Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক এক পাতা গল্প232 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীলুদার হোটেল

    জগমোহিনীর ভোজনালয়ের কেসটা কানাই-এর হাতে আসার পর তিন দিন কেটে গেছে। নতুন কোনো ঘটনার খবর কানাই-এর কানে আসেনি। তদন্তে ও বিশেষ কোনো অগ্রগতি নেই। জগমোহিনী ভোজনালয়ের ফরেনসিক রিপোর্ট ড. মাইতি পাঠিয়েছেন। রাস্তায়, ড্রেনে আর কাঠের বেঞ্চে পরীক্ষামূলক ভাবে আলো ফেলে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। যদিও গোটা রাস্তা পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি, সময় ও লোকবলের অভাবে। রাস্তার নির্বাচিত অংশেই শুধু পরীক্ষা করা হয়েছিল। ড. মাইতি রান্নাঘর থেকে ফুলকপির বালতি খুঁজে পেয়েছিলেন। সেই স্যাম্পেলে বিষ নেই। থাকার কথাও নয়, কারণ সেখানে বিষ থাকলে ক্যাজুয়ালিটি আরও বেশি হত। যে চেয়ার-টেবিলে ছেলেদুটি বসেছিল সেখানে থার্মোগ্রাফ করা হয় কিন্তু ঘটনার পর অনেক সময় পেরিয়ে যাওয়ায় থার্মোগ্রাফ কিছু বুঝতে পারছে না, যেমন অন্যান্য চেয়ারগুলি সম্পর্কেও থার্মোগ্রাফ নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছে না। হোটেলের চার কর্মচারীর হাতের ও শরীরের অন্যান্য অংশ থেকে স্যাম্পেল নিয়ে কেমিক্যাল অ্যানালিসিস করা হয়েছিল। কিছু পাওয়া যায়নি।

    সাব-ইনস্পেকটার ভুঁইঞার সঙ্গে বিগত তিনদিন সৌভিক কো-অরডিনেট করেছে। ভুঁইঞা নিউ এজ বোর্ডিং-এ নিহতদের বন্ধুদের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছে আর সৌভিক ওদের পেছনে খোঁচড় লাগিয়ে রেখেছিল। ছেলেগুলি চা সিগারেটের নেশা করে। কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতার অ্যাঙ্গেল বোঝা যায়নি। ভূঁইঞা তার দলবলকে নিয়ে পেরিমিটার সার্চও করেছিল, সন্দেহজনক কিছু নেই। যদিও যে বিষটি দেওয়া হয়েছে, ওয়ারফারিন, তা মোটেই দুর্লভ নয়। সামনেই বড়ো বাজার, যেখানে খোঁজ করলে অন্তত দশটি দোকানে রাইস ট্যাবলেট পাওয়া যেতে পারে। যে ঠেলাগাড়ির চালক ফুলকপি বিক্রি করেছিল, তাকে ভুঁইঞা খুঁজে বের করেছিল, জিজ্ঞাসাবাদের পর সবজি বিক্রেতাটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জগমোহিনী বাদে আরও দুটি হোটেল ঠেলার ফুলকপি কিনেছিল। তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

    এই যেখানে গোয়েন্দাদের তদন্তের অগ্রগতি সেখানে মিডিয়া লাফিয়ে লাফিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। সরাসরি কিছু না বললেও ঠারেঠোরে মিডিয়া কভারেজ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে বিষয় গুরুতর ও লোকজনের হোটেল-রেস্টুরেন্টে খাওয়ার সময় সাবধান থাকা উচিত। সিলেক্টিভ লিক দিতে গিয়ে এই হয়েছে মুশকিল। সিলেক্টিভ লিক দেখে মিডিয়া আরই বুঝে ফেলে যে লালবাজার চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে, জয়েন্ট সিপি নিজে উদ্যোগ নিয়ে জগমোহিনীর মালিক শ্যামকান্ত, মনোহর আর দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে আপাতত অনিচ্ছাকৃত মৃত্যুর কেস দিতে বলেছেন। তাতে কানাইচরণের একদিকে সুবিধা হয়েছে, অনিচ্ছাকৃত মৃত্যুর কেস থাকার ফলে আপাতত ওই চারজন জামিন পাচ্ছে না, পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে। প্রয়োজন পড়লে কানাই ডেকে জেরা করতে পারবেন।

    এই যখন অবস্থা তখন কানাই আরও ঝুঁকে পড়ছেন সিরিয়াল কিলার তত্ত্বের দিকে। সূত্রগুলো যদিও আধভাঙা, তাই অপেক্ষা করছেন যদি সিরিয়াল কিলারই হয় তবে তার পরের শিকারের জন্য। প্রথম ঘটনায় ফরেনসিক আর পুলিশের দিক থেকে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বেশ কয়েকটা বড়ো ভুল থেকে গেছে। জয়েন্ট সিপি ক্রাইম-এর চেম্বারে গিয়ে কানাই নিজে বলে-কয়ে রাজি করিয়েছেন, একজন ফরেনসিক এক্সপার্ট যেন অন্তত রাত বারোটা অবধি লালবাজারে থাকে। জয়েন্ট সিপি ক্রাইম এক সপ্তাহের জন্য এই ব্যবস্থা করতে রাজি হয়েছেন এই শর্তে যে এই সময়ের মধ্যে কানাই রহস্যের সমাধান করবেন। কানাই আর সৌভিকও গভীর রাত অবধি নিজেদের চেম্বারে থাকছেন। কন্ট্রোল রুমকেও বলা আছে, বিষ প্রয়োগ আর হোটেল সংক্রান্ত কোনো কেস এলে যেন কানাইচরণকে এত্তেলা দেওয়া হয়।

    সুতরাং, কন্ট্রোল রুম থেকে কাঙ্ক্ষিত ফোনকলটি পাওয়া মাত্র কানাই সৌভিককে ঝাড়া দিলেন, সৌভিক মোগলাই পরোটা খেয়ে, টেবিলের ওপরে উঠে তন্দ্রা দিচ্ছিল। ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছুঁয়েছে। কন্ট্রোলরুমে খবর এসেছে দশটা পঞ্চাশে, রাত সাড়ে দশটার ঘটনা। কানাই কন্ট্রোল রুমকে নির্দেশ দিয়েছেন আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার সাব-ইনস্পেকটার ভূঁইঞাকে এখনই ঘটনাস্থলে পাঠাতে। ফরেনসিক সেলে ডক্টর মাইতিকে পাওয়া গেল, যদিও শিবু নেই, সে সি আই ডি-র একটা কেসের ব্যাপারে সাউথ ২৪ পরগনায় গেছে।

    সদলবলে কোয়ালিসে চেপে কানাইচরণ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছোলেন ঘড়ির কাঁটা তখন সাড়ে এগারোটায়। পথে গাড়ির কাচ নামিয়ে কানাই তিনবার ট্রাফিককে খিস্তি করেছেন।

    কন্ট্রোলরুমের কাছে যেটুকু কানাই শুনেছিলেন, গাড়িতে আসার সময় কানাই ডক্টর মাইতি আর সৌভিককে সেটুকু জানিয়ে রাখলেন। ফের পাইস হোটেলে একজনের মারা যাওয়ার খবর মিলেছে। এইবারের হোটেলটির নাম নীলুদার হোটেল, আমহার্স্ট স্ট্রিট পোস্ট অফিসের কাছে হোটেলটি। রাতের খাওয়া-দাওয়া চলছিল, হোটেলে বেশি লোক ছিল না। এমন সময় পরিবেশক লক্ষ করে যে একটি খাওয়ার টেবিলে একজন মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। হোটেলের মালিক খবরের কাগজের সূত্রে জগমোহিনীর ঘটনাটা জানত। মালিক নিজেই লালবাজার কন্ট্রোল রুমের নাম্বারে ফোন করে জানায়। কন্ট্রোল রুম আমহার্স্ট স্ট্রিট থানাকে ইনফর্ম করে। মৃতের নাম দেবোত্তম দাস, বয়েস চল্লিশ আন্দাজ, লোকাল মেসে থাকে। ভিক্টিম মালিকের মুখচেনা, আমাদের আগের কেসের মতোই। কিন্তু এই কেসে ভিক্টিমের পেশাটা গোলমেলে। হোটেলের মালিক নীলু গোঁসাই জানিয়েছে, দেবোত্তমকে সে চিট ফান্ডের এজেন্ট হিসেবে চিনত।

    আমহার্স্ট স্ট্রিট থেকে একটি গলি, রামশরণ লাল স্ট্রিট, উত্তর দিকে ঢুকে গেছে। স্ট্রিটের প্রথম হোটেলটিই নীলুদার হোটেল। হোটেলের দুদিকে দেয়াল আর বাকি দুদিক আমহার্স্ট স্ট্রিট আর রামশরণ লাল স্ট্রিটের দিকে উন্মুক্ত। হোটেলে ঢুকবার জন্য আলাদা দরজা নেই। রাত্রে রাস্তার দিকের খোলা অংশগুলি বন্ধ করবার জন্য বিশাল কোলাপসিবল। আঁটোসাঁটো রান্নাঘর। আয়োজন দেখে মনে হয় জগমোহিনীর মতো অত পসার নেই। সাব-ইনস্পেকটার ভুঁইঞা তলব পাওয়া মাত্র ফোর্স নিয়ে চলে এসেছে। হোটেলটিকে ঘিরে ফেলা হয়েছে পেরিমিটার টেপ দিয়ে, ট্র্যাফিক ব্যারিকেড দিয়ে ভিড় সামলানোর ব্যবস্থা হচ্ছে। মিডিয়ার কাছে নির্ঘাত খবর চলে গেছে, আর না গেলেও তারা আর কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে। রাস্তার ওপর তখন ট্রাফিক সামলানো এক ঝক্কি হবে।

    আমহার্স্ট স্ট্রিটের ওপর গাড়ি রেখে কানাইচরণ নীলুদার হোটেলের সামনে চলে এলেন। সেখানে তখন ভূঁইঞা হোটেলের কর্মচারীদের ধমকধামক দিয়ে জেরা করছে। কানাইকে দেখে সেলাম ঠুকল। কানাই জিজ্ঞেস করলেন-মালিক কোন জন?

    একজন মাঝবয়সী, টাকমাথা আর ধুতিপরা লোক উত্তর করল- আজ্ঞে, আমি সার, নীলু গোঁসাই।

    ভুঁইঞা উদ্যোগ নিয়ে বাকি কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল। রান্নাঘরে বটঠাকুর বাদে আর এক মশালচি। আলাদা করে কোনো সুপারভাইজার নেই। ওয়েটার কাম ম্যানেজার কাম সুপারভাইজার একটি বছর আঠারোর ছেলে, নাম সোম বিশ্বাস। গুটখা খেয়ে তার দাঁতে কালো ছোপ পড়ে গেছে। চুল ব্যাকপ্রেস করা, তেলে চকচক করছে।

    কানাই জিজ্ঞেস করলেন—টেবিলে আর কেউ ছিল?

    —না সার, একাই খাচ্ছিলেন। সোম বিশ্বাস উত্তর দিল।

    —হোটেল তখন কত জন ছিল?

    —তা হবে সাত আট জন। লাস্ট ব্যাচ খাচ্ছিল সার। সোম জানাল।

    পাশ থেকে ভুঁইঞা বলল—এবার সবাইকে আটকে রেখেছি স্যার।

    কানাই মাথা নাড়লেন। সোমকে কানাই ফের জিজ্ঞেস করলেন—কী অর্ডার করেছিল?

    ডাল ভাত আর সবজি,—সয়াবিন।

    কানাই জিজ্ঞেস করলেন—ফুলকপি অর্ডার করেনি?

    সোম উত্তর দেবার আগে পাশ থেকে মালিক নীলু গোঁসাই অবাক হয়ে বলল-এই গরমের দিনে ফুলকপি তো হয় না সার।

    কানাই আর কথা বাড়ালেন না। খাওয়ার জায়গার দিকে এগিয়ে এলেন। ফুটপাথ থেকে দু-ফুট ওপরে হোটেলের খাওয়ার জায়গা। ছোটো সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয়। সৌভিক ইতিউতি রেড মার্ক ফেলছিল আর ডক্টর মাইতি খাওয়ার ঘরে উঠে একটি টেবিলের ওপর ফরেনসিক কিট খুলতে ব্যস্ত।

    কানাইকে দেখে বললেন—প্রথমেই একটা থার্মোগ্রাফ করা দরকার। আগের বার অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ায় কোন কাজের কাজ হয়নি।

    ফরেনসিক কিট থেকে যে বস্তুটি ডক্টর মাইতি তুলে নিলেন সেটা দেখতে একটি রিভলভারের মত, শুধু রিভলভারের নলটি যা নেই। নলের জায়গায় একটি মনিটর। মনিটর-এর সঙ্গে হাতল লাগান। সন্দেহজনক বস্তুর উপর তাক করলে মনিটরে থার্মাল ইমেজ ফুটে ওঠে। স্বাভাবিক তাপমাত্রার সঙ্গে সন্দেহজনক বস্তুটির কোনো অংশের তাপমাত্রার পার্থক্য থাকলে মনিটরে ধরা পড়ে। ডক্টর মাইতি আর কানাই দেয়াল সংলগ্ন একটি টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন। সেখানে তখনও দেবোত্তম দাসের বড়ি পড়ে আছে।

    নীলুদার হোটেলের টেবিলগুলি আকারে ছোটো, খাওয়ার ঘরের পরিধিও জগমোহিনীর তুলনায় অর্ধেক, প্রতিটি টেবিলের সঙ্গে দুটি মুখোমুখি চেয়ার। ডক্টর মাইতি তার থার্মাল ইমেজার প্রথমে তাক করলেন ঘরের অন্যান্য চেয়ারগুলির দিকে। কানাই মনিটরের দিকে তাকালেন। নীল রঙের মনিটর, চেয়ার টেবিল ঘরের দেয়াল সেখানে সব কিছু নীল হয়ে দেখা যাচ্ছে। থার্মোগ্রাফ মানুষের শরীরের উষ্ণতা বুঝতে পারলে অথবা অন্য কোনো উষ্ণতর বস্তু, মনিটরের নীল রং হলুদ থেকে লাল হতে থাকে। ড. মাইতি যখন অন্যান্য চেয়ারগুলিতে থার্মাল ইমেজার তাগ করছিলেন, তখন অধিকাংশ চেয়ার নীল রঙে দেখা গেল, হাতেগোনা কয়েকটিতে হলুদ রঙ দেখাল। অর্থাৎ সেখানে কেউ খেতে বসেছিল। কানাই গুনে দেখলেন হলুদরঙা চেয়ারের সংখ্যাটা নীলু গোঁসাই-এর হিসেবের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, সাত-আটজন খেতে বসেছিল।

    ড. মাইতি তার যন্ত্র দেবত্তোম দাসের মুখোমুখি থাকা চেয়ারটির ওপরে তাগ করলেন। কানাই মনিটরে দেখলেন হলুদ রং।

    কানাই কিছু বলে উঠবার আগে ড. মাইতি নিজে থেকেই বললেন—থার্মাল ইম্প্রেশান অনেকক্ষণ থেকে যায়, সন্ধের দিকেও যদি কেউ এই চেয়ারে বসে থাকে তার উষ্ণতা থার্মোগ্রাফে ধরা পড়তেই পারে।

    —কোনোও ভাবে কি বোঝা যায়, ঘটনার সময় বা ঘটনার আগে কেউ এই টেবিলে খাচ্ছিল কিনা?

    ড. মাইতি সৌভিককে ডেকে বললেন—মৃতদেহটিকে চেয়ার থেকে অল্প উঁচু করে ধরতে। সৌভিক আদেশ পালন করল, ড. মাইতি দেবোত্তম দাসের চেয়ারে ইমেজার তাগ করলেন, মনিটর গাঢ় হলুদ হয়ে উঠল। ড. মাইতি কানাইকে বললেন—হলুদের তীব্রতা দেখে কিন্তু মনে হচ্ছে দুটি চেয়ারের হলুদই একই ইন্টেনসিটির, অর্থাৎ দেবোত্তম দাস যখন খাচ্ছিল—সে সময় বা তার অল্প আগে-পরেই এই চেয়ারে কেউ বসেছিল।

    কানাই ভূঁইঞাকে হাঁক দিয়ে হোটেলের ওয়েটার সোমকে ফের নিয়ে আসতে বললেন। ভুঁইঞা সন্দেহভাজনদের রামশরণ লাল স্ট্রিটের একধারে সার দিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। সোমের কলার ধরে হোটেলের খাওয়ার জায়গায় নিয়ে এল। সোমকে দেখে মনে হল যে সে দ্বিতীয়বার তলব হওয়ায় বেশ ভয় পেয়েছে, দুই হাত বুকের কাছে জড়ো হয়ে আছে।

    —এই টেবিলে আর কেউ ছিল না, তুই শিওর? কানাই জিজ্ঞেস করলেন।

    সোম ভয়ে ভয়ে উত্তর দিল—হ্যাঁ সার। উনি একাই খাচ্ছিলেন। রোজই একাই খান।

    কানাই-এর সামনে একটা বিরাশি সিক্কার চড় উড়ে এল। ভূঁইঞার পাথরের মত শক্ত হাত গিয়ে পড়ল সোমের গালে। সোমের শরীর ছিটকে গিয়ে পড়ল একটি টেবিলের পায়ায়। ভূঁইঞা আরও মারতে যাচ্ছিল, কানাই বাধা দিলেন। —আমি এই ভাবে কেস সল্ভ করি না ভূঁইঞা। ভুঁইঞা সামলে নিল।

    কানাই হাঁটু গেড়ে সোমের সামনে বসলেন। কপালের কোণ দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছে। কানাই নিজের পকেট থেকে রুমাল বের করে রক্ত মুছে দিয়ে সোমকে ফের জিজ্ঞেস করলেন—এই লোকটা খেতে বসার আগে এই টেবিলে কে বসেছিল?

    সোম কেঁদে ফেলল।—সার বিকেল থেকেই অনেক লোক বসছে সার। ওর আগে একটা বাচ্চা ছেলে খাচ্ছিল। কিন্তু ওর সঙ্গে খায়নি সার। এই লোকটা বসার আগে ওই ছেলেটা উঠে গেছে।

    —কত আগে উঠে গেছে? ঠিক আগে? না খানিক আগে, কতক্ষণ আগে?

    সোম কী বলবে বুঝতে না পেরে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।

    কানাই বুঝিয়ে বললেন—তুই যখন এই লোকটাকে খাবার দিতে এলি, তখনও আগের লোকের থালা বাসন টেবিলে আছে? নাকি নেই?

    সোম এইবার বুঝতে পারল, বলল- হ্যাঁ ছিল, আমিই টেবিল পরিষ্কার করেছি।

    —আগের ছেলেটার ফেলে যাওয়া কতটা খাবার ছিল? কী কী অর্ডার করছিল, ভেবে উত্তর দে।

    সোমকে উত্তর দিতে ভাবতে হল না, সে বলল—বেশি খাবার বাঁচেনি সার, পাতের সাদা ভাত কিছু ছিল। বাটির সব ফাঁকা ছিল সার। ছেলেটা খাসির মাংস আর ডাল অর্ডার করেছিল।

    —কী ডাল?

    —মুসুর ডাল, রেগুলার ডাল।

    কানাই অল্প হাসি হাসি মুখ করে সৌভিকের দিকে মুখ তুলে তাকালেন, সৌভিক নোট নিতে ব্যস্ত। কানাই হাঁটু ঝেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। ভুঁইঞা এসে সোমকে টেনে তুলল।

    কানাই তার ডানহাতের দিকে একটি ফাঁকা টেবিলের লাগোয়া চেয়ারে বসে সোমকে ডেকে নিলেন। উলটোদিকের চেয়ারে তাকে বসতে বললেন।

    —যা জিজ্ঞেস করব ভালো করে ভেবে বলবি।

    সোম ঘাড় নাড়ল।

    —এই ধর আমি আগের ছেলেটা। আমি এখন খাসির মাংস আর ডাল খাচ্ছি। আমার খাওয়া শেষ। এইবার পরের লোকটা এসে একই টেবিলে বসল। বলে কানাই সৌভিককে ডেকে উলটোদিকের টেবিলে বসালেন। এখন আমার পাতে খাবার আছে, কিন্তু ওর পাতে নেই। ওকে দেখা মাত্র আমি চেয়ার ছেড়ে উঠে গেলাম। বলে কানাই নিজে উঠে দাঁড়িয়ে বলতে থাকলেন—এইবার টেবিলে একা ওই লোকটা বসে আছে। তুই অর্ডার নিতে এসে দেখলি, লোকটা একা টেবিলে। আর কেউ নেই, আগের লোকের ফেলে যাওয়া থালাবাটি এখনও কিন্তু টেবিলে। কিন্তু তুই টেবিল এখনই পরিষ্কার করলি না, শুধু অর্ডার নিয়ে চলে গেলি। তাইতো? কেন টেবিল পরিষ্কার করলি না?

    সোম মাথা নেড়ে বলল-হাতে ন্যাতা নেই তো, তাই আগে খাবার এনে দিই, কাস্টমার খেতে শুরু করে তারপর, পুরোনো কাস্টমারের থালা তুলে নিই।

    —গুড, তাহলে তুই লোকটার থেকে অর্ডার নিলি, রান্নাঘরে গিয়ে খাবার নিয়ে এলি। সয়াবিন আর ডাল, মুসুর ডালই তো? হ্যাঁ, তারপর খাবার রেখে আবার কুলুঙ্গি থেকে ন্যাতা এনে টেবিলের উলটোদিকটা মুছে দিলি আর এঁটো নিয়ে চলে গেলি। বল, এরকমই করেছিলি, ভেবে বল, ভয় নেই।

    সোম ঘাড় হেলাল। —এরকমই করেছিলাম সার, সেম, সার, সেম।

    কানাই হেসে সোমের পিঠ থাবড়ে দিলেন। —আগের ছেলেটার মুখ মনে আছে, আগে দেখেছিস?

    —মাইরি বলচি সার, একদম মনে নেই, আগে কোনোদিন দেখিনি, সার, নতুন কাস্টমার, বাচ্চা ছেলে। কলেজের স্টুডেন্ট হবে।

    কানাই বললেন—ঠিক আছে, একটা লোক আসবে, তাকে বলবি যা যা দেখেছিস, সে আগের ছেলেটার ছবি আঁকবে। ভেবে চিনতে বলবি কিন্তু, এই পুলিশ সার কিন্তু না হলে আবার ঠ্যাঙাবে।

    বডির পাশ থেকে ফরেনসিক এক্সপার্ট ড. মাইতি কানাইকে ডাকলেন।

    কানাই আর সৌভিক এগিয়ে গিয়ে দেখল, ড. মাইতি হাতে লেটেক্সের গ্লাভস পরে মৃতের থালার ভাত ঘাঁটছেন। ডালে ভাতে মাখামাখি, থালার একপাশে সয়াবিন।

    কানাইকে ড. মাইতি বললেন—ইনিশিয়ালি দেখে তো মনে হচ্ছে আবার রোডেন্ট কিলার! গ্যাঁজলা উঠছে মুখ থেকে, চোখ কপালের দিকে ঠেলে উঠেছে, খুব হাই ডোজ, বলাই বাহুল্য। পয়জনটা খুব রেডিলি পাওয়া যায় না হলে যেভাবে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে, নিশ্চিত ভাবে বলা যেত আগের কেসটার সঙ্গে মিল আছে। যাই হোক, যা স্যাম্পেল নেওয়ার সেগুলো তো নিয়েই নিচ্ছি। কেমিক্যাল আর অটোপসি রিপোর্ট আপনি কালকের মধ্যে পেয়ে যাবেন। আর শিবুকে বলছি কাল ফার্স্ট আওয়ার বা ভোরের দিকে এসে যেন ছবিগুলো তুলে নেয়। আমি যদিও আমার বেসিক ক্যামেরায় কিছু ছবি তুলেই নিলাম, ইন কেস। আপনার কথা কানে এল, সাসপেক্টের ছবি আঁকাতে হবে।

    কানাই ড. মাইতিকে উত্তর দিতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার চোখ পড়ল টেবিলের ওপর। কানাই ড. মাইতির কাছে একটি ল্যাটেক্স গ্লাভস চেয়ে নিলেন। দুটো আঙুল দিয়ে পাতের ডাল মাখা ভাত ঘাঁটতে ঘাঁটতে বললেন—এটা কী ডাল আন্দাজ করতে পারছেন ড. মাইতি?

    —শুকিয়ে গেছে, মুসুর ডাল কি, কাল কেমিক্যাল অ্যানালিসিস করে কনফার্ম করব।

    কানাই চুকচুক শব্দ করে বললেন—এইটে দেখুন, বাটিভরতি ডাল, পাতেও ডাল।

    ড. মাইতি অবাক হয়ে বললেন—চোখে পরেনি, বাটিতেই যদি ভরতি ডাল থাকে, তাহলে পাতের ডাল কোথা থেকে এল! আমি শিওর, পাতের ডালেই বিষ পাব।

    —সেক্ষেত্রে ধরে নেওয়া যায় কি, পাতের ডাল আর বাটির ডাল এক জায়গা থেকে আসেনি, মানে কোনো একটা ডাল অন্য কেউ অর্ডার করেছিল, বা অন্য কোনো সোর্স থেকে এসেছে?

    ড. মাইতি শ্রাগ করলেন—উপায় কী! ফুলকপির বদলে এইবার ডাল নিয়েই তাহলে পড়ি, স্যাম্পেলগুলো কুইক তুলে নিই।

    —তবু প্যাথোলজিস্টকে বলবেন, স্টমাকে ফুলকপি আছে কিনা একবার যেন নিশ্চিতভাবে দেখে, দরকার হলে কেমিক্যাল অ্যানালিসিসের জন্য অবশ্যই পাঠাবেন। বলে কানাই গলা তুলে ভূঁইঞাকে ডেকে বললেন—হোটেলের মালিক নীলু গোঁসাইকে নিয়ে আসতে।

    কানাই ড. মাইতিকে বিদায় জানিয়ে হোটেলের ক্যাশবাক্সের সামনে এসে দাঁড়ালেন। রান্নাঘরে ঢুকবার দরজার একপাশে মালিকের বসার টুল, টুলের পাশে ক্যাশবাক্স। ক্যাশবাক্সে এখন তালা দেওয়া। ক্যাশবাক্সের ওপরে দেয়ালে টিনের পাতে মেনু লেখা। সৌভিক একটা ঘুসি মেরে ক্যাশবাক্সের তালা ভেঙে ফেলল, ভেতরে খুচরো আর নোট। কানাই ঘাড় উঁচু করে মেনু পড়ছিল। সৌভিককে বললেন—অনেকদিন পাইস হোটেলে খাওয়া হয় না জানিস, কাল দুপুরে ভাবছি ডেকার্স কাটিয়ে দেব, তোর বউদিকে বলব সকালে হালকা রান্না করতে।

    সাব-ইনস্পেকটার ভুঁইঞা মালিক নীলু গোঁসাইকে নিয়ে এল।

    কানাই নীলুকে দেখে নাটকীয় ভঙ্গিতে মেনু পড়তে শুরু করলেন—মাছের থালি, ডিমের থালি, সয়াবিন, মিক্সড সবজি, আলুভাজা, মাছভাজা, চিকেন, চাটনি…খাসির মাংস কই, বোর্ডে নেই কেন?

    নীলু দূর থেকে সোমকে থাপ্পর খেতে দেখেছে, তাই তার হাত বুকের কাছে জড়ো করে রাখা। কানাইকে সে উত্তর দিল- স্যার, খাসির মাংস আমাদের স্পেশাল, রোজ হয় না। খাসি খাওয়ার লোক এই পাড়ায় নেই বেশি।

    সৌভিক জিজ্ঞেস করল- ফুলকপি স্পেশাল হয় না কোনোদিন?

    —হয়, শীতকালে, খাসিটাই স্পেশালে বেশি করি স্যার।

    —মেনু কি রিপিট হয়? কানাই জানতে চাইলেন।

    —না স্যার রিপিট করতে পারি না। থালির সঙ্গে একবাটি ডাল আসে, তা না হলে ডাল আলাদা ভাবে অর্ডার করতে হবে।

    কানাই উত্তর শুনে সেকেন্ড কয়েক চুপ থাকলেন। তারপর, প্রশ্ন করার ভঙ্গিতে না, যেন নিজেকেই বলছেন, এমনভাবে বললেন—আচ্ছা কেউ, খাসির মাংসের সঙ্গে ডাল আলাদা করে কেন অর্ডার করবে। খাসির মাংস ৯০টাকা, এর সঙ্গে ১০ টাকার ডাল! খাসির মাংসের সঙ্গে গোটা ভাতটা মেখে নেবে না?

    নীলু ভাবল তাকেই বোধহয় জিজ্ঞেস করা হচ্ছে।—স্যার, এক-একজনের এক-একরকম খিদে, কেউ বেশি খায় কেউ কম, কেউ ফেলাছাড়া করে খায়। নিতেই পারে, খাসি আর ডাল, অনেকে খাসি আর ডিমও অর্ডার করে।

    কানাই ভুঁইঞাকে নির্দেশ দিলেন নীলুকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এইখানে আর তদন্তের কিছু নেই। ভুঁইঞাকে দু-একটা মামুলি নির্দেশ দিয়ে কানাই সৌভিককে বললেন—চল এইবেলা তাড়াতাড়ি কেটে পড়ি, এইবার মিডিয়া এসে পড়ল বলে। ক্রাইম সিনে যেন ঢুকতে না পারে, স্টাফদের বলে দে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিবুকে পাঠা ছবি তুলতে, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল অবশ্যই তোলে যেন। এই কেসেও আমার একটা টাইমলাইন দরকার, দেবোত্তম সন্ধে থেকে কোথায় ছিল, কী খাচ্ছিল, এইসব।

    ড. মাইতি স্যাম্পেল কালেক্ট করছিলেন, কানাই তাকে গুডনাইট বলে শেষবারের মতো একবার দেবোত্তম দাসের মৃত শরীরের পাশে দাঁড়ালেন। মুখ থুবড়ে পড়েছে ভাতের থালার ওপর। চশমার ডাঁটি মাথার চাপে ভেঙে গুঁড়িয়ে গেছে। মুখে আর চুলে ডাল ভাত মাখামাখি। কানাই মৃতের মাথা থালার ওপরে তুলে ধরে থালার দিকে তাকালেন, তারপর ধীরে ধীরে নামিয়ে রাখলেন। ড. মাইতি কানাই-এর কাছ থেকে লেটেক্স গ্লাভস চেয়ে নিলেন সেফ ডিসপোজালের জন্য।

    কানাই আর সৌভিক শুভরাত্রি জানিয়ে যখন গাড়িতে উঠছেন তখন বিভিন্ন মিডিয়ার চারটি ওবি ভ্যান আমহার্স্ট স্ট্রিটে পার্ক করছে। মধ্যরাতেও রাস্তায় হাজারখানেক লোক, পুলিশ ভিড় সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }