Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক এক পাতা গল্প232 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চড়াই-হত্যা রহস্য – ১০

    ১০

    মদনপুর থেকে বাড়ি ফিরতে ফিরতে মধ্যরাত পেরিয়ে গেছিল। পুলিশ-গিন্নিরা কর্তাদের বাড়ি ফেরা নিয়ে বিচলিত হয় না। খাবো কিনা জিজ্ঞাসা করে গিন্নি পাশ ফিরে ঘুমাল। জামাকাপড় পালটে যখন শুতে এলাম তখন রাত তিনটে। ভোরে উঠে ফিটফাট জামা পরে ভবানী ভবনের দিকে দৌড়োতে হল, অফিসে ফোন করে বললাম, সেকেন্ড হাফের আগে ঢুকতে পারব না।

    প্রশাসনিক পরিভাষায় অল হ্যান্ডস ডাউন মিটিং এর অর্থ—কোনো একটি ঘটনাকে সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এক টেবিলে বসবে। প্রতিটি দপ্তরের দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাটি বিবেচিত হবে। সর্বোপরি, বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে একটা সমন্বয় তৈরি করার চেষ্টা করা হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ইডেনে ক্রিকেট ম্যাচ বা গড়ের মাঠে বইমেলার জন্য যেমন দমকল, সিভিল ডিফেন্স, সি এ বি বা গিল্ড, পুলিশ ও পরিবহন দপ্তর একসঙ্গে বৈঠক করে বড়ো কোনো অপরাধ ঘটলেও, অথবা সম্ভাব্য নাশকতা বা অপরাধ আগে থাকতে সামাল দিতে, পুলিশের একাধিক দপ্তর, গোয়েন্দা, রাউডি সেকশান ইত্যাদি, ফরেনসিক সবাই মিলে অল হ্যান্ডস ডাউন বৈঠক করে থাকে। প্রশাসনিক মহলে এ ধরনের বৈঠক নিয়ে যেমন বিতৃষ্ণা আছে, তেমনি সব দপ্তর চেষ্টা করে তাদের দিকটা মিটিং-এ ভালো ভাবে তুলে ধরতে।

    সিদ্ধার্থ আমাকে যে অল হ্যান্ডস ডাউন মিটিং-এ ডেকেছে, সেখানে লালবাজারের সরকারি হিসেবে এখনও কোনো ভূমিকা নেই। ভবানী ভবনে ঢুকতে ঢুকতে ভাবছিলাম, আমার কাজ হতে চলেছে বাকিদের বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত শোনা। নিজের মতামত চেপে যাওয়াই ভালো। কিন্তু আমি যে ভুল ভেবেছি, তা অচিরেই বোঝা গেল।

    সিদ্ধার্থের ঘরে পৌঁছে দেখি তার চেয়ার ফাঁকা। আর্দালি বলল, কনফারেন্স রুম থ্রি-সিতে পাবেন। থ্রি-সি শুনে নাক কুঁচকালাম, থ্রি অর্থে থার্ড ফ্লোর, আর সি মানে কনফারেন্স রুম সি।

    সাধারণত, অফিসের কনফারেন্স রুম-এ সবচেয়ে বড়ো সভাঘর, কমিশনার উপস্থিত থাকলে ব্যবহার করা হয়। কনফারেন্স-বি তে তিরিশ-চল্লিশজন লোক বসতে পারে, প্রোজেক্টর ইত্যাদি থাকে, লালবাজারে বি জাতীয় কনফারেন্স রুমে মিটিং পরিচালনা করেন ডিসি পদমর্যাদার অফিসারেরা। আর কনফারেন্স রুম-সি হল নিতান্তই সেজো-মেজো অফিসারদের চা-বিড়ি খাওয়ার এবং পিএনপিসি করবার জায়গা। থ্রি সি-তে পৌঁছে দেখি সিদ্ধার্থ টেবিলের এক কোণে একা বসে আছে।

    একে কনফারেন্স রুম না বানিয়ে, চায়ের ক্যান্টিন বানালে হয়তো উচিত কাজ হত। আঁটোসাঁটো দেয়াল, অর্ধচন্দ্রাকৃতি টেবিল, তার চারিধারে পাঁচটি চেয়ার, আর দ্বিতীয় সারিতে আরও খান পাঁচেক চেয়ার, সেগুলোর পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

    রুমে কোনো প্রোজেক্টর নেই, একটা ব্ল্যাক বোর্ড, টেবিলের ওপর ফোন। সিদ্ধার্থ নিজের সামনে খান দুই ফাইল আর কিছু কাগজ ছড়িয়ে বসে ছিল।

    আমি বিরক্তিতে বলে ফেললাম—এই তোমাদের অল হ্যান্ডস ডাউন…! সিদ্ধার্থ কাঁচুমাচু হয়ে বলল- সুপারিন্টেন্ডেন্ট সাহেব থাকবেন বলেছিলেন। সাহেবের পি এ লাস্ট-মিনিটে বলল, রাইটার্স থেকে তাকে ডেকে পাঠিয়েছে।

    মজা করছ—এই চায়ের দোকানে সুপারিনটেন্ডেন্ট মিটিং করতে আসবেন! সিদ্ধার্থ গা বাঁচাতে বলল—বেশি ডিপার্টমেন্ট তো তদন্ত করছে না।

    —অন্তত প্রাণীসম্পদ বিভাগ, পরিবেশ, বন দপ্তর?

    —শুনেছি নাকি তারাও তদন্ত করছে, আমি ইনভাইট করেছিলাম। বলে সিদ্ধার্থ হাত দিয়ে ফাঁকা চেয়ারগুলি দেখাল।

    আমি বিরক্তিতে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, সিদ্ধার্থ বসতে বলল।

    —তার মানে এই আমি আর তুমি, এই মিলে অল-হ্যান্ডস।

    সিদ্ধার্থ হেসে বলল—মানুষের দুটো হাতই তো যথেষ্ট দাদা।

    আমি চেয়ার টেনে সিদ্ধার্থর মুখোমুখি বসলাম। সে ফাইল থেকে একটা কাগজ বের করে আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল—আপনার মুড ভালো করবার জন্য একটা ভালো খবর। সি আই ডি একটা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশানের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে লালবাজার হোমিসাইড আর সি আই ডি একসঙ্গে কাজ করবে।

    আমি অবাক হয়ে কাগজটা নিজের দিকে টেনে নিলাম। সিদ্ধার্থ ও আমাকে তদন্তের যুগ্ম দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের মূল উদ্দেশ্য ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকানো, পূর্বোক্ত ঘটনাগুলির অভিযুক্ত বা অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কোওর্ডিনেট করে মানুষের মন থেকে ভয় দূর করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া। অনুমান করি, এই নির্দেশের পেছনে মতিদার অবদান আছে। তার জুনিয়র বিনা দায়িত্বে মাঠে ময়দানে তদন্ত করে বেড়াচ্ছে সেটা জানাজানি হলে তার ওপর চাপ আসতে পারত। সিদ্ধার্থ বলল—আপনি শিওর অর্ডারটা জানতেন না। কাল বিকেলে চিঠি করা হয়েছে। আমি আজ সকালে হাতে পেলাম।

    আমি মাথা নাড়লাম—সোজাসুজি এখানে এসেছি।

    সিদ্ধার্থ বলল—আরও একটা খবর আছে। ফরেনসিকটা ফার্স্ট ট্র্যাক করতে পেরেছি। দুদিনের মধ্যে আঁকশির রিপোর্ট এসে গেছে। ফুটপ্রিন্টও কয়েকদিনের মধ্যে পেয়ে যাব।

    —কিছু পাওয়া গেছে?

    —প্রত্যাশামতোই, না, আঁকশিতে রক্তের দাগ নেই। হাতের ছাপ আছে, তা তো থাকবেই, ব্যাধের নিজের আঁকশিতে তার হাতের ছাপ থাকবে না তো কার থাকবে। মদনপুরের বড়োবাবুর সঙ্গে কথা হল, ফরেনসিক রিপোর্ট শুনে বললেন—তিনি সেকেন্ড আঁকশিটাও আজই পাঠাচ্ছেন, উনি নিশ্চিত এটায় পাওয়া যাবেই।

    —যাকগে যাক, ফরেনসিক আর হ্যান্ডপ্রিন্ট নিজের কাজ করুক, এই কেসটা এইভাবে সল্ভ হবে না। বলে আমি নড়েচড়ে বসলাম।

    এই সুযোগ, আমি ভাবলাম, এইবার কেসের রাশ নিজের হাতে নেওয়ার সময় এসে গেছে। যে অর্ডারে লালবাজার আর ভবানীভবন তদন্তের যুগ্ম দায়িত্ব পেয়েছে সেই কাগজে মতিদা সূক্ষ্ম ভাবে নিজের একটি চাল রেখে দিয়েছেন। আমি আর সিদ্ধার্থ তদন্তের যৌথ দায়িত্বে থাকলেও বকলমে আমিই তদন্তের প্রধান গোয়েন্দা, যেহেতু সিনিয়রিটিতে আমি সিদ্ধার্থের চেয়ে এগিয়ে। সে কথা যদিও মতিদার বুদ্ধিমতো, সরাসরি অর্ডারে লেখা হয়নি।

    আমি সিদ্ধার্থকে বোঝানোর চেষ্টা শুরু করি। যদিও তার অনুমতি বিনাও আমি সরাসরি সার্চের সরাসরি নির্দেশ দিতে পারতাম। তার পদমর্যাদার কথা ভেবে সেটা করতে চাইনি।

    —সিরিয়াল মার্ডার-এর কেসের সঙ্গে সাধারণ মার্ডারের কেসের একটা প্রাথমিক তফাত আছে। সিরিয়াল মার্ডারের কেসে আমাদের হাতে অভিযুক্ত অগুনতি। যে কেউই কাজটা করে থাকতে পারে। এই কেসে বর্ধমান, কলকাতা, দুই চব্বিশ পরগনা আর নদীয়া মিলিয়ে একটা বৃত্ত আঁকলে প্রায় দেড় কোটি, কী তারও বেশি মানুষ আমাদের সাসপেক্ট। আপাতত ধরে নিই যে খুনি বুড়ো লোক, ফলে দেড় দু ঘণ্টার বেশি ট্রাভেল করে তার পক্ষে নির্দিষ্ট গ্রামে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়, আবার দেড় দু ঘণ্টা উজিয়ে ফেরত আসাও অসম্ভব নয়, কিন্তু কষ্টকর। খুনি অল্পবয়েসের হলে এই গণ্ডির ভেতর মেদিনীপুর, বাঁকুড়াও এসে যেতে পারে, অথবা বর্ডার মুর্শিদাবাদ। পুরুষ বা নারী খুন হয়ে থাকলে, আমাদের হাতেগুনতি সাসপেক্ট থাকে। বাড়ির লোকজন, কর্মস্থল বা ব্যবসায়ী সম্পর্কের মানুষজনের খুন করার উদ্দেশ্য থাকে। সেইক্ষেত্রে এলিমিনেশান আমাদের ভরসা, অর্থাৎ কারা কারা এই খুন করে উঠতে পারবে না, এলিবাই কী, কে ঘটনাস্থল থেকে দূরে ছিল, কার মোটিভ নেই বা আছে। ফরেনসিক ধরে, আমরা নেতি নেতি করে এগোতে থাকি। অন্যথায়, কোনো বিশেষ সূত্র পেলে, সেই সুতো ধরে টান দিই। কারুর সুনির্দিষ্ট মোটিভ পেলে তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক শুরু হয়। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, খুন থেকে সাসপেক্টের লাভক্ষতি দেখা হয়। এই সিরিয়াল কেসের সাসপেক্ট দেড়-দু কোটি মানুষ, তাদের নেতি নেতি বাদ দিতে হলে, আমাদের জীবন কেটে যাবে, অস্তিলাভ হবে না।

    সিদ্ধার্থ আমার কথা মন দিয়ে শুনছিল। থ্রি-সি-এর দরজা ঠেলে একজন বয়স্ক লোক ঢুকে দ্বিতীয় সারির চেয়ার টেনে বসল। সিদ্ধার্থ তাকে দেখেও দেখল না। লোকটা বুকপকেট থেকে একটা কাগজ বের করে পেনসিল দিয়ে নোট লিখছিল। অফিসে বসদের একাধিক চোখ আর কান থাকতে হয়, আমি আন্দাজ করলাম লোকটি সি আই ডি অফিসের ভেতরের খোঁচড়। আমি পাত্তা না দিয়ে সিদ্ধার্থকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাই।

    —সিরিয়াল মার্ডারে তাই ফরেনসিক বা অন্যান্য সূত্রের ওপর খুব ভরসা করে লাভ নেই। ফরেনসিক রিপোর্ট আর নানা সূত্র ধরে খুনির একটা অবয়ব তৈরি হতে পারে মাত্র। ভাবো, কাল যদি ফুটপ্রিন্টের রিপোর্টে বলা হয় যে, খুনির পায়ে কাটা দাগ আছে, আমাদের লাভটা কী হবে, যতক্ষণ না আসল লোকটাকে ধরতে পারছি। হাজার হাজার লোকের পায়ে কাটা দাগ আছে।

    —আই এগ্রি, খুনিকে ধরতে পারলে নিশ্চিত হতে ফুটপ্রিন্ট তখন কাজে লাগবে!

    —ফলত, আমার নিশ্চিত বিশ্বাস, এই কেস আমাদের সেভাবেই সল্ভ করতে হবে, যেভাবে সিরিয়াল মার্ডার সল্ভ করা হয়।

    —সেটা কীভাবে?

    —সার্চ শুরু করতে হবে।

    —সার্চ তো হচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের সব থানাকে জানান হয়েছে। খোঁচড়রা রাস্তায় ঘুরছে।

    —ফল পেয়েছ?

    সিদ্ধার্থ ইতস্তত করে বলল—না, এখনও অবধি না।

    —পেলে ভালো। কিন্তু এই গোরু খোঁজা না করে, গোরুকে প্রথমে একটা জায়গায় টেনে আনি, তারপর চেনা-জায়গায় তাকে খুঁজি। তুমি সেই জোকটা জানো, একটা লোক সমুদ্রের বিচের একধারে কিছু একটা খুঁজছিল। একজন দেখতে পেয়ে বলল,—দাদা এখানে কী খুঁজছেন?—আমার ঘড়িটা ওদিকে খুলে পড়ে গেছে। —তা ওদিকে গিয়ে খুঁজুন, এদিকে কেন খুঁজছেন। লোকটা বলল- ওদিকে যা অন্ধকার, এদিকে আলোয় বেশ খুঁজতে সুবিধা হচ্ছে।

    সিদ্ধার্থের হাসি পেল না, সে গম্ভীরভাবে জিজ্ঞাসা করল—আপনি টোপ ফেলবার কথা ভাবছেন?

    সিদ্ধার্থের পুলিশি শিক্ষা ওর মাথায় কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। ও যদি মেনে নিতে পারে যে পাখিদের হত্যা বস্তুত সিরিয়াল কিলিং, তবে আমি যে পন্থাগুলি বলতে চলেছি সেগুলো বুঝতে পারার অসুবিধে হওয়ার কথা নয়।

    —জ্যাক দা রিপারকে ধরবার জন্য গোটা লন্ডন শহর না চষে, বরং আমরা নিজেরা একটা হোয়াইটচ্যাপেল ডিস্ট্রিক্ট বানিয়ে ফেলি। জ্যাককে আমাদের তৈরি হোয়াইটচ্যাপেল টোপ ফেলে ডেকে আনি। তারপর, বাকিটা অপেক্ষা।

    —একটা ছদ্ম ক্রাইসিস তৈরি করা হবে?

    —একেবারেই তাই। যেহেতু চড়াই পাখিই এখানে বধ্য, তাই চড়াইকে টোপ করা হোক। খুনিকে খুনির অস্ত্রে ঘায়েল করা। যেভাবে ব্যাটা চালের দানা ছড়িয়ে পাখিদের ডাকে আমরাও সেভাবে টোপ ছড়াব।

    —মাস ক্যাম্পেনিং করব, লোকের মুখে মুখে গুজব ছড়িয়ে দিতে পারি।

    —অনেকদিন সময় লেগে যাবে। বরং নিউজপেপারের দিক থেকে যাওয়া যাক।

    —বিজ্ঞাপন দেবেন?

    —না না। আমার প্ল্যানটা অন্য। দুটো গ্রামকে পছন্দ করো, ভানু সমাদ্দারের লিস্ট থেকে, যেখানে আগের বছর চাষবাসের ক্ষতি হয়েছে আর খুনির নজরেও এখনও পড়েনি। এই দুটি গ্রামের নামে খবরের কাগজের পাতায় পরপর কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে মিথ্যে খবর বেরোক। প্রকাশিত খবরে পাখির উল্লেখ থাকবে না, চাষের কী হাল, ক্ষয়ক্ষতি, চাষীরা কী ভাবছে এই গোত্রের খবর থাকবে। মোটকথা গ্রাম দুটোর নাম খুনির চোখে পড়ুক।

    —বুঝতে পেরেছি, জালি খবর। কিন্তু এই ধরনের খবর তো খুবই সূক্ষ্ম হতে হয়, সরাসরি তো আমরা খুনিকে আহ্বান করতে পারি না। এমন সূক্ষ্ম খবর খুনিকে আদৌ উত্তেজিত করবে কি?

    —সেটা ঠিক, খুনির মেরিট লেভেল কিন্তু আমরা এখনও জানি না। সেইজন্যেই দুটো গ্রাম থাক। একটার খবর হবে—মোটাদাগের, এই যেমন চাষবাসের খুব ক্ষতি হয়েছে ইত্যাদি, আরেকটায় খবর হোক, সূক্ষ্ম, গ্রামের রাস্তাঘাটের হাল ইত্যাদি।

    সিদ্ধার্থ নোট করে নিতে নিতে বলল- হয়ে যাবে, ‘আজকের সময়’ কাগজে একটা চাষবাসের পাতা আছে, সাপ্তাহিক, সেখানে পরপর তিন সপ্তাহ খবরটা বেরোক। তার পরেও ফলো আপ করা যেতে পারে।

    —আর তোমার যা ম্যানপাওয়ার আছে সেগুলো নিয়ে এই দুটো গ্রামে টার্গেট করো।

    সিদ্ধার্থ আপত্তি করল না, কিন্তু বুঝতে পারলাম তার মেনে নিতে আপত্তি আছে। যতই হোক, এমন জালি খবর মানে অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়া। খুনি হয়তো দুটো খবর দেখতে পেল, কিন্তু সেসব তাকে প্ররোচিত করল না। সে তৃতীয় একটি গ্রামে হানা দিল। তখন এতগুলো ম্যানপাওয়ার নষ্ট। আমি আশ্বস্ত করে বললাম—গোটাটা না হোক, মেজরিটি অফ দা ম্যানপাওয়ার এই দুটো গ্রামে যাক।

    সিদ্ধার্থ নোট থেকে চোখ তুলে বলল—হয়ে যাবে কানাইদা।

    নোট গুটিয়ে সিদ্ধার্থ উঠতে যাচ্ছিল, সে ভেবেছে অল হ্যান্ডস ডাউন মিটিং শেষ। আমি ভেবে এসেছিলাম, এই মিটিং-এ আমার বিশেষ কোনো ভূমিকা থাকবে না, কিন্তু দায়িত্ব যখন আমার ঘাড়ে চেপেছে তখন সে দায় পুরোটা না নামিয়ে আমি উঠব না। আমার কাঁধে তদন্তের ভার থাকলেও সিদ্ধার্থের নির্দেশে তদন্ত এগোবে, কারণ জেলায় জেলায় ভবানী ভবনের মতো ইন্টেলেজেন্স লালবাজারের নেই।

    সিদ্ধার্থ চেয়ার টেনে বসে, রুমের তৃতীয় লোকটির দিকে আড়চোখে তাকাল।

    আমি বললাম- আমি একটা ডেটাবেস সার্চ চাইছি।

    সিদ্ধার্থ আকাশ থেকে পড়ল। —ডেটাবেস সার্চ, কীসের ভিত্তিতে সার্চ করব, কী এমন ইনফরমেশান আছে আমাদের হাতে? বুড়ো লোক, পাখি মারার ক্রিমিনাল রেকর্ডস?

    —সেটাও করে দেখতে পার, তবে ক্রিমিনাল রেকর্ডস ঘেঁটে বিশেষ লাভ হবে বলে আমার মনে হয় না।

    —তাহলে আর কোন ডেটাবেস? ভোটার লিস্ট মেলাব? সিদ্ধার্থের কথা শুনে তৃতীয় ব্যক্তিটি ফিক করে হেসে ফেলল।

    আমি সিদ্ধার্থের ফাইলের থেকে একটি সাদা কাগজ টেনে নিলাম। পকেট থেকে পেন বের করে লিখলাম—বয়েস সত্তর, দা ফল অফ এ স্প্যারো, বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদীয়া, ২৪ পরগনা।

    সিদ্ধার্থ অবাক, জিজ্ঞাসা করল-এর মানে কী?

    —মানে হয়তো কিছুই না, কিন্তু আমি একটা চান্স নিতে চাইছি। অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার থেকেও অনেক বেশি আন্দাজে ছোড়া ঢিল।

    —বয়েস সত্তর বুঝতে পারলাম। কিন্তু ফল অফ স্প্যারোটা কী বস্তু? এই জেলাগুলিরই বা কোন ডাটাবেস সার্চ করব?

    —কাজটা খাটনির জানি, ফলও না মিলতে পারে। তবে কাজটা না-করলে আমার একটা আক্ষেপ থেকে যাবে। ফল অফ আ স্প্যারো একটা বই-এর নাম। পক্ষীবিদ সালিম আলির লেখা। অন্য একটা সূত্রে আমি এই বইটির নাম জানতে পেরেছিলাম। খুবই বিখ্যাত বই, আত্মজীবনী।

    —ওয়েট ওয়েট, আপনি কি লাইব্রেরি সার্চের কথা ভাবছেন?

    —অবশ্যই তাই। ধরে নিচ্ছি খুনি এই বইটির সঙ্গে পরিচিত। বিগত দশকে সে এই বইটা লাইব্রেরি থেকে তুলে পড়েছে। কিনে পড়েনি, লাইব্রেরি থেকে তুলেই পড়েছে, এটাও ধরে নিলাম। এই ছটা জেলার মহকুমা আর জেলা লাইব্রেরি থেকে কতজন এই বইটা চেক আউট করেছে আমি জানতে চাই। যতদিন লাগে লাগুক, কিন্তু এই ইনফরমেশানটা চাই।

    সিদ্ধার্থ হতোদ্যম হয়ে বলল—কোথায় একটা গোয়ারতুমি হয়ে যাচ্ছে কানাইদা। আমি পরপর সমস্যাগুলো বলছি, কেমন! প্রথমত আপনি খুনির একটা মেরিট লেভেল কল্পনা করে নিচ্ছেন, সেটা একপেশে কল্পনা। খুনি পড়ুয়া হবে, এর কোনো প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। দ্বিতীয়ত, সাবডিভিশনাল আর ডিস্ট্রিক্ট লাইব্রেরিগুলো ছাড়াও জেলায় অসংখ্য সরকারি, আধা সরকারি আর ক্লাবের লাইব্রেরি আছে। তাদের কাছেও এই বইটা থাকতে পারে। আমাদের সার্চ স্পেসের বাইরেই সেই হিসেব থেকে যাচ্ছে। আর লাস্টলি, এতসব ভেবেও যদি সার্চ করতে যাই, তা খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার শামিল হবে। লাইব্রেরিগুলোর ডিজিটালাইজেশান এখনও হয়নি। ম্যানুয়ালি এই গোটা খবরটা জোগাড় করতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। লাইব্রেরির খাতা মিলিয়ে খুঁজতে হবে।

    —তোমার প্রথম দুটো বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। এটা একটা চান্স, আমি জুয়াটা খেলছি। হাজার খানেক সাসপেক্টের নাম পাওয়া গেলেও, সংখ্যাটা কমই আমার মতে। স্টোনম্যানের সময় লালবাজারের হাতে দশহাজারের কিছু বেশি সম্ভাব্য খুনির নাম ছিল। এটাও ঘটনা যে আমি ধরে নিচ্ছি খুনির পাঠাভ্যাস আছে। ক্রিমিনাল প্রোফাইলিং করার সময় গোয়েন্দার কল্পনা তো তাতে মিশবে। এটাকে এড়ানো যাবে না। লাস্টলি, লাইব্রেরির খাতা উলটানোর ব্যাপারটা আদৌ তেমন নয়। অনেকদিন বোধহয় লাইব্রেরি যাওয়া হয় না তোমার। সেলফে বইটা থাকলে বই-এর বাইন্ডিং-এ বরোয়িং স্লিপ থাকবে, বইটা লাইব্রেরিতে আসা ইস্তক কারা কারা চেক আউট করেছে তাদের কার্ড নাম্বার স্লিপ থেকে পাওয়া যাবে। সেই নাম্বার ধরে লাইব্রেরির খাতা মেলালে মেম্বারের নাম, বয়েস, অ্যাড্রেস ইত্যাদি তথ্য বেরিয়ে আসা উচিত।

    সিদ্ধার্থ মাথা নেড়ে বলল—বইটা কলে থাকলে?

    —কল ব্যাক করা হবে। মেম্বারকে চিঠি করে বইটা ফেরত নিয়ে আসা হবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেলিকমে বসে কল ট্যাপিং করছ আর এই সার্চটা করতে পারবে না!

    —আরে, আপনি কলট্যাপিং-এর কেসের সঙ্গে এই কেসের তুলনা করছেন, কী ধরনের কেসে কল ট্যাপ হয় আপনি তো জানেন। সিদ্ধার্থ গলা নামিয়ে বলল।

    আমি কনফারেন্স রুমের চেয়ারে গা এলিয়ে দিলাম। সিগারেট ধরালাম। ভবনের ভেতরে তখনও স্মোক ডিটেকটার বসেনি, সিগারেট নিয়ে কড়াকড়ি আজকের তুলনায় বেশ কম।

    —একটা গল্প বলি তোমাকে, শোন।

    সিদ্ধার্থ বড়ো বড়ো চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    —কোথা থেকে এই গল্পটার উৎপত্তি আমি জানি না, একটা ক্রাইম কনফারেন্স অ্যাটেন্ড করতে আমাকে দেরাদুন যেতে হয়েছিল। প্রধান অতিথি ছিলেন, পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা ডুডেজা, এখন প্রয়াত, জীবদ্দশায় কমব্যাট ট্যাকটিক্সে তার মতো প্রবল পাণ্ডিত্য এদেশে অন্তত আর কারওর ছিল বলে আমার জানা নেই। পদাতিক আর নৌসেনার ক্রিয়াকৌশল আর ইতিহাস গুলে খেয়ে মিশিয়ে দিয়েছেন। কনফারেন্সে ডা ডুডেজা, প্রদীপ জ্বালিয়ে উদবোধন করে দু-চারটে কথা বলবেন, আমি মূলত সেটুকু শুনতেই গেছিলাম। এই গল্পটা ডা ডুডেজার মুখে শোনা। রাজার বিরুদ্ধে একদল বিদ্রোহী সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। অভ্যুত্থান পুরোপুরি সফল হয়নি আবার পুরো ব্যর্থ—তাও বলা যাবে না। সৈন্যসামন্ত নিয়ে বিদ্রোহীরা রাজধানী অবধি পৌঁছোতে পারেনি। যদিও দেশের একটা বড়ো অংশ তাদের দখলে চলে গেছে। সে অঞ্চলে আর রাজার শাসন নেই। রাজা ভাবছে বরাতজোরে খুব বেঁচে গেছেন। সেনাপতি ভাবছে রাজার অনুগত সেনার কর্মকুশলতাতেই বিদ্রোহীদের রাজধানীতে আসা আটকানো গেছে, কিন্তু এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। বিদ্রোহীদের মতলব ভালো না। রাজধানীর বাইরে তারা আপাতত চুপচাপ আছে, সুযোগ বুঝে শক্তি বাড়িয়ে ফের মাথা তুলবে। দেশের অংশ নয়, গোটা দেশটাতে তারা শাসন করতে চায়। অন্যদিকে, রাজাকে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না, তিনি মানতে পারছেন না যে দেশের একটা বড়ো অংশে তার কথা চলবে না। তিনি সেনাপতিকে আদেশ দিলেন যে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ফের সামরিক অভিযান করতে হবে। বিদ্রোহীদের তুলনায় রাজার অনুগত বাহিনী অনেক বড়ো। সেখানে হাতিঘোড়া, সৈন্যসামন্ত আর অস্ত্রের অভাব নেই। সেনাপতি অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ মানুষ তবে বয়েসের ভারে ন্যুব্জ এবং আত্মতুষ্ট। বহু যুদ্ধে জেতবার খেতাব তার মাথায় রয়েছে। তিনি বুদ্ধি খাটিয়ে একটি যুদ্ধনীতি বানালেন। তার সৈন্যরা চারদিক থেকে প্রথমে বিদ্রোহীদের ঘিরে ধরবে, তারপর ধীরে ধীরে ফাঁস গুটিয়ে আনবে। যেভাবে অজগর শিকার ধরে, তাকে পেঁচিয়ে ধরে পিষে মারে। পরিকল্পনাটির নামও তাই দেওয়া হল—অজগরনীতি। মুশকিল হল, দেশ তো আর অজগরের ফাঁসে পড়া খরগোশ নয়, বিদ্রোহীরা দেশের হাজার হাজার মাইল জায়গা দখল করে রেখেছে। তার একটা বড়ো অংশ পাহাড়-নদী আর জঙ্গলে ঘেরা। রাজা কিন্তু সেনাপতির বুদ্ধিমত্তার ওপর ভরসা রাখলেন। অভিযান শুরু হল। ছোটোখাটো সংঘাত জারি রইল, মাঝারি মাপের কয়েকটি মুখোমুখি যুদ্ধ হল, দুপক্ষ কয়েক রাউন্ড কামান দাগলে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফাঁসটি কিছুতেই তৈরি হচ্ছিল না। ফাঁস বানাবার জন্য মাঝেমধ্যেই সেনারা রাজধানী থেকে এতদূরে চলে যাচ্ছিল যে তাদের কাছে রসদ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। পাহাড় পর্বত অতিক্রম করে ফাঁসটিকে আঁটোসাটো করে রাখাও দুষ্কর। বিদ্রোহীদের ক্রমাগত বাধা তো ছিলই। বছর ঘুরতে চলল, যুদ্ধ অবিরাম চলছে, জিনিসের দাম বাড়ছে, সৈন্যদের মৃত্যু হয়ে চলেছে, সেনাপতি ফাঁস বানানোর নানা পরিকল্পনা তখনও করে চলেছেন। অবশেষে রাজার ধৈর্যচ্যুতি ঘটল। বুড়ো সেনাপতিকে বরখাস্ত করে রাজা সহ সেনাধ্যক্ষকে বাহিনী পরিচালনার দায়ভার দিলেন। সহ-সেনাধ্যক্ষের বয়েস ছিল কম। মাথামোটা বলেও বাহিনীতে তার দুর্নাম ছিল। সে বললে, অনেক হয়েছে, এত জটিল আর সূক্ষ্ম পরিকল্পনার কোনো প্রয়োজন নেই। রাজার বাহিনীতে সৈন্যের সংখ্যা বিদ্রোহীদের থেকে কয়েকগুণ বেশি, তাহলে কেন আমরা সর্বশক্তি দিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে যাব না। সেই যুদ্ধ ভয়ংকর হবে, রক্তক্ষয়ী হবে, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে বিদ্রোহীদের পতন নিশ্চিত করবে।

    সিদ্ধার্থ অসহিষ্ণু হয়ে বলল- শেষটা বুঝে গেছি, নীতিবাক্যও মেনে নিলাম। একটা ক্রড সার্চ, হয়ে যাবে, হোক। বলে সে আর তৃতীয় ব্যক্তিটি কনফারেন্স রুম ত্যাগ করল।

    আমি টেবিলের নীচে পা ছড়িয়ে দিয়ে সিগারেটে শেষ টান দিতে দিতে ভাবলাম-আমার গল্পের গুঁতোয় ডিসি-এসিরা কাত হয়ে যাচ্ছে, সিদ্ধার্থ তো সামান্য জুনিয়র অফিসার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }