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার
    Next Article ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    একটি শাড়ি ও কামরাঙা বোমা – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }