Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক এক পাতা গল্প232 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চড়াই-হত্যা রহস্য – ২

    ২

    আমি তখন লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে জুনিয়ার ইনস্পেকটার, চাকরির বয়েস পাঁচ কী সাত বছর। নামেই জুনিয়ার ইনস্পেকটার, আসলে চ্যালাগিরি করছি। আর চ্যালাগিরি করার যে কী আনন্দ তা যে-কোনো উপযুক্ত চ্যালামাত্র বুঝবে। আমার গুরু ছিলেন গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়ার ইনস্পেকটার শ্রী মতি লাহিড়ী। তিনি আদর্শ গুরু, তাই আদর্শ গুরুর মতোই তিনি গুরুগিরি ফলান না, উলটে চ্যালাকে যথেচ্ছ চড়ে বেড়ানোর সুযোগ দেন। কেবলমাত্র চ্যালা বিপদে পড়লে মতিদা আবির্ভূত হয়ে সুতোর জট ছাড়িয়ে দেন। কলকাতায় তখনও সহজ খুন, মামুলি জালিয়াতি। মতি লাহিড়ীকে সেসব সল্ভ করতে লালবাজার ছেড়ে বেরোতে হয় না, ডেস্কে বসে কেস সল্ভ হয়ে যায়। স্টোনম্যান যদিও মতিদাকে খুব ভুগিয়েছিল, তখন লালবাজারমুখো হওয়ার সময় পাননি, ফুটপাথ থেকে ফুটপাথে টহল দিয়ে বেরিয়েছিলেন। তবে সে গল্প অন্য কোনোদিন। মতিদার হাতে অঢেল সময়, অফিসে বসে স্টেটসম্যানের ক্রসওয়ার্ডস করেন, আর জুনিয়ারদের শুধু এদিকে-ওদিকে ঘুরে আসতে বলেন। কাজের ব্যাপারে না, তার উদ্দেশ্য জুনিয়ারদের চোখকান খুলুক। এইভাবে খোঁচড়দের চিনলাম, গড়ের মাঠে ঘোড়সওয়ার পুলিশের সঙ্গে আড্ডা দিলাম, শাল্লা এক একটা ঘোড়ার মাইনে কত জানিস! টেলিকম সেকশানের টেকনিশানদের সঙ্গে এক কাউন্টারে বিড়ি ফুঁকি। সেভাবেই জানতে পারলাম, সবার ফোন ট্যাপ হয়, আই মিন সবার, ফ্রম সিপি টু সিএম!

    একদিন সকালে ডিপার্টমেন্টে ফোন এল। মতিদা রিসিভ করে কথা বললেন। আড়ি পেতে শুনলাম। স্টেট আই ডি থেকে ফোন করেছে। মতিদা রিসিভার কর্ডেলে নামিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন—কানাই ভবানী ভবনে গিয়ে এই ডিপার্টমেন্টে দেখা কর তো।

    বলে মতিদা একখানি প্যাড খুলে ঘষঘষ করে লিখে আমার সামনে ধরলেন।

    আমি ভাবলাম ডিপার্টমেন্টের নাম বুঝি লিখলেন, কাগজখানা হাতে নিয়ে দেখি, সেখানে লেখা, রুম ২১বি।

    আমার বিস্ময় আন্দাজ করে মতিদা স্টেটসম্যানের ওপার থেকে বললেন—ঘর নয়, আস্ত সেকশান, যদি না ডিপার্টমেন্ট।

    মতিদার বাক্যগঠন ছিল ইংরেজি ধাঁচের, সেকেলে সিটি কলেজের গ্র্যাজুয়েট, বিষ্ণু দে-র সরাসরি ছাত্র।

    আমি কাগজ বুকপকেটে গুঁজে ভবানী ভবনের উদ্দেশে রওনা দিলাম। পুলের গাড়ি নিলাম না, ট্যাক্সি ধরলাম।

    ভবানী ভবনে সি আই ডির বাড়িতে ঢুকে এদিক-ওদিক খুঁজছি, কোনোভাবেই ২১বি পাই না, ঘরের নাম্বার দেখে কোনতলা তাও বোঝার উপায় নেই। দু-একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, তাদের উত্তরে মনে হল, তারাও বোধকরি জানে না। কোনো রকমে ২১ নম্বর রুম পাওয়া গেল। ক্যান্টিন। ক্যান্টিনে ঢুকে ক্যাশিয়ারকে জিজ্ঞাসা করলাম, ২১ এর বি-টা কোথায়? সে লোক ক্যাশ থেকে নেমে এসে আমাকে পথ দেখিয়ে ক্যান্টিনের লাগোয়া রান্নাঘরে নিয়ে ঢোকাল। গ্যাসের সিলিন্ডার, ডেকচি পেরিয়ে এসে দাঁড়ালাম একখানি খুপরি ঘরের সামনে। দরজার ওপরে লেখা রুম নং ২১ বি, নেসেসারি সার্ভেলেন্স সেকশান। বাপের জন্মে এমন সেকশানের নাম শুনিনি। ভবানী ভবনের ক্যান্টিনের রান্নাঘরের ভেতর যে সেকশান!

    দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে দেখি আধো-অন্ধকার ঘর, একখানি বাল্‌ব জ্বলছে। ঘরের ছাদের ওপর দিয়ে দোতলায় যাবার সিঁড়ি উঠে গেছে। সে ঘরে একটিমাত্র লোক, একজোড়া চেয়ার টেবিল আর টেবিলের ওপর তাড়া তাড়া খবরের কাগজ।

    লোকটি আমাকে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল—আপনি লালবাজার থেকে আসছেন?

    ক্যান্টিনের ক্যাশিয়ার আমার পেছনে দরজা বন্ধ করে চলে গেল। আমি একটি চেয়ার টেনে বসলাম।

    লোকটি বলল——আমার নাম রাখহরি। এই সেকশানের ইনচার্জ, আগে দুজন ছিলাম, মি মণ্ডল লাস্ট উইক রিটায়ার করেছেন। আমি অনুমান করলাম তার আসনে আমি বসেছি।

    রাখহরি বলল-আমি ভাবছিলাম মতিবাবু আসবেন।

    যেখানে ভবানী ভবন ভরতি গোয়েন্দা, এত এত মেজো-সেজো অফিসার গিজগিজ করছে, তখন লালবাজারে খবর পাঠানোর কী ছিল আমি তার মাথামুণ্ডু বুঝলাম না। অনেকসময় কলকাতা-কেন্দ্রিক কেস হলে সি আই ডি লালবাজারের দ্বারস্থ হয়।

    —মতিবাবু লেজেন্ড, তার ওপর আমার একটা…এখানে সব ঘাপলা, ধুর। আমি আর লালবাজার বনাম সি আই ডির দ্বৈরথে ঢুকতে চাইলাম না। সে লড়াই আদি অনন্তকাল চলছে আর চলবে।

    রাখহরি আমাকে বসিয়ে রেখে খবরের কাগজের তাড়া হাতড়ে চারখানি দৈনিক খবরের কাগজ বের করে টেবিলের ওপর রাখল।

    —আপনি কি এখানে খবরের কাগজের ওপর নজর রাখেন?

    রাখহরি একগাল হেসে বলল- এসব বলবেন না দাদা, ফ্রি প্রেস, আমাদের দেশে।

    খবরের কাগজের পাতা উলটে রাখহরি একটি নির্দিষ্ট পাতা আমার সামনে মেলে ধরল, সেখানে এক কলাম খবরের চারিদিকে লাল দাগ দেওয়া। সেই দাগ রাখহরিই যে দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। পরপর বাকি খবরের কাগজগুলিরও একটি নির্দিষ্ট পাতা খুলল, প্রতিটিতেই দাগ। আমি ঝুঁকে পড়ে খবরটি পড়লাম।

    খবরগুলির মোদ্দা কথা, বর্ধমানের নিজস্ব সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন যে দুই দিন আগে গ্রামবাসীরা দেখতে পেয়েছে কয়েকশো চড়াই মৃত, পড়ে আছে। তাদের গলা নৃশংস ভাবে কাটা, লোকাল থানা মনে করছে স্থানীয় ক্লাবের শয়তানি।

    রাখহরি বলল- সেম নিউজ, আলদা আলাদা গ্রাম, কোনোটা বর্ধমান, কোনোটা বা হুগলি। পাঁচতলি, নিজনগ্রাম, বড়লা আর সুমারই।

    আমি ঝুঁকে খবরের কাগজেগুলির ডেট দেখলাম, এক মাসের মধ্যে ঘটনাগুলি, এখনও টাটকা বলা যায়।

    রাখহরি বলল—প্রথম পাঁচতলির খবরটা দেখেছিলাম। অতটা গুরুত্ব দিইনি। গ্রামে চাষিরা নানারকম কিটনাশক স্প্রে করে তো, ভেবেছিলাম, কোনো একটা ডিজাস্টার ঘটে গিয়ে থাকবে। নিজনগ্রামের খবরটা মিস হয়ে গেছিল, সব তো আর মনে রেখে একটা প্যাটার্ন বোঝা সম্ভব নয়। তার পর বড়লার খবরটা যখন দেখলাম তখন পুরোনো কাগজ খুঁজতে বসলাম। দেখি, নিজনগ্রামেও এক ঘটনা, মোটের ওপর। অনেক পাখি একসঙ্গে মারা গেছে। এই দেখুন, একটি নিউজে লোকাল স্কুলের জিয়োলজি টিচার আর বিজ্ঞান মঞ্চের সম্পাদকের মতামতও ছেপেছে। তারা বলছে, এসব মানুষেরই কারসাজি। বুঝতেই পারছেন, পাখি মারা গেছে দেখলে অনেকেই ভূতের ভয়টয় পায়।

    —আপনার নিজের দপ্তরকে জানিয়েছেন?

    —বড়লার ঘটনাটা ধরার পরপরই। খবরের কাগজগুলো যদিও আগের ঘটনাগুলোর সঙ্গে এখনও লিঙ্ক করতে পারেনি। আমি ডিপার্টমেন্টে জানানোর একদিন পরে সুমারই-এর ঘটনাটা ঘটে। সেখানে খেতের ওপর দেখা গেছে শয়ে শয়ে পাখি মরে পড়ে আছে। খবরের কাগজে এর বেশি বর্ণনায় যায়নি। আমি একটা নোটবুক বের করে খবরগুলির প্রকাশের তারিখ আর ঘটনাগুলি সংক্ষেপে লিখে নিলাম।

    রাখহরি বললেন—ঠান্ডা মাথায় মেরেছে, তবে মানুষ তো জাতেই শিকারি, আমার কোথায় তবু খটকা লাগল! চারটে জায়গার নিউজ পাশাপাশি না রাখলে বোধহয় প্যাটার্নটা বুঝতে পারতাম না।

    —ডিপার্টমেন্টে কে দেখছে?

    —আমার বলা উচিত হবে না।

    আমি রাখহরির কথায় বিরক্ত হলাম।

    —লালবাজারের ইনভলভমেন্টটাই এখানে পুরোপুরি নিয়ম-বহির্ভূত। আপনার খটকা লেগেছে তাই মতিদাকে তলব করেছেন।

    রাখহরি গলা নামিয়ে জানিয়ে দিল—সেভাবে কেসটা সি আই ডিতে কেউ-ই দেখছে না, তবে সিদ্ধার্থ নামের একজন সদ্য জয়েন করা জুনিয়র ইনস্পেকটার ফাইলটা নিজের কাছে রেখেছে। কেস পাখি পেরিয়ে কোনো সিরিয়াস অ্যাঙ্গেলে ঘুরলে তবেই সি আই ডি নামবে।

    রাখহরির ২১বি নং ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সিদ্ধার্থের খোঁজ করলাম।

    যতই নিজে পুলিশ হও, আর পুলিশের অফিসে পুলিশকেই খোঁজ, সরকারি অফিসে অফিসারকে খুঁজে পাওয়া সহজ কম্মো নয়। যদিও, এক্ষেত্রে, ২১বি-এর তুলনার সিদ্ধার্থকে খুঁজে পাওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ ছিল। আমি সিদ্ধার্থের আসল নাম গোপন করলাম। বর্তমানে, সিদ্ধার্থ সি আই ডি-এর উচ্চপদস্থ কর্তা, কিন্তু তখন সে বছর পঁচিশের ছটফটে অফিসার, চোখে হালকা চশমা, চেহারা আর হাবভাব দেখে মনে হয় কাণ্ডজ্ঞান বাঁধা দিয়ে পুলিশের চাকরি নেয়নি।

    সে আমাকে কনুই ধরে দোতলার করিডোরে এনে দাঁড় করিয়ে বললে- দাদা, এই পেটি কেসে লালবাজারকে আবার কেন ইনভলভ করতে হল!

    সিদ্ধার্থ মোটামুটি একটা প্রাথমিক তদন্ত সেরে রেখেছে। জুনিয়র অফিসার বলে সে আর লালবাজারের ইনভলভমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনের বেশি মাথা ঘামাল না, বরং তার প্রাথমিক তদন্তের নির্যাসটুকু আমাকে জানিয়ে রাখল।

    পাঁচতলার ঘটনাটা পুলিশের কান অবধি পৌঁছোয়নি। কিন্তু নিজ গ্রামের ঘটনায় লোকাল থানা ঘটনাস্থলে গেছিল। গ্রামের থেকে খানিক দূরে একটা বাগানের মধ্যে পাখিদের মারা হয়েছে। বিষ নয়, একেবারে গলা কাটা হয়েছে। তবে সংখ্যাটা শয়ে শয়ে নয়, নিজনগ্রামে গুনতি করে ৪৭টি পাখি মারা হয়েছে, লোকাল থানা নাম্বারটা কম করে দেখালেও ৬০-এর বেশি নয়। নিজনগ্রাম ফাঁড়ি স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে দেখেছে, ওইদিন গ্রামে কোনো উৎসব, বা মোচ্ছব ছিল না। আপাতভাবে তাই পাখিহত্যার কোনো উদ্দেশ্য নেই। ফাঁড়ির ইনচার্জ স্যাম্পেল কালেক্ট করে পোস্ট মর্টেমের জন্য পাঠিয়েছিল। কিন্তু সে সময় মশাগ্রামে বাসডুবির ঘটনাটা ঘটে যাওয়ায় মর্গে পাখিদের জায়গা হয়নি। স্যাম্পেল বরফে রাখা হয়নি। এই ঘটনার দুদিন পরই বড়লার ঘটনা, ততদিনে সি আই ডি-এর নজরে চলে এসেছে। তা বাদে লোকাল থানাকেও বড়লার লোকেরা জানিয়েছিল। সি আই ডি যতক্ষণে স্পটে পৌঁছোয়, পাখিদের মৃতদেহ ডোমেরা এসে তুলে নিয়ে গেছে, পচতে শুরু করেছিল। খবরের কাগজে পড়ে ঘটনাটা সি আই ডি-র নজরে আসে। তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিজনগ্রামের থেকে আলাদা কিছু নয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কিছু স্যাম্পেল আইস বক্সে করে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট এসেছে, অবশ্যই বিষক্রিয়া নয়। তাতে বড়োকর্তারা সন্তুষ্ট, কারণ পাখিকে বিষ দিলে সেই বিষ কোনো ভাবে খাবারেও মিশেছে কিনা সেটা হেডেক হয়ে দাঁড়াত, হয়তো খাবারেই মেশান হয়েছিল, পাখিরা ভুলক্রমে খেয়ে নিয়েছে। কিন্তু সেই পসিবিলিটি আর নেই। রিপোর্ট বলছে নিশ্চিত ভাবেই কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে পাখির গলা আধ ইঞ্চি চিরে দেওয়া হয়েছে। বড়োকর্তারা হালকা ভাবে নিলেও বড়লা থানা বিষয়টা হালকা নেয়নি, তারা তিলে তাল দেখছিল। বড়লা থানা নিজের খোঁচড়দের মাঠে নামায়, খোঁচড়রা গ্রামের নানা প্রান্তে কান পাতে। বড়লা ছাড়িয়ে তারা নিজনগ্রাম আর পাঁচতলিতেও খবর আনতে যায়। নানারকম কথা শুনতে পায়, যার বেশিরভাগটাই খবর হিসেবে নয়েজ, আলাদা করে খুনি বা খুনের মোটিভ সম্পর্কে কোনো ইনফরমেশান পাওয়া যায়নি। সেই হিসেবে আপাতত আমরা ধরে নিতে পারি যে খুনি আউটসাইডার, এই তিন গ্রামের বাসিন্দা নয়। খোঁচড়দের কাছ থেকে পাওয়া অপর একটি খবর যদিও বেশ অন্যরকম। গ্রামের লোক মনে করছে এটা কোনো তান্ত্রিকের কাজ। তারা মনে করে পাখিদের মধ্যে মানুষের আত্মা থাকে, দুষ্ট তান্ত্রিক পাখি বধ করে আত্মাকে কবজা করতে চায়। পুলিশের নজরে তিনটি গ্রাম বা তার সংলগ্ন শ্মশানে কোনো তান্ত্রিকের খবর নেই। তাই একে গাঁয়ের লোকের গল্পগাছা ভেবে আপাতত আমরা সরিয়ে রেখেছি। দ্বিতীয় আর একটি মত উঠে আসছে, কেউ পাখিদের মেরে পাখিদের গলার ভেতরে কিছু খুঁজছে। ঘটনা হল, এই ভ্রান্ত ধারণায়, কিছু খ্যাপাটে লোকও বিচ্ছিন্ন ভাবে একটা-দুটো পাখি মারার চেষ্টা করে। গ্রামের লোকজনই তাদের বকাঝকায় শান্ত করে, অন্যথায় উত্তমমধ্যমও দেয়। যাই হোক, কেসটা হপ্তা দুয়েক পড়েছিল, তারপর লাস্ট ঘটনাটা ঘটে, বর্ধমানের সুমারই-এ। বাকি সব বিবরণ আগের মতোই, আমি প্রায় পুলিশের সঙ্গেই স্পটে যাই। খেতের আল থেকে দূরে সংখ্যায় প্রায় চল্লিশ কী সত্তরটা পাখিকে পূর্বের কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। আগের ঘটনাগুলিতে যেমন কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না, এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আছে। খেতের মজুরের আট বছর বয়সি ছেলে। সে দুপুরবেলা শ্যালোর জলে খেলছিল, তখন দেখতে পায় একটি লোক আলের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। ছেলেটিও আলের ওপর দিয়ে হাঁটা দেয়। লোকটি যেখানে এসে দাঁড়ায়, সেখানে ততক্ষণে পাখিদের মৃতদেহ পড়ে আছে। ছেলেটি ভয় পায়, লোকটিকে জিজ্ঞাসা করে যে সে এই পাখিদের মেরেছে কিনা! লোকটি উত্তরে জানায় ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে’। এই বলে লোকটা পিঠে ঝোলা নিয়ে হাঁটা দেয়। ছেলেটির আর পিছু নেওয়ার সাহস হয়নি, সে তার বাপ-দাদাকে ডাকতে দৌড়য়। আমাদের প্রাথমিক ধারণা এই যে লোকটি পাখিদের মেরে শ্যালোর জলে হাত ধুতে এসেছিল। দুপুর রোদে মানুষের দেখা পাবে আশা করেনি। এত এত পাখির বডি দেখে ছেলেটা খুবই শকড়, ন্যাচারালি, লোকটার চেহারার মোটামুটি একটা বর্ণনা দিতে পেরেছে। আমাদের ধারণা, সন্দেহভাজন ব্যক্তির বয়েস সত্তরের আশেপাশে, বুড়োটে চেহারা, চুলের রং সাদা, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটে। আশেপাশের থানাকে সাবধান করা হয়েছে।

    সিদ্ধার্থ তার প্রাথমিক তদন্তের বিস্তৃত বর্ণনা দিয়ে একটা সিগারেট ধরাল, আমিও একটা সিগারেট চেয়ে নিলাম।

    আমার মনে কয়েকটি প্রশ্ন এসেছিল, বেশ বুকভরে দম নিয়ে আমি সিদ্ধার্থের থেকে জেনে নিলাম।

    সে জানাল—যে অঞ্চলের ঘটনা সেখান থেকে বর্ডার অনেক দূর, তাই বর্ডার পেরিয়ে কোনো দুষ্কৃতি আসবে এমন সম্ভাবনা নেই। স্থানীয় স্তরেও অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত সমস্যা নেই, গ্রামগুলি বর্ধিষ্ণু, মূল জীবিকা চাষবাষের। গ্রামের প্রাচীন লোকেরাও মনে করতে পারেনি এইভাবে একাধিক পাখিকে মারার ঘটনা তারা আগে দেখেছে কিনা। পাখিশিকারি যদি হয়, তারা পাখি মেরে ফেলে রেখে কেন যাবে তার যথাযথ উত্তর পাওয়া যায়নি। কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় ঘটনাগুলি ঘটেনি, কখনও খেতের ধারে, কখনও বা গ্রামের দিঘির এক পাড়ে, তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঘটনাস্থলের আশেপাশে বড়ো আদাড়বাদাড় বা বাগান রয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক, কারণ, সেখানেই পাখিদের বসতি। কেবলমাত্র চড়াইদের ধরা হয়েছে। অন্য কোনো পাখির ওপর অত্যাচারের খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশের তরফ থেকে প্রাণীকল্যাণ ও বন দপ্তরে নোট পাঠানো হয়েছিল। তারাও প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে মানুষকে ভয় দেখানো ছাড়া এইভাবে পাখিহত্যার আর কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না!

    সিদ্ধার্থ আমার প্রশ্নের উত্তরে আরও জানাল যে—সুমারই থেকে যে স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়েছিল তাদের শরীরে কোনো বড়ো রোগের চিহ্ন নেই। অন্তত পাখিদের থেকে মানুষ বা গৃহপালিত জন্তুতে ছড়াতে পারে এমন কোনো রোগের জীবাণু স্যাম্পেলে নেই। সুতরাং, কেউ রোগ ছড়ানোর আতঙ্কে পাখি মেরেছে সেটা বলা যাবে না। তবে মানুষের মন, তা অনেক ভুল ধারণার বশবর্তী হয়। গ্রামের টিউকল আর নদীনালার জল এই ঘটনার পর টেস্ট করা হয়েছে। বহুকাল যাবৎ সুমারই আর পাঁচতলিতে আর্সেনিকের সমস্যা আছে, তা নতুন কিছু নয়। এক কথায় নাথিং নিউ, নাথিং এলার্মিং।

    সিদ্ধার্থকে আমার কার্ড দিয়ে বললাম, কোনো ইনফরমেশান পেলে যেন অবশ্যই যোগাযোগ করে। কলকাতার বাইরে আমাদের যাওয়ার এক্তিয়ার নেই। সেও বেশ সাগ্রহেই কার্ড পকেটে পুরল, আমি বুঝলাম, এই কেস যদি সল্ভ হয়ও তার ক্রেডিট লালবাজার না ভবানী ভবন পেল তা নিয়ে কারওর মাথা ব্যথা থাকবে না।

    সিগারেট ফেলে, সিদ্ধার্থকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে এলাম।

    ট্যাক্সি নিয়ে এসে লালবাজারের সামনে নামলাম, লাঞ্চ হয়নি, সিঁড়ি দিয়ে উঠে ক্যান্টিনের দিকে যাচ্ছি, দেখি মতিদা হস্তদন্ত হয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। আন্দাজ করলাম, ডিসি সাহেব তলব করেছেন। আমাকে দেখে শান্ত গলায় জানতে চাইলেন—ওই পাখির কেসটা? আমি অবাক—আপনি কী করে জানলেন দাদা? কাঁধ চাপড়ে বললেন, ভবানী ভবনটাও তো কলকাতার জুরিসডিকশানেই।

    আমি অল্প হেসে, সম্মতি জানিয়ে পাশ কাটিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে যাচ্ছিলাম, কী মনে হল, ফিরে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম—দাদা কোনো পক্ষীবিশারদ চেনাজানা আছে আপনার?

    মতিদা বুকপকেট থেকে ছোটো একটি নোটপ্যাড বের করলেন।

    এই নোটপ্যাডটি তার সর্বক্ষণের সঙ্গী, খবরের কাগজ থেকে ইন্টেলিজেন্স ব্রিফিং সব কিছুর নোট রাখেন। আবার কাউকে কিছু বলবার হলে, মুখে না বলে নোটপ্যাডের খসখসে কাগজ টেনে লিখে হাতে ধরিয়ে দেন।

    ঘষ ঘষ করে লিখতে লিখতে বললেন—লোকটা রেয়ার। রেয়ার স্পিসিজ। বাংলার আলপথ নিয়ে ওঁর একটা হেব্বি বই আছে। গবেষণা করে দেখিয়েছেন, যে আমাদের দেশে মোট যত আলপথ আছে শুধু তা এক করে চাষ করলেই দেশের খাদ্যসংকট বলে কিছু থাকবে না। বাই প্যাশন, হি ইজ এন অরনিথোলজিস্ট, পক্ষীবিদ। যদিও পেশাগত ভাবে সরকারি কর্মচারী। কিন্তু রোয়াবটা নবাবের। তাই সামলে।

    মতিদা নোটপ্যাডের কাগজ হাতে ধরিয়ে ছুটলেন।

    আমি দেখি মতিদার নোটপ্যাডের কাগজটায় লেখা আছে–রন্তিদেব সেন, আলিপুর জাজেস কোর্ট, সেকেন্ড এডিজে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }