Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প241 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. অদৃশ্য মানুষ

    বছরের এ সময়টাতে বাতাস এখানে খুব অশান্ত হয়ে ওঠে। দুপুরের পর থেকেই বইতে থাকে ঝড়ো হাওয়া। অবিরাম তুষার কণা ঝরতে থাকে। লোকজন এখন সহজে ঘরের বাইরে আসে না। কখনও সামুদ্রিক ঝড়ের মতো মনে হয় আবহাওয়াটাকে । ইংল্যান্ডের এ অঞ্চলের গ্রামগুলোতে তাই বেশির ভাগ লোকজন বছরের এ সময় ঘরে আগুন জ্বেলে বসে থাকে। গ্রামের হাটগুলোতে তখন প্রচুর বুনো তিতির পাখি বিক্রি হতে দেখা যায়। লোকজন ঘরে বসে তিতিরের ঝলসানো মাংশ খেতে পছন্দ করে ।

    এ রকম এক শীতার্ত সন্ধেবেলায় ইপিং গ্রামের সরাইখানার সামনে একটি অদ্ভুত ধরনের লোক এসে দাঁড়াল। লোকটির সমস্ত শরীর ব্যান্ডেজে মোড়া। মুখটাও ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচানো। গ্রামের কুকুরগুলো ওই। লোকটিকে ওভাবে দেখে চিৎকার করছিল। সরাইখানাটি চালান মিসেস হল। তিনি কুকুরগুলোর চিৎকার শোনেন। তার কাছে মনে হয় কুকুরগুলো যেন প্রচণ্ড ভয় পেয়ে ডাকছে । কাঠের বারান্দায় মানুষের উঠে আসার শব্দ। এই রকম তুষার ঝরা সন্ধেবেলায় আবার কে এলো।

    মিসেস হল বাতি হাতে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন । দেয়ালে তার ছায়া কাঁপছে। বিচিত্র ধরনের সেই আগন্তুককে দেখে মিসেস হল-এর শরীর কেমন যেন শিরশির করে উঠল। আগন্তুকের মুখ ভালো করে দেখা যাচ্ছে না। ব্যান্ডেজে ঢাকা।

    আমার জন্যে একটি থাকার ঘর দিন। নিরিবিলি দিকে দেবেন। ঘরে যেন আগুনের ব্যবস্থা থাকে। প্রচণ্ড শীত পড়েছে এবার।

    আসুন।

    মিসেস হল আগন্তুককে কোণার ঘরটিতে নিয়ে যান।

    আশা করি এই ঘরটি আপনার নিশ্চয়ই পছন্দ হবে। আপনি এবার বিশ্রাম নিন। আমি আপনার জন্যে গরম স্যুপ নিয়ে আসছি।

    আগন্তুক ঘরে ঢোকে।

    কিছুক্ষণ পর মিসেস হল ধোঁয়া ওঠা স্যুপের একটি বাটি নিয়ে প্রবেশ করেন। ঘরে ঢুকে একটু বিস্মিত হন মিসেস হল। আগন্তুক তখনও ঘরের মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার মাথা অনাবৃত। সমস্ত মুখমণ্ডল ব্যান্ডেজে ঢাকা। স্যুপের বাটিটিকে টেবিলে রেখে মিসেস হল বলেন, আমি জানতাম না যে আপনি একটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন। আপনি এতটা আহত।

    আগম্ভক বলে, আমি এখানে এসেছি নিরিবিলিতে আমার গবেষণার কাজ চালাতে। আমি চাইব না কেউ আমাকে অযথা বিরক্ত করুক। আমার কাজে কোনো রকমের ব্যাঘাত ঘটাক। আগামীকাল ভোরে আমার মালপত্র এখানে এসে পৌছাবে।।

    মিসেস হল ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। তার কাছে লোকটিকে কেমন যেন অস্বাভাবিক ধরনের বলে মনে হলো

    পরদিন সকালে লোকটির মালপত্র এসে হাজির হলো সরাইখানাতে। লোকটি বেরিয়ে এলো তার ঘর থেকে। বেয়ারাকে বলল মালগুলো তার ঘরে নিয়ে যেতে। লোকটিকে দেখেই কোথেকে একটা কুচকুচে কালো কুকুর তীব্র বেগে ছুটে এলো। এসে লোকটির বাঁ পায়ে কামড় বসাল। তারপর লোকটির প্যান্টের এক টুকরো ছিড়ে নিয়ে দৌড়ে পালাল। ঘটনাটি ঘটে গেল আকস্মিক সরাইখানার বেয়ারারা তখন অবাক হয়ে বলাবলি করছিল লোকটির পোশাকের নিচে কোনো শরীরের অংশ দেখা যায়নি। সেখানে ছিল শূন্য জায়গা।

    রাতের বেলায় মিসেস হল আগন্তুকের ঘরে গেলেন খাবার নিয়ে। আসার শব্দ শুনে ঘুরে তাকাল আগন্তুক। মিসেস হল চমকে দেখলেন লোকটির চোখের কোটরে ঘন অন্ধকার । তাড়াতাড়ি লোকটি তার চশমা পরে নিল।

    আমি ভেবেছিলাম আপনি দরজায় টোকা দিয়েছেন।

    আমি ঠিকই টোকা দিয়েছি। কিন্তু আপনি গবেষণার কাজে এত ব্যস্ত ছিলেন যে সে শব্দ বোধ হয় শুনতে পাননি।

    দেখুন, আমার গবেষণার কাজটি বেশ জরুরি। একটু বাঁধা পেলেই আমার বেশ অসুবিধে হয়।

    মিসেস হল তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    ইপিং গ্রামের লোকজন সরাইখানার সেই রহস্যময় আগন্তুককে নিয়ে বেশ কৌতূহলী ছিল। তাকে সরাইখানার বাইরে আসতে বেশি দেখা যেত না । দিনরাত সে ঘরের ভেতরে দরজা বন্ধ করে গবেষণার কাজ করত। এর মধ্যে কয়েক মাস কেটে গেছে।

    ইপিং গ্রামের একজন প্রবীণ চিকিৎসক একদিন লোকটির সঙ্গে পরিচয় হতে এলো। চিকিৎসক সরাইখানার বেয়ারাদের কাছে শুনেছিল তারা নাকি দেখেছে লোকটির বাঁ পায়ের নিচে হাড় মাংশের কোনো চিহ্ন নেই। কথা শোনার পর থেকেই ওই বিচিত্র লোকটির প্রতি তার কৌতূহল বেড়েছিল। সরাইখানার কোণার ঘরটির সামনে এসে প্রবীণ চিকিৎসক দরজায় টোকা দিলেন। দরজা খুলে গেল। সামনে সেই ব্যান্ডেজ ঢাকা মুখ। স্বল্প আলো তাকে রহস্যময় দেখাচ্ছে।

    শুনলাম আপনি গবেষণা করছেন। তাই আপনার সঙ্গে পরিচিত হতে এলাম।

    আগন্তুক তখন করমর্দনের জন্যে পকেট থেকে হাত বের করল। চিকিৎসক বিস্মিত হয়ে দেখলেন তার সামনে শুধু কোটের হাতাটি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে কোনো রকমের হাত নেই।

    এ কি! আপনার হাত কই?

    এই যে।

    আগন্তুক তখন তার হাতটি বাড়িয়ে দিয়ে চিকিৎসকের নাকের ডগাটা ছুঁয়ে দিল। চিকিৎসক নাকের ডগায় তখন শীতল আঙ্গুলের স্পর্শ অনুভব করলেন। কিন্তু কোনো হাতকে দেখতে পেলেন না। তার শরীর ভয়ে থরথর করে কেঁপে উঠল। একী ভুতুড়ে কাণ্ড। তিনি তখন দৌড়ে পালালেন।

    এর কিছুদিন পর সরাইখানার এক ঘর থেকে এক থলি টাকা চুরি হলো । সে ঘরের দরজাটি ছিল খোলা।

    একদিন মিসেস হল সেই রহস্যময় আগন্তুকের ঘরে তার খোঁজে গেলেন। ঘরটি খোলা। আগন্তুককে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। এদিক ওদিকে তাকালেন মিসেস হল। হঠাৎ দেখা গেল একটি মাথার টুপি শূন্যে ভাসছে। একটি কাঠের চেয়ার মেঝে থেকে শূন্যে উঠে গেল। তারপর তার দিকে ছুটে এলো। যেন তাকে কেউ চেয়ার দিয়ে আঘাত করতে চাইছে। মিসেস হল দারুণ ভয় পেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। অমনি ঘরের দরজাটা সশব্দে বন্ধ হয়ে গেল। মিসেস হল শুধু আতঙ্কিত মুখে বিড়বিড় করে বললেন, শয়তান, আমার সরাইখানার আসবাবপত্রে শয়তান এসে ভর করেছে। অশুভ আত্মা এসেছে এখানে।

    মিসেস হল ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পাহারায় রইলেন। দুপুরের দিকে দেখা গেল আগন্তুক তার কোণার ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে। সিঁড়ি দিয়ে নামল। মিসেস হল বললেন, কী আশ্চর্য, আপনি ভেতরে! আমি তো ভেবেছিলাম যে আপনি বাইরে গিয়েছেন। আপনি ঘরে এলেন কখন? কারণ যারা এই সরাইখানায় থাকে তারা সবাই একই দরজা দিয়ে আসে। আপনি কী করে এলেন তা আমি জানতে চাই।

    মিসেস হলের প্রশ্নে আগন্তুক রেগে গেছে বোঝা গেল।

    আপনি বোধ হয় ধারণা করতে পারেননি আমি কে বা কি। দেখুন। তাহলে আমি কি।

    এ কথা বলে আগন্তুক তার মাথার টুপিটি তুলে ধরল। তার চোখ থেকে চশমা সরাল। সঙ্গে সঙ্গে মিসেস হল অবাক বিস্ময়ে দেখলেন ওই চোখের জায়গাটি শূন্য। মাথার স্থানে বিরাট গর্ত। আগন্তুক তার মুখে বাঁধা ব্যান্ডেজ খুলতে লাগল। চড়চড় করে খুলে যেতে লাগল পেঁচানো বাঁধন। ব্যান্ডেজ খোলার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল কোট-প্যান্ট পরা একটি মাথাহীন দেহ দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ রকম অদ্ভুত দৃশ্য দেখে সরাইখানার বাকি লোকজন ভয়ে চিৎকার করতে লাগল। মিসেস হল ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলেন। একজন গিয়ে পুলিশকে ডেকে আনে। পুলিশটা তখন সামনের পথ দিয়ে যাচ্ছিল।

    কই, কী হয়েছে শুনি? কিসের এত গণ্ডগোল?

    বলতে বলতে লম্বা পুলিশটা ঢুকল। লোকজন তাকে সেই মুণ্ডহীন দেহটাকে দেখিয়ে দিল । কেউ কেউ চিৎকার করছিল ভূত, ভূত বলে ।

    কিসের ভূত! আমি ভূতের নিকুচি করছি। আমার সঙ্গে কিনা বুজরুকি।।

    পুলিশটা লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে এসে দাঁড়াল আগন্তুকের সামনে।

    আগম্ভক তখন গম্ভীর কণ্ঠে বলে, সামনে থেকে সরে যাও বলছি ।

    কি, আমাকে আবার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। এত বড় স্পর্ধা!

    বলে পুলিশটা লাফিয়ে এসে আগন্তুকের গলা চেপে ধরে। আগন্তুক তখন পুলিশটির নাক বরাবর এক ঘুষি চালায়। সেই আঘাতে ছিটকে পড়ে যায় পুলিশটি। প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছে সে। তার নাক ফেটে দরদর করে রক্ত পড়তে থাকে। অদৃশ্য আগন্তুক তখন তার পোশাক খুলে ফেলল।

    হতভম্ব হয়ে গেছে পুলিশসহ বাকি সবাই। আগম্ভক বলল, তোমরা আমাকে মোটেই দেখতে পাবে না। আমি তোমাদেরই মতো মানুষ। কিন্তু আমার এক আশ্চর্য ধরনের ক্ষমতা রয়েছে। আমি অদৃশ্য।

    সরাইখানার খোলা দরজা গিয়ে অদৃশ্য মানুষ বাইরে বেরিয়ে গেল। কয়েকজন লোক ভয়ার্ত কণ্ঠে শুধু বলল, অদৃশ্য মানুষ! তাকে আর ধরা যাবে না।

    সেদিন শেষ বিকেলের দিকে ইপিং গ্রামের এক বয়স্ক চাষি বসেছিল পাইন বনের কাছে। চারপাশে ঝোপঝাড়। ছোট ছোট মৌটুসি পাখিরা উড়ছে। চাষিটি বসেছিল একটি পাইন গাছের নিচে। হঠাৎ সে মানুষে গলার শব্দ শুনতে পেল। চারদিকে তাকিয়ে চাষিটি কাউকে দেখতে পেল না। ঘাসফড়িঙ বিনবিন করছে। আবার শব্দ শোনা গেল।

    কে?

    চমকে উঠল চাষি।

    তোমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি তোমার ঠিক সামনেই রয়েছি।

    মানে। তুমি আমার শরীরের ভেতর দিয়ে সব কিছু দেখছ । তুমি কি বাতাস?

    না, আমি একজন মানুষ।

    মানুষ!

    অদৃশ্য মানুষ।

    চাষিটি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। সে অদৃশ্য মানুষের কথা গত ক’দিন ধরে শুনছে। গ্রামের বিভিন্ন লোক অদৃশ্য মানুষের বিভিন্ন বিচিত্র ঘটনা বলাবলি করছিল।

    তুমি যে মানুষ তা আমি বুঝতে চাই। তোমার হাতটা দাও তো।

    অদৃশ্য মানুষ তখন চাষিকে তা দিয়ে জড়িয়ে ধরল। বৃদ্ধ চাষি শিউরে উঠল সেই শিরিশিরে স্পর্শে।

    শোন, আমি তোমার কাছে সাহায্য চাইছি। তুমি আমাকে পোশাক, খাদ্য আর আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করবে। প্রতিদানে আমি তোমার অনেক কাজ করে দেব। বুঝতেই পারছ, অদৃশ্য হয়ে থাকার জন্যে আমার রয়েছে প্রচুর ক্ষমতা। কিন্তু তুমি যদি আমার সঙ্গে কোনোরকম বিশ্বাসঘাতকতা করো তবে কেউ তোমার মৃত্যু রোধ করতে পারবে না।

    বৃদ্ধ চাষি বুঝল অদৃশ্য মানুষের পাল্লায় পড়ে গেছে সে। সহজে তার হাত থেকে নিস্তার নেই। তাই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেল।

    এরপরের দু দিন চাষি অদৃশ্য মানুষের জন্যে অনেক কাজ করে দিল। অদৃশ্য মানুষ বিভিন্ন নির্দেশ দিয়ে কাজ করাল। এক সময় ক্লান্ত, অবসন্ন হয়ে পড়ল চাষি। তার স্নায়ুর উপর প্রবল চাপ পড়ছিল। এ রকমের অস্বাভাবিক পরিবেশে আগে আর কখনও পড়েনি সে। যে মানুষকে চোখে দেখা যায় না তার জন্যে কাজ করে দিতে হচ্ছে। সে মনে মনে ভাবছিল কীভাবে এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একদিন সুযোগ পেয়ে প্রাণপণে বনপথ দিয়ে ছুটতে লাগল। অদৃশ্য মানুষটাও তখন তার পিছু নিল। বৃদ্ধ চাষি চিৎকার করতে করতে ছুটছিল।

    আমাকে তাড়া করছে। সে আসছে।

    পথচারীরা তার সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। তাদের কেউ কেউ অবাক হয়ে। জিজ্ঞেস করছে, কে আসছে?

    অদৃশ্য মানুষ আসছে। আমাকে তাড়া করছে।

    সামনে একটা সরাইখানা দেখতে পেয়ে তার ভেতরে ঢুকে পড়ল চাষিটি। তার কথা শুনে সরাইখানার বাকি লোকেরা দরজা জানালা ঝটপট বন্ধ করে দিল। কেউ কেউ পিস্তল নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল অদৃশ্য মানুষের জন্যে। হঠাৎ দেখা গেল চাষিটি মাটিতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। কেউ যেন তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। চাষিটি মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল। আর আর্তনাদ করে বলতে লাগল, অদৃশ্য মানুষ আমার গলা চেপে ধরেছে।

    অনেকেই এগিয়ে এলে তাকে সাহায্য করতে। কিন্তু অদৃশ্য ঘুষির আঘাতে সবাই ছিটকে গেল। কিছুক্ষণ পর সরাইখানার দরজা খুলে অদৃশ্য মানুষ বেরিয়ে গেল।

    সরাইখানার ভেতরের লোকগুলো পিস্তল হাতে বেরিয়ে গেল। তারা বাইরে এসে চারদিকে গুলি ছুড়তে লাগল। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করল অদৃশ্য মানুষের মৃতদেহের জন্যে।

    সরাইখানার কিছু দূরেই ছিল ডাক্তার কেম্পের বাড়ি। তার কানেও গেল গুলির শব্দ। কৌতূহলী হয়ে ডাক্তার কেম্প পেছনের বারান্দায় গেলেন। পাখি শিকার করছে নাকি কেউ? এ সময় বুনোঁহাসের ঝাঁক আসে এ দিকের হ্রদে। হঠাৎ ডাক্তারের মনে হলো পেছনের বাগানে কেউ যেন শুকনো পাতা মাড়িয়ে ছুটে যাচ্ছে। ডাক্তার সেখানে কাউকে দেখতে পেলেন না।

    এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার কেম্পের বাড়ির দরজায় শব্দ শোনা গেল। কেউ যেন টোকা দিচ্ছে। ডাক্তারের বাড়ির কাজের মেয়েটি দরজা খুলল। কিন্তু কাউকে দেখতে পেল না।

    সেদিন অনেক রাত পর্যন্ত ডাক্তার কেম্প কাজ করলেন। পড়াশোনা করলেন। কাজ শেষে দোতলার নিজের শোবার ঘরের কাছে এলেন। বিস্মিত হয়ে দেখলেন দরজার হাতলে রক্তের দাগ। দরজা খুললেন। মেঝেতে রক্তের চিহ্ন। আর বিছানার চাদরটা পড়ে আছে মাটিতে। একপাশ ঘেঁড়া। হঠাৎ তিনি শূন্যে একটা রক্তাক্ত ব্যান্ডেজ দেখতে পেলেন। কে যেন তাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলল। একটা অদৃশ্য কণ্ঠ শোনা গেল, ডাক্তার, একদম চিৎকার করবে না। আমিই হলাম সেই অদৃশ্য মানুষ। আমি এখন আহত। তাই তোমার সাহায্য দরকার।

    ডাক্তার কেম্প অবাক হয়ে শুনতে লাগলেন অদৃশ্য কণ্ঠস্বর।

    আমার নাম গ্রিফিন। আমি ছিলাম বেলাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের ছাত্র। আমি নিজেকে অদৃশ্য মানুষে পরিণত করেছি।

    ডাক্তার কেম্প বললেন, আমি গ্রিফিন নামের একজন মেধাবী ছাত্রের কথা শুনেছিলাম। যে রসায়নে সোনার পদক পেয়েছিল।

    আমিই সেই ছাত্র। কিন্তু তোমার এই পরিণতি কেন?

    সব পরে বলব। এখন আমি আহত। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। কয়েকটি গুলি লেগেছে। এখন আমার চিকিৎসার খুব প্রয়োজন ডাক্তার।

    ডাক্তার কেম্প তখন তার চিকিৎসা শুরু করলেন। চিকিৎসা করতে করতে বললেন, তুমি এমন অদৃশ্য হলে কী করে?

    গবেষণা করতে করতে এই অদ্ভুত ক্ষমতাটি পেয়েছি। প্রথমে ভেবেছিলাম এই রহস্য শুধু আমার নিজের কাছেই রাখব। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমার একজন অংশীদার প্রয়োজন।

    রাতের বেলায় ডা. কেম্প সেখানকার পুলিশের বড় কর্তার কাছে সব জানিয়ে একটি চিঠি লিখে লোক মারফত পাঠিয়ে দিলেন।

    সকাল বেলায় খাবার টেবিলে এসেছেন ডা, কেম্প। তার সঙ্গে বসেছে অদৃশ্য মানুষ।

    আমি তোমার রহস্য জানতে চাই।

    রুটিতে জেলি মাখাতে মাখাতে ডা, কেম্প বললেন। অদৃশ্য মানুষও খাচ্ছিল। সে বলতে লাগল, আমি উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছিলাম চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়তে থাকি। আমার একটি প্রিয় বিষয় ছিল আলোক রশ্মি। এই রশ্মির গভীরতা আমাকে যথেষ্ট ভাবিয়ে তুলত। আশ্চর্য করত । এরপর আমি শারীরবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে থাকি। আমার কাছে একটি সত্য ধরা পড়ে। সে হলো, মানুষের হাড়, মাংশ ও অন্যান্য সব কিছু শুধু রক্তকণিকা ছাড়া অদৃশ্য রঙবিহীন কোষ দ্বারা গঠিত।

    আমার মাথায় তখন নতুন ধরনের চিন্তা এলো। একদিন জানতে পার লাম গবেষণা করে রক্তকেও অদৃশ্য বা সাদা করা যায়। এরপর থেকে আমার একটাই ধ্যান। আমি অদৃশ্য হবে। তিন বছর ধরে একাগ্রভাবে গবেষণা করলাম। অবশেষে সফল হলাম। তৈরি করতে পারলাম সেই বিশেষ ওষুধ। একদিন রাতে সেই ওষুধ খেলাম। সারা রাত ধরে ওষুধটি আমার শরীরের ভেতরে কাজ করল। ভোরবেলায় আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালাম। সেখানে আমার কেননারকম প্রতিচ্ছবি দেখতে পেলাম না। আমি অদৃশ্য মানুষে পরিণত হলাম।

    অন্য কেউ যাতে এসব গোপন তথ্য জানতে না পারে সে জন্য গবেষণার সমস্ত কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেললাম। তারপর বেরিয়ে গেলাম পথে।

    আশ্চর্য, আমাকে কেউ দেখতে পাচ্ছে না। অথচ আমি সবাইকে দেখছি। কখনও ধাক্কা খেলাম পথ চলতি মানুষের সঙ্গে। পথচারীরা অবাক হয়ে এদিক-ওদিক তাকাল । কিন্তু তারা কাউকে দেখতে পেল না। হালকা বরফের উপর আমার পায়ের দাগ দেখতে পেয়ে ছোট ছেলেমেয়েরা আশ্চর্য হয়ে চেঁচামেচি করল।

    ধীরে ধীরে আমার বিভিন্ন অসুবিধে দেখা দিতে লাগল। সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে উঠল। খাওয়া, থাকা, পোশাক পরা সব কিছুতেই আমার বেশ সমস্যা হচ্ছিল। আমি তখন হয়ে পড়লাম একাকী। ক্ষুধা আর শীত আমাকে কাবু করে ফেলল। মুখ ঢেকে রাখলাম ব্যান্ডেজে। কিন্তু আমার জীবন ক্রমশ দুর্বিষহ হয়ে উঠল। আবার আমি মানুষের মতো শরীর পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করতে লাগলাম । তাই চলে এলাম ইপিং গ্রামে। আশ্রয় নিলাম এক সরাইখানাতে। সেখানে একটি ঘরে শুরু করলাম গবেষণার কাজ।

    ডা, কেম্প, এই কাজে জয়ী হতে আমাকে অনেক গবেষণা করতে হয়েছে। আমার এখন একজন বন্ধুর বিশেষ প্রয়োজন। আমি একটি জায়গা চাই থাকার জন্যে। নিয়মিত খাবার চাই। বিশ্রাম নেবার পরিবেশ চাই। কিন্তু আমার একার পক্ষে এসব করা সম্ভব হবে না। তাই তোমার সাহায্য চাইছি। আমরা দুজনে একত্র হয়ে সহজেই এক বিভীষিকাময় রাজত্ব চালাতে পারব। আমি নির্দেশ দেব। যারা আমার নির্দেশ মানবে না তাদের আমি হত্যা করব।

    ডাক্তার কেম্প বলেন, কেন তুমি তাদের হত্যা করবে?

    লোকের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করার জন্যে। সন্ত্রাস সৃষ্টি করার জন্যে।

    এমন সময় নিচতলায় মানুষের হইচই শোনা গেল। কয়েকজন লোক ভারী বুট জুতোর শব্দ কাঠের সিড়ি তুলে আসছে। | অদৃশ্য মানুষ চিৎকার করে বলল, বুঝতে পেরেছি পুলিশ আসছে। তুমি আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছ।

    এ কথা বলে অদৃশ্য মানুষ তার পোশাক খুলে ফেলতে লাগল।

    ডা, কেম্প তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন। কিন্তু অদৃশ্য মানুষ শক্তি প্রয়োগ করে ঠেলে দরজাটা খুলে ফেলল। তারপর ডা. কেম্পকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসা পুলিশদেরও ধাক্কা দিয়ে গড়িয়ে নিচে ফেলে দিল। তারপর ডা. কেম্পের বাড়ির দরজা একবার খুলল ও বন্ধ হলো । ডা. কেম্প অসহায়ের মতো চিৎকার করে উঠল, অদৃশ্য মানুষ চলে গেল।

    পুলিশেরা ডা, কেম্পকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। সবার মনেই ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। অদৃশ্য মানুষ এখন ক্রোধে ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় গ্রামে ঘিরে সে বিভীষিকার সৃষ্টি করবে। হত্যালীলা চালাবে। ডা. কেম্প বললেন, অদৃশ্য মানুষ যাতে খেতে, ঘুমাতে ও বিশ্রাম নিতে না পারে সেদিকটায় এখন বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

    এরপরের কয়েক ঘণ্টা অদৃশ্য মানুষের কোনো খবর পাওয়া গেল না। আশেপাশে গ্রামবাসীরা সতর্ক হয়ে উঠল।

    সেদিন বিকেলে ডা. কেম্প একটি চিঠি পেলেন। তাতে লেখা, অদৃশ্য মানুষের আতঙ্ক শুরু হবে ডা. কেম্পের মৃত্যু দিয়ে।

    ডা. কেম্প তাড়াতাড়ি পুলিশকে সব জানালেন। তার বাড়িঘরের চারদিক বন্ধ করে দেয়া হলো। কড়া পাহারার ব্যবস্থা করা হলো।

    কিছুক্ষণ পর পুলিশের বড় সাহেব এলেন। ডা. কেম্প দেখল শূন্যে একটা পিস্তল উঠে এলো। তারপর গুলি করল পুলিশের বড় সাহেবকে। মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লেন পুলিশের কর্তা। এরপর একটি অদৃশ্য কুড়াল এসে জানালায় আঘাত করতে লাগল । ডা. কেম্প পুলিশদের কয়েকটি লোহার দণ্ড দিলেন প্রতিরোধের জন্যে। হঠাৎ দরজা ভেঙে একটা কুড়াল শূন্য দিয়ে ভেসে প্রবেশ করল।

    অদৃশ্য কণ্ঠস্বর শোনা গেল, সাবধান পুলিশেরা। তোমরা সরে দাঁড়াও। আমি ওই বিশ্বাসঘাতক ডা, কেম্পকে চাই।

    পুলিশরা তখন বলল, আমরা তোমাকে চাই।

    তারপর যেদিক থেকে শব্দ আসছিল সেদিক লক্ষ করে পুলিশরা লোহার দণ্ড চালাতে লাগল। কুড়ালের এক আঘাতে একজন পুলিশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। ডা. কেম্পকে খোঁজে কুড়ালটা। ডা. কেম্প জানালা খুলে রাস্তায় লাফ দিয়ে নামলেন। তারপর প্রাণপণে দৌড়াতে লাগল।

    পেছনে শোনা যাচ্ছে পায়ের শব্দ।

    ডা. কেম্প প্রাণভয়ে দৌড়াচ্ছেন।

    পথচারীরা অবাক হয়ে দেখছে। ডা. কেম্প চিৎকার করছেন, অদৃশ্য মানুষ আসছে। অদৃশ্য মানুষ আমাকে তাড়া করছে।

    এ কথা শুনে পথচারীরাও এলোমেলোভাবে দৌড়াতে শুরু করল। রাস্তার একপাশে একদল খনি শ্রমিক কাজ করছিল। ডা. কেম্প ছুটতে ছুটতে সেখানে এলেন।

    বাঁচান আমাকে। অদৃশ্য মানুষ আমাকে খুন করতে চায়।

    একথা বলে ডা. কেম্প মাটিতে পড়ে গেলেন। তার বুকের উপর চেপে বসলো অদৃশ্য মানুষ। তারপর ডা. কেম্পের গলা টিপে ধরল। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ছটফট করছেন ডা. কেম্প। তার চোখ দুটো যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছে। ডা. কেম্পের এই অবস্থা দেখে একজন খনি শ্রমিক তার হাতের শাবলটি দিয়ে কেম্পের বুকের একটু উঁচু স্থানে খুব জোরে আঘাত করল। সঙ্গে সঙ্গে একটা আর্তনাদের মতো শব্দ শোনা গেল। ডা. কেম্পের গলা থেকে সাঁড়াশির মতো চেপে থাকা অদৃশ্য হাত দুটো ধীরে ধীরে আলগা হয়ে গেল।

    ডা. কেম্প মাটি থেকে উঠে বসলেন। পোশাক থেকে ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন, অদৃশ্য মানুষকে আহত করা হয়েছে। ও এখন মাটিতে পড়ে গেছে। ওর পা দুটো চেপে ধরো।

    ডা, কেম্প হাতড়ে হাতড়ে অদৃশ্য মানুষকে ধরতে পারলেন। রাস্তার একপাশে একটা শরীর পড়ে আছে। চোখে দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু সেটার অস্তিত্ব অনুভব করা যাচ্ছে। ডা. কেম্প তার বুকের উপর ঝুঁকে হৃদস্পন্দন শোনার চেষ্টা করলেন। কোনোরকম নিশ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার শব্দ পেলেন না । ডা. কেম্প বললেন, অদৃশ্য মানুষ মরে গেছে।

    খানিক পরে ওপাশ থেকে এক বৃদ্ধা চিৎকার করে উঠল, ওই তো আমি তার হাত দেখতে পাচ্ছি।

    ধীরে ধীরে অদৃশ্য মানুষটির সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবয়ব নিয়ে ফুটে উঠতে লাগল। সমস্ত লোক নীরবে দাঁড়িয়ে এই অদ্ভুত দৃশ্যটি দেখতে লাগল। চোখের সামনে ক্রমশ ভেসে উঠছে একটি মানুষের শরীর। আকার পাচ্ছে। রক্তমাখা শরীর। শাবলের ক্রমাগত আঘাতে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়েছে।

    একটি চাদর এনে মৃতদেহটাকে ঢেকে দেয়া হলো।

    এইচ.জি, ওয়েলস-এর কাহিনি অবলম্বনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }