Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক এক পাতা গল্প232 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চড়াই-হত্যা রহস্য – ৮

    ৮

    ট্রেন মদনপুর পৌঁছোল। আমি আর সিদ্ধার্থ প্ল্যাটফর্মে নামলাম। মদনপুর ফাঁড়ির দুজন কর্মী এসে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয় দিল। দুজনের পরনে খাকি উর্দি, টুপি, একজন সাব-ইনস্পেকটার পাড়ুই, অন্যজন কনস্টেবল, অশোক বা অমল, কী নাম বলেছিল আর মনে পড়ছে না। তাদের বাইকের পেছনে বসে আমরা চৌখুপির উদ্দেশে চললাম। সাব-ইন্‌স্পেকটার পাড়ুই চাইছিল পথে একটা ধাবায় আমাদের লাঞ্চ করিয়ে দিতে। সে কথায় কান দিলাম না, ট্রেনে হাবিজাবি খেয়ে পেট ভরে ছিল। বাইক বাসরাস্তা ছেড়ে, পাড়ার পথ ধরল। আমি পাড়ুইয়ের বাইকের পেছনে বসে ছিলাম। সিদ্ধার্থ বসে ছিল কনস্টেবলের বাইকে। পাড়ুই বলল—এটা রামচন্দ্রপুর যাওয়ার রাস্তা, এখান থেকে সোজা গেলে আমরা নগরউখরা হয়ে উত্তর ২৪ পরগনায় ঢুকে পড়তে পারব। চৌখুপি যাওয়ার জন্য সামনের মোড় থেকে আমাদের বাঁয়ে মাটির রাস্তা ধরতে হবে। খানাখন্দময় রাস্তা, হেলমেট নেই, বাইক থরোথরো কাঁপছিল। পাড়ুই জিজ্ঞাসা করল—প্রত্যক্ষদর্শী ছেলেদুটোর সঙ্গে আমরা কথা বলব কিনা?

    আমি পালটা জিজ্ঞাসা করলাম-কেস রিপোর্টে সব ঠিকঠাক লেখা হয়েছে না চেপেচুপে লেখা?

    পাড়ুই বলল—চাপাচুপির কিছু নেই স্যার। ওই ব্যাধটা তন্ত্রচর্চা করে। কেস দাঁড় করিয়ে দেব।

    সিদ্ধার্থের মুখে যেটুকু শুনেছি তাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ পাইনি।

    পাড়ুই-এর কানের কাছে মুখ এনে চ্যাঁচালাম—আমবাগানের লোকটার গায়ে কী ছিল সেটা রিপোর্টে লেখনি কেন?

    পাড়ুই ভুল করে ব্রেকে চাপ দিল। বাইক একটা ঝটকা দিয়ে আবার স্বাভাবিক গতি নিল।

    —ভুল হয়ে গেছে স্যার। আমি জানি স্যার লোকটা কী পরেছিল। ছেলেটা বলেছিল। লোকটা পাজামা-পাঞ্জাবি পরা ছিল। সাদা রং-এর। মাথা গামছায় মোড়া। পাজামা গুটিয়ে হাঁটু অবধি তোলা। পিঠে একটা ঝোলাও ছিল। দৌড়ানোর সময় অল্প খোঁড়াচ্ছিল।

    পাড়ুই রাস্তার থেকে চোখ না সরিয়ে আমার দিকে মুখ ঘোরাল–অনেস্ট মিস্টেক স্যার। রিপোর্টে ঢুকিয়ে নেব।

    আমি জানি এইরকম কেসে কত দায়সারা ভাবে রিপোর্ট লেখা হয়। প্রথম খবর পেয়ে হয়তো মদনপুর ফাঁড়ি কেসের গুরুত্বও অনুধাবন করতে পারেনি। সি আই ডি আসছে শুনে সাব-ইনস্পেকটার জামাকাপড় কেচে পরে নিজে স্টেশানে এসেছে পরিস্থিতি সামাল দিতে।

    পাড়ুইকে জিজ্ঞাসা করলাম-ব্যাধটার আইডেন্টিফিকেশান হয়েছে?

    পাড়ুই জানাল—করেছি স্যার, ছেলেটা থানায় এসেছিল, ওই যে ছেলেদুটো আমবাগানে গেছিল তাদের মধ্যে একজনকে তলব করেছিলাম। ছেলেটার নাম মফিজুল।

    —তারপর?

    —মফিজুল ব্যাধকে চিনতে পারেনি।

    বাইক মাটির রাস্তায় নামল। ঝাঁকুনি আরও তীব্র হল, দুধারে ধানখেত তার মধ্যে দিয়ে হাইটেনশানের লাইন চলে গেছে।

    কলকাতায় সারাজীবন কাজ করে গ্রামে এলে একটা অন্যরকম অনুভূতি হয়। মনে হয় যেন ডিপ স্পেসে চলে এসেছি। যেখান থেকে পৃথিবী অবধি যোগাযোগ করতে আলোকবর্ষ কেটে যাবে। কোনো পুরোনো শত্রু এখানে আমাকে মেরে ফেলে দিলে বাড়ির লোক তা জানতেও পারবে না। কোমরের কাছে ধাতব শক্ত বস্তুটিকে জামার ওপর দিয়ে স্পর্শ করলাম। শীতলতা, মনে বলও এল।

    ধানজমিতে বীজতলা তৈরির কাজ চলছে। শ্যালোর থেকে জল উঠে নালা দিয়ে বয়ে এসে শুকনো জমিকে ভিজিয়ে দিচ্ছে। সেই জলে শেষ দুপুরের আলো। মাটির রাস্তার পাশে মিটারখানেকের নয়ানজুলি, তাতে হাঁটুসমান জল। জিজ্ঞাসা করাতে পাড়ুই জানাল —দুদিন আগে রাতে কালবৈশাখী হয়েছিল। আমি অনুমান করলাম, খুনি কেন পাজামা গুটিয়ে রেখেছিল। এখনও কী চেষ্টা করলে একটা ফুটপ্রিন্ট পাওয়া যাবে না! বের-জালে হাতের ছাপ পাওয়া খুব শক্ত। সিদ্ধার্থকে বলে ওই বের-জালটাকে স্টেট ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। রাস্তার গাড়িঘোড়া বেশি দেখছিলাম না। পাড়ুই বলল—গ্রামের দক্ষিণে রামচন্দ্রপুর যাওয়ার অন্য একটি রাস্তা আছে। সেটা ধরে আড়াই কিলোমিটার হাঁটলেই বাসরাস্তা। সে রাস্তায় ভ্যানরিকশা চলে। গ্রামের লোকেরা সেই পথে সাধারণত যাওয়া-আসা করে। স্টেশান যেতে হলে তারা এই উত্তরের রাস্তা নেয়।

    মজুমদারদের আমবাগানে বাইক ঢুকে পড়ল। একটা গাছতলায় এসে পাড়ুই আর কনস্টেবল বাইক থামাল, আমরা নামলাম, পাড়ুই বলল—আমরা চেক করেছি স্যার, গ্রামের কেউ গতকাল আউটসাইডারকে দেখেছে কিনা।

    কনস্টেবলটি বলল—জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে গেলে দেখা মুশকিল।

    আমরা জঙ্গলের পথে হাঁটছিলাম। ঝোপঝাড়, শুকনো পথ, কিন্তু জায়গায় জায়গায় কাদা জমেছে। সিদ্ধার্থ কাদামাটির দিকে খেয়াল রাখছিল। জঙ্গলের পথে সময় অনুমান করা মুশকিল। পাঁচ কী সাত মিনিট পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছোলাম। পাতার ফাঁক গলে আলো এসে ক্রাইমসিনের ওপরে পড়েছে। জালটাকে পুলিশ সিজ করেছে, জীবিত পাখিগুলিকে ছেড়ে দিয়ে মৃত পাখিগুলিকে পুড়াবার ব্যবস্থা করেছে। কালকের বীভৎস ঘটনার চিহ্ন হারিয়ে গেছে প্রায়। ঝুঁকে পড়ে দেখলে মাটিতে কালো চাপা দাগ দেখা যাবে। শুকিয়ে যাওয়া পাঁক ভেবে ভুল হতে পারে। অভ্যস্ত চোখ জানে ওই কালো দাগগুলি আসলে শুকনো রক্তের। চালের বড়ো দানা কয়েকটি চোখে পড়ল। সিদ্ধার্থ গ্লাভস পরে রক্তলাগা শুকনো মাটি আর চালের গুঁড়োর স্যাম্পেল সংগ্রহ করছিল।

    .

    জঙ্গলের মধ্যে পাতার খসখসানি শুনতে পেলাম। পুলিশি অভ্যাসমত ডানহাত কোমরে গেল। আমগাছের পেছন থেকে একটি হাড়গিলে লোক বেরিয়ে এসে চিনচিনে গলায় বলল—আমার নাম সুটি মণ্ডল। আইজ্ঞে, আমার বক্তব্য আছে।

    যে জঙ্গলে পাখিদের নিরাপত্তা নেই, সেই জঙ্গলে অন্য কোনো প্রাণীর নিরাপত্তা থাকতে পারে না। মজুমদারদের বাগানের ছমছমে ভাবটা আমাদের বুকের ভেতরে সেঁধিয়ে গেছে।

    একটা হাড়গিলে, কোঁকড়ানো চুলের লোক যখন দুই হাত তুলে গাছের পেছন থেকে বেরিয়ে এল আমার হাত তখন রিভলভারের বাঁটে, আড়চোখে দেখলাম সিদ্ধার্থ স্যাম্পেলের ব্যাগ মাটিতে নামিয়ে রেখে পজিশান নিয়েছে। আমাদের অপর দুই সহকর্মী, যদিও, বেশ রিল্যাক্সড। জঙ্গলের ভয়ের তারাও যেন অংশ। লোকটা আন্দাজ করতে পেরেছিল, এই বাগানে একলা তাকে দেখে আমরা ঘাবড়ে যাব। সে দুই হাত তুলে তাই দাঁড়িয়ে ছিল। তার খালি গা, সাদা ধুতি এলোমেলো ভাবে কোমর থেকে হাঁটু অবধি জড়ানো।

    লোকটি ফের বলল—আজ্ঞে আমি সুটি, ওই বাগানের কোণে আমার ঘর।

    সুটির চেহারার বর্ণনা এককথায় দেওয়া সম্ভব নয়, বিভূতিভূষণের আরণ্যকের জঙ্গলের দেবতা বা অপদেবতা টাঁড়বারোর চেহারার সঙ্গে সাদৃশ্য আছে বলে অনুমান করি। সুটির শারীরিক ভঙ্গিটি ছিল রক্ষণাত্মক। আমি রিভলভার থেকে হাত সরালাম।

    সাব-ইনস্পেকটার পাড়ুই-এর কর্তব্যবোধ হঠাৎ জেগে উঠল। সে উর্দির সব প্যাকেট হাতড়ে একটা ছেঁড়াখোঁড়া কাগজ বের করে আনল। কন্সটেবল তার দিকে একটা পেন এগিয়ে দিল। পাড়ুই ধমকের সুরে জিজ্ঞাসা করল—কী বক্তব্য আছে তোর?

    —কালকের মার্ডার নিয়ে কথা আছে।

    —মার্ডার। পাড়ুই-এর গলায় যেন ব্যঙ্গ।

    আমি পেছন থেকে বললাম—মার্ডার করতে দেখেছিস?

    সুটি তখনও হাত তুলে দাঁড়িয়ে, বলল—আজ্ঞে, আমার বাপ দেখেছে খুনিরে।

    পাড়ুই জিজ্ঞাসা করল—তা তোর বাপ কই?

    —বাপের আজ ধুম জ্বর। কাল সারাটাদিন রোদের মধ্যি ছিল।

    পাড়ুই সশব্দে নোট নিচ্ছিল, কলকাতার অফিসারদের সামনে যতটা দক্ষতা দেখানো সম্ভব তার পক্ষে! নোট থেকে দৃষ্টি তুলে সে সুটিকে বলল—তা কাল আসিসনি কেনে? টাইটেলটা মণ্ডল বললি না?

    —আজ্ঞে হুজুর, বলে সুটি হাত নামাল, কাল বিডিও অফিসে শ্রম দিতে যেতে হইছিল। বিল্ডিং রঙের কাজ। সন্ধেতে যখন ঘরে আইলাম, তখন পোলাগুলান কইল মজুমদারদের বাগানে কী হইছে। রাতে খাওনের সময় বাপ কয় খুনিরে আমি দেখছি। সেই ইস্তক ধুম জ্বর বাপের গায়ে। আপনাগো মোটরবাইকের আওয়াজ শুইন্যা আমি দৌড়োতে দৌড়োতে আইলাম।

    —আজ কাজে যাসনি?

    —সকালটা গেসলাম, এখন রং শুকায়।

    —কয়টা পোলা তোর?

    —তিনটে হুজুর।

    পাড়ুই ঘাড় নাড়ল—একটার মাথায় টাক?

    —তারকেশ্বর গিয়ে মুড়ায়ে আনছি।

    পাড়ুই আমাদের দিকে ফিরে বলল—কাল দেখেছি, আট-দশ বছরের ছেলে।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম- স্কুলে যায় তারা?

    সুটি লজ্জিত হল—বড়োটা যায়। বাকি দুটান্ বাগান দেখাশোনা করে। –তোদের বাগান আছে? পাড়ুই জানতে চাইল।

    —হ, এইসব বাগান পার্টিশানের আগে আমাদেরই ছিল। এই বাগান, এই দিঘি। পরে মজুমদাররা কিনি নিল। এখন কোনায় বিঘেখানিকের হিসেব।

    —তা তোর ছেলেগুলো কাল কিছু দেখছে? পাড়ুই-এর কথায় স্থানীয় উচ্চারণ চলে আসছিল।

    সুটি মাথা নাড়ল-আজ্ঞে, বাপ দেখছে কর্তা। বুড়া বাপ। চোখে যদি ও হ্যায় ভালো দেহে না, কানটা মোটামুটি চলে।

    —বাপের বয়স কত? পাড়ুই নোট নিচ্ছিল।

    আমি পাড়ুইকে থামালাম। কেস ডায়ারি সাজানোর জন্য অনেক তথ্য নেওয়া হয়ে গেছে, আরও অনেক নেওয়া যাবে। আমগাছের পাতার মধ্যে দিয়ে আলো মরে আসছে। সুটিকে গতকালের ঘটনা বলতে বললাম। খুব একটা গুছিয়ে বলতে না-পারলেও, সে বললে, দুপুরে উঠানে বসে পাখি তাড়ানোর কাজ করার সময় তার বাপ, মনোজ মণ্ডল, একটা লোককে দেখে। তার কাঁধে জাল। মনোজ জিজ্ঞাসা করলে লোকটি নাম বলেছে, ‘বিশু’।

    আমরা চমকে উঠলাম। প্রথমবার এই কেসে অভিযুক্তের একটা নাম শুনলাম।

    পাড়ুই বলল—গ্রামে যেকটা বিশু আছে ধরে আনি স্যার? রাতটা বড়োবাবুর ফ্ল্যাটে থেকে যাবেন। যদি প্রবলেম না হয়।

    কনস্টেবল স্থানীয় লোক। সে বলল-গ্রামে গোটা সাতেক বিশু তো আছেই!

    পাড়ুই হাঁক দিয়ে সুটিকে বলল—বাপকে নিয়ে থানায় আসতে হবে। বিশুকে চিনিয়ে দিতে হবে, বুঝলি।

    আমি পাড়ুইকে থামালাম—বিশু নামটা সত্যি নাও হতে পারে।

    সিদ্ধার্থও সহমত হল- কাছাকাছি কিছু হতে পারে, বিশ্বনাথ, বিকাশ … সুটি ইতস্তত করে বলল—আজ্ঞে স্যার, বিশু যেই হোক, হ্যায় আমাদের গ্রামের লোক না।

    পাড়ুই ধমকে উঠল—তুই সব বুঝে গেছিস?

    —বাপ যখন হ্যারে জিগালো জাল নিয়া তুমি কই যাও। হ্যায় কয়, মাছ ধরতে যাই কাকা। বাপের সেই টাইমেই একটা খটকা লাগছিল। বুড়া মানুষ তো; ঠাউর করতে পারে নাই। খাওনের টাইমে হঠাৎ কয়, ওরে হারামি, তুমি আমারে মিছা কথা কইলা। আমি জিগাই, কী হইল, কী হইল। বাপ কয়, হেই লোক যে কয় মজুমদারদের দিঘিত মাছ ধরনের লাইগ্যা যাই। এইডা পুরাই মিছাকথা।

    পাড়ুই রুক্ষভাবে জিজ্ঞাসা করে—মিছাকথা তো বটেই, কিন্তু তোর বাপ কেমনে বুঝল?

    —দিঘি তো ফাঁকা স্যার।

    —ফাঁকা? পাড়ুই চমকাল।

    সেচের জল নেওনের লইগ্যা সব জল নিয়া নিছে। দিঘির মাঝামাঝি কাদামাটি আছে বটে। এ বাদে বেবাক ফাঁকা দিঘি।

    —কাল রাতে যে বৃষ্টি হল? ভুলভাল কথা কইতে আইছোস? আসল কথাটা পাইড়া ফ্যালা তো, তোর ওই পোলাগুলান পাখি মারছে, তাই না? এহন পুলিশি কাজকারবার দেইখ্যা ভড়কে গেছস, আর বুড়া বাপের কাঁধে বন্দুক রাখচোস। এক চাপড়াইয়া বানচোত তোগো সব শয়তানি পানচার কইরা দিমু।

    সুটি পাড়ুই-এর ধমক খেয়ে হাঁটু মুড়ে আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে বসে পড়ে, বলে—মা তারার দিব্যি হুজুর। আমাগো জমি জিরেত হুজুর, বাল-বাচ্চার সংসার। আমরা এই পাপ করি না।

    পাড়ুই এসে সুটির কান ধরে তুলল। আমাদের বাধা দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু আমি চাইছিলাম, পাড়ুই তার নিজের বের-জালে নিজেই জব্দ হোক।

    পাড়ুই সুটির কান ছেড়ে হাত খামচে ধরে টানতে টানতে বাগানের উত্তরের পথে হাঁটতে শুরু করল। যে পথ দিয়ে আমরা বাগানে প্রবেশ করেছি, এই পথ তার উলটোদিকে। ঝোপঝাড় ভেঙে কিছুদূর এগিয়ে, সে থমকিয়ে কনস্টেবলকে জিজ্ঞাসা করল—দিঘিটা এইদিকেই তো? কনস্টেবল ঘাড় নাড়ল।

    তার হাবভাব দেখে স্পষ্টই বুঝতে পারছিলাম, সে একটা গণ্ডগোল আন্দাজ করতে পারছে। পাড়ুই তার পুলিশিকাজের দক্ষতার প্রমাণ দিতে চাইছিল। গজরাতে গজরাতে বলল—এক্ষনি দুধ কা দুধ হয়ে যাবে। তুই শালা গুল মারতে গিয়ে ধরা পড়েছিস। তুই জানিস না কার পাল্লায় পড়েছিস!

    আমি আর সিদ্ধার্থ আশেপাশে নজর রাখতে রাখতে এগোচ্ছিলাম। মিনিট পাঁচ থেকে দশের মধ্যে নাটকের যবনিকা পতন হল। আমাদের সামনে সাত বিঘার মজুমদার দিঘি, বা উচিত অর্থে বলতে গেলে মণ্ডল দিঘি। দিঘির দূরতম প্রান্তে কালো দাগের মতো কাদা দেখা যাচ্ছে, বাকিটা খটখটে শুকনো, জায়গা বিশেষে ফুটিফাটাও।

    পাড়ুই সুটির হাত ছেড়ে দিল। কনস্টেবল পাড়ুইকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল—চৌখুপির মাটিতে এঁটেলের ভাগ খুব বেশি, সব জল শুষে নেয়। ভারী বর্ষা না হলে জল দাঁড়াই-ই না।

    সিদ্ধার্থ বোধহয় জঙ্গলের মধ্যে কিছু একটা দেখতে পেয়েছে। সে ফের বাগানে প্রবেশ করল।

    সুটির থেকে এখনও অবধি বিশেষ কোনো খবর পাওয়া যায়নি যা কাজে লাগতে পারে। বিশু আসল নাম কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। এমন খুনি নিশ্চয়ই আগে থেকে ভেবেচিন্তে নিজের একটা নাম নিয়ে রেখেছে। সাধারণত সিরিয়াল কিলাররা নিজেদের অপরাধ জগতের নামেই স্বচ্ছন্দ বোধ করে। মনোজ মণ্ডল যখন খুনিকে তার নাম জিজ্ঞাসা করেছিল, সে স্বাভাবিকভাবেই আগে থেকে ভেবে রাখা নামটা বলেছে। এ সত্ত্বেও বলা যায়, সুটির বাপ খুনিকে দেখেছে। চোখে কম দেখে, কিন্তু কানে শোনে ভালো। পাড়ুইকে, যথেষ্ট হয়েছে বলে, আমি সুটিকে জিজ্ঞাসা করলাম—বাপ তো কানে ভালো শোনে, খুনিটার বয়েস কত হবে বলতে পেরেছে?

    সুটি বলল—আমি জানতে চেয়েছিলাম হুজুর, কীরকম বয়েস তার। বাপ বলে এই তোগো বয়সই হইব। তিরিশ-চল্লিশ।

    আমি অবাক হলাম। এর আগে অবধি আমার সূত্রগুলি নির্দেশ করছিল, খুনি বয়স্ক লোক। তা তবে ভুল, অন্যথায় আমাদের মানতে হবে যে একাধিক খুনি আছে। আমি একাধিক খুনির ধারণা মানতে পারব না। আমার কাছে কেসটা এখনও মাস-মার্ডারের, মাস-হিস্টিরিয়ার নয়। একজন গোয়েন্দার পক্ষে পক্ষপাত খুব খারাপ জিনিস, আমি বোধহয় সেটাই হয়ে পড়ছিলাম—বায়াসড আর অবসেশড।

    সিদ্ধার্থ বাগানের ভেতর থেকে ডাক দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }